What do you think?


পরশুরামের কঠোর কুঠার
গল্পের জগতে অভিযানে যেতে চান? তবে চলুন, ঝড়ো বাতাসে হাত দিয়ে প্রদীপ আগলে পাহাড়ের দিকে এগিয়ে চলা বালকের সঙ্গী হওয়া যাক। বানদীঘির বাজারে প্রতি রোববার রাত বারোটার পর যে শাকওয়ালা হাজির হয়, তার ধাঁধার উত্তর দেবার চেষ্টা করুন নাহয় একবার! নির্মল বাবুর আয়না যখন কাপে রাখা এক আঁজলা পানির মতো টলটল করে, তখন তার ভেতরে হাত ডুবিয়ে দেখবেন? নাকি চাঁদের আলোয় মাথা তুলে দাঁড়ানো কাকতাড়ুয়াকে প্রশ্ন করবেন?
জলঢুপী কমলার খোঁজ করতে গিয়ে কী নিষিদ্ধ জ্ঞানের সন্ধান পেলে নাজমুল সাহেব? সত্যিই কি কুড়ালের আদেশে মানুষকে কুপিয়ে বেড়ায় কালো চাদরধারী? কাক পোষা বৃদ্ধ কীভাবে সহস্রাব্দ প্রাচীন ভাষায় কথা বলে ওঠেন সহসাই? ম্রিংবাসীরা কেন পৃথিবীর বাসিন্দাদের বর্জ্য দিয়ে ভুরিভোজ সারে? ঈশপের মিথ্যেবাদী রাখালের সাথে মেশিনের সম্পর্ক কী, কীভাবে সে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়? কবর দেয়ার পাঁচদিন পর কীভাবেই বা দৌলতপুরে সশরীরে হাজির হয় ইলিয়াস মিয়া?
কিংবদন্তী, পাপ, অন্ধকার, রহস্য আর অলৌকিকতায় আচ্ছাদিত পরশুরামের কঠোর কুঠার। জাহিদ হোসেনের খোশখেয়ালে স্বাগতম আরও একবার!
জলঢুপী কমলার খোঁজ করতে গিয়ে কী নিষিদ্ধ জ্ঞানের সন্ধান পেলে নাজমুল সাহেব? সত্যিই কি কুড়ালের আদেশে মানুষকে কুপিয়ে বেড়ায় কালো চাদরধারী? কাক পোষা বৃদ্ধ কীভাবে সহস্রাব্দ প্রাচীন ভাষায় কথা বলে ওঠেন সহসাই? ম্রিংবাসীরা কেন পৃথিবীর বাসিন্দাদের বর্জ্য দিয়ে ভুরিভোজ সারে? ঈশপের মিথ্যেবাদী রাখালের সাথে মেশিনের সম্পর্ক কী, কীভাবে সে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়? কবর দেয়ার পাঁচদিন পর কীভাবেই বা দৌলতপুরে সশরীরে হাজির হয় ইলিয়াস মিয়া?
কিংবদন্তী, পাপ, অন্ধকার, রহস্য আর অলৌকিকতায় আচ্ছাদিত পরশুরামের কঠোর কুঠার। জাহিদ হোসেনের খোশখেয়ালে স্বাগতম আরও একবার!
- GenresFantasy
192 pages, Hardcover
First published February 1, 2023
About the author
জাহিদ হোসেন
24 books492 followersজাহিদ হোসেনের জন্ম সিলেটে, বেড়ে উঠা ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় ব্যাংকার হলেও বইপড়ার প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থেকেই লেখালেখিতে আগ্রহ। শুরু অনুবাদ দিয়ে। পরপর দু’টি অনুবাদ প্রকাশিত হয় তার - অ্যাম্বার রুম ও ম্যাক্সিমাম রাইডঃ দ্য অ্যাঞ্জেল এক্সপেরিমেন্ট। তারপর তিনি প্রবেশ করেন মৌলিক লেখালেখির জগতে। মৌলিক থ্রিলার হিসেবে তার প্রথম প্রয়াস ঈশ্বরের মুখোশ যা ২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর একে একে বের হয় ফিনিক্স, কাদ্যুসেয়াস, একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে, দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব, গিলগামেশ, নৈর্ঋত, পরশুরামের কঠোর কুঠার, ইথাকা ও স্বর্গরাজ্য। লেখালেখিতে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য তিনি আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন।
তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 20 of 20 reviews
November 19, 2023
৩.৫/৫
জাহিদ হোসেনের গল্প নিয়ে বিচিত্র কোনো কারণে আগ্রহী ছিলাম না। নেহাত বইটা মেশকাত কিনেছে, তাই পড়া হোলো। বিচিত্র সব প্লট, ততোধিক বিচিত্র সব মানুষ নিয়ে লেখা গল্পগুলো চিরাচরিত জাহিদীয় ধরনের(এর আলাদা একটা নামই হয়ে গেছে - জাহিদীয় ম্যাডনেস।) সবচেয়ে ভালো লেগেছে - কাকতাড়ুয়া, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, মিথ্যেবাদী রাখাল ইত্যাদি। গল্পের টুইস্টগুলো শুধুই চমক দেওয়ার জন্য নয়, বরং ব্যবহৃত হয়েছে লেখকের দার্শনিক উপলব্ধি তুলে ধরতে। "মিথ্যেবাদী রাখাল" নিয়ে আস্ত একটা উপন্যাসই লেখা সম্ভব। এ গল্পে স্বৈরতন্ত্র ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লেখকের বক্তব্য যেমন আছে, তেমনি আছে মানুষের কল্পনাশক্তি ও শিল্পের জয়গান। এটা সম্ভবত লেখকের সবচেয়ে রাজনৈতিক লেখা।
বইয়ের কয়েকটা গল্প মোটামুটি মানের কিন্তু আনন্দদায়ক। সব মিলিয়ে "পরশুরামের কঠোর কুঠার" পড়ে বেশ ভালো লাগলো। এখন থেকে জাহিদ হোসেনের নতুন গল্পের অপেক্ষায় থাকবো।
জাহিদ হোসেনের গল্প নিয়ে বিচিত্র কোনো কারণে আগ্রহী ছিলাম না। নেহাত বইটা মেশকাত কিনেছে, তাই পড়া হোলো। বিচিত্র সব প্লট, ততোধিক বিচিত্র সব মানুষ নিয়ে লেখা গল্পগুলো চিরাচরিত জাহিদীয় ধরনের(এর আলাদা একটা নামই হয়ে গেছে - জাহিদীয় ম্যাডনেস।) সবচেয়ে ভালো লেগেছে - কাকতাড়ুয়া, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, মিথ্যেবাদী রাখাল ইত্যাদি। গল্পের টুইস্টগুলো শুধুই চমক দেওয়ার জন্য নয়, বরং ব্যবহৃত হয়েছে লেখকের দার্শনিক উপলব্ধি তুলে ধরতে। "মিথ্যেবাদী রাখাল" নিয়ে আস্ত একটা উপন্যাসই লেখা সম্ভব। এ গল্পে স্বৈরতন্ত্র ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লেখকের বক্তব্য যেমন আছে, তেমনি আছে মানুষের কল্পনাশক্তি ও শিল্পের জয়গান। এটা সম্ভবত লেখকের সবচেয়ে রাজনৈতিক লেখা।
বইয়ের কয়েকটা গল্প মোটামুটি মানের কিন্তু আনন্দদায়ক। সব মিলিয়ে "পরশুরামের কঠোর কুঠার" পড়ে বেশ ভালো লাগলো। এখন থেকে জাহিদ হোসেনের নতুন গল্পের অপেক্ষায় থাকবো।
March 26, 2023
বৈঠকি চালে বলা গল্পগুলো শোনার মধ্যে আলাদা একটা মজা আছে। আর মজার খানিকটা হলেও উপভোগ করতে পেরেছি এই বইটার মাধ্যমে। যদিও আমরা বৈঠকি চাল বলতে যেরকম তারানাথ কিংবা তারিণীখুড়োর গল্প শুনে অভ্যস্ত ঠিক সেরকম গল্প এগুলো নয়। এখানের প্রত্যেকটা গল্পের পাত্র পাত্রী সম্পূর্ণ আলাদা। বইটি যখন প্রি অর্ডার করেছিলাম তখন সেখানে গল্পের জঁর হিসেবে ডার্ক ফ্যান্টাসি উল্লেখ থাকলেও আদৌ এর গল্পগুলোকে ডার্ক ফ্যান্টাসিতে ফেলা যায় কি না তা নিয়ে আমার কঠোর সন্দেহ আছে।
সংকলনটিতে মোটমাট ১০ টি গল্প আছে। যার মধ্যে কোনটা অতিপ্রাকৃত, কোনটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী কিংবা কোনটা স্রেফ ফ্যান্টাসি থ্রিলার । পাঠকদের সুবিধার জন্য লিস্টিটা দিয়ে দিলাম।
১। বাতিঘর
২। এক আঁটি লালশাক
৩। নির্মল বাবুর আয়না
৪। কাকতাড়ুয়া
৫। জলঢুপী কমলা
৬। পরশুরামের কঠোর কুঠার
৭। আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন
৮। অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট
৯। মিথ্যেবাদী রাখাল
১০। পুনর্জাগরণ
সংকলনটির কয়েকটা গল্প ছিল মারাত্মক রকমের সুন্দর। বিশেষ করে এক আঁটি লালশাক, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট এইগুলো। পুনর্জাগরণ গল্পটা খুব ছোট হলেও ঝাঝ বেশ ভালো ছিল। একটা ধাক্কা আপনাকে খাওয়াবে। তাছাড়া বাকিগুলো মোটামুটি ভালোই। তবে ঐ যে বললাম বৈঠকি চালে লেখক খুব সাবলীলভাবে গল্প গুলো শুনিয়েছেন। তাছাড়া জাহিদ হোসেনের লেখার আলাদা একটা ধারা আছে। ঐটার জন্য খুব তরতর করে দ্রুত পড়ে ফেলতে পেরেছি।
তো পাঠকমশাইরা, সবগুলো গল্প দুর্দান্ত না হলেও যে কটা মারাত্মক গল্প আছে সেগুলোর জন্য এ বই মাস্ট রিড। না পড়লে আমার মতে একটু ঠকেই যাবেন বোধ করি। তাই আমন্ত্রণ রইলো দুর্দান্ত কিছু গল্পের সাক্ষী হওয়ার জন্য।
আচ্ছা 'ৎৎৎ৬৯' এইটা কেউ উচ্চারণ করে দিতে পারবেন?
সংকলনটিতে মোটমাট ১০ টি গল্প আছে। যার মধ্যে কোনটা অতিপ্রাকৃত, কোনটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী কিংবা কোনটা স্রেফ ফ্যান্টাসি থ্রিলার । পাঠকদের সুবিধার জন্য লিস্টিটা দিয়ে দিলাম।
১। বাতিঘর
২। এক আঁটি লালশাক
৩। নির্মল বাবুর আয়না
৪। কাকতাড়ুয়া
৫। জলঢুপী কমলা
৬। পরশুরামের কঠোর কুঠার
৭। আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন
৮। অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট
৯। মিথ্যেবাদী রাখাল
১০। পুনর্জাগরণ
সংকলনটির কয়েকটা গল্প ছিল মারাত্মক রকমের সুন্দর। বিশেষ করে এক আঁটি লালশাক, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট এইগুলো। পুনর্জাগরণ গল্পটা খুব ছোট হলেও ঝাঝ বেশ ভালো ছিল। একটা ধাক্কা আপনাকে খাওয়াবে। তাছাড়া বাকিগুলো মোটামুটি ভালোই। তবে ঐ যে বললাম বৈঠকি চালে লেখক খুব সাবলীলভাবে গল্প গুলো শুনিয়েছেন। তাছাড়া জাহিদ হোসেনের লেখার আলাদা একটা ধারা আছে। ঐটার জন্য খুব তরতর করে দ্রুত পড়ে ফেলতে পেরেছি।
তো পাঠকমশাইরা, সবগুলো গল্প দুর্দান্ত না হলেও যে কটা মারাত্মক গল্প আছে সেগুলোর জন্য এ বই মাস্ট রিড। না পড়লে আমার মতে একটু ঠকেই যাবেন বোধ করি। তাই আমন্ত্রণ রইলো দুর্দান্ত কিছু গল্পের সাক্ষী হওয়ার জন্য।
আচ্ছা 'ৎৎৎ৬৯' এইটা কেউ উচ্চারণ করে দিতে পারবেন?
March 11, 2023
বাতিঘর থেকে যতজন লেখক উঠে এসেছেন, তার মধ্যে সবচাইতে ভালো লাগে জাহিদ হোসেনের লেখনী। এই ভদ্রলোক একজন বর্ণ স্টোরিটেলার, যার জন্য গল্প বা উপন্যাস যাই বলেন, তড়তড়িয়ে পড়া যায়। স্বভাবসুলভ হিউমার বা ডার্ক হিউমার প্রয়োগের কথা নাই বললাম।
পরশুরামের কঠোর কুঠারে রয়েছে দশটা গল্প। কমবেশি সব গল্পই ভালো। তবে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এক আঁটি লালশাক, জলঢুপী কমলা আর আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন। নির্মল বাবুর আয়না অনেকটা ২০১৯ এ মুক্তি পাওয়া Us মুভির মতো (কিছুটা, কপি নয় একদমই)। সবমিলিয়ে বৈঠকি চালের সুস্বাদু গল্পগ্রন্থ। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে। 😊😊
পরশুরামের কঠোর কুঠারে রয়েছে দশটা গল্প। কমবেশি সব গল্পই ভালো। তবে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এক আঁটি লালশাক, জলঢুপী কমলা আর আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন। নির্মল বাবুর আয়না অনেকটা ২০১৯ এ মুক্তি পাওয়া Us মুভির মতো (কিছুটা, কপি নয় একদমই)। সবমিলিয়ে বৈঠকি চালের সুস্বাদু গল্পগ্রন্থ। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে। 😊😊
March 9, 2026
পিওর স্টোরিটেলিং মাস্টারক্লাস! জাহিদ হোসেন জাত গল্প বলিয়ে। গল্প পড়ার আগে তার উপন্যাস পড়েছি। এক আঁটি লালশাক পড়েছিলাম অন্য কোথাও৷ এখানেও আছে। কিছু গল্পে মিথলজির বেশ ছোঁয়া আছে। কাক বিক্রি করার গল্পটা শুরুতে ভালো৷ এন্ডিং খুব একটা ভালো লাগেনি। কমলার গল্পটা শুরুতে বোরিং লাগলেও এন্ডিং অত্যন্ত সুন্দর।
April 30, 2023
২০২২ বইমেলায় আদী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল তানজীম রহমানের অদ্যাবধি প্রকাশিত সব গল্পের একটা সংকলন, অদ্ভুত স্বপ্ন দেখতে যে গল্পগুলো পড়বেন। সংকলনটা বেশ পছন্দ হয়েছিল সব লেখা এক জায়গায় পেয়েছি বলে। ধারণা হয়েছিল এইবার একই উদ্যোগ জাহিদ হোসেনের গল্পগুলো নিয়ে নেওয়া হয়েছে। ধারণা ভুল। ১০টা গল্প আছে, লেখকের সব গল্প না।
১। বাতিঘর : মিথ তৈরী হয় সত্য ঘটনার ভিত্তিতেই। মিথ শুনতে যতটা অভিনব লাগে, সে ঘটনার সাথে জড়িত চরিত্রগুলোর জীবনে সেটা দেখতে আসলে কেমন হয়? এক জনপদে কাহিনী রচনা করেছেন লেখক, তখনো খ্রীষ্টের জন্ম হয়নি, তখনো সময় গণনার দরকার হয়নি মানুষের। মানুষের বাঁচা-মরার হদিস জানে জনপদের একমাত্র ব্যাক্তি, ওঝা। কে কবে মারা যাবে, কার আয়ু কতদূর, এইসব জেনেও নিরপেক্ষ থাকা তার দায়িত্ব, কারণ সময়কে তার গতিতে বইতে দিতে হবে। কিন্তু এতটা নিষ্পৃহ কারো পক্ষে থাকা সম্ভব হয় কি?
মিথ রচনা আমার কাছে আগ্রহের বিষয়। জাহিদ হাসান এই কাজে সিদ্ধহস্ত। ওনার পরের দিককার কাজগুলোর তুলনায় দুর্বল লাগলেও পড়ে উপভোগ করে গেছি গল্পটা।
২। নির্মল বাবুর আয়না :
কোনটা শ্রেয়তর? আয়না-বন্দী না জীবন-বন্দী?
হরর-মিস্ট্রি-সুপারন্যাচারাল গল্প। এবং আমার প্রিয় গল্পগুলোর একটা।
প্রথম প্রকাশ, 'অতীন্দ্রিয় - অতিপ্রাকৃত গল্পসংকলন'।
৩। কাকতাড়ুয়া : বেশ জাদুবাস্তব একটা গল্প। দারুণ!
বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো, এবং পুরো গ্রামের লাথি-উষ্টা খাওয়া ছেলে দিল্যা-কে যখন কোঁচ-বেঁধা অবস্থায় মরে পড়ে থাকতে দেখা গেল, তারপর গ্রামে উঠলো তোলপাড়। সবার কাছে অপরাধী হয়ে আসা দিল্যা মরে গিয়ে রীতিমতো সবাইকে অপরাধী সাজিয়ে দিয়ে গেলো। কিন্তু কথা হলো, খুন-টা করেছে কে?
একদিকে নিজের সাথে দ্বন্দ্বের একটা বিষয় আছে এই গল্পে, তার সাথে, আল্টিমেট মিসফিট হয়ে থাকার যন্ত্রণা ছায়া ফেলে গেছে।
৪। আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন : যে গল্পটা আমাকে বইটা কিনতে বাধ্য করেছে। প্রতি-ইতিহাস (অল্টারনেট হিস্টরি) আর মিথোস তৈরীতে জাহিদ হোসেন সিদ্ধহস্ত। লেখকের এই দুই কাজের সবথেকে ভালো প্রয়োগটা দেখতে পেলাম এই গল্পে।
বাইবেলের টাওয়ার অব বাবেল ছিল আম্নব জাতির উৎকর্ষ আর অহঙ্কারের প্রতীক, যে টাওয়ার আকাশ ছুঁতো। ঈশ্বরের অভিশাপে সেই টাওয়ার ধ্বসে পড়ে, আর মানুষ তাদের প্রাচীন ভাষা ভুলে যায়, বিভক্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন ভাষাভাষী গোষ্ঠীতে। কথিত আছে, প্রাচীন সে ভাষায় কথা বলতেন স্বয়ং ঈশ্বর। আর হারিয়ে যাওয়া সে ভাষা শুষে নিয়েছিল অতিকায় এক পাখি, যার গায়ের রঙ কালো, যার স্বর অতীব কর্কশ...।
বাংলাদেশী এক পাখি-সংগ্রাহকের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের স্কলারের সংযোগ, বংশধরের মুখে অতীতের বয়ান। ওয়েল-মেইড একটা গল্প।
প্রথম প্রকাশ, 'অলৌকিক - অতিপ্রাকৃত গল্পসংকলন'।
৫। অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট : প্রকাশিত হয়েছিল থ্রিলার জার্নাল গল্পবাঁক সংখ্যায়।
৬। মিথ্যেবাদী রাখাল : প্রকাশিত হয়েছিল 'ছায়ানগর ১০১'-এ।
বইটা কিনে আক্ষেপ হয়েছে কারণ নেহাত আবেগের ঠেলায় কিনে ফেলসি। পড়ে আক্ষেপ বাড়সে, কারণ বইয়ের ৫টা গল্প আগেই পড়া এবং সংগ্রহে ছিল, আর নতুন যে ৫টা পড়সি কোনোটা জুইতের লাগে নাই।
১। বাতিঘর : মিথ তৈরী হয় সত্য ঘটনার ভিত্তিতেই। মিথ শুনতে যতটা অভিনব লাগে, সে ঘটনার সাথে জড়িত চরিত্রগুলোর জীবনে সেটা দেখতে আসলে কেমন হয়? এক জনপদে কাহিনী রচনা করেছেন লেখক, তখনো খ্রীষ্টের জন্ম হয়নি, তখনো সময় গণনার দরকার হয়নি মানুষের। মানুষের বাঁচা-মরার হদিস জানে জনপদের একমাত্র ব্যাক্তি, ওঝা। কে কবে মারা যাবে, কার আয়ু কতদূর, এইসব জেনেও নিরপেক্ষ থাকা তার দায়িত্ব, কারণ সময়কে তার গতিতে বইতে দিতে হবে। কিন্তু এতটা নিষ্পৃহ কারো পক্ষে থাকা সম্ভব হয় কি?
মিথ রচনা আমার কাছে আগ্রহের বিষয়। জাহিদ হাসান এই কাজে সিদ্ধহস্ত। ওনার পরের দিককার কাজগুলোর তুলনায় দুর্বল লাগলেও পড়ে উপভোগ করে গেছি গল্পটা।
২। নির্মল বাবুর আয়না :
আম্মা প্রায়ই বলেন, তুই পালটে গেছিস।
আমি হেসে বলি, এটা জাহিদ হোসেনের নতুন ভার্সন। জাহিদ হোসেন ২.০ । জাহিদ হোসেন ১.০ টা অচল হয়ে গেছে। বাজারে চলে না।
আম্মা ভ্রূ কুঁচকেই থাকেন। তাঁর কুঞ্চিত ভ্রূ আর সোজা হয় না।
কোনটা শ্রেয়তর? আয়না-বন্দী না জীবন-বন্দী?
হরর-মিস্ট্রি-সুপারন্যাচারাল গল্প। এবং আমার প্রিয় গল্পগুলোর একটা।
প্রথম প্রকাশ, 'অতীন্দ্রিয় - অতিপ্রাকৃত গল্পসংকলন'।
৩। কাকতাড়ুয়া : বেশ জাদুবাস্তব একটা গল্প। দারুণ!
বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো, এবং পুরো গ্রামের লাথি-উষ্টা খাওয়া ছেলে দিল্যা-কে যখন কোঁচ-বেঁধা অবস্থায় মরে পড়ে থাকতে দেখা গেল, তারপর গ্রামে উঠলো তোলপাড়। সবার কাছে অপরাধী হয়ে আসা দিল্যা মরে গিয়ে রীতিমতো সবাইকে অপরাধী সাজিয়ে দিয়ে গেলো। কিন্তু কথা হলো, খুন-টা করেছে কে?
একদিকে নিজের সাথে দ্বন্দ্বের একটা বিষয় আছে এই গল্পে, তার সাথে, আল্টিমেট মিসফিট হয়ে থাকার যন্ত্রণা ছায়া ফেলে গেছে।
৪। আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন : যে গল্পটা আমাকে বইটা কিনতে বাধ্য করেছে। প্রতি-ইতিহাস (অল্টারনেট হিস্টরি) আর মিথোস তৈরীতে জাহিদ হোসেন সিদ্ধহস্ত। লেখকের এই দুই কাজের সবথেকে ভালো প্রয়োগটা দেখতে পেলাম এই গল্পে।
বাইবেলের টাওয়ার অব বাবেল ছিল আম্নব জাতির উৎকর্ষ আর অহঙ্কারের প্রতীক, যে টাওয়ার আকাশ ছুঁতো। ঈশ্বরের অভিশাপে সেই টাওয়ার ধ্বসে পড়ে, আর মানুষ তাদের প্রাচীন ভাষা ভুলে যায়, বিভক্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন ভাষাভাষী গোষ্ঠীতে। কথিত আছে, প্রাচীন সে ভাষায় কথা বলতেন স্বয়ং ঈশ্বর। আর হারিয়ে যাওয়া সে ভাষা শুষে নিয়েছিল অতিকায় এক পাখি, যার গায়ের রঙ কালো, যার স্বর অতীব কর্কশ...।
বাংলাদেশী এক পাখি-সংগ্রাহকের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের স্কলারের সংযোগ, বংশধরের মুখে অতীতের বয়ান। ওয়েল-মেইড একটা গল্প।
প্রথম প্রকাশ, 'অলৌকিক - অতিপ্রাকৃত গল্পসংকলন'।
৫। অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট : প্রকাশিত হয়েছিল থ্রিলার জার্নাল গল্পবাঁক সংখ্যায়।
৬। মিথ্যেবাদী রাখাল : প্রকাশিত হয়েছিল 'ছায়ানগর ১০১'-এ।
বইটা কিনে আক্ষেপ হয়েছে কারণ নেহাত আবেগের ঠেলায় কিনে ফেলসি। পড়ে আক্ষেপ বাড়সে, কারণ বইয়ের ৫টা গল্প আগেই পড়া এবং সংগ্রহে ছিল, আর নতুন যে ৫টা পড়সি কোনোটা জুইতের লাগে নাই।
December 23, 2023
এই বছরের শততম বই হিসেবে শেষ করলাম। বইয়ের শুরুর দিকের গল্পগুলোর চেয়ে শেষের দিকের গল্পগুলো বেশি ভাল। বিশেষত কাকতাড়ুয়া থেকে পরবর্তী কয়েকটি গল্প দুর্দান্ত।
বইয়ের কভার অনেক সুন্দর, কিন্তু প্রোডাকশনে বেশ ঘাটতি আছে। বইয়ের ফন্টের এক এক গল্পে এক এক রকম হওয়াতে পুরো সৌন্দর্যটাই নষ্ট হয়ে গেল। এই বিষয়ে নজর রাখা উচিত ছিল। যদিও বইয়ের চাকচিক্য মুখ্য বিষয় না তবুও প্রোডাকশন সবারই নজর কাড়ে।
জাহিদ হোসেন সাহেব মিথিক্যাল গল্পের সাথে বাংলাদেশের চিরাচরিত চরিত্রগুলোর যে একটা মিশেল তৈরি করেছেন, জিনিসটা গল্প বলার ক্ষমতার কারণে বেশ ভাল লেগেছে। নইলে পুরা এক্সেকিউশন মাঠে মারা যেতে পারত। গুড রিড।
বইয়ের কভার অনেক সুন্দর, কিন্তু প্রোডাকশনে বেশ ঘাটতি আছে। বইয়ের ফন্টের এক এক গল্পে এক এক রকম হওয়াতে পুরো সৌন্দর্যটাই নষ্ট হয়ে গেল। এই বিষয়ে নজর রাখা উচিত ছিল। যদিও বইয়ের চাকচিক্য মুখ্য বিষয় না তবুও প্রোডাকশন সবারই নজর কাড়ে।
জাহিদ হোসেন সাহেব মিথিক্যাল গল্পের সাথে বাংলাদেশের চিরাচরিত চরিত্রগুলোর যে একটা মিশেল তৈরি করেছেন, জিনিসটা গল্প বলার ক্ষমতার কারণে বেশ ভাল লেগেছে। নইলে পুরা এক্সেকিউশন মাঠে মারা যেতে পারত। গুড রিড।
December 10, 2023
জাহিদ হোসেন বেশ উপভোগ্য ভঙ্গিমায় গল্প বলেন। উনার উপন্যাসে একসাথে বহু জনরার সংমিশ্রণের ব্যাপারটা লক্ষণীয়। কিন্তু ছোটগল্পে সেটা কষ্টসাধ্য। তবে সে চেষ্টা একেবারেই করেননি তা কিন্তু নয়। এই যেমন "এক আটি লালশাক" গল্পটাতে ইতিহাস, ফ্যান্টাসি ও পরাবাস্তবতা মিলিয়ে অদ্ভুত একটা আবহ তৈরী করেছেন। তবে গল্পগুলোতে চমৎকারিত্বের অভাবটা স্পষ্ট।
৩.৫/৫
৩.৫/৫
April 13, 2023
দশখানি ভিন্ন স্বাদের গল্পে বিষয়বস্তু আর কাহিনী বুনটের পাঁচফোড়নের জাদুতে অনন্য হয়ে উঠেছে এই সংকলনটি।
তবে জলঢুপী কমলা আর এক আটি লালশাকের ধারেকাছে নিকটবর্তী গল্প হিসেবে থাকবে বাতিঘর ও আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন এই দুটি।
অদৃষ্টের অদ্ভুতসব লেখনী একখানি কমলা খেয়ে যদি জানাই যায় তবে মন্দ কি!!
রেটিং:✨🌟⭐🌠.৭৫
১৩/০৪/২৩
তবে জলঢুপী কমলা আর এক আটি লালশাকের ধারেকাছে নিকটবর্তী গল্প হিসেবে থাকবে বাতিঘর ও আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন এই দুটি।
অদৃষ্টের অদ্ভুতসব লেখনী একখানি কমলা খেয়ে যদি জানাই যায় তবে মন্দ কি!!
রেটিং:✨🌟⭐🌠.৭৫
১৩/০৪/২৩
April 8, 2024
একটি ছোটো গল্পের সংকলন। প্রথম থেকেই যেটি ভালো লেগেছে তা হলো গল্পের বিষয়ের বৈচিত্র্যময়তা। একটির চেয়ে একটি গল্প সুন্দর।
October 26, 2023
খুবই জোশ
November 17, 2024
#Book_Mortem 201
পরশুরামের কঠোর কুঠার
লেখক জাহিদ হোসেনের ১০টি ছোট গল্পের সংকলন পরশুরামের কঠোর কুঠার নামের এই বইটি। একেকটা গল্প একেক ধাঁচের। মিথোলজি, মিস্ট্রি, সাইফাই, রিভেঞ্জ থ্রিলার ঘরানার প্রতিটা গল্পই কমবেশ ভালো লাগার মত। মানে অন্তত পড়ে সময় নষ্ট টাইপ মনে হয়নি। গল্পগুলো নিয়ে নিজের একান্ত অনুভূতি আর রেটিং জানাচ্ছি নিচে।
বাতিঘর (২.৫/৫): গল্পটা অনেক অনেক কাল আগের এক জনপদের। যেখানে একজন মানুষের হাতে আছে সেই জনপদের সকল মানুষের জীবন প্রদীপ। তবে কে কবে কখন মারা যাবে তা জানা থাকা সত্ত্বেও দেখে যাওয়া ছাড়া তার আর কিছুই করার উপায় নেই। তবুও ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা। ভালো লেগেছে গল্পটা। আরেকটু বড় পরিসরে হলে আরো বেশী ভালো লাগতো বলে মনে হয়েছে।
এক আঁটি লালশাক (৪/৫): সফোক্লিসের কিং ঈডিপাস নাটকে স্ফিংক্স নামের একটা দানব ছিল। সবাইকে একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করতো সে। সেই স্ফিংক্সকেই ভিন্ন আঙ্গিকে এই গল্পে এনেছেন লেখক। গ্রীক মিথোলজির সাথে আমাদের দেশীয় পরিবার মিশিয়ে দারুণ এক ছোট গল্প সাজিয়েছেন। বেশ ভালো লেগেছে।
নির্মল বাবুর আয়না (৪.৫/৫): আরো একটা চমৎকার গল্প। প্যারালাল ইউনিভার্স টাইপ ব্যাপার স্যাপার গল্পে আনতে চেয়েছেন লেখক। তবে আমার ধারণা মূল যে ব্যাপারটা লেখক এখানে দেখাতে চেয়েছেন তা হলো আমরা মানুষেরা এক রকম হতে চেয়ে বিভিন্ন কারনে অন্য মানুষে পরিণত হয়ে যাই। জীবন-বন্দী হয়ে যাই। যদিও কাছাকাছি ধরণের অনেক গল্প এর আগে প্পড়া হয়েছে, তবুও বলবো এক কথায় দূর্দান্ত এই গল্পটা।
কাকতাড়ুয়া (১.৫/৫): গ্রামের বিখ্যাত এক চোরের মৃত্যু নিয়ে গ্রামবাসীর আলোচনা সমালোচনা নিয়ে সাজানো গল্প। জাহিদীয় ম্যাডনেস নামক যে কথাটা প্রচলিত আছে বইপাড়ায়, এই গল্পটা তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। পুরা ক্ষ্যাপাটে টাইপ লিখনশৈলী। ফানি টাইপ গল্প। তবে গল্পের আগামাথা নাই। আমারও তাই ভাল্লাগে নাই।
জলঢুপি কমলা (২.৫/৫): অশীতিপর এক মায়ের সেই ছোট্টবেলায় নিজ বাড়িতে খাওয়া এক জাতের কমলা খাওয়ার শখ হলো। শত খুঁজেও অমন কমলা না পেয়ে, মা ভক্ত ছেলে সেই কমলার খোঁজে পৌছে গেল সিলেটে নিজের নানার বাড়িতে। গল্পটা ভালো। তবে মূল গল্পে ঢুকতে গিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় ডিটেইলস চলে এসেছে। এরপর আদম হাওয়ার বিখ্যাত গন্ধম ফলের ঘটনা এনে হুট করেই শেষ করে দেয়া হয়েছে। ছোট গল্পে আরো কম বর্ণনা আর চরিত্র আনলে ভালো হতো। অথবা এটাকেই আরো বড় পরিসরে লিখলে ভালো হতো বলে মনে হয়েছে।
পরশুরামের কঠোর কুঠার (৩/৫): রিভেঞ্জ থ্রিলার টাইপ গল্প হলেও, এখানে গল্পের ভিতরেও রয়েছে আরো অনেক গল্প। দারুণ চমকও আছে শেষে। ভালো লেগেছে গল্পটা।
আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন (৪.৫/৫): বাইবেলে বর্ণিত টাওয়ার অফ বাবেল নিয়ে সুন্দর একটা গল্প সাজিয়েছেন লেখক। এক সময় পৃথিবীর মানুষেরা সব একই ভাষায় কথা বলতো। কিন্তু তাদের অহংকারের কারনে সৃষ্টিকর্তা ঐশ্বরিক সেই ভাষা কেড়ে নেন তাদের কাছ থেকে। এরপরেই এত রকমের ভাষাভাষী মানুষদের জনপদ গড়ে উঠে। সেই হারিয়ে যাওয়া ঐশ্বরিক ভাষার গল্প এটা। মিথোলজি নিয়ে সাজানো গল্প, ভালো না লেগে উপায় আছে!
অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শীট (২/৫): সাইফাই ঘরানার এই গল্পটা অদ্ভুত! গল্পের চরিত্রদের নামগুলো আরো অদ্ভুত। উচ্চারণই করতে পারবে না কেউ!! পড়তে খারাপ লাগেনি মোটেও। তবে কিছুটা বিদঘুটে তো বটেই!
মিথ্যেবাদী রাখাল (৩/৫): এটাও সাইফাই ঘরানার গল্প। ভবিষ্যত এক পৃথিবী যেখানে মেশিনেরাই কন্ট্রোল করে মানুষদেরকে। আগের গল্পটার চেয়ে এটার বিল্ডআপ ভালো। সবচেয়ে বড় কথা এই প্লটটা নিয়ে গোটা একটা উপন্যাসিকা লিখে ফেলা যেত। তবে প্রপার একটা এন্ডিংয়ের অভাব অনুভব করেছি। লেখক ঈশপের গল্পের আড়ালে দারুণ রাজনৈতিক এক গল্প লিখে ফেলেছেন। ৫ই আগষ্টের আগে এমন গল্প লেখার জন্য তিনি এক্সট্রা সাধুবাদ পেতেই পারেন।
পুনর্জাগরণ (২.৫/৫): কুসংস্কার আর অন্ধ বিশ্বাস কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা গল্পের আড়ালে ভালোভাবেই তুলে এনেছেন লেখক। এই গল্পটাও সুন্দর। জাস্ট আমার অত ভালো লাগেনি আর কি!
ব্যক্তিগত রেটিং: ০৭/১০ (জাহিদ হোসেনের বইয়ের এন্ডিং নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন। তবে উনার লিখনশৈলী নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ে যেতে ইচ্ছে করে উনার লেখা। শেষও হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। এই বইটাও তেমনি। গল্পগুলা শেষ করে ভালো লাগুক বা না লাগুক, পড়ার সময়টুকু দারুণ কাটে)
🪤 লেখক: জাহিদ হোসেন
🪤 প্রকাশনী: আদী প্রকাশন
🪤 পৃষ্টা সংখ্যা: ১৯২
🪤 মূদ্রিত মূল্য: ৩৫০ টাকা
পরশুরামের কঠোর কুঠার
লেখক জাহিদ হোসেনের ১০টি ছোট গল্পের সংকলন পরশুরামের কঠোর কুঠার নামের এই বইটি। একেকটা গল্প একেক ধাঁচের। মিথোলজি, মিস্ট্রি, সাইফাই, রিভেঞ্জ থ্রিলার ঘরানার প্রতিটা গল্পই কমবেশ ভালো লাগার মত। মানে অন্তত পড়ে সময় নষ্ট টাইপ মনে হয়নি। গল্পগুলো নিয়ে নিজের একান্ত অনুভূতি আর রেটিং জানাচ্ছি নিচে।
বাতিঘর (২.৫/৫): গল্পটা অনেক অনেক কাল আগের এক জনপদের। যেখানে একজন মানুষের হাতে আছে সেই জনপদের সকল মানুষের জীবন প্রদীপ। তবে কে কবে কখন মারা যাবে তা জানা থাকা সত্ত্বেও দেখে যাওয়া ছাড়া তার আর কিছুই করার উপায় নেই। তবুও ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা। ভালো লেগেছে গল্পটা। আরেকটু বড় পরিসরে হলে আরো বেশী ভালো লাগতো বলে মনে হয়েছে।
এক আঁটি লালশাক (৪/৫): সফোক্লিসের কিং ঈডিপাস নাটকে স্ফিংক্স নামের একটা দানব ছিল। সবাইকে একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করতো সে। সেই স্ফিংক্সকেই ভিন্ন আঙ্গিকে এই গল্পে এনেছেন লেখক। গ্রীক মিথোলজির সাথে আমাদের দেশীয় পরিবার মিশিয়ে দারুণ এক ছোট গল্প সাজিয়েছেন। বেশ ভালো লেগেছে।
নির্মল বাবুর আয়না (৪.৫/৫): আরো একটা চমৎকার গল্প। প্যারালাল ইউনিভার্স টাইপ ব্যাপার স্যাপার গল্পে আনতে চেয়েছেন লেখক। তবে আমার ধারণা মূল যে ব্যাপারটা লেখক এখানে দেখাতে চেয়েছেন তা হলো আমরা মানুষেরা এক রকম হতে চেয়ে বিভিন্ন কারনে অন্য মানুষে পরিণত হয়ে যাই। জীবন-বন্দী হয়ে যাই। যদিও কাছাকাছি ধরণের অনেক গল্প এর আগে প্পড়া হয়েছে, তবুও বলবো এক কথায় দূর্দান্ত এই গল্পটা।
কাকতাড়ুয়া (১.৫/৫): গ্রামের বিখ্যাত এক চোরের মৃত্যু নিয়ে গ্রামবাসীর আলোচনা সমালোচনা নিয়ে সাজানো গল্প। জাহিদীয় ম্যাডনেস নামক যে কথাটা প্রচলিত আছে বইপাড়ায়, এই গল্পটা তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। পুরা ক্ষ্যাপাটে টাইপ লিখনশৈলী। ফানি টাইপ গল্প। তবে গল্পের আগামাথা নাই। আমারও তাই ভাল্লাগে নাই।
জলঢুপি কমলা (২.৫/৫): অশীতিপর এক মায়ের সেই ছোট্টবেলায় নিজ বাড়িতে খাওয়া এক জাতের কমলা খাওয়ার শখ হলো। শত খুঁজেও অমন কমলা না পেয়ে, মা ভক্ত ছেলে সেই কমলার খোঁজে পৌছে গেল সিলেটে নিজের নানার বাড়িতে। গল্পটা ভালো। তবে মূল গল্পে ঢুকতে গিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় ডিটেইলস চলে এসেছে। এরপর আদম হাওয়ার বিখ্যাত গন্ধম ফলের ঘটনা এনে হুট করেই শেষ করে দেয়া হয়েছে। ছোট গল্পে আরো কম বর্ণনা আর চরিত্র আনলে ভালো হতো। অথবা এটাকেই আরো বড় পরিসরে লিখলে ভালো হতো বলে মনে হয়েছে।
পরশুরামের কঠোর কুঠার (৩/৫): রিভেঞ্জ থ্রিলার টাইপ গল্প হলেও, এখানে গল্পের ভিতরেও রয়েছে আরো অনেক গল্প। দারুণ চমকও আছে শেষে। ভালো লেগেছে গল্পটা।
আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন (৪.৫/৫): বাইবেলে বর্ণিত টাওয়ার অফ বাবেল নিয়ে সুন্দর একটা গল্প সাজিয়েছেন লেখক। এক সময় পৃথিবীর মানুষেরা সব একই ভাষায় কথা বলতো। কিন্তু তাদের অহংকারের কারনে সৃষ্টিকর্তা ঐশ্বরিক সেই ভাষা কেড়ে নেন তাদের কাছ থেকে। এরপরেই এত রকমের ভাষাভাষী মানুষদের জনপদ গড়ে উঠে। সেই হারিয়ে যাওয়া ঐশ্বরিক ভাষার গল্প এটা। মিথোলজি নিয়ে সাজানো গল্প, ভালো না লেগে উপায় আছে!
অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শীট (২/৫): সাইফাই ঘরানার এই গল্পটা অদ্ভুত! গল্পের চরিত্রদের নামগুলো আরো অদ্ভুত। উচ্চারণই করতে পারবে না কেউ!! পড়তে খারাপ লাগেনি মোটেও। তবে কিছুটা বিদঘুটে তো বটেই!
মিথ্যেবাদী রাখাল (৩/৫): এটাও সাইফাই ঘরানার গল্প। ভবিষ্যত এক পৃথিবী যেখানে মেশিনেরাই কন্ট্রোল করে মানুষদেরকে। আগের গল্পটার চেয়ে এটার বিল্ডআপ ভালো। সবচেয়ে বড় কথা এই প্লটটা নিয়ে গোটা একটা উপন্যাসিকা লিখে ফেলা যেত। তবে প্রপার একটা এন্ডিংয়ের অভাব অনুভব করেছি। লেখক ঈশপের গল্পের আড়ালে দারুণ রাজনৈতিক এক গল্প লিখে ফেলেছেন। ৫ই আগষ্টের আগে এমন গল্প লেখার জন্য তিনি এক্সট্রা সাধুবাদ পেতেই পারেন।
পুনর্জাগরণ (২.৫/৫): কুসংস্কার আর অন্ধ বিশ্বাস কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা গল্পের আড়ালে ভালোভাবেই তুলে এনেছেন লেখক। এই গল্পটাও সুন্দর। জাস্ট আমার অত ভালো লাগেনি আর কি!
ব্যক্তিগত রেটিং: ০৭/১০ (জাহিদ হোসেনের বইয়ের এন্ডিং নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন। তবে উনার লিখনশৈলী নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ে যেতে ইচ্ছে করে উনার লেখা। শেষও হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। এই বইটাও তেমনি। গল্পগুলা শেষ করে ভালো লাগুক বা না লাগুক, পড়ার সময়টুকু দারুণ কাটে)
🪤 লেখক: জাহিদ হোসেন
🪤 প্রকাশনী: আদী প্রকাশন
🪤 পৃষ্টা সংখ্যা: ১৯২
🪤 মূদ্রিত মূল্য: ৩৫০ টাকা
January 20, 2024
জাহিদ হোসেনের লেখালেখির সাথে আমার পরিচয় হয় 'নৈর্ঋত' এর মাধ্যমে। পরবর্তিতে 'ইথাকা' পড়ি। লেখকের কয়েকটি ছোটগল্প পাঠের সুযোগ হয়েছে সম্ভবত ওয়াসি আহমেদ রাফির সম্পাদিত দুটি গল্পগ্রন্থ পাঠে।
"আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!"
- কাজী নজরুল ইসলাম
দশটি গল্প জায়গা করে নিয়েছে লেখকের এ বইয়ে। নাম নির্বাচন করতে দারস্থ হয়েছেন জাতীয় কবির দু'লাইনের।
ছোটগল্প সংকলনের রিভিউ দেয়া সহজ কর্ম নয়। এ কথা আমি আগেও বলেছি কয়েকবার। কারণ গল্প থেকে গল্পে তারতম্য প্রচুর থাকে।
আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে 'কাকতাড়ুয়া', 'অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট' এবং 'মিথ্যাবাদী রাখাল'।
জাহিদ হোসেনের লেখনিতে এক ধরণের জাহিদীয় ক্ষ্যাপামো আছে। গল্প বলার কথা উঠলে ভালো কথক জাহিদ। লেখকের বিভিন্ন গল্পে অনায়াসে চলে আসেন মিথলজির চরিত্র, এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সাথে কীভাবে যেন তারা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন। অদ্ভুত রকমের ক্রশওভার করানোর ক্ষেত্রে জাহিদের ক্রিয়েটিভিটি প্রশংসনীয়।
নিঃসন্দেহে জাহিদ হোসেন একজন প্রতিভাধর লেখক। তবে পাঠককে বেশি চমকে দেওয়ার প্রবণতা বা টুইস্ট নির্ভরতার বাইরে থেকেও আমার মনে হয় লেখক চমৎকার গল্প লিখতে পারেন এবং পারবেন। স্টোরিটেলিং এ স্বকীয়তা অর্জন করে সেই জাহিদীয় ইউনিভার্সে পাঠককে ভ্রমণ করানোর সক্ষমতা লেখকের আছে।
আমার লেখা শেষ প্যারার শেষ বাক্যটিই সম্ভবত জাহিদ হোসেনের সবচেয়ে বড় শক্তি অথবা দুর্বলতা হিসেবে ভবিষ্যতে প্রমাণিত হবে। দেখা যাক, সময় কী বলে।
বই রিভিউ
নাম : পরশুরামের কঠোর কুঠার
লেখক : জাহিদ হোসেন
প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি ২০২৩
প্রকাশক : আদী প্রকাশন
প্রচ্ছদ : পরাগ ওয়াহিদ
জনরা : ছোটগল্প সংকলন ( থ্রিলার, হরর, সায়েন্স ফিকশন, ফিলসফিক্যাল )
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
"আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!"
- কাজী নজরুল ইসলাম
দশটি গল্প জায়গা করে নিয়েছে লেখকের এ বইয়ে। নাম নির্বাচন করতে দারস্থ হয়েছেন জাতীয় কবির দু'লাইনের।
ছোটগল্প সংকলনের রিভিউ দেয়া সহজ কর্ম নয়। এ কথা আমি আগেও বলেছি কয়েকবার। কারণ গল্প থেকে গল্পে তারতম্য প্রচুর থাকে।
আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে 'কাকতাড়ুয়া', 'অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট' এবং 'মিথ্যাবাদী রাখাল'।
জাহিদ হোসেনের লেখনিতে এক ধরণের জাহিদীয় ক্ষ্যাপামো আছে। গল্প বলার কথা উঠলে ভালো কথক জাহিদ। লেখকের বিভিন্ন গল্পে অনায়াসে চলে আসেন মিথলজির চরিত্র, এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সাথে কীভাবে যেন তারা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন। অদ্ভুত রকমের ক্রশওভার করানোর ক্ষেত্রে জাহিদের ক্রিয়েটিভিটি প্রশংসনীয়।
নিঃসন্দেহে জাহিদ হোসেন একজন প্রতিভাধর লেখক। তবে পাঠককে বেশি চমকে দেওয়ার প্রবণতা বা টুইস্ট নির্ভরতার বাইরে থেকেও আমার মনে হয় লেখক চমৎকার গল্প লিখতে পারেন এবং পারবেন। স্টোরিটেলিং এ স্বকীয়তা অর্জন করে সেই জাহিদীয় ইউনিভার্সে পাঠককে ভ্রমণ করানোর সক্ষমতা লেখকের আছে।
আমার লেখা শেষ প্যারার শেষ বাক্যটিই সম্ভবত জাহিদ হোসেনের সবচেয়ে বড় শক্তি অথবা দুর্বলতা হিসেবে ভবিষ্যতে প্রমাণিত হবে। দেখা যাক, সময় কী বলে।
বই রিভিউ
নাম : পরশুরামের কঠোর কুঠার
লেখক : জাহিদ হোসেন
প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি ২০২৩
প্রকাশক : আদী প্রকাশন
প্রচ্ছদ : পরাগ ওয়াহিদ
জনরা : ছোটগল্প সংকলন ( থ্রিলার, হরর, সায়েন্স ফিকশন, ফিলসফিক্যাল )
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
July 26, 2023
দুই তিনটা গল্প তেমন একটা ভাল লাগেনি।
তবে বাকি গুলো বেশ আকর্ষণীয়।
পড়ে ফেলতে পারেন নির্দ্বিধায়!!
রেটিং : ৭/১০
তবে বাকি গুলো বেশ আকর্ষণীয়।
পড়ে ফেলতে পারেন নির্দ্বিধায়!!
রেটিং : ৭/১০
June 1, 2026
চিরাচরিত জাহিদীয় ম্যাডনেস কেবল একটু সংক্ষিপ্ত পরিসরে। কয়েকটা গল্প আরেকটু বড় হলে মন্দ হতো না।
July 5, 2023
বেশ সুন্দর কিছু গল্প।
জাহিদ ভাইয়ের গল্প বলার ধরণটা সুন্দর।প্লটগুলোও আকর্ষণীয়।
জলঢুপী কমলা সবচাইতে ভালো লেগেছে
জাহিদ ভাইয়ের গল্প বলার ধরণটা সুন্দর।প্লটগুলোও আকর্ষণীয়।
জলঢুপী কমলা সবচাইতে ভালো লেগেছে
July 23, 2023
দশটা গল্প ছিলো। নিজের মতো করে রেটিং দিলে গড় হয় ৪.২!
সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে জলঢুপী কমলা গল্পটি৷ অসাধারণ।
বাতিঘর-৩.৫
এক আঁটি লালশাক-৪.৫
নির্মল বাবুর আয়না-৫
কাকতাড়ুয়া-৩.৫
জলঢুপী কমলা-৫
পরশুরামের কঠোর কুঠার-৩.৫
আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন-৪.৫
অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট-৩.৫
মিথ্যেবাদী রাখাল-৪
পুনর্জাগরণ-৫
সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে জলঢুপী কমলা গল্পটি৷ অসাধারণ।
বাতিঘর-৩.৫
এক আঁটি লালশাক-৪.৫
নির্মল বাবুর আয়না-৫
কাকতাড়ুয়া-৩.৫
জলঢুপী কমলা-৫
পরশুরামের কঠোর কুঠার-৩.৫
আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন-৪.৫
অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট-৩.৫
মিথ্যেবাদী রাখাল-৪
পুনর্জাগরণ-৫
March 27, 2025
পিএইচডির ব্যস্ততায় স্পিডরিডিং করছি বিভিন্ন গল্প সঙ্কলনের, কারণ উপন্যাস পড়ার মত হুকড হবার সুযোগ সময় কোনোটাই নেই। তারই ধারাবাহিকতায় পড়ে ফেললাম জাহিদ হোসেনের গল্প সঙ্কলন। বেশিরভাগ গল্পে লেখক আনতে চেয়েছেন বিভিন্ন মিথ। মিথের প্রতি তার ফ্যাসিনেশন দেখেছি আগেই। ভালো লেগেছে এক আঁটি লালশাক, কাকতাড়ুয়া, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন।
September 27, 2023
🟥৩.২ এর কাছে রেটিং দেওয়া যায়।
-এক আঁটি লাল শাক
-আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন
-জলঢুপি কমলা
এই ৩টা গল্প-ই বেশি ভালো লাগছে।
আর এক-দুইটা একেবারে মোটামুটি।
অন্যগুলা ভালো লাগে নাই।
এই লেখকের গল্পের চেয়ে স্টোরি টেলিং স্কিল অনেক ভালো। এই লেখকের ফ্যান্টাসি লেখা উচিত।
🖤
-এক আঁটি লাল শাক
-আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন
-জলঢুপি কমলা
এই ৩টা গল্প-ই বেশি ভালো লাগছে।
আর এক-দুইটা একেবারে মোটামুটি।
অন্যগুলা ভালো লাগে নাই।
এই লেখকের গল্পের চেয়ে স্টোরি টেলিং স্কিল অনেক ভালো। এই লেখকের ফ্যান্টাসি লেখা উচিত।
🖤
May 4, 2025
দুর্দান্ত একটি সংকলন। দুয়েকটা গল্প অন্যান্য সংকলনে পড়া হলেও রিভিজিট করে ভালো লাগলো। বইয়ের ১০টা ছোটগল্প জুড়ে ছিলো রিভেঞ্জ থ্রিলার, মিথলজি, সাইফাই আরো কত্তো কি.!
কাকতাড়ুয়া, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, পুনর্জাগরণ — গল্পগুলো ভালো লেগেছে...👏🏽
কাকতাড়ুয়া, জলঢুপী কমলা, আমার দাদা কাক বিক্রি করতেন, পুনর্জাগরণ — গল্পগুলো ভালো লেগেছে...👏🏽
September 12, 2024
Immortality is overrated
Immortality is a fallacy
Fuck immortality
Immortality is a fallacy
Fuck immortality
Displaying 1 - 20 of 20 reviews




















