অমলেন্দু দে তার বইতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকালে ফজলুল হকের দ্বান্দ্বিক ভূমিকা, তাঁর বহুমাত্রিক চরিত্র এবং 'পাকিস্তান প্রস্তাবের' আসল রূপ উন্মোচন করতে গিয়ে প্রবলভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
ফজলুল হকের অস্থিরচিত্তের সম্পর্কে লিখতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন , তিনি নিজেকে খাঁটি বাঙালি ও খাঁটি মুসলমান মনে করতেন।
অর্থাৎ অমলেন্দু দে'র ধারণা একইসাথে একজন মানুষ খাঁটি বাঙালি ও খাঁটি মুসলমান হতে পারে না।
যতদিন হক সাহেব কংগ্রেস ও শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গী ততদিন হক সাহেব অমলেন্দু দে'র চোখে ধর্মনিরপেক্ষ। এর অন্যথা হলেই হক সাহেব ভালো না।
বাংলার মুসলমানকে বিভ্রান্ত ও সাম্প্রদায়িক করে তোলার দায় শুধু মুসলিম লীগের। কিন্তু কাদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডের কারণে বাঙালি মুসলমান অপর সম্প্রদায়ের প্রতি বিমুখ হয়ে পড়েছিল তার ব্যাখা-বয়ান নেই।
হক সাহেব বাদে একজন বাঙালির মুসলমানের নাম এই হারামজাদা অমলেন্দু দে ঠিকমতো লিখতে পারেনি। সবার নামের বানান শ্রীহীন।
বাংলা ভাগের দায় তখনকার নিরীহ ও গরিব বাঙালি মুসলমানের না। বরং উচ্চশিক্ষিত ও উঁচুজাতের অমলেন্দু দে'র মতো সাম্প্রদায়িক পাপীদের জন্যই বাংলা ভাগ হয়েছে এবং ভেঙেছে অবিভক্ত ভারত।