What do you think?


মৃত-কৈটভ মাল্টিভার্স #1
মৃত-কৈটভ
সাবধান পাঠক, দেবতার ঘুম ভাঙছে
ত্রিপুরার এক জঙ্গলে গ্রামবাসীদের দেবতা থাকেন। দেবতা নিজের ভোগ নিজেই চয়ন করেন। উপজাতি গ্রামবাসী ছাড়া কারোর সেই জঙ্গলে প্রবেশাধিকার নেই। সেই গ্রামকে কেন্দ্র করেই এই রোমহর্ষক কাহিনি। এই কাহিনি এক রোমাঞ্চকর অনুসন্ধানের যা শেষ হচ্ছে বিষ্ণুপুরাণের এক অজ্ঞাত অধ্যায়ে।
ত্রিপুরার এক জঙ্গলে গ্রামবাসীদের দেবতা থাকেন। দেবতা নিজের ভোগ নিজেই চয়ন করেন। উপজাতি গ্রামবাসী ছাড়া কারোর সেই জঙ্গলে প্রবেশাধিকার নেই। সেই গ্রামকে কেন্দ্র করেই এই রোমহর্ষক কাহিনি। এই কাহিনি এক রোমাঞ্চকর অনুসন্ধানের যা শেষ হচ্ছে বিষ্ণুপুরাণের এক অজ্ঞাত অধ্যায়ে।
199 pages, Paperback
Published January 1, 2023
About the author
Sourav Chakraborty
28 books20 followersসৌরভ চক্রবর্তীর জন্ম ত্রিপুরার আগরতলায়। শৈশব কেটেছে ত্রিপুরার রাজধানীতেই। পড়াশোনা রাজন্য ঐতিহ্যবাহী উমাকান্ত একাডেমি বিদ্যালয়ে। বিজ্ঞান বিভাগের কৃতী ছাত্র ছিলেন। পরবর্তীকালে কারিগরি বিদ্যা নিয়ে স্নাতক। বিদ্যালয় জীবন থেকেই লেখার হাতেখড়ি। পরবর্তীকালে কলেজ জীবন থেকে ব্ল্যাকবোর্ড পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক হিসেবে কাজ করা শুরু। একসময় চুটিয়ে করেছেন গ্রুপ থিয়েটার। বড়োদের জন্য গল্প লেখার শুরু তখন থেকেই। প্রথম প্রকাশিত গল্প 'ত্রিকালদর্শী' এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'চতুর্থস্তন্ত' যথাক্রমে ২০০৭ এবং ২০১২ সালে। তখন থেকেই প্রেম-অপ্রেম, রহস্য-থ্রিলার, জীবনমুখী সমাজের সব লেখাতেই সমান স্বচ্ছন্দ। কিন্তু জঁর ফিকশন নিয়ে বাংলায় লিখে চলেছেন উল্লেখযোগ্য লেখা। ছোটোদের জন্যে লিখেছেন কিশোর-ভারতী, সন্দেশ-এর মতো ঐতিহ্যবাহী পত্রিকাগুলোতে। ত্রিপুরার শিশুমহল-এর জন্য একবছর টানা লিখেছেন জনপ্রিয় কমিক্স কলাম সিরিজ। এ ছাড়াও বিভিন্ন সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে একাধিক জনপ্রিয় গল্প। 'শেষ গল্প'-র মতো অন্য ধারার গল্প লিখে বাংলা সাহিত্যের লেখক-পাঠক নির্বিশেষে পেয়েছেন অকুণ্ঠ ভালোবাসা। চন্দ্রহাস গ্রন্থের জন্য দেশ-বিদেশের পাঠকের কাছে সমাদৃত হয়েছেন। কলকাতা কসাইখানা-র মতো সাহসী রাজনৈতিক উপন্যাস লিখে পাঠকের হৃদয়ে চিরকালের মতো স্থায়ী আসন পেয়েছেন। একাধিক অডিয়ো স্টোরিতে পাঠ হয়েছে তাঁর লেখা। লেখকের লেখা থেকে ভবিষ্যতে তৈরি হতে চলেছে চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজ। ত্রিপুরায় রোগীদের স্বল্প মূল্যে চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন 'দ্য মেডিট্রাস্ট হেলথকেয়ার'। বর্তমানে কলকাতা নিবাসী, সময় পেলেই বিভিন্ন পরিচিত পত্রিকা ও ওয়েবজিনের জন্য কলম তুলে নেওয়া নিয়মিত অভ্যেস। গল্পের খোঁজে দেশ চষে বেড়ানো সাম্প্রতিককালে নেশায় পরিণত হয়েছে। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ কলকাতা কসাইখানা, চন্দ্রহাস সিরিজ, মহাগুরু, উদ্ভব লিঙ্গ, মৃতকৈটভ সিরিজ, ব্রহ্মহত্যা, দেবী রাক্ষস ইত্যাদি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 27 of 27 reviews
July 23, 2023
লেখক রহস্য তৈরি করতে পারলেও, রহস্য খন্ডন করতে গিয়ে পুরো গল্পটাকে একদম হাস্যকর বানিয়ে ফেলেছেন। উপজাতিদের অধিকাংশ কর্মকান্ডের কোন যুতসই মোটিভ নেই। বলতে পারেন চরম লেভেলের হতাশ।
August 10, 2026
ফেলুদা তোপসে কে বলেছিল একবার, একসঙ্গে অনেকটা বর্ণনা দিবিনা। পাঠকের বিরক্তি লাগবে। বরং কথার মাঝে মাঝে অল্প অল্প করে ইনপুট দিবি।
সৌরভ বাবু এসবের ধার ধারেন নি। পাতার পর পাতা শ্লোক, ইতিহাস হুবহু কপি পেস্ট করে দিয়েছেন। মদ খেতে খেতে, গাড়ি চালাতে চালাতে ত্রিপুরার ইতিহাস এ ফুল মার্কস পেয়েছে অজিত বলে চরিত্রটি। যেগুলোর বেশিরভাগই অহেতুক, আননেসেসারি।
আর আসল জায়গায় গিয়ে অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে। ক্লাইম্যাক্স এ ডাহা ফেল।
প্রচ্ছদটা ভালো। থিম ও ভালো আর ইন্টারেস্টিং। সারাক্ষন একটা গা ছমছমে ভাব আছে। কিন্তু.. শেষটা ঠিক মনমতো হলো না।
সৌরভ বাবু এসবের ধার ধারেন নি। পাতার পর পাতা শ্লোক, ইতিহাস হুবহু কপি পেস্ট করে দিয়েছেন। মদ খেতে খেতে, গাড়ি চালাতে চালাতে ত্রিপুরার ইতিহাস এ ফুল মার্কস পেয়েছে অজিত বলে চরিত্রটি। যেগুলোর বেশিরভাগই অহেতুক, আননেসেসারি।
আর আসল জায়গায় গিয়ে অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে। ক্লাইম্যাক্স এ ডাহা ফেল।
প্রচ্ছদটা ভালো। থিম ও ভালো আর ইন্টারেস্টিং। সারাক্ষন একটা গা ছমছমে ভাব আছে। কিন্তু.. শেষটা ঠিক মনমতো হলো না।
April 9, 2024
Is this a thriller novel or Guidebook of Tripura or Agartala? This is such a confusing thing.
July 30, 2026
আমার একটা star কম দেওয়ার কারণ বইতে কোনো কোনো জায়গায় অত্যন্ত বেশি কথা লিখে গল্পকে অকারণ lengthy করেছে। যেমন অত পৌরাণিক মন্ত্র না লিখে আরও সহজ ভাবে গল্প টা ব্যাখ্যা করলে পাঠকদের ধৈর্য থাকত।
সেসব কিছু negative point বাদ দিলে গল্প অসাধারণ। প্রথম 100 পাতা টান টান উত্তেজনা। কোথাও কোথাও গল্পের প্লট ঝিমিয়ে গেছে ঠিকই। যে ত্রিপুরার ইতিহাস টা সত্যিই অসাধারণ ছিল। বিষ্ণুপুরানের reference গুলো অভূতপূর্ব। যেমন এখানে উঠে এসেছে নতুন দেবতা , যার সাথে বিষ্ণু পূরণের link আছে, তেমনই এক অসম্ভব , invincible villain charecter.... পুরাণ আর Science fiction এর এক চমৎকার colab ঘটেছে এই গল্প জুড়ে। সব থেকে বিশেষ charecter যা গল্পের মূল charecter রামানুজনকে ও ছাপিয়ে গেছে, সেটা হলো গুরুদেবের চরিত্র টি।
রামানুজন একজন forest officer , যিনি একটা special assignment নিয়ে আসেন ত্রিপুরার এই জঙ্গল ঘেরা গ্রামে। যেখানে বাস করে এক আদিম উপজাতি। দেবতার সেবা আর এই জঙ্গলকেই ঘিরে গড়ে উঠেছে তাদের এই জগৎ। কিন্তু কে সেই দেবতা? সেই উপজাতিরা গোটা বিশ্বের থেকে কি আড়াল করে রাখতে চায়?? রামানুজন গ্রামে প্রবেশ করতেই তার আসে জঙ্গলকে ঘিরে না না দিক থেকে বাধা। কিছুতেই বাইরের কোনো লোককে এই আদিম উপজাতি এর মানুষগুলো তাদের দেবতার ব্যাপারে কিছু জানায় না এবং জঙ্গলের ভিতরেও ঢুকতে দেয় না। কি আছে সেই জঙ্গলে?? আর কেই বা এই মৃত kaitabh... রহস্যের মোড়কে ঘেরা বইটির page quality , অলঙ্করণ,প্রচ্ছদ অসাধারণ সুন্দর।
তবে শেষ হয়েও হইলো না কো শেষ! এখানেই শুরু গল্পের এক নতুন অধ্যায়ের। সেটা জানতে পড়তে হবে মৃত kaitabh 2 & 3। আর তার continuation রয়েছে উদ্ভব লিঙ্গ 1 & 2 তে। যার শেষ পাওয়া যেতে পারে হয়তো কলি পুরুষ নামের একটি অপ্রকাশিত সিরিজ এ।
যাইহোক এখন আপাতত part 2 টা শুরু করছি। ওখানেও review দেব same। আর পড়ার ক্রম টা ও আশা করি বুঝতে পারব। তবে কয়েকজন পাঠকের মতে মৃত কৈতব 1 আর 2 পড়ে 3 পড়ার আগে উদ্ভব লিঙ্গ 1 আর 2 পড়ে নিতে । কারণ উদ্ভব লিঙ্গ প্রকৃত পক্ষে নাকি মৃত kaitabh এরই prequel। তারপর কলি পুরুষ প্রকাশিতব্য।
সেসব কিছু negative point বাদ দিলে গল্প অসাধারণ। প্রথম 100 পাতা টান টান উত্তেজনা। কোথাও কোথাও গল্পের প্লট ঝিমিয়ে গেছে ঠিকই। যে ত্রিপুরার ইতিহাস টা সত্যিই অসাধারণ ছিল। বিষ্ণুপুরানের reference গুলো অভূতপূর্ব। যেমন এখানে উঠে এসেছে নতুন দেবতা , যার সাথে বিষ্ণু পূরণের link আছে, তেমনই এক অসম্ভব , invincible villain charecter.... পুরাণ আর Science fiction এর এক চমৎকার colab ঘটেছে এই গল্প জুড়ে। সব থেকে বিশেষ charecter যা গল্পের মূল charecter রামানুজনকে ও ছাপিয়ে গেছে, সেটা হলো গুরুদেবের চরিত্র টি।
রামানুজন একজন forest officer , যিনি একটা special assignment নিয়ে আসেন ত্রিপুরার এই জঙ্গল ঘেরা গ্রামে। যেখানে বাস করে এক আদিম উপজাতি। দেবতার সেবা আর এই জঙ্গলকেই ঘিরে গড়ে উঠেছে তাদের এই জগৎ। কিন্তু কে সেই দেবতা? সেই উপজাতিরা গোটা বিশ্বের থেকে কি আড়াল করে রাখতে চায়?? রামানুজন গ্রামে প্রবেশ করতেই তার আসে জঙ্গলকে ঘিরে না না দিক থেকে বাধা। কিছুতেই বাইরের কোনো লোককে এই আদিম উপজাতি এর মানুষগুলো তাদের দেবতার ব্যাপারে কিছু জানায় না এবং জঙ্গলের ভিতরেও ঢুকতে দেয় না। কি আছে সেই জঙ্গলে?? আর কেই বা এই মৃত kaitabh... রহস্যের মোড়কে ঘেরা বইটির page quality , অলঙ্করণ,প্রচ্ছদ অসাধারণ সুন্দর।
তবে শেষ হয়েও হইলো না কো শেষ! এখানেই শুরু গল্পের এক নতুন অধ্যায়ের। সেটা জানতে পড়তে হবে মৃত kaitabh 2 & 3। আর তার continuation রয়েছে উদ্ভব লিঙ্গ 1 & 2 তে। যার শেষ পাওয়া যেতে পারে হয়তো কলি পুরুষ নামের একটি অপ্রকাশিত সিরিজ এ।
যাইহোক এখন আপাতত part 2 টা শুরু করছি। ওখানেও review দেব same। আর পড়ার ক্রম টা ও আশা করি বুঝতে পারব। তবে কয়েকজন পাঠকের মতে মৃত কৈতব 1 আর 2 পড়ে 3 পড়ার আগে উদ্ভব লিঙ্গ 1 আর 2 পড়ে নিতে । কারণ উদ্ভব লিঙ্গ প্রকৃত পক্ষে নাকি মৃত kaitabh এরই prequel। তারপর কলি পুরুষ প্রকাশিতব্য।
May 3, 2023
বই - মৃত কৈটভ
লেখক - সৌরভ চক্রবর্তী
গল্প শুরু হয়েছে ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের সীমান্তের এক উপজাতি গ্রাম ও তৎসংলগ্ন জঙ্গলকে নিয়ে। এই জঙ্গলে প্রবেশ নিষেধ আছে, কেউ প্রবেশ করতে চাইলে যেকোনো মূল্যে গ্রামবাসীরা তাদের আটকায় - কিন্তু কেন?... কি আছে ঐ জঙ্গলে আর কিসেরই বা এত গোপনীয়তা যে বাইরের কাউকে তারা কিছু বলে না, এমনকি তাদের আরাধ্য দেবতার দর্শন ও নিষিদ্ধ। তাদের জঙ্গলে এমন কিছু আছে যা বেরিয়ে এলে সব ধংস হয়ে যাবে - এই ধারণা কি নিছক কুসংস্কার থেকে না তারা কিছু লুকিয়ে রাখতে চায় সবার নজর থেকে?
দিল্লি থেকে উচ্চপদস্থ অফিসার আসে এই ঘটনার তদন্তে?... তিনি কি শেষ পর্যন্ত পারলেন এই রহস্যের সমাধান করতে নাকি অন্যদের মতো তার জন্যেও কোনো মর্মান্তিক ঘটনা অপেক্ষা করছে?... জানতে গেলে পড়তে হবে এই গল্প।
এবার গল্পের কথায় আসি --- গল্পটি মোটামুটি গোছের লেগেছে আমার কারণ কোনো নতুনত্ব পাইনি বরং লেখকের অন্য গল্পের তুলনায় বেশ কমজোরী লেগেছে। গল্পের স্টার্টিং দারুন, প্রায় মধ্যভাগ অব্দি সেই সাসপেন্স থেকেছে কিন্তু তারপরেই যেন খেই হারিয়ে গেল। গল্পটা যেন দুম করে শেষ হয়ে গেছে। সাসপেন্স এর পারদ যতটা উঠেছিল সেই তুলনায় ক্লাইম্যাক্স অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে। কেমন জানিনা মনে হচ্ছে এই ধাঁচের গল্প আগেও পড়েছি (ব্যক্তিগত মতামত)।
যা যা ভালো লেগেছে তা হল - ত্রিপুরার ঐতিহাসিক বিবরণ, যা যথেষ্ট আকর্ষণীয়। সঙ্গে রয়েছে পুরাণ সম্পর্কিত একটি আশ্চর্য চমক (প্রচ্ছদ দেখে অনেকে হয়তো বুঝতে পারবেন যারা বিষ্ণুপুরাণ পড়েছেন) - খুব সময় নিয়ে ব্যাপারটা বুঝিয়েছেন লেখক... তবে এই বিবরণ কারোর কাছে উপভোগ্য বা কারোর কাছে অনাবশ্যক লাগতে পারে, সেটা পাঠক বিশেষে নির্ভর করবে। সবশেষে যেটা না বললেই নয়, সেটা হল বইয়ের প্রচ্ছদ.. প্রচ্ছদ শিল্পী কে কুর্নিশ.. কিন্তু সেই মতো থ্রিলটা পাওয়া গেল না
গল্পের দ্বিতীয় পর্ব হয়তো আসবে (অন্তত তাই মনে হয়েছে)... অপেক্ষায় থাকব
ব্যক্তিগত রেটিং - ৬/১০
লেখক - সৌরভ চক্রবর্তী
গল্প শুরু হয়েছে ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের সীমান্তের এক উপজাতি গ্রাম ও তৎসংলগ্ন জঙ্গলকে নিয়ে। এই জঙ্গলে প্রবেশ নিষেধ আছে, কেউ প্রবেশ করতে চাইলে যেকোনো মূল্যে গ্রামবাসীরা তাদের আটকায় - কিন্তু কেন?... কি আছে ঐ জঙ্গলে আর কিসেরই বা এত গোপনীয়তা যে বাইরের কাউকে তারা কিছু বলে না, এমনকি তাদের আরাধ্য দেবতার দর্শন ও নিষিদ্ধ। তাদের জঙ্গলে এমন কিছু আছে যা বেরিয়ে এলে সব ধংস হয়ে যাবে - এই ধারণা কি নিছক কুসংস্কার থেকে না তারা কিছু লুকিয়ে রাখতে চায় সবার নজর থেকে?
দিল্লি থেকে উচ্চপদস্থ অফিসার আসে এই ঘটনার তদন্তে?... তিনি কি শেষ পর্যন্ত পারলেন এই রহস্যের সমাধান করতে নাকি অন্যদের মতো তার জন্যেও কোনো মর্মান্তিক ঘটনা অপেক্ষা করছে?... জানতে গেলে পড়তে হবে এই গল্প।
এবার গল্পের কথায় আসি --- গল্পটি মোটামুটি গোছের লেগেছে আমার কারণ কোনো নতুনত্ব পাইনি বরং লেখকের অন্য গল্পের তুলনায় বেশ কমজোরী লেগেছে। গল্পের স্টার্টিং দারুন, প্রায় মধ্যভাগ অব্দি সেই সাসপেন্স থেকেছে কিন্তু তারপরেই যেন খেই হারিয়ে গেল। গল্পটা যেন দুম করে শেষ হয়ে গেছে। সাসপেন্স এর পারদ যতটা উঠেছিল সেই তুলনায় ক্লাইম্যাক্স অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে। কেমন জানিনা মনে হচ্ছে এই ধাঁচের গল্প আগেও পড়েছি (ব্যক্তিগত মতামত)।
যা যা ভালো লেগেছে তা হল - ত্রিপুরার ঐতিহাসিক বিবরণ, যা যথেষ্ট আকর্ষণীয়। সঙ্গে রয়েছে পুরাণ সম্পর্কিত একটি আশ্চর্য চমক (প্রচ্ছদ দেখে অনেকে হয়তো বুঝতে পারবেন যারা বিষ্ণুপুরাণ পড়েছেন) - খুব সময় নিয়ে ব্যাপারটা বুঝিয়েছেন লেখক... তবে এই বিবরণ কারোর কাছে উপভোগ্য বা কারোর কাছে অনাবশ্যক লাগতে পারে, সেটা পাঠক বিশেষে নির্ভর করবে। সবশেষে যেটা না বললেই নয়, সেটা হল বইয়ের প্রচ্ছদ.. প্রচ্ছদ শিল্পী কে কুর্নিশ.. কিন্তু সেই মতো থ্রিলটা পাওয়া গেল না
গল্পের দ্বিতীয় পর্ব হয়তো আসবে (অন্তত তাই মনে হয়েছে)... অপেক্ষায় থাকব
ব্যক্তিগত রেটিং - ৬/১০
May 29, 2023
🏚️🎍বইয়ের নাম - মৃত কৈটভ🎍🏚️
✍🏻লেখক - সৌরভ চক্রবর্তী
🖨️প্রকাশক - বিভা পাবলিকেশন
📕প্রচ্ছদ - স্বর্ণাভ বেরা
📚অলংকরণ - কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
📖পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৯৯
💰মূল্য - ২২২₹
🎋🍁সদ্য পড়ে শেষ করলাম সাহিত্যিক সৌরভ চক্রবর্তী এর লেখা “মৃত কৈটভ”! প্রথমেই বলি লেখকের লেখা এই প্রথম পড়ছি। এই বই এর প্রচ্ছদটি ভীষণই আকর্ষণীয়। বইমেলার আগেই আমি যখন এই বই এর প্রচ্ছদ দেখি,দেখেই ঠিক করে ফেলেছিলাম এই বই তো নেবোই নেবো। এই বই পড়ার সময় ভীতরের ছবি গুলো আমার দারুন লেগেছে। প্রথম পাতা থেকে শেষ পর্যন্ত ভীষণ সুন্দর suspense create করা ছিলো, এই বইটি পড়ার সময় একটা গা ছমছমে ব্যাপার ফিল করছিলাম ।যেটা বিভার প্রায় সব বইতেই পেয়ে থাকি, যে সব পাঠকেরা অলৌকিক ভৌতিক থ্রিলার পড়তে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা একটা দারুন বই হতে চলেছে। লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা বই পাঠকদের উপহার দেওয়ার জন্য। আপনার বাকি বই গুলো ও পড়বো খুব তাড়াতাড়ি। এই উপন্যাস পড়ার জন্য পাঠকদের একটু কৌতুহলী করে তুলি, বইয়ের কিছু অংশ তুলে দিয়ে -
🌳ত্রিপুরার এক জঙ্গলে গ্রামবাসীদের দেবতা থাকেন। দেবতা নিজের ভোগ নিজেই চয়ন করেন। উপজাতি গ্রামবাসী ছাড়া কারোর সেই জঙ্গলে প্রবেশাধিকার নেই। সেই গ্রামকে কেন্দ্র করেই এই রোমহর্ষক কাহিনি। এই কাহিনি এক রোমাঞ্চকর অনুসন্ধানের যা শেষ হচ্ছে বিষ্ণুপুরাণের এক অজ্ঞাত অধ্যায়ে।
🌱“জঙ্গলে বিষ আছে বাবু, এই জঙ্গলের খুব ভিতরে যেতে নেই।” খাঁটো ধুতি পরা লোকটা বারবার বোঝাবার চেষ্টা করছিল। কিন্তু যাদের প্রাণে মুক্তিযুদ্ধের আগুনের পরশ জ্বলছে তারা এসব শুনবে কেন?
🏜️তিনজনকে নিয়ে জঙ্গলের পথে পা দিল। পূর্ণিমার রাত,চারদিকে আলো ঝলমল করছে। উপজাতি লোকটা দেখল চারজন যুবক জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করছে!
🪔“দেবতার জঙ্গলে ঢুকছেন যখন দেবতাই দেখবে আপনাদের শুধু সাবধানে থাকবেন। কারণ জঙ্গলে বিষ আছে। আমরা কেউ গারে সীমানা থেকে জঙ্গলের এক কিলোমিটার ডিঙিয়ে ভিতরে ঢুকিনি কোনোদিন আর যারাই গেছে তারা আর সুস্থ হয়ে ফেরেনি বা মরেই ফিরেছে।”
✍🏻লেখক - সৌরভ চক্রবর্তী
🖨️প্রকাশক - বিভা পাবলিকেশন
📕প্রচ্ছদ - স্বর্ণাভ বেরা
📚অলংকরণ - কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
📖পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৯৯
💰মূল্য - ২২২₹
🎋🍁সদ্য পড়ে শেষ করলাম সাহিত্যিক সৌরভ চক্রবর্তী এর লেখা “মৃত কৈটভ”! প্রথমেই বলি লেখকের লেখা এই প্রথম পড়ছি। এই বই এর প্রচ্ছদটি ভীষণই আকর্ষণীয়। বইমেলার আগেই আমি যখন এই বই এর প্রচ্ছদ দেখি,দেখেই ঠিক করে ফেলেছিলাম এই বই তো নেবোই নেবো। এই বই পড়ার সময় ভীতরের ছবি গুলো আমার দারুন লেগেছে। প্রথম পাতা থেকে শেষ পর্যন্ত ভীষণ সুন্দর suspense create করা ছিলো, এই বইটি পড়ার সময় একটা গা ছমছমে ব্যাপার ফিল করছিলাম ।যেটা বিভার প্রায় সব বইতেই পেয়ে থাকি, যে সব পাঠকেরা অলৌকিক ভৌতিক থ্রিলার পড়তে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা একটা দারুন বই হতে চলেছে। লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা বই পাঠকদের উপহার দেওয়ার জন্য। আপনার বাকি বই গুলো ও পড়বো খুব তাড়াতাড়ি। এই উপন্যাস পড়ার জন্য পাঠকদের একটু কৌতুহলী করে তুলি, বইয়ের কিছু অংশ তুলে দিয়ে -
🌳ত্রিপুরার এক জঙ্গলে গ্রামবাসীদের দেবতা থাকেন। দেবতা নিজের ভোগ নিজেই চয়ন করেন। উপজাতি গ্রামবাসী ছাড়া কারোর সেই জঙ্গলে প্রবেশাধিকার নেই। সেই গ্রামকে কেন্দ্র করেই এই রোমহর্ষক কাহিনি। এই কাহিনি এক রোমাঞ্চকর অনুসন্ধানের যা শেষ হচ্ছে বিষ্ণুপুরাণের এক অজ্ঞাত অধ্যায়ে।
🌱“জঙ্গলে বিষ আছে বাবু, এই জঙ্গলের খুব ভিতরে যেতে নেই।” খাঁটো ধুতি পরা লোকটা বারবার বোঝাবার চেষ্টা করছিল। কিন্তু যাদের প্রাণে মুক্তিযুদ্ধের আগুনের পরশ জ্বলছে তারা এসব শুনবে কেন?
🏜️তিনজনকে নিয়ে জঙ্গলের পথে পা দিল। পূর্ণিমার রাত,চারদিকে আলো ঝলমল করছে। উপজাতি লোকটা দেখল চারজন যুবক জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করছে!
🪔“দেবতার জঙ্গলে ঢুকছেন যখন দেবতাই দেখবে আপনাদের শুধু সাবধানে থাকবেন। কারণ জঙ্গলে বিষ আছে। আমরা কেউ গারে সীমানা থেকে জঙ্গলের এক কিলোমিটার ডিঙিয়ে ভিতরে ঢুকিনি কোনোদিন আর যারাই গেছে তারা আর সুস্থ হয়ে ফেরেনি বা মরেই ফিরেছে।”
July 24, 2024
ভালো লাগেনি।
প্রথমত, বাতিঘর প্রকাশনীর এডিশনে অজস্র ভুল। জঘন্য প্রুফরিডিং।
দ্বিতীয়ত, পুরো কাহিনীটাই অসংলগ্ন। অভেদ্য জঙ্গল, তাকে রক্ষা করা আধুনিক জ্ঞানের উপজাতি, এদিকে আবার দেবতার খোলস, সেই খোলসের নির্যাস, সেই নির্যাস নিয়ে গবেষণা, বারো ছাত্র এক ছাত্রী, লাস্টে আবার হুট করে টাইটুলার ভিলেনের আবির্ভাব, দেবতা নড়ে উঠলো, চন্দন ঢাললো, ঈগল পাখি জম্বি তাড়ালো - সব মিলিয়ে ভজঘট অবস্থা! প্লট খারাপ না, ভালো কিছু করা যেত। কিন্তু সেকেন্ড পার্টের আশায় লেখক প্রথম পার্টটাকে বলা যায় এক্সপ্লোরই করেননি।
তৃতীয়ত, অহেতুক একগাদা তথ্য। গাড়ির ড্রাইভার অজিত সাল তারিখসহ ধুমসে ত্রিপুরার ইতিহাস বলে যাচ্ছে, স্কচ পার্টি থেকে লং ড্রাইভ সবখানে বকবক। এমনকি ডায়লগের মাঝখানে ব্র্যকেটেও ইনফো দিয়ে দিচ্ছে। মানুষ কোনোকিছু লেখার সময় ব্র্যাকেট ব্যবহার করে, কিন্তু বলার সময় কেমনে ব্র্যাকেট আসে বুঝলাম না। আরও বুঝলাম না এই অজিত কি মানুষ না জীবন্ত উইকিপিডিয়া! কাহিনীর সাথেই বা ত্রিপুরায় কোন বংশ শাসন করলো আর আগরতলায় কবে লাইট এলো তার কী সম্পর্ক?
অজিতের হিস্টোরি ক্লাসের পরপরই চলে এলেন হেমন্তাই, তাঁর পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে! ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এখানেও অহেতুক শৈব-বৈষ্ণব তর্কের কচকচানি আর দাঁড়ি কমা সোর্সসহ মন্ত্র বই থেকে তুলে দেয়া হয়েছে। লেখক বোধয় জানেননা মানুষের কোনোকিছু লেখা আর বলার রূপ আলাদা হয়। তিনি সবগুলো মন্ত্রই হুবুহু কপিপেস্ট ঝেড়েছেন।
লেখার গঠনরীতিও ভালো লাগেনি। কিছু জায়গা ছিলো নাটুকে। ভালোর মধ্যে কনসেপ্ট একটু ইউনিক। না মানে কাহিনী ঐ আমাজনিয়ার মতোই, তবে লেখক পুরাণ থেকে যে আখ্যানটা বেছে নিয়ে গল্প সাজিয়েছেন তা ইউনিক।
সব মিলিয়ে ‘মৃত কৈটভ’ কে আমি দিব ২.৫/৫।
প্রথমত, বাতিঘর প্রকাশনীর এডিশনে অজস্র ভুল। জঘন্য প্রুফরিডিং।
দ্বিতীয়ত, পুরো কাহিনীটাই অসংলগ্ন। অভেদ্য জঙ্গল, তাকে রক্ষা করা আধুনিক জ্ঞানের উপজাতি, এদিকে আবার দেবতার খোলস, সেই খোলসের নির্যাস, সেই নির্যাস নিয়ে গবেষণা, বারো ছাত্র এক ছাত্রী, লাস্টে আবার হুট করে টাইটুলার ভিলেনের আবির্ভাব, দেবতা নড়ে উঠলো, চন্দন ঢাললো, ঈগল পাখি জম্বি তাড়ালো - সব মিলিয়ে ভজঘট অবস্থা! প্লট খারাপ না, ভালো কিছু করা যেত। কিন্তু সেকেন্ড পার্টের আশায় লেখক প্রথম পার্টটাকে বলা যায় এক্সপ্লোরই করেননি।
তৃতীয়ত, অহেতুক একগাদা তথ্য। গাড়ির ড্রাইভার অজিত সাল তারিখসহ ধুমসে ত্রিপুরার ইতিহাস বলে যাচ্ছে, স্কচ পার্টি থেকে লং ড্রাইভ সবখানে বকবক। এমনকি ডায়লগের মাঝখানে ব্র্যকেটেও ইনফো দিয়ে দিচ্ছে। মানুষ কোনোকিছু লেখার সময় ব্র্যাকেট ব্যবহার করে, কিন্তু বলার সময় কেমনে ব্র্যাকেট আসে বুঝলাম না। আরও বুঝলাম না এই অজিত কি মানুষ না জীবন্ত উইকিপিডিয়া! কাহিনীর সাথেই বা ত্রিপুরায় কোন বংশ শাসন করলো আর আগরতলায় কবে লাইট এলো তার কী সম্পর্ক?
অজিতের হিস্টোরি ক্লাসের পরপরই চলে এলেন হেমন্তাই, তাঁর পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে! ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এখানেও অহেতুক শৈব-বৈষ্ণব তর্কের কচকচানি আর দাঁড়ি কমা সোর্সসহ মন্ত্র বই থেকে তুলে দেয়া হয়েছে। লেখক বোধয় জানেননা মানুষের কোনোকিছু লেখা আর বলার রূপ আলাদা হয়। তিনি সবগুলো মন্ত্রই হুবুহু কপিপেস্ট ঝেড়েছেন।
লেখার গঠনরীতিও ভালো লাগেনি। কিছু জায়গা ছিলো নাটুকে। ভালোর মধ্যে কনসেপ্ট একটু ইউনিক। না মানে কাহিনী ঐ আমাজনিয়ার মতোই, তবে লেখক পুরাণ থেকে যে আখ্যানটা বেছে নিয়ে গল্প সাজিয়েছেন তা ইউনিক।
সব মিলিয়ে ‘মৃত কৈটভ’ কে আমি দিব ২.৫/৫।
February 8, 2024
বইটা যখন প্রথম হাতে নিয়েছিলাম অনেকটাই এক্সপেকশনস ছিল। যা সম্পূর্ণ রূপে নিরাশায় পরিণত হয়েছে। কিছু কারণ উল্লেখ করলাম -
১. উপজাতির কটপোকথনের ভাব ভঙ্গি এবং তাদের উদ্দেশ্য কোন কিছুরই কোনো sense নেই।
২. মানছি আপনি একাধিক খণ্ডে বইটি লিখছেন, কিন্তু প্রতিটা বইএর যদি নিজস্ব কোন Standpoint না থাকে, পাঠকরা পড়বে কেনো? এই বইএর BuildUp যদিও কিছুটা আছে, Climax এ গিয়ে হাস্যকর পরিণতি হয়েছে।
৩. আপনি একজায়গায় লিখেছেন “অবশ্য নাস্তিকের চেয়ে বড় আস্তিক কেই বা হতে পারে।” গল্পের সাথে এই উক্তির প্রাঙ্গিকতা কোথায়?
৪. আপনি বলছেন, “পাঠক সাবধান, দেবতার ঘুম ভাঙছে।” কিন্তু ভাঙল নিয়ে দিয়ে ৫ সেকেন্ডের জন্য। এ কেমন কথা?
৫. গল্পের মাঝে পাতার পর পাতা ইতিহাস লেখা আছে, তার সাথে গল্পের সম্পর্কই বা কোথায় আর প্রাসঙ্গিকতা কোথায়?
৬. যতদূর মনে পড়ছে, প্রথমে জঙ্গলের অন্ধকারে অনভেদ্য বলা হয়েছে যাতে টর্চের আলো পর্যন্ত Useless হয়ে যায়। শেষে পৌঁছতে পৌঁছতে সেটাও লোপ পেয়েছে।
৭. আর নাম করণের ব্যাপার তা পুরোটাই অহেতুক এবং ব্যাগাত্মক। যেই “কইটভ” কে গোটা বই জুড়ে চিনলাম না জানলাম না, হঠাৎ করে গিয়ে জানতে পারি বইটা তার নামের ওপর রচিত। বাহ।
আগামী দিনে আপনার লেখা অরো ভালো হবে এই আশাই রইল, প্রথমে জানতে চেয়েছিলেন “মৃত কইটভ ২” বা সিকুয়েল এর বিষয়ে, এটুকুই বলব, যে এর Part ২ পড়ার জন্য বিন্দুমাত্রও ইচ্ছে নেই।
All The Best for your future projects. Please take these points as Constructive Criticism and try to write better.
১. উপজাতির কটপোকথনের ভাব ভঙ্গি এবং তাদের উদ্দেশ্য কোন কিছুরই কোনো sense নেই।
২. মানছি আপনি একাধিক খণ্ডে বইটি লিখছেন, কিন্তু প্রতিটা বইএর যদি নিজস্ব কোন Standpoint না থাকে, পাঠকরা পড়বে কেনো? এই বইএর BuildUp যদিও কিছুটা আছে, Climax এ গিয়ে হাস্যকর পরিণতি হয়েছে।
৩. আপনি একজায়গায় লিখেছেন “অবশ্য নাস্তিকের চেয়ে বড় আস্তিক কেই বা হতে পারে।” গল্পের সাথে এই উক্তির প্রাঙ্গিকতা কোথায়?
৪. আপনি বলছেন, “পাঠক সাবধান, দেবতার ঘুম ভাঙছে।” কিন্তু ভাঙল নিয়ে দিয়ে ৫ সেকেন্ডের জন্য। এ কেমন কথা?
৫. গল্পের মাঝে পাতার পর পাতা ইতিহাস লেখা আছে, তার সাথে গল্পের সম্পর্কই বা কোথায় আর প্রাসঙ্গিকতা কোথায়?
৬. যতদূর মনে পড়ছে, প্রথমে জঙ্গলের অন্ধকারে অনভেদ্য বলা হয়েছে যাতে টর্চের আলো পর্যন্ত Useless হয়ে যায়। শেষে পৌঁছতে পৌঁছতে সেটাও লোপ পেয়েছে।
৭. আর নাম করণের ব্যাপার তা পুরোটাই অহেতুক এবং ব্যাগাত্মক। যেই “কইটভ” কে গোটা বই জুড়ে চিনলাম না জানলাম না, হঠাৎ করে গিয়ে জানতে পারি বইটা তার নামের ওপর রচিত। বাহ।
আগামী দিনে আপনার লেখা অরো ভালো হবে এই আশাই রইল, প্রথমে জানতে চেয়েছিলেন “মৃত কইটভ ২” বা সিকুয়েল এর বিষয়ে, এটুকুই বলব, যে এর Part ২ পড়ার জন্য বিন্দুমাত্রও ইচ্ছে নেই।
All The Best for your future projects. Please take these points as Constructive Criticism and try to write better.
December 29, 2024
কাহিনীর প্রেক্ষাপটে আছে এক রহস্যময় জঙ্গল যেখানে যেতে গেলে বাধা দেয় জঙ্গল সংলগ্ন গ্রামের উপজাতিরা, তারা বলে তাদের দেবতা আছেন সে জঙ্গলে, আর সে জঙ্গলে কারো প্রবেশ নিষিদ্ধ। যারা নিষেধ শুনেও যায় তারা হয় ফেরে না আর ফিরলেও স্বাভাবিক থাকে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট এর উচ্চপদস্থ অফিসার রামানুজ কে আসতে হয় এই জঙ্গল পরিদর্শনে, কিন্তু এখানে এসেই সে বাধার সম্মুখীন হয়, যদিও রামানুজ আগের অফিসারদের মতো ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার লোক নয়। অবশ্য এখানে সে নিরস্ত্র কিংবা একা নয়, আর্মড ফোর্স আছে তার সাথে, সাথে আছে মিস্টার দাস ও অন্যান্যরা।
কিন্তু রামানুজ কি পারবে ওই গ্রামের অধিবাসীদের বাধা অতিক্রম করে এই রহস্যময় জঙ্গলে প্রবেশ করতে?এই জঙ্গল ও এই বিশেষ উপজাতির আরাধ্য দেবতার সাথে যে রহস্য জড়িয়ে আছে তা কি রামানুজ আর তার সঙ্গীদের সামনে উন্মোচিত হবে?
বইটি তে যে টানটান রহস্যের আবহ লেখক তৈরি করেছেন তাতে বইটি একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না হওয়া অবধি শান্তি হয় না।✅✅✅✅
🎯তবে, এই বইয়ের দু একটা বিষয় ভালো লাগেনি।
প্রথমত, বইটিতে কিছু জায়গায় শুধুই ঐতিহাসিক তথ্য পরিবেশন করেছেন লেখক, এটা অত্যন্ত একঘেয়ে, মনে হয়েছে স্কুলের পাঠ্যবই বা প্রবন্ধ পড়ছি। এটুকু যেন বাড়তি সংযোজন, অল্প কথায় কয়েকটা লাইনে সারমর্ম টুকু তুলে ধরলেই হতো।
দ্বিতীয়ত, গল্প টা শেষ হয়েও যেন শেষ হয়নি। কিছু রহস্য এর সমাধান এখনও বাকি। অবশ্যই দ্বিতীয় ভাগ আছে বইটির, যেহেতু এটি একটি সিরিজ। আশা করি দ্বিতীয় ভাগটিতে উত্তর গুলো আছে। 🙂
কিন্তু রামানুজ কি পারবে ওই গ্রামের অধিবাসীদের বাধা অতিক্রম করে এই রহস্যময় জঙ্গলে প্রবেশ করতে?এই জঙ্গল ও এই বিশেষ উপজাতির আরাধ্য দেবতার সাথে যে রহস্য জড়িয়ে আছে তা কি রামানুজ আর তার সঙ্গীদের সামনে উন্মোচিত হবে?
বইটি তে যে টানটান রহস্যের আবহ লেখক তৈরি করেছেন তাতে বইটি একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না হওয়া অবধি শান্তি হয় না।✅✅✅✅
🎯তবে, এই বইয়ের দু একটা বিষয় ভালো লাগেনি।
প্রথমত, বইটিতে কিছু জায়গায় শুধুই ঐতিহাসিক তথ্য পরিবেশন করেছেন লেখক, এটা অত্যন্ত একঘেয়ে, মনে হয়েছে স্কুলের পাঠ্যবই বা প্রবন্ধ পড়ছি। এটুকু যেন বাড়তি সংযোজন, অল্প কথায় কয়েকটা লাইনে সারমর্ম টুকু তুলে ধরলেই হতো।
দ্বিতীয়ত, গল্প টা শেষ হয়েও যেন শেষ হয়নি। কিছু রহস্য এর সমাধান এখনও বাকি। অবশ্যই দ্বিতীয় ভাগ আছে বইটির, যেহেতু এটি একটি সিরিজ। আশা করি দ্বিতীয় ভাগটিতে উত্তর গুলো আছে। 🙂
January 10, 2026
গল্পের প্রথমার্ধ যতটা টানটান উত্তেজনার সাথে এগিয়েছে, শেষের দিকটায় এসে বেশ খাপছাড়া লেগেছে। রহস্যের যে পারদ গল্পে তৈরি হয়েছিল, ক্লাইম্যাক্স বা সমাপ্তিটা সেই তুলনায় কিছুটা তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হয়েছে বলে হয়েছে আমার কাছে। এছাড়া গল্পের মূল কাঠামোটি কিছু পাঠকের কাছে পরিচিত ধাঁচের মনে হতে পারে।
সামগ্রিকভাবে 'মৃত কৈটভ' একটি উপভোগ্য থ্রিলার। কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও লেখকের বর্ণনার গুণে এবং ঐতিহাসিক তথ্যের বুনোটে এটি একবার পড়ে দেখার মতো। বিশেষ করে যারা লোকজ রহস্যের ভক্ত, তারা নিরাশ হবেন না।
গল্পের শুরু হয় ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ সীমান্তের এক দুর্গম উপজাতি গ্রাম এবং তার রহস্যময় জঙ্গলকে কেন্দ্র করে। এই জঙ্গলে প্রবেশ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, আর গ্রামবাসীরাও এই গোপনীয়তা অত্যন্ত কঠোরভাবে রক্ষা করে। তাদের উপাস্য দেবতার দর্শন পাওয়াও সাধারণের জন্য মানা। বনের গভীরে আসলে কী লুকিয়ে আছে? এটি কি শুধুই তাদের দীর্ঘদিনের লালিত কোনো কুসংস্কার, নাকি এমন কোনো ভয়াবহ সত্য যা প্রকাশিত হলে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানব সভ্যতা, বদলে যেতে পারে চিরচেনা পৃথিবীর রূপ।দিল্লি থেকে আসা এক উচ্চপদস্থ ফরেস্ট অফিসার যখন এই জট ছাড়াতে নামেন, তখন থেকেই গল্পের মোড় ঘুরতে শুরু করে।
সামগ্রিকভাবে 'মৃত কৈটভ' একটি উপভোগ্য থ্রিলার। কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও লেখকের বর্ণনার গুণে এবং ঐতিহাসিক তথ্যের বুনোটে এটি একবার পড়ে দেখার মতো। বিশেষ করে যারা লোকজ রহস্যের ভক্ত, তারা নিরাশ হবেন না।
গল্পের শুরু হয় ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ সীমান্তের এক দুর্গম উপজাতি গ্রাম এবং তার রহস্যময় জঙ্গলকে কেন্দ্র করে। এই জঙ্গলে প্রবেশ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, আর গ্রামবাসীরাও এই গোপনীয়তা অত্যন্ত কঠোরভাবে রক্ষা করে। তাদের উপাস্য দেবতার দর্শন পাওয়াও সাধারণের জন্য মানা। বনের গভীরে আসলে কী লুকিয়ে আছে? এটি কি শুধুই তাদের দীর্ঘদিনের লালিত কোনো কুসংস্কার, নাকি এমন কোনো ভয়াবহ সত্য যা প্রকাশিত হলে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানব সভ্যতা, বদলে যেতে পারে চিরচেনা পৃথিবীর রূপ।দিল্লি থেকে আসা এক উচ্চপদস্থ ফরেস্ট অফিসার যখন এই জট ছাড়াতে নামেন, তখন থেকেই গল্পের মোড় ঘুরতে শুরু করে।
August 22, 2024
পুরাণ- শ্রীবিষ্ণু অবতার-ত্রিপুরার ইতিহাস -ত্রিপুরা ভ্রমন -- এই সব নিয়ে এক Roller Coaster Ride. এক সিটিং অনেকদিন পর কোনো বই শেষ করলাম। বইটা আয়তনে বেড়েছে পুরাণ শ্লোক বিশ্লেষনে, এ জায়গাটা একটু বোরিং লেগেছে। বাকিটা unputdownble. তবে এক স্টার বেশি ত্রিপুরার জন্য। এই প্রথম কোনো উপন্যাসে এতো বিস্তৃত করে ত্রিপুরার বর্ননা পেলাম। লেখককে এর জন্য ধন্যবাদ।
April 20, 2025
বইটির concept টা দারুন । কিন্তু বইতে ইতিহাস গুলি পড়ার সময় কেমন অপ্রয়োজনীয় বোধ হয়েছে। তা ছাড়া বইতে কিছু সিন গুলো imagine করতে অসুবিধা হচ্ছিল মনে হচ্ছিল কোনো সিনেমা দেখার পর বন্ধুদেরকে আমরা যেভাবে গল্প করে বলি, ঠিক সেরকম লেগেছিল।
January 23, 2024
A perfect mixture of history of Trpiura state, hindu mythology and scince fiction with an action packed fantastic ending.
March 23, 2024
কাহিনী বেশ ভালই। তবে বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ এডিশনে অসংখ্য বানান ভুল ও টাইপো বিরক্তির বড় কারন ছিল। ভাল লেগেছে।
September 2, 2024
হুদাই!!!!
February 20, 2025
Lot of unnecessary fillers …could have been a short story
June 5, 2025
গল্পের কন্সেপ্ট ভালো কিন্তু এত্ত বোরিং এর এত্ত বড়ো করেছে, তবুও গল্পঃ শেষ করতে পারেনি। পড়ে সময়, মানসিকতা দুটোই নষ্ট হয়েছে।
November 19, 2025
ভালো লেখা, আমাদের হিন্দুদের না জানা দেবদেবীর রুপ
December 19, 2025
বেশ ভালো।কিছু কিছু জায়গায় খুব ইনফরমেশন প্যাকড। কিছু কিছু জায়গায় একটু অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। ইতিহাস সহ মিথলজি আশ্রিত বেশ ভালো থ্রিলার।
May 1, 2026
এত খারাপ জগা খিচুরি লেখা খুজে পাওয়া দুষ্কর...
June 15, 2026
একটু অন্য স্বাদের বই। আমার পরে বেশ ভালোই লেগেছে। শিব পুরাণ আর বিষ্ণু পুরাণ নিয়ে যে একটা বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে যা গল্পটাকে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।
July 3, 2026
খুব সুন্দর।। দারুন। কাল্পনিক জ্ঞান আর পুরাণ এর দারুণ মিশ্রণ। তবে কিছু ক্ষেত্রে মোটিভ আরও জোরালো হতেই পারত
March 19, 2024
কি পড়লাম, কেন পড়লাম কিছুই বুঝলাম না।
July 11, 2023
সদ্য পড়ে শেষ করলাম সৌরভ চক্রবর্তী মহাশয়ের লেখা বই মৃত কৈটভ। এটি শিব পূরণ ও স্কন্দ পূরণ ও বৈষ্ণব দের নানান গ্রন্থাদিতে উল্লখিত শ্রী নৃসিংহ দেব এর গণ্ডবেরুন্দা অবতার কে কেন্দ্র করে লেখা এক কাল্পনিক রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চার ধর্মী উপন্যাস।
🍁🍁 বাংলাদেশ ও ভারতের বর্ডার ঘেঁষা রাজ্য ত্রিপুরার অবস্থিত এক কাল্পনিক জঙ্গল কে কেন্দ্র করে লেখা এই গল্প।। এই জঙ্গলেই অবস্থান করছেন এক আদিম দেবতা যার পূজা করে আসছে , প্রায় আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন এক আদিবাসী গোষ্ঠী।। প্রত্যেক বারো বছর অন্তর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে কিছু হিংস্র প্রজাতির প্রাণী যাদের থেকে সমগ্র মানব সভ্যতাকে বাঁচিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে এই গ্রামের লোকেরা ।
🍁🍁এই গ্রামেই ফরেস্ট অফিসার হয়ে পোস্টিং হয় দিল্লি নিবাসী রামানুজ এর। ঘটনা চক্রে সে এই সব কিছুর সাথেই জড়িয়ে যায়।। কি হয় গল্পের শেষে ! কি বা রয়েছে জঙ্গলে কেন তার জন্যে জঙ্গলে যাওয়া নিষেধ , গ্রামবাসি রাও কেন জঙ্গলে যায় না?
🍁🍁 উপন্যাস হিসেব খুব আহামরি লেগেছে তা বলবো না , মাঝারি মানের লেখা। তবে লেখক খুব সুন্দর এক অতি প্রাকৃতিক রহস্যের পরিবেশ সৃষ্ঠি করেছেন এই উপন্যাসের মাধ্যমে ।।
ত্রিপুরা রাজ্যের যে ইতিহাসের পরিচয় পেয়েছি গল্পে তা সত্যিই সুন্দর এবং যথেষ্ট শিক্ষণীয়।।
🍁🍁গল্পের গতি যথেষ্ঠ ভালো হলেও মূল গল্পের সাথে অন্তিম পর্ব খাপছাড়া লেগেছে।। ঠিক ভালও না আবার খারাপ ও না।
🍁🍁গল্পের মাঝে শ্রী নৃ সিংহ দেবার অবতার ও শিবের অবতার সম্পর্কে তথ্য টুকু বাদ দিলে খুব একটা আহামরি কিছু নেই।। তবে গল্প হিসেবে খারাপ না।
রেটিং ১০/৫
🍁🍁 বাংলাদেশ ও ভারতের বর্ডার ঘেঁষা রাজ্য ত্রিপুরার অবস্থিত এক কাল্পনিক জঙ্গল কে কেন্দ্র করে লেখা এই গল্প।। এই জঙ্গলেই অবস্থান করছেন এক আদিম দেবতা যার পূজা করে আসছে , প্রায় আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন এক আদিবাসী গোষ্ঠী।। প্রত্যেক বারো বছর অন্তর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে কিছু হিংস্র প্রজাতির প্রাণী যাদের থেকে সমগ্র মানব সভ্যতাকে বাঁচিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে এই গ্রামের লোকেরা ।
🍁🍁এই গ্রামেই ফরেস্ট অফিসার হয়ে পোস্টিং হয় দিল্লি নিবাসী রামানুজ এর। ঘটনা চক্রে সে এই সব কিছুর সাথেই জড়িয়ে যায়।। কি হয় গল্পের শেষে ! কি বা রয়েছে জঙ্গলে কেন তার জন্যে জঙ্গলে যাওয়া নিষেধ , গ্রামবাসি রাও কেন জঙ্গলে যায় না?
🍁🍁 উপন্যাস হিসেব খুব আহামরি লেগেছে তা বলবো না , মাঝারি মানের লেখা। তবে লেখক খুব সুন্দর এক অতি প্রাকৃতিক রহস্যের পরিবেশ সৃষ্ঠি করেছেন এই উপন্যাসের মাধ্যমে ।।
ত্রিপুরা রাজ্যের যে ইতিহাসের পরিচয় পেয়েছি গল্পে তা সত্যিই সুন্দর এবং যথেষ্ট শিক্ষণীয়।।
🍁🍁গল্পের গতি যথেষ্ঠ ভালো হলেও মূল গল্পের সাথে অন্তিম পর্ব খাপছাড়া লেগেছে।। ঠিক ভালও না আবার খারাপ ও না।
🍁🍁গল্পের মাঝে শ্রী নৃ সিংহ দেবার অবতার ও শিবের অবতার সম্পর্কে তথ্য টুকু বাদ দিলে খুব একটা আহামরি কিছু নেই।। তবে গল্প হিসেবে খারাপ না।
রেটিং ১০/৫
April 29, 2024
মৃত কৈটভ। ফন্টের কারণে বইয়ের নামটা ঠিক পড়ছি নাকি ভুল পড়ছি এটা শুধু প্রচ্ছদ যখন দেখতাম বেশ কিছুদিন বুঝতেই পারিনি। যাই হোক, প্রচ্ছদটা কিন্তু দারুণ সুন্দর।
গল্পের শুরুটা খুবই চমৎকার। ত্রিপুরার এক পাহাড়ি গ্রাম সেই গ্রামের ধার ঘেষে এক গহীন বন। ত্রিপুরা রাজ্য সরকার রাবার চাষের জন্য বন অধিগ্রহণ করতে বনবিভাগ থেকে এক ডাকসাইটে অফিসারকে পাঠায় কিন্তু গ্রামবাসী তাতে বাঁধা দেয়। সেই বন আর গ্রামকে কেন্দ্র করেই এক 'রোমাঞ্চকর ভয়ালকাহিনী'।
গল্প খুব সুন্দর করেই আগাচ্ছিলো কিন্তু নাজিমুদ্দিন সাহেবের বাতিঘর প্রকাশনীর সেই চিরাচরিত অভ্যাস প্রুফ রিডিংয়ের জন্য উনারা জিরো বাজেট রাখেন। পড়তে গিয়ে পাতায় পাতায় যেটা অত্যন্ত বিরক্তির কারণ হয়।
শুরুটা খুব সুন্দর কিন্তু মাঝে পুরাণের চ্যাপ্টারটা একটু লম্বা মনে হয়েছে আরও মনে হয়েছে শেষটা লেখক একটু তাড়াহুড়োয় শেষ করেছেন। আরেকটু সময় নিয়ে আরও একটু ডিটেইলে গল্পটা বলে বোধহয় শেষ করা যেত। আগে উনার আরও তিনটা বই পড়েছি দেখেই এটা আরও বেশী করে মনে হয়েছে। রহস্য-রোমাঞ্চ পছন্দ হলে ভালো লাগবে।
গল্পের শুরুটা খুবই চমৎকার। ত্রিপুরার এক পাহাড়ি গ্রাম সেই গ্রামের ধার ঘেষে এক গহীন বন। ত্রিপুরা রাজ্য সরকার রাবার চাষের জন্য বন অধিগ্রহণ করতে বনবিভাগ থেকে এক ডাকসাইটে অফিসারকে পাঠায় কিন্তু গ্রামবাসী তাতে বাঁধা দেয়। সেই বন আর গ্রামকে কেন্দ্র করেই এক 'রোমাঞ্চকর ভয়ালকাহিনী'।
গল্প খুব সুন্দর করেই আগাচ্ছিলো কিন্তু নাজিমুদ্দিন সাহেবের বাতিঘর প্রকাশনীর সেই চিরাচরিত অভ্যাস প্রুফ রিডিংয়ের জন্য উনারা জিরো বাজেট রাখেন। পড়তে গিয়ে পাতায় পাতায় যেটা অত্যন্ত বিরক্তির কারণ হয়।
শুরুটা খুব সুন্দর কিন্তু মাঝে পুরাণের চ্যাপ্টারটা একটু লম্বা মনে হয়েছে আরও মনে হয়েছে শেষটা লেখক একটু তাড়াহুড়োয় শেষ করেছেন। আরেকটু সময় নিয়ে আরও একটু ডিটেইলে গল্পটা বলে বোধহয় শেষ করা যেত। আগে উনার আরও তিনটা বই পড়েছি দেখেই এটা আরও বেশী করে মনে হয়েছে। রহস্য-রোমাঞ্চ পছন্দ হলে ভালো লাগবে।
Displaying 1 - 27 of 27 reviews
























