Jump to ratings and reviews
Rate this book

প্রজাপতির মৃত্যু - ধূসর প্রজাপতি

Rate this book
সুদীর্ঘ এই উপন্যাসে ভিন্ন আর্থ সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসা একাধিক পরিবারের কাহিনি বন্দি রয়েছে পৃথক দুটি অধ্যায়ে। জীবনের এক বিশেষ পর্যায়ে পৌঁছে সমাজব্যবস্থার চাপে মানুষের আজীবনের স্বপ্ন ভেঙে যায়। গতানুগতিকতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে অভাবের তাড়নায় বৃত্তবন্দি হয়ে পড়ে আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছেরা। অর্থ এবং সামাজিকতা, জীবনে এই দুয়ের প্রয়োজনীয়তা উপন্যাসের প্রতিটি বাঁকে উপস্থাপন করা হয়েছে। একটি নিম্নবিত্ত পরিবারে অর্থাভাবের কারণে জীবনে যে অবিরত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়, সেই সংগ্রামের শেষ কোথায়? অর্থের অত্যধিক প্রাচুর্য কী প্রকৃত অর্থে বিজয়কে নিশ্চিত করে? সমাজের ভিন্ন স্তরের মানুষের জীবন সংগ্রাম, প্রেম, তাদের মনের সুপ্ত ইচ্ছে-অনিচ্ছে, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, গৃহহীনতা, স্বপ্নপূরণের অবিরাম প্রচেষ্টা এবং স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণার নাম 'প্রজাপতির মৃত্যু'।

320 pages, Hardcover

Published February 4, 2023

7 people want to read

About the author

Sathi Das

23 books63 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (50%)
4 stars
1 (25%)
3 stars
1 (25%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for GOUTAM BISWAS.
6 reviews
July 20, 2025
✪✪ প্রজাপতির মৃত্যু - ২✪✪
----------------------------------------------
✍️ শ্রদ্ধেয়া সাথী দাস মহাশয়া
★ ধূসর প্রজাপতি
★ মুদ্রিত মূল্য : ৪০০/- (প্রথম প্রকাশ , ২০২৩ খ্রীষ্টাব্দ)
★ প্রকাশক : লালমাটি
_____________________

✪ পৃথিবীতে যতরকম কঠিন কাজ আছে , তারমধ্যে অন্যতম কঠিন কাজ কোন লেখক বা লেখিকার দ্বারা সৃষ্ট কোন উপন্যাসের "পাঠ অনুভূতি" লেখা।

★ এই "পাঠ অনুভূতি" শব্দটির জন্যই আজ আমাকে এই ভূমিকার অবতারণা ক'রতে হচ্ছে।

➤ কোন কোন স্রষ্টা তাঁর লেখা পড়ার পর পাঠকের কাছে "পাঠ প্রতিক্রিয়া" জানতে চান , সেক্ষেত্রে বইটি "ভালো লেগেছে" বা "খারাপ লেগেছে" এইরকম কিছু একটা বিশ্লেষণ করে দেওয়াই যায়।

➤ মাননীয়া লেখিকা সাথী দাস মহাশয়া কিন্তু পাঠকের কাছে তাঁর লেখাটি পড়বার পর তাঁদের মনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো জানতে চান , আর ঠিক এইখানেই মাননীয়া লেখিকা কখন যেন পাঠকের আত্মীয়া হয়ে ওঠেন। পাঠকের কাছেও তখন খুব কঠিন কাজ হয়ে যায় এইরকম একটি উপন্যাসের "পাঠ অনূভুতি" লেখা ! কারন তখন পাঠকের কলম থেকে যে লেখা বেরিয়ে আসে সেটা হয়ে যায় মাননীয়া লেখিকার লিখিত উপন্যাসের উপর পাঠকের একান্ত নিজস্ব বিশ্লেষণ !

★ "প্রজাপতির মৃত্যু" উপন্যাসের এই খণ্ডটির পাঠ অনূভুতি লিখতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে যে , এই খণ্ডটির নাম "ধূসর প্রজাপতি" কেন ? ধূসর সাধারণতঃ ধোঁয়ার রঙ , উপন্যাস খণ্ডের মধ্যেও আমি খুঁজে পেয়েছি এই ধোঁয়াকে ! আর ধোঁয়া যেখানে আছে সেখানে সুপ্ত আগুনও আছে। চলুন উপন্যাসে সেই সুপ্ত আগুন খুঁজে পাই কিনা দেখি !

★ "𝐄𝐧𝐝𝐥𝐞𝐬𝐬 𝐥𝐨𝐯𝐞 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐞𝐱𝐢𝐭 𝐜𝐥𝐚𝐮𝐬𝐞". এই ট্যাগলাইনটি সত্যিই উপন্যাসটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মাত্রা প্রদান করেছে।

★ উপন্যাসের এই খণ্ডটিতে আমি খুঁজে পেয়েছি একদম মাটি থেকে উঠে আসা কিছু চরিত্রকে , যাঁরা শিরদাঁড়া সোজা রেখে চলতে ভালোবাসে। যাঁদের দার্ঢ্য বা অহমিকা ঠিক সেখানেই , যেখানে এসে মানুষের সকল অহংকার চোখের জলে ধুয়ে যায়।

➤ হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এই উপন্যাসের চরিত্রদের সকল সুপ্ত অহমিকা তৈরী হয়েছে তাঁদের মনের গভীরে। এই অহমিকা কোথাও চরিত্রদের তৈরী করেছে দৃঢ়চেতা হিসেবে , কোথাও মাটিতে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে ভালোবাসার মানুষটির দয়ার দানকে প্রত্যাখ্যান ক'রতে ! আবার এই উপন্যাসই কোথায় যেন পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের সবথেকে আপনার জন যিনি তাঁর সন্তানকে বুক দিয়ে আগলে রাখেন , সেই মানুষটিকেই অর্থাৎ মাকেই "মা" নামক শব্দটির প্রকৃত মানে বিশ্লেষণ ক'রতে বাধ্য করিয়েছে।

✪ এই উপন্যাস দেখিয়েছে মানুষের যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় , তখন মানুষ সেই পিঠ ঠেকে যাওয়া দেওয়ালটাকে আশ্রয় নয় , অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করে বিপরীত প্রতিক্রিয়া বলও প্রয়োগ করতে সক্ষম।

✪ এই উপন্যাসটিতে আমি পেয়েছি পৃথিবীতে কোনকিছুই চিরস্থায়ী নয় , কোন মানুষ অপর কারোরই চিরকালীন অবলম্বন হ'তে পারেনা। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের অবলম্বন সে নিজে। সবার আগে নিজেকে ভালো না বাসলে পৃথিবীর সবকিছু মূল্যহীন হয়ে যায়। নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কখনও কারোর ইচ্ছে বা মতকে গুরুত্ব দিতে নেই , তাহ'লেই তাঁর অবস্থা দেবদুলাল বাবুর মতোই হবে। কখন কোথায় থামা উচিৎ সেটা না জানলে বা না বুঝলে তাঁর অবস্থা দীপমালা চট্টোপাধ্যায়ের মতোই হ'বে।

✪ এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র তিতলি সমগ্র পাঠককূলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে ভালোবাসা মানেই কারোর উপর একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা নয় , তাঁর ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা নয় ! ভালোবেসে নিজের মানুষটিকে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়া , যাতে ভালোবাসার চাপে অপর মানুষটির দমবন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরী না হয়।

➤ উপরের অংশটুকু পড়ে আমার বন্ধুদের হয়তো মনে হ'তেই পারে যে ভালোবাসা যদি অধিকারবোধই প্রতিষ্ঠা না করতে পারে তাহ'লে ভালোবাসার মূল্যায়ন কিভাবে হবে ?

➤ উপন্যাসটি পড়ে আমার স্বল্প বুদ্ধিতে আমি যেটুকু বুঝতে পেরেছি সেটি হ'ল - ভালোবাসা কেবলমাত্র একটি অনুভূতি , কখনও সেই অনুভূতি নিজেই বিস্তার লাভ করে আবার কখনও সে নিজেকে শামুকের মতো গুটিয়ে নেয়। যখন সে বিস্তার লাভ করে তখন তাকে তাঁর নিজস্ব সীমার মধ্যেই বিস্তার লাভ করা উচিৎ , কিন্তু যখন ভালোবাসা নিজেকে গুটিয়ে নেয় তখন কিছু না বলে শুধুমাত্র ভালোবাসার মানুষটির কাঁধে একটু স্নেহের স্পর্শ দেওয়াই যথেষ্ট , ভালোবাসার মানুষটি ঠিক বুঝতে পারবে তাঁর ভালোবাসার ক্ষমতা।

✪ উপন্যাস শেষে মনে হয় অনেক কিছু থেকে গেল অব্যক্ত , অনেককিছু পেলনা তার পরিপূর্ণতা ! কিন্তু সত্যিই কি তাই ? সত্যিই কি আপনারা উত্তর পেলেন না ? একটু ভাবুন না , ক্ষতি কি ?

➤ নিজের জীবনে না পাওয়ার হিসেব মিলিয়ে দেখতে গিয়ে দেখবেন , আপনার উল্টোদিকে থাকা মানুষটিকে কি দেননি সেই হিসেবও সেখানে মিলছে না ! আর এটাই বাস্তব ! এটাই এই উপন্যাসের মূল বক্তব্য বলেই আমার মনে হয়েছে।

★★ যদি সম্ভব হয় চুপটি করে বসে আপনার প্রিয় মানুষটির জীবনের কোন একটি অলিখিত মুহূর্তের কথা স্মরণ করেই দেখুন না , ভালোবাসা আবারও ফিরে আসবেই। ফিরে আসবে আপনার অনুভূতিতে! আপনি এই অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডের কোন এক প্রান্তে বসে থাকা আপনার প্রিয় মানুষটির মনের সঙ্গে আপনার যে একটি সংযোগ স্থাপিত হয়েছে আশাকরি এটা অনুভব করতে পারবেন। যদি না পারেন তাহ'লে বুঝবেন সেটি ভালোবাসা ছিল না , সেটি ছিল প্রেম। প্রেম অনেকটা সম্পত্তির মতো যাঁকে আগলে রাখতে হয় নচেৎ সম্পত্তিহারা হয়ে যেতে হয় , কিন্তু ভালোবাসা হ'ল সম্পদ যেটা বংশপরম্পরায় পাওয়া যায়না নিজেকে অর্জন করতে হয়। ভালোবাসার মানুষটি আপনার থেকে যত দূরেই থাকুননা কেন তাঁর মনের অবচেতন কক্ষে আপনার সুপ্ত উপস্থিতি সবসময় বিদ্যমান থাকে আর এটা আপনি অনুভব করতে পারবেন। হ্যাঁ , এইটাই সত্যিকারের ভালোবাসা। কোনরকম আশা আকাঙ্খা বিহীন ভালোবাসা। এই ভালোবাসার স্বাদ যিনি একবার পেয়েছেন তিনি কখনও অন্য মানুষটির উপরে খবরদারি করেন না। তিনি ভালোবাসার মানুষটিকে বেঁধে রাখেন অদৃশ্য ভালোবাসার সুতোর বন্ধনে।

★ আমার মনে হয়েছে এটি খুব উৎকৃষ্টমানের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। মনের অগোচরে জমে থাকা কিছু অনুভূতি ফিসফিস করে বলে যায় "ভালোবাসি , ভালোবাসি" ! এই অদ্ভুত অনুভূতিগুলোকে বলে বা লিখে বোঝানো যায়না , কেবলমাত্র অনুভব করা যায়।

★★ ধন্যবাদ ★★
__________________________
Profile Image for Goutam Biswas.
6 reviews
January 14, 2024
✪✪ পাঠ অনূভুতি ✪✪
------------------------------
★ মূল উপন্যাস : প্রজাপতির মৃত্যু
★ পাঠ অনূভুতি : ধূসর প্রজাপতি (প্রজাপতির মৃত্যু উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ড)
★ লেখিকা : শ্রদ্ধেয়া সাথী দাস মহাশয়া ★ প্রকাশক : লালমাটি ★ মুদ্রিত মূল্য :
____________________________

✪ প্রিয় বন্ধুরা , "প্রজাপতির মৃত্যু" উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ডের পাঠ অনূভুতি লিখতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে এই খণ্ডটির নাম "ধূসর প্রজাপতি" কেন ? ধূসর সাধারণতঃ ধোঁয়ার রঙ , উপন্যাস খণ্ডের মধ্যেও আমি খুঁজে পেয়েছি এই ধোঁয়াকে ! আর ধোঁয়া যেখানে আছে সেখানে সুপ্ত আগুনও আছে। চলুন উপন্যাসে সেই সুপ্ত আগুন খুঁজে পাই কিনা দেখি !

★ "𝐄𝐧𝐝𝐥𝐞𝐬𝐬 𝐥𝐨𝐯𝐞 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐞𝐱𝐢𝐭 𝐜𝐥𝐚𝐮𝐬𝐞". এই ট্যাগলাইনটি সত্যিই উপন্যাসটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মাত্রা প্রদান করেছে।

★ উপন্যাসের এই খণ্ডটিতে আমি খুঁজে পেয়েছি একদম মাটি থেকে উঠে আসা কিছু চরিত্রকে , যাঁরা শিরদাঁড়া সোজা রেখে চ���তে ভালোবাসে। যাঁদের দার্ঢ্য বা অহমিকা ঠিক সেখানেই , যেখানে এসে মানুষের সকল অহংকার চোখের জলে ধুয়ে যায়। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এই উপন্যাসের চরিত্রদের সকল সুপ্ত অহমিকা তৈরী হয়েছে তাঁদের মনের গভীরে। এই অহমিকা কোথাও চরিত্রদের তৈরী করেছে দৃঢ়চেতা হিসেবে , কোথাও মাটিতে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে ভালোবাসার মানুষটির দয়ার দানকে প্রত্যাখ্যান ক'রতে ! আবার এই উপন্যাসই কোথায় যেন পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের সবথেকে আপনার জন যিনি তাঁর সন্তানকে বুক দিয়ে আগলে রাখেন , সেই মানুষটিকেই অর্থাৎ মাকেই "মা" নামক শব্দটির প্রকৃত মানে বিশ্লেষণ ক'রতে বাধ্য করিয়েছে।

✪ এই উপন্যাস দেখিয়েছে মানুষের যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় , তখন মানুষ সেই পিঠ ঠেকে যাওয়া দেওয়ালটাকে আশ্রয় নয় , অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করে বিপরীত প্রতিক্রিয়া বলও প্রয়োগ করতে সক্ষম।

✪ এই উপন্যাসটিতে আমি পেয়েছি পৃথিবীতে কোনকিছুই চিরস্থায়ী নয় , কোন মানুষ অপর কারোরই চিরকালীন অবলম্বন হ'তে পারেনা। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের অবলম্বন সে নিজে। সবার আগে নিজেকে ভালো না বাসলে পৃথিবীর সবকিছু মূল্যহীন হয়ে যায়। নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কখনও কারোর ইচ্ছে বা মতকে গুরুত্ব দিতে নেই , তাহ'লেই তাঁর অবস্থা দেবদুলাল বাবুর মতোই হবে। কখন কোথায় থামা উচিৎ সেটা না জানলে বা না বুঝলে তাঁর অবস্থা দীপমালা চট্টোপাধ্যায়ের মতোই হ'বে।

✪ এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র তিতলি সমগ্র পাঠককূলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে ভালোবাসা মানেই কারোর উপর একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা নয় , তাঁর ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা নয় ! ভালোবেসে নিজের মানুষটিকে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়া , যাতে ভালোবাসার চাপে অপর মানুষটির দমবন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরী না হয়।

➤ উপরের অংশটুকু পড়ে আমার বন্ধুদের হয়তো মনে হ'তেই পারে যে ভালোবাসা যদি অধিকারবোধই প্রতিষ্ঠা না করতে পারে তাহ'লে ভালোবাসার মূল্যায়ন কিভাবে হবে ?

➤ উপন্যাসটি পড়ে আমার স্বল্প বুদ্ধিতে আমি যেটুকু বুঝতে পেরেছি সেটি হ'ল - ভালোবাসা কেবলমাত্র একটি অনুভূতি , কখনও সেই অনুভূতি নিজেই বিস্তার লাভ করে আবার কখনও সে নিজেকে শামুকের মতো গুটিয়ে নেয়। যখন সে বিস্তার লাভ করে তখন তাকে তাঁর নিজস্ব সীমার মধ্যেই বিস্তার লাভ করা উচিৎ , কিন্তু যখন ভালোবাসা নিজেকে গুটিয়ে নেয় তখন কিছু না বলে শুধুমাত্র ভালোবাসার মানুষটির কাঁধে একটু স্নেহের স্পর্শ দেওয়াই যথেষ্ট , ভালোবাসার মানুষটি ঠিক বুঝতে পারবে তাঁর ভালোবাসার ক্ষমতা।

✪ উপন্যাস শেষে মনে হয় অনেক কিছু থেকে গেল অব্যক্ত , অনেককিছু পেলনা তার পরিপূর্ণতা ! কিন্তু সত্যিই কি তাই ? সত্যিই কি আপনারা উত্তর পেলেন না ? একটু ভাবুন না , ক্ষতি কি ?

➤ নিজের জীবনে না পাওয়ার হিসেব মিলিয়ে দেখতে গিয়ে দেখবেন , আপনার উল্টোদিকে থাকা মানুষটিকে কি দেননি সেই হিসেবও সেখানে মিলছে না ! আর এটাই বাস্তব ! এটাই এই উপন্যাসের মূল বক্তব্য বলেই আমার মনে হয়েছে।

★★ যদি সম্ভব হয় চুপটি করে বসে আপনার প্রিয় মানুষটির জীবনের কোন একটি অলিখিত মুহূর্তের কথা স্মরণ করেই দেখুন না , ভালোবাসা আবারও ফিরে আসবেই। ফিরে আসবে আপনার অনুভূতিতে! আপনি এই অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডের কোন এক প্রান্তে বসে থাকা আপনার প্রিয় মানুষটির মনের সঙ্গে আপনার যে একটি সংযোগ স্থাপিত হয়েছে আশাকরি এটা অনুভব করতে পারবেন। যদি না পারেন তাহ'লে বুঝবেন সেটি ভালোবাসা ছিল না , সেটি ছিল প্রেম। প্রেম অনেকটা সম্পত্তির মতো যাঁকে আগলে রাখতে হয় নচেৎ সম্পত্তিহারা হয়ে যেতে হয় , কিন্তু ভালোবাসা হ'ল সম্পদ যেটা বংশপরম্পরায় পাওয়া যায়না নিজেকে অর্জন করতে হয়। ভালোবাসার মানুষটি আপনার থেকে যত দূরেই থাকুননা কেন তাঁর মনের অবচেতন কক্ষে আপনার সুপ্ত উপস্থিতি সবসময় বিদ্যমান থাকে আর এটা আপনি অনুভব করতে পারবেন। এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা। কোনরকম আশা আকাঙ্খা বিহীন ভালোবাসা। এই ভালোবাসার স্বাদ যিনি একবার পান তিনি কখনও অন্য মানুষটির উপরে খবরদারি করেন না। তিনি ভালোবাসার মানুষটিকে বেঁধে রাখেন অদৃশ্য ভালোবাসার সুতোর বন্ধনে।

★ আমার মনে হয়েছে এটি খুব উৎকৃষ্টমানের একটি মনস্তাত্ত্বিক ক্লাসিক উপন্যাস , কারণ এই সমগ্র উপন্যাসটিতে বোধহয় ক্লাসিক উপন্যাস হ'বার বৈশিষ্ট্যগুলো সবই আছে (𝐂𝐥𝐚𝐬𝐬𝐢𝐜 𝐧𝐨𝐯𝐞𝐥𝐬 𝐭𝐞𝐧𝐝 𝐭𝐨 𝐝𝐞𝐚𝐥 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐭𝐢𝐦𝐞𝐥𝐞𝐬𝐬 , 𝐮𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐚𝐥 𝐭𝐡𝐞𝐦𝐞𝐬 . 𝐖𝐡𝐞𝐭𝐡𝐞𝐫 𝐢𝐭'𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐞𝐭𝐞𝐫𝐧𝐚𝐥 𝐬𝐭𝐫𝐮𝐠𝐠𝐥𝐞 𝐨𝐟 𝐠𝐨𝐨𝐝 𝐯𝐬. 𝐞𝐯𝐢𝐥 , 𝐭𝐡𝐞 𝐢𝐧𝐞𝐯𝐢𝐭𝐚𝐛𝐢𝐥𝐢𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐝𝐞𝐚𝐭𝐡 , 𝐨𝐫 𝐭𝐡𝐞 𝐜𝐨𝐫𝐫𝐮𝐩𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐧𝐚𝐭𝐮𝐫𝐞 𝐨𝐟 𝐩𝐨𝐰𝐞𝐫 , 𝐚 𝐜𝐥𝐚𝐬𝐬𝐢𝐜 𝐧𝐨𝐯𝐞𝐥 𝐬𝐡𝐨𝐮𝐥𝐝 𝐚𝐭𝐭𝐞𝐦𝐩𝐭 𝐭𝐨 𝐞𝐱𝐚𝐦𝐢𝐧𝐞 𝐬𝐨𝐦𝐞 𝐞𝐧𝐝𝐮𝐫𝐢𝐧𝐠 , 𝐢𝐦𝐦𝐮𝐭𝐚𝐛𝐥𝐞 𝐭𝐫𝐮𝐭𝐡 𝐚𝐛𝐨𝐮𝐭 𝐭𝐡𝐞 𝐰𝐚𝐲 𝐡𝐮𝐦𝐚𝐧𝐬 𝐛𝐞𝐡𝐚𝐯𝐞 .) যা মনকে সমৃদ্ধ করে। মনের অগোচরে জমে থাকা কিছু অনুভূতি ফিসফিস করে বলে যায় "ভালোবাসি , ভালোবাসি" ! এই অদ্ভুত অনুভূতিগুলোকে আমি বলে বা লিখে সঠিকভাবে বোঝাতে পারবো না , তবুও বোঝাবার চেষ্টা ক'রলাম।
__________________________
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.