What do you think?
Rate this book


142 pages, Paperback
First published October 1, 2001
“জলদ নিনাদ ঘোর পশিল শ্রাবণেপ্রকৃতির বাইরে অন্দরমহলে ষড়ঋতুর পালাবদল কেমন?!
বিজলি চমকে ভয়ে যত নারীগণে
শয্যাপরে অপরাধী প্রাণেশে তখন
অঙ্গে অঙ্গে মিশাইয়া করে আলিঙ্গণ”
“নববারিধারারূপ খর শর-বরিষণেশরতের নীলাকাশ, পুঞ্জ পুঞ্জ সাদা তুলোমেঘ, শিউলির সুগন্ধ, সবুজ ধানখেত, মৃদু শীতল সমীরণ, নির্মল আকাশে উজ্জ্বল চাঁদ ঋতুসংহারে উঠে এসেছে অপূর্ব কারুকাজে। সাথে যুবতীদের সাজসজ্জার বিপুল আয়োজন যা এখনকার মেকআপ সুন্দরীদেরও লজ্জা দেবে!
প্রাদানিছে বড় ব্যাথা প্রবাসীর মনে
”
“রতিশ্রমে ক্ষীণদেহ পাণ্ডুর বদনহেমন্তের পাকা ধানের মাঠ থেকে কবি শীতে গৃহকোণে ফিরেছেন। প্রকৃতি কুয়াশাচাদরে লুকিয়ে, তাই গৃহস্থের জীবনের চিত্রে শীত কিছুটা নির্জীব।
আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে যত নারীগণ,
দন্তক্ষত ওষ্ঠাধর করি দরশন,
উচ্চকণ্ঠে হাসিবারে পারে না এখন ॥
স্তনযুগে করলেখা শোভিছে কেমন
অধরে দশন চিহ্ন করিছে ঘোষণ
নবীন যৌবনা আহা যত নারীগণ
করেছে নির্দয়ে অতি সম্ভোগ সেবন”
“পলাশ কুসুম যত বায়ু ভরে অবনত
প্রজ্বলিত বহ্নি সম চারিভিত্তে শোভিছে;
তাহে নব বধু সম ধরা রাণী অনুপম
রক্ত বাস পরি মধু মধুকালে মোহিছে”