What do you think?


Ajob O Jobor-Ajob Orthoniti
Sorry!! There is no description about this product.
- GenresEconomicsNonfiction
Hardcover
First published January 1, 2013
About the author
Akbar Ali Khan
17 books126 followersAkbar Ali Khan (Bengali: আকবর আলি খান) was a Bangladeshi economist and educationist who served as a bureaucrat until 2001. He was the SDO of Habiganj during the Bangladesh Liberation War, when he decided to join the war. Later he served as an official of the Mujibnagar Government. After the independence he joined back the civil serviceand reached to the highest post of Cabinet Secretary and also worked as a university teacher. His book Porarthoporotar Orthoniti (Economics of Other-minding) has been a popular book on economics à la Galbraith.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 19 of 19 reviews
November 28, 2022
অর্থনীতির কিছু কৌতুহলউদ্দীপক বিষয় নিয়ে সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে বইটি। পড়তে ভালোই লাগল, অর্থনীতির প্রতি আগ্রহ জাগাতে চমৎকার এই বইটি।
October 12, 2023
বইটি স্টিভেন লেভিট এবং স্টিফেন ডাবনারের লেখা দুটো বই Freekonomics ও Superfreekonomics এর ভাবানুবাদ। অবশ্য এতে খোদ আকবকর আলি খানের বাংলাদেশের অর্থনীতি বিষয়ক নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা রয়েছে। অর্থনীতির মতো নিরস বিষয় নিয়ে কোন বই একটানা পড়ে ফেলার মতো করে লেখা চাট্টিখানি কথা নয়। আকবর আলি খানের লেখা বেশ সুখপাঠ্য। অনেক জটিল জটিল বিষয় তাঁর লেখার প্রসাদগুণে বোধগম্য হয়ে উঠে। বইটিতে অর্থনীতির মজার মজার বিষয়গুলো উপস্থাপিত হয়েছে। যে শাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে জগৎসংসার চলে সেই শাস্ত্র জটিলতার কারনে জনসাধারণের আয়ত্তের বাইরে। আকবার আলি খান কে ধন্যবাদ অর্থনীতির মতো বিষয়কে আকর্ষণীয় ও আগ্রহান্বিত করে তোলবার জন্য।
May 2, 2026
অর্থনীতি শব্দ টা যেখানে যুক্ত আছে সেখানে টাকা-কড়ি, ধন- রত্ন নিয়ে আলোচনা হবে এটাই স্বাভাবিক, তবে সেখানে কেনো সুখ-দুঃখ, জন্মদিন এসব নিয়ে আলোচনা হবে?
এসব কি আদেও অর্থনীতির সাথে যায়?
না গেলেও তেমনটাই আলোচনা হয়েছে এই অর্থনীতি বিষয়ক বই " আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি" বইটাতে।
বইটা মূলত Freekonomics ও Superfreekonomics এর ভাব অনুবাদ। যা লিখেছিলেন স্টিভেন লেভিট ও স্টিভেন ডাবনার।
তবে লেখক আকবর আলি খান বইটাতে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে নিজস্ব মতামত ভাবনা ও বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এতো কঠিন একটা বিষয় এতো সহজ করে মজার ছলে আলোচনা করার মাধ্যমে বইটা সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে।
কঠিন বিষয় নিয়ে চমৎকার এক মজার বই।
এসব কি আদেও অর্থনীতির সাথে যায়?
না গেলেও তেমনটাই আলোচনা হয়েছে এই অর্থনীতি বিষয়ক বই " আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি" বইটাতে।
বইটা মূলত Freekonomics ও Superfreekonomics এর ভাব অনুবাদ। যা লিখেছিলেন স্টিভেন লেভিট ও স্টিভেন ডাবনার।
তবে লেখক আকবর আলি খান বইটাতে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে নিজস্ব মতামত ভাবনা ও বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এতো কঠিন একটা বিষয় এতো সহজ করে মজার ছলে আলোচনা করার মাধ্যমে বইটা সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে।
কঠিন বিষয় নিয়ে চমৎকার এক মজার বই।
January 17, 2022
কী নিয়ে বইটি তার আলাপ না করে বরং আকবর আলী খানের লেখার ঢঙ নিয়ে বলি-
এমন ভঙ্গিতেও যদি প্রবন্ধ নিয়মিত লেখা যেত তবে এদেশে প্রবন্ধেরও আলাদা একটা পাঠকগোষ্ঠী থাকতো। কী স্বাদু! কী স্বাদু!
আর উপরি প্রাপ্তি কিছু আপাত পারিভাষিক শব্দের চমৎকার বাঙলায়ন।
Paradox এর চমৎকার বাংলা কিন্তু প্রহেলিকা কিম্বা Thesis এর ভালো বাংলা অভিসন্দর্ভ।
এমন ভঙ্গিতেও যদি প্রবন্ধ নিয়মিত লেখা যেত তবে এদেশে প্রবন্ধেরও আলাদা একটা পাঠকগোষ্ঠী থাকতো। কী স্বাদু! কী স্বাদু!
আর উপরি প্রাপ্তি কিছু আপাত পারিভাষিক শব্দের চমৎকার বাঙলায়ন।
Paradox এর চমৎকার বাংলা কিন্তু প্রহেলিকা কিম্বা Thesis এর ভালো বাংলা অভিসন্দর্ভ।
April 27, 2025
আকবর আলী খানের লেখা পড়তে আরাম লাগে। যদিও অর্থনীতির বিষয়বস্তুগুলো বোঝা কঠিন, তবে খান বাহাদুর যথেষ্ট সহজবোধ্য করেই লেখার চেষ্টা করেছেন৷ এর আগে পড়েছিলাম তাঁর পরার্থপরতার অর্থনীতি। সেই ধারাবাহিকতায় এই বইটা পড়া হলো।
November 11, 2024
আকবর আলি খান নি:সন্দেহে সুলেখক। একাডেমিক নীরস একটি বিষয়কে তিনি এত সরস ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটি শুধু অর্থনীতির নয়, সমাজ, রাষ্ট্র এবং কিছুক্ষেত্রে মনস্তত্ত্বের ও।
August 7, 2026
প্রথমে ভূমিকা থেকে কিছু কথা হুবহু তুলে দিতে চাই —
"দুর্ভাগ্যবশত অর্থনীতির এসব অর্জন বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে এখনো অনেক ক্ষেত্রেই পৌঁছায়নি। এর কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, বাংলায় অনেক প্রবাদপ্রতিম অর্থনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেছেন। তবে এঁরা (সম্ভবত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মোহে) বাংলা ভাষায় লেখার তাগিদ অনুভব করেননি। দ্বিতীয়ত, বাংলা ভাষায় অর্থনৈতিক পরিভাষার দৈন্য রয়েছে। তৃতীয়ত, জন্মগতভাবে বাঙালিরা বামপন্থী। বাংলায় অর্থনীতি নিয়ে যা প্রকাশিত হয়, তার সিংহভাগই হচ্ছে রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে ডান-বামের তরজা আর খিস্তি-খেউর। আজ যাকে মূল ধারার অর্থনীতি বলা হয় সে সম্পর্কে বাংলায় প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা নেহাত অপ্রতুল।"
কথাটা একদমই সঠিক! অর্থনীতির বই পড়ে আরাম পেয়েছি এমন কম বই-ই আছে। কেউ পুজিবাদীদের ধুয়ে দিচ্ছেন, কেউ বা সমাজতন্ত্রের এক হাত দেখে নিচ্ছেন। কারো বা আছে একটি বিশেষ গোষ্ঠির প্রতি আলাদা টান। এভাবেই রচিত হয়ে আসছে এগুলি বছরের পর বছর ধরে। এবার বইটি হাতে নিয়েই বুঝেছি এবার ভিন্ন কিছু (জবর) বই পড়তে যাচ্ছি।
প্রথম চ্যাপ্ট্যার এ পরিসংখ্যান এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, একই সাথে এটি কীভাবে 'ফেইক' করা যায় তা-ও আলোচনা করা হয়েছে। শুধু সুবিধা ও অসুবিধার মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকেনি এটা কীভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে সেটিও বুঝিয়েছে।
দ্বিতীয় চ্যাপ্টার 'মিত্রপক্ষের গুলি' — বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে। সব কাজ ভালোর উদ্দেশ্যে করলেই যে তা সবসময় ভালো ফলাফল বয়ে আনবে তা সঠিক নয়। বেশ কিছু কেইস স্ট্যাডি গল্পের মত পড়ছিলাম। আর গল্প গুলো যেন একটির পর আরেকটি তরতর করে এগোচ্ছিলো। অনেকে এই চ্যাপ্টারের শেষ এ এসে হতাশও পারেন। ভাববেন ডানে গেলেও সমস্যা, বামে গেলেও সমস্যা তাহলে নীতিনির্ধারকগণ সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে? সে ব্যাপারেও সংক্ষিপ্ত আলোচনা এসেছে পরে।
এরপর এলো সুখ নিয়ে বিস্তর গবেষণা। "সুখ নিয়ে কেন এতো আলোচনা এখানে?" মনে বার বার আসছিলো। পরে জানতে পারলাম 'সুখ' হলো অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের সবথেকে বড় KPI.
এরপর একে একে ভেগোলজি, জুতার অর্থনীতি, জন্মদিনের অর্থনীতি, বিশ্বায়ন ও আরো কিছু মজার বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো। আর শেষের দুইটি পরিচ্ছেদ — যেখানে বাঙালির ইতিহাস আর সিভিল সোসাইটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এই দুই পরিচ্ছেদ এ তেমন অর্থনৈতিক আলোচনা তেমন আসেনি আমার মতে। এখানে লেখক কিছুটা তাড়াহুড়ো করেছেন বলে মনে হচ্ছিলো।
এবার আসি লেখনিতে। অদ্ভুত রকমের সাবলিল লেখা, কঠিন কঠিন ইংরেজি শব্দের কত সহজ সহজ পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছে পুরো বই জুড়ে। আর লেখার মাঝে মাঝে সাহিত্যের টান বেশ আগ্রহ জাগানিয়া। আকবর আলী খান স্যার কলাম লিখতেন। পুরো বই পড়ে সেই অনুভূতিটাই আসছিলো বার বার যেন পত্রিকার সম্পাদকীয় পড়ছি।
"দুর্ভাগ্যবশত অর্থনীতির এসব অর্জন বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে এখনো অনেক ক্ষেত্রেই পৌঁছায়নি। এর কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, বাংলায় অনেক প্রবাদপ্রতিম অর্থনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেছেন। তবে এঁরা (সম্ভবত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মোহে) বাংলা ভাষায় লেখার তাগিদ অনুভব করেননি। দ্বিতীয়ত, বাংলা ভাষায় অর্থনৈতিক পরিভাষার দৈন্য রয়েছে। তৃতীয়ত, জন্মগতভাবে বাঙালিরা বামপন্থী। বাংলায় অর্থনীতি নিয়ে যা প্রকাশিত হয়, তার সিংহভাগই হচ্ছে রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে ডান-বামের তরজা আর খিস্তি-খেউর। আজ যাকে মূল ধারার অর্থনীতি বলা হয় সে সম্পর্কে বাংলায় প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা নেহাত অপ্রতুল।"
কথাটা একদমই সঠিক! অর্থনীতির বই পড়ে আরাম পেয়েছি এমন কম বই-ই আছে। কেউ পুজিবাদীদের ধুয়ে দিচ্ছেন, কেউ বা সমাজতন্ত্রের এক হাত দেখে নিচ্ছেন। কারো বা আছে একটি বিশেষ গোষ্ঠির প্রতি আলাদা টান। এভাবেই রচিত হয়ে আসছে এগুলি বছরের পর বছর ধরে। এবার বইটি হাতে নিয়েই বুঝেছি এবার ভিন্ন কিছু (জবর) বই পড়তে যাচ্ছি।
প্রথম চ্যাপ্ট্যার এ পরিসংখ্যান এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, একই সাথে এটি কীভাবে 'ফেইক' করা যায় তা-ও আলোচনা করা হয়েছে। শুধু সুবিধা ও অসুবিধার মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকেনি এটা কীভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে সেটিও বুঝিয়েছে।
দ্বিতীয় চ্যাপ্টার 'মিত্রপক্ষের গুলি' — বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে। সব কাজ ভালোর উদ্দেশ্যে করলেই যে তা সবসময় ভালো ফলাফল বয়ে আনবে তা সঠিক নয়। বেশ কিছু কেইস স্ট্যাডি গল্পের মত পড়ছিলাম। আর গল্প গুলো যেন একটির পর আরেকটি তরতর করে এগোচ্ছিলো। অনেকে এই চ্যাপ্টারের শেষ এ এসে হতাশও পারেন। ভাববেন ডানে গেলেও সমস্যা, বামে গেলেও সমস্যা তাহলে নীতিনির্ধারকগণ সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে? সে ব্যাপারেও সংক্ষিপ্ত আলোচনা এসেছে পরে।
এরপর এলো সুখ নিয়ে বিস্তর গবেষণা। "সুখ নিয়ে কেন এতো আলোচনা এখানে?" মনে বার বার আসছিলো। পরে জানতে পারলাম 'সুখ' হলো অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের সবথেকে বড় KPI.
এরপর একে একে ভেগোলজি, জুতার অর্থনীতি, জন্মদিনের অর্থনীতি, বিশ্বায়ন ও আরো কিছু মজার বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো। আর শেষের দুইটি পরিচ্ছেদ — যেখানে বাঙালির ইতিহাস আর সিভিল সোসাইটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এই দুই পরিচ্ছেদ এ তেমন অর্থনৈতিক আলোচনা তেমন আসেনি আমার মতে। এখানে লেখক কিছুটা তাড়াহুড়ো করেছেন বলে মনে হচ্ছিলো।
এবার আসি লেখনিতে। অদ্ভুত রকমের সাবলিল লেখা, কঠিন কঠিন ইংরেজি শব্দের কত সহজ সহজ পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছে পুরো বই জুড়ে। আর লেখার মাঝে মাঝে সাহিত্যের টান বেশ আগ্রহ জাগানিয়া। আকবর আলী খান স্যার কলাম লিখতেন। পুরো বই পড়ে সেই অনুভূতিটাই আসছিলো বার বার যেন পত্রিকার সম্পাদকীয় পড়ছি।
May 12, 2020
বিংশ শতাব্দীকে বলা হয় অর্থনীতির জয় জয়কারের সময়। অথচ তার আগের শতাব্দীতেই অর্থনীতিকে বলা হত সমাজবিজ্ঞানের দুয়োরানি। যাকে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বুদ্ধিজীবী কার্লাইল নাম দিয়েছিলেন "হতাশাগ্রস্ত বিজ্ঞান বা dismal science" । বর্তমানে অর্থনীতির গণ্ডি আরো ব্যাপক হয়েছে। অথচ বাংলা ভাষায় অর্থনীতিকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের তেমন কোন রচনা নেই বললেই চলে। যা আছে তার সিংহভাগই আকবর আলি খানের মতে "রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে ডান-বামের তরজা আর খিস্তি-খেউড়"।
তাই অর্থনীতির তত্ত্ব বাংলায় উপস্থাপনের তাগিদ থেকেই আকবর আলি খান লেখা শুরু করেন। সেই তাগিদের ফসল রূপেই অর্থনীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন এই বই। এই বইয়ে রয়েছে সর্বমোট দশটি প্রবন্ধ।
প্রথম তিনটি প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে অনভিপ্রেত পরিণামের অর্থনীতি, অর্থাৎ যা চাওয়া হয়নি তা পাওয়ার অর্থনৈতিক আলোচনা। এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গবেষণা করেছেন স্টিভেন ডি লেভিট। তিনি স্টিফেন জে ডুবনারের সঙ্গে যৌথভাবে Freakonomics ও Superfreakonomics নামে দুটো বইও রচনা করেন! বইদুটোর ইংরেজি নামের বাংলা করলে দাঁড়ায় যথাক্রমে "আজব অর্থনীতি" ও "জবর-আজব অর্থনীতি"। মূলত এখান থেকেই আকবর আলি খান প্রথম প্রবন্ধ এবং বইটির নামকরণ করেন। এই প্রবন্ধে তাই সামগ্রিকভাবে ওই দুটো বইয়েরই বিভিন্ন তত্ত্ব, তথ্য ও উপাত্তের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রবন্ধের নাম "মিত্রপক্ষের গুলি: অনভিপ্রেত পরিণামের অর্থনীতি"। যুদ্ধক্ষেত্রে তুমুল লড়াই চলাকালে নিজ পক্ষের গুলি দ্বারা হতাহত হওয়া সৈন্যের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। একে বলা হয় মিত্রপক্ষের গুলি। তেমনি সকলের মঙ্গল কামনা করে অর্থনৈতিক, সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হলেও দেখা যায় আখেরে তা বেশকিছু বিপত্তিরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে কি এই ধরনের মিত্রপক্ষের গুলি নির্মূল করা যাবে না? বা ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায় না? গেলেও কিভাবে? সে নিয়েই আলোচনা হয়েছে এই প্রবন্ধে।
তৃতীয় প্রবন্ধের নাম "সুখের লাগিয়া : সুখ ও অর্থনীতি", যেখানে আলোচিত হয়েছে ব্যক্তিগত সুখের সাথে অর্থনীতির সম্পর্ক। সেইসাথে করা হয়েছে সুখ সম্পর্কে অর্থনীতিবিদ ও মনস্তত্ত্ববিদদের গবেষণার তাৎপর্য বিশ্লেষণ।
আকবর আলি খানের মতে বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী হতে হলে দুটি বিষয়ে পারদর্শীতা থাকা লাগে। এক, আড্ডাবাজি ও দুই, ভেগোলজি। ভেগোলজি হচ্ছে এমন এক বিদ্যা, যার কিছুটা স্পষ্ট কিন্তু অধিকাংশই অস্পষ্ট। এই ভেগোলজির উৎপত্তি, বিকাশ এবং অর্থনীতিতে ভেগোলজির দৌরাত্ম্য নিয়েই চতুর্থ প্রবন্ধ "ভেগোলজি ও অর্থনীতি : না মিথ্যা, না সত্য"।
অর্থনীতিতে বাজার সম্পর্কে অবগত না থাকলে ক্রেতারা মার খায়। কিন্তু বাজার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলেও প্রয়োজন বাড়তি খরচ এবং শারীরিক ও মানসিক কষ্ট, অর্থনীতিবিদরা এর নাম দিয়েছেন shoe-leather cost বা সুকতলার ব্যয়। অধিকাংশই এই ব্যয় করতে রাজি নয়, ফলে থেকে যাচ্ছে তথ্যের অপ্রতিসাম্যতা। আর এরই বিশ্লেষণ নিয়ে পঞ্চম প্রবন্ধ "সুকতলার অর্থনীতি ও জুতার রাজনীতি : অর্থনীতি ও রাজনীতিতে তথ্যের ভূমিকা"।
ব্যক্তিগতভাবে জন্মদিন পালন উপমহাদেশে অতি আধুনিক একটি প্রথা হলেও বর্তমান সমগ্র বিশ্বে এই জন্মদিন পালন নিয়ে রয়েছে বিশাল আড়ম্বর। আর বিশেষ ব্যক্তির জন্মদিন হলে তো কথাই নেই। কারো কারো জন্মদিনকে ঘিরে আবর্তিত হয় অর্থনীতি ও রাজনীতির চাকা। "শুভ জন্মদিন : জন্মদিনের অর্থনীতি ও রাজনীতি" নামক পঞ্চম প্রবন্ধে মূলত আলোচিত হয়েছে এই বিষয়টি। আর এর জন্য বিশেষ ভাবে আলোচিত যীশু, জিন্নাহ ও স্বয়ং লেখকের কথিত জন্মদিবস ২৫ ডিসেম্বর নিয়েও আলোচনা।
পরবর্তী প্রবন্ধের নাম "সরকারের অপচয় : রাজনৈতিক অর্থনীতি", এতে আলোচিত হয়েছে অপচয়ের বিভিন্ন প্রকারভেদ ও বিশ্লেষণ।
পরবর্তী প্রবন্ধ দুটি "বিশ্বায়ন : একটি সমীক্ষা ও কয়েকটি অমীমাংসিত প্রশ্ন" এবং "বিশ্বায়ন ও বাঙালির সত্তার অন্বেষা : একদিন বাঙালি ছিলাম রে" - তে আলোচিত হয়েছে বিশ্বায়নের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রভাব। বিশ্বায়নের পক্ষ ও বিপক্ষ - উভয় দলের মতামত বিশ্লেষিত হয়েছে এই প্রবন্ধ দুটিতে।
বাংলাদেশে civil servant - দের অনেক সময় "সুশীল সেবক" বলে দাবি করা হয়। লেখক তাঁদের দাবিকে বিভিন্ন দিক থেকে ব্যাখ্যা করে আর্জি করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় মামলা ঠুকে দিতে। বইটির সর্বশেষ প্রবন্ধ "বাংলাদেশের সিভিল সমাজ : বাস্তবতার সন্ধানে একটি ধারণা" - তে আলোচিত হয়েছে সিভিল সমাজের বিভিন্ন দায় দায়িত্ব এবং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধারা নিয়ে।
পরিশেষে, বইয়ের মূল উদ্দেশ্য অর্থনীতির তত্ত্ব ব্যাখ্যা হলেও তা শুধুমাত্র অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং রাজনীতি, বিশ্বায়ন, ইতিহাস, সিভিল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা সবকিছুই বইটিকে পূর্ণতা প্রদান করেছে। বইটি একই সাথে সুখপাঠ্যও বটে। প্রতিটি প্রবন্ধে আকবর আলি খানের বিদগ্ধতার পরিচয় উঠে এসেছে তো বটেই, লেখকের সরসিক লেখার ভঙ্গিও প্রবন্ধগুলোকে করে তুলেছিল প্রাণবন্ত। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান না থাকলেও এই বইয়ে আলোচিত তত্ত্বগুলো বুঝতেও কোন বেগ পেতে হয়নি।
#HappyReading
তাই অর্থনীতির তত্ত্ব বাংলায় উপস্থাপনের তাগিদ থেকেই আকবর আলি খান লেখা শুরু করেন। সেই তাগিদের ফসল রূপেই অর্থনীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন এই বই। এই বইয়ে রয়েছে সর্বমোট দশটি প্রবন্ধ।
প্রথম তিনটি প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে অনভিপ্রেত পরিণামের অর্থনীতি, অর্থাৎ যা চাওয়া হয়নি তা পাওয়ার অর্থনৈতিক আলোচনা। এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গবেষণা করেছেন স্টিভেন ডি লেভিট। তিনি স্টিফেন জে ডুবনারের সঙ্গে যৌথভাবে Freakonomics ও Superfreakonomics নামে দুটো বইও রচনা করেন! বইদুটোর ইংরেজি নামের বাংলা করলে দাঁড়ায় যথাক্রমে "আজব অর্থনীতি" ও "জবর-আজব অর্থনীতি"। মূলত এখান থেকেই আকবর আলি খান প্রথম প্রবন্ধ এবং বইটির নামকরণ করেন। এই প্রবন্ধে তাই সামগ্রিকভাবে ওই দুটো বইয়েরই বিভিন্ন তত্ত্ব, তথ্য ও উপাত্তের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রবন্ধের নাম "মিত্রপক্ষের গুলি: অনভিপ্রেত পরিণামের অর্থনীতি"। যুদ্ধক্ষেত্রে তুমুল লড়াই চলাকালে নিজ পক্ষের গুলি দ্বারা হতাহত হওয়া সৈন্যের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। একে বলা হয় মিত্রপক্ষের গুলি। তেমনি সকলের মঙ্গল কামনা করে অর্থনৈতিক, সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হলেও দেখা যায় আখেরে তা বেশকিছু বিপত্তিরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে কি এই ধরনের মিত্রপক্ষের গুলি নির্মূল করা যাবে না? বা ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায় না? গেলেও কিভাবে? সে নিয়েই আলোচনা হয়েছে এই প্রবন্ধে।
তৃতীয় প্রবন্ধের নাম "সুখের লাগিয়া : সুখ ও অর্থনীতি", যেখানে আলোচিত হয়েছে ব্যক্তিগত সুখের সাথে অর্থনীতির সম্পর্ক। সেইসাথে করা হয়েছে সুখ সম্পর্কে অর্থনীতিবিদ ও মনস্তত্ত্ববিদদের গবেষণার তাৎপর্য বিশ্লেষণ।
আকবর আলি খানের মতে বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী হতে হলে দুটি বিষয়ে পারদর্শীতা থাকা লাগে। এক, আড্ডাবাজি ও দুই, ভেগোলজি। ভেগোলজি হচ্ছে এমন এক বিদ্যা, যার কিছুটা স্পষ্ট কিন্তু অধিকাংশই অস্পষ্ট। এই ভেগোলজির উৎপত্তি, বিকাশ এবং অর্থনীতিতে ভেগোলজির দৌরাত্ম্য নিয়েই চতুর্থ প্রবন্ধ "ভেগোলজি ও অর্থনীতি : না মিথ্যা, না সত্য"।
অর্থনীতিতে বাজার সম্পর্কে অবগত না থাকলে ক্রেতারা মার খায়। কিন্তু বাজার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলেও প্রয়োজন বাড়তি খরচ এবং শারীরিক ও মানসিক কষ্ট, অর্থনীতিবিদরা এর নাম দিয়েছেন shoe-leather cost বা সুকতলার ব্যয়। অধিকাংশই এই ব্যয় করতে রাজি নয়, ফলে থেকে যাচ্ছে তথ্যের অপ্রতিসাম্যতা। আর এরই বিশ্লেষণ নিয়ে পঞ্চম প্রবন্ধ "সুকতলার অর্থনীতি ও জুতার রাজনীতি : অর্থনীতি ও রাজনীতিতে তথ্যের ভূমিকা"।
ব্যক্তিগতভাবে জন্মদিন পালন উপমহাদেশে অতি আধুনিক একটি প্রথা হলেও বর্তমান সমগ্র বিশ্বে এই জন্মদিন পালন নিয়ে রয়েছে বিশাল আড়ম্বর। আর বিশেষ ব্যক্তির জন্মদিন হলে তো কথাই নেই। কারো কারো জন্মদিনকে ঘিরে আবর্তিত হয় অর্থনীতি ও রাজনীতির চাকা। "শুভ জন্মদিন : জন্মদিনের অর্থনীতি ও রাজনীতি" নামক পঞ্চম প্রবন্ধে মূলত আলোচিত হয়েছে এই বিষয়টি। আর এর জন্য বিশেষ ভাবে আলোচিত যীশু, জিন্নাহ ও স্বয়ং লেখকের কথিত জন্মদিবস ২৫ ডিসেম্বর নিয়েও আলোচনা।
পরবর্তী প্রবন্ধের নাম "সরকারের অপচয় : রাজনৈতিক অর্থনীতি", এতে আলোচিত হয়েছে অপচয়ের বিভিন্ন প্রকারভেদ ও বিশ্লেষণ।
পরবর্তী প্রবন্ধ দুটি "বিশ্বায়ন : একটি সমীক্ষা ও কয়েকটি অমীমাংসিত প্রশ্ন" এবং "বিশ্বায়ন ও বাঙালির সত্তার অন্বেষা : একদিন বাঙালি ছিলাম রে" - তে আলোচিত হয়েছে বিশ্বায়নের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রভাব। বিশ্বায়নের পক্ষ ও বিপক্ষ - উভয় দলের মতামত বিশ্লেষিত হয়েছে এই প্রবন্ধ দুটিতে।
বাংলাদেশে civil servant - দের অনেক সময় "সুশীল সেবক" বলে দাবি করা হয়। লেখক তাঁদের দাবিকে বিভিন্ন দিক থেকে ব্যাখ্যা করে আর্জি করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় মামলা ঠুকে দিতে। বইটির সর্বশেষ প্রবন্ধ "বাংলাদেশের সিভিল সমাজ : বাস্তবতার সন্ধানে একটি ধারণা" - তে আলোচিত হয়েছে সিভিল সমাজের বিভিন্ন দায় দায়িত্ব এবং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধারা নিয়ে।
পরিশেষে, বইয়ের মূল উদ্দেশ্য অর্থনীতির তত্ত্ব ব্যাখ্যা হলেও তা শুধুমাত্র অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং রাজনীতি, বিশ্বায়ন, ইতিহাস, সিভিল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা সবকিছুই বইটিকে পূর্ণতা প্রদান করেছে। বইটি একই সাথে সুখপাঠ্যও বটে। প্রতিটি প্রবন্ধে আকবর আলি খানের বিদগ্ধতার পরিচয় উঠে এসেছে তো বটেই, লেখকের সরসিক লেখার ভঙ্গিও প্রবন্ধগুলোকে করে তুলেছিল প্রাণবন্ত। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান না থাকলেও এই বইয়ে আলোচিত তত্ত্বগুলো বুঝতেও কোন বেগ পেতে হয়নি।
#HappyReading
February 8, 2025
অর্থনীতি বরাবরই বিরক্তিকর একটি বিষয়। রাজনীতির চেয়েও কয়েকগুণ বিরক্তিকর। এইসব টাকাপয়সা খরচ করতে মজা লাগে। হিসাব-নিকাশ, মূদ্রাস্ফিতি, জিডিপি এইসব ক্যাচাল জমে না সাধারণত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, জমেছে; আকবর আলি খানের লেখায় জমে ক্ষীর হয়েছে।
আকবর সাহেবের সবচাইতে বড় গুণ হলো, তিনি শুধু ইক্যুয়েশন, ফর্মুলা আর ক্যালকুলেশন ই বুঝান না। তিনি হাস্য রসিকতা ও করেন। অর্থনীতির মতো বিষয় নিয়ে রঙ তামাশা করেন। আস্পর্ধা চিন্তা করেন। আর তার এই আস্পর্ধাই আপনাকে অর্থনীতি বিষয়ে জানতে, চোখ বড় বড় করে তাকাতে বাধ্য করবেন।
অর্থনীতি এক আজব বিষয়। অর্থনীতির বিষয়ে মূলত কোন প্রেডিকশন ই কাজ করেনা। কারণ অর্থনীতি জেনজির চেয়েও বেশী প্রভাবিত হয়, ট্রিগার্ড হয় বিভিন্ন ইন্টারনাল এক্সটার্নাল ফ্যাক্টরস দিয়ে। তাই একজন অর্থনীতিবিদ এর ফর্মুলা, আরেক অর্থনীতিবিদ সহজেই গুড়িয়ে ফেলতে পারেন।
এই বইয়ে আকবর সাহেব অর্থনীতির ইক্যুয়েশনের চেয়ে, অর্থনীতির হেরফেরে, মানে টাকাপয়সার নৃত্যে কীভাবে জীবন, ও আমাদের চারপাশ নড়েচড়ে বসে তা দেখিয়েছেন। অর্থনীতিকে উপজীব্য করে জীবন, সুখের হিসাব নিকাশ, সামর্থ্য, চাহিদা, লাইফস্টাইলের যে পরিবর্তন, তার গল্প বলেছেন।
আকবর সাহেবের সাথে সময়টা কেটেছে চমৎকার। একজন অর্থনীতিবিদ হয়েও, তিনি আমার প্রিয় লেখকদের একজন হয়ে উঠেছেন নিয়ম করে।
আকবর সাহেবের সবচাইতে বড় গুণ হলো, তিনি শুধু ইক্যুয়েশন, ফর্মুলা আর ক্যালকুলেশন ই বুঝান না। তিনি হাস্য রসিকতা ও করেন। অর্থনীতির মতো বিষয় নিয়ে রঙ তামাশা করেন। আস্পর্ধা চিন্তা করেন। আর তার এই আস্পর্ধাই আপনাকে অর্থনীতি বিষয়ে জানতে, চোখ বড় বড় করে তাকাতে বাধ্য করবেন।
অর্থনীতি এক আজব বিষয়। অর্থনীতির বিষয়ে মূলত কোন প্রেডিকশন ই কাজ করেনা। কারণ অর্থনীতি জেনজির চেয়েও বেশী প্রভাবিত হয়, ট্রিগার্ড হয় বিভিন্ন ইন্টারনাল এক্সটার্নাল ফ্যাক্টরস দিয়ে। তাই একজন অর্থনীতিবিদ এর ফর্মুলা, আরেক অর্থনীতিবিদ সহজেই গুড়িয়ে ফেলতে পারেন।
এই বইয়ে আকবর সাহেব অর্থনীতির ইক্যুয়েশনের চেয়ে, অর্থনীতির হেরফেরে, মানে টাকাপয়সার নৃত্যে কীভাবে জীবন, ও আমাদের চারপাশ নড়েচড়ে বসে তা দেখিয়েছেন। অর্থনীতিকে উপজীব্য করে জীবন, সুখের হিসাব নিকাশ, সামর্থ্য, চাহিদা, লাইফস্টাইলের যে পরিবর্তন, তার গল্প বলেছেন।
আকবর সাহেবের সাথে সময়টা কেটেছে চমৎকার। একজন অর্থনীতিবিদ হয়েও, তিনি আমার প্রিয় লেখকদের একজন হয়ে উঠেছেন নিয়ম করে।
March 14, 2017
অর্থনীতি, একসময় ছিল সমাজবিজ্ঞানের দুয়োরানি, যা পরে অভিহিত হয়েছে হতাশাগ্রস্থ বিজ্ঞান। নব্য উদারবাদে অর্থনীতি জুড়ে ভাগ বসিয়েছে সংখ্যা আর তত্ত্ব। এই অর্থনীতিই এখন সমাজ বিজ্ঞানের সম্রাজ্ঞী।
অর্থনীতি এখন আর শুধু চাহিদা আর যোগানে সীমাবদ্ধ নয়, আইনশাস্ত্র থেকে শুরু করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সবখানে রয়েছে এখন তার দৌড়। জন্ম থেকে শুরু করে ধর্ম, যাবতীয় গবেষনায় এখন ব্যবহার করা হয়েছে অর্থনীতির সূত্র। কিন্তু এমন জটিল সব বিষয় নিয়ে আধমরা বাঙ্গালী পাঠকের জন্য নেই তেমন কোন বই।
ডঃ আকবর আলি খান রচিত গ্রন্থ 'আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি'। ডজনখানেক প্রবন্ধ নিয়ে সমৃদ্ধ এই বই একজন সাধারণ পাঠকের সামনে খুলে দিবে অর্থনীতির জটিল সব হিসেব কে সহজে বোঝার এক নতুন দুয়ার।
লেখককে নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই। তার রচিত এই বই অর্থনীতি নিয়ে কোন একাডেমিক বই নয়। এটি লেখকের অসাধারণ এবং বিচিত্র অভিজ্ঞতার এক গভীর নির্যাস।
তার ১০ টি প্রবন্ধে তিনি আলোকপাত করেছেন ভিন্ন ১০ টি বিষয়ে। যেখানে স্থান পেয়েছে অর্থনীতি, সুশাসন, সমাজ এবং ইতিহাস। প্রতিটা প্রবন্ধ আমাদের দীর্ঘদিনের যাবতীয় ধারনাকে মুখোমুখি করে এক বিভ্রান্তিকর চ্যালেঞ্জের।
লেখকের নিজস্ব এবং বিভিন্ন খ্যাতিমান পন্ডিতের বিশ্লেষনে সমৃদ্ধ বইটিতে লেখক নিজে কোন সিদ্ধান্ত দেননি। তিনি প্রশ্ন করেছেন পাঠককে, সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন পাঠকের হাতে।
দিনশেষে বইটি একটা সুখপাঠ্য। অর্থনীতি নিয়ে তাত্ত্বিক বিশ্লেষন নেই, আছে শুধু সুস্বাদুময় বর্ণনা। আমার মত আধমরা পাঠককে দিবে নতুন এক ধারনা। ড. আকবর আলি খানের কৃতিত্ব হচ্ছে বইটি লেখা হয়েছে সহজ ভাষায়, বৈঠকি মেজাজে।
অর্থনীতি এখন আর শুধু চাহিদা আর যোগানে সীমাবদ্ধ নয়, আইনশাস্ত্র থেকে শুরু করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সবখানে রয়েছে এখন তার দৌড়। জন্ম থেকে শুরু করে ধর্ম, যাবতীয় গবেষনায় এখন ব্যবহার করা হয়েছে অর্থনীতির সূত্র। কিন্তু এমন জটিল সব বিষয় নিয়ে আধমরা বাঙ্গালী পাঠকের জন্য নেই তেমন কোন বই।
ডঃ আকবর আলি খান রচিত গ্রন্থ 'আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি'। ডজনখানেক প্রবন্ধ নিয়ে সমৃদ্ধ এই বই একজন সাধারণ পাঠকের সামনে খুলে দিবে অর্থনীতির জটিল সব হিসেব কে সহজে বোঝার এক নতুন দুয়ার।
লেখককে নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই। তার রচিত এই বই অর্থনীতি নিয়ে কোন একাডেমিক বই নয়। এটি লেখকের অসাধারণ এবং বিচিত্র অভিজ্ঞতার এক গভীর নির্যাস।
তার ১০ টি প্রবন্ধে তিনি আলোকপাত করেছেন ভিন্ন ১০ টি বিষয়ে। যেখানে স্থান পেয়েছে অর্থনীতি, সুশাসন, সমাজ এবং ইতিহাস। প্রতিটা প্রবন্ধ আমাদের দীর্ঘদিনের যাবতীয় ধারনাকে মুখোমুখি করে এক বিভ্রান্তিকর চ্যালেঞ্জের।
লেখকের নিজস্ব এবং বিভিন্ন খ্যাতিমান পন্ডিতের বিশ্লেষনে সমৃদ্ধ বইটিতে লেখক নিজে কোন সিদ্ধান্ত দেননি। তিনি প্রশ্ন করেছেন পাঠককে, সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন পাঠকের হাতে।
দিনশেষে বইটি একটা সুখপাঠ্য। অর্থনীতি নিয়ে তাত্ত্বিক বিশ্লেষন নেই, আছে শুধু সুস্বাদুময় বর্ণনা। আমার মত আধমরা পাঠককে দিবে নতুন এক ধারনা। ড. আকবর আলি খানের কৃতিত্ব হচ্ছে বইটি লেখা হয়েছে সহজ ভাষায়, বৈঠকি মেজাজে।
August 16, 2023
বই এর টপিক পরে বলি, কথা হলো আকবর আলী খান স্যার যে ঢঙে লিখতেন, সেই ঢঙে যদি প্রবন্ধ নিয়মিত লেখা যেতো, তবে এদেশে আলাদা এক প্রবন্ধের পাঠকগোষ্ঠীও থাকতো 😔
যে অর্থনীতি, একসময় ছিল সমাজবিজ্ঞানের দুয়োরানি,
সেই অর্থনীতিই এখন সমাজ বিজ্ঞানের সম্রাজ্ঞী।
অর্থনীতি এখন আর শুধু চাহিদা আর যোগানে সীমাবদ্ধ নয়, আইনশাস্ত্র থেকে শুরু করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সবখানে রয়েছে এখন তার দৌড়। জন্ম থেকে শুরু করে ধর্ম, যাবতীয় গবেষনায় এখন ব্যবহার করা হয়েছে অর্থনীতির সূত্র। কিন্তু এমন জটিল সব বিষয় নিয়ে আধমরা বাঙ্গালী পাঠকের জন্য নেই তেমন কোন বই।
ডজনখানেক প্রবন্ধ নিয়ে সমৃদ্ধ এই বই একজন সাধারণ পাঠকের সামনে খুলে দিবে অর্থনীতির জটিল সব হিসেব কে সহজে বোঝার এক নতুন দুয়ার।
লেখককে নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই। তার রচিত এই বই অর্থনীতি নিয়ে কোন একাডেমিক বই নয়। এটি লেখকের অসাধারণ এবং বিচিত্র অভিজ্ঞতার এক গভীর নির্যাস।
তার ১০ টি প্রবন্ধে তিনি আলোকপাত করেছেন ভিন্ন ১০ টি বিষয়ে। যেখানে স্থান পেয়েছে অর্থনীতি, সুশাসন, সমাজ এবং ইতিহাস। প্রতিটা প্রবন্ধ আমাদের দীর্ঘদিনের যাবতীয় ধারনাকে মুখোমুখি করে এক বিভ্রান্তিকর চ্যালেঞ্জের।
লেখকের নিজস্ব এবং বিভিন্ন খ্যাতিমান পন্ডিতের বিশ্লেষনে সমৃদ্ধ বইটিতে লেখক নিজে কোন সিদ্ধান্ত দেননি। তিনি প্রশ্ন করেছেন পাঠককে, সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন পাঠকের হাতে।
দিনশেষে, অর্থনীতি নিয়ে তাত্ত্বিক বিশ্লেষন নেই, আছে শুধু সুস্বাদুময় বর্ণনা। আমার মত আধমরা পাঠককে দিবে নতুন এক ধারনা।
ড. আকবর আলি খানের কৃতিত্ব হচ্ছে বইটি লেখা হয়েছে সহজ ভাষায়, বৈঠকি মেজাজে।
যে অর্থনীতি, একসময় ছিল সমাজবিজ্ঞানের দুয়োরানি,
সেই অর্থনীতিই এখন সমাজ বিজ্ঞানের সম্রাজ্ঞী।
অর্থনীতি এখন আর শুধু চাহিদা আর যোগানে সীমাবদ্ধ নয়, আইনশাস্ত্র থেকে শুরু করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সবখানে রয়েছে এখন তার দৌড়। জন্ম থেকে শুরু করে ধর্ম, যাবতীয় গবেষনায় এখন ব্যবহার করা হয়েছে অর্থনীতির সূত্র। কিন্তু এমন জটিল সব বিষয় নিয়ে আধমরা বাঙ্গালী পাঠকের জন্য নেই তেমন কোন বই।
ডজনখানেক প্রবন্ধ নিয়ে সমৃদ্ধ এই বই একজন সাধারণ পাঠকের সামনে খুলে দিবে অর্থনীতির জটিল সব হিসেব কে সহজে বোঝার এক নতুন দুয়ার।
লেখককে নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই। তার রচিত এই বই অর্থনীতি নিয়ে কোন একাডেমিক বই নয়। এটি লেখকের অসাধারণ এবং বিচিত্র অভিজ্ঞতার এক গভীর নির্যাস।
তার ১০ টি প্রবন্ধে তিনি আলোকপাত করেছেন ভিন্ন ১০ টি বিষয়ে। যেখানে স্থান পেয়েছে অর্থনীতি, সুশাসন, সমাজ এবং ইতিহাস। প্রতিটা প্রবন্ধ আমাদের দীর্ঘদিনের যাবতীয় ধারনাকে মুখোমুখি করে এক বিভ্রান্তিকর চ্যালেঞ্জের।
লেখকের নিজস্ব এবং বিভিন্ন খ্যাতিমান পন্ডিতের বিশ্লেষনে সমৃদ্ধ বইটিতে লেখক নিজে কোন সিদ্ধান্ত দেননি। তিনি প্রশ্ন করেছেন পাঠককে, সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন পাঠকের হাতে।
দিনশেষে, অর্থনীতি নিয়ে তাত্ত্বিক বিশ্লেষন নেই, আছে শুধু সুস্বাদুময় বর্ণনা। আমার মত আধমরা পাঠককে দিবে নতুন এক ধারনা।
ড. আকবর আলি খানের কৃতিত্ব হচ্ছে বইটি লেখা হয়েছে সহজ ভাষায়, বৈঠকি মেজাজে।
Want to Read
March 29, 2018কিভাবে পড়ব বুঝতেছি না
May 22, 2023
পরার্থপরতার অর্থনীতি পড়া ছিলো আগেই, সেই সূত্রেই এটাও পড়ে ফেলা। কয়েকটি আলাদা প্রবন্ধের সমণ্বয়ে এই বই। ভেগোলজি(Vague-o-logy) হিসেবে অর্থনীতির জুড়ি মেলা ভার। জুতার অর্থনীতি আর জন্মদিনের রাজনীতি এদের শিরোনামের মতই মজার চ্যাপ্টার। অপচয়ের রাজনৈতিক অর্থনীতি, বিশ্বায়ন বিষয়ক লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি আর শেষে সিভিল সোসাইটি নিয়ে আলোচনাগুলো বেশ ইনসাইটফুল।
March 1, 2021
Readable, but not as good as the previous book of the author "পরার্থপরতার অর্থনীতি"।
November 23, 2024
ভালো বই......
সহজ ভাষায় লেখা
সহজ ভাষায় লেখা
July 8, 2016
Freakonomics ও Super Freakonomics. ইংরেজি freak শব্দটির সাথে Economics শব্দটির সন্ধি করে freakonomics শব্দটি পয়দা করা হয়েছে। আর Super Freakonomics বইটি এর পরের অংশ। সাধারণ মানুষেরা অর্থনীতির বই বলতে যা বুঝেন, সেই সব আলোচনা এই বই দুইটিতে করা হয় নি। তবে অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বই দুইটি লিখা হয়েছে।
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ ধারণাটির জনক হচ্ছেন গ্যারি বেকার (Gary Becker) । ১৯৯২ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরুষ্কার পান। বেকার অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন, 'It is a method of analysis and not an assumption about a particular motivations. ... Behavior is driven by a much richer set of values and preferences.'
According to Gary Beaker, Economics is not only restricted with using your resources efficiently, Economics is a system, in which people behavior can be described. To describe such thing we need to know what people wants.
এই সমস্যাটিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার 'ঐকতান' কবিতায় :
"সব চেয়ে দুর্গম-যে মানুষ আপন-আন্তরালে,
তার পূর্ণ পরিমাপ নাই বাহিরের দেশে কালে।
সে আন্তরময়,
আন্তর মিশালে তবে তার অন্তরের পরিচয়।
পাই নে সর্বত্র তার প্রবেশের দ্বার;"
একমাত্র মানুষের অন্তরের পরিচয় জানলেই তার আচরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কিন্তু তার আন্তরের প্রবেশের দ্বার সহজে খুজে পাওয়া সম্ভব নয়। এটাই হল অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণের সমস্যা।
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ ধারণাটির জনক হচ্ছেন গ্যারি বেকার (Gary Becker) । ১৯৯২ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরুষ্কার পান। বেকার অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন, 'It is a method of analysis and not an assumption about a particular motivations. ... Behavior is driven by a much richer set of values and preferences.'
According to Gary Beaker, Economics is not only restricted with using your resources efficiently, Economics is a system, in which people behavior can be described. To describe such thing we need to know what people wants.
এই সমস্যাটিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার 'ঐকতান' কবিতায় :
"সব চেয়ে দুর্গম-যে মানুষ আপন-আন্তরালে,
তার পূর্ণ পরিমাপ নাই বাহিরের দেশে কালে।
সে আন্তরময়,
আন্তর মিশালে তবে তার অন্তরের পরিচয়।
পাই নে সর্বত্র তার প্রবেশের দ্বার;"
একমাত্র মানুষের অন্তরের পরিচয় জানলেই তার আচরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কিন্তু তার আন্তরের প্রবেশের দ্বার সহজে খুজে পাওয়া সম্ভব নয়। এটাই হল অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণের সমস্যা।
July 25, 2019
বইটি শুরু হয়েছে ফ্রিকোনওমিকস নামের আরেকটি বইয়ের রিভিউ বা পর্যালোচনা দিয়ে শেষ হয়েছে শিভিল সোশাইটি দিয়ে। এর মাঝে রয়েছে অনেকগুলো গবেষণা প্রবন্ধ যেগুলো আলোকপাত করেছে অর্থনীতির ভিন্ন কিন্তু মজার কিছু পরিসংখ্যান ও বিষয়। তিনি অর্থনীতিকে সংযুক্ত করেছেন রাজনীতি, সমাজনীতি, বিশ্বায়ন, নৃতত্ত্ব, ধর্ম, বিখ্যাত মানুষ দের বিভ্রান্তকর জন্মতারিখ ও এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব। গবেষণা প্রবন্ধ হলেও এতে তেমন কোন খটমট শব্দ বা ভাষার ব্যাবহার নেই। সহজপাঠ্য ও সহজপাচ্য ও বটে। নিখাদ আনন্দলাভের সাথে এক চিমটি অরথনীতি জানা।
March 3, 2016
বইটি সুখপাঠ্য। অর্থনীতির তত্ত্ব নিয়ে জবড়জং লেখা খুঁজলে বইটি থেকে দুরে থাকুন। এখানে তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নেই। আছে অর্থনৈতিক সমস্যাসংকুল ঘটনার সুস্বাদু বর্ণনা।
November 21, 2018
ইংরেজি "FREAKONOMICS" বইয়ের অবলম্বনে লেখা এই বইটি অত্যন্ত সুখপাঠ্য।সাধারণত অর্থনীতি বলতে আমরা যা বুঝি, এই বইটি সেরকম নয়।বরং অর্থনীতির মজার দিক টি ই এখানে আলোচনা করা হয়েছে।
Displaying 1 - 19 of 19 reviews

















