Jump to ratings and reviews
Rate this book

Collected Plays: Taledanda, The Fire and the Rain, The Dreams of Tipu Sultan, Flowers and Images: Two Dramatic Monologues, Volume 2

Rate this book
This book is the second volume of a collection of plays by Girish Karnad, one of India's foremost dramatists and actors. It contains Taledanda , The Fire and the Rain , The Dreams of Tipu Sultan , and Macaulay's Children .

376 pages, Hardcover

First published December 29, 2005

5 people are currently reading
81 people want to read

About the author

Girish Karnad

50 books156 followers
Girish Raghunath Karnad (Konkani : गिरीश रघुनाथ कार्नाड, Kannada : ಗಿರೀಶ್ ರಘುನಾಥ್ ಕಾರ್ನಾಡ್) (born 19 May 1938) is a contemporary writer, playwright, screenwriter, actor and movie director in Kannada language. His rise as a prominent playwright in 1960s, marked the coming of age of Modern Indian playwriting in Kannada, just as Badal Sarkar did it in Bengali, Vijay Tendulkar in Marathi, and Mohan Rakesh in Hindi. He is a recipient of the 1998 Jnanpith Award for Kannada, the highest literary honour conferred in India.
For four decades Karnad has been composing plays, often using history and mythology to tackle contemporary issues. He has translated his major plays into English, and has received critical acclaim across India. His plays have been translated into several Indian languages and directed by eminent directors like Ebrahim Alkazi, B. V. Karanth, Alyque Padamsee, Prasanna, Arvind Gaur, Satyadev Dubey, Vijaya Mehta, Shyamanand Jalan and Amal Allana. He is also active in the world of Indian cinema working as an actor, director, and screenwriter, both in Hindi and Kannada cinema, earning numerous awards along the way. He was conferred Padma Shri and Padma Bhushan by the Government of India.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
24 (35%)
4 stars
28 (41%)
3 stars
10 (14%)
2 stars
2 (2%)
1 star
3 (4%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Jasmeet.
48 reviews50 followers
April 19, 2020
Words in Karnad's hand get spelled in just the exact dramatic way as he probably intends them to be. From its structural position to the literary significance rendered by the symbolic tapestry woven thus by myth, history, folklore and modernist reflection, the stage envisioned and characterized by the playwright is emphatic.
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,217 reviews391 followers
January 18, 2022
মহারাজ, একি সাজে এলে হৃদয়পুরমাঝে!
চরণতলে কোটি শশী সূর্য মরে লাজে ॥

আজ এক সাইক্লোনের গল্প বলবো আপনাদের।

তিনি বলেছিলেন - “শেয়ালের মতো একশো বছর বাঁচার চেয়ে বাঘের মতো একদিন বাঁচাও ভালো।”
মহীশূরের বাঘ তিনি। সকল ভারতবাসীর নয়নমনি।

তিনি টিপু।

একি পুলকবেদনা বহিছে মধুবায়ে!
কাননে যত পুষ্প ছিল মিলিল তব পায়ে।

টিপু সুলতান শহীদ (রহঃ) ১৭৫০ খ্রীষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন ।

যেমন পিতা তেমনি পুত্র। পিতা হায়দার আলী যেমন বীর ছিলেন তেমনি টিপু সুলতানও বীর ছিলেন।

হায়দারের প্রসঙ্গে দু'কথা বলে রাখা শ্রেয়। হায়দার ছিলেন প্রবল কৃষ্ণপ্রেমিক।

প্রত্যেক সন্ধ্যায় হায়দার তাঁর সভাসদদের বলেন --

"কৃষ্ণ শুধুমাত্র তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের নিপাতিত করে ক্ষান্ত হননি, তিনি ভারতভূমি থেকে শক্তিশালী অনার্যদেরও নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন— ব্রাহ্মণ্যশক্তি ও তার অনুগামী আর্য ক্ষত্রিয়দের সুপ্রতিষ্ঠিত করতে।

ঘটোৎকচ বধের পর পাণ্ডবরা শোকাহত হয়ে পড়লেও কৃষ্ণ খুশি হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “অর্জুন তোমাদের হিতের জন্য আমি মহাবীর জরাসন্ধ, শিশুপাল এবং ব্যাধজাতীয় একলব্যকে বধ করেছি বা করিয়েছি। হিড়িম্ব, কির্মির, বক, অলায়ুধ এবং ঘটোৎকচকেও নিপাতিত করিয়েছি— একৈকশো নিহতাঃ সর্ব এতে।

জরাসন্ধ, শিশুপাল, একলব্যরা দুর্যোধনের পক্ষে যুদ্ধ করলে আজ এত সহজে যুদ্ধ করা তোমাদের পক্ষে সম্ভব হত না। আর কর্ণ যদি শক্তি দ্বারা ঘটোৎকচকে বধ না করতেন, তবে আমিই তাকে বধ করতাম। কিন্তু তোমাদের প্রীতির জন্য আমি পূর্বে ওকে বধ করিনি।
কারণ এ রাক্ষসটাও ব্রাহ্মণদ্বেষী, যজ্ঞবিরোধী, ধর্মলোপী, পাপাত্মা ছিল।”

প্রবল ব্রাহ্মণবিদ্বেষী হায়দার। সে বামপন্থী। মার্ক্স্ তার কণ্ঠস্থ। ভাষণ শেষ করে প্রত্যহ সে উচ্চারণ করে - "Jeder nach seinen Fähigkeiten, jedem nach seinen Bedürfnissen" -- অর্থাৎ From each according to his ability, to each according to his needs ...

পিতার মত টিপুও চাইতেন ব্রিটিশ comprador অর্থাৎ বেনিয়াদের দেশছাড়া করতে।
শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলবী (রহঃ) – এর মহান পুত্র শাহ আব্দুল আজীজ দেহলবী (রহঃ) ফতোয়া জারী করেছিলেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জেহাদ করার জন্য।

সেই ফতোয়াকে কেন্দ্র করেই টিপু সুলতান ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।

তিনি চেয়েছিলেন ব্রিটিশদেরকে এদেশ থেকে উৎখাত করার জন্য।
সেজন্য তিনি মরণপণ যুদ্ধ করে পরপর তিন বার ব্রিটিশদের পরাস্ত করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসঘাতকের ষড়যন্ত্র তিনি শহীদ হন।
১৭৮২ খ্রীষ্টাব্দের ৭ই ডিসেম্বর টিপু সুলতানের পিতা হায়দার আলী মারা যান। পিতা মারা গেলে সুলতান হন টিপু।
পিতা যে মাতোয়ারা কৃষ্ণপ্রেম টিপুর অন্তরে প্রেরণ করেছিলেন, তার দ্বারা তাড়িত হয়ে টিপু প্রশ্ন করেন ইরফান হাবিবের প্রপিতামহ গেলমান হাবিব খোরাসানকে-

"তা হলে কোনটা শ্রেয়? বৈদিক যজ্ঞ না শ্রামণিক দান?
অহিংসা না ধর্মযুদ্ধ?

কৃষ্ণ যে বিশাল পুরুষের রূপ দেখালেন, যাঁর শরীরে প্রাণীর সৃষ্টি-স্থিতি-লয়, সেই সাংখ্যযোগ, ফলের আকাঙ্ক্ষা না করে নিষ্কাম কর্ম, না বাসুদেবে অচলা ভক্তি? কাকে বলব ধর্ম?

শ্রমণদের মতো সংসার ছেড়ে মোক্ষসন্ধান, না গার্হস্থে থেকে ধর্ম-অর্থ-কামের পুরুষার্থ লাভ? মহাভারতের বৈশিষ্ট্য, সে এক কথায় কোনও সহজ উত্তর দেয় না।

গার্হস্থ্যকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলেও সে শ্রমণদের প্রশংসা করে। ভীষ্ম থেকে যুধিষ্ঠির, সকলেই বারংবার জানান, ধর্মের গতি অতি সূক্ষ্ম। বহুত্ববাদে যাঁর বিশ্বাস নেই, তাঁর মহাভারতপাঠ বৃথা।"

গেলমান হাবিবের শোনা প্রত্যেকটি কথা সেদিন নথিভুক্ত করেছিলেন আমাদের দাদার শ্বশুর।

তাঁর থেকে শুনেই ঐতিহাসিক বিকাশ গুপ্ত লিখেছেন,

“বয়সে তরুন হলেও টেঁপু ছিলেন সুদক্ষ সেনাপতি । তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও ছিল কলঙ্কহীন।”

টিপু সুলতানের বাহিনী ১৭৮৩ খ্রীষ্টাব্দের ১৩ই ফেব্রিয়ারী ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাস্ত করেন।

ফলে ইংরেজ সেনাপতি স্টুয়ার্ট বন্দীবাস ও করঙ্গুলি থেকে সেনা বাহিনী হাটাতে বাধ্য হন। এরপর বেদনুর দুর্গের অধিপতি এয়াজ ইংরেজ সেনাপতি ম্যাথুজের কাছে আত্মসমর্পণ করলে টিপু সুলতান দেবনুর দুর্গ আক্রমণ করেন ফলে যুদ্ধ চলে ১৮ দিন ধরে।

দীর্ঘ ১৮ দিন যুদ্ধ চলার পর ম্যাথুজ পরাজিত হন এবং আত্মসমর্পণ করেন। এরপর সেনাপতি মন্ট গোলাবীও টিপু সুলতানের কাছে পরাস্থ হয়।
১৭৮৪ খ্রীষ্টাব্দে ২৯শে জানুয়ারী সেনাপতি ক্যাম্পবেল প্রচণ্ড আক্রমণ হানেন ।

কিন্তু কোন ফল হয়নি। ক্যাম্পবেল টিপুর বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়ে ম্যাঙ্গালোর দুর্গ ছেড়ে পলায়ন করে।

এরপর কাদালোর যুদ্ধেও ব্রিটিশ বাহিনী টিপুর বাহিনীর কাছে চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

শত্রুহনন করে টিপু বাবু সেদিন আবারও ফিরে গিয়েছিলেন মহাভারতে।

বলেছিলেন : "মনে রাখবে, পাশাখেলায় দুর্যোধন চাল দেবেন না। চাল দেবেন শকুনি।

যুধিষ্ঠিরের অনুনয়, দুর্যোধনের হয়ে খেলতে বসে শকুনি যেন ছলনা না করেন। শকুনি বললেন, দেখো, এতে অন্যায় নেই। বেদবিদ ব্রাহ্মণরাও তর্কযুদ্ধে জয় পেতে কারও না কারও কাছে যান। যুধিষ্ঠির বললেন, পাশা খেলা বা যুদ্ধে কেউ আহ্বান জানালে আমি পিছিয়ে আসি না। ওটাই ক্ষত্রিয়ের ধর্ম।

বৈদিক সভ্যতা পাশা খেলার অঙ্গাঙ্গি।

ঋগ্বেদে এক জুয়াড়ির আক্ষেপ আছে, পাশার নেশায় সে অর্থ থেকে স্ত্রী, সংসার সব হারিয়েছে। পাশার হারে স্ত্রী দময়ন্তী এবং নলরাজার সর্বস্ব খোয়ানোর গল্পও মহাভারতে আছে।

মায় শ্রীকৃষ্ণও গীতায় বলেন, আমার পাশাখেলা ছলনার নামান্তর, দ্যূতং ছলয়তামষ্মি। তাস-দাবা-পাশা তিন সর্বনাশা "
পুরোটাই গ্যাম্বলিং।

ব্রিটিশরা গতি খারাপ বুঝে ১৭৮৪ খ্রীষ্টাব্দে ১১ই মার্চ টিপুর সাথে সন্ধি করে এবং ম্যাঙ্গালোর চুক্তি সম্পাদিত হয়।
ইংরেজরা টিপুর সাথে অত্যন্ত বিনয় ও নম্রতার সাথে সন্ধি করে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা সে চুক্তি ভঙ্গ করে এবং নিজাম ও মারাঠাদের সহযোগিতায় ভিন্ন দিক হতে মারাঠা আক্রমণ করেন।
টিপু সুলতান এক বছর পর্যন্ত তাদেরকে ঠেকিয়ে রাখেন, কিন্তু অবশেষে পরাজয় বরণ করেন এবং ইংরেজদের সাথে সন্ধি করেন।

চুক্তিতে অর্ধেক রাজ্য, প্রচুর অর্থ এবং তাঁর দুই পুত্রকে ইংরেজদের কাছে জমিন রাখেন।
পিতার কাছে এ এক চরম মনোবেদনা।

কিন্তু তিনি থেমে থাকলেন না, তিনি ভীষণ দূরদর্শিতা ও তৎপরতায় সৈন্যবাহিনী গঠন করেন এবং পিতা হায়দার আলীর মত মারাঠা ও নিজামের সাথে সন্ধির আবেদন জানালেন কিন্তু মারাঠারা সে সন্ধি করেন।
তারা সন্ধি পুরোপুরী প্রত্যাখ্যান করেছিল।
১৭৯১ খ্রীষ্টাব্দের ৫ই মার্চ সেনাপতি কর্ণওয়ালিশ টিপুর বাহিনীকে আক্রমণ করে এবং মহীশূরের সেনাপতি কৃষ্ণ রাওএর বিশ্বাঘাতকতায় ব্যাঙ্গালোরের পতন হয়।
সেনাপতি রায় বাহাদুর ৭০ বছর বয়সে বীর বিক্রমে যুদ্ধ করে শহীদ হন, তাঁর এই বৃদ্ধ বয়সে বীরত্ব দেখে ব্রিটিশ সেনাপতি মুগ্ধ হয়ে তাঁর মৃতদেহ টিপু সুলতানের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে বীরের সম্মান দেন।
টিপুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে মারাঠা, নিজাম ব্রিটিশদের পক্ষ অবলম্বন করল।
ফলে ব্রিটিশ বাহিনী আরও শাক্তিশালী হয়ে উঠল।
৬ই ফেব্রুয়ারী ব্রিটিশ বাহিনীর ২২ হাজার সৈন্য, ৪৪টি কামান, নিজাম বাহিনীর ১৮ হাজার অশ্বারোহী, মারাঠা বাহিনীর ১২ হাজার অশ্বারোহী আক্রমণ করল শ্রীরঙ্গপত্তনম।
টিপু সুলতানের কাছে ছিল ৪০ হাজার পদাতিক, ৫০০ অশ্বারোহী ও ১০০টি কামান। সেনাপতি হয়েছেন স্বয়ং টিপু সুলতান। ৬ই ফেব্রুয়ারী কর্ণওয়ালিশ আক্রমণ করলেন। সেনাপতি মেডোসের নেতৃত্বে ৯০০ গোরা, আর ২৪০০ ভারতীয় সৈন্য।
স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১৪০০ গোরা, ২৩০০ ভারতীয় সৈন্য, সেনাপতি ম্যাক্সওয়েলের নেতৃত্বে ৫০০ গোরা এবং ১২০০ ভারতীয় সৈন্য।
চলল ব্রিটিশদের সাথে টিপুর তুমুল যুদ্ধ।
অসম যুদ্ধ।
কবি এই যুদ্ধ দেখেই লিখেছিলেন :
গর্ব সব টুটিয়া মূর্ছি পড়ে লুটিয়া,
সকল মম দেহ মন বীণাসম বাজে ॥
অন্ধকারে রাত্রে টিপু কামান দাগতে পারলেন না।
এই যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর ১৫০০ এবং টিপুর বাহিনীর ২০০০ সৈন্য নিহত হয়।
টিপুর বাহিনী আবার টিপুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল এবং ৫৭ জন সুশিক্ষিত ফরাসী সৈন্য টিপুর সাথ ছেড়ে দিয়ে ব্রিটিশ বাহিনীতে যোগদান করল এবং সমস্ত রহস্য ফাঁস করে দিল।
৯ই ফেব্রুয়ারী ব্রিটিশের ৫২ হাজার সৈন্য বাহিনীর সাথে ক্রোমবির আরও ২০০০ ইংরেজ সৈন্য এবং ৪০০০ ভারতীয় সৈন্য যোগ দিল। এবং ব্রিটিশ বাহিনী ১৮ই ও ১৯শে ফেব্রুয়ারী আবার হামলা করল।
কিন্তু তারা সফল হল না। ২১শে ও ২২শে ফেব্রুয়ারী তারা কিছুটা সফল হলেও শেষ পর্যন্ত ২৪শে ফেব্রুয়ারী শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই ফেব্রুয়ারী সেনাপতি হ্যারিস ২১ হাজার সৈন্যবাহিনী নিয়ে টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়।
ইতিহাস প্রসিদ্ধ সম্রাট নেপোলিয়ানকে যিনি পরাজিত করেছিলেন সেই ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলী বা ডিউক অব ওয়েলিংটন ২০শে ফেব্রুয়ারী ১৬ হাজার সৈন্য নিয়ে উপস্থিত হলেন টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে। তার সাথে যোগ দিলেন সেনাপতি স্টুয়ার্ট তাঁর ৬৪২০ জন সৈন্য নিয়ে।
যেন আমাদের মহানায়ক বামপন্থী মহিষাসুর। অসম যুদ্ধ লড়ছেন।
মহিষাসুরের সঙ্গে দুর্গার যুদ্ধ। মহিষাসুরের সেনাপতি চামরাসুর দেবীর প্রতি অস্ত্র ছুড়ল।
তার পরই বুর্জোয়া শ্রীশ্রীচণ্ডী-র বর্ণনা: হুঙ্কারাভিহিতাং ভূমৌ পাতয়ামাস্ নিষ্প্রভাম্।
মানে, বুর্জোয়া দেবী হুঙ্কারনাদে সেই অস্ত্র প্রতিহত ও নিষ্প্রভ করে মাটিতে ফেলে দিলেন।
তান্ত্রিক আরাধনায় যোগিনীরাও হুঙ্কার দিতেন।
তাই আজও বুর্জোয়া কালীপুজোর তন্ত্র-মন্ত্র: হ্রীং হ্রীং হুম্ হুম্ ক্রীং ক্রীং ক্রীং দক্ষিণে কালিকা।
এই হুঙ্কারনাদ সবাই দিতে পারে না।
আত্মিক শক্তি না থাকলে চেঁচানিই সার, গলা দিয়ে জীবনেও হুঙ্কার বেরোবে না।
সংস্কৃত থেকে পালি হয়ে এক সময় তিব্বতি ভাষাতেও পৌঁছে গিয়েছে সেই জাগৃতির ধারণা। তিব্বতি সংস্কৃতিই পৃথিবীকে শুনিয়েছে সেই বিখ্যাত মন্ত্র: ওম্ মণিপদ্মে হুম্!
যুদ্ধে যোগ দিলেন সেনাপতি রিড এবং ব্রাউন তাঁদের সৈন্য সামন্ত নিয়ে।
৫ই মার্চ শুরু হল সেনাপতি হ্যারিসের নেতৃত্বে চারিদিক থেকে সাঁড়াশি আক্রমণ।
টিপুর সেনাপতি পুর্ণিয়া ও সৈয়দ সাহেব বিশ্বাসঘাতকতা করে গোপনে ব্রিটিশ বাহিনীর সাথে যোগ দিলেন।
টিপু সুলতান বিপদ বুঝে এইসব ইতিহাস প্রসিদ্ধ সেনাপতিদের বিরুদ্ধে আর সরাসরি আক্রমণ করলেন না।
শুরু করলেন গেরিলা আক্রমণ বা খণ্ডযুদ্ধ।
সেনাপতি হ্যারিস ও বেয়ার্ডের আক্রমণকে ব্যর্থ করতে টিপু সুলতান যে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন তা দেখে হ্যারিস ও বেয়ার্ড বিস্ময় হয়ে গিয়েছিলেন।
আবারও টিপুর সেনাপতি কাওমরউদ্দিন খাঁ টিপুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ব্রিটিশদের সাথে যোগ দিলেন। টিপুর সেনাপতিরাও তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে টিপুর আদেশ মানতে অস্বীকার করেছিল। ফলে রাতভর যুদ্ধ চললেও অনেকগুলি ঘাঁটি টিপুর হাতছাড়া হয়ে যায়।
বুর্জোয়া ব্রিটিশদের টানা অবরোধে তাদের রসদও ফুরিয়ে আসে।
কিন্তু এই মুহুর্তে বিশ্বাসঘাতক মীর সাদেক, পূর্ণিয়া, কাওমরউদ্দিন খাঁ প্রমূখরা টিপুর দূর্গের দুর্বল অংশের গোপন সংবাদ দিয়ে ব্রিটিশদেরকে সাহায্য করেন।
সাদেক আলী টিপুর সৈন্যদেরকে বেতন দেবার লোভ দেখিয়ে অন্যদিকে নিয়ে চলে যায়। এই সুযোগে ব্রিটিশরা আতর্কিত হামলা করে।
বামপন্থী টিপু কিন্তু বীর বিক্রমেই যুদ্ধ চালিয়ে যান।
কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, ব্রিটিশের গোলা এসে লাগে টিপুর নিতম্বে এবং তিনি এবং তিনি প্রচণ্ড আহত হন।
গোলাতে টিপুর ঘোড়াটিরও গাঁড় মারা যায়।
টিপুকে ইংরেজরা বন্দী করে এবং তাঁর পরিচয় জানতে চাওয়া হল, কিন্তু টিপু তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন - " হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে। গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।। নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।"
এই চরম মুহুর্তেও টিপু সুলতান তলোয়ার ছেড়ে দেননি।
ইংরেজরা তা কাড়তে চাইলে ব্যর্থ হয়।
ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় টিপু তলোয়ার দিয়ে টিপু ব্রিটিশ সৈন্যকে আঘাত হেনেই চলেছেন।
ব্রিটিশ সৈন্য টিপুর শিশ্নের নিচে গুলি করে এবং তিনি লুটিয়ে পড়েন। যুদ্ধের ময়দানে বীরের মত মৃত্যুবরণ করেন।
টিপু সুলতান শহীদ হয়ে যাবার পর ইংরেজরা বুঝে গিয়েছিল যে তাদেরকে পিটিয়ে তাড়ার মত ক্ষমতা যার ছিল তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে।
তাই ইংরেজদের ভবিষ্যৎ এখন উজ্জ্বল।
তাদের পথে বাধা দেওয়ার আর কেউ নেই।
ঐ যুদ্ধের প্রধান নায়ক মিঃ মর্ণিংটনকে টিপু সুলতানকে হত্যা করার জন্য প্রধান বিচারপতি Sri John Anstruther ১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দে ১৭ই মে যে চিঠি দিয়েছিলেন তা থেকে এটা প্রমাণ হয়। তিনি চিঠিতে লিখেছিলেন,
“It is with the most sincere satisfaction and heartfelt that I congratulate you upon the most brilliant and glorious event which ever occurred in our Indian history.” [Rise of the Christian Power in India, Major B.D. Basu, Page-332)
তবে এটা অবশ্যই সঠিক যে, যদি মীর সাদিক, পূর্ণিয়া, কৃষ্ণ রাও, কাওরমরউদ্দিন, মীর নাদিম এবং ফরাসী সৈন্যরা যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করত তাহলে টিপু সুলতানকে পরাজিত করা কর্ণওয়েলেসলীর পক্ষে সম্ভব হত না।
টিপু সুলতান যেমন একদিকে ছিলেন বীর পিতার বীর পুত্র, মুজাহিদে মিল্লাত, অন্যদিকে ছিলেন অত্যন্ত দৃঢ় ও বিশুদ্ধ আকিদার মুসলমান। একাধারে তিনি ছিলেন ঘোরতর কৃষ্ণপ্রেমিক।
মৃত্যুমুহূর্তে, অর্থাৎ যখন ইব্রাহিম কনস্ট্যান্ট নামক ঘাতকের মিসাইল আক্ষরিক অর্থে গুহ্য সীল করবেন ওঁর , উনি বলেছিলেন :
শ্রী নন্দ-নন্দনং নৌমি শ্রী গোপী জন বল্লভং ।
শ্রীরামং রেবতী কান্তং প্রেমানন্দ কলেবরং ।
রোহিনেয়ৎ ভজের্দ্দেবং কৃষ্ণ ভক্তি প্রদায়কং ।।
গৌরে গৌড়ং জহো ভক্তি ভারং সংন্যস্য যৎ করে ।
তং বংশীবদনং বন্দে প্রভুং শক্ত্যব তারকং ।।
ভবিষ্যৎবাণী ছিল -- "When the morning of May 4th would came, Tipu would be told that the omens are not propitious. He would try to ward off misfortune by presenting the Hindu priests and Brahmins with a purse of gold, an elephant, a black bullock and two buffalo, a black nanny goat and a black coat and hat, but in vain. His rectum would be burnt in the fires of hell...."
স্মরণ করি শ্রদ্ধায়।
সূত্র :
১) Tipu Sultan - The Tyrant of Mysore - by Sandeep Balakrishna
২) The Sword of Tipu Sultan - by Bhagwan S. Gidwani
৩) Tiger: The Life of Tipu Sultan - by Kate Brittlebank
৪) The Dreams of Tipu Sultan - by Tipu Sultan, Mahmud Husain
৫) The Dreams of Tipu Sultan - by Girish Karnad
৬) Collected Plays: Taledanda, the Fire and the Rain, the Dreams of Tipu Sultan, Flowers and Images: Two Dramatic Monologues, - by Girish Karnad
৭) Tipu Sultan - by Adurthi Subba Rao
৮) History of Tipu Sultan - by Mohibbul Hasan
৯) Resistance and Modernization Under Haidar Ali and Tipu Sultan - by Irfan Habib
১০) Confronting Colonialism: Resistance and Modernization Under Haidar Ali & Tipu Sultan - by Irfan Habib (Editor)
Profile Image for Vish Patil.
13 reviews2 followers
August 22, 2017
Read Taledanda- the story drama written in its purest dialect bringing in the socio-political situation of 12 century Karnataka, the varna-classification of people based on castes and the relevance of reformation which turns out to harm the movement itself.
22 reviews
January 5, 2019
A look into the past telling us how caste divide our society and it's effects.Also one man's struggel to bring peace and equality becomes others obsession and leads to treachery and butchery giving us the knowledge how difficult it is to keep up with the things you have started .
66 reviews
January 25, 2016
I loved this collection so much that I can't wait to lay my hands on volume two. I particularly like the unconventional actions of Karnad's heroines. They seem so much more real than the idealised sati-savitris of traditional Indian literature.

P.S. I tried adding Volume II to my wish list but it shows up as Volume I. *Trying to remind myself that I'm using the Beta version of Shelfari to avoid screaming with frustration*
------------------------------------
Update:

Yay! Finally reading Volume II
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.