Jump to ratings and reviews
Rate this book

সাতকাহন #1

সাতকাহন

Rate this book
এ-উপন্যাসের কেন্দ্রচরিত্র সাহসী, স্বাতন্ত্র্যচিহ্নিত এক মেয়ে, দীপা - দীপাবলী, যার নামের মধ্যেই নিহিত অন্ধকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আভাস। নিয়ত সংগ্রামরতা প্রতিমার মতো সেই মেয়ে দীপা, আর চালচিত্রে একের পর এক বর্ণাঢ্য ছবি। উত্তরবাংলার চা-বাগান, গাছগাছালি আর আঙরাভাসা নদী দিয়ে সে চালচিত্রের সূচনা। দ্বিতীয় খন্ডে ক্রমান্বয়ে ফুটে উঠেছে পঞ্চাশের কলকাতা ও শহরতলি, কো-এডুকেশন কলেজ, মেয়েদের হোস্টেল, কফি হাউস, সমকালীন ছাত্র-আন্দোলন ও রাজনৈতিক পটভূমি, সর্বভারতীয় কর্মজীবনের পরিবেশ ও প্রতিকূলতার জীবন্ত চিত্রাবলি। স্বাধীনতা-উত্তর বাঙালি জীবনে স্বাধীকার অর্জনের লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রয়াসে মেয়েদের সাধ, সংকল্প ও সংগ্রামের এক জীবন্ত, ধারাবাহিক ছবি ফুটিয়ে তোলার জন্য অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে সমরেশ মজুমদারের সুদীর্ঘ, সুকল্পিত, সুবিন্যস্ত এই উপন্যাস।

319 pages, Hardcover

First published December 25, 2004

326 people are currently reading
4554 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

348 books718 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1,662 (51%)
4 stars
1,038 (32%)
3 stars
377 (11%)
2 stars
82 (2%)
1 star
54 (1%)
Displaying 1 - 30 of 181 reviews
Profile Image for Israt Zaman Disha.
194 reviews640 followers
January 10, 2019
ছোটবেলায় পড়েছিলাম। কিছু বুঝেছিলাম কিনা মনে নেই। তাই আবার পড়লাম।

সমরেশের লেখনী টানে না অনেকদিন থেকেই। এইটাও তার ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু দীপাবলি প্রচণ্ড টেনেছে। হয়ত বাংলা সাহিত্যে এরচেয়েও শক্তিশালী চরিত্র ঢের আছে। আমার অল্প পড়াশুনার মধ্যে দীপবলিকে আমার ভালো লেগেছে। নিজের ভিতর মনে হয়েছে ওর ছায়া দেখতে পেয়েছি। কিন্তু ভুল ভাঙতে সময় লাগেনি। দীপাবলির মত হয়ত প্রচুর ভাবি কিন্তু ওর মত সরল, অকপট, স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারি না। এই ব্যাপারটা আমার খুব ভালো লাগে। আজকাল মানুষের মধ্যে এই গভীরতা দেখতে পাই না। অপ্রয়োজনীয় কথা বলতেই বেশি ভালোবাসে। দীপাবলির সাথে আমি যেন কথা বলছিলাম। এইজন্যই বইটা ভালো লেগে গেল।
Profile Image for Rashik Reza Nahiyen.
110 reviews14 followers
August 25, 2023
ক্লাস সেভেনের শেষের দিকে শুরু করেছিলাম, ওইটুকু বয়সে জীবনের কীই বা বুঝতাম! কিন্তু বুঝতে চেষ্টা করতাম। দীপাবলির গল্প পড়তে পড়তে কতরাত এমন হয়েছে যে তাকিয়ে দেখি ভোর হয়ে গিয়েছে! সম্ভবত এই বইয়ের মাধ্যমেই নারীসত্ত্বাকে সম্মান জানানোর একটা বোধ তৈরি হয়েছিল আপনা থেকেই। অদ্ভুত ভাল লাগায় আচ্ছন্ন করে রাখা এই বইটি আমার অন্যতম প্রিয় উপন্যাস।
Profile Image for Adwitiya (অদ্বিতীয়া).
306 reviews41 followers
October 11, 2020
"তুমি পথিক, পথ তোমার। সেই পথ কীভাবে তৈরি হয়েছে তা তোমার জানার কথা নয়। পথিকের কাজ পথ ধরে এগিয়ে যাওয়া এবং লক্ষ্যে পৌঁছানো৷ লক্ষ্যে পথিক পায়ের ধুলো জলে ধুয়ে ফেলে, এবং পথ পড়ে থাকে পথে।"
Profile Image for Rifat Shohan.
34 reviews17 followers
April 28, 2021
"ভালোবাসা হলো বেনারসি শাড়ির মতো, ন্যাপথালিন দিয়ে যত্ন করে আলমারিতে তুলে রাখতে হয়, তাকে আটপৌরে ব্যবহার করলেই সব শেষ।"

"মুখ অনেকগুলো কিন্তু মুখোশ এক।"

"দীপাবলি" এর অসাধারণ ক্যারেক্টার বিল্ড-আপ সাথে বেশ কিছু চমক আর ঝরঝরে প্রাঞ্জল লেখনি৷ সমরেশ মজুমদারের সেরা বইটি সম্ভবত পড়ে ফেললাম।
৫/৫...এর বেশি কিছু বলার নেই।
Profile Image for Farhana Lüba.
230 reviews18 followers
February 4, 2023
আসলে আমি নিজেও ভাবি নি বইটাকে তিন তারা দেবো। পড়ার আগে বেশ উৎসাহ নিয়ে শুরু করেছিলাম...এখন যে উৎসাহ একেবারে দমে গেছে, তা নয়। কিন্তু দীপাবলী চরিত্রটাকে আমার খুব একটা ভালো লাগছে না। জানি, ভালো-খারাপ মিলিয়েই মানুষ, কিন্তু এই মেয়ে এত জাজমেন্টাল, সেল্ফ-অ্যাবজর্ব্ড, সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা যে আমার ওকে নিতে কষ্ট হচ্ছে। এটা বলাতে আমাকেও জাজমেন্টাল মনে হচ্ছে কি না, কে জানে!
শুরুটা বেশ সুন্দর ছিলো। খুব ভালো লাগছিলো পড়তে। অমরনাথ, অঞ্জলি, দীপাবলী, মনোরমার ছোট্ট সংসারটা বেশ ভালোই লাগছিলো। এরপর দীপার বিয়ে এসে সব ওলটপালট হয়ে গেলো। একে একে বের হয়ে যেতে থাকলো সবার কদর্য রূপ। অবশ্য অমরনাথকে কি আমি লোভী বলবো? আমি জানি না। ঐ যে বললাম, কোনো মানুষই ভালো-খারাপের ঊর্ধ্বে নয়? আমার মনে হয় লোভটা এসেছিলো তার below the bar জীবনযাপন থেকে। যারা খেয়ে-পরে বাঁচে, তাদেরকে অমন বিলাসবহুল জীবনযাপনের হাতছানি দেখালে সেটা উপেক্ষা করাটা বেশ কষ্টের। কিন্তু তার জন্য কিন্তু তিনি কম আত্মগ্লানিতে ভোগেন নি। সেই কারণে ওর চরিত্রটার প্রতি আমার বেশ শ্রদ্ধা কাজ করেছে।
তবে আমাকে যদি বলা হয়, আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র কে? আমি অবশ্যই বলবো সত্যসাধন মাস্টারের কথা। তার শেষটায় আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নি। যুগে যুগে তার মত যত শিক্ষক এসেছেন, কিংবা আসছেন, সবার প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো।
দীপার জীবনকে স্টার জলসা/জি বাংলার নাটক কিরণমালার কাহিনী বললেও ভুল হবে না। ওর জীবনে সমস্যার আসলে কোনো শেষ নেই। তার আগে বলি ওকে কেন আমার জাজমেন্টাল, সেল্ফ-অ্যাবজর্ব্ড এবং অন্যান্য মনে হয়েছে।
মেডিকেলে আমাদের ব্যাচে একটা মেয়ে ছিলো ঠিক এমন। হোস্টেলে শুরু থেকেই গণরুমের কোনো মেয়ের সাথে ওর খাতির ছিলো না, কিন্তু ব্যাচের ছেলেদের সাথে ওর বেশ খাতির। এ নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু সমস্যাটা হলো, ওর অনেক ছেলে বন্ধু থাকায় ও নিজেকে সুপিরিওর, এবং অন্যদের থেকে আলাদা ভাবতে শুরু করলো। দীপার মধ্যেও আমি এই pick-me-girl tendency দেখতে পেয়েছি, যেটা ফেমিনিস্ট হিসেবে আমাকে খুব বিরক্ত করেছে। মনে হচ্ছিলো ওর সব কর্মকাণ্ডেই একটা লোক দেখানো ভাব। এই যে দেখো, ছেলেরা আমার সাথে নিজে যেচে কথা বলতে আসে, এই দেখো, আমি "অন্য মেয়েদের মত" শাড়ি-চুড়ি-গহনা নিয়ে কথা বলি না, এই দেখো, আমার চিন্তাধারা তোমাদের কারোর মত নয়...এগুলো আমাকে খুব বিরক্ত করেছে। আমিও হোস্টেলে থেকেছি, এবং এমন অসংখ্য মেয়ে আছে যারা মনিপুরী শাড়ি নিয়ে অবসেসড, সাথে বাঁশিও বাজায়, আবার সাইকায়াট্রিতে এফসিপিএসও করছে। শাড়ি-চুড়ি-গহনা নিয়ে থাকলেই সে কোনো অংশে কি দীপার চেয়ে কম? আশ্চর্য চিন্তাধারা এই মেয়ের! আর ছেলেদের সাথে কথা বলার ব্যাপারটা। দীপা মনে করে, ছেলেরা অনেক উচ্চমার্গীয় কথাবার্তা বলে, মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলে ঐ শাড়ি-চুড়িতেই ফিরে আসতে হবে, এটা কোনো কথা? ও নিজে কোন মেয়ের সাথে উচ্চমার্গীয় কথা বলে উল্টিয়ে ফেলেছিলো? পুরো বইয়ে কোথাও তো দেখলাম না! মায়া যখন কমিউনিজম নিয়ে ওর সাথে কথা বলতে চায়, তখনো ও এড়িয়ে চলে মায়াকে। আবার এদিকে, রাধা কয়টা শাড়ি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরে, সেটাও ও লক্ষ্য করে। তাহলে তো বাবা তুমিও সেই জিনিসটাই হলে, যেটা তুমি ঘৃণা করো!
আর এই মেয়ের প্রেমে পড়ার ক্ষমতা, বাপ রে বাপ! মনে হচ্ছিলো যার সাথে একটু ভালোমতন কথা হয়, তারই প্রেমে পড়ে যায়। আবার সে কি না জাজ করতে যায় ওর রুমমেটকে, রাধাকে, রমলাকে, যে তারা কার সাথে কেন প্রেম করছে এবং কেন ছেড়ে দিচ্ছে! আরে বাবা, এতে নাক গলানোর তুমি কে? তাছাড়া, নিজেকে অতিরিক্ত feisty প্রমাণ করার একটা আকুলতাও এই মেয়ের মধ্যে দেখা যায়, এবং সেটাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরুষের সামনে। কেন? ব্যাপারটা কি তোমাকে অন্যরকম সুপিরিওর ফিল করায়?
আরো বলতে পারতাম, কিন্তু ফলোআপে যেতে হবে। কিছুটা বিরক্তও লাগছে এত বদনাম করতে। যাই হোক, মোট কথা হচ্ছে দীপাবলীকে আমার ভালো লাগে নি। ও ছোটবেলায় ভালো ছিলো, বড় হয়ে যেন কীরকম একটা মন-মানসিকতা হয়ে গেছে ওর। সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা মানুষ বরাবরই আমার অপছন্দের, তাই এতগুলো কথা বলা। থ্যাংক গড যে আমি টিনএজ বয়সে এই বই পড়ি নি, তাহলে নিজেকে এমন pick-me-girl হিসেবে পরিণত করার একটা চেষ্টা করে ফেলতাম হয়তো। বড় হয়ে (নাকি বুড়ো হয়ে?) পড়ছি দেখে নিজেকে ওসব আবেগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারছি।
অঞ্জলিকেও বিরক্ত লাগছে। ওর লোভ অমরনাথের চেয়েও বেশি। ওর ভাই সুভাষেরও।
মনোরমাকে মোটামুটি লেগেছে।
প্রতুল, অসীম, শমিত এবং বেশিরভাগ পুরুষ চরিত্রকেই বেশ বিরক্তিকর লেগেছে। শুধুমাত্র সত্যসাধন মাস্টার ছাড়া।
যাই হোক, এই বই পড়ে আপ্লুত হয়ে কোনো টিনএজ মেয়ে যদি রিভিউ লিখতে এসে আমার লেখাটা ভুলক্রমে পড়ে ফেলে, তাকে বলি, মেয়েরাই মেয়েদের বড় শত্রু, কথাটা ঠিক না। শত্রু আমরা নিজেরা তৈরী করি�� বন্ধুও। আশা করি জীবন তোমাকে সেই শিক্ষা দেবে।
দ্বিতীয় খণ্ডে যদি ওর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট না হয়, প্রচন্ড বিরক্ত হবো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Shadin Pranto.
1,494 reviews582 followers
November 23, 2017
খুব খুব খুব ওভাররেটেড উপন্যাস। এরচাইতে ঢের ভালো লেখা আছে সমরেশ মজুমদারের।
11 reviews4 followers
May 8, 2018
অ-সা-ধা-র-ণ :)
আর কিছুই বলার নেই :)
Profile Image for Sahadat Hossain.
82 reviews24 followers
December 16, 2018
আজ থেকে ১০ বছর কিংবা ২০ বছর পর যদি আবার তোমার সাথে দেখা হয়, তখনো কি তুমি তোমার মত থাকবে? ঘুণ পোকাতে কাটা পড়বেনাতো? মাঝে মাঝে ভাবি, তুমি কি আসলেই তুমি থাকবে? তোমাকে প্রথম বার দেখেছিলাম ২০০৯ সালে? সত্যি কথা বলতে গেলে প্রতম দেখাতে তোমাকে আমার মোটেই ভাল লাগেনি। বরং তোমার নামটা আমাকে জাদু করেছিল... নাম দেখেই তোমাকে আমি আপন করে নিয়েছি...আজ ঠিক এই দিনে আমি তোমাকে দেখেছিলাম... তোমার হয়তো সেটা জানা নেই... তোমার অবশ্য জানার কথাও নয়।। তোমাকে দিয়ে আমার শুরু।। তারপর একটানা ২ বছর পার করে দিলাম।। কখন আলাদা করিনি... কিন্তু ২০১১ সালে কি হয়ে গেল!!!! তোমাকে ভুলে গেলাম।। তোমার আর আমার মাঝে তৈরি হল বিশাল ফারাক... ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৩ এর অনেকটা সময় তোমার সাথে আমার দূরত্ব ক্রমাগত বেড়েই চলেছে... আজ আবার তোমার সাথে দেখা হল... তুমি কেমন যেন বদলে গেছ... আগের চেয়ে আরো বেশি কাছের মনে হচ্ছে...



এখনো মনের আয়নাতে ভেসে উঠে সে চা বাগানের মাঝে কিশোরি দীপার ছুটাছুটি... অকালে বিয়ে... হাহাকারে ভরে যায় দুনিয়া, আমার দুনিয়া... ডুয়ার্সের জঙ্গল আমাকে পাগল করে তুলেছিল...এখনো আমি এই জঙ্গলের মোহে ডুবে আছি...।
Profile Image for Khadijatul Kobra Alvi.
46 reviews
July 24, 2021
বইয়ের নামঃ সাতকাহন
লেখকঃ সমরেশ মজুমদার

'সাতকাহন'- এক কথায় এক সাহসী নারীর সংগ্রামের চিত্র! যেকোন মেয়ের জন্য বইটি অনুপ্রেরণা! দুটি খন্ডে বিভক্ত এত বড় বইটির সারমর্ম স্বল্প কথায় ব্যাখ্যা করা একটু দুষ্কর বটে।

তথাকথিত সামাজিক রীতিনীতি, ধর্মীয় গোড়ামি, চাপিয়ে দেওয়া বদ্ধমূল চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে আপোষহীন এক চরিত্র দীপাবলী। হ্যা, 'দীপাবলি বন্দ্যোপাধ্যায়'- সমরেশ মজুমদার রচিত 'সাতকাহন' বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র। বইটিতে মূলত দীপাবলির শৈশব, কৈশোর, যৌবন, ব্যক্তিজীবন, চাকরীজীবন প্রভৃতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হয়েছে! দীপাবলির স্বভাব-চরিত্র অত্যন্ত নিপুণ এবং সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বইটিতে। অন্যান্য চরিত্রগুলোকেও অসাধারনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন সমরেশ কাকু!

একটা সদ্য কিশোরী মেয়ের সিথিতে সিঁদূর, বিয়ের তিনদিনের মাথায় স্বামী হারিয়ে বাবার বাড়িতে ফিরে আসা, বৈধব্যজীবনের বিরুদ্ধে গিয়ে অজানা, অনিশ্চিত, নতুন জীবনের সূচনার প্রতি পদে পদে নানা বাধা-বিপত্তি, সংগ্রাম, বিদ্রোহের ভাষা ফুটে উঠেছে সমরেশ কাকুর কলমের কালিতে! বইটিতে নারী জীবনের নানা সীমাবদ্ধতা, নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, একা একটা নারীর পথচলা, বিদ্রোহ এবং সংগ্রাম ঠাই পেয়েছে! এছাড়াও ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক পরিবেশের অপরুপ বর্ননা, সমকালীন ছাত্র আন্দোলন এবং রাজনৈতিক পটভূমি, সরকারী চাকুরী ও চাকুরীজীবিদের অসামান্য চিত্র ফুটে উঠেছে বইটিতে।

দীপাবলি চরিত্রটি নিঃসন্দেহে বেশ আকর্ষণীয়, আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন অসাধারণ ব্যাক্তিত্ব! কিন্তু এছাড়াও রমলা সেন, সত্যসাধনবাবু, অমল, খোকন এই চরিত্রগুলোও আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে।

সাতকাহন থেকে ভালো লাগা উক্তিগুলোঃ
* " বিজ্ঞজনেরা বলে কখনো কাউকে ভালবাসলে তাকে বিয়ে করো না। ভালবাসা হল বেনারসি শাড়ির মত, ন্যাপথালিন দিয়ে যত্ন করে আলমারিতে তুলে রাখতে হয়, তাকে আটপৌরে ব্যবহার করলেই সব শেষ। "
* " মুখ অনেকগুলো কিন্তু মুখোশ এক । "
* " স্বাধীনতার জন্য যোগ্য হতে হবে তারপর বাইরের স্বাধীনতা আদায় করতে হবে।"
* " ভালবাসা কখনো কৃতজ্ঞতা থেকে জন্মায়। কৃতজ্ঞতা মানুষকে নম্র করে হয়তো সেই নম্রতা সইতে শেখায়। সয়ে গেলে একসময় ভালবাসা তৈরি হয়ে যায়।"
* " শাসন শুনতে যতই খারাপ লাগুক, যে মানুষের জীবনে শাসন মানুষ থাকে না তার মত অভাগা আর কে আছে।"
* " বিষয় সম্পত্তি মানুষকে নির্লজ্জ করে। বিশেষ করে আর্থিক দূরবস্থায় পড়লে এবং সামনে কোন নির্দিষ্ট উপায় না থাকলে সে অসহায় হয়ে পড়ে। তরুণ বয়সে যা সহনীয় হয় যৌবন পেরিয়ে তা হয়ে দাঁড়ায় পীড়াদায়ক। তখন ডুবন্ত মানুষের পায়ের মতো মানুষের মন কিলবিল করতে থাকে একটু শক্ত জমির জন্য। ন্যায়,নীতি, স্নেহ, ভালবাসা ইত্যাদির ওপর নিজেকে স্তোক দেওয়া পোষাক পড়িয়ে দিতে সে মোটেও দেরী করেনা।"
Profile Image for Ummea Salma.
126 reviews126 followers
May 7, 2020
দীপার ছেলেবেলার গল্পটুকু কি সুন্দর! একদম সুন্দর সাজানো স্বপ্নের মতন!
Profile Image for Tasfia Promy .
117 reviews38 followers
November 2, 2014
মৃত্যু কি সহজ, কি নিঃশব্দে আসে অথচ মানুষ চিরকালই জীবন নিয়ে গর্ব করে যায় ------
Profile Image for Rifat Ridwan.
80 reviews7 followers
June 8, 2022
সাতকাহন—আমার ইহ জনমের একমাত্র ভালোবাসা।
Profile Image for Susmita Sarker (বাচ্চা ভূত).
194 reviews11 followers
December 9, 2022
জীবনটাকে দু চোখ মেলে দেখতে হবে!
জানি না কি লেখা উচিত, কিছু কিছু বই প্রচন্ড নাড়া দিয়ে যায়:
Profile Image for Tasnim Z.
50 reviews55 followers
May 18, 2021
প্রথমবার পড়েছিলাম ক্যাডেট কলেজের লাইব্রেরিতে। তখন সেভেন কি এইটে পড়ি। কি পড়েছি কিছু মনে নেই। দীপাবলি কে মনে ছিলো স্পষ্ট, আর রমলা সেনকে আবছা৷ তাই আবার পড়লাম। নতুন নতুন একটা ফিল আসলো। কিছু জায়গায় মনে হয়েছে সমরেশ মজুমদার অপ্রয়োজনীয় লাইন বাড়িয়েছেন যেটা না করলে আরও চমৎকার হতো। আর শেষে অমলের সাথে দীপাবলির এত দ্রুত সখ্যতার ব্যাপারটা তেমন ভালো লাগেনি। দীপাবলিকে পুরো উপন্যাসজুড়ে যতটা অনড় চরিত্র হিসেবে দেখেছি, শেষ দৃশ্যে এসে কিছুটা তরল হয়ে গেলো...
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Pranta Biswas.
122 reviews4 followers
April 6, 2023
দীপাবলির জীবনে�� কামব্যাকটি ভাল লেগেছে। বাকি উপন্যাসের আর কিছুই তেমন অসাধারন মনে হয়নি। কিছু কিছু জায়গায় মনে হয়ছে নিজের জীবনকে অযথা জটিল করে তুলছে এই জেদী মেয়েটি। পুরো উপন্যাস পড়ার সময় জুড়েই কেমন একটা নির্লিপ্ততা কাজ করেছে। উপন্যাসের সমাপ্তিতে এসেও তা অটুট আছে।
Profile Image for Puja Majumder.
2 reviews6 followers
Read
February 14, 2023
সাতকাহন 🖤
"এক ফোঁটা চোখের জল একশ ফোঁটা রক্তের চেয়ে দামী"

"তারমানে আমি তোমার এতখানি অবহেলার পাত্র?"

দীপাবলী কেবলমাত্র কুসংস্কারাচ্ছন্ন এক মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা, বাল্যবিবাহের শিকার হওয়া, অন্যায়ের গ্যাড়াকলে চাপা পড়া কোনো সাধারণ নারী নয়!দীপাবলী সকল অক্ষমতা, অভাবের মাঝেও নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকা, অন্যায়ের সাথে আপোষ না করা, হাজার ক্ষতির পরেও আত্মসম্মান বজায় রাখা সকল সাধারণের মাঝেও অনন্যা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা নারীর প্রতীক।

এ গল্প চা বাগানে ছেলে মেয়ে বিভেদ করা কুসংস্কারাচ্ছন্ন এক পরিবারের ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠেও নিজের মধ্যে নারী পুরুষ সমতার সচেতনতা ধারণের গল্প।ভালো একজন অভিভাবক ও শিক্ষকের সাহচর্যে নিজেকে গড়ে তুলবার গল্প।
এ গল্প নিজের অতি প্রিয়জনকে ছেড়ে গিয়ে হলেও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থাকার গল্প।
এটা একটা উপন্যাস না বরং একটা মেয়ের জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে যা যা বাধা আসে তা পেরিয়ে কিভাবে এগিয়ে যাবে তার একটা পাথেয়।
Profile Image for Shefa.
28 reviews
January 18, 2022
এই বইয়ের রিভিউ করবো,অত সাহস আমার নাই!
Profile Image for Shihab Uddin.
292 reviews1 follower
September 9, 2022
"দীপাবলি মানে লেখকের অনন্য এক সৃষ্টিশীল চরিত্র !"
Profile Image for Zinia Rahman.
62 reviews6 followers
August 27, 2022
আমি বাস্তবে, কল্পনায়, বইয়ের পাতায়, পর্দায় অনেক সুন্দর মানুষ দেখেছি। কিন্তু দীপাবলির মতো আর কেউ না। এই সৌন্দর্য বাহ্যিক না, এ সম্পূর্ণ ব্যাক্তিত্বের উজ্জ্বলতা। এ কথা সত্যি দীপাবলি তথাকথিত সুন্দরীদের একজন তবে তার ভিতরের প্রখরতার পাশে তা কিচ্ছু না। মানব চরিত্রের অন্দরমহল যদি তার বাকি সবকিছু ছাড়িয়ে চারদিকে আলো ছড়াতে পারে তবে এজন্ম তার সার্থক!

আমি মনে করি প্রতিটা মানুষের, ছেলে-মেয়ে উভয়ের, দীপাবলি ব্যানার্জির মতো হুবুহু না হলেও তার চেতনার খানিকটা নিজ সত্তায় লালন করা উচিত!
Profile Image for Shamima Nasrin Shanta.
12 reviews
September 24, 2020
বই রিভিউ:

'মেয়েছেলে'-শব্দটা এখনও আমাদের সমাজে প্রকটভাবে ছড়িয়ে আছে। একজন মেয়ে কে প্রকাশ করতে কেন 'ছেলে' শব্দটা সাথে জুড়ে দিতে হবে!!
_এরকমই কিছু প্রশ্ন নিয়ে বড় হতে থাকা 'দীপাবলী' নামক এক মেয়ের জিবন কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে 'সাতকাহন' উপন্যাসের মাধ্যমে। বিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ের মেয়ে দীপা উপন্যাসকে বয়ে নিয়ে গিয়েছে শেষ পর্যন্ত।

১০ বছর বয়সী এক কিশোরীর দুরন্তপনার মাধ্যমে শুরু হয় উপন্যাসটি। মায়ের শাসন,বাবার আদর,দাদীর স্নেহ,বন্ধুদের ভালবাসায় সিক্ত মেয়েটা চা-বাগানে বড় হতে থাকে। চা-বাগানের সৌন্দর্য্যে আর সকালের শিউলি ফুলে ছড়িয়ে থাকে যার মুগ্ধতা। পড়াশোনায় আগ্রহ থাকা সত্বেও চা-বাগানের নিম্নবৃত্ত পরিবারের মেয়ে দীপার বিয়ে ঠিক হয় জলপাইগুরীর এক ধনী পরিবারে, যখন সে বিয়ের মানেই বোঝে না। আপত্তি থাকা সত্বেও দাদীর জোড়ালো মতামতের জন্য বিয়ে হয়ে যায়। এর মধ্যেই সে জানতে পারে, এতদিন যাদের কাছে বড় হয়েছে, তারা তার আসল বাবা-মা নয়। এক মুহূর্তের মধ্যেই তার বিশ্বাস নামক পৃথিবীটা ছোট হয়ে যায়। স্বামীর শারীরিক চাহিদার কদর্য রূপের কাছে নিজের অসহায়ত্ব এবং নিজেকে রক্ষা করার এক মিশ্র অনুভূতি অনুভব করে দীপা। ৭২ ঘন্টার মধ্যে অসুস্থ স্বামী মারা গেলে ১০ বছরের ছোট মেয়েটা হয়ে ওঠে তথাকথিত 'বিধবা'। বাবা-মা তাদের ভুল বুঝতে পাররলেও মেনে নিতে হয় সবকিছু। হঠাৎ করে চঞ্চল স্বভাবের ছোট মেয়েটা বড় হয়ে ওঠে এক নিমিষেই। তাকে মেনে চলতে হয় বৈধব্যের সমস্ত রীতি-নীতি। 'সত্যসাধন' মাস্টারের হাত ধরে আবারও পড়ালেখা শুরু করে দীপাবলি। মাধ্যমিক শেষ করে জলপাইগুরীতে আসতে তাকে পেরোতে হয় নানান রকম বাধা। শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি ভাগের সময় দীপা বুঝে যায়,এই পৃথিবীতে তার বিশ্বাস যোগ্য কেউ নেই। টাকা-পয়সা, লোভ-লালসার এক বিকট রুপ দেখতে পায় খুব কাছের মানুষদের কাছ থেকে। বন্ধু-বান্ধব, নতুন সম্পর্ক বিভিন্ন ধরনের মানুষ, বিশ্বাস,অবিশ্বাস,হারানোর বেদনা -সবকিছু পার করে জিবনে এগোতে থাকে দীপাবলি। লিঙ্গ-বৈষম্য দূরে সরিয়ে নিজের পায়ে দাড়ানোই যার একমাত্র লক্ষ্য, সে কি পারবে_সব বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যেতে? নাকি হোচঁট খেয়ে আটকে যাবে সমাজের তৈরী করা বিধি-নিষেধের বেড়া জালে?

ব্যাক্তিজিবন, কর্তব্যজিবন,চাকরিজিবন, বন্ধুত্ব,ছোটবেলা,বড়বেলা_সবকিছু খুব অসাধারন ভাবে প্রকাশ পেয়েছে উপন্যাসটিতে। উপন্যাসটি পড়ার সাথে সাথে আমার মনে হয়েছে আমিও যেন দীপার সাথে সাথে একটু একটু করে বড় হয়ে উঠেছি। একটা মেয়ের আত্মসম্মান যে শুধুমাত্র 'মেয়ে' হিসেবেই কতখানি থাকতে পারে, কতখানি থাকা উচিত-তা খুব গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তৎসময়ের কোন উপন্যাসে এতটা অাধুনিক চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন সত্যিই অবাক করার মতো। একজন মেয়েকে তার আত্মসম্মান বজায় রেখে জিবনে কোন কিছু অর্জন করতে যে সমাজের কত চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়-তা অত্যান্ত সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে উপন্যাসটির মাধ্যমে।

সবারই উপন্যাসটি একবার হলেও পড়া উচিত। বিশেষ করে মেয়েদের।

বইয়ের নাম: সাতকাহন
লেখক: সমরেশ মজুমদার।
Profile Image for Sadia Shetu.
9 reviews1 follower
April 15, 2021
এককথায় অসাধারন একটা বই। এই বইয়ের প্রধান চরিত্র একজন সংগ্রামী নারীর প্রতীক "দীপাবলি"। বিংশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পুরুষশাসিত সমাজে নারীর অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি প্রকাশ পেয়েছে নারীবাদী চেতনা। দীপাবলির আত্ম সম্মানবোধ, কর্মউদ্দীপনা, স্বতন্ত্র বিদ্রোহী নারী হয়ে উঠা প্রতি মুহূর্তে আমাদের বুঝিয়ে দেয় মেয়েরাও কোন অংশে কম নয়!
দীপাবলী চরিত্রটাই আমার পড়া সব উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম সেরা। "সাতকাহন" উপন্যাসটি আমার কাছে একটা ভালবাসা একটা আবেগের নাম। দীপাবলি আজও জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে আমাকে অনুপ্রাণিত করে তোলে। সকল বাধা বিপত্তিতে আত্ম সম্মান নিয়ে লড়াই করতে শিখায়। এই বইয়ের কিছু উক্তি এখনও মনে দাগ কেটে যায়ঃ-
“স্বাধীনতার জন্য যোগ্য হতে হবে তারপর বাইরের স্বাধীনতা আদায় করতে হবে।"
“ভালবাসা কখনো কৃতজ্ঞতা থেকে জন্মায় । কৃতজ্ঞতা মানুষকে নম্র করে হয়তো সেই নম্রতা সইতে শেখায় । সয়ে গেলে একসময় ভালবাসা তৈরি হয়ে যায়।“
“বিজ্ঞজনেরা বলে কখনও কাউকে ভালবাসলে তাক�� বিয়ে করো না । ভালবাসা হল বেনারসী শাড়ির মত, ন্যাপথালিন দিয়ে যত্ন করে আলমারিতে তুলে রাখতে হয়, তাকে আটপৌরে ব্যবহার করলেই সব শেষ।”
“শাসন শুনতে যতই খারাপ লাগুক, যে মানুষের জীবনে শাসন মানুষ থাকে না তার মত অভাগা আর কে আছে।”
“বিষয় সম্পত্তি মানুষকে নির্লজ্জ করে । বিশেষ করে আর্থিক দুরবস্থায় পড়লে এবং সামনে কোন নির্দিষ্ট উপায় না থাকলে সে অসহায় হয়ে পড়ে । তরুণ বয়সে যা সহনীয় হয় যৌবন পেরিয়ে তা হয়ে দাঁড়ায় পীড়াদায়ক। তখন ডুবন্ত মানুষের পায়ের মতো মানুষের মন কিলবিল করতে থাকে একটু শক্ত জমির জন্য। ন্যায়, নীতি, স্নেহ, ভালবাসা ইত্যাদির ওপর নিজেকে স্তোক দেয়া পোশাক পড়িয়ে দিতে সে মোটেই দেরি করে না”।
Profile Image for Rasel K..
25 reviews
June 1, 2022
শৈশবে ৫ ক্লাসে থাকাকালীন সম্ভবত প্রথম কুড়ি পৃষ্ঠা পড়ে দীপাবলীর সাথে পরিচয়। বছর দুই আগে বইটি কিনে রেখে দিয়েছিলাম যত্ন করে, খাবারের প্লেটের ভালো খাবারটা সবশেষে খাওয়ার অভ্যাসের মতই একটা বই ভালো লাগলে সেটা শেষ না করা একটা অভ্যাস।

বইয়ের রিভিউ লিখার মত হাত আমার নেই, কিন্তু মনের কিছু ভাবনা প্রকাশ করি। লেখকের লেখা নিয়ে কিছু বলবো না, ধরেই নিয়েছি এটা একটা জীবনবৃত্তান্ত, কোনো লেখকের লেখা গল্পঃ নয়। সম্ভবত লেখকের লেখাকে গল্পঃ বলে গণ্য করার চেয়ে বড় ক্রেডিট আমি লেখকের দিতে পারবো না।

প্রথম পর্বে দীপাবলির নিজেকে গড়ে তোলার প্রতিদিনের যে চেষ্টা, সেটা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। যে স্পৃহা আর জেদ দীপাবলি দেখিয়েছে, সেটা সবার মধ্যে আসুক।

কিন্তু দীপাবলির জেদ, অবিশ্বাস, আর সন্দেহপ্রবণতা আমার অনেকটাই বিরক্তির কারণ হয়েছিল। কিন্তু এটাও বুঝতে পারছিলাম দীপাবলির আর দশজন মেয়ের মত স্বাভাবিক থাকার কোনো কারণ নেই।

দুঃখিত। আর দশজন মেয়ে না বলে মানুষ বলা উচিত ছিল।

খোকনের মত বন্ধু সবার জীবনে আসুক। একজন ভালো বন্ধু জীবনের অস্থির সময়ে ঠিক কতটা স্বস্তি এনে দিতে পারে, সেটা হয়তো আমরা বেশিরভাগ অভাগাই জানি না। খোকন বিশুর সাথে কাটানো ছেলেবেলা আর কলকাতায় তিনজনের একসাথে কাটানো একটা দিন দীপা নিশ্চয়ই অনেকদিন মনে রাখবে।

অমরনাথ, অঞ্জলী, মনোরমা, দীপা, এদের চরিত্রের রংবদল আমি যতবারই দেখেছি, ততবারই আমি দ্বিধায় ছিলাম আমি এদের গ্রহণ করবো নাকি বর্জন।

আর কথা খুঁজে পাচ্ছি না। শেষ কথাঃ অমরনাথ আর সত্যসাধন মাস্টারের মৃত্যু আমাকে কাঁদিয়েছে।

আর কি লিখবো! সবাই বইটা পড়বেন।
Profile Image for Sheikh Marzia Amin.
45 reviews1 follower
April 11, 2021
দ্বিতীয় খন্ড যদিও সম্পন্ন করতে পারিনি প্রথম খন্ড পড়ে যত টুকু বলতে পারি দীপাবলি আসলেই অনেকটাই অন্যরকম। দীপাবলীর এত পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেকে আগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছি আসলেই অনেক দুর্দান্ত বিষয়। এঅনেক কম বয়সে অনেক কিছু শিখেছে সে তার জীবনে তবুও সে জীবনকে এত আগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছে সেটা আসলেই ভাষায় বক্তা করা অতুলনীয়।
Profile Image for Monami Arani.
42 reviews9 followers
January 29, 2021
সাতকাহন আমার জন্য একটা আবেগের নাম। সারা রাত চার্জ লাইট জ্বালিয়ে পড়ে শেষ করেছিলাম।
প্রথম খণ্ডটাই বেশি প্রিয়। দীপাবলির সরলতা আর জীবন সংগ্রাম অদ্ভুত আবেগে জড়িয়ে রেখেছিলো আমাকে। একটা মেয়ে, তার শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য..কি দারুণ প্রতিচ্ছবি জীবনের। দীপাবলিকে হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছি। সেই সাথে ডুয়ার্সের অপরূপ সৌন্দর্য্য আর লেখকের বর্ণনায় আমি দীপাবলির সঙ্গী ই হয়ে গিয়েছিলাম। আর মাঝপথে সেই যে অসীম ট্রেনে করে চলে আসলো..আহা..সদ্য কলেজে ওঠা আমার মনে তখন কি দারুণ রোমান্টিকতার জন্ম দিয়েছিলো..তবে অসীম কাপুরুষের মত সরে গিয়েছিলো দেখে তীব্র রাগও অনুভব করেছিলাম পরে। ভালবাসার মানুষের জীবনে একটা দুঃস্বপ্নের অধ্যায় থাকলেই বুঝি তা ভালবাসার অন্তরায় হয়ে যায়?
তবে সাতকাহনের শেষটা মনের মত হয়নি একদমই, হয়তো এরচেয়ে আরও ভালভাবে শেষ হতে পারতো... তারপরও সাতকাহন সবসময় প্রিয়দের কাতারেই থাকবে নিঃসন্দেহে।
Profile Image for Khushboo.
4 reviews14 followers
February 3, 2016
onekdin age jokhon boita dekhi ak vaiya bollo boi porty jokhon valolage satkahon poro sedin hoyto na pore onekta valoi hoyeche...tokhon er ami r akhoner ami ty onek tofat hoyto ato boro boi dekhe voy peye giyei porlam na j bored hoye jabo kintu osomsob uthsaho ar valolaga niye elo jibone ai boita ....dipaboli character ta nijer sathe majhe majhe ato mile jay j mone hoy kotha gulo dipabolir na amr nijer....prakritik shundorjo theke suru kore manuser nitir ar bibek er shundorjo j triptota diyeche amk ta hoyto onno kuno boi theke paini...dipabolir golpo sesh holeo tar sotta hoyto beche thakbe sobar majhe aro onek dipabolir majhe...
Profile Image for Spy.
9 reviews
April 10, 2022
উপন্যাসটা যথেষ্ট বড় ছিলো মাঝে অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় শেষ করতে করতে মনে হয় অনন্তকাল পার হয়ে গেলো।

আহা দীপাবলি, মেয়েটাকে আমি না পেরেছি মেনে নিতে না পারছিলাম ফেলে দিতে। কিছু কিছু সময় ওর ছোট ছোট বিষয়ে সময় নিয়ে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেমন মুগ্ধ করেছে, তেমনি ওর সততা এবং তার জন্য যে বিপরীত মুখী মনোভাব সেটাও আমায় ওর প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়েছে।

মাঝে মাঝে মনে হত, আর পাঁচ দশটা বাঙালি নারীর মতো হলো না কেনো। কেনো সে অলোককে ক্ষমা করে আবার নতুন করে তার জীবন শুরু করলো না। কেনই বা নিজে অলোককে ভালোবেসেও অলোকের ক্ষমা কে সাধারণ ভাবে মেনে নিয়ে আবার নিজের জীবনের একাকিত্ব দূর করলো না।

আত্মমর্যাদা?
নাকি দুর্বলতা প্রকাশ না করার প্রচেষ্টা?
1 review3 followers
Read
May 17, 2019
দীপাবলির সাথে প্রায় সবই মিলে যাচ্ছিল কিন্তু শেষে এসে ভুল ভাংল।আমরা দাসপ্রথায় এতো অভ্যস্ত যে আমরা স্বাধীনতার গল্পও হজম করতে জানি না।শেষ পরিনতিটা কেমন খচখচ করে মনে। বিয়েই যে সকল দুখের অবসান,চরম সুখের ঝরণা, তা যেন নারীর রক্তে অনেক আগেই মিশিয়ে দেয়া।
Happily Ever After কেবল স্বামীর কাছে দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। দীপার শেষ বয়সের গল্প জানার আগ্রহটা অপূর্ণই থেকে গেল।কিন্তু অনুমান করতেই পারি তা বেশ শুখের নয়।তার ভাড়া করা ফ্ল্যাটে সে একা মৃত্যুশয্যায় পড়ে আছে। মেনে নেয়া আর মানিয়ে নেয়ার যুদ্ধে তোমার প্রাপ্তি কতটুকু দীপা?
Profile Image for Rupom Ghosh.
35 reviews
September 11, 2023
সমরেশ মজুমদারের আরেকটা মাস্ট রিড!
সেরা ক্যারেক্টার স্টাডি আর স্টোরিটেলিং।
Profile Image for Zarin Tasnim.
22 reviews
October 9, 2024
বইয়ের নাম: সাতকাহন
লেখক: সমরেশ মজুমদার
জনরা: সমকালীন উপন্যাস

🌼🌼রিভিউ: উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র দীপাবলী, ডাকনাম দীপা। বাবার নাম অমরনাথ। জন্মের পরেই গর্ভধারিণী মাকে হারায় দীপা। পরবর্তী সময়ে তার মাস�� মা আর দাদি মনোরমার পীড়াপীড়িতে মাত্র ১২ বছর বয়সে বিয়ে করতে বাধ্য হয় দীপা। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, বিয়ের পরের দিনই বিধবা হতে হয় তাকে। তাই বাধ্য হয়েই বাবার বাড়ি ফিরে আসে সে। আর পাঁচটা বাঙালি হিন্দু বিধবার মতোই জীবন কাটানোর কথা ছিল তার। কিন্তু নিয়তির কাছে হার না মেনে দীপা বেছে নিল স্রোতের প্রতিকূলের পথ। আর এই ক্ষেত্রে তাকে মনোবল দিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য কর্ক তার মাষ্টার সত্যসাধন বাবু।

নিজের জীবনকে নতুন করে গড়তে, অজানার পথে যাত্রা শুরু করল সে। এক আত্মীয়ের সহায়তায় মাধ্যমিক শেষ করে কলেজে ভর্তি হয় দীপা। শুরুতেই কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনার সুযোগ পায় সে। কলেজে পড়ার সময় বন্ধুত্ব হয় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে, চেনা জানা হয় এক এক বার এক এক ধরনের মানুষের সঙ্গে। নানা প্রতিকূলতার আসে তার জীবনে কিন্তু তবুও সে এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সে এই লড়াই এ কি টিকে থাকতে পারে? আর ১২ বছর বয়সে তার জীবনে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেটা ভুলে কী দীপা নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে? দীপার এই সংগ্রামী জীবনের কাহিনী জানতে হলে আপনাকে বইটি পড়ে দেখতে হবে।

🌼🌼পাঠ প্রতিক্রিয়া: বইটি আমি সেই আন্দোলনের সময় অর্থাৎ জুলাই তে শুরু করি। এরপর এর সাথে আমার যাত্রা শুরু হয়। দীপাবলির জীবনের এই সংগ্রাম আর সাথে আমিও যোগ দিই তার এই সংগ্রামকে দেখার জন্য। তবে বইটি যতজন মানুষ পড়েছে সবাই শুধু বইটিতে দীপার সংগ্রামের কথাই বলেছেন। যদিও মূল বিষয়বস্তু একটি মেয়ে হয়েও কিভাবে সংগ্রামী জীবনে টিকে থাকা যায়। তবে আমি আরো যেই জিনিষগুলো খেয়াল করি সেটি হলো সে সময়কার বাংলার মানুষদের অবস্থা, রাজনৈতিক অবস্থা, মানুষের চিন্তাধারা, কলকাতার বাঙালি দের রিফিউজি বাঙাল দের প্রতি মনোভাব, নাট্যশিল্প ইত্যাদি। রাজনৈতিক আর ইতিহাস এই দুই বিষয়ের প্রতি আমার আগে তেমন কোনো আগ্রহ না থাকলেও আন্দোলনের সময় থেকে এবং বইটি পড়ার যাত্রায় আমার এর প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয় তখনকার সময়েও উন্নত চিন্তাধারার যেই মানুষগুলো ছিল তাদের মধ্যে একজন সত্যসাধন মাষ্টার এবং মায়ার মা এই দুইজন চরিত্র কে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। মায়ার মা কে তো এক কথায় অসাধারণ লেগেছে।

তবে দীপাবলির সংগ্রামীর সাথে বিদ্রোহী হওয়ার দিকটাও এখানে উঠে আসে। অন্যায়ের ক্ষেত্রে আপোষ না হওয়া যেটা আমাকে ভীষণ কেড়েছিল। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দীপার বিদ্রোহী মনোভাব ভালো লাগেনি। যেমন: মেয়েরা কেনো মানুষের ভিড়ে গিয়েও চায়ের দোকানে বসে চা খেতে পারবে না। অন্যায় আপোষ করা এক জিনিস আর মেয়েদের কিছু ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকা আরেক জিনিস। সব ক্ষেত্রে দীপা যেভাবে যুক্তি দাঁড় করিয়ে ঠিক ভুল ন্যায় অন্যায় ব্যাখ্যা করতে চাইতো সেটা আমার ভালো লাগেনি। এই ক্ষেত্রে দীপার দিল্লি যাওয়ার সময় ট্রেনে যেই বৃদ্ধার সাথে দেখা হয়েছিল উনি বলেছিলেন, "পৃথিবীর বেশিরভাগ জিনিসেরই যুক্তি খাটে না"। এই উক্তি কে আমি সমর্থন করি। সবকিছু আপনি যুক্তি দিয়ে খন্ডন করতে পারবেন না।

তবে এই বই পড়ার সময় আমাকে এক আপু বলেছিলো ওনার বইটির শেষটা ভালো লাগেনি কারণ পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ সুখী হওয়ার যোগ্যতা রাখে। জীবনে একটা না একটা সময় সে সুখী হয়। কিন্তু দীপাবলির ক্ষেত্রে লেখক সুখ জিনিসটা রাখেননি যেনো। এইসময় আমার হুমায়ূন এর কোথাও কেও নেই বইয়ের মুনার বলা একটি কথা মনে পড়ছে " কিছু কিছু মানুষের বোধহয় জন্ম হয় দুঃখ পাওয়ার জন্য।" কিন্তু সুখ একটা আপেক্ষিক জিনিস এটি আপনার হাতে দুঃখ আসবেই জীবনে সুখী হতে হবে আপনাকে সেই জন্য পথ বেছে নিতে হবে। দীপাবলির যেনো সেই পথ গুলো পেয়েও বার বার হাতছানি করেছে। তবুও বলবো সর্বোপরি বইটি পড়ে আমি শুধু সংগ্রামী আর বিদ্রোহ হওয়া শিখিনি। দেখেছি সেই সময়ের মানুষগুলোর জীবন ধারা, শিখেছি সঠিক সঙ্গ এর খুব প্রয়োজন যেনো এই সঙ্গ আমাকে জ্ঞান অর্জনের পথে সাহায্য করতে পারে এবং শিখেছি রাজনীতি আর ইতিহাসের উপর জ্ঞান রাখাটা ভীষণ প্রয়োজন বটে। মেয়ে হয়ে শুধু শাড়ী, চুড়ি মেকআপ এসব নিয়ে আমি আগে থেকেই কম উৎসাহ প্রকাশ করতাম। কিন্তু এই বইটা পড়ে আরো বুঝতে পারলাম এসব মেয়েলি জিনিসের পাশাপাশি অন্যান্য জিনিসের উপর জ্ঞান অর্জন করা এবং রাখা ভীষণ জরুরী। পরিশেষে বলবো কোনো বই পড়ার সময় এর মূল বিষয়বস্তুর উপর শুধু নজর না রেখে বাকি দিকগুলোর উপর নজর রাখলে আপনি আরো ভিন্ন ভাবে সবকিছু আবিষ্কার করতে পারবেন বই এর ব্যাপারে।

🌼🌼পছন্দের উক্তি: ১.শোন মা তোমারে একটা কথা বলি, কখনও পিছন দিকে তাকাইবা না। তোমার চেয়ে নিচে যার স্থান তার সঙ্গে হৃদয়ের কথা বলবা না।

২. পুরুষমানুষ চিতায় উঠলেও যদি চোখ মেলার সুযোগ পায় তবে সেটা মেলবে মেয়ে মানুষের দিকে।
৩. আচ্ছা, অতীত কেন উদার হতে পারে না! কেন সে এমন ভাবে রক্তাক্ত করে চলে সমানে।

৪. বিদ্রোহ করতে গেলে নিজেকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। নিজেকে প্রশ্ন কর তুমি তার কতটা উপযুক্ত।

৫. মৃত্যু কি সহজ, কি নিঃশব্দে আসে অথচ মানুষ চিরকালই জীবন নিয়ে গর্ব করে যায় ------

৬. ভালোবাসা প্রতিমুহূর্তে প্রতিপালিত হতে চায়। তাকে আগলে রাখতে হয়।

৭.একজন বাঙালির হৃদয় যদি রবীন্দ্রনাথ হয় তবে তার মস্তিষ্ক বিবেকানন্দ হওয়া উচিৎ।

৮.তুমি পথিক, পথ তোমার। সেই পথ কোনো রাজা তৈরি করছেন না কোনো অসৎ ধনীর টাকায় তৈরি হয়েছে টা জানার কথা তোমার নয়। পথিকের কাজ পথ ধরে লক্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়া

৯.ভালোবাসা হলো বেনারশী শাড়ির মতো, ন্যাপথোলিন দিয়ে যত্ন করে তাকে আলমারিতে তুলে রাখতে হয়, তাকে আটপৌর ব্যবহার করলেই সব শেষ।

🌼🌼বানান আর শব্দের ব্যবহার: বানান আমি মোটামুটি ভুল পেয়েছিলাম। তবে আমি বইটি জন্মদিনে উপহার পাই তাই ঠিক বলতে পারছিনা প্রিমিয়াম প্রিন্ট হতে পরে এটা। শব্দের ব্যবহার সাবলীল ছিল।

রেটিং: ৪/৫
Displaying 1 - 30 of 181 reviews