হিউ অ্যালেন ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সৈন্য। ১৯৪২ সালে মাথায় আঘাত পাওয়ার দরুন অবসর নেন ও ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। সেইসময়ই ভালোবেসে ফেলেন ভারতকে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষে মধ্যপ্রদেশের মান্দিখেরায় জমিদারি কিনে খামারবাড়ির তত্ত্বাবধান ও অবসরে শিকার চর্চা করে জীবনের বাকি দিন গুলো কাটিয়ে দেন। 'ভারতের বনে জঙ্গলে' তাঁর লেখা 'A Discourse on Indian Forest' এর অনুবাদ। ১৯৬৮ সালে লেখক শিকারী হিউ অ্যালেন পরলোকগমন করেন।
হিউ অ্যালেনের লেখা 'ভারতের বনে জঙ্গলে' মোটামুটি লেগেছে। পরিতোষ মজুমদারের অনুবাদ খাপছাড়া ও একঘেয়ে ছিলো। বিশেষ করে সবসময় present indefinite tense ব্যবহার করার ব্যাপারটা। 'নিঃসঙ্গ বাঘ' লেখাটা মূল্যবান। স্বাধীনতা উত্তর ভারতে অবাধ বন্দুক ব্যবসা, পোচার ও লাটশিকারীদের দৌরাত্ম্যে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা যে কত দ্রুত কমে আসছিলো তা লেখাটা পড়লেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে। মর্মান্তিক একেকটা বিবরণ। 'খরন্তা বাঘ', 'চিতার হাসি', 'ঝড়ে বন্দী বাঘ' এগুলোও খারাপ না। রেটিং ৩.৫/৫।