সৈয়দ আলী আহসানের বিচিত্র কর্মজীবন অর্ধশতাব্দীরও অধিক। এ সময়কালে তিনি অধ্যাপনা করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন হয়েছেন, উপাচার্য হয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান হয়েছেন। এক সময় রেডিওর একজন কর্মকর্তা ছিলেন এবং ছ'বছরেরও অধিককাল একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরিচালক ছিলেন। বহির্বিশ্বে ইউনেস্কোর নানাবিধ কর্মকান্ডে তিনি জড়িত হয়েছেন এবং এক পর্যায়ে টোকিওতে ইউনেস্কোর উপদেষ্টা ছিলেন। নানাবিধ কর্ম দায়ভার কিন্তু তাঁকে কখনও তাঁর সাহিত্য সাধনা থেকে সরিয়ে আনতে পারেনি। শুধুমাত্র সাহিত্য নয়, শিল্পকলা এবং নানাবিধ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তিনি তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর বিচিত্র কর্মকান্ড তাঁকে দেশের প্রশাসনিক প্রধানদের নিকটে এনেছে। এর ফলে অনেকের দৃষ্টিতে তিঁনি সন্দেহভাজন ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এরা নানাভাবে তাঁর চরিত্র হননের চেষ্টা করেছেন এবং তাঁর মর্যাদায় আঘাত লাগে এমন সব মিথ্যা অভিযোগের কারুকর্ম তৈরী করেছেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে এ সমস্ত অভিযোগের কোনও উত্তর দেননি। বর্তমানে পরিণত বয়েসে জীবনের একটি প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য 'আমার সাক্ষ্য' নামক গ্রন্থে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত মিথ্যা অভিযোগের উত্তর দিয়েছেন। তিনি সত্যকে সুস্পষ্টভাবে উন্মোচন করবার প্রয়াস পেয়েছেন । আমরা আশা করি এই উন্মোচনের মধ্যদিয়ে সত্যের প্রতিষ্ঠা ঘটবে এবং বিভিন্ন লোকের ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দুর হবে। এ গ্রন্থের প্রবন্ধ গুলো তিনি প্রথমে 'সত্যের পক্ষে' নামে প্রকাশ করেছিলেন। এখন প্রকাশ মুহূর্তে নাম পরিবর্তন করে 'আমার সাক্ষ্য' করা হল।
Syed Ali Ahsan (26 March 1920 – 25 June 2002) was a Bangladeshi poet, writer and university academic. He was awarded Ekushey Padak (1982) and Independence Day Award (1987) by the Government of Bangladesh. In 1987, he was selected as the National Professor of Bangladesh. He was credited as the official English translator of the National Anthem of Bangladesh.
অনেকটা আত্মপক্ষ সমর্থনের বয়ানে লিখিত হয়েছে সৈয়দ আলী আহসান এর আমার সাক্ষ্য বইটি। যে আলোচনার প্রয়োজনে উঠে এসেছে বিভিন্ন লুকায়িত ইতিহাস, প্রয়োজনীয় কিন্তু অনালোচিত তাত্ত্বিক আলাপ। ৩.৫