এই উপন্যাসের তিনটি অংশ আছে, যারা একসময় স্বতন্ত্র বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। তারা হল~
১. শরীরী-অশরীরী (বড়োগল্প);
২. বহ্নিপতঙ্গ (বড়োগল্প);
৩. অদ্বৈত (উপন্যাস)।
প্রথমে আমরা দেখি, কীভাবে সদ্য-বিবাহিত মোহনা ও অগ্নি'র সংসারে ঢোকে এক ভয়াবহ পুতুল— যা তাদের জড়িয়ে ফেলে কিছু অঘোরীর সঙ্গে। পরের পর্বে মাথা তোলে মোহনা'র পূর্বজন্ম—যা তাকে প্রস্তুত করে নিয়তি-নির্ধারিত ঘটনাক্রমের জন্য। শেষে হয় সংঘাত ও শাপমোচন।
কিন্তু...
এই অঘোরী, ঘাড় মটকানো, পূর্বজন্ম, পিশাচিনী— এ-সব ছাইভস্ম পড়ার জন্য তো আমরা তীর্থ প্রতিম দাসের লেখা হাতে তুলে নিই না।
আমরা বরং চাই সঙ্গীতশাস্ত্র, তন্ত্রের দর্শন, আর আধুনিক পদার্থবিদ্যার মেলবন্ধনের আখ্যান।
মানলাম, এগুলো তাঁর প্রথম দিকের লেখা। তা বলে এত অসহ্য রকম বিরক্তিকর প্রটাগনিস্টদের কারবার আমি শেষ কবে পড়েছি, মনে করতে পারছি না।
তাছাড়া লেখায় সেই ভাবগম্ভীর সৌন্দর্য কোথায়, যা 'তালভৈরব'-এ আমায় শিহরিত করেছিল?
হতাশ হলাম। কবে যে আবার ফিরে পাব 'তালভৈরব'-এর স্রষ্টাকে, কে জানে!