Jump to ratings and reviews
Rate this book

সকালবেলার আলো

Rate this book
ছোটোদের নিয়ে লেখা ছোটোদের এই উপন্যাস। অনেকদিন আগে, দুই বাংলা যখন এক ছিল, পদ্মানদীর ধারে বেড়ে উঠেছে এক কিশোর। তার চারদিকে ভারি সুন্দর পৃথিবী। কিন্তু এরই মধ্যে সে অল্পে অল্পে বুঝে নিচ্ছে যে তাকে চলতে হবে একেবারে একা।

79 pages, Hardcover

First published September 1, 1972

2 people are currently reading
125 people want to read

About the author

Shankha Ghosh

130 books63 followers
Shankha Ghosh (Bengali: শঙ্খ ঘোষ; b. 1932) is a Bengali Indian poet and critic. Ghosh was born on February 6, 1932 at Chandpur of what is now Bangladesh. Shankha Ghosh is regarded one of the most prolific writers in Bengali. He got his undergraduate degree in Arts in Bengali language from the Presidency College, Kolkata in 1951 and subsequently his Master's degree from the University of Calcutta. He taught at many educational institutes, including Bangabasi College, City College (all affiliated to the University of Calcutta) and at Jadavpur University, all in Kolkata. He retired from Jadavpur University in 1992. He joined the Iowa Writer's Workshop, USA in 1960's. He has also taught Delhi University, the Indian Institute of Advanced Studies at Shimla, and at the Visva-Bharati University.
Awards:
Narsingh Das Puraskar (1977, for Muurkha baro, saamaajik nay)
Sahitya Akademi Award (1977, for Baabarer praarthanaa)
Rabindra-Puraskar (1989, for Dhum legechhe hrit kamale)
Saraswati Samman for his anthology Gandharba Kabitaguccha[1]
Sahitya Akademi Award for translation (1999, for translation of raktakalyaan)
Desikottam by Visva-Bharati (1999)
Padma Bhushan by the Government of India (2011)

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (31%)
4 stars
21 (47%)
3 stars
6 (13%)
2 stars
2 (4%)
1 star
1 (2%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for NaYeeM.
229 reviews65 followers
November 11, 2021
"কেউ যে রাগ করে না এটা ভালো। পৃথিবীতে যদি কেউ কারো ওপর রাগ না করত তাহলে কত যে ভালো হতো, সেকথা কাউকে বোঝানো যায় না"


এই হালকা শীত-শীত বিকেলে বইটা পড়ে শেষ করলাম।।
বইটা শেষ করার একদম উপযুক্ত সময়....
পড়তে পড়তে বেশ ভালো লাগা কাজ করছিল। লেখক শঙ্খ ঘোষ যেন মায়া মেখে দিয়েছেন পুরো গল্পতে।। কি সুন্দর-স্নিগ্ধ তার লেখা 🌻 আর সাথে ছিল সুন্দর সব illustration, যার কারণে পড়তে আরো ভালো লাগছিলো।
তবে সবসময় কি ভাল লাগা থাকে..?? আনন্দের পরে আসে মর্মপীড়া, ঠিক যেমন আলোর পরে অন্ধকার।।
এই বইতেও ঠিক তেমনি৷ ভাল লাগতে লাগতে শেষে এসে কেমন মন খারাপের এক বিষণ্ণ বাতাস লাগিয়ে দিয়ে গেলো.....

দুই বাংলা যখন এক ছিল, এ হলো সেই সময়ের গল্প।।
এ হলো নীলু, বরুণ, কেশব-এর গল্প।।
তারা তিনজনে মিলে এক।। তারা যেখানে যাবে একসাথেই যাবে....
তাদের বাচ্চা-বাচ্চা কর্মকাণ্ড, তাদের বাচ্চা-বাচ্চা সব প্রশ্ন এবং চিন্তা, বাচ্চা-বাচ্চা সব উপলব্ধি..... তারা পদ্মার ধারে ঘুরতে যায়, একসাথে খেলে, ক্লাসে একসাথে বসে, কিছু করার পরিকল্পনা করলে একসাথে করে।।
কিন্তু ঐ যে বললাম? সবসময় কি একসাথে থাকা সম্ভব??
নিয়তি যে কোথায় নিয়ে ফেলে তা আমরা কেউ জানি না


"ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে চোখ ফেরাল নীলু। আজও তেমনি ছোটো ছোটো ঢেউয়ের মতো হাওয়া লাগছে গায়ে, হালকা হয়ে যায় মন। আচ্ছা, মন বলে কিছু আছে না কি? কোথায় থাকে মন? স্বাস্থ্য-বই পড়ে তো শরীরের সব জানা গেছে, তার মধ্যে মনের কথা নেই তো! কিন্তু নীলুর মনে হয় যে বুকের কাছে বুকের নীচে যেন মনের বাসা। আর এখন যেন সেই বাসা ছেড়ে মন বেরিয়ে পড়েছে দূরের পথে, বুকটা তাই হালকা লাগে। বেরিয়ে পড়েছে ওই ইস্কুলবাড়িতে, ইস্কুলবাড়ির পাশ কাটিয়ে বটগাছের মাথার ওপর দিয়ে আকাশে! আকাশে আকাশে খেলা করে মন"
Profile Image for Sohan.
274 reviews74 followers
March 24, 2024
শঙ্খ ঘোষের আত্মজৈবনিক গদ্যসংগ্রহ (দ্বিতীয় পর্ব)
প্রথম পর্বঃ ছোট্ট একটা স্কুল

অতঃপর আমাদের সাইকেলগুলো চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ ছেড়ে নেমে পড়ে গ্রামের মধ্যে। ছোট ছোট রাস্তা আর রেল লাইন পেরিয়ে, কলোনি পাড়ার মস্ত বড় শিরিষ গাছের সারি দূরে ফেলে রেখে, পুকুর-ডোবা ডিঙিয়ে ছুটে চলে পদ্মা ঘাটের দিকে।
সকালবেলার আলো উপন্যাসের প্রতিটি পাতায় জড়িয়ে আছে পদ্মাপার, পদ্মার ইলিশ শিকার, পদ্মার চরে চোরাবালি আতঙ্ক, পদ্মার উপর আর্চওয়ালা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, ছোট্ট একটা ইশকুল, ইশকুলের বন্ধু কেশব-বরুণ, ওদের সাথে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা, জাপান-ব্রিটিশ কনফ্লিক্ট, খোল করতাল কীর্তন—এই সবই লেখকের সাত বছর থেকে পনেরো বছর বয়স অবধি পদ্মাপারের পাকশি পর্বের স্মৃতি রোমন্থন। এরই মাঝে হয়তো কিছু রয়েছে গদ্যকারের শিল্পিত আড়াল। অপুর কথা তো আর বিভূতিভূষণের জীবনকথা নয়, ঠিক নীলুর চোখ দিয়ে দেখা সবই হয়তো লেখকের পূর্ণ জীবনালেখ্য নয়।

পদ্মাপারে একটা মস্ত বড় বটগাছ। চারপাশে অজস্র পাকা বটফল পরে আছে। গাছের নিচে শান বাঁধানো আসন। ত্রিশ-চল্লিশ কিলো সাইকেল চালিয়ে আমরা বড্ড ক্লান্ত। আসনে টান হয়ে শুয়ে পরি। পাশে উন্মত্ত পদ্মার জলে বেলা শেষের রৌদ্র সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছে। জেলেরা ছোট ছোট ডিঙিতে মাছ ধরে সবে ঘাটে ফিরছে। আকাশে মেঘের ভেলা রঙ পাল্টে কমলা থেকে গারো লাল আভা ধারণ করছে। মেঘের দিকে তাকিয়ে বইটার একটা পর্ব মনে পরে যেখানে নীলু শরতের মেঘে রবীন্দ্রনাথকে দেখতে পায়।

“এই একটা মজা যে মেঘের দিকে তাকালে নীলু অনেকরকম ছবি দেখতে পায়, বরুণ পায় না। সেদিন বরুণকে বলেছিল নীলু, জানিস, কাল দুপুরবেলা দেখি শাদা একটা মেঘ ঘুরতে ঘুরতে ঠিক রবীন্দ্রনাথের মুখ হয়ে গেল। ‘রবীন্দ্রনাথ?’ বলে বরুণের কি হাসি! খুব রাগ করেছিল নীলু।”

এমনটা ছেলেবেলায় আমরাও কত খেলেছি, কত রকম মুখ আমরা কল্পনা করেছি শরতের মেঘে! বইটি পড়বার সময় ভাবছিলাম, শঙ্খ ঘোষের অনেক কবিতার সাথে মিল খুঁজে পাচ্ছি যেন কাহিনীগুলোতে। শরতের মেঘের কথাটা অবিকল রয়েছে ‘মিথ্যে কথা’ কবিতায়—


বলি না তাই সে সব কথা সামলে থাকি খুব
কিন্তু সেদিন হয়েছে কি এমনি বেয়াকুব-
আকাশপারে আবার ও চোখ গিয়েছে আটকে
শরৎ মেঘে দেখতে পেলাম রবীন্দ্রনাথকে।


নীলু চরিত্রের সাথে অপুর তুলনা আমি হয়তো করতাম না যদি না গদ্যকার নিজেই তাঁর ছোট্ট একটি স্কুল বইটিতে বলতেন—এই অপু এই অমল মিলেমিশে যায় নীলুর একেবারে বুকের মাঝখানে। তার যেন মনে হয়, সেও বুঝি একটুখানি অপু আর একটুখানি অমল। কিন্তু সে একাই বা কেন? ইস্কুলসুদ্ধ সবাই কি তা-ই নয় ?
“এখন না কি নয়। এখন, বলছে সবাই, অনেকেই না কি হয়ে গেছে আরেকরকম। এখন না কি স্কুল- পড়ুয়ারা সবাই একটুখানি অরণ্যদেব আর একটুখানি টিনটিন।
সত্যি সত্যি হয় না কি তাই? একটু অপু একটু অমল কোথাও নেই আর? হতেই পারে না তা।”
যদিও নীলু চরিত্র অপুর মতন অতটা সাহসী আর ফরোয়ার্ড নয় বরং অনেক বেশি অন্তর্মুখী তবুও বলা যায়—নীলুর মধ্যেও রয়েছে অপুর মতো প্রকৃতির রুপ-রস-গন্ধ অবাক চোখে দেখবার স্বভাব।


পদ্মাপারের এই বটতলা থেকে দূরে দেখা যায় খয়েরি রঙা হার্ডিঞ্জ ব্রিজটাকে। ওটাকে কত জায়গা থেকে কতভাবে না দেখি আমরা। বাল্যকালে আমারও মনে হতো—এটাই বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম ব্রিজ। বইয়ের একটা পর্বে নীলু তার গগন মাস্টারকে বলে—
“‘আচ্ছা, আপনার মনে হয় না স্যার, আমাদের এই ব্রিজটাই সবচেয়ে সুন্দর সব ব্রিজের চেয়ে?’
শুনে হাসলেন গগনবাবু। বললেন, ‘একেবারে সবচেয়ে? আগে তাহলে বলো কটা ব্রিজ তুমি দেখেছ।’”


পাকশীর ওই হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে এসে আমার কত মানুষের কথাই যে মনে পরে। গত বছর এসেছিলাম অমিয়ভূষণ মজুমদারকে খুঁজতে। আর এবার এসেছি শঙ্খ ঘোষের খোঁজে।
পদ্মার ওপারে যখন সূর্য ডুবি ডুবি করছে তখন আমরাও বাড়ি ফেরার তাগাদা করি। সকালবেলার আলো এখন প্রদোষে মিলিয়ে যাচ্ছে। ফেরবার পথে ভাবছি, এভাবে যদি শঙ্খ ঘোষের আত্মজৈবনিক রচনাগুলোর সাথে সাথে ঘুরে বেরাই তাহলে পরবর্তী উপন্যাস ‘সুপুরিবনের সারি’ বইটার জন্য যেতে হবে বরিশাল। এখন উপায়!

১১ই চৈত্র ১৪৩০
[হ্যাঁ... চলবে]


Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
260 reviews74 followers
March 24, 2024
কিশোর সাহিত্য আমার একেবারেই কম পড়া হয়েছে। এই বুড়ো বয়সে এসে যতই পড়ি ততই যেন হাহাকারের গ্রাফটা সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে। এতো মিষ্টি একটা বই, কিন্তু এতো ছোট কেন! ভালো জিনিস বলেই বোধ হয় ছোট।
বইয়ের কিছু ভালো লাগা লাইন:


ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে চোখ ফেরাল নীলু। আজও তেমনি ছোটো ছোটো ঢেউয়ের মতো হাওয়া লাগছে গায়ে, হালকা হয়ে যায় মন। আচ্ছা, মন বলে কিছু আছে না কি? কোথায় থাকে মন? স্বাস্থ্যবই পড়ে তো শরীরের সব জানা গেছে, তার মধ্যে মনের কথা নেই তো! কিন্তু নীলুর মনে হয় যে বুকের কাছে বুকের নীচে যেন মনের বাসা। আর এখন যেন সেই বাসা ছেড়ে মন বেরিয়ে পড়েছে দূরের পথে, বুকটা তাই হালকা লাগে। বেরিয়ে পড়েছে ওই ইস্কুলবাড়িতে, ইস্কুল- বাড়ির পাশ কাটিয়ে বটগাছের মাথার ওপর দিয়ে আকাশে! আকাশে আকাশে খেলা করে মন।

ছবিটবি তুলে রেখে ভাবতে বসে নীলু, পৃথিবীতে কার কার কোনো দুঃখ নেই। বড়োদের কোনো দুঃখ নেই। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজকর্ম করে, ঘুরেফিরে বেড়ায়। সন্ধ্যেবেলা দেরি করে বাড়ি ফিরলে কেউ বলে না 'ঠ্যাং ভেঙে দেব'। পড়তে ইচ্ছে হলে পড়ে, না হলে পড়ে না। সকালে উঠে খবরের কাগজ পড��লেই হয়, ধাতুরূপ পড়তে হয় না। ছোটোদেরও ভারি সুবিধে। যেমন নীলুর ছোটো ভাই।

বড়ো হবে? আরো বড়ো? ঠিক তক্ষুনি নীলুর মনে হলো যে আর বড়ো হওয়া ভালো নয়! বড়ো হলে বাবাদের মতো দশটার সময়ে কাজে বেরুতে হবে, সেই একটা ভয়। আরো ভয় আছে। একবার রানাঘাট স্টেশনে ট্রেন বদল করবার সময়ে বাবাকে সে ছুটোছুটি করতে দেখেছিল পাগলের মতো, প্লাটফর্মের এধার থেকে ওধার। ভিড়ের গাড়িতে জায়গা মিলছে না কোথাও, কুলি দৌড়োচ্ছে পিছনে, নীলুরা দৌড়োচ্ছে পিছনে, আর বাবাকে কেমন আরেকরকম দেখাচ্ছিল তখন। বাড়িতে যাঁকে দেখলে এত ভয়, তাঁকে ও-রকম দেখলে কেমন লাগে না? সেটাও বেশ ভয়ের। তাই বড়ো হওয়া ভালো নয়। আর তাছাড়া, ধরো বড়ো হলে যদি বাসুদি না থাকে পাশে, বা কেশব, বা বরুণ-তাহলে আর কী লাভ হলো বড়ো হয়ে।

ওর ওপর পায়ে-হাঁটা পথ ধরে একদিন ওপারে চলে যাবে ওরা তিনজন, এইরকম কতদিন ভেবেছে নীলুরা। কিন্তু এখন যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধের সময় ব্রিজে উঠবার নিয়ম নেই। কেশব কবে চলে গেছে। বরুণও চলে গেল। হয়তো একদিন যুদ্ধ ও থেমে যাবে। তখন একদিন নীলু ওই ব্রিজের ওপর দিয়ে চলে যেতে পারবে ওপারের দিকে। কিন্তু তখন কেশব থাকবে না, বরুণ থাকবে না। যেতে হবে একলা, একেবারে একা!

হারুন ভাইকে ধন্যবাদ। বইটি ধার দিয়ে ঋণী করার জন্য।
Profile Image for Akhi Asma.
232 reviews463 followers
September 26, 2021
সকালবেলার আলো শঙ্খ ঘোষের আত্মজৈবনিক উপন্যাসত্রয়ীর প্রথম অংশ। যেখানে দেশভাগের আগের পদ্মপাড়ের এক কিশোর ও তার বন্ধুদের কথা বলা হয়েছে। হঠাৎ করে দুই বন্ধুকে হারিয়ে নীলমাধব এর একা হয়ে যাওয়ার গল্প সকালবেলার আলো।

এর পরের দুইটাও পড়ে ফেলবো খুব শীঘ্রই। তখন তিনটা মিলে বাতিঘরের প্রকাশিত কিশোরকথা নিয়ে লিখবো।
Profile Image for Adham Alif.
335 reviews81 followers
May 21, 2023
নীলু, বরুণ আর কেশব এই তিন রত্ন এবং ইস্কুলের কান্ডকারখানা মিলিয়েই এই স্মৃতিকথা। মজার গল্প দিয়ে শুরু হলেও একসময় আমরা আবিষ্কার করি প্রত্যেকটা চরিত্রের মায়ায় আছন্ন হয়ে পড়েছি। কী ভয়ঙ্কর সে মায়া আর বেদনাদায়ক তার পরিণতি!
Profile Image for Chinmoy Biswas.
175 reviews65 followers
May 9, 2022
ভালো নাম নীলমাধব। সবাই ডাকে নীলু। ছোট্ট নীলু স্কুলে পড়ে। সেখানে তার আরো দুইটা বন্ধু আছে কেশব,বরুন। তারা তিনটি তে মিলে দারুণ সময় কাটায়। খুব চমৎকার ভাবে হেসে খেলে পার হয়ে যাচ্ছিল তাদের সময়। কিন্তু হঠাৎ একটা ঝড় এলো ছোট্ট নীলুর জীবনে! নীলুর রঙিন শৈশবকে ফিকে করার চেষ্টা করল সেই ঝড়!

শঙ্খ ঘোষের লেখার সাথে পরিচয় অনেক আগে। কিছুদিন আগে উনার বই "ছোট্ট একটা স্কুল পড়েছিলাম"। বইটা অসম্ভব ভালো লেগেছিল। লেখকের লেখাগুলো যেন লেখা নয়,মুক্তো। এত দারুণ লেখনী। সেই চমৎকার লেখনীর বজায় ছিল " সকালবেলার আলো" বইটাতে। একেবারে মুগ্ধ করে রাখে বইতে। আত্মজৈবনিক উপন্যাসের প্রথম বইটা দারুণ লাগলো।
Profile Image for Ratika Khandoker.
306 reviews35 followers
May 26, 2022
এত সুন্দর চলছিলো সব কিছু,হঠাৎ এমন হারানোর সুর কেনো বেজে উঠলো গল্পে?
ছোটদের বই এতো বিষন্ন কেনো হবে?
মনটা খুব ভারী হয়ে গেলো।
এমন তো আশা করি নাই!
Profile Image for Abdul Ahad.
59 reviews
May 3, 2025
" পৃথিবীতে কার কার কোনো দুঃখ নেই। বড়োদের কোনো দুঃখ নেই। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজকর্ম করে, ঘুরেফিরে বেড়ায়। সন্ধ্যেবেলা দেরি করে বাড়ি ফিরলে কেউ বলে না 'ঠ্যাং ভেঙে দেব'। পড়তে ইচ্ছে হলে পড়ে, না হলে পড়ে না। সকালে উঠে খবরের কাগজ পড়লেই হয়, ধাতুরূপ পড়তে হয় না। ছোটোদেরও ভারি সুবিধে। যেমন নীলুর ছোটো ভাই। পাঁচ বছর বয়েস, তাই তার পড়তেও হয় না, কাজ করতেও হয় না।"
নীলু- কেশব - বরুণ যেন সেই শৈশবের প্রিয় মুখগুলোর প্রতিচ্ছবি।
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
203 reviews11 followers
January 10, 2025
শঙ্খ ঘোষ যা লিখেন তা-ই সুমধুর। তার সাথে আরো যদি একটা মিষ্টি গল্প জুড়ে দেয়া যায় তাহলে সোনায় সোহাগা। কিশোর উপন্যাস বলতে যা সাধারণ বেশি চলে তা মূলত ডিটেকটিভ ঘরানার উপন্যাস। এমন হৃদয় নিঙরানো কিশোর উপন্যাস খুব কমই দেখেছি/পড়েছি।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.