Jump to ratings and reviews
Rate this book

ব্ল্যাকমেইল

Rate this book
আহমেদ করিমের কাছে একটা মানসিক সমস্যা নিয়ে হাজির হয় নায়লা। তার স্বামী আরিফকে সে দু'রকম চেহারায় দেখে। কোনটা আসল, কোনটা নকল বুঝতে পারে না। আহমেদ করিম কী পারবেন সমস্যার সমাধান করতে?

#আহমেদ_করিম_সিরিজ

19 pages, ebook

Published April 16, 2023

8 people want to read

About the author

Shariful Hasan

42 books1,007 followers
Shariful Hasan hails from Mymensingh, Bangladesh. He has spent his childhood by the banks of Brahmaputra river. He completed his Masters in Sociology from University of Dhaka and is currently working in a renowned private organization.

Shariful's first novel was published on 2012 titled Sambhala. With two other books, this captivating fantasy trilogy has received widespread acclimation both within and beyond the borders of Bangladesh. The Sambhala Trilogy was translated in English and published from India.

Although his inception consisted of fantasy and thriller, he has later worked on a variety of other genres. These works have been received fondly by the Bangladeshi reader community. Lot of his works have also been published from different publications in West Bengal.

Award- Kali O Kalam Puroshkar 2016 for 'অদ্ভুতুড়ে বইঘর'

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (16%)
4 stars
1 (8%)
3 stars
6 (50%)
2 stars
3 (25%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
281 reviews21 followers
November 3, 2025
ব্ল্যাকমেইল হলো কাউকে কোনো কিছু দিতে বাধ্য করার জন্য হু*মকি দেওয়া, যেখানে হু*মকি হলো সেই ব্যক্তির কোনো ক্ষতিকর বা গোপন তথ্য প্রকাশ করার ভয় দেখানো। এটি হতে পারে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বা আর্থিক সুবিধা আদায়ের জন্য, অথবা কোনো বিশেষ কাজ করানোর জন্য।

আবার অনেক সময় দেখা যায় মানসিক চাপও দেয়া হয় ব্ল্যাকমেইলের ক্ষেত্রে। যেখানে হয়তো মাইন্ড গেম খেলা হয়। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী হয়তো বুঝতেও পারে না তার অজান্তেই তার সাথে কত বড় ধোঁকা দেয়ার পরিকল্পনা চলছে। কথায় বলে অতি চালাকের গলায় দ*ড়ি। আজকে যে গল্পটা বলবো সেখানে একটা ব্ল্যাকমেইলিং এর ঘটনা ঘটেছে সেটা বোধহয় ভিকটিমের অজান্তেই। এবং যে ঘটিয়েছে সে নিজেও হয়তো বুঝতে পারেনি তার অজান্তেই তার সাথে চলছিল খেলা।

নায়লা আঞ্জুম। বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। বয়স চব্বিশ। বিয়ে হয়েছে রড সিমেন্টের ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনের সাথে। আরিফদের আরো ব্যবসা আছে। যাই হোক বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে নায়লা বিয়েতে অমত করেনি। অন্ধের মতো বলা যায় আরিফকে বিয়ের আগে না দেখেই বিয়ে করেছে। বিয়ের পর প্রথম আরিফকে দেখে নায়লা চমকে উঠলো। এত সুদর্শন পুরুষ আরিফ যে নায়লার মন আসলে খুশিতে ভরে উঠল। কারণ আরিফ স্বামী হিসেবে চমৎকার। দুজনে মিলে একসাথে ঘুরেছে, দুজনের সময়গুলো খুব আনন্দে কাটছিল। নায়লাকে যথেষ্ট সময় দিতো আরিফ।

কিন্তু সমস্যার শুরু তখন থেকেই যখন নায়লার শ্বশুর হঠাৎ করেই মা*রা গেলেন। তখন আরিফ ব্যবসার কাজে এত ব্যস্ত হয়ে পড়লো যে নায়লার সাথে তার কীভাবে যেন আস্তে আস্তে দূরত্ব সৃষ্টি হলো। নায়লাকে আরিফ সময় দিতে পারে না। ওদিকে নায়লার ইচ্ছা সে মা হবে। আরিফকে বলার পরেও আরিফের মধ্যে কোনো আগ্ৰহ দেখা গেল না তেমন। নায়লা ভেতরে ভেতরে একা নিঃসঙ্গ হয়ে যাচ্ছিল।

মূল ঘটনা ঘটে এক রাতে। তখন থেকেই নায়লার সমস্যা শুরু। নায়লা আরিফের জন্য ভাত বেড়ে প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছিল। তখন আধো অন্ধকারে বিছানায় কারো উপস্থিতি টের পেলো নায়লা। ভেবেছিল স্বামী আরিফ কিন্তু স্বামী স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মূহুর্তের পর নায়লা যখন হঠাৎ রুমের লাইট জ্বালালো তখন নায়লা অবাক হয়ে দেখলে তার সুদর্শন পুরুষ স্বামীর চেহারার একি পরিবর্তন! এটা কী আসলেই আরিফ? মোটা, টাক মাথায় থলথলে ভুরি আরিফ এমন হয়ে গেল কীভাবে?

নায়লা চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফেরার পর আবার সে স্বামী আরিফকে পুরনো সুদর্শন পুরুষ হিসেবে দেখলো। এটা কীভাবে সম্ভব? তাহলে ওই লোকটা সে কে ছিল? এটা কী নায়লার মনের ভুল? কিন্তু না সেদিন থেকে নায়লা দুইজন আরিফকে আবিষ্কার করে। দুজনেই কী তার স্বামী? নাকি নায়লা মানসিকভাবে অসুস্থ? এরই মধ্যে নায়লা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। এটাও কী মিথ্যে? রিপোর্ট তো সে নিজে দেখেছে। সাহায্যের জন্য নায়লা আহমেদ করিমের শরনাপন্ন হলো। শেষপর্যন্ত কোনদিকে মোড় নেবে ঘটনা?

🫛পাঠ প্রতিক্রিয়া🫛

রহস্যময় জগতে যিনি যুক্তিতর্কে খুঁজে বেড়ান রহস্যের সমাধান এমন কোনো চরিত্র দেখলে প্রথমেই মনে আসে হুমায়ূন আহমেদের "মিসির আলি" চরিত্রের কথা। এবং মিসির আলির কেস স্টাডি কিংবা রহস্য সমাধানের ধরন আসলে এতটাই মনে গেঁথে আছে যে আহমেদ করিমের সাথে মিসির আলির তুলনা চলেই আসে। তবে শুরুতে যতটা মিল খুঁজেছি গল্প ধীরে ধীরে কিন্তু নিজের মতো আলাদা আঙ্গিকে এগিয়েছে।

গল্পের প্লট হিসেবে বলা যায় ভালো। এতে রহস্য রোমাঞ্চ আছে, চরিত্রের মাঝেও লেখক যথেষ্ট রহস্যের ছাপ রেখেছেন তেমনি বর্ণনা ছিলো উপভোগ্য। কিছু কিছু জায়গায় বেশ ডিটেইল আলোচনা আছে। আহমেদ করিমের রহস্য উন্মোচনের পদ্ধতি অনেকটা মিসির আলির মতো হলেও পুরোপুরি নয়। এবং ভালো লেগেছে রহস্য উন্মোচনে উনি মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করেন। এই বইয়ে সোহেলকে পেলাম প্রথম দিককার ভূমিকায় মানে আহমেদ করিমের সাথে তার সদ্য আলাপ। সে ইচ্ছা পোষণ করে আহমেদ করিমের সাথে কাজ করার। কারণ সেও সাইকোলজি বিভাগে ভর্তি হয়েছে পড়াশোনার জন্য। এবং এক্ষেত্রে সাবেক শিক্ষক আহমেদ করিম হয়তো সোহেলকে পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন। হাতে কলমে শেখা যাকে বলে।

শরিফুল ভাইয়ের লেখনী আমার সবসময় ভালো লাগে। ছোট বই বলে খুব বেশি গল্প ডালপালা মেলতে পারেনি। অল্পের মধ্যে ভালো বলা যায়। আহমেদ করিমের কাজকর্ম মিসির আলির মতো নয় এটা বলা যায় নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখেছেন লেখক আহমেদ করিমের চরিত্রে। আমার কাছে ভালো লেগেছে বইটি। ছোট সাইজ কিন্তু উপভোগ্য। আর শুরু থেকেই গল্প যেভাবে এগিয়েছে এর থেকে টানটান সমাপ্তি আমি অবশ্য শেষ দিকে আশাও করিনি। যতটুকু ছিল বেশ ভালো এটা বলতে পারি।

আরিফের ক্ষেত্রে যা হয়েছে আমি মনে করি একদম উচিত শিক্ষা। নায়লাকে স্ত্রী হিসেবে সে যা করেছে তাতে আরো কঠিন শা*স্তি দরকার ছিল।


🫛 বইয়ের নাম: "ব্ল্যাকমেইল"
🫛লেখক : শরীফুল হাসান
🫛ইবুক প্রকাশনায় : বইঘর
Profile Image for Rehnuma.
449 reviews23 followers
Read
April 20, 2023
একই ব্যক্তিকে ভিন্ন সময় ভিন্ন রূপে কি দেখা যায়? এই যেমন একবার রাজপুত্রের মতো তো আরেকবার টাকলা বুড়ার মতোন। ভাবতেই তো অবাক লাগে না!

নায়লা আঞ্জুম। বিয়ে হয়েছে রাজপুত্রের মতো দেখতে বরের সাথে। বিয়ের বেশকিছু বছর পেরিয়ে গেলেও সন্তানের মুখ দেখতে পায়নি তারা। চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই, তবে ফলাফল শুন্য। এরই মাঝে নায়লা হঠাৎ আবিষ্কার করে তার রাজপুত্রের মতো দেখতে বরের জায়গায় এসেছে টাকলা বুড়া মতন এক লোক। নায়লা বুঝতে পারছে না সমস্যা কী। রাজপুত্রের মতো দেখতে বরের সাথে টাকলা বুড়া লোক অদল বদল হয়ে গেল না-কি? না-কি কয়লার মাথায় সমস্যা দেখা দিলো?
সমস্যার সমাধান খুঁজতে নায়লা হাজির হয় আহমেদ করিমের কাছে। নায়লা সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করে করিম সাহেব। এরই মাঝে করিম সাহেবের কাছে হাজির হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক সোহেল আহমেদ। উদ্দেশ্য করিম সাহেবের থেকে হাতে কলমে কাজ শেখা। পাগলা করিম খ্যাত আহমেদ করিম সোহেলকে নিয়ে রহস্যের সমাধানে ছুটলেন। আর সমাধান দেখে যারপরনাই অবাক হয় সোহেল সাথে পাঠকও!

পাঠ প্রতিক্রিয়া:
আহেমদ করিম আমার খুব প্রিয় চরিত্র। মেলায় অপেক্ষায় ছিলাম করিম সাহেবের নতুন কেসের। কিন্তু আসেনি। তবে ছোট্ট এই ইবুকটা করিম সাহেবের কেসের সাথে সময় পার করতে বেশ কাজে দিয়েছে।
ছিমছাম একটা গল্প। আহমেদ করিমের শুরু বলা যায় এই ছোটোগল্পের মাধ্যমে (ছায়াময়ও আগে প্রকাশ পেয়েছে। পড়া হয়নি বিধায় সিরিয়াল টা জানিনা)। গল্পে লেখক পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন সোহেলের সাথে। সোহেলের প্রবেশ এবং করিম সাহেবের আজব আচরণ বেশ মজা লেগেছে।
গল্পের শেষটা দারুণ ছিল। মনোবিদ্যা বা মনোরোগের গভীর বর্ণনা ছাড়াও শেষে দারুণ টুইস্ট দিয়ে সমাপ্তি টেনেছেন গল্পের। বেশ ভালো লেগেছে।
আহমেদ করিমকে এখানে অন্যরূপে দেখিয়েছেন লেখক। যেটা সিরিজের বাকি তিনটা বা সাড়ে তিনটা বইয়ের মাঝে দেখিনি। পাগলা করিম টাইটেল পাওয়া কিংবা ছড়ির ব্যবহার এই বিষয়গুলো নতুন লেগেছে।

সুন্দর প্লট, বিস্ময় দিয়ে ইতি টানা কিন্তু একেবারেই বাস্তবিক সমাধানে সমাপ্তি হওয়া ❛ব্ল্যাকমেইল❜ গল্পটা চাইলে একবার পড়তেই পারেন।

Profile Image for Sakib A. Jami.
337 reviews40 followers
April 17, 2023
মেয়েটির নাম নায়লা আঞ্জুম। বিয়ের অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্তানের মুখ দেখেনি। চেষ্টার কো���ো ত্রুটি রাখছে না স্বামী-স্ত্রী। তারপরও সৃষ্টিকর্তা মুখ তুলে তাকায়নি। সম্প্রতি বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে নায়লা। তার স্বামী দেখতে সুদর্শন, একেবারে রাজপুত্রের মতো। কিন্তু মাঝে মাঝে কী যেন হয়, এক তাক মাথার পুরুষের আবির্ভাব হয়। তার স্বামী কি তবে বদলে গেল? দুটি সত্তার মধ্যে কোনটি তার আসল স্বামী? না-কি দুটোই? কিংবা কোনো মানসিক সমস্যা?

সমস্যা সমাধানে আহমেদ করিমের স্মরণাপন্ন হয় নায়লা। তদন্ত শুরু করেন আহমেদ করিম। এই তদন্ত শুরুর সময় পরিচয় ঘটে সোহেল নামের এক ছেলের সাথে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষক সোহেল কাজ শিখতে চায় পাগলা করিমের কাছে। সোহেলকে বিস্মিত করে অবশেষে রহস্যের সমাধান হয়। কী ঘটেছিল শেষে?

আহমেদ করিম চরিত্রটি আমার বরাবরই পছন্দের। ছোটো গল্প "ব্ল্যাকমেইল" আহমেদ করিমের সূচনা বলা যায়। এরপর অনেকভাবে নানান রহস্য সমাধান করেন তিনি। তবে শুরুর এই গল্পটি বেশ ভালো লেগেছে। সাদামাটা, কিন্তু একটা দারুণ গতি ছিল। শেষটা মানানসই।

সোহেলের অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি আহমেদ করিমের মানসিক দক্ষতা বেশ ভালো ফুটে উঠেছে। তবে বর্তমান সময়ে যেমন শান্ত, বুদ্ধিদীপ্ত হিসেবে দেখে থাকি; এই গল্পে পাগলা করিম নামটা আর কোথাও সেভাবে দেখিনি।

ছোটো এ গল্পটি বেশ উপভোগ্য ছিল। বাস্তবিক এক সমাপ্তি এনেছেন লেখক। কোনো অতিপ্রাকৃত বিষয় নেই, সাইকোলজিকাল মাথা নষ্ট করা গল্প নয়। তবুও দারুণ এক সময় কেটেছে গল্পটির সাথে।

▪️বই : ব্ল্যাকমেইল
▪️লেখক : শরীফুল হাসান
▪️ইবুক : বইঘর
▪️অধ্যায় : ৩
▪️মূল্য : ২৫ টাকা
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
114 reviews14 followers
June 20, 2023
শেষটা জমলো না

রেটিংসঃ ২.৯/৫
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.