The profile of Vivekananda as a leader has never been studied and thought about on it's own, especially in the light of modern management and leadership theories. The author saw Vivekananda as the perfect example of a leader. In fact, Vivekananda followed modern textbook leadership and management principles. Here is a book for today's and tomorrow's leaders and managers.
It is a well known fact that Vivekananda was an accomplished leader. What this book does is to analyze various dimensions of his leadership attributes quoting copiously from his writings and speeches. And, this is done quite remarkably by bringing in learnings from well known practitioners and analysts on leadership like Peter Drucker, Jack Welch, Theodore Leavitt, John Maxwell and the like.
বই: Vivekananda: A Born leader লেখক: Asim Chaudhuri প্রকাশক: Advaita Ashrama প্রকাশকাল: 1st edition (12 January 2011) পৃষ্ঠাসংখ্যা: 240 pages ফরম্যাট: Hardcover ডাইমেনশন: 13.97 x 2.29 x 21.59 cm মূল্য:
বইয়ের নাম 'Vivekananda: a born leader', লেখক, Asim Chaudhuri
বইটির মূল উপপাদ্য কী? এইটা -- "Charismatic management or leadership is a form of professional guidance or management built on a foundation of strong communication skills, persuasiveness, and maybe even a little bit of charm to help them get the most out of everyone that works for them."
"They tend to be passionate, have charisma (hence the charismatic title), and have strong convictions with a deep connection to the work that they’re doing—which, in turn, inspires the same conviction in others.
Because of a charismatic leader’s intense commitment to their work, they tend to evoke strong emotions from their followers and teams."
"This encourages devotion, action, and strong problem-solving skills."
নেতা বলতে আমরা রাজনৈতিক নেতা বুঝি। অবশ্য ধর্মীয় নেতা যে আমাদের অপরিচিত তাও নয়। বস্তুত বিষয় অনুসারে আমরা নেতাদের ভাগ করে থাকি। কিন্তু নেতা তিনিই যিনি সর্ববিষয়ে নেতৃত্ব দিতে পারেন।
আর তা পারেন তিনি সত্যে প্রতিষ্ঠিত থাকেন বলেই।
কিন্তু যথার্থ নেতা অর্থাৎ, সর্ববিষয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকারীর ভাব অত্যন্ত গভীর হয়ে থাকে। আর সে গভীরতার তারতম্যের উপরেই তার প্রভাবের স্থায়িত্ব নির্ভর করে।
স্বামীজী ভাইদের চিঠিতে লিখেছিলেন (২৫ সেপ্টেম্বর (১৮৯৪),
পবননন্দনের মতো দাসাভক্তি ছিল বলেই পর্বতপ্রমাণ জড়ত্বকে টলিয়ে দেওয়ার মতো অসম্ভব কার্য সমাধা হয়েছিল। শতচ্ছিন্ন কাপড়ে আচ্ছাদিত যে দরিদ্রের চোখে হতাশার গভীর কালিমা দেখেছিলেন, তাদের চোখেই এখন আশার বিদ্যুৎ লক্ষ করলেন।
জাতি হিসেবে উঠতে গেলে বৃহত্তর য়া অবহেলিত জনসমাজকে তুলতে হবে প্রথমে। সর্বাগ্রে চাই মানবধর্মে দীক্ষা। যে-দীক্ষা কাম ও অর্থে পরিমিতিবোধ আনবে। ঠাকুর যাকে বলেছিলেন 'মানুষ মানে মান-হুঁশ'। সেই হুঁশ ফেরাতে স্বামীজী বললেন, “Education is the manifestation of the perfection already present in man” -- অন্তরে যে-পূর্ণতা বর্তমান তার প্রকাশ ঘটানোই শিক্ষা, আর অন্তরে যে-দেবত্ব বর্তমান তার বিকাশ ঘটানোই ধর্মের কাজ। মোক্ষ তার অনেক পরে।
সেই মর্মে শুরু হল কাজ। ত্যাগী যুবকদের নিয়ে তৈরি হল সঙ্ঘ, সঙ্গে অনুগামী গৃহীর দল। স্বামীজী বললেন, এটি মানুষ তৈরির বিশ্ববিদ্যালয়, কারণ সেটিই প্রাকশর্ত মোক্ষপথে চলার। যেহেতু সেখানে শ্যামা মায়ের ঘুড়ির খেলায় 'লক্ষের দুটো একটা কাটে' তাই বাকি যারা, তারা মান-হুঁশ হয়ে এ জগতকে আলো দেখাবে আত্মোন্নতির, আনন্দের, শান্তির। বললেন, “তোদের তো এত ভালবাসি, তবু তোরা পরের জন্যে খেটে খেটে মরে যা, আমি দেখে শান্তি পাই।"
তাদের বুঝতে অসুবিধা হল না যে, নিজের ত্য জন্য খেটে খেটেই মানুষ মরে, পরের জন্য মরলে সে অমর হয়, আর এখন এটাই পথ।
নেতৃত্বের আদর্শ তিনি। ভারতের ইতিহাসে তাঁর গভীর প্রভাব সর্বজনবিদিত। বালগঙ্গাধর তিলক, শ্রীঅরবিন্দ, মোহনদাস গান্ধী সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কে শঙ্করীপ্রসাদ বসু বলেছেন, এই চার জন ভারতীয় ইতিহাসকে উত্তোলিত করেছিলেন। এঁদের উপর স্বামীজির প্রভাব ছিল যথেষ্ট। স্বামীজির দেহান্তের পরে যখন দক্ষিণ ভারতে প্রচার চলছে যে, পাশ্চাত্যে গিয়ে এই সন্ন্যাসী নিষিদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করেছেন, তখন তিলকের মতো মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ দরাজ হৃদয়ে বলছেন, স্বামীজি হলেন দ্বিতীয় শঙ্করাচার্য।
বেলুড় মঠে এসে গান্ধী স্বামীজির সাক্ষাৎ পাননি, কিন্তু তিলক পেয়েছিলেন দু’বার। প্রথম বার স্বামীজি গিয়েছিলেন তিলকের পুণে-আবাসে। দ্বিতীয় বার তিলক এসেছিলেন বেলুড়ে।
শ্রীঅরবিন্দ বলেছেন, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের প্রভাব ছিল বলেই জাতীয় আন্দোলন সম্ভবপর হয়েছিল। হরিজন আন্দোলনের উপর স্বামীজির প্রভাবের কথা গান্ধীর সকল জীবনীকার স্বীকার করেছেন। বেলুড় মঠে এসে গান্ধী বলেছিলেন, স্বামীজির গ্ৰন্থ পাঠ করে তাঁর দেশপ্রেম বহু গুণ বেড়ে গিয়েছে।
এই বইয়ের লেখক বলছেন, "The book may not have any relevance to people looking for a quick management fix, or a fast track to leadership, but it will show how the strength of vision, passion, self-mastery, and character, above everything, could elevate one to the pinnacle of leadership....
The book does not claim to be a textbook or guide for leadership or management development.
However, the aspiring leaders or managers, in private, public, or in non-profit organizations, will gain an understanding of the basic principles of effective leader ship, or efficient management, by looking at how Vivekananda incorporated those principles in his life and followed them, and by viewing him as their model."
এই বইয়ের পাঁচটি অধ্যায়ে স্বামীজীর নেতৃত্বশক্তির যে নির্যাস পাই, তাকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়:
**প্রথমত, ধর্ম ভারতবর্ষের জাতীয় জীবনের পর ভিত্তি, জাতির মেরুদণ্ড। ধর্মভাব জাতির শোণিতে নিত্য প্রবাহিত। এই ধর্মভাব নষ্টপ্রায় বলেই জাতির দুরবস্থা। যদি তার দুঃখমোচন ও উন্নতিবিধান করতে হয়, তাহলে সর্বাগ্রে এই ধর্মভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। হিন্দুধর্ম ও জাতি যেন জড় হয়ে গিয়েছিল। স্বামীজী ডাক দিলেন: “ওঠো, নিজের ধর্মকে জানো, নিজের মঙ্গল করো, জগতের মঙ্গল করো।”
**দ্বিতীয়ত, যে-বেদান্তজ্ঞান ভারতবর্ষের সম্পদ, তাকে কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হবে। "বেদান্তের আলোক প্রতি গৃহে নিয়ে যাও”— স্বামীজী বললেন "শোনাও বেদান্তের উজ্জীবনী মন্ত্র: উত্তিষ্ঠত হুম জাগ্রত, প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।” নিজেকে অনন্ত, সর্বশক্তিমান আত্মা বলে অনুভব করলেই খসে পড়বে অজ্ঞানের আবরণ। জগজ্জাল ছিন্ন করে পিঞ্জরাবদ্ধ কেশরী প্রবল বিক্রমে আত্মপ্রকাশ করবে। সকলেই অমৃতের পুত্র—এই জ্ঞান উদিত হলে অস্পৃশ্যতা, জাতিভেদ দূর হবে। জাতিবিভাগ এক প্রাকৃতিক নিয়মমাত্র। কেউ হয়তো দেশশাসনে পারঙ্গম, কেউ বেদপাঠে, কেউ বা পটু জুতো সেলাইতে। কিন্তু তারা এক ব্রহ্মস্বরূপ, তাদের মধ্যে অধিকার তারতম্য থাকতে পারে না।
**তৃতীয়ত, স্বামীজী ভারতবর্ষকে দিলেন আংশিক জড়বাদ। ভারতের আদর্শ ত্যাগ। যুগ যুগ ধরে এ আদর্শকে অবলম্বন করেই ভারতের আধ্যাত্মিকতা শিখর স্পর্শ করেছে। কিন্তু স্বামীজী বোঝালেন, পাশ্চাত্য সভ্যতার সামনে যদি আজকের ভারতবর্ষকে দাঁড়াতে হয়, তাহলে সর্বাগ্রে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। আংশিক ভোগ জাতির পক্ষে কল্যাণকর হবে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বললেন "আমরা দুর্বল', 'আমরা অলস', 'আমরা ঘোর স্বার্থপর', 'অতিশয় বিশৃঙ্খলভাবাপন্ন' এবং এগুলিই আমাদের দুঃখের কারণ। দুর্বল মস্তিষ্কে কোনও কাজ হয় না। আমাদের মস্তিষ্ক সবল করতে হবে। শরীর শক্ত হলে তবেই আমরা গীতা-উপনিষদের মর্ম আরও ভাল বুঝতে পারব। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য অন্য জাতির কাছ থেকে হিতকর ঐহিক বিদ্যা গ্রহণ করতে হবে।
**চতুর্থত, বিরাটের পূজা। শ্রীরামকৃষ্ণ প্রদত্ত 'শিবজ্ঞানে জীবসেবা' মন্ত্রের সাধনের যে-সংকল্প স্বামীজী গ্রহণ করেছিলেন, এবার তাকে তিনি তাঁর 'মিশন'রূপে ঘোষণা করলেন। “তোমার স্বজাতি -- এই দেবতাই একমাত্র জাগ্রত।" এঁর পূজাই প্রথম পূজা। এর দ্বারাই চিত্তশুদ্ধি হবে। 'পূজা' করতে হবে—সেবা নয়। স্বামীজী বলছেন, 'সেবা' বলিলে আমার অভিপ্রেত ভাবটি বুঝাইবে না, 'পূজা' শব্দেই ঐ ভাবটি ঠিক প্রকাশ করা যায়। এই সব মানুষ ও পশু—ইহারাই তোমার ঈশ্বর, আর তোমার স্বদেশবাসিগণই তোমার প্রথম উপাস্য।"
লেখক বলছেন, "....the reader will see how he transformed values into actions, vision into reality, and mobilized people to do extraordinary things. The title of the book reflects his unflinching conviction that some people are born to lead. The book goes at length to explain the reasons behind his conviction..."
‘আশিষ্ঠ’ মানুষ আসলে শক্তিমান মানুষ । ভগবৎ-আশীর্বাদ যে লাভ করেছে সে আসলে বিরল একজন; সে অনেকের মধ্য থেকে স্বতন্ত্র পথ ধরে এগিয়ে চলেছে। শ্রীভগবান গীতায় অর্জুনকে বলেছিলেন, “মনুষ্যাণাং সহস্রেষু কশ্চিদ্ যততি সিদ্ধয়ে।/ যততামপি সিদ্ধানাং কশ্চিন্মাং বেত্তি তত্ত্বতঃ।” (৭।৩) — সহস্র সহস্র, কোটি কোটি মানুষের মধ্যে কয়েকজন সিদ্ধিলাভের চেষ্টা করছে। যারা চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন সিদ্ধ হচ্ছে।
যিনি সিদ্ধ , অন্যের পথপ্রদর্শন করাই তাঁর কাজ। সফল নেতার তাইই কর্তব্য।
Though the book resorts to the traditional way of working on attributes to become a better leader - the interesting mix of swami vivekananda's life, current ecosystem references and recent leadership references makes the book a good read. If you are interested in leadership - you may find some serious take aways, though it may be tough to implement. Well done up book! Here is a slightly longer review: http://rajshankar.wordpress.com/2012/...