What do you think?


রাত নদী হয়ে যায় বয়ে
হৃদয়ের একদিন সব ছিল। বোর্ড পরীক্ষায় ভালো ফলাফল। মা-বাবাকে নিয়ে সুখী সংসার। আচমকা এক বিপর্যয়ের পর তাঁর মা-বাবা নিরুদ্দেশ হন। হৃদয়ের মোহভঙ্গ ঘটে। একবুক দুঃখ নিয়ে সে হাজির হয় পূর্বপুরুষের ভিটায়। বৃদ্ধা দাদি আগলে রাখার চেষ্টা করলেও বুকের আগুন নেভে না।
পেছাতে পেছাতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আত্মহত্যার কথা ভাবে। হৃদয়ও সেই ভাবনাকে এড়াতে পারে না। ডুমুর গাছে ঝুলে সে যখন নিজেকে নিঃশেষ করে দিতে চায়, তখনই আগমন ঘটে এক দেবদূতের। অতঃপর বাইসাইকেলে চড়ে হৃদয় নিজেকে খুঁজতে শুরু করে নব্বইয়ের দশকের এক মফস্বল শহরে। জীবনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে গিয়ে খোঁজ পায় বহুদিন ধরে চাপা দিয়ে রাখা এক পারিবারিক সত্যের। প্রেম, প্রকৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারের অভূতপূর্ব স্রোতে ভাসতে ভাসতে আমরা আবিষ্কার করি, হৃদয়ের গল্পটা আদতে আমাদেরও।
পেছাতে পেছাতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আত্মহত্যার কথা ভাবে। হৃদয়ও সেই ভাবনাকে এড়াতে পারে না। ডুমুর গাছে ঝুলে সে যখন নিজেকে নিঃশেষ করে দিতে চায়, তখনই আগমন ঘটে এক দেবদূতের। অতঃপর বাইসাইকেলে চড়ে হৃদয় নিজেকে খুঁজতে শুরু করে নব্বইয়ের দশকের এক মফস্বল শহরে। জীবনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে গিয়ে খোঁজ পায় বহুদিন ধরে চাপা দিয়ে রাখা এক পারিবারিক সত্যের। প্রেম, প্রকৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারের অভূতপূর্ব স্রোতে ভাসতে ভাসতে আমরা আবিষ্কার করি, হৃদয়ের গল্পটা আদতে আমাদেরও।
120 pages, Hardcover
First published February 12, 2022
About the author
Niaz Mehedi
15 books21 followersনিয়াজ মেহেদীর জন্ম রংপুরের বেনীপুর গ্রামে, ২৯ আগস্ট ১৯৮৯ সালে। মা-বাবার জ্যেষ্ঠ সন্তান নিয়াজের হাতেখড়ি পত্রিকার ছোটদের পাতায় লিখে। একসময় লেখালিখি ভুলে গিয়েছিলেন। প্রত্যাবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাঁর অনুজ নাবিল মুহতাসিম ও অগ্রজ লেখক মশিউল আলমের। ২০১৮ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল বিপুলভাবে সমাদৃত। এরপর লিখেছেন উপন্যাস আড্ডা দেওয়া নিষেধ ও ধাঁধার থেকেও জটিল। ছোটগল্পের দুটি বই বিস্ময়ের রাত ও মর্কট মঞ্জিল। তাঁর ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে প্রথম আলো, রহস্য পত্রিকা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, বণিক বার্তা ও কিশোর আলোর পাতায়।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
April 2, 2023
উপন্যাসের শান্ত, স্নিগ্ধ সৌন্দর্য আর বিষয়বস্তুর গভীরতা শেষাংশের অতিনাটকীয়তায় অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আত্মহত্যার চেষ্টা আর তা থেকে বেরিয়ে জীবনের অর্থ খোঁজা; জীবনকে জীবনের মতো করেই গ্রহণ করা নিয়ে উপন্যাসের আখ্যানভাগ গড়ে উঠেছে। কথকের সাথে শান্তির প্রেমঘটিত অংশটাই কাহিনির সবচেয়ে দুর্বল ও অপ্রয়োজনীয় অংশ। কথকের বাবা মাকে নিয়ে ঘিরে থাকা রহস্যের অংশটুকুও প্রবলভাবে অতিনাটকীয়।
নিয়াজ মেহেদীর গদ্যে এক ধরনের মাধুর্য ও লালিত্য আছে, যে কারণে পড়ার সময়টুকু খুব ভালো কেটেছে। উত্তরবঙ্গের প্রকৃতি, শীতকাল ও বিশ / পঁচিশ বছর আগের একটা সময় লেখকের বয়ানে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। অতিনাটকীয়তা পরিহার করতে পারলে "রাত নদী হয়ে যায় বয়ে" পাঠ এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতো।
নিয়াজ মেহেদীর গদ্যে এক ধরনের মাধুর্য ও লালিত্য আছে, যে কারণে পড়ার সময়টুকু খুব ভালো কেটেছে। উত্তরবঙ্গের প্রকৃতি, শীতকাল ও বিশ / পঁচিশ বছর আগের একটা সময় লেখকের বয়ানে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। অতিনাটকীয়তা পরিহার করতে পারলে "রাত নদী হয়ে যায় বয়ে" পাঠ এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতো।
March 10, 2023
#বইমেলা_২০২৩_মৌলিক_পাঠ_প্রতিক্রিয়া
আচ্ছা, একজন লেখকের সার্থকতা কোথায়? লেখক যে গল্পের ভুবন গড়ে তুলেন, যে চরিত্রগুলকে সৃষ্টি করেন, পাঠক সেই ভুবনে মিশে যান, গল্পের সেই সময়ে হারিয়ে যান আর চরিত্রগুলোর সাথে একাত্ম হয়ে যান। এখানেই একজন লেখকের সার্থকতা। এই গল্পে ঠিক তাই হয়েছে আমার সাথে। আমি যেন " হৃদয়" চরিত্রের সাথে একাত্ম হয়ে গিয়েছিলাম উত্তরবঙ্গের বিরামপুরে। ফিরে গিয়েছিলাম সেই নব্বই এর দশকে।
সেই সময়ের আমির খানের জনপ্রিয় গুলাম মুভির গানের কলি, নায়িকা দিতির তখনকার জন প্রিয়তা, চা বা সেলুনে ইরাক-আমেরিকা যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা, তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তর্কবিতর্ক, ঝাপরা দোকানে পিঠা, মাটির চুলায় দাদীর রান্না - এসব চিরাচরিত দৃশ্যপটগুল এত নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে যে আমি পুরাই মুগ্ধ এবং নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলাম।
আমি কোন রিভিউয়ার না, সেই ধৃষ্টতাও আমি করি না। আমি বই পড়ি কারন খুব ভাল লাগে। আর পাঠক হিসেবে বই এর ভাল লাগার অনুভূতি টুকুই প্রকাশ করি।
আমার কাছে এবারের মেলায় পড়া সেরা বই গুলোর মধ্যে এই উপন্যাসটি অন্যতম। স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।
এক নজরে-
নামঃ রাত নদী হয়ে যায় বয়ে
লেখকঃNiaz Mehedi
জনরাঃ সামাজিক উপন্যাস
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১২০
প্রকাশনীঃ মাওলা ব্রাদার্স
রেটিংঃ ৫/ ৫
প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২৩
মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ — with Niaz Mehedi.
আচ্ছা, একজন লেখকের সার্থকতা কোথায়? লেখক যে গল্পের ভুবন গড়ে তুলেন, যে চরিত্রগুলকে সৃষ্টি করেন, পাঠক সেই ভুবনে মিশে যান, গল্পের সেই সময়ে হারিয়ে যান আর চরিত্রগুলোর সাথে একাত্ম হয়ে যান। এখানেই একজন লেখকের সার্থকতা। এই গল্পে ঠিক তাই হয়েছে আমার সাথে। আমি যেন " হৃদয়" চরিত্রের সাথে একাত্ম হয়ে গিয়েছিলাম উত্তরবঙ্গের বিরামপুরে। ফিরে গিয়েছিলাম সেই নব্বই এর দশকে।
সেই সময়ের আমির খানের জনপ্রিয় গুলাম মুভির গানের কলি, নায়িকা দিতির তখনকার জন প্রিয়তা, চা বা সেলুনে ইরাক-আমেরিকা যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা, তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তর্কবিতর্ক, ঝাপরা দোকানে পিঠা, মাটির চুলায় দাদীর রান্না - এসব চিরাচরিত দৃশ্যপটগুল এত নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে যে আমি পুরাই মুগ্ধ এবং নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলাম।
আমি কোন রিভিউয়ার না, সেই ধৃষ্টতাও আমি করি না। আমি বই পড়ি কারন খুব ভাল লাগে। আর পাঠক হিসেবে বই এর ভাল লাগার অনুভূতি টুকুই প্রকাশ করি।
আমার কাছে এবারের মেলায় পড়া সেরা বই গুলোর মধ্যে এই উপন্যাসটি অন্যতম। স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।
এক নজরে-
নামঃ রাত নদী হয়ে যায় বয়ে
লেখকঃNiaz Mehedi
জনরাঃ সামাজিক উপন্যাস
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১২০
প্রকাশনীঃ মাওলা ব্রাদার্স
রেটিংঃ ৫/ ৫
প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২৩
মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ — with Niaz Mehedi.
April 17, 2023
প্লটটা বেশ সুন্দর। শুরু থেকে পড়তে গিয়ে আমার ভাল লাগছিলো। একটা শান্ত সুন্দর ব্যাপার ছিলো পুরোটা উপন্যাসে। প্রাকৃতিক অনেকগুলো বিষয়ের বর্ণনা, বিভিন্ন তথ্য, শহীদুল কাকুর পুরোনো দিনের স্মৃতিকথা এসব কিছু ভাল লাগলো। তবে কিছু জায়গায় মনে হয়েছে অপ্রয়োজনীয় কিছু সংলাপ বা কথা বলা হয়েছে। আর সমাপ্তির অংশটা আরেকটু গোছানো হলে আরো ভাল লাগতো।
March 31, 2023
আড্ডা দেওয়া নিষেধ কিংবা ধাঁধার থেকেও জটিলের নিয়াজ মেহেদী নিজের হিউমারপূর্ণ খোলস ছাড়িয়ে যে সামাজিক উপন্যাসের গল্পভ্রুণ ভাবনায় এনেছেন, সেটা কলম-ফুঁড়ে ঠিকঠাক পরিস্ফুটিত হতে ব্যর্থ। কারণ অনুসন্ধানে — দূর্বল লেখনী, ম্যাদামারা সংলাপের প্রাচুর্য এবং পরিস্থিতি মাফিক চরিত্রদের নড়বড়ে কথাবার্তা/রিফ্লেক্স/ভাবনার ভেতর বয়ে চলা গল্পটা বড্ড খাপছাড়া। গ্রাম্য দৃশ্যপটের বর্ণনা এবং অবজারভেশনগুলো (হাটবাজার/মানুষের দিনযাপন/পরিবেশ-প্রকৃতি) যুতসই, তবে গল্পকথকের আত্নঅনুসন্ধানে কতটুকু ইমপ্যাক্টফুল হলো সেটা নিয়ে সংশয় আছে।
May 20, 2023
3.5 ⭐
March 3, 2023
এই লেখকের আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল পড়ে ঘোরের মধ্যে ছিলাম। আবার সেরকম ঘোর লাগা বই পেলাম।
আমি পাতার চরিত্রকে এভাবে ঘৃণা কবে করেছি মনে নেই।গল্পটা সুন্দর, খুব সুন্দর।
আমি পাতার চরিত্রকে এভাবে ঘৃণা কবে করেছি মনে নেই।গল্পটা সুন্দর, খুব সুন্দর।
February 20, 2023
'রাত নদী হয়ে যায়' নিয়াজ ভাইয়ার পড়া আমার তৃতীয় উপন্যাস৷ 'আড্ডা দেয়া নিষেধ' এবং 'ধাঁধার চেয়েও জটিল'- যে ধাঁচে লেখা, সেই ধাঁচ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা দিক এবারে এক্সপ্লোর করেছেন লেখক। ঘরানার হিসেব করলে বলবো 'কামিং অফ এইজ' ধরণের। গল্প কথকের অবস্থানটা একটু ব্যাখা করা জরুরি এক্ষেত্রে৷ ছেলেটার মা তার প্রাইভেট টিউটরের সাথে কিছুদিন আগে পালিয়ে গেছে এবং বাবা সেই নিরুদ্দেশ৷ বুয়েটে পড়াশোনা ছেড়ে হতাশাকে নিত্যসঙ্গী করে দাদীর কাছে ফিরে এসেছে সে। সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আত্মহত্যা করবে। কিন্তু কোন একটা কারণে আত্মহত্যা আর করা হয়ে ওঠে না তার৷ বরং, আত্মঅনুসন্ধানের পথে পা বাড়ায়৷ এভাবেই এগোয় গল্প। ক্লাইম্যাক্স বলতে ওরকম কিছু নেই, তবে সমাপ্তিটা সুন্দর। আমার সবচেয়ে ভালো লেগছে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা, নানান রীতির বর্ণনা। সেই সাথে এটাও পরিষ্কার, লেখকের সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা দৃষ্টিভঙ্গি আছে জগতটাকে দেখার৷ তবে, কিছু জায়গায় হয়তো বর্ণনা আরেকটু বাড়ানো যেত, কিছু চরিত্রের ব্যাকস্টোরি দেখান যেত৷ পাঠকের সুবিধে হতো সেক্ষেত্রে। সবমিলিয়ে উপভোগ্য একটা বই।
March 16, 2023
Get my short feedback here:
https://www.facebook.com/100064830917...
https://www.facebook.com/100064830917...
June 29, 2023
গত বছর সিল্করুট ঈদসংখ্যা পড়ে শেষ করতে পারিনি। তবে যে কয়েকটা উপন্যাস ও গল্প পড়েছিলাম, তার ভিতর রাত নদী হয়ে যায় বয়ে দেখলাম সম্প্রতি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। উপন্যাসটা একটা ছেলে ও তার পারিবারিক সমস্যার আলোকে লেখা। মানসিক ধাক্কা সামলাতে না পেরে সুইসাইড করতে গিয়ে সে কোন মতে বেঁচে ফিরে। এরপর লেখক ছোট ভ্রমনের ভিতর দিয়ে কয়েকটা পার্শ্বচরিত্রের বর্ণনায় অতীতের স্মৃতিচারণ, স্বাধীনতার গল্প, প্রকৃতি,খাবার এমন অনেক ছোট বড় বিষয়ও টেনেছেন।
গল্পটা বেঁচে থাকার, বাঁচতে শেখার। রাত নদী হয়ে যায় বয়ে উপন্যাসটির কথা মনে পড়ার আরেকটি বড় কারণ সম্প্রতি ঘটা সুইসাইড ঘটনাগুলো। এই ধরনের কিছু লেখা পড়ার সুযোগ হলে তারা হয়তো আরেকবার ভেবে দেখতেন বেঁচে থাকার অন্য কোনো উপায় আছে কিনা। গল্পটা তাদের মতই বুয়েটের একজন মেধাবী ছাত্র হৃদয়ের, যার প্রতিটা রাত নদীর উত্তাল স্রোতে তাকে অতলে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। নিয়াজ মেহেদীর লেখা ২টা বই পড়েছি আগে,আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল ও মর্কট মঞ্জিল। আমি খেয়াল করছি তার আগের সব লেখা প্রত্যেকবার ভেঙেচুরে নতুন কিছু দেবার চেষ্টা করেন। ২২ সালে কোন ঘটনা ভেবে উপন্যাসটি লিখেছেন সেটা জানার ইচ্ছে ছিল লেখকের কাছে। উপন্যাসটি আরেকটু বড় হলে আরো ভাল লাগতো। শেষ দিকে খুব দ্রুত কাহিনির সমাপ্তি দিয়েছেন। আরেকটা বিষয় প্রিয়জনের মৃত্যুর সাথে প্রেমের হাতছানি বিষয়টা মেলোড্রামাটিক হয়ে গেছে। তবুও এরকম লেখা বার বার পড়তে ভাল লাগে।
❌এখানে একটা বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করা প্রয়োজন আমার। ২২ সালের ঈদসংখ্যার উপন্যাস যেটা আমি পড়েছি সেটা সংক্ষিপ্ত কলেবরে ছিল। এজন্য আমার আলোচনায় কিছু ভুল থাকতে পারে। ফেসবুকে পোস্ট করার পর লেখক আমাকে জানিয়েছেন মাওলা ব্রাদার্স থেকে উপন্যাসটি বর্ধিত কলেবরে প্রকাশিত হয়েছে।
গল্পটা বেঁচে থাকার, বাঁচতে শেখার। রাত নদী হয়ে যায় বয়ে উপন্যাসটির কথা মনে পড়ার আরেকটি বড় কারণ সম্প্রতি ঘটা সুইসাইড ঘটনাগুলো। এই ধরনের কিছু লেখা পড়ার সুযোগ হলে তারা হয়তো আরেকবার ভেবে দেখতেন বেঁচে থাকার অন্য কোনো উপায় আছে কিনা। গল্পটা তাদের মতই বুয়েটের একজন মেধাবী ছাত্র হৃদয়ের, যার প্রতিটা রাত নদীর উত্তাল স্রোতে তাকে অতলে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। নিয়াজ মেহেদীর লেখা ২টা বই পড়েছি আগে,আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল ও মর্কট মঞ্জিল। আমি খেয়াল করছি তার আগের সব লেখা প্রত্যেকবার ভেঙেচুরে নতুন কিছু দেবার চেষ্টা করেন। ২২ সালে কোন ঘটনা ভেবে উপন্যাসটি লিখেছেন সেটা জানার ইচ্ছে ছিল লেখকের কাছে। উপন্যাসটি আরেকটু বড় হলে আরো ভাল লাগতো। শেষ দিকে খুব দ্রুত কাহিনির সমাপ্তি দিয়েছেন। আরেকটা বিষয় প্রিয়জনের মৃত্যুর সাথে প্রেমের হাতছানি বিষয়টা মেলোড্রামাটিক হয়ে গেছে। তবুও এরকম লেখা বার বার পড়তে ভাল লাগে।
❌এখানে একটা বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করা প্রয়োজন আমার। ২২ সালের ঈদসংখ্যার উপন্যাস যেটা আমি পড়েছি সেটা সংক্ষিপ্ত কলেবরে ছিল। এজন্য আমার আলোচনায় কিছু ভুল থাকতে পারে। ফেসবুকে পোস্ট করার পর লেখক আমাকে জানিয়েছেন মাওলা ব্রাদার্স থেকে উপন্যাসটি বর্ধিত কলেবরে প্রকাশিত হয়েছে।
October 23, 2024
rating actually 4 na .4.8🥱
May 22, 2023
আমরা হইলাম, নাইন্টিজের পোলাপান! এই কথাটা হয়ত অনেকেই শুনেছে। যারা ছিল না ঐ সময়ে, তাদের মনে হয়েছে নাইন্টিজের সময়টা না যেন কী? সেসময় হয়ত সুখ থৈথৈ করত। দুঃখ, বেদনা বলে কিছু ছিল না!
না ব্যাপারটা তেমন নয়। সেসময়েও মানুষের আজকের মতোই রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ হতো। তাদেরও ধরত ডিপ্রেশনে, ফ্রাস্ট্রেশনে। সেসময়ও তারা একা ছিল।
তেমনই এক একা হয়ে যাওয়া ছেলের ঘটনা নিয়ে এই বই।
এরমাঝে প্রকৃতির উপভোগ্য বর্ণনা, আত্মহত্যা করতে যাওয়া এক যুবকের গল্প, দুর্ধর্ষ প্রেমের বয়ান, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্প, পরিবারের মানুষদের সাথে মানুষদের টানাপোড়েন, যাপিত জীবনের কিছু ধ্রুব সত্যের উপর ভিত্তি করে এই বই পড়তে গিয়ে নিজের জীবনের সাথে গুলিয়ে ফেলতে পারেন আপনি।
নিয়াজ মেহেদী ভাইয়ের লেখা বরাবরই আমার পছন্দ। তবে, এই বইয়ে উনি নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। খারাপ লাগার মধ্যে, বইয়ের কলেবর, হুট করেই ছোটোগল্পের মতো শেষ হয়ে যাওয়া, আর দুয়েকটা খুঁটিনাটি বিষয়ের ব্যাখ্যা না পাওয়া ছাড়া বইটি এক কথায় ছিল অসাধারণ।
রেটিং সিস্টেমের কারণে ৪ দেওয়া লাগল। তবে, আমার রেটিং হচ্ছে, ৪.৫।
না ব্যাপারটা তেমন নয়। সেসময়েও মানুষের আজকের মতোই রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ হতো। তাদেরও ধরত ডিপ্রেশনে, ফ্রাস্ট্রেশনে। সেসময়ও তারা একা ছিল।
তেমনই এক একা হয়ে যাওয়া ছেলের ঘটনা নিয়ে এই বই।
এরমাঝে প্রকৃতির উপভোগ্য বর্ণনা, আত্মহত্যা করতে যাওয়া এক যুবকের গল্প, দুর্ধর্ষ প্রেমের বয়ান, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্প, পরিবারের মানুষদের সাথে মানুষদের টানাপোড়েন, যাপিত জীবনের কিছু ধ্রুব সত্যের উপর ভিত্তি করে এই বই পড়তে গিয়ে নিজের জীবনের সাথে গুলিয়ে ফেলতে পারেন আপনি।
নিয়াজ মেহেদী ভাইয়ের লেখা বরাবরই আমার পছন্দ। তবে, এই বইয়ে উনি নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। খারাপ লাগার মধ্যে, বইয়ের কলেবর, হুট করেই ছোটোগল্পের মতো শেষ হয়ে যাওয়া, আর দুয়েকটা খুঁটিনাটি বিষয়ের ব্যাখ্যা না পাওয়া ছাড়া বইটি এক কথায় ছিল অসাধারণ।
রেটিং সিস্টেমের কারণে ৪ দেওয়া লাগল। তবে, আমার রেটিং হচ্ছে, ৪.৫।
June 18, 2023
আসলে কি জানেন, মানবজীবন এক বিশাল রঙ্গমঞ্চ। এখানে প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যেতে হয় সবাইকে। কিন্তু একটা সময় গিয়ে থামতেই হয়। নাটকের পর্দা পড়ে যাওয়ার পর আর অভিনয় করে যাওয়ার কোনো কারণ থাকে না।
একবার ভাবুন তো, জীবনের কোন পর্যায় গিয়ে মানুষ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়?
যখন বেঁচে থাকাটা হয়ে ওঠে বিষাক্ত, আর কিছুই যখন পাওয়া বা হারানোর থাকে না মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তখন কেউ কেউ শান্তির খোঁজ করে। কিন্তু মৃত্যুই কি সকল সমস্যার সমাধান?
লেখক নিয়াজ মেহেদীর নতুন উপন্যাস 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে' পড়ে শেষ করলাম। তাঁর লেখা আমার বরাবরই ভালো লাগে। লেখক গতানুগতিক থেকে খানিকটা আলাদা প্লটে লেখার চেষ্টা করেন সবসময়। এই লেখার প্লট অবশ্য খুব আলাদা না হলেও গল্পটা আলাদা।
নব্বইয়ের দশকের প্লটে লেখা গল্পের নায়ক হৃদয়ের একসময় সব ছিল। স্কুল-কলেজে ভালো ফলাফল, মফস্বল শহরের একমাত্র ছেলে হিসেবে বুয়েটে পড়ার সুযোগ পাওয়া, মা-বাবা নিয়ে সুখী সংসার। আচমকা আসে বিপর্যয়। মা-বাবা নিরুদ্দেশ হন। হৃদয়ের মোহভঙ্গ ঘটে। একবুক দুঃখ নিয়ে হাজির হয় পূর্বপুরুষের ভিটায়। বৃদ্ধ দাদি আগলে রাখার চেষ্টা করলেও বুকের আগুন নেভে না।
জীবন থেকে পেছাতে পেছাতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে একসময় সিদ্ধান্ত নেয় আত্মহত্যার। করবে না-ই বা কেন? যার মা ছেলের গৃহশিক্ষকের হাত ধরে পালিয়েছে, এ সমাজে বেঁচে থাকাটা তার জন্য অনেক কঠিন। কারণ একবার কারো নামে দুর্নাম ছড়িয়ে পড়লে লোকে সুযোগ পেলেই কথা শোনাতে থাকে।
ডুমুর গাছে ঝুলে হৃদয় যখন নিজেকে নিঃশেষ করে দিতে যায়, তখনই আগমন ঘটে এক দেবদূতের। তাঁর কাছ থেকে জানতে পারে বাবা-মায়ের অজানা কিছু সত্য; উত্তরবিহীন কিছু প্রশ্ন। সেসব প্রশ্নের উত্তর তাকে খুঁজে পেয়েই হবে। পাশাপাশি জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে হাজির হয় দ্বিতীয় একজন...
কামিং অফ এজ —ঘরানার লেখাটিতে মূল গল্পে ঢুকতে একটু সময় নিয়েছেন লেখক। শুরুর দিকে মফস্বল অঞ্চল, আশেপাশের বাড়িঘর, রাস্তা, দোকানপাট, বনবাদাড়ের বর্ণনায় সাজানো। সম্পূর্ণ বাস্তবকেন্দ্রিক বর্ণনায় দেখানো হয়েছে গ্রামীণ শীতের সকালের স্নিগ্ধ চিত্র।
পার্শ্বআকর্ষণ হিসেবে ছোট পরিসরে মুক্তিযুদ্ধের গল্পও দেখানো হয়েছে। এই অংশটুকু বেশ একটা অ্যাডভেঞ্চার ফিল দেয়। সাথে কিছু জীবনদর্শন ও উপমার সংমিশ্রণ দেখা যায় গল্প।
ছোট কলেবরের গল্পটিতে চরিত্র সংখ্যাও গুটিকয়েক। গল্পটা যেহেতু হৃদয়ের, তাই তার চরিত্রগঠন বিস্তর। বাকিদের গল্পের প্রয়োজনে যতটুকু দরকার। তবে গল্পের অন্যতম মুখ্য চরিত্র শহিদুল সাহেবকে আরেকটু ভাঙা প্রয়োজন ছিল। গল্পের বড় একটা অংশজুড়ে ভদ্রলোকের বিচরণ থাকলেও তাঁর নিজের, পরিবার সম্পর্কে খুব বেশি আলোকপাত করা হয়নি।
লেখকের আঞ্চলিক ভাষা দক্ষতার প্রশংসা করতে হয়। ঝরঝরে লেখনশৈলীতে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলেন একেক অঞ্চলের ভাষা। লেখকের আগের বইগুলোতেও ব্যাপারটা চোখে পড়েছে।
মোটামুটি এই ছিল 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে'। সুন্দর প্লট, চমৎকার স্টোরি টেলিং, মেদহীন। প্রেম, প্রকৃতি, অ্যাডভেঞ্চারের মিশেলে দারুণ এক গল্প। পড়তে পারেন।
আর হ্যাঁ, বইয়ের প্রচ্ছদটি সিম্পলের মধ্যে দারুণ। প্রথম দর্শনে যতটা ভালো লাগবে, বইয়ের কিছুদূর পড়ার পর তাকালে আরো বেশি ভালো লাগবে।
বই—রাত নদী হয়ে যায় বয়ে
লেখক—নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনী—মাওলা ব্রাদার্স
একবার ভাবুন তো, জীবনের কোন পর্যায় গিয়ে মানুষ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়?
যখন বেঁচে থাকাটা হয়ে ওঠে বিষাক্ত, আর কিছুই যখন পাওয়া বা হারানোর থাকে না মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তখন কেউ কেউ শান্তির খোঁজ করে। কিন্তু মৃত্যুই কি সকল সমস্যার সমাধান?
লেখক নিয়াজ মেহেদীর নতুন উপন্যাস 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে' পড়ে শেষ করলাম। তাঁর লেখা আমার বরাবরই ভালো লাগে। লেখক গতানুগতিক থেকে খানিকটা আলাদা প্লটে লেখার চেষ্টা করেন সবসময়। এই লেখার প্লট অবশ্য খুব আলাদা না হলেও গল্পটা আলাদা।
নব্বইয়ের দশকের প্লটে লেখা গল্পের নায়ক হৃদয়ের একসময় সব ছিল। স্কুল-কলেজে ভালো ফলাফল, মফস্বল শহরের একমাত্র ছেলে হিসেবে বুয়েটে পড়ার সুযোগ পাওয়া, মা-বাবা নিয়ে সুখী সংসার। আচমকা আসে বিপর্যয়। মা-বাবা নিরুদ্দেশ হন। হৃদয়ের মোহভঙ্গ ঘটে। একবুক দুঃখ নিয়ে হাজির হয় পূর্বপুরুষের ভিটায়। বৃদ্ধ দাদি আগলে রাখার চেষ্টা করলেও বুকের আগুন নেভে না।
জীবন থেকে পেছাতে পেছাতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে একসময় সিদ্ধান্ত নেয় আত্মহত্যার। করবে না-ই বা কেন? যার মা ছেলের গৃহশিক্ষকের হাত ধরে পালিয়েছে, এ সমাজে বেঁচে থাকাটা তার জন্য অনেক কঠিন। কারণ একবার কারো নামে দুর্নাম ছড়িয়ে পড়লে লোকে সুযোগ পেলেই কথা শোনাতে থাকে।
ডুমুর গাছে ঝুলে হৃদয় যখন নিজেকে নিঃশেষ করে দিতে যায়, তখনই আগমন ঘটে এক দেবদূতের। তাঁর কাছ থেকে জানতে পারে বাবা-মায়ের অজানা কিছু সত্য; উত্তরবিহীন কিছু প্রশ্ন। সেসব প্রশ্নের উত্তর তাকে খুঁজে পেয়েই হবে। পাশাপাশি জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে হাজির হয় দ্বিতীয় একজন...
কামিং অফ এজ —ঘরানার লেখাটিতে মূল গল্পে ঢুকতে একটু সময় নিয়েছেন লেখক। শুরুর দিকে মফস্বল অঞ্চল, আশেপাশের বাড়িঘর, রাস্তা, দোকানপাট, বনবাদাড়ের বর্ণনায় সাজানো। সম্পূর্ণ বাস্তবকেন্দ্রিক বর্ণনায় দেখানো হয়েছে গ্রামীণ শীতের সকালের স্নিগ্ধ চিত্র।
পার্শ্বআকর্ষণ হিসেবে ছোট পরিসরে মুক্তিযুদ্ধের গল্পও দেখানো হয়েছে। এই অংশটুকু বেশ একটা অ্যাডভেঞ্চার ফিল দেয়। সাথে কিছু জীবনদর্শন ও উপমার সংমিশ্রণ দেখা যায় গল্প।
ছোট কলেবরের গল্পটিতে চরিত্র সংখ্যাও গুটিকয়েক। গল্পটা যেহেতু হৃদয়ের, তাই তার চরিত্রগঠন বিস্তর। বাকিদের গল্পের প্রয়োজনে যতটুকু দরকার। তবে গল্পের অন্যতম মুখ্য চরিত্র শহিদুল সাহেবকে আরেকটু ভাঙা প্রয়োজন ছিল। গল্পের বড় একটা অংশজুড়ে ভদ্রলোকের বিচরণ থাকলেও তাঁর নিজের, পরিবার সম্পর্কে খুব বেশি আলোকপাত করা হয়নি।
লেখকের আঞ্চলিক ভাষা দক্ষতার প্রশংসা করতে হয়। ঝরঝরে লেখনশৈলীতে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলেন একেক অঞ্চলের ভাষা। লেখকের আগের বইগুলোতেও ব্যাপারটা চোখে পড়েছে।
মোটামুটি এই ছিল 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে'। সুন্দর প্লট, চমৎকার স্টোরি টেলিং, মেদহীন। প্রেম, প্রকৃতি, অ্যাডভেঞ্চারের মিশেলে দারুণ এক গল্প। পড়তে পারেন।
আর হ্যাঁ, বইয়ের প্রচ্ছদটি সিম্পলের মধ্যে দারুণ। প্রথম দর্শনে যতটা ভালো লাগবে, বইয়ের কিছুদূর পড়ার পর তাকালে আরো বেশি ভালো লাগবে।
বই—রাত নদী হয়ে যায় বয়ে
লেখক—নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনী—মাওলা ব্রাদার্স
February 18, 2023
উপন্যাসটা প্রথম যখন সিল্করুটের ঈদ সংখ্যায় ছাপা হয় তখনই পড়া। লেখক জানিয়েছিলেন এরপর কলেবর বাড়িয়ে পূর্ণতা দেবেন। সেই ধারাবাহিকতায় পুস্তক রূপ পেল। নিয়াজ মেহেদীর ভাষা খুব সুন্দর। গল্প বলার ধরণও ভালো লাগে। সেখান থেকে বইটা সুখপাঠ্য। তবে পাঠক হিসেবে এই বইটার ক্ষেত্রে আমার চাওয়া ছিল বইয়ের বিস্তার আরও বাড়া। কেননা যে সময় আর যে গল্পটা তিনি বলেছেন সেটা আসলেও আরও পরিসর দাবী করে।
বাবার নিরুদ্দেশ হওয়া আর গৃহ শিক্ষকের সঙ্গে মায়ের পালিয়ে যাওয়ার বিড়ম্বনায় আত্মহত্যা করতে চাওয়া হৃদয় সদ্য তরুণ। নব্বইয়ের শেষে মফঃস্বলে এক তরুণের জীবন, তার বেড়ে ওঠা, পরিণত হওয়ার গল্প 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে'। এ বই পড়তে পড়তে নব্বইয়ের আবেশটা টের পাওয়া যায়। নদীর মতোই বয়ে যাওয়া জীবনে তরুণের যে সংকট সেটাও আছে এই উপন্যাসে। যেটুকু লেখা হয়েছে তা দারুণ। গল্পটা আরও বিস্তৃত হলে সময়কে ধরে রাখা একটা বই হতো।
বাবার নিরুদ্দেশ হওয়া আর গৃহ শিক্ষকের সঙ্গে মায়ের পালিয়ে যাওয়ার বিড়ম্বনায় আত্মহত্যা করতে চাওয়া হৃদয় সদ্য তরুণ। নব্বইয়ের শেষে মফঃস্বলে এক তরুণের জীবন, তার বেড়ে ওঠা, পরিণত হওয়ার গল্প 'রাত নদী হয়ে যায় বয়ে'। এ বই পড়তে পড়তে নব্বইয়ের আবেশটা টের পাওয়া যায়। নদীর মতোই বয়ে যাওয়া জীবনে তরুণের যে সংকট সেটাও আছে এই উপন্যাসে। যেটুকু লেখা হয়েছে তা দারুণ। গল্পটা আরও বিস্তৃত হলে সময়কে ধরে রাখা একটা বই হতো।
Displaying 1 - 14 of 14 reviews















