Jump to ratings and reviews
Rate this book

একটি ও অনেকগুলো চড়ুই

Rate this book
কারণে অকারণে মানবজীবনে ঘটে থাকে কত না বিচিত্র ঘটনা! কখনো স্বার্থোদ্ধারে লেগে যায় যুদ্ধ, শুরু হয় সংঘাত। কখনো অপরিকল্পিত, অপরিচর্যিত ব্যবস্থাপনায় ঘটে যায় বিপর্যয়। ৭টি ভিন্নধারার গল্প সংকলনও তার ব্যতিক্রম নয়। এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে: অদ্ভুত রহস্য, রাজনৈতিক অবস্থান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মনস্তাত্ত্বিক কারণ, মানবিক ও অমানবিক জীবনযাপন। অর্বাচীন এই যুগেও মুঘল সম্রাটের সাথে কথা বলাটা বিস্ময়কর নয় কী! ভাবছেন তা কী করে সম্ভব?

52 pages, ebook

Published February 20, 2023

7 people want to read

About the author

Hasan Enam

11 books89 followers
Hasan Enam, a university student, first started writing in a magazine. But gradually his writing changed and he turned his attention to publishing his own books. 'Dhakay Fagun', a dense fiction about the history of Dhaka, makes Hasan Enam a new acquaintance among the readers. However, he came out of these people the next year and wrote the novel 'Jaltaranga'.

The tendency to introspect is evident in his writings. Hasan Enam will throw himself into more debauchery in upcoming projects.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (50%)
4 stars
1 (25%)
3 stars
1 (25%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Sakib A. Jami.
346 reviews41 followers
April 27, 2023
হাসান ইনামের লেখা "একটি ও অনেকগুলো চড়ুই" ছোটগল্পের সংকলন। যেখানে লেখক নিজের ভাবনাগুলোকে যেন গল্পের আকারে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ইবুক অ্যাপ "বইঘর"-এ প্রকাশিত এ সংকলনে মোট সাতটি গল্প রয়েছে। সে সাতটি গল্প নিয়ে আলোচনা করা যাক...

▪️বাহাদুর শাহ পরিবহন :

বাংলাদেশের বিচিত্র মানুষগুলোর দেখা কোথায় পাওয়া যায়, জানেন? যাত্রীবাহী বাসে। ভিন্ন সব মানুষের সত্তা এক হয়ে মিলেমিশে যায়। যাদের স্বভাব ভিন্ন, চালচলন ভিন্ন, ভাবনা ভিন্ন। তবুও তাদের গন্তব্য এক। যাত্রা একই পথে। "বাহাদুর শাহ পরিবহন" গল্পটিতে লেখক সেই ভিন্ন মানুষদের কথা বলা হয়েছে। একই সময়ে একই পরিস্থিতিতে ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে চিন্তা করে। সেই দৃশ্যই যেন লেখক দেখিয়েছেন। গণপরিবহনে আলোচনাটাও চলে সমানে সমান। ভিন্ন মতাদর্শের মানুষেরা নিজেদের মত অন্যের উপর চাপিয়ে দিতেই যেন স্বচ্ছন্দ বোধ করে

একই সাথে যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয়, ইতিহাস থেকে কোনো চরিত্র উঠে আসে? বিশ্বাস হয়? সত্য মিথ্যার ফারাক আমরা কতটা বুঝি? কখনো এমন এক পরিস্থিতি হয়, যখন স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে বিভেদের দেয়াল; আমরা বুঝতে পারি না। মনে হয় যা দেখছি, সব সত্যি তো? না-কি কল্পনা? আমাদের মাঝে অতীত ফিরে আসে, সময়ে অসময়ে। যেই অতীতকে অস্বীকার করা যায় না। কখনোই না।

এই গল্পটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। ছোটো গল্প যেমন হয়, তেমনই। ছোট্ট করে ইতিহাস তুলে এনেছেন লেখক। ব্যতিক্রম উপস্থাপনার জন্য আরো উপভোগ্য ছিল গল্পটি।

রেটিং : ৪.২/৫

▪️ একটি ও অনেকগুলো চড়ুই :

এই গল্পটির নামের সংকলনটির নামকরণ। গল্পটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। যুদ্ধের সে সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সবাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই সমাজের উঁচু শ্রেণীর হোক বা নিচু। মাওলানা হোক বা পুরোহিত। এই গল্পে একজন মাওলানা আছেন। যুদ্ধের সেই সময় অধিকাংশ গ্রাম খাঁ খাঁ করলেও, মাওলানা সাহেব তার দায়িত্বে হেলাফেলা করেননি। মুসল্লি থাকুক বা না থাকুক, ইমামের দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন।

সেই কঠিন সময়ে সাহায্যের জন্য যেমন অজানা, অচেনা মানুষেরা এগিয়ে এসেছিল, তেমনই পিঠে ছু রি চালানোর কাজ করেছে চেনা, কাছের মানুষেরা। লোভ খুব খারাপ জিনিস। একবার যে এর বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায়, সে আর ফিরতে পারে না। আমাদের মাঝে ভ্রান্ত ধারণা আছে, হুজুর শ্রেণীর মানুষ হলেই যেন পাক হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করেছিল। হয়তো কিছুটা ঠিক, আবার অনেকটা মিথ্যে। এর জন্য কোনো শ্রেণী আলাদা করা যায় কি না জানি না, বিবেকটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। লেখক হয়তো সেটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

গল্পটা ভালো লেগেছে। তবে কিছুটা নিষ্প্রাণও লেগেছে। শেষটা যদিও ভালো ছিল। কিছু গল্পের কথা মানুষ জানে না। জানে কেবল আশেপাশে থাকা অবলা পশুপাখি। শুধু বলতে পারে না বলেই, সেসব গল্প হারিয়ে যায়। কিংবা সেই পশুপাখিদের ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। কে জানে?

রেটিং : ৩.৮/৫

▪️অদ্ভুত দরজা :

এই গল্পটি বেশ ভালো লেগেছে। সাতটি গল্পের মধ্যে সেরা বললেও ভুল হবে না। লেখক যেন আমাদের সমাজের চিত্রটা গল্পের ছলে তুলে ধরেছেন। যেখানে সমস্যার চেয়ে ইস্যু প্রাধান্য পায়।

আমাদের সমাজে অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু সেই সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করে কয়জন? কিন্তু নতুন কোনো ইস্যু পেলে? সবাই যেন হামলে পড়ে। যদি জানা যায়, এমন এক দরজা পাওয়া গেছে যা পেরিয়ে অন্য জগতে যাওয়া যায়! তবে যে সবাই সেই দিকেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সেটা নিশ্চিত। এতে রসাতলে যাক দেশ, দেশের সমস্যা, মানুষের জীবন মরণ। তারপর? এমন দরজা কি সত্যি আছে?

গল্পে শেষের চমকটা ভালো লেগেছে। আমরা মুখে অনেক বড়ো বড়ো কথা বলতে পারি, অপ্রয়োজনে অনেক অর্থের অপচয় করতে পারি। কিন্তু কারো প্রয়োজনে মুখ ফিরেও তাকাই না। তখন বাঁকা পথে যেতে হয় বৈকি। কারো ক্ষতি করে নয়, কারো জীবন বাঁচাতে মিথ্যের আশ্রয় নেওয়া কি দোষের? এতে পাপ হয় না বোধহয়।

এই গল্পের সেটআপে সমস্যা ছিল। শুরুর এক অংশের পরে আরেক দৃশ্যে যাওয়ার আগে স্পেস দেওয়া হয়নি। সংলাপের ক্ষেত্রেও সমস্যা লক্ষ্য করেছি। একজনের সংলাপের মাঝে আরেকজনের সংলাপ যুক্ত করা হয়েছে। কষ্ট করে বুঝে নিতে হয়েছে। এগুলো ঠিক করে নিলে বোধহয় ভালো হয়।

রেটিং : ৪.৫/৫

▪️যে গল্পটা কেবল তিনজন জানে :

এই গল্পটি সাদামাটা লেগেছে। সংকলনের সবচেয়ে দুর্বল ও ছোটো গল্প। কোনো ধরনের রোমাঞ্চ ছাড়াই শেষ হয়ে গেল। শেষটাও যেন মনের মতো হলো না। হয়তো আরেকটু ভালো হতে পারত।

রেটিং : ২.৫/৫

▪️দখল :

গল্পটা ব্যতিক্রম। সাধারণ এক মৃ ত্যু দিয়ে শুরু হলেও মৃ ত্যুটা সাধারণ নয়। এর পেছনে কোনো রহস্য আছে কি? খু ন, না অপমৃত্যু? কে দায়ী?

জুরাইনের পুরনো বাড়িগুলো দেখলে জেনে থাকবেন, অধিকাংশ বাড়ির প্রথম তলা মাটির নিচে নেমে গিয়েছে। এই সুযোগে ডেভেলপার কোম্পানিগুলো হামলে পড়ে। কিন্তু অতীতের স্মৃতি আকড়ে ধরেও তো মানুষ বাঁচতে চায়। আর সেই জন্য ফ্ল্যাট বাড়ির স্বপ্ন বিসর্জন দেয়। এমন কিছু পরিস্থিতির জন্ম নে, যেখানে আর সেই বাড়িটির দখল নেওয়া যায় না। মৃ ত্যু বোধহয় তার মধ্যে একটি। ভৌতিক অবয়ব প্রতিষ্ঠা করলে, সেখানে সব নিরাপদ। কেউ কেউ হয়তো ধর্মীয় আবেগের বশে মাজারের রূপ দেয়। কে কোনটা মেনে নিবে, তার বিষয়।

▪️দিকভ্রান্ত :

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। বাঙালি জাতি আবেগপ্রবন। সেই আবেগে আঘাত করলে রাজ্য পাওয়া খুব সহজ। জাকির হোসেন যেন সেই কাজটি করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে তার একটি সিদ্ধান্ত যেন তাকে নিজ গ্রামের রাজা বানিয়েছে। সেই চিন্তা কি ভুল ছিল? না-কি পাপ করেছিল জাকির? উত্তরের জন্য মনে হয় মৃত্যুর পরের জীবনকে বেছে নিতে হবে।

গল্পটা ভালো ছিল। যতই পরিচিত হোক, বা নিজেদের এক লক্ষ্য থাকুক; নিজ স্বার্থে সবাই ভয়ংকর হয়ে ওঠে। আর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে তো কথাই নেই। মানুষ জন্মগতভাবে স্বার্থপর। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য সব কিছুই করতে পারে।

রেটিং : ৪/৫

▪️কাফকাকে নিয়ে আমার গল্প লেখা হলো না :

এই গল্পটি ভালো লাগেনি। লেখক কাফকাকে নিয়ে অনেক তথ্য দিয়েছেন। টুকটাক গল্প বলার মতো করে লিখেছেন, তারপরও তৃপ্তি পাইনি। শুধু তথ্যগুলো ভালো লেগেছে। গল্পের সেই উপভোগের বিষয়টা আর আসেনি

রেটিং : ৩/৫

▪️পরিশেষে, লেখক হাসান ইনামের লেখা আমার ভালো লাগে। লেখকের গল্প বলার ধরন খুব সহজ। এত সহজ ও সাবলীলভাবে গল্প সবাই বলতে পারে না। টুকটাক যে ভুলত্রুটি চোখে লাগছে, লেখক হয়তো তা কাটিয়ে উঠে আরও ভালো কিছু আমাদের উপহার দিবেন। লেখকের জন্য শুভকামনা।

▪️বই : একটি ও অনেকগুলো চড়ুই
▪️লেখক : হাসান ইনাম
▪️ইবুক : বইঘর
▪️মূল্য : ৩০ টাকা
Profile Image for Abida  Sultana Umama.
20 reviews9 followers
February 21, 2023
হাসান ইনামের ছোটগল্প আমি প্রথম পড়ি আজকে থেকে নয় বছর আগে। একটা সাপ্তাহিক পত্রিকার ঈদসংখ্যায় সেই গল্পটা ছেপেছিলো। কিশোর বয়সে সেই গল্পের টুইস্ট আমার মনে দারুণভাবে রেখাপাত করে। পরবর্তীতে হাসান ইনামের যতগুলো গল্প পড়েছি, কোনোটাই আমাকে কোনোটার চেয়ে কম নাড়া দেয়নি।
গল্পের বিষয়বস্তু, বাস্তবনির্ভর সংলাপ, ছোট পরিসরের চরিত্রগুলোতে যখন যেখানে নাটকীয়তা প্রয়োজন অথবা যখন যেখানে বাহুল্য বর্জন করা জরুরী—সেই বোধ—সবকিছুর মিশেলে দারুণ এক সৃষ্টি এই ছোট গল্পগুলো।

সাতটা ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের গল্প নিয়ে ইবুক আকারে বইটা 'বইঘর' এপ থেকে প্রকাশ হয়েছে। প্রতিটা গল্পই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা বা পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে আগে। একসাথে এই সংকলনটা জরুরি ছিলো। ছোটগল্পে হাসান ইনামের শক্তিমত্তার উদাহরণ হয়ে বাংলা সাহিত্যে এই গল্পগুলো টিকে থাকুক দীর্ঘকাল!
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
114 reviews14 followers
February 23, 2023
ইবুকে মোট সাতটা গল্প আছে।গল্পগুলো হাসান ইনামের জীবনের বিভিন্ন স্প্যানে লেখা।তাই হয়তো দেখা যাবে কিছু জায়গায় দূর্বল শব্দের গাঁথুনি এবং বাক্য বিন্যাস আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাবে একদম নিখুঁত পরিণত লেখাজোকা।এই দুটো জিনিসেরই স্বাদ নিতে হলে পাঠককে ধৈর্য্যের পরিচয় দিতে হবে বৈকি।

বায়ান্ন পেজের ছোট্ট বইটিতে সাতটা গল্প আছে।ছোট্ট জিনিসকে আরো ছোট্ট করেই লিখবো।

১) বাহাদুর শাহ পরিবহনঃ
এই গল্পটা একটা বাস এবং তার যাত্রীদের নিয়ে।আরো বিশেষ করে বললে ইতিহাসের ছাত্র এক যুবককে নিয়ে।সে কি স্বপ্নে তার সাথে কথা বলেছে নাকি সত্যি সত্যিই আগন্তুক বাসে উঠে এসেছে? আর কিইবা ছিল যুবক আর আগন্তুকের আলোচনায়!
সেটা জানা আপনার উপরই ন্যস্ত করলাম।

২)একটি ও অনেকগুলো চড়ুইঃ
গল্পটা একজন ইমাম সাহেবের।যে কিনা প্রতিদিন ফজরের সময় গুনে দেখে কজন মানুষ কাতারে বসে আছে।মুয়াজ্জিন না থাকায় তাকেই আজান দিতে হয়।হঠাৎ একদিন ইমাম তার পেছনে বিশ তিরিশ জনের মতো মানুষের নামাজে দাঁড়ানোর বিষয়টা টের পান।তারা কারা? তাদের খেদমতের জন্য ইমাম সাহেব কি করবেন তা ভেবে ঠাওর করতে পারেন না।তবুও ছেলেগুলো বারবাী আসে।অস্ত্র রেখে যায় ইমামের কাছে।এদিকে মুয়াজ্জিনও ফিরে আসে বহু দিন পর।এই গল্পে মুয়াজ্জিনই হলো ভিলেন।যথেষ্ট হয়েছে।এই গল্পের সাথে চড়ুইয়ের সম্পর্ক কোথায় তা জেনে নেয়া পাঠকের দায়িত্ব।

৩)অদ্ভুত দরজাঃ
অদ্ভুত দরজার গল্পের শেষটা একদমি অদ্ভুত।শহরে একটা নতুন দরজার খোঁজ পেয়েছে বলে সংবাদপত্রে খবর ছাপা হয়।সেই অদ্ভুত দরজা দিয়ে নাকি অন্য জগত থেকে ঘুরে আসা যায়।এ নিয়ে শহুরে লোকজনের বাড়তে থাকে চাপা উত্তেজনা।সেখানে লাগানো হয় কড়া প্রহরা।অদ্ভুত দরজার ভেতর যেতে হলে দিতে হবে প্রতিজনে ১০০০ টাকা করে।দেশের প্রথিতযশা এক মন্ত্রী ভেতর থেকে ঘুরে এলেন মন ভাঁর করে।যারা যায় তাদেরই মন খারাপ হয় ভেতর থেকে আসার পর।কি আছে সেই অদ্ভুত দরজার ওপারে? তবে বলে রাখি আমাদের যাপিত জীবনের খুবি তুচ্ছ মনে করা বিষয়ই আছে দরজার ওপারটায়।

৪)গল্পটা কেবল তিনজন জানেঃ
টু বি অনেস্ট এই গল্পের আগা মাথা পড়ে আমি কিছুই বুঝিনি।লেখককে জিজ্ঞেস করলে বলেন এটা এক্সপেরিমেন্ট ছিল আমার ওই সময়কার।ম্যাজিক রিয়েলিজম জনরায় ফেলা যেতে পারে। সে যাই হোক এই গল্পের সেই তিনজন হলো ❝পাশের বিল্ডিং এর দশ বছর বয়সী একটা মেয়ে, সুলতান সাহেবের ছেলে আর গল্পের প্রটাগনিস্ট দিদারের বাসার নিচে থাকা কুকুর ছানা।
তারা আসলে কি জানে?

৫)দখলঃ
বইয়ের এই গল্পের দখলটাও অন্যরকম।হাসান ইনামই এসব করতে পারেন বললে লেখক এক গাল হেসে ছিলেন।জলতরঙ্গেও এমন একটা এন্ডিং দিয়েছিলেন এই গল্পেও তাই।
শওকত সাহেব মারা গেছেন ভোর পাঁচটায়।তার বিশাল সম্পত্তি কিন্তু তা ভোগদখল করে খাওয়ার মতো কোনো উত্তরসূরী নেই।তার লাশ বারান্দার এক কোনে এভাবে পরে আছে যে সেখান থেকে চারদিন হলেও লাশ আনা যাচ্ছে। দূর্গন্ধ বেরোনো শুরু হয়েছে লাশ থেকে।এদিকে হাশেম সাহেব আর আরিফ পুলিশের কাস্টাডিতে।কিন্তু এরাই লাশ দেখেছিল প্রথম।এদের একজনকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।কিন্তু কে সে? শেষ পর্যন্ত শওকত সাহেবের লাশ কেটে কেটে বের করা হয় আর এখানেই দখলের শুরু।সেই দখল উপ্যাখ্যানে আপনার আসা উচিত বলে মনে করি।

৬)দিকভ্রান্তঃ এই গল্পটা মুক্তিযুদ্ধের পরের কাহিনি নিয়ে।সবাই তো রাজাকারদের পাক বাহিনীদের লুটতরাজের গল্প বলেন সেখানে এক ভিন্নধর্মী কিন্তু সত্য লুটেরা দলের গল্প বলেছেন হাসান ইনাম।আর এটা কোনো কন্সপিরিসি না, সবটাই সত্য।এ নিয়ে আর কিছু লিখছি না।তবে এই গল্প সবার পড়া উচিত।

৭)কাফকাকে নিয়ে আমার গল্প লেখা হলো নাঃ
পুরো বইয়ে এই গল্পটা সবচেয়ে পরিণত।এক নিমিষে পড়ে ফেলা যায়।পুরো বই যারা ধৈর্য্য নিয়ে পড়বেন তারা এখানটায় এসে একটা স্মুদনেস পাবেন।কোনো জটিল কিছু না।কাফকার ছোট্ট করে জীবনী বলেছেন লেখক তার চারিপাশের বিভিন্ন জান্তব চরিত্র কে উপসর্গ করে।

এই তো এতটুকুই।যারা সবটুকু পড়েছেন তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.