Bimal Mitra (bengali: বিমল মিত্র) was a prominent Bengali writer who wrote several novels. Bimal Mitra was equally adept in writing in Bengali as well as in Hindi, and has more than one hundred novels and short stories to his credit. Many of Bimal Mitra's novels have been made into successful films. One of his most popular works, Shaheb Bibi Golam (January 1953) which was adapted into a hugely popular movie
২০২০ এর লকডাউনের সময় হঠাৎ একদিন ইউটিউবে হিন্দি 'সাহেব বিবি অউর গোলাম' সিনেমাটা সাজেশনে আসে। পুরনো সিনেমা ভালো লাগার দরুন পরেরদিন দুপুরে দেখতে বসলাম। ২০২০ থেকে ২০২৪ অবধি চার থেকে পাঁচবার দেখা হয়ে গেছে এই সিনেমাটা। মীনা কুমারী, ওয়াহিদা রহমান, রেহমান সাহেব, সবার অভিনয়ই অসাধারণ ছিল। কিন্তু যাঁর অভিনয় দেখার পর, তাঁর অভিনয়ের ভক্ত হলাম, তিনি হলেন গুরু দত্ত। তাই 'সাহেব বিবি অউর গোলাম' দেখার পরই 'পিয়াসা', 'চৌধবী কা চান্দ', 'মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ৫৫', 'কাগজ কে ফুল' দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। শুধু ভাবতাম এতো অনবদ্য অভিনয়, একটা মানুষ কী করে করেন !
সিনেমা দেখার পর তাঁর সম্পর্কে জানার আগ্রহ এতোটাই বেড়েছিল যে বেশ কিছু ডকুমেন্টারি ভিডিও-ও দেখেছিলাম। আর সেই যখন লেখক বিমল মিত্রের এই বইটার কথা জানতে পারলাম, তখন বইটা কেনার লোভ সামলাতে পারি নি।
'সাহেব বিবি গোলাম' হিন্দিতে চিত্ররূপ হওয়ার সুবাদে লেখক বিমল মিত্র ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ এর আগস্ট অবধি একদম কাছ থেকে গুরু দত্তকে দেখেছিলেন। অবশ্য শুধু দেখাই নয়, একদম ঘনিষ্ঠ বন্ধুই হয়ে উঠেছিলেন তিনি। যেই বন্ধুত্ব অভিনেতার জীবিত থাকাকালীন অবধি অটুট ছিল।
হাজারো কাজের চাপ সামলেও গুরু দত্ত ডাকলে, লেখক সাড়া না দিয়ে পারেননি। প্রায় ১৩ বছরের বয়সের তফাৎ হওয়ার পরও তাঁদের বন্ধুত্ব হয়েছিল পরম। বলা যায়, বাংলা সাহিত্যের প্রতি গুরু দত্তের ভালোবাসাই ছিল লেখক বিমল মিত্রের সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণ। লেখকও গভীরভাবে ভালো বেসেছিলেন তাঁকে, তবে তা অভিনেতা গুরু দত্ত হিসেবে নয়, মানুষ গুরু দত্ত হিসেবে। ফলত লেখকের কলমে উঠে এসেছে গুরু দত্তকে নিয়ে নানান টুকরো-টাকরা বিষয়। যশ-খ্যাতির উচ্চ সীমায় পৌঁছে গিয়েও যে, তিনি কতোটা একাকীত্ব, গভীর যন্ত্রণায় ভুগতেন, কতোটা অসুখী ছিলেন আর কেনই বা ছিলেন, লেখক তা হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন। স্ত্রী গীতা দত্তের সঙ্গে যে তাঁর চরম মানসিক অন্তর্দ্বন্দ্ব ছিল তা তিনি খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন। 'বিনিদ্র'-এর প্রতি পাতায় সেই মানুষ গুরু দত্তকে চেনার ও জানার কথাই ব্যক্ত করেছেন লেখক, ফুটিয়ে তুলেছেন সাধারণের চেনা জানার বাইরের অন্য এক গুরু দত্তকে রক্ত মাংসের মানুষ হিসেবে।
এই বইকে অসাধারণ বললেও কম বলা হয়। গুরু দত্তকে জানার জন্য এই বই এক অমূল্য সম্পদ। তবে সত্যি বলতে, তাঁর সম্পর্কে যতো জানি, ততো কষ্ট হয় আরও। সব কিছু থেকেও যে, তিনি ছিলেন নিঃস্ব।
পাঠকেরা গুরু দত্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে, এই বই একবার পড়ে দেখতে পারেন। আশা করি ভালো লাগবে। পাঠে থাকুন।
বইয়ের একটি বিশেষ অংশ~ "ইংরেজি ভাষায় একটা কথা আছে-Introvert। সংসারে যারা মানুষ হিসেবে অন্তমুখী, তাদেরই বলা হয় 'ইনট্রোভার্ট'। গুরু সেই তাই। আসলে আমি নিজেও সেই তাদের দলে। আমাদের মুখ দেখে আমাদের মনের সন্ধান পাওয়া যায় না। বাইরের মানুষ তাই হামেশাই আমাদের ভুল বোঝে। কেউ আমাদের ভাবে অহঙ্কারী, কেউ ভাবে গম্ভীর, কেউ ভাবে অন্যমনস্ক। আবার কেউ-বা ভাবে আমরা খুব ভাবুক।
বাইরের লোক যা-কিছু ভাবুক, আমাদের মধ্যে আসল মানুষটার সন্ধান কেউ পায় না। পায় না বলে এত ভুল বোঝাবুঝি, এত অশান্তি। সেই জন্যেই আমি বোম্বাই যাবার পরেই গুরু আমার মধ্যে তার নিজেকে দেখে আনন্দ পেয়েছিল। হয়তো বুঝেছিলাম গুরুর মনের আসল চাবি-কাঠিটা কোথায়।"
Around the year 1960, prolific Bengali novelist Bimal Mitra struck up a strange friendship with Guru Dutt when the latter flew him down to his Pali Hill residence to write a screenplay for Sahib Bibi aur Ghulam, Bimal's novel which was earlier adapted in Bengali. Over the next few years, Guru would often summon him to Bombay, and they would either go to Lonavala, Guru's farmhouse or to Madras, where they would spend days discussing stories, plots, ideas, and Bimal would witness the man's downward spiral. Guru was in his creative prime but his personal life was a throbbing mess. He couldn't sleep for days, which explains the title. And it was this period that is captured in this book, filled with anecdotes and....food. There's so much food in the book you can almost smell it. But at the same time it's dripping with melancholy, not unlike Guru's own films. My only grouse is - unike Guru's films - the book wasn't edited properly. Many events, instances and descriptions are repeated, and the chronology seems warped in some places. But it's a delight nonetheless. The book is also available in a Hindi translated version, called "Bichhde Sabhi Baari Baari".