Jump to ratings and reviews
Rate this book

মিনোল্টা ম্যাক্সাম ৭০০০

Rate this book
বছর কয়েক আগের ঘটনা। ইন্টারনেট মাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে এক সময়ের শীর্ষ দুই নায়িকার দুটি ন্যু*ড ছবি। তোলপাড় শুরু হয় দেশজুড়ে।

যথাসময়ে ধামাচাপাও পড়ে যায় ঘটনাটি। ধামাচাপা পড়লেও ভেতরে ভেতরে ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ফটোশপ করে কেউ নেটে ছড়িয়েছে ছবিগুলো। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফটোশপের কোনো আলামত মেলে না। কে তুলেছিল এই ছবি, কারা ছড়িয়েছে এমন অনেক প্রশ্ন হাজির হয়। উত্তর পেতে ডেকে আনা হয় এক সাবেক ক্রাইম রিপোর্টারকে।

ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় এক রহস্যময় পুরনো ক্যামেরার কাহিনি। বলে রাখা ভালো, এই উপন্যাসের কোনো চরিত্র বা কাহিনির সঙ্গে জীবিত বা মৃত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সম্পর্ক নেই

112 pages, Hardcover

First published February 1, 2023

Loading...
Loading...

About the author

মাহবুব মোর্শেদের জন্ম ১৯৭৭ সালে ২৯ জানুয়ারী রংপুরে। গল্পকার, ঔপন্যাসিক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। পেশা সাংবাদিকতা। শৈশব-কৈশর কেটেছে উত্তরের রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা ও দক্ষিণ-পশ্চিমের কুষ্টিয়ায়। ২০০৬ সালে তার গল্পগ্রন্থ ‘ব্যক্তিগত বসন্তদিন’ প্রকাশিত হয়েছে কাগজ প্রকাশনী থেকে। ২০১০ সালে ভাষাচিত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে উপন্যাস ‘ফেস বাই ফেস’।

পরিচিত ঘটনাবলী মাহবুব মোর্শেদের গল্পে আসে নতুন আবিষ্কার, চমক আর বুননে সজ্জিত হয়ে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা বুনে দেয় রহস্যময় সংযোগ। তার স্টোরিটেলিং সব সময়ই আকর্ষক, স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত। গদ্য সরল, কিন্তু দ্ব্যর্থকতায় ভরপুর—ইশারা আর পরিহাসে ঠাসা। তার কবিতা লিপ্সা, আকাঙ্ক্ষা, তাড়না ও প্রেমের আরেক উন্মীলন। গল্প-উপন্যাস রচনা ছাড়াও তিনি এক সময় বিচিত্র বিষয়ে লিখতেন ব্লগে। এখন ফেসবুকে লেখেন নানা বিষয়ে ছোট ছোট কথা।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (12%)
2 stars
2 (25%)
1 star
5 (62%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,806 reviews535 followers
March 22, 2023
এ বইয়ের দুটো ইতিবাচক দিক-
১. প্রচ্ছদটা সুন্দর
২. নামটা অভিনব।
"মিনোল্টা ম্যাক্সাম ৭০০০" এর আর সবই নেতিবাচক। থ্রিলার পড়তে যেয়ে আপনি গল্পে "টুইস্ট" খুঁজতে পারেন।আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

গল্পে টুইস্ট আছে।সেটা হচ্ছে, আপনি পড়তে যেয়ে বুঝবেন "থ্রিলার" নামধারী যে বইটা আপনি পড়ছেন সেটা আদতে থ্রিলারই না।এরচেয়ে বড় টুইস্ট আর কি হতে পারে?

(মার্চ ৪, ২০২৩)
Profile Image for Samiur Rashid Abir.
225 reviews46 followers
February 18, 2023
মোর্শেদ সাহেবের চিরাচরিত সুন্দর গদ্য এখানে অনুপস্থিত। মনে হচ্ছিল, একটা থ্রিলার গল্প কারোও মুখে শুনতেছি। আর মাঝে মাঝে প্লট হোলের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হবার আশংকায় এক্সপ্ল্যানেশন দেয়া হচ্ছে। থ্রিলার হিসাবে খুবই সাধারণ। কোন আহামরি চমক নাই, টুইস্ট নাই। জমল না ঠিক। মোর্শেদ সাহেবের কাছে আরও বেশি আশা ছিল।
Profile Image for Zahidul Islam Sobuz.
95 reviews3 followers
January 8, 2025
পৃথিবীর বেশিরভাগ গল্প যা শেষে আর ভালো লাগে না। বা বেশিরভাগ লেখকই আসলে শেষ করতে পারে না। এমন। ভালো লাগতেছিল শেষে আর লাগে নাই।
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
117 reviews14 followers
July 4, 2024
আনকোরা নতুন, যারা কখনো থ্রিলার পড়ে নাই তাদের কাছে এই বইটা অনেক ভালো লাগবে কিনৃতু আপনি যদি থ্রিলার পাঠে অনেকবেশি অভ্যস্ত হোন তাহলে এই বই স্রেফ একটা অখাদ্য। না আছে সংলাপের গভীরতা, না আছে কোনো টুইস্ট, আছে এক গাঁদা প্লোটহোল। মানে বিষয়টা যে কেন হলো, কেন ন্যুড ছবি তোলা হলো এসবের কোনো বাড়তি বর্ণনা নেই। মারমার কাটকাট অবস্থা। ধরো রশি মারো টানো টাইপ লেখা।

এই বই পড়ার আগে হারুন আহমেদ ভাইয়ের রিভিউ পড়েছিলাম। পুরো বইজুড়ে উনার একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছিলো, ❝এই বইয়ের সবচে বড় টুইস্ট এই বইয়ে কোনো টুইস্টই নাই।❞ আমি এজন্যই রিভিউ পড়ি না কোনো বই পড়ার আগে কিন্তু এই বইয়ে আসলেই কোনো টুইস্ট নাই। এটাকে যদি থ্রিলার না বলা হতো তাহলে এত অভিযোগ উঠতো না কেননা বইয়ের মধ্যে সিনেমাজগত নিয়ে ভালোই ইনসাইট দেয়া। আপনি যদি সিনেমাজগত নিয়ে খুব বেশি একটা ভালো না জানেন তাহলে এই বই থেকে ভালোই ধারনা পাবেন বলে মনে করি। লেখকের বর্ণনা করা হাত ভালো যদিও আগে উনার কোনো বই পড়ি নাই, তবে মনে হয়েছে উনি ভালো লিখতে পারেন। সিনেমা জগত নিয়ে ওইসব বর্ণনা টুবিঅনেস্ট ভালোই লাগছিলো কিন্তু এটা যেহে থ্রিলার হিসেবে বাজারে এসেছে তাই বলতেই থ্রিলারের কাতারে এটা পড়ে না। ডিটেইলিং টা আরো গভীর হলে ভালো হতো। ক্যারেক্টারগুলোকে আরেকটু বিল্ড আপ করলেও পড়ে মজা পাওয়া যেত। বইয়ের শেষে এটার দ্বিতীয় কিস্তি আসার আভাস দেয়া আছে। আমার মনে হয় না আনাই ভালো আর যদি আনেনও তাহলে অনেক বেশি ওয়ার্কআউট করা উচিত থ্রিলার নিয়ে।

এখনকার থ্রিলারগুলো অনেক বেশি ইনফোরমেটিভ হয়। স্টোরি বিল্ডে লেখককে অনেক সময় দিতে হয়, যেটা একদিক থেকে ফলপ্রসূ কেননা পাঠক স্টোরি আর ক্যারেক্টার বিল্ড আপের সাথে সাথে অনেক কিছু জানতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে শাক্যজিতের “মৃতপাখি" কিংবা কেইগো হিগোশিনোর “মিডনাইট সান” নিয়ে বলা যেতে পারে। মৃতপাখি বইতে এত এত কবিতা আর আন্দোলন নিয়ে লেখা যে পাঠক মাঝে মাঝে ভুলে যাবে সে আদতে কি পড়ছে, সেম জিনিস খাটে কেইগোর লেখার ক্ষেত্রেও। আমার থ্রিলার নিয়ে ধারণাই পাল্টে গেছে মিডনাইট সান পড়ার পর থেকে। ঢাউস সাইজের বই হলেও পাঠক থ্রিলারের মজা পাবেন ষোল আনা। এজন্যই আমি মনে করি সবার থ্রিলার লেখা উচিত না, আর লিখলেও আঁট ঘাট বেঁধে লিখতে বসা উচিত।

রেটিংসঃ ২.৫/৫

সকাল আটটা একান্ন মিনিট
Displaying 1 - 4 of 4 reviews