Jump to ratings and reviews
Rate this book

ফেরা

Rate this book
ডানপিটে এক কিশোর ফজল। ১৯৭১ এর উত্তাল সময়ে সে স্কুল পড়ুয়া। পড়ালেখায় খুব একটা আগ্রহ না থাকলেও মারামারিতে সে সবচেয়ে এগিয়ে। কারণ ওর ডাকাবুকো সুঠাম গঠন। শিক্ষক বাবার চিন্তার অন্ত নেই তাকে নিয়ে- বাবার মুখ কখনোই উজ্জ্বল করতে পারবে না সে। কিন্তু এই আপাত বখে যাওয়া কিশোর একাত্তরের উত্তাল সময়ে অস্ত্র হাতে নেমে পরে দেশ মাতৃকাকে স্বাধীন করার শপথ নিয়ে। কিশোর মন তার, স্বাধীন দেশে ঘরে ফেরার স্বপ্ন নিয়ে বন্দুক হাতে যুদ্ধ করে যায় সে। চোখে তাঁর ঘরে ফেরার স্বপ্ন, সম্মুখে শত্রুসেনা। সে কি ঘরে ফিরতে পারবে?

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ এর রাশেদের পর ‘ফজল’ হতে যাচ্ছে সব বয়সী পাঠকের প্রিয় কিশোর মুক্তিযোদ্ধা।

134 pages, Hardcover

First published February 10, 2022

6 people are currently reading
97 people want to read

About the author

Muhammed Zafar Iqbal

402 books1,606 followers
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)

Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.

Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.

Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.

Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.

Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.

Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.

Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (19%)
4 stars
32 (43%)
3 stars
21 (28%)
2 stars
4 (5%)
1 star
2 (2%)
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,667 reviews429 followers
March 12, 2023
বিজ্ঞান কল্পকাহিনিতে মুজাই-র লেখনীর যে হারে অধঃপতন হচ্ছে তাতে কপাল চাপড়ানো ছাড়া গতি নেই। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তিনি একের পর এক চমৎকার কিশোর উপন্যাস লিখে চলেছেন।"ফেরা" উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে আবর্তিত এবং সে সময় ঘটে যাওয়া মূল সব ঘটনাপ্রবাহ লেখক বিশ্বস্ততার সাথে তুলে ধরেছেন। ফজল নামক এক কিশোরের গ্রামে পাকিস্তানি হানাদারদের আগমন, ফজলের পলায়ন, শরণার্থী হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় মানুষের বর্ণনাতীত কষ্ট, পাক বাহিনী ও রাজাকারদের ধ্বংসযজ্ঞ ও লুটতরাজ, ফজলের যুদ্ধে যোগদান, ট্রেনিং, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার অভিযান, যুদ্ধের পর প্রত্যাবর্তন ও যুদ্ধ পরবর্তী অভিজ্ঞতা সবই "ফেরা"র উপজীব্য।লেখকের কলমে সেই সময়টা জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর জন্য "ফেরা" বইটি চমৎকার একটা মাধ্যম হতে পারে।
Profile Image for সালমান হক.
Author 66 books1,969 followers
February 13, 2023
লম্বা সময় পর মু.জা.ই-এর কোন বই পড়ে মনে হলো এতে অভিনবত্ব কিছু হলেও আছে। যদিও সেই অভিনবত্ব নিতান্তই ক্ষুদ্র পরিসরে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কারণেই হয়তো, মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামের বয়ান বরাবরই ভালো দেন লেখক। এবারের গল্পের নায়ক ফজল। মু.জা.ই-এর অন্যান্য কিশোর উপন্যাসের প্রোটাগিনিস্টদের তুলনায় একটু ভিন্ন-ই বলা যায় তাকে। আর নাম শুনেই আন্দাজ করা যাচ্ছে, এবারের গল্পটা শুধুমাত্র যুদ্ধের নয়, যুদ্ধ শেষে ঘরে ফেরারও বটে৷
Profile Image for Shotabdi.
820 reviews202 followers
April 6, 2023
মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটা উপন্যাস বা গল্প বা কবিতা বা যেকোন কিছুই পড়ার পর কিংবা কোন চলচ্চিত্র দেখার পর আমার চোখে অবধারিতভাবে জল আসবেই।
প্যান'স ল্যাবিরিন্থ বলে কালজয়ী চলচ্চিত্রটিতে প্রতিবাদ বা বিরুদ্ধে যাওয়ার গুরুত্ব নিয়ে যে থিমটি রয়েছে, তা প্রতিটা বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধের মূলকথা। সবাই যদি সবসময় অনুগত থাকত নিয়মের, তবে কি আমরা আমাদের দেশ পেতাম? এই আমি কি আজ আরামে বসে বসে লিখতে পারতাম মনের কথা?
ছোট ছিলাম যখন, গর্ব করে বলতাম, ইস, মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্মালে যুদ্ধে যেতাম! আজ বুঝি, একটা যুদ্ধ দেখা কত কষ্টের। না দেখেও, কেবল পড়ে, শুনে বুঝি যুদ্ধ যে কত কী কেড়ে নেয়!
মুহম্মদ জাফর ইকবাল যুদ্ধ করেন নি। তা নিয়ে অনেকে তাঁকে অনেক কথা শোনান। যুদ্ধ না করলেও পরিবার চালানোর জন্য তিনি তখন কম কষ্ট করেন নি। কার্টুন এঁকে, নানা ঝুঁকি নিয়ে উপার্জনের চেষ্টায় ছিলেন। তাঁর বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদও তো যুদ্ধ করেন নি। কই তাঁকে নিয়ে তো কেউ কিছু বলে না? কেন?
এর কারণ কি এ-ইই যে জাফর ইকবাল ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে সবসময়? কিংবা নারীদের সম অধিকারে বিশ্বাসী?
হয়তো তিনি যুদ্ধে যাননি, কিন্তু পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর নানা কাজের মাধ্যমে কিছু অন্তত দেয়ার চেষ্টা করেছেন দেশকে। অনেক অনেক কিশোর-কিশোরীরা তাঁর লেখা দিয়ে অনুপ্রাণিত। অনেকেই যুদ্ধ সম্পর্কে আগ্রহী হয়েছে তাঁর লেখার মাধ্যমেই। এই অবদানগুলো একেবারেই অস্বীকার করার মতো নয় কিন্তু।
ফেরা উপন্যাসটি সববয়েসীদের জন্যই। কারণ মুক্তিযুদ্ধ এর বিষয়বস্তু। আর মুক্তিযুদ্ধ কেবল কিশোর উপন্যাস বা ছোটদের কোন বিষয়বস্তু না৷
যুদ্ধের বাস্তবতা চমৎকারভাবে নিয়ে এসেছেন লেখক আবারও এখানে। তাঁর আমার বন্ধু রাশেদ, গ্রামের নাম কাঁকনডুবি বা ক্যাম্প এর পর। নন্দিনী নামের একটি বয়েসে বড় হিন্দু মেয়ের সাথে ফজলের যে হার্দিক সম্পর্ক গড়ে উঠে, এখানে কি লেখক কোথাও তাঁর ব্যক্তিজীবনকে ছুঁয়ে যান অল্প করে? কে জানে!
মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হলেও একেবারে হালকা ভাষায় গড়পড়তা করে লেখা হয়নি এটি। এসেছে অনেক নিষ্ঠুর দিক আর মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফেরার পর সময়ের পালাবদলও অল্প করে ধরা পড়েছে।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল যে এখনো ফুরিয়ে যান নি, এতে আমি স্বস্তি পেয়েছি।
Profile Image for Nusrat Mahmood.
594 reviews737 followers
April 8, 2023
ইংরেজিতে 'ফোরতে' বলে যে কথা আছে, তার উদাহরণ দিতে গেলে বলতে হয় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গল্প উপন্যাস লেখা হচ্ছে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ফোরতে বা কাপ অফ টি। এখন এই বইটা ভাল লেগেছে অবশ্যই। শুধু দুই তিনটা জায়গায় মনে হলো খুব দ্রুত কাহিনী এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই কারণে আমার বন্ধু রাশেদ পড়ে রাশেদের সাথে যেভাবে একাত্ম হতে পেরেছি এখানে সজলের অনুভূতি নিজের করে নিতে গিয়ে আটকে গেছি কোথায় যেন। ভাল লেগেছে আগের থেকে এখন যুদ্ধের উপন্যাস অনেক বেশি ডার্ক। কিশোর উপন্যাস ধরলে নতুন দিক নিয়ে আসছেন লেখক যুদ্ধ নিয়ে লিখতে গিয়ে। শুধু এইটুকু বই ৩৬০ টাকা দাম দেখে মনটা ইশপিশ করছে এই আর কি। কিশোরদের জন্য লেখা হলে, এই কয় পৃষ্ঠার বই ৩৬০ টাকা দিয়ে কিনে কয়জন কিশোর পড়বে?
Profile Image for Nadia Jasmine.
213 reviews18 followers
December 9, 2023
এতো সুন্দর কেন!! তার উপর এতো নিখুঁত!

একটা মানুষ এতো সুন্দর করে একটা গল্প বলল.. !

ছোটবেলায় এরকম বই নিয়ে আমরা নিজেরা ক্লাসে কত গল্প করতাম! সবাই পড়তো, বই দেওয়া নেওয়া হতো। আমরা আশায় বাঁচতাম। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জানার উৎসই ছিল এই মানুষটা আর তার ভাই.. পাঠ্যবইয়ে কিছু ছিল না আর নাই সেটা নিয়ে যে অবাক হবার কথা, সেটাও জানা ছিল না।

আজকাল নতুন বইপত্র পড়ে চোখে পানি আসে না। কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হয় বই দোকানে ফেরত দিয়ে পয়সা নিয়ে আসি.. সবাই মনে হয় পাঠকদেরকে দারুন কিছু দেবার চেষ্টার বদলে নিজে কতো বেশি জেনে বসে আছে, সেটাই বোঝাতে ব্যাকুল! আর সবচেয়ে বেশি মনোযোগ মনে হয় প্রচ্ছদে.. বুঝলাম না আমাদের এরপর কি হবে! ভিতরে মনে হয় যা তা ঠুশে দারুন প্রচ্ছদ হলেই কেল্লাফতে! আর বই একবার বিক্রি হয়ে গেলেই তো হল! পয়সা উশুল। অনেক শিক্ষা হল, আর এই পথে যাচ্ছি না।

আমরা কিছু ভালোবাসি সেটা বোঝাতে এখনো কি ঘৃণা করি সেটা প্রথমে বলা খুব জরুরী মনে করি। নিজের ভাষাকে ভালোবাসি এটা বলার আগে আমরা বলি হিন্দি ভাষা জঘন্য। নিজের দেশকে ভালোবাসি বলার আগে বলি আমরা আমেরিকার মতো না। পাকিস্তানকে ইচ্ছামতো গালি দিলেই মনে করি খুব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রকাশ করা হয়ে গেল।

একটা সময় এই শর্টকাটগুলো হয়তো কাজে দিয়েছে, কারন, নিজেদেরকেই ভুলে বসেছিলাম। এখনো কেন আমরা এটাই করতে থাকি? কেন আমরা মনে করি শ্লেষাত্নক ও ঘৃণা প্রকাশ করে এমন কথাই এখনো উপায় হিসেবে শ্রেষ্ঠ!

‘আমেরিকা’ বইতে স্যার হিন্দি ছবি দেখা নিয়ে খোঁচা মেরে বলেছিলেন। এখানে ফজল ট্রেনিং-এ থাকার সময়ে বন্ধুদের সাথে ‘হাতি মেরে সাথি’ দেখতে যায়। পাকিস্তানি সৈন্যদের সসম্মানে কবর দিতে হবে এমন কথা শিখানোর লোক তার এই বইতে চরিত্র হিসেবে এসেছে। কারন, আমাদের তো তাদের স্তরে নামলে চলবে না।

যারা কথা রাখে নি এবং যারা শোষন করেই যাচ্ছে, তাদের জন্য ভালোবাসায় গলে যেতে হবে না অবশ্যই। কিন্তু, শুধু তাদেরকে ঘৃণা করি বলে মুখে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে কাজের বেলায় প্রচন্ড অসৎ থেকে গেলে সেটা আসলে দেশপ্��েম না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও না। তা যাদেরকে আমরা ঘৃণা করি, তাদের তুলনায় আমাদেরকে শুধু আরো নীচ হিসাবে উপস্থাপন করে। আর কোন উনিশ বিশ ঘটে না এ��� কাজ করা ধরে রাখলে।

আমার প্রিয় লেখক সহস্রায়ূ হোন। আমীন।

এটা খুব আজব শোনালেও সত্যি যে লেখক হিসেবে এ প্রজন্মের ওনাকেই এখনো দরকার। স্যারের আরো ভালো লেখার অপেক্ষায় থাকব। আর টুকটাক ফরমায়েশী লেখাগুলো নিয়েও অভিযোগ করব না, কারন, সেগুলোতেও আজ পর্যন্ত ‘ভান’ খুঁজে পাই নি। জানি যে কোনদিন সেটা পাবও না। সেগুলো হয়তো ‘ফেরা’ এর মতো দারুন হয় না সব, কিন্তু, অনেক অনেক কোটি তারা পাওয়া বইয়ের চেয়ে হাজার গুন ভালোই হয়।
Profile Image for Faiza.
217 reviews21 followers
April 29, 2023
লম্বা সময় পর মুহম্মদ জাফর ইকবালের কোনো বই পড়ে ভালো লাগলো!
Profile Image for Jahan Subah.
8 reviews5 followers
March 8, 2023
মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস সবসময়ই তৃপ্তি এনে দেয়। বেশ কয়েক বছর পর আবার পড়তে গিয়ে সেই পুরনো তৃপ্তি পেলাম নতুন করে। বইটা খুব যত্ন করে একটু একটু করে পড়েছি যাতে খুব জলদি শেষ না হয়ে যায়। ছোটবেলায় হাতের মুঠোয় রেখে দেওয়া সন্দেশের মতো, একটু একটু করে স্বাদ নিতাম যাতে ফুরিয়ে না যায়। কিন্তু আফসোস! এতো চমৎকার বইটি এক বসাতেই শেষ হয়ে গেলো। গল্পের প্রধান চরিত্র ফজল, যেহেতু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রধান চরিত্রকে যুদ্ধে যেতে হয়। তবে এবারের শেষটা সুন্দর, ফিরে আসার নতুন গল্প।

যাদের ছোটবেলা আমার মতো জাফর ইকবাল স্যারের লেখা পড়ে কেটেছে, তারা নির্দ্বিধায় বইটি পড়তে পারেন। এতো বছর পরও সেই চেনা স্বাদ খুঁজে পাবেন।
Profile Image for Maahi Kaniz.
79 reviews14 followers
April 24, 2023
"ফেরা"বের হওয়ার সাথে সাথেই আরো কিছু বইয়ের সাথে অর্ডার করি।যেহেতু তাড়াহুড়ায় অর্ডার করা তাই জানতাম না বইটা কি নিয়ে।ঈদের ছুটিতে আমি সবসময়ই দাদুর বাড়ি যাওয়ার সময় একটা- দুটো করে বই নিয়ে যাই।এবার আমার সঙ্গী হয় ফেরার ফজল।২০ পেজ পড়ার পর বুঝতে পারি বইটা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক।আমার কেনো জানি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সব কিছু পড়তে বেশ ভালো লাগে।ফেরা পড়ার সময় আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমার বন্ধু রাশেদের অন্য একটা পার্ট পড়ছি যদিও কাহিনী সেম না।আমার তো খুব ভালোই লেগেছে বইটা।এই বইটা যদি বছর চারেক আগে পড়তাম তাহলে "গ্রামের নাম কাঁকনডুবি"র মতো এটাও হতো আমার অন্যতম পছন্দের বই।
Profile Image for Susmita Sarker (বাচ্চা ভূত).
193 reviews11 followers
August 21, 2023
গতানুগতিক মনে হয়নি! মোটামুটি ভালোই ছিলো,ফেরা বইটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি উপন্যাস। আত্মত্যাগ, ভালোবাসা,প্রেম, প্রীতি,মমতা সব উঠে এসেছে এই উপন্যাসটিতে!
48 reviews
Read
July 10, 2023
সত্যি বলতে বইটা আমাকে টানেনি একটুও। যুদ্ধ নিয়ে লেখা,তবু। পড়ার আগে মনে হচ্ছিলো একটু অন্যরকম কিছু থাকবে। জাফর ইকবাল স্যারের গতানুগতিক লেখার ধরন থেকে বুঝি একটু হলেও ভিন্ন ধরনের গল্প হবে! কিন্তু কিসের কি! যেই লাউ সেই কদু। এই বইটা যেন আগের কিশোরসমগ্র গুলোর চেয়ে বিচ্ছিরি হয়েছে।গল্পের প্রত্যেকটা চরিত্রকে রোবট মনে হয়েছে! বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠা থেকে একদম শেষ পৃষ্ঠা অব্দি নাটকীয় লেগেছে। যুদ্ধের বই পড়ে যদি রিয়েলিস্টিক ই না লাগলো, একটু মন খারাপই না হলো তাহলে এমন বইয়ের সার্থকতা কোথায়??
Profile Image for Jannatul Firdous.
89 reviews178 followers
April 3, 2023
গল্পটা ছোট্ট একটা শহরের ছেলে ফজলের। যুদ্ধ শুরুর আগে আগে সবে তখন দেশ উত্তাল হতে শুরু করেছে,ফজল তার বন্ধুর সাথে মারামারি করে ফিরে এলো। তার বাবা তাকে কটাক্ষ করে তার মায়ের উদ্দেশ্যে বললেন,"এই ছেলে সারাজীবন লজ্জা আর অপমান ছাড়া আমাকে কিছুই দেবে না।"

যুদ্ধ ভালোমতো শুরুর আগেই ফজল রাজাকার বাহিনীর কুনজরে পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে এসে তার বাড়ি তছনছ করবে তারা এটা তার বাবা আগেই অনুমান করেছিলেন তাইতো ফজলদের নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

তারপর নানান ঘটনার পর ফজল নিজেকে আবিষ্কার করে ইন্ডিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিংরত অবস্থায়। অনেকবার নিজের থেকে অনেক বড় বড় ছেলেদের থেকে বেশী সাহস দেখিয়ে ফেলে সে যেটাকে কোনোমতেই দুঃসাহস বলবার উপায় নেই। পরিচয় হয় নন্দিনী নামক চমৎকার একটি মেয়ের সাথেও।

অনেকগুলো মানুষ বর্ডার ধরে হেঁটে ইন্ডিয়ার পথে চলেছে। পথিমধ্যে এক ছোট বাচ্চা তার মায়ের কোলের মধ্যেই মরে পড়ে আছে মা টের‌ও পাননি। যখন টের পেলেন খানিকক্ষণ কেঁদে শিশুটিকে পথের পাশে শুইয়ে দিয়ে কপালে চুমু খেলেন,তারপর পিছু না ফিরে হাঁটতে লাগলেন অন্যদের সাথে। চারপাশে উড়ছে কিছু চিল,কিছুক্ষণের মাঝেই যারা শিশুটিকে খুবলে খুবলে খাবে।

নানান ঘটনায়,নানান তিক্ত অভিজ্ঞতায়,মৃত্যুমুখে বারবার পতিত হয়ে এর আগে ফজলের মনে হয়েছে সে বুঝেছে কেন যুদ্ধ করা দরকার। কিন্তু এই একটা ঘটনা তাকে বুঝিয়ে দেয়,কেন নিজের একটা দেশ থাকা দরকার। যাতে কোনো মাকেই তার সন্তান ফেলে এভাবে চলে যেতে না হয়,যাতে সন্তানেরা মরার পর অন্তত একমুঠো মাটি পায়,নিজের দেশের নিজের মাটি।

হসপিটালে এক লোক পাগলের মতো চিৎকার করছে,সকলকে শেষ করে দিতে চাইছে। জানা গেলো সে মুক্তিযোদ্ধা। তার বন্ধুদের তার চোখের সামনেই মেরে ফেলার পর সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ভারসাম্য হারিয়েছে। এই যুদ্ধ শুধু শারীরিকভাবে না মানসিকভাবেও প্রচন্ডভাবে ভেঙে দিয়ে গেছে বাঙালিদের।

ফজলের চোখের সামনে যেসব বন্ধু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে তার কাঁধের ওপরেই তারা কি ওপার থেকে জানবে দেশ স্বাধীন হলে? ফজল নিজেও বাঁচবে কি স্বাধীন হ‌ওয়া পর্যন্ত?

নিঃসন্দেহে এই বছরে শুধু না,বিগত কয়েক বছরের মধ্যে জাফর ইকবালের সর্বসেরা উপন্যাস 'ফেরা।' প্লটের দিক থেকে,লেখনীর দিক থেকে সবদিক থেকেই সাম্প্রতিক অন্যান্য সকল উপন্যাস থেকে উন্নত এবং পরিনত। কিশোর উপন্যাস হলেও এটা সব বয়সের সবার ভালো লাগার মতো একটা ব‌ই।
Profile Image for Anupoma Sharmin Anonya.
72 reviews1 follower
June 17, 2023
অনেক বছর হল মুজাইর কোন বই পড়িনি। কৈশোর পার করে এলে কেই বা আর পড়ে- নাছোড়বান্দা খেলোয়াড় বান্ধবী জন্মদিনে উপহার দিল। রাশেদ বেঁচে গেলে মনে হয় ফজল হত। মনে হল শৈশবের দিনগুলোতে ফিরে গিয়েছি, চোখের সামনে বিজয় দিবসে টিভি ছেড়ে দেশি চ্যানেলগুলোতে দিনভর এমন সিনেমাগুলো দেখতাম একরাশ বিস্ময় নিয়ে। শুরুর দিকে অতিদ্রুত প্লট ডেভেলপমেন্ট ছাড়া বলা চলে বাকিটা নস্টালজিক করে দিয়েছে এই ঘুরঘুট্টি বর্ষার দিনে।
Profile Image for Moumita Shabnoor Bindu.
6 reviews
March 2, 2024
অনেক দিন পরে স্যারের লেখা ভালো বই পড়���াম।
Profile Image for Sondhyashoshii.
34 reviews2 followers
November 10, 2025
থোর বড়ি খাড়া,
লিখে তারাতারা,
এইবারে লিখেছেন খাড়া বড়ি থোর।
Displaying 1 - 14 of 14 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.