১৯৮২ সালের ৯ এপ্রিল জন্ম। লেখিকা গবেষনাধর্মী লেখা লিখতে ভালোবাসেন। লেখালেখির পাশাপাশি নাট্য পরিচালনা এবং অনু-চলচ্চিত্র তৈরি করেন। লেখিকার নিজস্ব একটি নাটকের দল আছে, যার নাম 'অরাম নাটুয়া'। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করেছেন। লেখিকার বিভিন্ন গ্রন্থের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গ্রন্থ 'লাল চিনার পাতা', 'সেথায় চরণ পড়ে তোমার', 'বিস্মৃতির দর্পনে বিশ্বরূপ', '১৯৩৭ নানকিং', 'মীরা', '১৯৮৪ সর্দার গদ্দার হে', 'ভাঙা শিকারা', 'ধর্ষণের সেকাল ও একাল'।
এ আমি কী পড়লাম! লালমোহন গাঙ্গুলী'র লেখা 'আণবিক দানব' প্রসঙ্গে ফেলুদা'র অভিমত ছিল, "ম্যাক্সিমাম গাঁজা।" কিন্তু এই বই তো তাকেও ছাপিয়ে গেছে! কথায়-কথায় আকাশ থেকে নেমে আসা মহাকাশযান, মানবীর গর্ভে দেবতার সন্তান, মন্দিরের নকশায় লার্জ হেড্রন কোলাইডারের ডিজাইন, সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণে রোগের চিকিৎসা, রথের চাকায় টাইম ট্র্যাভেল... পড়তে গিয়ে খুব খারাপ লাগল, জানেন। সুযোগ ছিল অতীতের স্থাপত্য আর ভাস্কর্যের সঙ্গে যুক্ত নামহীন বিশ্বকর্মাদের স্বীকৃতি দেওয়ার। সুযোগ ছিল এক বিস্মৃত কালের পরিচয় পাঠকের সামনে তুলে ধরে তাঁদের নতুন করে সে-সব নিয়ে পড়তে বা জানতে উদ্বুদ্ধ করার। সে-সব কিস্যু হল না। তার বদলে এমনই জিনিস লেখা হল যে প্রশ্ন জাগে, "কোন ব্র্যান্ড? সাপ্লায়ার কে?" পড়বেন না, প্লিজ।