Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপদেবতা

Rate this book
ও বাড়িতে খুব অদ্ভূত একটা ব্যাপার ছিল। প্রতিদিন রান্নার পর উনুন থেকে নামানো প্রথম খাবারটা ভোগ চড়ানো হতো "অপদেবতা" কে। বিশাল রূপোর থালায় সাজানো হতো অষ্টব্যঞ্জন, কাটারিভোগ চালের ঝরঝরে চিকন ভাত আর তিন পদের আহামরি মিষ্টান্ন। সোনালী ঝালর বসানো লেসের ঢাকায় ঢেকে সেই থালাখানা রেখে আসা হতো ছাদের একটা নির্দিষ্ট স্থান... কুমারী কন্যাদের সেই ভোগের থালায় হাত ছোঁয়ানো বারণ ছিল। মাসের বিশেষ দিনগুলিতে মেয়ে মানুষের হেঁসেল ঘরে পা রাখাও বারণ ছিল। আর বারণ ছিল ও বাড়ির ছাদে যাওয়া। যত যাই হোক না কেন, ছাদে যাওয়া চলবে না।

কেবল যেতে পারতেন আলতাবানু... আলতাবানু একাই! অনি রূপসী এক পক্ককেশ বৃদ্ধা, হিংস্র এবং নিষ্ঠুর। ওই পুরাতন বাড়িটার ভয়াল অপদেবতার সাথে তার অদ্ভুত এক রকমের সম্পর্ক ছিল। লোকে বলে,
বহু বহু বহু কাল আগে বুঝি অন্য কোন জীবনে আলতাবানু নামে এক ছোট্ট কিশোরী মেয়েকে চড়ানো হয়েছিল ওয়াল সেই অবদেবতার ভোগে।

লোকে বলে,
৬৯ বছর আগে হাওরে ডুবে যে কিশোরী নববধূর মৃত্যু হয়েছিল, তিনি আলতা বানু নন!

আলতাবানু নামের যে অদ্ভুত রূপসী বৃদ্ধা প্রতিরাতে চৌবাচ্চার হিমশীতল জলে শরীর ডুবিয়ে বসে থাকে, তিনি নাকি আদতে কোন জীবিত মানুষই নন।

এবং লোকে বলে,
আলতাবানুর অন্দরমহলে কুচকুচে কালো কোন বেড়াল ছানাও নেই, কখনো ছিল না। যদিও নুসরাত তাকে দেখতে পেতো প্রতি রাতেই।

144 pages, Unknown Binding

Published January 1, 2023

Loading...
Loading...

About the author

Rumana Baishakhi is Bangladeshi Paranormal, Horror thriller writer.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (13%)
4 stars
10 (33%)
3 stars
12 (40%)
2 stars
1 (3%)
1 star
3 (10%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Ahmed Aziz.
402 reviews69 followers
July 11, 2023
অতিরিক্ত প্রেম প্রেম ভাবটাই ডোবালো বই টাকে। না হলে চার, সাড়ে চার তারা পাবার মত হাজার বছরের পুরোনো অন্ধকার পৈশাচিক শক্তি, বিশাল দুর্দান্ত হাওড়, অভিশপ্ত জমিদার বাড়ি, অসামান্য রূপবতী নারী আর খেলে বেড়ানো সেই লেভেলের কিউট কালো বিড়ালের বাচ্চা সবই ছিল।
Profile Image for Nusfaq Mahmood.
326 reviews
April 28, 2023
বইটা আমি অনেক আগেই পড়েছি, মাস দুয়েক হবে। পড়ে গা ছমছম করেছে আবার ব্যাপারটা বেশ উপভোগ-ও করেছি। কি কি জানি ভালো লাগেনি, এখন মনেও পড়ছে না। তবে অভারল আমি বেশ এঞ্জয় করেছি এটা জাস্ট মনে আছে- এই কারণেই এক্সট্রা স্টার দেওয়া উচিত xD
Profile Image for Samsudduha Rifath.
458 reviews24 followers
December 23, 2023
রুমানা বৈশাখী আপুর নাম শুনেছি সেজান ভাইয়ের কাছে। উনার কাছে আপুর লেখা প্রাক্তন বইটার অসম্ভ সুন্দর কিছু লাইন হাইললাইট করা দেখেছিলাম। এই বইটা আর আসবে না জানতে পেরে মন খারাপও হয়। পরে একদিন আপুর লেখা দুঃস্বপ্নের রাত নামে হরর গল্প সংকলন পড়ি। দারুণ লেগেছিলো। ২৩ বইমেলায় যখন 'অপদেবতা' বইটা প্রকাশ পায় তখন থেকে বইটা উইশলিস্টে ছিলো। দুই দিন আগে বইটা সংগ্রহ করি
আজ সকালে বইটা পড়া হলো আর পড়ার পর অনুভূতি দারুণ। রুমানা বৈশাখী আপুর দারুণ লেখনশৈলীতে বইটায় প্রতিটি চরিত্রের ভয়ের যে মাত্রা তা ফুটে উঠেছে। তার উপর নুসরাত যখন উত্তম পুরুষে কথক হিসেবে আসে বইয়ে তখন মনে হয় নিজেও সেই বাড়িতে বন্দি হয়ে আছি। যেতে পারব না ছেড়ে এই ভয়ংকর অভিশপ্ত বাড়ি থেকে। শুরু থেকেই এক অদৃশ্য ভয় তৈরী করেছেন লেখিকা।

দেবতাকে পূজা করতে হবে সেটা মন থেকে হোক বা ভয় থেকে। নাহলে নেমে আসবে মহাকাল যা গ্রাস করে নিবে আলতাবানুর পরিবারকে। আলতাবানুর চরিত্রটা পুরো বইয়ে দারুণ ভাবে দাপিয়ে বেড়ায়। চরিত্রটার আগমনে বইটা আরো জমে উঠে। যখন অপদেবতার সামনে যাওয়ার পর শারীরিক যে যন্ত্রণা হয় তা অনেক দারুণ ভাবে ফুটে উঠেছে। শেষের দিকে সুন্দর এক টুইস্ট ছিলো। যা কেউ কেউ ধরতে পারবে।
অপদেবতার চেহারার কোনো বর্ণনা না দিয়েও ভয়ের একটা আবহ তৈরীতে সক্ষম ছিলেন লেখিকা। শেষের দিকে জয়নাবের মা আর অন্যান্যদের পরিণতি টা বর্ণনা দিলে দারুণ লাগতো।

গভীর রাতে যদি হরর পড়তে চান তাহলে হাতে নিতে পারেন 'অপদেবতা' আর হারিয়ে যেতে পারেন হাওড়ের দেওয়ের কাছে যে অপেক্ষা করছে ভোগের।
Profile Image for শুভাগত দীপ.
310 reviews43 followers
April 23, 2023
|| রিভিউ ||

বইঃ অপদেবতা
লেখিকাঃ রুমানা বৈশাখী
প্রকাশকঃ বিদ্যাপ্রকাশ
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ঘরানাঃ হরর/সুপারন্যাচারাল
প্রচ্ছদঃ জাওয়াদ উল আলম
পৃষ্ঠাঃ ১৪৪
মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৫০ টাকা
ফরম্যাটঃ হার্ডকভার

কাহিনি সংক্ষেপঃ চারিদিকে দিগন্তবিস্তৃত হাওড়। পানি থৈথৈ করছে। ভরা বর্ষায় আরো ভয়ঙ্কর রূপে নিজেকে মেলে ধরে এই হাওড়। হাওড়ের মাঝেই যেন একটুকরো ছোট্ট একটা গ্রাম। অনেকটা সমুদ্রের বুকে জেগে ওঠা কোন এক দ্বীপের মতো। এই গ্রামের মূল আকর্ষণ হলো প্রাসাদোপম একটা বাড়ি। রীতিমতো শান-শওকতে পরিপূর্ণ এই বাড়িটা বাইরে থেকে দেখে মনে হয়, এখানে সুখী মানুষরাই বাস করে; যাদের জীবনে কোন দুঃখ-দুর্দশা নেই। আদতে কি তাই?

এই বাড়ির প্রধান আলতাবানু। নব্বুইয়ের কাছাকাছি বয়সের এই বৃদ্ধা এই বয়সেও কতোটা সুন্দরী, তা কেউ না দেখলে বিশ্বাস করবে না। সুন্দরী আর নিষ্ঠুর। বাড়িটার ছাদে কারো ওঠার অনুমতি নেই একমাত্র আলতাবানু ছাড়া। কেন? কারণ, এই ছাদে সহস্র বছরের প্রাচীন এক অপদেবতা বাস করে। প্রতিদিন দুপুরে তাকে নানা ব্যঞ্জন ও মিষ্টান্ন সহযোগে ভোগ দিতে হয়। আর ভরা বর্ষার পূর্ণিমা রাতে দিতে হয় মদ, মাংস আর কুমারী মেয়ে মানুষ। হ্যাঁ, এগুলো দিতে হয় এই ভয়ঙ্কর অপদেবতার ভোগ হিসেবে। বংশানুক্রমে এমনটাই হয়ে আসছে এই বাড়িতে যুগের পর যুগ ধরে।

সমাজ আর পরিবারের চোখে করা এক 'পাপ'-এর শাস্তি হিসেবে তরুণী নুসরাতকে নির্বাসনে পাঠানো হলো আলতাবানুর প্রাসাদসম বাড়িতে। ঢাকায় বড় হওয়া এই যুগের মেয়ে নুসরাত এই বাড়িটাতে পা দিয়েই বুঝলো আধুনিকতার ছোঁয়া এখানে আজও লাগেনি। মুখরা স্বভাবের আলতাবানুর নানা বাঁকা-ত্যাড়া কথা শুনতে শুনতেই দিন যেতে লাগলো তার। সে একটা কালো বিড়ালের বাচ্চা দেখতে শুরু করলো, যা এই বাড়ির অন্য কেউ কখনো দেখতে পায় না। শুধু সে দেখতে পায়। শুধু সে, নাকি আলতাবানুও দেখতে পান বিড়ালছানাটাকে?

হাওড়ের ভয়ঙ্কর সেই অপদেবতার নিষ্ঠুরতা বৃদ্ধা আলতাবানু আর তাঁর পরিবার বহুবার দেখেছেন। সময়মতো পিশাচটাকে ভোগ চড়ানো না হলেই ভয়াবহ সব অঘটন ঘটতে শুরু করে। হাওড়ের বুকে দিনের পর দিন ধরে একটানা ঝরে পড়া বৃষ্টি যেন এই অপদেবতার ক্ষুধা আর লালসার জানান দিয়ে যায়। আর প্রত্যেকবারই আলতাবানুকে কোন না কোন উপায়ে অপদেবতাকে সন্তুষ্ট করার পথ বের করতেই হয়। না হলে যে ধ্বংস অনিবার্য।

নুসরাত আবারো ফিরে যেতে চায় নিজের শহরে, নিজের বাড়িতে। নিজের চিরচেনা গণ্ডীর মাঝে ফিরে সে একটু স্বস্তির নিশ্বাস নিতে চায়। কিন্তু সে জানে না রহস্যময়ী আলতাবানু কি চান, হাওড় কি চায় আর প্রাসাদের ছাদে চক্কর কাটতে থাকা অপদেবতাই বা কি চায়। জানে না নুসরাত। জানে না।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ সেবা প্রকাশনীর রহস্যপত্রিকা যারা পড়েছেন, তাঁদের কাছে রুমানা বৈশাখী চেনা একটা নাম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেখালেখি করছেন। হরর ও সুপারন্যাচারাল ঘরানার ওপর তাঁর একটা সহজাত দখল আছে। এই ব্যাপারটা তাঁর লেখা পড়লে বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়। লেখালেখির স্বতন্ত্রতার জন্য আমি যে কয়জনের লেখা পছন্দ করি, তাঁদের মধ্যে রুমানা বৈশাখী অন্যতম। মোটামুটি একটা লম্বা গ্যাপের পর তাঁর কোন বই পড়লাম।

'অপদেবতা'-এর শুরু থেকেই লেখিকা একটা অজানা ভয়ের আবহের অবতারণা করেছেন। প্রাচীন এক অপদেবতা, যে হাজার হাজার বছর ধরে পূজিত হয়ে এসেছে নানা জাতের মানুষের কাছে। সেই পূজা কখনো এসেছে শ্রদ্ধা থেকে, আবার কখনো এসেছে নিখাদ আতঙ্ক থেকে। এরপর কাহিনিতে যখন রুমানা বৈশাখী আলতাবানু চরিত্রটাকে নিয়ে আসলেন, ব্যাপারটা যেন আরো খানিকটা জমে গেলো। তাঁর গল্প বলার ধরণ স্বতন্ত্র, আগেই বলেছি। যখন সেবা-তে তাঁর লেখা পড়তাম যে ফিল পেয়েছি, বহুদিন পর 'অপদেবতা' পড়তে গিয়েও সেই একই ফিল আবারো ফিরে এসেছে। লেখিকার গল্প বলার ধরণ বরাবরের মতোই সুন্দর ও সাবলীল লেগেছে।

'অপদেবতা'-তে আলোচ্য অপদেবতার কোন চেহারার বর্ণনা রুমানা বৈশাখী দেননি। কিন্তু উপন্যাসের কাহিনিটাকে তিনি এমনভাবে টেনে নিয়ে গেছেন যে এমনিতেও একটা ক্রিপি ফিল এসেছে বইটা পড়তে গিয়ে। গভীর রাতে পড়ার জন্য যদি কেউ কোন আদর্শ হরর উপন্যাসের সাজেশন চান, আমি 'অপদেবতা' সাজেস্ট করবো৷ এই উপন্যাসে যে শুধু ভয়ই আছে তা না। রুমানা বৈশাখী এতে যুগপৎ মিশ্রণ ঘটিয়েছেন বিশ্বাসঘাতকতা, নৃশংসতা, প্রেম সহ আরো কিছু মানবিক আবেগের। শেষটাও ভালো লেগেছে আমার কাছে।

ছোটখাটো বেশ কিছু বানান জনিত সমস্যা লক্ষ্য করেছি। মাত্রাতিরিক্ত না ব্যাপারটা। বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটিও চমৎকার। জাওয়াদ উল আলমের করা দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদটা 'অপদেবতা'-এর আবেদন বাড়িয়ে দিয়েছে আরো অনেকখানি। আগ্রহীরা চাইলে পড়ে দেখতে পারেন।

ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৭৫/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ৫/৫

#Review_of_2023_09

#Review_Apodebota

সমাপ্ত!

(২৩ এপ্রিল, ২০২৩, রবিবার, দুপুর ৩ টা ২০ মিনিট; নাটোর)
Profile Image for Palashpriya Chatterjee.
2 reviews
April 23, 2023
বইঃ অপদেবতা
লেখিকাঃ রুমানা বৈশাখী
প্রকাশকঃ বিদ্যাপ্রকাশ
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
জঁর অলৌকিক/ হরর
পৃষ্ঠাঃ ১৪৪

অপদেবতা বাংলাদেশের লেখিকা রুমানা বৈশাখীর লেখা বই। উপন্যাস এর নাম এক্ষেত্রে চরিত্রনির্ভর। অপদেবতাই এই উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র, শত-সহস্র বছর ধরে অপদেবতা বাস করছে এক প্রত্যন্ত অঞ্চল, কোনো এক দিগন্তবিস্তৃত হাওড় এর পাড়ের এক অঞ্চল জুড়ে। ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে শেষ অব্দি এক সম্পন্ন পরিবার এর ছাদে যার নিত্য ভোগ এর ব্যাবস্থা। সে ভোগ ও ভয়ানক, আরো ভয়ানক-শীতল-ক্রূর সেই পরিবারের পরিবার এর প্রধান কত্রী আলতাবানু। যার অতীতেও ঘটেগেছে অসম্ভব এক ভয়ানক ঘটনা।
সেই বাড়িতেই আশ্রিতা হয়ে আসে ছাত্রী নুসরত। বলা ভালো কোনো এক পাপের শাস্তি হিসেবে তাকে এনে ফেলা হয় পান্ডববর্জিত বিদ্যুৎবিহীন এই হাওড় এর পারের গ্রামের আলতাবানুর বাড়ি। এই বাড়ি, বাড়ির সদস্যদের কার্যকলাপ আর নুসরাতের ছেড়ে আসা অতীত, আলতাবানুর অতীত, হাওড়ের অতীত এবং বর্তমান সব মিলিয়ে পাকিয়ে ওঠে এক রহস্যময় অতিলৌকিক আখ্যান।
ব্যক্তিগতভাবে আমার মতে এই উপন্যাস অতিপ্রাকৃতিক-মোড়কে ভয়ঙ্কর বাস্তব এক আখ্যান।তথাকথিত কম রূপসী একটি মেয়েকে সমাজে কিভাবে হেনস্থা হতে হয়, কিভাবে প্রতারিত হতে হয় এবং তার জন্য মেয়েটির আপনজনের শীতল ব্যবহার হৃদয়ে কতটা ক্ষরণ ঘটায় তা খুবই বিশ্বাসযোগ্য ভাবে বর্ণিত হয়েছে এখানে। তেমনি অতিপ্রাকৃতিক আবহে এটি একটি প্রেমের উপন্যাস ও বটে। দয়িতার সমস্ত অপূর্ণতা, সমস্ত খামতি মেনে নিয়েও জোর করে তাকে ফিরে যেতে না দেওয়া,নিজে জীবনের সাথে জড়িয়ে নিয়ে তাকে আগলে রাখার গল্পও বলে এই উপন্যাস। আর যেটা না উল্লেখ করলে আসল কথাটাই বলা হয়না। সমস্ত গল্পটা গড়ে উঠেছে পাকে পাকে এক আতঙ্কের আবহে। কি এক ভয়ংকর-ভয়ানক অঘটনের টানে বারে বারে ঘটে গেছে পৈশাচিক ঘটনা, মানুষ হয়ে মনুষ্যত্ব বিসর্জনকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিকবার। তবে উপন্যাসের শেষ কোনো কালো অন্ধকার হাওড়ের জলে হয়না, বরং এক আলোকিত ভবিষ্যতের দুয়ারে লেখিকা আমাদের পৌঁছে দেন। উপন্যাসটি তথাকথিত হরর জঁর এর হয়েও অনেকটাই আলাদা। সমাজের অনেক অপ্রিয় অথচ বাস্তব সমস্যা উঠে এসেছে, সম্ভব হলে অবশ্যই একবার পড়ে দেখার অনুরোধ করবো।
Profile Image for সায়কা শাহরিন.
152 reviews67 followers
May 2, 2023
আমার কাছে আপুর লেখা ভালো লেগেছে। বেশ ঝরঝরে সহজবোধ্য লেখা। পড়তে কষ্ট হয়না। কাহিনি ভালো, প্লপ্টও বেশ গোছানো। আপুকে ফেসবুকে ফলো করি দেখে মনে হয়েছে উনার কাজ আসলে গুছানো হবারই কথা। বইয়ের প্রচ্ছদ সুন্দর, বানানে কিছুটা সমস্যা দেখেছি, তবে খুব বেশী না। সাধারনত হরর আমি পড়ি বা দেখিনা, কেমন একটা অস্বস্তি হয়। এইটা পড়তে খুব প্যাড়া লাগেনাই। আম্মুও জানালো পড়ে ভালো লেগেছে।
Profile Image for Mohammad Nayeem.
27 reviews
December 30, 2023
বই ভালো। কিন্তু প্রচুর বানান ভুল। বাক্যে একই জিনিস দুই বার চলে আসছে। এমন কিছু ভুল আছে, যেমন 'অকল্যাণ' হবে, সেখানে 'কল্যাণ' লেখা।
এরকম আরও অনেক ভুল।
একই রাইটার এর আরও দুইটি বই পড়েছি। এর মধ্যে "ছায়ারীরী" বইটাতেও একই সমস্যা ছিলো।
Profile Image for Lutfor.
18 reviews
April 25, 2023
বইটা মোটামুটি ভালো। তবে বই পড়ে ভয় পাই নি।
অপদেবতার চেহারার বর্ণনা আশা করেছিলাম।
কিছু বানান জনিত ভুল ছিল। এছাড়া সব ঠিকঠাক ছিল।
লেখিকা আরও ভালো কিছু উপহার দিবেন সামনে আশা করি
8 reviews
May 2, 2023
The writing was really good. But some parts kept getting repeated which was a bit annoying overall I enjoyed this book a lot. Overall giving 3.5 stars.
Profile Image for Ayrin Jahan.
75 reviews1 follower
February 20, 2024
অসাধারণ লেগেছে বইটা যেনো চোখের সামনে রুপকথা ভাসছে🥹
Displaying 1 - 10 of 10 reviews