In Chaar Adhyaay, through the female character named Ella, the resolution of national service and the feelings of love-dedication hidden in her heart have been highlighted. In her childhood, Ella had vowed to remain unmarried for life and serve the country, after being troubled by the discordant debates of her parents. When a young man named Aveen entered her life when she was young, she could not stand firmly on her resolve. What was the result of the conflict between Ella’ s love and determination? This book is a must-have for all! It • An intriguing story by one of the most renowned authors of the Hindi literature • A political love story that will mesmerize the readers through its dynamic plot • Highlights the richness of Hindi fiction story • A read that will keep you hooked for hours • An excellent collectable for libraries and gifting
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
'চার অধ্যায়' চিন্তাশীল বিচক্ষণ মনের বিপ্লবী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। বিদ্বেষ জাগরিত সমাজে অধিকার আদায়ের লড়াই। এর পাশাপাশি আছে, ভালবাসার চিরন্তন বিচ্ছেদ। ভালবাসলে জড়িয়ে পড়তে হয় কারো মনের সাথে এবং তার বিদ্রোহটা নিজের হয়ে যে কীভাবে সমাজের কালো চক্ষুকে প্রশ্ন করে 'চার অধ্যায়' তার সৌন্দর্য।
আমি পড়তে পড়তে বিপ্লবী হয়ে উঠেছি। এক্ষুনি ঘর থেকে যেন বের হয়ে যাব। কিন্তু আমি যে ভীতু। কারো লাল চক্ষুকে উপেক্ষা করে, জনমানুষের দাবি অকপটে বলার সাধ্য আমার আদ্যো আছে কি না যাচাই করে নিতে হবে। আমার প্রিয় একটা বই, যাতে মন খুলে কান্না করার মত উপাদান রয়েছে।
এলার জন্য অতীনের ভালবাসা শুষ্ক মরুভূমির মাঝে এক ফোঁটা জলের বিশ্বরূপ। এলার মাঝে প্রতিবাদের সাথে নারীর প্রেমের আহবান ফুঁটে উঠেছে। এলা যেন পুরো সমাজকে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন, মেয়েরা যেমন আগলাতে পারে তেমনি ধ্বংস স্তম্ভ তৈরী করে দিতে পারে। পুরুষের ইর্ষায় যে বিদ্রোহও জ্বলে পুড়ে যেতে পারে নান্দনিক বর্ণনায় আত্মপ্রকাশ করেছে।
পড়তে বসে মন যেন কল্পনা করে নিচ্ছে কি হচ্ছে। অতীন যেন পুরো বাংলার প্রতীক।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চার অধ্যায়—তাঁর শেষ উপন্যাস—বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। এটি কেবল একটি সাহিত্যকর্ম নয়; বরং একসাথে একটি রাজনৈতিক টেক্সট, একটি মনস্তাত্ত্বিক খনন, এবং প্রেম ও প্রতিরোধের শুদ্ধ কাব্যিক গদ্য। বাংলা সাহিত্যে এত নির্লজ্জ নির্মমতা, এত স্পষ্ট আত্মসংঘাত, এবং এতটা কবিত্বময় রাজনৈতিক চেতনা একত্রে একসঙ্গে দেখা যায় কমই। আর বিশ্বের সাহিত্যের সঙ্গে তুলনা করলে, এই উপন্যাস দাঁড়িয়ে পড়ে Doctor Zhivago (Pasternak), The Quiet American (Graham Greene), কিংবা A Tale of Two Cities (Dickens)-এর পাশে। অর্থাৎ যেখানে প্রেম, বিপ্লব, আত্মত্যাগ, ও রাজনৈতিক দ্বিধা একে অপরকে প্রতিস্থাপন করে।
চার অধ্যায় মূলত এলার ব্যক্তিগত আত্মসংগ্রাম, অতীন্দ্রর ভালবাসা ও কর্তব্যবোধের দ্বন্দ্ব এবং ইন্দ্রনাথের নেতৃত্বের চরম বাস্তবতার জায়গা থেকে একধরনের অসহায় অথচ গম্ভীর উপন্যাস। স্বাধীনতা আন্দোলনের মধ্যেকার হিংসাত্মক বিপ্লবের বাস্তবতা ও তার নৈতিক দোলাচল এ উপন্যাসে শুধুমাত্র ইতিহাস বা ঘটনার পুনরাবৃত্তি নয়, বরং এক গভীর আত্মবিশ্লেষণ। বিশেষত ইন্দ্রনাথের মতো এক অদ্ভুত নেতৃস্থানীয় চরিত্র—যিনি একাধারে অতিমানব, অথচ নিষ্ঠুর—তিনি যেন রবীন্দ্রনাথের "ঈশ্বর এবং খলনায়ক" একই শরীরে ধারণকারী এক আধুনিক প্রতীক।
এলা চরিত্রটি যেন রবীন্দ্র-নায়িকার ‘ফাইনাল ফর্ম’। প্রেম, স্বাধীনতা, আত্মপরিচয়—সবকিছু একসঙ্গে ধারণ করে যে নারী, যিনি সমাজকে প্রশ্ন করেন, নেতৃত্বকে অস্বীকার করতে চান, আবার ভালবাসার কাছে নতও হন।
Boris Pasternak-এর Doctor Zhivago এবং রবীন্দ্রনাথের চার অধ্যায় উভয় উপন্যাসেই আমরা দেখতে পাই বিপ্লবের প্রবল ঝড়ের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ কিভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়। Doctor Zhivago-তে যেমন লারা ও ঝিভাগোর সম্পর্ক একদিকে রাষ্ট্রযন্ত্র, অন্যদিকে নৈতিক আত্মসংশয়ের মধ্যে পড়ে, তেমনি চার অধ্যায়-এ এলা ও অতীন্দ্রের সম্পর্ক বিপ্লবের মুখোমুখি হয়ে ভেঙে পড়ে। ঝিভাগো যেমন কবি ও চিকিৎসক—এক সৃজনশীল মানবিক চেতনার প্রতিনিধি, অতীন্দ্রও তেমনি একজন প্রেমিক, যিনি অবচেতনভাবেই এই হিংসার রাজনীতির মধ্যে পড়ে যান। এলা যেমন বিপ্লবের প্রতি এক কঠিন আত্মনিবেদন, তেমনি লারাও রাজনীতি ও প্রেমের মধ্যে নিজের নিঃস্বতা চিহ্নিত করে দেন।
Graham Greene-এর The Quiet American ও রবীন্দ্রনাথের চার অধ্যায়-এর মধ্যে একটি গভীর আত্মীয়তা আছে। উভয় উপন্যাসেই একজন তরুণ আদর্শবাদী (Pyle বা ইন্দ্রনাথ) সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় এক নির্বিকার নিষ্ঠুরতা নিয়ে আসে। উভয় ক্ষেত্রেই একটি প্রেম (ফিলিপিনো মেয়ে ফুং, অথবা এলা) এই সংঘর্ষের কেন্দ্রে এসে দাঁড়ায়। Green-এর উপন্যাসে যেমন ‘কোল্যাটারাল ড্যামেজ’-এর প্রসঙ্গ উঠে আসে, তেমনি চার অধ্যায়-এ এলার মৃত্যু, এবং অতীন্দ্রর মানসিক ধ্বংস—সবই এই অন্ধ রাজনীতির অবধারিত পরিণতি।
Charles Dickens-এর A Tale of Two Cities ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে এক অতুলনীয় প্রেমকাহিনি, যা শেষ পর্যন্ত আত্মত্যাগের চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়। অতীন্দ্রর প্রেম ও আত্মত্যাগ (এমনকি যখন তাকে এলাকে হত্যা করতে বলা হয়), সেটি অনেকটা Sydney Carton-এর "It is a far, far better thing that I do…" অনুভবকে মনে করিয়ে দেয়। Carton যেমন লুসির ভালবাসার জন্য নিজের জীবন দেয়, অতীন্দ্রও এলার ভালবাসার চূড়ান্ত পরিণতিতে দায়িত্বের প্রহরায় দাঁড়িয়ে পড়ে।
রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেন, “এই উপন্যাস রচনায় কোনো বিশেষ মত বা উপদেশ আছে কিনা সে-তর্ক সাহিত্যবিচারে অনাবশ্যক।” কিন্তু পাঠক জানে, "চার অধ্যায়" শুধুমাত্র একটি প্রেমের কাহিনী নয়। এটি আদর্শ বনাম মানবতা, কর্তব্য বনাম ভালবাসা এবং বিপ্লব বনাম আত্মানুসন্ধানের এক জটিল টেক্সট।
এই উপন্যাসে এলার মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি নয়—এটি এক সাহসিক উচ্চারণ: একজন নারীর স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও আত্মত্যাগের মঞ্চ। আর এটিই রবীন্দ্রনাথের নারীচরিত্রের কাব্যিক উত্তরণ: শেষের কবিতা'র লাবণ্যর পর চার অধ্যায়-এর এলা।
Clarissa (Samuel Richardson), Anna Karenina (Tolstoy), The Unbearable Lightness of Being (Milan Kundera)—এ সব উপন্যাসেও প্রেম ও রাজনীতির মধ্যে ব্যক্তির মনোজগতে বয়ে যায় প্রবল টানাপোড়েন। চার অধ্যায় এদের সাহিত্যেরই ধারাবাহিক, তবে নিজের মাটি ও মনের চর্চা নিয়ে। Kundera-র থমথমে "eternal return" যেখানে ব্যক্তির অস্তিত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলে, রবীন্দ্রনাথ সেখানে প্রশ্ন তোলেন আদর্শের অসারতা নিয়ে।
এমনকি Albert Camus-এর The Rebel-এ যেখানে ব্যক্তির প্রতিবাদ ‘ন্যায়বিচারের’ নামে নিজেই অন্যায় করে ফেলে, তারই ছায়া দেখা যায় ইন্দ্রনাথের চরিত্রে।
पुस्तक -चार अध्याय लेखक -रवींद्रनाथ टैगोर प्रकाशन वर्ष - १९५०
रवींद्रनाथ टैगोर (1861-1941) अपने आखिरी और तेरहवें उपन्यास चार अध्याय में एक अस्थिर विषय से अवगत कराते है , जिसे उन्होंने ७२ वर्ष की अवस्था में लिखा था। दो प्रेमियों की यह दुखद कहानी मूल रूप से बीसवीं सदी की शुरुआत में भारतीय उपनिवेशवाद विरोधी आंदोलन की पृष्ठभूमि में स्थापित की गई है। इस उपन्यास में पूछे गए सवाल स्वतंत्रता आंदोलन को प्रेरणा देते हैं , असली देशभक्त कौन हैं? क्या आजादी नारों, त्याग ,सैन्यवाद, अनुरूपता और बाहरी अनुशासन से हासिल की जा सकती हैं? राष्ट्र के निर्माण में कोई व्यक्ति अपने आप के प्रति कैसे सच्चा हो सकता हैं? ऐसे सवाल जो जो वास्तविक पटल पर नहीं साहित्य में ही देखने को मिलते हैं । मुख्य स्त्री पात्र इला ने स्वतंत्रता संग्राम के लिए खुद को पूरी तरह से समर्पित करके, अविवाहित रहने की कसम खाई हैं। इला अपने मित्र अतींद्र की उदासीन भावनाओं के बावजूद, उसे स्वतंत्रता आंदोलन में शामिल करने में सफल हो जाती हैं। लेकिन अतींद्र पर खुद को समर्पित करने और उससे शादी करने के लिए विनती करने के कारण इला और अतीन्द्र के जीवन में कई तरह के उथल पुथल आते हैं, अपने अंतिम निर्णय के बावजूद स्वयं पर विश्वास नहीं करना, अपने निष्ठा की कसम तोड़ना जैसी स्थिति कहानी को नई मोड़ देती हैं।
टैगोर राष्ट्रवाद की अच्छाई और अति राष्ट्रवाद की बुराइयों के बारे में लिखने वाले लेखकों में से एक हैं, वह भविष्यवक्ता थे। यह पुस्तक सभी दक्षिणपंथी, उग्र उदारवादी लोग इसे पढ़ें, जो भारत के धर्मनिरपेक्ष ताने-बाने को नष्ट करने पर तुले हुए हैं। दुख की बात है कि वे टैगोर जैसे बुद्धिमान लेखकों को पढ़ना नहीं चाहते हैं, इसके बजाय फांसीवादी प्रतीकों का प्रतिपालन करना पसंद करते हैं। लेखक कहते हैं कि- "कोई भी आंदोलन जो राष्ट्रवाद का समर्थन करने का दावा करता है, वह तब तक कुछ हासिल नहीं कर सकता जब तक कि वह मानवता के आत्मा को नष्ट न कर दे" टैगोर ने इसे बहुत स्पष्ट रूप से देखा और समझा था।
उपन्यास की भाषा और संरचना रवींद्रनाथ टैगोर की कई किताबों से अलग हैं,आम भाषा में होने से सामान्य पाठक को इसे समझने में आसानी होंगी। इसके अलावा संरचना के मामले में भी काफी शानदार लेखन हैं, ऐतिहासिक कहानी के साथ-साथ जीवन के कई भावों ने इस कहानी में अपना स्थान बनाया है। यह उपन्यास में एक अलग आयाम जोड़ता है। एक पाठक के रूप में मुझे यह बहुत अच्छा लगता है। यह उपन्यास 1936 में धारावाहिक रूप में प्रकाशित हुआ और 1950 के अंत में एक पुस्तक के रूप में सामने आया।
Four Chapters is a love story among two revolutionaries set in the time when acts of terrorism were committed by those ostensibly desirous of India's freedom. Tagore's tone and nuance is subtle as always, but there is a tinge of melodrama in the book. However, my main observations are two-fold.
First, it is such an interesting contrast to the short stories in Golpoguccho! I understand the two works are separated by a span of thirty years, but whereas the stories in Golpoguccho are expansive, spacious, and atmospheric; Four Chapters has the tenor of a lightning-like fast-paced thriller. The book feels so very modernist in temperament!
Second, the treatment of women is very interesting. Tagore's women in this work are independent and not shy to assert themselves. This clarity of thought, especially Ela's desire to never marry, is such a liberating aspect of the novel! I contrast this with Tagore's treatment of women in the Golpoguccho, where they are evidently much more hemmed in by social norms. The transformation of Bengal's culture in these three-four decades, as is depicted in his works, must have been massive.