What do you think?


অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল
বাংলা লোককথা নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে ঋতুর পরিচয় হয়েছে এমন একজনের সঙ্গে, যিনি টাকার বিনিময়ে নিয়ে আসেন নতুন সব গল্প। সহকারী গবেষককে নিয়ে ঋতু ঘুরে বেড়ান ঢাকা শহরের এমন কিছু স্থানে, যেখানকার অতীত রহস্যে মোড়া। হোসনি দালানের পুকুর থেকে উঠে আসা অদ্ভুত দর্শন জন্তু কিংবা মোঘলদের সময়ে গড়ে ওঠা প্রাসাদ কী কারণে মানুষশূন্য হয়ে পড়ল -এসব প্রশ্ন খুঁজতে যখন সবাই ব্যস্ত, তখনই সামনে এলো নতুন চরিত্র। যে আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিতে চলেছে গা শিউরে ওঠা এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে।
অলৌকিক অভিজ্ঞতার সরুপথ ধরে গল্প যখন ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে অনিশ্চিত দ্বারের দিকে, ঠিক তখনই পাওয়া গেল ইসরাইলের হাজার বছর আগের এক রহস্যময় সূত্র। গা শিউরে ওঠা সেই ঘটনা গল্পের চরিত্রগুলোকে ফেলে দেবে অন্ধকার এক পথে। নির্ঘুম চোখ নিয়ে গল্প পড়তে পড়তে মনে হবে এই গল্প ঋতু আহমেদ নয়; বরং অন্য কারও।
‘অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল’ বইটি আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে রহস্যময় সেই ব্যক্তির সঙ্গে।
অলৌকিক অভিজ্ঞতার সরুপথ ধরে গল্প যখন ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে অনিশ্চিত দ্বারের দিকে, ঠিক তখনই পাওয়া গেল ইসরাইলের হাজার বছর আগের এক রহস্যময় সূত্র। গা শিউরে ওঠা সেই ঘটনা গল্পের চরিত্রগুলোকে ফেলে দেবে অন্ধকার এক পথে। নির্ঘুম চোখ নিয়ে গল্প পড়তে পড়তে মনে হবে এই গল্প ঋতু আহমেদ নয়; বরং অন্য কারও।
‘অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল’ বইটি আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে রহস্যময় সেই ব্যক্তির সঙ্গে।
- GenresThriller
132 pages, Hardcover
Published February 5, 2024
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 18 of 18 reviews
March 4, 2024
লেখা বেশ ঝরঝরে। একটানা পড়তে কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু গল্পটা ভীষণ দুর্বল। একের পর এক চরিত্র আসবে, ইতিহাস আসবে কিন্তু মূল গল্পের সাথে তার প্রাসঙ্গিকতা নেই বললেই চলে। প্রত্যেকটা সিকুয়েল আধাখেচড়াভাবে সমাপ্ত করা। এমনকি ১২০ পৃষ্ঠা (১৩০ এর মধ্যে) পড়েও আমি মূল গল্পটাকেই ধরতে পারি নি। ভাবছেন বাকি ১০ পৃষ্ঠা সবকিছু মিলিয়ে দেবে? সে গুড়ে বালি।
রিকমেন্ড কাকে করব? যারা ইসলামের সামান্য কিছু খন্ড ইতিহাসের উপর হালকা শিক্ষা সফর করতে চান তাদের জন্য। তবে হ্যাঁ, লেখককে ভালো একটা গল্প দিলে খুব মজা করে লিখতে পারতেন। সেই সুন্দর সম্ভাবনাটা আছে।
উল্লেখ্য: বইয়ের যাবতীয় তথ্যের জন্য বরাদ্দ পৃষ্ঠাতে (এই পৃষ্ঠার আলাদা নাম আছে কিনা জানি না) বইয়ের নামখানায় ভুলভাল দেওয়া 'অথবা ঘুম হয়নি এখনও'।
রিকমেন্ড কাকে করব? যারা ইসলামের সামান্য কিছু খন্ড ইতিহাসের উপর হালকা শিক্ষা সফর করতে চান তাদের জন্য। তবে হ্যাঁ, লেখককে ভালো একটা গল্প দিলে খুব মজা করে লিখতে পারতেন। সেই সুন্দর সম্ভাবনাটা আছে।
উল্লেখ্য: বইয়ের যাবতীয় তথ্যের জন্য বরাদ্দ পৃষ্ঠাতে (এই পৃষ্ঠার আলাদা নাম আছে কিনা জানি না) বইয়ের নামখানায় ভুলভাল দেওয়া 'অথবা ঘুম হয়নি এখনও'।
April 23, 2024
লেখক এবং ঋতু আহমেদকে কেন্দ্রীয় চরিত্র ধরে কিছু অতিপ্রাকৃত গল্পের সংকলন হলে বোধকরি ভালো হত৷ কারণ ভয়ের যে-কয়টা এলিমেন্ট ছিল, দ্যাট ওয়ার্কড ফাইনলি৷ বাদবাকি গল্প-চরিত্র-স্টোরিটেলিং-সিকোয়েন্স-ক্লাইম্যাক্স খাপছাড়া বেহাল দশা৷
May 24, 2024
বইটা পড়ার অভিজ্ঞতাটা অনেকটা স্বপ্নের মত ছিল। তাই হয়তো বইয়ের এই নাম। বইটা পড়ার সময় আমি ভালোলাগা আর মন্দলাগার এক অদৃশ্য মিটারের মধ্যে ওঠানামা করছিলাম। প্রথম কিছু অধ্যায় অনেকটা ভালো লেগেছে যদিও প্রথমে হুমায়ুন আহমেদ এর লেখনির ভাইব পাচ্ছিলাম। তবে সেটা তেমন জোরালো না এবং ক্ষণস্থায়ী ছিল। লেখকের স্বতন্ত্রতা আমার মতে যথেষ্ট দৃশ্যমান ছিল। এরপর মাঝেরদিকে একটু খাপছাড়া বা অগোছালো লাগছিল। মাঝে মধ্যে একটু বিরক্তও বোধ করেছি। তবে আমার প্রিয় পাঠ ছিল শেষের ভাগ। এক কথায় অসাধারন লেগেছে। একে একে ছড়ানো ছিটানো সব প্লট গুলো যেন ব্লাক হোলের সিঙ্গুলারিটির মত এক বিন্দুতে এসে মিলেছে।
আমার অন্যতম এক প্রিয় ভৌতিক জনরা হলো "কসমিক হরর"। এই গল্পে সেটার আভাস পেয়েছি। অদম্য, অপ্রতিরোধ্য এক শক্তি যেন প্রতিদ্বন্দ্বী। যেন প্রকৃতি নিজেই বিপক্ষে। আর তার সামনে মানুষ হিসেবে ব্যক্তি একান্তই অসহায়। ভাগ্যের সামনে যেমন নিশ্চুপ অসহায় তেমনই।
আমার কাছে "মোরশেদ সাহেব" চরিত্রটা খুব ভালো লেগেছে। পঙ্গুত্বের কাছে হার না মেনে হাসি মুখেই বরং মেনে নিয়েছেন। শক্তিশালী চরিত্র নিশ্চিত।
আমি মনে করি গল্পটা সত্যিই সম্ভবনাময়। লেখক ঢেলে সাজালে হয়তো আরো ভালভাবে কাহিনীটা দেখান যেত।
আমার অন্যতম এক প্রিয় ভৌতিক জনরা হলো "কসমিক হরর"। এই গল্পে সেটার আভাস পেয়েছি। অদম্য, অপ্রতিরোধ্য এক শক্তি যেন প্রতিদ্বন্দ্বী। যেন প্রকৃতি নিজেই বিপক্ষে। আর তার সামনে মানুষ হিসেবে ব্যক্তি একান্তই অসহায়। ভাগ্যের সামনে যেমন নিশ্চুপ অসহায় তেমনই।
আমার কাছে "মোরশেদ সাহেব" চরিত্রটা খুব ভালো লেগেছে। পঙ্গুত্বের কাছে হার না মেনে হাসি মুখেই বরং মেনে নিয়েছেন। শক্তিশালী চরিত্র নিশ্চিত।
আমি মনে করি গল্পটা সত্যিই সম্ভবনাময়। লেখক ঢেলে সাজালে হয়তো আরো ভালভাবে কাহিনীটা দেখান যেত।
July 25, 2026
মোটামুটি ভালোই ছিলো।
শেষের দিকে একটু খাপছাড়া লেগেছে।
লেখনি বেশ ঝরঝরে পড়তে তেমন প্যারা হয়নি।
শেষের দিকে একটু খাপছাড়া লেগেছে।
লেখনি বেশ ঝরঝরে পড়তে তেমন প্যারা হয়নি।
March 17, 2024
'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' জুবায়ের ইবনে কামালের দ্বিতীয় উপন্যাস। বইটিতে দেখা যায় কথক, এমন একজন পিএইচডি গবেষকের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন যিনি টাকার বিনিময়ে গল্প কিনে নিচ্ছেন। সেই গল্প শুনতে শুনতেই কথক আর গবেষক ঋতু আহমেদের সামনে চলে আসে অনেকগুলো প্রশ্ন আর অমিমাংসিত রহস্য।
খুব সাধারণ প্লট থেকে গল্প বলার খাতিরে অসাধারণ কিছু তথ্য চলে আসে এই বইয়ে। তথ্য জানা ও গবেষণায় লেখকের যে মুন্সিয়ানা সেটা সহজেই চোখে পড়ে। তবে অনেকগুলো গল্প একসাথে টানতে যেয়ে একটু বেগ পেতে হয়েছে তাকে। তবুও ঝরঝরে লেখা আর ইন্টারেস্টিং সব তথ্যের জন্য বেশ ভালো সময় কেটেছে বইটির সাথে।
খুব সাধারণ প্লট থেকে গল্প বলার খাতিরে অসাধারণ কিছু তথ্য চলে আসে এই বইয়ে। তথ্য জানা ও গবেষণায় লেখকের যে মুন্সিয়ানা সেটা সহজেই চোখে পড়ে। তবে অনেকগুলো গল্প একসাথে টানতে যেয়ে একটু বেগ পেতে হয়েছে তাকে। তবুও ঝরঝরে লেখা আর ইন্টারেস্টিং সব তথ্যের জন্য বেশ ভালো সময় কেটেছে বইটির সাথে।
February 22, 2025
I seriously don't know why I picked up this book... It felt like a waste of my time on literally nothing....The plot was something strange that was maybe out of my understanding level but I seriously didn't get any point in this book... The storyline was not even interesting... The writing style was average but the storytelling was damn bad... Even in the end I didn't get what the author wanted to express.... It felt like he really tried to write something good but ultimately it ended up being very bad...
Sorry but a waste of time... Zero ratings would be best for this book...
Sorry but a waste of time... Zero ratings would be best for this book...
March 16, 2024
I bet our parents feel like we did after reading this book when they see us.
May 12, 2024
তার ছেঁড়া গল্প,
পড়তে ভালোই লাগে কিন্তু
রহস্য সমাধানের কোন আগামাথা নাই।
ব্ল্যাক ম্যাজিকের সাথে ইসলামের ইতিহাস।
গল্পটা গোছানো না। কিন্তু গল্পের কন্টেন্ট টা ভালো ছিলো। নতুন নতুন অনেক তথ্য জানা হইছে, এটুকুই।
পড়তে পারেন।
পড়তে ভালোই লাগে কিন্তু
রহস্য সমাধানের কোন আগামাথা নাই।
ব্ল্যাক ম্যাজিকের সাথে ইসলামের ইতিহাস।
গল্পটা গোছানো না। কিন্তু গল্পের কন্টেন্ট টা ভালো ছিলো। নতুন নতুন অনেক তথ্য জানা হইছে, এটুকুই।
পড়তে পারেন।
March 23, 2024
আরেকটু গোছানো হলে আরো ভালো হত। আর অনেক জায়গায় plot holes ছিল।
তাও যেহেতু বিরক্তি ধরাতে পারে নি, তাই 4 star.
তাও যেহেতু বিরক্তি ধরাতে পারে নি, তাই 4 star.
April 20, 2024
জীবনানন্দের কবিতা থেকে বইটার টাইটেল ।
প্রচ্ছদ টা ভালো লেগেছিলো । পিছনের সিনোপসিস পরে ইন্টারেস্টিং হবে মনে হয়েছিলো ।
কিন্তু আমি যারপরনাই হতাশ বইটা পড়ে ।
(স্পয়লার অ্যালার্ট)
গল্পের কথকের নাম লেখকের নামেই । সে ঋতু নামের একজন পিএইচডি রিসার্চার এর অ্যাসিসটেন্ট হিসেবে কাজ করছে , পিএইচডির টপিক হলো বাংলা মৌখিক সাহিত্যে ভয়ের গল্পের প্রভাব । এই কারণে সে ঋতুর সাথে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ায় , ইন্টারভিউ নেয় , ইনফরমেশন কালেক্ট করে , শুরুটা হয় এভাবে । প্রেমিস টা ইন্টারেস্টিং ছিলো , প্রমিসিং ছিল । জমাট বাধা একটা রহস্যগল্প আশা করেছিলাম কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি ।
একটা কোহেসিভ স্টোরি আমি পাইনি এখানে , মাঝে মাঝে কথক চলে যায় অতীতের কিছু ঘটনায় , এই যেমন একবার তার ছবি আঁকার আগ্রহ হয় , সে কিছু ছবি কিনেও আনে এবং তার রুমে কিছু অদ্ভুত ঘটনা শুরু হয় , তার আঁকা ছবি অন্য কেউ আপডেট করে , কিন্তু সে তো একা থাকে , একরাতে সে দেখতে পায় একটা বেঁটে মানুষ যার চোখ নেই তার ঘরে ছবি আঁকছে , নিঃসন্দেহে একটা ভয়ের আবহ সৃষ্টি করা ঘটনা যা পাঠকের মনে অনেক প্রশ্ন জন্ম দেয় , কিন্তু এ ব্যপারে এর পরে আর কিছু বলা হয়না , এই ঘটনা এখানেই শেষ , মানে এই ঘটনা টা পরে আর গল্পে কোন ভাবেই ফিরে আসে নাই , মেইন গল্পের সাথে কোন সম্পর্ক ও নাই , এই চোখহীন বেটে (ধরে নিলাম ভূত) লোকটাকে দেখার পর কি হলো এ ব্যপার টা বেমালুম ভুলে যাওয়া হয়েছে । একই রকম ব্যপার আবার ঘটে অধ্যায় ১৩ তে । কথক তার বাসায় রাতের বেলা একজন মহিলা কে দেখতে পান , স্লিপ প্যারালাইসিস এর মতন কিছু একটা হয় , মহিলা পা ঘষে ঘষে এগিয়ে আসে , তারপর কারেন্ট চলে আসলে দেখা যায় কেউ নেই । এটাও কথকের জন্য একটা ভয়ানক ঘটনা ছিল কিন্তু এর পর আর এই ঘটনা টাকে অ্যাকনলেজ করা হয়নি , এরপর এই ঘটনা টা মিনিংলেস হয়ে যায় এই বইয়ের আরো অনেক ঘটনার মতন ।
পাঠক হিসেবে আমাকে এই গল্পের হরর এলিমেন্ট গুলো আসলে কোন এফেক্ট করে নাই কারন আল্টিমেটলি কথকের ওপর এই ঘটনাগুলোর কোন কনসিকোয়েন্স আমরা পাইনা । একবার হোসনি দালানে আরেক বার নিমতলী দেউড়ি তে ঋতু-জোবায়ের যায় এবং কিছু ভৌতিক গল্প নিয়ে কথা হয় কিন্তু এইগুলোও আসলে মূল গল্পে কোন কিছু কন্ট্রিবিউট করেনা । এখন প্রশ্ন আসতে পারে প্রত্যেকটা ঘটনাই তো আর গল্প কে সার্ভ করবেনা , কিন্তু মূল গল্পটা থেকে বারবার এদিকে সেদিকে সড়ে গেছে গল্পের ফোকাস , মুল গল্প টাই ভালো ভাবে বিল্ডাপ হয়নি বলে আমার মনে হয়েছে , বারবার এদিকে সেদিকে পথভ্রষ্ট হয়ে চলে গেছে গল্প যে কারনে প্লট টা খুবই আন্ডার ডেভেলপড ।
বইয়ের যে সেকেন্ডারী প্লট টা ছিলো - ইসরাইল থেকে পালিয়ে আসা এক রহস্যময় লোক , যেটার জন্য অনেক অনেক এক্সপোজিশন দেয়া , অনেক ইতিহাসের বর্ণনা দেয়া হয় , এর কারণ গল্পের ম্যাকগিফিন , আর্ক অফ দা কোভেনেন্ট এর টুকরো । এই এক্সপোজিশন ডাম্প গুলো আসলে পে-অফ করা হয়নি প্রপারলি । একই সাথে গল্পে অনেক ছোট ছোট টাইম জাম্প আছে , যা অনেক প্রশ্ন তৈরি করে । জুবায়ের কিভাবে দানিশ রুহান কে খুঁজে বের করলো , কিভাবেই বা তার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ঢাকায় ফিরে গেলো ? সাজ্জাদের মায়ের পুরনো বাড়িতে যেয়ে আসলে জুবায়ের কি দেখেছিলো? অনেক অনেক প্রশ্ন যেগুলোর কোন জবাব দেয়া হয়নি , অনেক গুলোর জবাব দেয়ার কোন চেষ্টাও করা হয়নি ।
লেখার স্টাইলে হুমায়ূন আহমেদের কিছুটা প্রভাব আছে বলে মনে হয়েছে , কঠকের বর্ণনার স্টাইলে বিশেষ করে । এছাড়াও কথক যে রসিকতা গুলো করে গেছে বই জুড়ে সেগুলো জমেনি, ভালো লাগে নাই আসলে । মিসির আলির একটা গল্প আছে সঙ্গী নামের , একটা ছেলে মিসির আলির কাছে আসে যে স্বপ্নে ব্লেড বিছানো একটা পথে দৌড়ায় একটা মেয়ের সাথে , পা কেটে ফালা ফালা হয়ে যায় , ঘুম ভেঙ্গে দেখে পা আসলেই কেটে গেছে , মিসির আলি ছেলেটাকে জুতা পায়ে ঘুমাতে বলে , সমস্যা সেরে যায় । এই বইতেও সাজ্জাদ নামক একটা ক্যারেক্টার সিমিলার সমস্যায় আক্রান্ত এমনকি স্বপ্নে পা কেটে যাওয়ার ব্যাপারটাও উল্লেখ আছে । ব্যাপারটা মিলে গেছে নাকি ইনটেনশোনাল জানিনা ।
পটেনশিয়াল ছিলো , একটা রহস্য দানা বাধছিলো , কিন্তু কোন কিছুই ঠিকঠাক গুছিয়ে উঠলোনা । শেষে একটা মেজর ক্যারেক্টারের হঠাত মৃত্যু ঘটে যেটা শকিং হতে পারতো কিন্তু খুব একটা হিট করেনাই । মেইন ক্যারেক্টারের ব্যাক স্টোরি নিয়ে কিছু হিন্ট ছিলো কিন্তু কোন এক্সপ্লেনেশন দেয়া হয়নি ।
পার্সোনাল রেটিং ২/৫
প্রচ্ছদ টা ভালো লেগেছিলো । পিছনের সিনোপসিস পরে ইন্টারেস্টিং হবে মনে হয়েছিলো ।
কিন্তু আমি যারপরনাই হতাশ বইটা পড়ে ।
(স্পয়লার অ্যালার্ট)
গল্পের কথকের নাম লেখকের নামেই । সে ঋতু নামের একজন পিএইচডি রিসার্চার এর অ্যাসিসটেন্ট হিসেবে কাজ করছে , পিএইচডির টপিক হলো বাংলা মৌখিক সাহিত্যে ভয়ের গল্পের প্রভাব । এই কারণে সে ঋতুর সাথে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ায় , ইন্টারভিউ নেয় , ইনফরমেশন কালেক্ট করে , শুরুটা হয় এভাবে । প্রেমিস টা ইন্টারেস্টিং ছিলো , প্রমিসিং ছিল । জমাট বাধা একটা রহস্যগল্প আশা করেছিলাম কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি ।
একটা কোহেসিভ স্টোরি আমি পাইনি এখানে , মাঝে মাঝে কথক চলে যায় অতীতের কিছু ঘটনায় , এই যেমন একবার তার ছবি আঁকার আগ্রহ হয় , সে কিছু ছবি কিনেও আনে এবং তার রুমে কিছু অদ্ভুত ঘটনা শুরু হয় , তার আঁকা ছবি অন্য কেউ আপডেট করে , কিন্তু সে তো একা থাকে , একরাতে সে দেখতে পায় একটা বেঁটে মানুষ যার চোখ নেই তার ঘরে ছবি আঁকছে , নিঃসন্দেহে একটা ভয়ের আবহ সৃষ্টি করা ঘটনা যা পাঠকের মনে অনেক প্রশ্ন জন্ম দেয় , কিন্তু এ ব্যপারে এর পরে আর কিছু বলা হয়না , এই ঘটনা এখানেই শেষ , মানে এই ঘটনা টা পরে আর গল্পে কোন ভাবেই ফিরে আসে নাই , মেইন গল্পের সাথে কোন সম্পর্ক ও নাই , এই চোখহীন বেটে (ধরে নিলাম ভূত) লোকটাকে দেখার পর কি হলো এ ব্যপার টা বেমালুম ভুলে যাওয়া হয়েছে । একই রকম ব্যপার আবার ঘটে অধ্যায় ১৩ তে । কথক তার বাসায় রাতের বেলা একজন মহিলা কে দেখতে পান , স্লিপ প্যারালাইসিস এর মতন কিছু একটা হয় , মহিলা পা ঘষে ঘষে এগিয়ে আসে , তারপর কারেন্ট চলে আসলে দেখা যায় কেউ নেই । এটাও কথকের জন্য একটা ভয়ানক ঘটনা ছিল কিন্তু এর পর আর এই ঘটনা টাকে অ্যাকনলেজ করা হয়নি , এরপর এই ঘটনা টা মিনিংলেস হয়ে যায় এই বইয়ের আরো অনেক ঘটনার মতন ।
পাঠক হিসেবে আমাকে এই গল্পের হরর এলিমেন্ট গুলো আসলে কোন এফেক্ট করে নাই কারন আল্টিমেটলি কথকের ওপর এই ঘটনাগুলোর কোন কনসিকোয়েন্স আমরা পাইনা । একবার হোসনি দালানে আরেক বার নিমতলী দেউড়ি তে ঋতু-জোবায়ের যায় এবং কিছু ভৌতিক গল্প নিয়ে কথা হয় কিন্তু এইগুলোও আসলে মূল গল্পে কোন কিছু কন্ট্রিবিউট করেনা । এখন প্রশ্ন আসতে পারে প্রত্যেকটা ঘটনাই তো আর গল্প কে সার্ভ করবেনা , কিন্তু মূল গল্পটা থেকে বারবার এদিকে সেদিকে সড়ে গেছে গল্পের ফোকাস , মুল গল্প টাই ভালো ভাবে বিল্ডাপ হয়নি বলে আমার মনে হয়েছে , বারবার এদিকে সেদিকে পথভ্রষ্ট হয়ে চলে গেছে গল্প যে কারনে প্লট টা খুবই আন্ডার ডেভেলপড ।
বইয়ের যে সেকেন্ডারী প্লট টা ছিলো - ইসরাইল থেকে পালিয়ে আসা এক রহস্যময় লোক , যেটার জন্য অনেক অনেক এক্সপোজিশন দেয়া , অনেক ইতিহাসের বর্ণনা দেয়া হয় , এর কারণ গল্পের ম্যাকগিফিন , আর্ক অফ দা কোভেনেন্ট এর টুকরো । এই এক্সপোজিশন ডাম্প গুলো আসলে পে-অফ করা হয়নি প্রপারলি । একই সাথে গল্পে অনেক ছোট ছোট টাইম জাম্প আছে , যা অনেক প্রশ্ন তৈরি করে । জুবায়ের কিভাবে দানিশ রুহান কে খুঁজে বের করলো , কিভাবেই বা তার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ঢাকায় ফিরে গেলো ? সাজ্জাদের মায়ের পুরনো বাড়িতে যেয়ে আসলে জুবায়ের কি দেখেছিলো? অনেক অনেক প্রশ্ন যেগুলোর কোন জবাব দেয়া হয়নি , অনেক গুলোর জবাব দেয়ার কোন চেষ্টাও করা হয়নি ।
লেখার স্টাইলে হুমায়ূন আহমেদের কিছুটা প্রভাব আছে বলে মনে হয়েছে , কঠকের বর্ণনার স্টাইলে বিশেষ করে । এছাড়াও কথক যে রসিকতা গুলো করে গেছে বই জুড়ে সেগুলো জমেনি, ভালো লাগে নাই আসলে । মিসির আলির একটা গল্প আছে সঙ্গী নামের , একটা ছেলে মিসির আলির কাছে আসে যে স্বপ্নে ব্লেড বিছানো একটা পথে দৌড়ায় একটা মেয়ের সাথে , পা কেটে ফালা ফালা হয়ে যায় , ঘুম ভেঙ্গে দেখে পা আসলেই কেটে গেছে , মিসির আলি ছেলেটাকে জুতা পায়ে ঘুমাতে বলে , সমস্যা সেরে যায় । এই বইতেও সাজ্জাদ নামক একটা ক্যারেক্টার সিমিলার সমস্যায় আক্রান্ত এমনকি স্বপ্নে পা কেটে যাওয়ার ব্যাপারটাও উল্লেখ আছে । ব্যাপারটা মিলে গেছে নাকি ইনটেনশোনাল জানিনা ।
পটেনশিয়াল ছিলো , একটা রহস্য দানা বাধছিলো , কিন্তু কোন কিছুই ঠিকঠাক গুছিয়ে উঠলোনা । শেষে একটা মেজর ক্যারেক্টারের হঠাত মৃত্যু ঘটে যেটা শকিং হতে পারতো কিন্তু খুব একটা হিট করেনাই । মেইন ক্যারেক্টারের ব্যাক স্টোরি নিয়ে কিছু হিন্ট ছিলো কিন্তু কোন এক্সপ্লেনেশন দেয়া হয়নি ।
পার্সোনাল রেটিং ২/৫
February 16, 2024
#বই_রিভিউ
বই: অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল
লেখক: জুবায়ের ইবনে কামাল
প্রচ্ছদ: আবুল হাসেম মোহন
প্রকাশনী : বাতিঘর
পৃষ্ঠা: ১২৬
মুদ্রিত মূল্য: ২২০
#সার_সংক্ষেপ:
ঋতু আহমেদ বাংলার লোককথা নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে পরিচিত হয় জুবায়ের সাথে। জুবায়ের টাকার বিনিময়ে নতুন নতুন গল্প নিয়ে আসে। রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে জুবায়েরকে নিয়ে ঘুরে বেড়ান ঢাকা শহরের এমন কিছু স্থানে, যেখানকার অতীত ছিলো রহস্যে মোড়া। হোসনি দালানের পুকুর থেকে উঠে আসা অদ্ভুত দর্শন জন্তু কিংবা মোঘলদের সময়ে গড়ে ওঠা প্রাসাদ কী কারণে মানুষশূন্য হয়ে পড়ল -এসব প্রশ্ন খুঁজতে যখন ব্যস্ত, তখনই সামনে এলো নতুন চরিত্র। সাজ্জাদ !যে পরিচয় করিয়ে দিতে চলেছে গা শিউরে ওঠা এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে। পাল্টাতে না পারা একই স্বপ্ন,একই নদী,নৌকা,একই মেয়েলি কণ্ঠ আর পিঠে প্রচন্ড ব্যথা। এবং নতুন একটি শব্দ রুকইয়া। এসবের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে ঋতু আর জুবায়ের পরিচিত হয় সাজ্জাদের মা সারজিনা বানুর সাথে। যিনি তার ৮ বছরের বয়ে বেড়ানোর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।
অলৌকিক অভিজ্ঞতার সরুপথ ধরে গল্প যখন ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে অনিশ্চিত দ্বারের দিকে, ঠিক তখনই পাওয়া গেল ইসরাইলের হাজার বছর আগের এক রহস্যময় সূত্র।গা শিউরে ওঠা সেই ঘটনা গল্পের চরিত্রগুলোকে ফেলে দেবে অন্ধকার এক পথে। এই গল্প কি ঋতু আহমেদের!!! নাকি অন্য কারো?? কে সেই ব্যাক্তি?? যে কিনা ভয়ঙ্কর সব সত্য নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ছদ্মবেশে??
*
নির্ঘুম চোখ নিয়ে গল্প পড়তে পড়তে মনে হবে এই গল্প ঋতু আহমেদ নয়; বরং অন্য কারও। ‘অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল’ বইটি পরিচয় করিয়ে দেবে রহস্যময় সেই ব্যক্তির সঙ্গে।
#নিজস্ব_মতামত:
গল্পটা ভৌতিক কিংবা অতিপ্রাকৃত আবার মনে হচ্ছিলো ইসলাম ধর্মের অনেক কিছুই এখানে জড়িত। ভয় বলতেই তন্ত্র-মন্ত্র-মারণ-উচাটন-বশীকরণ,ভুত,শ্মশান কতো কি! কিন্তু এই বই পড়ে যেনো ভয়ের এক নতুন জগতের সাথে পরিচিত হলাম।
দারুণ ছিলো।
(তবে মনে হচ্ছিলো লেখক খুব তাড়াহুড়ো করে বইটা লিখেছেন এবং প্রচুর তথ্য খুঁজতে / ঘাটতে হইছে।😐)
February 11, 2024
নব্বই দশকের শেষের দিকে জন্ম নেয়া,রাজনৈতিক টালমাটাল সময়ে বড়ো হওয়া তরুণ লেখক জুবায়ের ইবনে কামাল তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'অথবা হয়নি ঘুম বহুকালে' একটি কনটেম্পোরারি রোমাঞ্চকর গল্পের মধ্যে দিয়ে আমাদের নিয়ে যান ছয় হাজার বছরের আগের নূহের মহাপ্লাবনের আরেক গল্পে।
১২৭ পৃষ্ঠার এই থ্রিলারে লেখক সুক্ষ্মভাবে টেনে আনেন আমাদের সমাজ এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা।'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' উপন্যাসে পিএইচডি শিক্ষার্থী ঋতু ও তার রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট কে ছাপিয়ে স্পষ্ট হয় - মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের বহুমাত্রিক সংকট।যেখানে এক যুবক কাচা বাজারে ছয়শো টাকা কেজি দামে কাচা লঙ্কা ছয়শো টাকা কেজি দাম শুনে দিশেহারা হয়।মুঠোফোনে রোজ প্রধানমন্ত্রীর বার্তা শুনে বিরক্ত হয়।সামান্য বৃষ্টিতে ঢাকার জলাবদ্ধতায় অসহায় বোধ করে।একদিনে একই সময়ে, সরকারি দল এবং বিরোধী দলের,সমাবেশ-পাল্টা সমাবেশের ঘোষনায় বিভ্রান্ত হয়।
'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' ঋতুর রিসার্চ এসিস্ট্যান্টের বয়ানে হয়তো চলে আসে শ্রেনী বৈষম্যের কথা।তরুণ লেখক জুবায়ের ইবনে কামাল কি শুধু একটা টানটান উত্তেজনার গল্প বলে ই দায় সেরেছেন?আমার তো এমন মনে হয় নি।সে রকম কিছু হলে তো ইলেকট্রিক মিস্ত্রি সামাদের কথা না পাড়লেও চলতো।যে কি না টাকার বিনিময়ে মৌখিক ভূতের গল্প সাপ্লাই দেয়।৪৫ বছর বয়সী সামাদ কে তার সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
জুবায়ের ইবনে কামাল তার দ্বিতীয় উপন্যাসেই বেশ মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন সাটেল ওয়েতে হিউমার তৈরীতে।যেমন - মিরপুরে 'চৌধুরী ভাইয়ের গলি' অপভ্রংশ হয়ে দাড়াঁয় 'চুদির ভাইয়ের গলি'। ঋতুর হাতের রান্না খেয়ে তার রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট তাকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখে।যদিও তার এই স্বপ্ন ভেঙে যায়, ঘরে ফিরে সাতবার বাথরুমে যাওয়ার পর।
যারা খুব করে বই পড়তে চান,কিন্তু কি পড়বেন বুঝে উঠতে পারছেন না,তাদের জন্য 'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' হতে পারে শুভ সূচনা।
১২৭ পৃষ্ঠার এই থ্রিলারে লেখক সুক্ষ্মভাবে টেনে আনেন আমাদের সমাজ এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা।'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' উপন্যাসে পিএইচডি শিক্ষার্থী ঋতু ও তার রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট কে ছাপিয়ে স্পষ্ট হয় - মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের বহুমাত্রিক সংকট।যেখানে এক যুবক কাচা বাজারে ছয়শো টাকা কেজি দামে কাচা লঙ্কা ছয়শো টাকা কেজি দাম শুনে দিশেহারা হয়।মুঠোফোনে রোজ প্রধানমন্ত্রীর বার্তা শুনে বিরক্ত হয়।সামান্য বৃষ্টিতে ঢাকার জলাবদ্ধতায় অসহায় বোধ করে।একদিনে একই সময়ে, সরকারি দল এবং বিরোধী দলের,সমাবেশ-পাল্টা সমাবেশের ঘোষনায় বিভ্রান্ত হয়।
'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' ঋতুর রিসার্চ এসিস্ট্যান্টের বয়ানে হয়তো চলে আসে শ্রেনী বৈষম্যের কথা।তরুণ লেখক জুবায়ের ইবনে কামাল কি শুধু একটা টানটান উত্তেজনার গল্প বলে ই দায় সেরেছেন?আমার তো এমন মনে হয় নি।সে রকম কিছু হলে তো ইলেকট্রিক মিস্ত্রি সামাদের কথা না পাড়লেও চলতো।যে কি না টাকার বিনিময়ে মৌখিক ভূতের গল্প সাপ্লাই দেয়।৪৫ বছর বয়সী সামাদ কে তার সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
জুবায়ের ইবনে কামাল তার দ্বিতীয় উপন্যাসেই বেশ মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন সাটেল ওয়েতে হিউমার তৈরীতে।যেমন - মিরপুরে 'চৌধুরী ভাইয়ের গলি' অপভ্রংশ হয়ে দাড়াঁয় 'চুদির ভাইয়ের গলি'। ঋতুর হাতের রান্না খেয়ে তার রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট তাকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখে।যদিও তার এই স্বপ্ন ভেঙে যায়, ঘরে ফিরে সাতবার বাথরুমে যাওয়ার পর।
যারা খুব করে বই পড়তে চান,কিন্তু কি পড়বেন বুঝে উঠতে পারছেন না,তাদের জন্য 'অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল' হতে পারে শুভ সূচনা।
July 15, 2025
আমার মনে হয় লেখকের মনে গল্প টা নিয়ে যেভাবে একটা আবহ তৈরি হয়েছে, তিনি যেভাবে সবটা বুঝেছেন আমরা তা বুঝে উঠতে পারিনি, অনেকেই। লেখক আমাদের সাথে অনেক কিছু বলেছেন, অনেক ইতিহাস এবং নানা তথ্য বইয়ে দিয়ে গিয়েছেন যা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই - উল্টো আরো আগ্রহ বাড়িয়েছে। পুরোটা সময়ই মনোযোগ ধরে রাখার মতো ছিল।
কিন্তু বই পড়ে মনে হবে এত কথা, এতো ইতিহাস, এতো আগ্রহ - এগুলো থেকে বিশাল কিছু হতো। যদিও কম কিছুও হয়নি। আরেকবার ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার ইচ্ছেটা জাগিয়ে তুলেছে। আমার মনে হয় সবাই এই ইতিহাসের টপিক নিয়ে আগ্রহী না হওয়ায় এবং বইয়ের শেষটা অমীমাংসিত হওয়ায়- বইটি পাঠকদের কাছে কম সমাদৃত হবে / হয়েছে 🙃।
লেখার ধরণ খুবই মুগ্ধকর ছিল। আমার রিডার্স ব্লক কেটে গেছে । বইটির আরেক পার্ট বের করলে হয়তো গল্পটির সাথে জাস্টিস করা হতো।
কিন্তু বই পড়ে মনে হবে এত কথা, এতো ইতিহাস, এতো আগ্রহ - এগুলো থেকে বিশাল কিছু হতো। যদিও কম কিছুও হয়নি। আরেকবার ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার ইচ্ছেটা জাগিয়ে তুলেছে। আমার মনে হয় সবাই এই ইতিহাসের টপিক নিয়ে আগ্রহী না হওয়ায় এবং বইয়ের শেষটা অমীমাংসিত হওয়ায়- বইটি পাঠকদের কাছে কম সমাদৃত হবে / হয়েছে 🙃।
লেখার ধরণ খুবই মুগ্ধকর ছিল। আমার রিডার্স ব্লক কেটে গেছে । বইটির আরেক পার্ট বের করলে হয়তো গল্পটির সাথে জাস্টিস করা হতো।
February 26, 2024
Research - good
Plot - good
Storytelling - Very poor
Plot - good
Storytelling - Very poor
April 23, 2024
Tf is this? LOL!
March 14, 2024
বাংলা মৌখিক সাহিত্যে ভয়ের গল্পের প্রভাব নিয়ে পিএইচডি করছেন ঋতু আহমেদ এবং তাকে গবেষণার কাজে সাহায্য করছে জুবায়ের । গল্পের মূল চরিত্র জুবায়ের আগে একজন আর্টিস্ট ছিল কিন্তু বেশি নামডাক করতে পারেনি । টাকার বিনিময় অলিখিত ভুতের গল্প জোগাড় করে দেয় জুবায়ের ও আর বেশ কিছু লোক । শুধু ভুতের গল্প দিয়ে যখন ঋতুর পোষাচ্ছেনা তখন সে জুবায়েরকে নিয়ে বেরিয়ে পরে ঢাকার অনেক রহস্যে মোড়ানো স্থানে যেমন হোসনি দালানের পুকুর, মোঘলদের সময়ে গড়ে ওঠা প্রাসাদ । গবেষণার কাজ করতে গিয়ে তাদের সাথে পরিচয় হয় নতুন কিছু চরিত্রের এবং বেরিয়ে আসে নানান সব অলৌকিক ও ভৌতিক রহস্য ।
বইতে লেখক কয়েকবার বলেছেন পৃথিবীটা পেঁচে ভরা কিন্তু আমার মনে হয় এই বইতেই তার চেয়েও বেশি পেঁচ । প্রতি অধ্যায়ে একের পর এক ভৌতিক ঘটনার মুখোমুখি করিয়ে দেন লেখক জুবায়ের ইবনে কামাল তবে শেষ অব্দি একটা ঘটনারও কোন বাস্তবিক ব্যাখ্যা নেই । শুরুর দিকটা বেশ জমলেও বাকি অংশগুলো পুরটাই জগাকিছুরি । একটা কাহিনির সাথে আরেকটার কোন মিল নেই । গল্পের মাঝে শুধু কয়েক অধ্যায় ধরে ইসলামিক ইতিহাসের বর্ণনা দেওয়া আছে যার একটা বা দুটো লাইন মূল কাহিনীতে প্রভাব ফেলেছে । গল্পের প্লটটা বেশ ভালোছিল কিন্তু লেখক পুরটা গুছিয়ে লিখতে পারেননি । একটা বড় গল্প না লিখে গল্প সংকলন লিখলে ভালো হত।
শেষে গিয়ে যখন পাঠকদের সব প্রশ্নের উত্তর দেবার পালা ঠিক তখন লেখক পাঠকদের আশাহত করে নিয়ে আসে এক নতুন চরিত্রকে যার কোন দরকারই ছিলনা । বইটা শেষ করেছি অনেক দিন হয়েছে তবে এখনও বুঝে উঠতে পারিনি আসল কাহিনি কি ।
বইতে লেখক কয়েকবার বলেছেন পৃথিবীটা পেঁচে ভরা কিন্তু আমার মনে হয় এই বইতেই তার চেয়েও বেশি পেঁচ । প্রতি অধ্যায়ে একের পর এক ভৌতিক ঘটনার মুখোমুখি করিয়ে দেন লেখক জুবায়ের ইবনে কামাল তবে শেষ অব্দি একটা ঘটনারও কোন বাস্তবিক ব্যাখ্যা নেই । শুরুর দিকটা বেশ জমলেও বাকি অংশগুলো পুরটাই জগাকিছুরি । একটা কাহিনির সাথে আরেকটার কোন মিল নেই । গল্পের মাঝে শুধু কয়েক অধ্যায় ধরে ইসলামিক ইতিহাসের বর্ণনা দেওয়া আছে যার একটা বা দুটো লাইন মূল কাহিনীতে প্রভাব ফেলেছে । গল্পের প্লটটা বেশ ভালোছিল কিন্তু লেখক পুরটা গুছিয়ে লিখতে পারেননি । একটা বড় গল্প না লিখে গল্প সংকলন লিখলে ভালো হত।
শেষে গিয়ে যখন পাঠকদের সব প্রশ্নের উত্তর দেবার পালা ঠিক তখন লেখক পাঠকদের আশাহত করে নিয়ে আসে এক নতুন চরিত্রকে যার কোন দরকারই ছিলনা । বইটা শেষ করেছি অনেক দিন হয়েছে তবে এখনও বুঝে উঠতে পারিনি আসল কাহিনি কি ।
February 22, 2024
Interesting one with historical interest! But you may feel the writing of a newcomer!
February 27, 2024
Typing mistake আছে । তবে হাস্যরস, বাস্তবতা,অতিপ্রাকৃত বিষয় রহস্য'র পারফেক্ট মিশেল-এ দারুণ লেখনী
Displaying 1 - 18 of 18 reviews

















