“মেয়েটিকে বলুন একটি কাল্পনিক প্রজাপতির কথা ভাবতে। তারপর বলুন সেই প্রজাপতিতে রং করতে। যদি দেখেন প্রজাপতির রং সে বলছে লাল তবে নিশ্চিত হোন সে আপনাকেই পছন্দ করে। নীল হলে বন্ধু, হলুদ হলে ভালোবন্ধু, কমলা, সবুজ ও অন্যান্য উজ্জ্বল রং হলে আপনাকে সে কাছের মানুষ বলে মনে করে। যদি কালো হয় তবে মেয়েটির আশা ত্যাগ করাই বাঞ্ছনীয়।
এরকম কোনো খেলা খেলতে ইচ্ছে করছে না কি আপনার.... আবার করে? একফালি তরল জ্যোৎস্না গায়ে মেখে এই বই আপনারই অপেক্ষায়, যদি অপনিও পড়েন তাদের দলে..... ভালোবেসেছিল যারা...
"হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয় সারা জীবন বইতে পারা সহজ নয় এ কথা খুব সহজ, কিন্তু কে না জানে সহজ কথা ঠিক ততটা সহজ নয়।" 🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂 সায়ক আমান আমার কাছে ম্যাজিশিয়ানের অপর নাম হয়ে উঠছে দিন দিন.. না না, এতটুকু বায়সড্ না হয়েই বলছি, মাঝে মাঝে এই ৩০বছর পেরিয়ে আসার পর চারিদিকে সব সত্যি কথার ভীড়ে মাঝে মাঝে আজগুবি, কাল্পনিক, প্লেটোনিক প্রেমকাহিনী দেখতে , শুনতে, পড়তে বেশ লাগে কিন্তু... আমরা ঐ টিনএজ বয়সে কলেজের জানলা দিয়ে উঁকি মেরে যে ছেলেটাকে রোজ দেখতাম, ভাবতাম ও কেন আমায় ভালোবাসলো না... ও আমায় ভালোবেসে একবার দেখতে পারতো, হয়তো আজ জীবনটা অন্যকিছু হতো... এসব কত শঙ্খ ঘোষ, শক্তি চাটুজ্যে তখন মনের মধ্যে দামামা বাজাতো... ঐ একঘেয়ে তাকিয়ে থাকাতে কোনো লজিক, কোনো বাস্তববাদী ভাবনাচিন্তা, একগুচ্ছ ভবিষ্যতের প্রশ্ন কিছুই ছিল না... কারণ ভালোলাগা, ভালোবাসা কোথাও গিয়ে আজও ভীষণ বর্ণনাহীন... তাই যখনই বাস্তব দুনিয়া থেকে পালিয়ে বাঁচতে ইচ্ছে করে, আমি সায়েক আমান হাতে তুলে নিই। 🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂 "ভালোবেসেছিল যারা" তাদের উপন্যাস, যারা সবকিছু ভুলে একদিন সত্যিই ভালোবেসেছিল, কিংবা যারা আজও প্রতিদিন কিচ্ছু পাবোনা জেনেও ভালোবেসে চলেছে কাউকে। উপন্যাস টি আলাদা আলাদা চোদ্দোটি ছোটোগল্পের বিন্যাসে সাজানো। একে উপন্যাস না বলে গল্পসংকলন বলাই ঠিক হবে হয়তো।
❣️ সে :- আপনি ভালোবেসে কোনোদিন মরতে পারবেন?? যদি শুনি মরে গেলে আবার সেই ভালোবাসার মানুষটার সঙ্গে হাতে হাত রেখে বাঁচা সম্ভব, তাহলে আমি প্রতিদিন মরে যেতে চাই... হয়তো সে'ও তাই চায়।
❣️শর্টকাট - প্রেমে পড়ার ১০০ উপায়, প্রেম টিকিয়ে রাখার ১০০ উপায়... কে লেখে বলুনতো এইসব বইগুলো?? আচ্ছা আপনি কোনোদিন এইরকম বই কিনে নিজের ক্রাশকে প্রেম নিবেদন করে সারাজীবনের মতো নিজের করে নেওয়ার প্রয়াস করেছেন??? আর যদি এসব টোটকা ফলো করতে গিয়ে ওর কাছে ধরা পড়ে যান?? লজ্জায় মাথা কাটা যাবে তাইনা??
❣️বিরহিনী - আমার স্কুলের মাঠের উল্টোদিকেই একটা বারান্দা দেওয়া বাড়ি ছিল..রোজ টিফিনটাইমে ঐ বারান্দাটার কাছে যেতাম..একটা ঠাকুমা বসে থাকতো... ওর সঙ্গে গল্প করার আসল উদ্দেশ্য ছিল ওনার নাতিকে আড়চোখে দেখা... কি জানি কি নাম ছিল, এখন দেখলে আর চিনতে পারবো?? তখন কিন্তু ঐটুকু দেখার জন্যই এক সমুদ্র অপেক্ষা করতাম।
❣️চিরকালের গল্প - ভবিষ্যত জানায় আমার ভীষণ অ্যালার্জি.. তন্ময়েরও.. আজ থেকে ৩০ বছর পর ও আর দীপ্তি একসাথে থাকবে কিনা সেটা জেনে এখন মনখারাপ করার কোনো মানে আছে?? বোকা লোকটা বোঝেই না।
❣️প্রেমাস্পদ গুপ্ত সমিতি - প্রেমে বাধা? বাড়ি থেকে বিয়ে দিতে চাইছে না? আমরা আপনাকে সাহায্য করবো... এইধরনের সোশ্যাইটির কোনো মানুষ যদি নিজেই ক্লায়েন্টের প্রেমে পড়ে যায়??? চাকরিটাও যাবে আর প্রেমটাও??? নাকি একটা রক্ষা হওয়ার চান্স আছে?? কি বলেন?
❣️ যেতে চাইলে যেতে দেবোনা - সত্যিই তো.. কোথা থেকে কে না কে এসে আমার হাত দেখে অমনি বলে দিলো, তোমার সঙ্গে আমার পথচলা তবে এটুকুই ছিল... আর আমি মেনে নেবো?? পৃথিবীতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ কোনগুলো জানেন?? ভালোবাসা ফিরে পাওয়ার যুদ্ধ। ঠুনকো কথায় হেরে যাবো? কিসের প্রেমিক হে তবে তুমি ?
❣️ বৃষ্টি পড়ার দিনে - বৃষ্টি ব্যাপারটাই বড্ড ঘ্যানঘ্যানে.. এমনও দিনে তাকে মোটেই বলা যায় না... ভীষণ বোরিং লেগেছে এই একটা গল্প।
❣️ তুমি ঠোঁটে নিও খড়কুটো - একজন সফল প্রতিষ্ঠিত মানুষের প্রেমে পড়লে সুবিধা অনেক.. আপনার জীবনে হিসেব করে বাঁচার বিশেষ তাগিদ অনুভব করবেন না.. কিন্তু সেক্ষেত্রে জীবনটা খানিক পানশে হয়ে যাবে না?? এই ধরুন যদি একটা এমন সময় তার সঙ্গে আপনার দেখা হলো, যখন স্বপ্ন দেখা সবে শুরু হয়েছে দুজনের, তারপর একদিন দুজনের স্বপ্নদুটো কখন যেন অদলবদল হয়ে যাবে... একসঙ্গে ক্রমশ বড়ো হতে হতে একদিন এমন আসবে যখন একটা এগরোল দুভাগ করে খেতে খেতে কখন যেন আমরা বড়লোক হয়ে যাবো, একসঙ্গে। সুন্দর না??
❣️ বিকেল রঙের মেয়ে - গল্পটা শুরু থেকে পড়তে শুরু করলে ভীষণ একটা ভালোলাগা ঘিরে ধরতে বাধ্য... কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হবে, ছেলেটাকে ডেকে বলি... ভাই, পরের বার কোনো মেয়েকে রিজেক্ট করার হলে এর থেকে বেটার স্ক্রিপ্ট লিখিস... এটা খাবেনা বিশ্বাস কর..একদম খাবে না, আমিও খেলাম না। ❣️শুঁড় - লোভ, ক্ষমতা, লালসা মানুষকে স্বয়ংস্বত্তা থেকে আলাদা করে দেয় একদিন.. চোখের সামনে চেনা মানুষগুলো পাল্টে যায় ধীরে ধীরে... আর যখন ক্ষমতা, লোভ এইসব কোনোকিছুই আর ব্যক্তিস্বত্তাকে সাফল্য এনে দিতে পারে না, ঠিক তখনই তৈরি হয় মতিভ্রম... মানুষ নিজের স্বপ্নকে কল্পনা করতে শুরু করে, সেটাকেই বাস্তব ভেবে বাঁচতে শুরু করে.. তার পরিণাম? সে তো সবাই জানে।
❣️মিও আমোরে - এই গল্পটির একটাই রিভিউ বলা যেতে পারে... বাগচী দা ঝাঁটা খাওয়ার পর মিও আমোরে যখন কোথায় পালাই, কোথায় পালাই করছে ঠিক তখনই লেখক একটা ফাটাফাটি ব্র্যান্ডিং অ্যাড ঐ দু মিনিটের যেগুলো তে স্কিপ অপশন দেয়না, ঘাড় ধরে পুরো অ্যাডটা দেখায়... ওরকম কিছু একটা লিখে ফেলেছিলেন... পরে বইতে তুলে দিয়েছেন ভুল করে।
❣️ অনিন্দিতা - মাঝে মাঝে আমারও মনে হয়, আরে!! এই ঘটনাটা তো আমি জানি, আগেও তো হয়েছে এরকম.. কিন্তু কবে? আর মনে পড়ে না.. শুনেছি স্বপ্ন দেখার সময় মানুষ স্বপ্নের মধ্যে কখনো ঘড়ি দেখতে পায় না.. কারণ স্বপ্নও নাকি একটা সময়ের খেলা... কিন্তু কোন সময়.. বর্তমান, অতীত নাকি ভবিষ্যত??? এটা আজ পর্যন্ত কেউ বলতে পারেনি... এমন অনেক মানুষের অবয়ব আমরা স্বপ্নে দেখি যাদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই... বা হয়তো পরে কখনো হবে.. আমরা জানি না... পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো ম্যাজিসিয়ানের নাম তাই সময়।
❣️ রাঙিয়ে দিয়ে যাও - সম্পর্ক খানিকটা সদ্যজাত বাচ্চার নরম ঘাড়ের মতো জানেন তো... যাকে আপনার শক্ত কনুইয়ের সাপোর্টটুকু দিয়ে আগলে সামলাতে হয়... আর যখন বাচ্চা ক্রমশ বড়ো হতে শুরু করে, আমাদের মধ্যে অনিশ্চিত একটা জগৎ ক্রমশ গড়ে উঠতে শুরু করে, আচ্ছা ওর কি আর আমায় দরকার পড়বে?? আর কি কান্না পেলে আমার কাছে ছুটে আসবে??? আমি গল্প না শোনালেও যদি ওর রাতে ঘুম চলে আসে তখন?? সম্পর্ক যত গভীর হতে থাকে আমাদের মধ্যেও এইসব জন্ম নিতে শুরু করে অজান্তেই... বড্ড দায়সারা হয়ে যায় একসময় দুটো মানুষ একে অপরের কাছে... আর তারপর হঠাৎ একদিন অজানা ঐ চকমকি পাথরটা আবার ফিরে এসে আমাদের দুজনকেই চমকে দেয় ফের... আর তখনই বুঝতে পারি আমরা এখনও সেই এক আছি খালি বলতে ভুলে গেছিলাম।
❣️ বিজয়া দশমী - মহামায়া। নামটার মধ্যে গোটা জগতের মায়া রয়েছে। আমার এক মামি ছিল জানেন, নাম ছিল বিজয়া। ঠিক মহামায়ার মতোই দুহাতে আগলে রাখতো সবাইকে। কিন্তু সব আগলই তো আলগা হয়ে যায় এক���িন। জীবন সত্য, জগত সত্য আর সত্য আমাদের মন... সে যাই ভাবুক, সত্যি ভাবে.. অপরাধের কথা ভাবলেও সে সৎ থাকে তার ভাবনার সঙ্গে। ঠোঁট মিথ্যা বলে কিন্তু মন বলে না.. আমরা চাইলেই আমাদের মনখারাপ গুলো দশমীতে ভাসিয়ে দিতে পারি... কিন্তু মন? মনের দশমী ঘটে আদৌ? 🍂🍂🍂🍂🍂����🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂 এই বই আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে,মুহুর্তে ভাবাবেও... এত দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া শেষ কবে লিখেছি মনে পড়ে না... আজ ইচ্ছে হলো। অনেকদিন পর। এই বই পড়ুন পড়ার সুযোগ করে দিয়ে পরস্পর মুগ্ধ হন।।
🎀⛳ কি ভাবছেন বইটা নেবেন কিনা? কিংবা পড়বেন কিনা। কী আছে এই বইতে? আসুন দেখে নিই.......
💌🎏সে ~ একটা গল্প, কিছু বাল্য স্মৃতি বয়ে বেড়াতে হয় সারাজীবন....... মানুষ মরে গেলে কোথায় যায় জানিস? আমাকে একটা কথা দিবি? আমার যদি কিছু হয়, মানে যদি আমি না থাকি তোকে তো কিছু বলতে পারব না। প্রতিবছর আমার জন্মদিনের দিন আমার কবরের কাছে আসবি? ভীষণ কষ্ট পেলাম কেন এমন অবিচার করে লেখকরা ভালোবাসার প্রতি? তা আজও অজানা হয়তো এই অবিচার টুকু না করলে গল্পটাই বোনা যেত না, তাই এই অবিচার!
💌🎏সর্টকাট ~ একটা বই যার নাম ‘সর্টকাট’। জীবনের নানারকম সমস্যা সমাধানের সর্টকাট উপায় বাতলে দেওয়া হয়েছে বইতে। দিপু ফুটপাতের দোকান থেকে বইটা কিনে নেয়। তারপর থেকেই সেইসব সর্টকাট নিজের জীবনে প্রয়োগ করতে শুরু করে.... হিয়া তাকে ভালোবেসে কিনা সেটা জানার জন্য সর্টকাট বইতে থাকা বিভিন্ন উপায় একের পর এক প্রয়োগ করে চলে..... এই সব উপায় কি বাতলে দিতে পারবে, দিপুকে হিয়া ভালোবাসে কিনা? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে। গল্পের একদম শেষ এ এসে লেখক যে টুইস্ট টা পাঠকদের জন্য রেখে গেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়!
💌🎏বিরহিণী ~ একটা মেয়ে ফ্ল্যাট-এর বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে। এবার কিছু একটা করতেই হবে..... কিন্তু কিছুতেই আর কিছু করা হয়ে উঠলো না! স্কুল পেড়িয়ে কলেজ ও প্রায় শেষ হতে চললো, তাও আর কিছু বলা হলো না.......
💌🎏চিরকালের গল্প ~ এই যে এখানে গল্পের নাম চিরকালের গল্প, এর মানে আমাদের রোজকার গল্প।যেমনটা রোজ ঘটে চলেছে আমাদের জীবনে। তন্ময়ের সাথে হঠাৎ করেই এক অদ্ভুত মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই মানুষটির নাম ও তন্ময়, ডাক্তার তন্ময় সান্যাল। পার্থক্য শুধুমাত্র একটাই বয়সের, শুধু কুড়ি বছরের এদিক ওদিক। ভীষণ অদ্ভুত একটা গল্প......এ যেন এক অপরিনত ভালোবাসা গল্প......
💌🎏প্রেমাস্পদ গুপ্ত সমিতি ~ পাঞ্চালি ছেলেটার সঙ্গে সপ্তাহ খানেক হল মেলামেশা করছে। এর মধ্যে এটুকু বুঝতে পেরেছে প্রবুদ্ধ বাচস্পতির মাথায় খানিকটা ছিট থাকলেও সে মানুষটা খারাপ নয়। কেউ ইংরিজি কম জানলে তাকে একটা খোঁচাটোচা মেরে থাকে বটে। তবে হামবড়া ভাব নেই তেমন। তবুও পাঞ্চালি ছেলেটাকে বিয়ে করতে চাইছে না। পাঞ্চালি অন্য একটা ছেলেকে ভালবাসে তাকেই বিয়ে করতে চায়। কিন্তু বাড়ির অমত থাকার কারণে, করতে পারছে না। বাচস্পতি এই বিষয়ে পাঞ্চালিকে অনেক উপদেশ দিয়েছে। আচ্ছা পাঞ্চালি কি করবে শেষ পর্যন্ত? বাবা মা ঠিক করেছে বাচস্পতির সাথে বিয়ে দেওয়ার। বাচস্পতি সরকারি চাকরি করে। পাঞ্চালির মন ও গলতে শুরু করে বাচস্পতির দিকে। আচ্ছা শেষ পর্যন্ত পাঞ্চালি কাকে বিয়ে করবে? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!
💌🎏যেতে চাইলে যেতে দেব না ~ মাত্র মাসচারেক চুটিয়ে প্রেম করার পরেই অভীকের মনে হয়েছিল-নাঃ, এই মেয়েটার সঙ্গে বিয়ে না করলেই চলছে না। মন দিয়ে ভেবে দেখেছিল অভীক, বিয়ে মেলা ঝামেলার ব্যাপার... মিস গাঙ্গুলির সঙ্গে অভীকের আলাপ হয় ওদের বিয়েতে। বিয়েতে এসেই অভীককে কানে কানে বলেছিলেন ওদের বিয়েতে নাকি কীসব যোগ আছে। বিয়ে বেশিদিন নাও টিকতে পারে। লাবন্য অভীক -এর স্ত্রী। লাবন্য নিজেই মিস গাঙ্গুলি কে গাড়ি চালিয়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়ে ঘটল ঘটনাটা... লাবন্যই চালাচ্ছিল গাড়িটা। কখন সামনে পাঞ্জাব লড়িটা সামনে এসে পড়েছে খেয়াল করেনি... এক মুহুর্ত মিস গাঙ্গুলির কথা সব সত্যি হয়ে গেলো। এর পর অভীক-এর কি হলো? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!
💌🎏 বৃষ্টি পড়ার দিনে ~ এই গল্পের নায়ক নিলয় আর নায়িকা ইন্দ্রিরা। আর গল্পের ভিলেন নায়িকা মানে ইন্দ্রিরার বাবা, সরস্বতী পূজার দিন চারিদিকে এতো আয়োজন কিন্তু ইন্দ্রিরার বাবা ইন্দ্রিরাকে ঘরে বন্ধ করে রেখেছে। অগত্যা উপর নেই দেখে ইন্দিরা নিলয় কে ফোন করে কল্পনার দুনিয়ার ভাসিয়ে নিয়ে চলে..... সেই কল্পনার দুনিয়া কেমন জানতে ইচ্ছে করছে না? তাহলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!
💌🎏তুমি ঠোঁট নিও খড়কুটো ~ এই গল্পের নায়িকার নাম পলি আর নায়ক প্রহর। পলি ছোট থেকেই গল্প লেখে আর প্রহর ওই গল্প গুলো পত্রিকার অফিসে পাঠায়, কিন্তু কিছুতেই আর পলির লেখা ছাপা হয়না। প্রহর ভীষণ চেষ্টা করে, সে চায় পলির লেখা পত্রিকায় ছাপা হোক...... আচ্ছা শেষ পর্যন্ত কি পলির লেখা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!
📚✍🏻প্রতিটি গল্প নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়, তাই প্রথম থেকে বেশ কয়েকটি গল্প তুলে ধরলাম। সায়ক আমান মানেই একটা আলাদা রকমের ম্যাজিক, ওনার লেখা সমস্ত শব্দই কেমন যেন ভাসতে থাকে..... অনুভূতি ও তৈরি হয় মিশ্র কখনো প্রেম, বিরহ, বেদনা আবার কখনো ভয় মেশানো রহস্য। সব মিলিয়ে দূর্দান্ত। সায়ক আমান-এর যে কোনো বই আপনি হাতে তুলে নিয়ে দেখতে পারেন সময়টা যে কিভাবে কেটে যাবে তা বুঝতেই পারবেন না! বইটি পেপারব্যাক, ভালো কাগজ, ঝকঝকে ছাপা ও আকর্ষণীয় প্রচ্ছদ সমৃদ্ধ। লেখককে ধন্যবাদ। আপনার লেখার দীর্ঘায়ু কামনা করি, ভালো থাকবেন!
📥🗒️2024 Book Review ~ 39 যদি এই বইটি পূর্বেই কেউ পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের ব্যক্তিগত মতামত জানাবেন। এছাড়াও আমার রিভিউ কেমন লাগছে সেটাও জানাবেন নিচের কমেন্ট বক্সে। যদি কিছু ভুল ত্রুটি হয় সেটাও জানতে ভুলবেননা। 🍀 আবারো দেখা হবে পরের রিভিউতে। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন আর অনেক অনেক বই পড়ুন। 🙂 🙏🏻 !! ধন্যবাদ !! 🙏🏻
#ভালোবেসেছিল_যারা #সায়ক_আমান #বিভা_পাবলিকেশন #গল্প #বই #পাঠক_প্রতিক্রিয়া BIVA Publication
যেসব জিনিস কাজে লাগে সেসব যদি আমরা আমাদের কোনো কাছের মানুষকে উপহার হিসেবে দিই, যেমন পিসির দেওয়া জামা বা দাদুর দেওয়া পুরনো বাইকাইকেল, তাহলে সেটা পরে তারা অন্য কাউকে দিয়ে দিতে পারে। কিন্তু আমরা যদি তাকে একটা গ্রিটিংস কার্ড উপহার দিই, তাহলে সেটা সে অন্য কাউকে দিতে পারবে না। গ্রিটিংস কার্ড মানুষের মন খারাপ করাতে পারে। ওটা যদি আমি ফেলে দিই তাহলে এটা জেনেই ফেলতে হবে যে সেই কাছের মানুষটির স্মৃতি আমি আজীবনের জন্য ধ্বংস করে দিচ্ছি।
সায়ক আমান নামটি অডিও স্টোরি জগতে ইতোমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে আছে। ' ভালোবেসেছিল যারা ' বইটি একটি ছোটগল্প সংকলন। এর মধ্যে রয়েছে চৌদ্দটি নানান স্বাদের ছোটগল্প। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গল্প লেখকের নিজস্ব চ্যানেল midnight horror station এবং অন্য চ্যানেলেও অডিও রূপান্তর করা হয়েছে।
এই গল্পগুলোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে এরা বাস্তব ও কল্পনা, লৌকিক ও অলৌকিক জগতের মাঝামাঝি কোথাও ভাসমান। প্রত্যেকটি কাহিনীর শেষে একটা তীব্র আঘাত অথবা মন উৎফুল্ল করা আনন্দ দেওয়া চমক রয়েছে এবং সর্বোপরি যেটা আমার এই বইয়ে সবচেয়ে ভালো লেগেছে সেটা হচ্ছে খুব সুন্দর কিছু চিন্তা বা অনুভূতি তুলে ধরার প্রয়াস, এই যেমন শুরুতে এই গ্রিটি��স কার্ডের কথাটা ধরুন, যা কিছুক্ষণের জন্য মনকে অন্য দুনিয়ায় গিয়ে ভাবিয়ে তোলে। এমন কিছু অদ্ভুত, মন কেমন করা কথার জন্য আপনার এই বইটি হাতে নিতে হবে।