ব্রেকিং নিউজ ১- ইন্দ্রপতন! প্রয়াত বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এবং লেখক ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। পুলিশের সন্দেহ, এটা খুন!
ব্রেকিং নিউজ ২- ইন্দ্রনাথ হত্যা মামলায় অবিশ্বাস্য মোড়! ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে বিষ প্রয়োগ করে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তাঁরই পালিত কন্যা মিস জয়িতাকে।
ব্রেকিং নিউজ ৩ - ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের হত্যা মামলায় অভিযুক্তা মিস জয়িতা সরকারের হয়ে মামলা লড়তে এগিয়ে এলেন তরুণ ব্যারিস্টার সুকৌশলী মিত্র। তথ্য, প্রমাণ সবকিছুই আসামির বিপক্ষে। পুলিশের কাছে প্রাথমিক জবানবন্দিতে নিজের অপরাধের কথা স্বীকারও করেছিল আসামি। সুকৌশলী কি পারবে তার ক্লায়েন্টকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে? আদালতে কি উদ্ঘাটিত হবে ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য?
মানুষের সবচেয়ে বড় লোভ খ্যাতির, আবার সবচেয়ে বড়ো ভয়ও হল খ্যাতির আসন থেকে আছড়ে পড়ার...
গোপা গোয়েন্দি খ্যাত জনপ্রিয় লেখক অনিরুদ্ধ সাউয়ের লেখা রুদ্ধশ্বাস এক লিগ্যাল থ্রিলার, কৌঁসুলি সুকৌশলীর প্রথম কেস - ইন্দ্রপতন।
🎋🍁সদ্য পড়ে শেষ করলাম সাহিত্যিক অনিরুদ্ধ সাউ এর লেখা “ইন্দ্রপতন”! কলকাতা বইমেলা ২০২৩ থেকে সংগ্রহ করেছিলাম বইটি এতো দিন পড়া হয়ে উঠেনি, এখন ভাবছি এতো ভালো একটা বই আমি এতো দিন ধরে ফেলে রেখেছিলাম কি ভাবে। যতো দিন যাচ্ছে থ্রিলার পড়তে আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছি। লেখকের লেখা এর আগেও পড়ছি। অর্জুন বধের নেপথ্যে, মায়াবী মারীচ, এবং ফাঁদ । গোপা গোয়েন্দি সিরিজ পড়ে আমার দারুন লেগেছিলো। এই বই এর প্রচ্ছদটি ভীষণই সুন্দর। ⚖️এবার আসি উপন্যাসের কথায় - উপন্যাস এর শুরু হয় এই লাইন দিয়ে “কী বাবার কী ছেলে!” উপন্যাসের মেন চরিত্র বিখ্যাত চলচিত্র পরিচালক ও লেখক ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়,ও তার স্ত্রী সর্বাণী এবং ছেলে অনিকেত। ভাইপো জয়ন্ত মুখার্জি, এবং জয়িতাকে নিজের মেয়ে হিসাবে পরিচয় দেয় ইন্দ্রনাথ বাবু। ছেলে বারবার অধিকারের দাবী নিয়ে বাবার কাছে আসে, ইন্দ্রনাথ বাবু একটা উইল করতে চেয়েছিলেন, সেই উইল এ এত বিপুল সম্পত্তির একমাত্র মালিক হবে পারসোনাল সেক্রেটারি, ব্যক্তিগত সচিব ও দীর্ঘদিনের বন্ধু শ্রী অবনী ব্যানার্জি। কিছু এমন উইল করার কারণ কি? হঠাৎ একদিন সকালে তাদের বজবজের গঙ্গার ধারের বাংলো বাড়ি ইন্দ্রপুরীতে চায়ের আসরে, চা পান করতে গিয়ে গুরুত্বর ভাবে অসুস্থ বোধ করেন ইন্দ্রনাথ বাবু। স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে জানা যায় ইন্দ্রনাথ বাবুর মৃত্যু হয়েছে। ফুড পয়জনিং?“কিন্তু চা-কে কি ফুড বলা চলে?” পুলিশের সন্দেহ, এটা খুন! ইন্দ্রনাথ বাবুকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তাঁরই পালিতা কন্যা মিস জয়িতাকে। ইন্দ্ৰনাথ বাবুর হত্যা মামলা লড়তে এগিয়ে এলেন তরুণ ব্যারিস্টার সুকৌশলী মিত্র। সুকৌশলী কি পারবে তার ক্ল্যায়েন্টকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে? আদালতে কি উদ্ঘাটিত হবে ইন্দ্ৰনাথ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য? জানতে হলে অবশ্যই উপন্যাস টি পড়তে হবে। অসাধারণ একটি ক্রাইম থ্রিলার। লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ অসাধারণ একটা থ্রিলার পাঠকদের উপহার দেওয়ার জন্য!🍁🎋
🍁উপন্যাস কিছু লাইন ভীষন ভালো লেগেছে 👇🏻 📖অপমান যত কাছের মানুষের থেকে আসে, তত তার ধার বাড়ে; আরও তীক্ষ্ণ, জ্বালাময়ী হয়ে আঘাত করে। 📖মানুষের যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করাও মনে হয় বিলাসিতা।
কোর্টরুম ড্রামা তথা লিগাল থ্রিলার বস্তুটির সঙ্গে বাঙালির পরিচয় ঘটেছিল নারায়ণ সান্যালের অদ্বিতীয় সৃষ্টি পি.কে বাসু, বার অ্যাট ল-র কণ্টকাকীর্ণ কার্যকলাপের মাধ্যমে। পেরি ম্যাসনের ছায়ায় সৃষ্ট সেই চরিত্রটি ছিলেন একাধারে নিরপরাধের হয়ে লড়া আইনজীবী এবং রহস্যভেদী। আলোচ্য উপন্যাসটি সেই চরিত্র তথা সাহিত্য-ঘরানার উদ্দেশে এক উৎকৃষ্ট শ্রদ্ধার্ঘ্য। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিষিয়ে যাওয়া পারিবারিক জীবনের ছবি দিয়ে শুরু হয় এই কাহিনি। এরপর তাঁর অকালমৃত্যুর সংবাদে পাঠক হিসেবেও আমরা মুন্ডু দুলিয়ে বলি, ইয়ে তো হোনা হি থা। কিন্তু হত্যাকারী সন্দেহে তাঁরই পালিতা কন্যার গ্রেফতারের কথা জেনে আমরা চমকে উঠি। অতঃপর কাহিনিতে প্রবেশ করেন ব্যারিস্টার সুকৌশলী মিত্র— যাঁর নামের মধ্যেও রয়েছে আরও একটি 'নারায়ণী' স্পর্শ। তাঁর সওয়াল-জবাব, বিশ্লেষণ, সর্বোপরি সত্যান্বেষণের মাধ্যমে আমরা ফিরে যাই সেই মুহূর্তগুলোতে— যখন অপরাজেয় বাসুসাহেব কৌশিক ও সুজাতার অনুসন্ধানের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের সাহায্যে পুলিশ এবং প্রসিকিউশনকে সস্নেহে ঘোল খাইয়ে কিস্তিমাত করতেন। সুকৌশলীর উদ্যোগে এই কাহিনিতেও ক্রমে মিথ্যা ও সংশয়ের কুজ্ঝটিকা দূর হয়ে উন্মোচিত হয় সত্য। এবং এভাবেই গোপা গোয়েন্দি ও সলিউশন আলি-র পর আরও এক ভালো-লাগার, ভালোবাসার মতো চরিত্রকে আমাদের সামনে পেশ করেন লেখক। গুলিগোলা বা বাহুবলের পাশাপাশি তথ্য-প্রমাণ ও মগজাস্ত্রর প্রয়োগও যদি আপনার কাছে উপভোগ্য হয়, তাহলে এই চমৎকার থ্রিলারটি আপনাকে পড়তেই হবে।
বইটা কলেজস্কোয়ার বইমেলা থেকে কিনেছিলাম কারণ বইটা কোর্টরুম ড্রামা বিষয়ে লেখা। এই বিষয়ে খুব একটা বই পড়িনি তাই ইচ্ছা হল পড়তে, তার উপর এরকম একটি দারুণ প্রচ্ছদ থাকলে ইচ্ছা তো দ্বিগুণ হতে বাধ্য।
বইটির বিষয়বস্তু খানিকটা এরকম , কলকাতার বিখ্যাত চিত্র পরিচালক ও লেখক ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় হঠাৎই একদিন মারা যান। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারেন যে তার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, বরং তাকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ খুনি কে সেটাও খুঁজে বার করে, সেটা আর কেউ নয় বরং মৃতের পালিত কন্যা জয়িতা। এরপর ইন্দ্রনাথবাবুর স্ত্রী দাবী করেন যে জয়িতা খুনি নয় এবং সুকৌশলীর ল ফার্মকে তিনি অনুরোধ করেন কেসের দায়িত্ব নিতে। এরপর সুকৌশলী কি করলেন কেসটা নিয়ে সেটা জানতে আপনাকে পড়ে ফেলতে হবে বইটি।
বইটা বেশ ছোট, সহজ ভাষায় লেখা এবং ভাষার মধ্যে একটা গতি আছে। গল্পের বাঁধুনিটাও ভালো। কোনো অতিরিক্ত বিবরণ নেই, ঠিক যেটুকু দরকার সেটুকই লিখেছেন লেখক। তবে যেহেতু কোর্টরুম ড্রামা তাই কোর্টের দৃশ্য ও ঘটনাসমূহ আরো বেশি হলে ভালো লাগতো। বড্ড তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল এমনটা আমার মনে হয়েছে। এছাড়াও শেষে সুকৌশলীর একনাগাড়ে ঘটনাসমূহ পরপর বলে যাওয়া কোনো অবজেকশন ছাড়াই তা ঠিক বাস্তবে কোর্টের সাথে মানানসই মনে হয়নি। রহস্যের ব্যাপারেও কিছু মানুষের কাছে কেসটা প্রেডিক্টেবল লাগতেই পারে। বইয়ে পিছনের বিষয়বস্তুটা আকারে একটু ছোট হলে ভালো হয় বলে আমার মনে হয়, অর্থাৎ বিষয়বস্তু হবে ছোট কিন্তু নজরকাড়া, যা দিয়ে সবটা বলে দেওয়াও হবে না আবার অনেকটা বলে দেওয়াও হবে, কিন্তু পাঠকরা ধরতে পারবেন না। এছাড়া প্রচ্ছদটি সত্যিই খুব সুন্দর, বাংলায় আজকাল এত ভালো ভালো প্রচ্ছদ হচ্ছে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।
শেষে বলব, এটাই আমার এই লেখকের পড়া প্রথম বই, এবং পাঠ অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। ভবিষ্যতে উনি যে বেশ পোক্ত আরো অনেক উপন্যাস লিখতে চলেছেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, অপেক্ষায় রইলাম। আর যদি কোর্টরুম ড্রামা বিষয়ে কোনো উপন্যাস আপনাদের না পড়া থাকে তাহলে অবশ্যই এই বইটা একবার পড়ে দেখুন।
'কাঁটা' সিরিজের পরে বাংলায় কোর্টরুম বেসড থ্রিলার খুব একটা লেখা হয়েছে বলে শুনিন��। আর তাই, হাতে তুলে নিয়েছিলাম অনিরুদ্ধ সাউ মহাশয়ের লেখা উপন্যাস - ইন্দ্রপতন। এটি ক্রিমিনাল অ্যাডভোকেট সুকৌশলীর প্রথম কেস।
"মানুষের সবচেয়ে বড়ো লোভ খ্যাতির, আবার সবচেয়ে বড়ো ভয়ও হল খ্যাতির আসন থেকে আছড়ে পড়ার..."
নিজের বাসভবনে খুন হয়েছেন ইন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। বিষ প্রয়োগ করে খুন করার চেষ্টা করা হয় তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে। ঘটনার পর পরেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই বাড়িরই একজন মহিলা, নাম জয়িতা সরকারকে। তদন্ত শেষ হবার পরে শুরু হল কেসটির ট্রায়াল। জয়িতা সরকারকে কোর্টে ডিফেন্ড করার জন্য এগিয়ে এলেন অ্যাডভোকেট সুকৌশলী মিত্র। এটাই ওঁর প্রথম কেস। উনি কি পারবেন নিজের জীবনের প্রথম এই কেসে সাফল্য পেতে? কে এই জয়িতা সরকার? উনিই কি খুনটা করেছিলেন? নাকি এর পিছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রহস্য? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে পড়ে দেখতেই হবে 'ইন্দ্রপতন'।
পরিশেষে কয়েকটি কথা না বললেই নয় - কাঁটা সিরিজ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা হলেও গল্পের প্লটটি আরেকটু বিস্তার লাভ করলে আরো ভাল লাগত, শেষের দিকে বড্ড বেশি তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হয়েছে বলে মনে হল। তা সত্ত্বেও অনিরুদ্ধ বাবুর এই প্রচেষ্টাকে তারিফ করতেই হবে কারণ উনি পাঠকদের জন্য সম্পূর্ন নতুন আঙ্গিকে গল্প বলার চেষ্টা করেছেন। বইটির সামগ্রিক প্রোডাকশন কোয়ালিটি খুবই ভাল। প্রচ্ছদ ও অলংকরণ খুবই সুন্দর। এরকম একটা বই পাঠকদের উপহার দেবার জন্য BIVA Publication কে অনেক ধন্যবাদ জানালাম। এই সিরিজের পরবর্তী উপন্যাসের অপেক্ষায় থাকলাম।
মানুষের জীবনে "ভাগ্যের ফের" এই বিষয়টা অনেকটা চাঁদের প্রবাবে জোয়ার ভাঁটার মত ,কখনও সে দু-হাত ভোরে প্রতিপত্তির আশীর্বাদ দিচ্ছে তো কখনও দুর্নাম ও দুর্ভাগ্যের কড়াল ছায়ায় ডুবিয়ে মারছে। কর্মের ফের হোক কিংবা সৌভাগ্যের দ্যুতি , কোনো মানুষই কিন্তু দোষ গুন এর ওপরে নয় । সমাজের আয়নায় যে মানুষটা চূড়ান্ত সফল সেই মানুষটার ও দোষ গুণ থাকতে পারে একথা আর পাঁচটা সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কত টুকুই বা খেয়াল রাখি তার সামগ্রিক মূল্যায়ন করার সময়।। অথচ এই সুখ্যাতি হয়তো সেই মানুষটির জীবনের সব থেকে বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে ।। এক মাত্র ভাগ্য বিধাতাই জানেন সমস্ত কর্মের ফল একদিন মানুষ ঠিক ভোগ করবেই ।।
🍁 জানুয়ারি মাসেই BIVA Publication এর অ্যাপ এ এই বইটি বের হওয়ার সাথে সাথেই , বইটির বিষয় বস্তু দেখেই নিজের হস্তগত করি। বলা ভালো কিছুটা বেশি কৌতূহল ছিল ,কারণ কোর্ট রূম ড্রামা ,হিসেবে ছায়াছবি দেখেছি অনেক কিন্তু বই সেভাবে পড়া হয়ে ওঠে নি।
🍁 লেখক অনিরুদ্ধ সাউ এর লেখার সাথে পরিচয় অল্পই বলতে গেলে , তবে সেই সামান্য পরিচয় টুকুই বলতে গেলে অনুঘটক বইটি কেনার জন্যে।
🍁 মূল পাঠ প্রতিক্রিয়ার আগে , বলা দরকার বইটির কভার টা আমার খুব পছন্দ হয়েছে, ভেতরের দু পাতা জুড়ে কোর্ট এর যে ছবি সেটা অত্যন্ত উপযোগী , এই গল্পের ভাবটা অনুভব করতে।।
এবার আসি মূল বিষয়ে - বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক ও লেখক শ্রী ইন্দ্রনাথ মুখপাধ্যায় হঠাৎ একদিন সকালে খুন হলেন , খুনের কিছু দিন আগেই তিনি তার বিষয় সম্পত্তি নিয়ে একটি উইল করে যেতে চেয়েছিলেন । কিন্তু তা করে ওঠার আগেই তার মৃত্যু ! আর খুনি হিসেবে পুলিশ ইনভেস্টিগেশনে উঠে এলো তারই পালিত কন্যার নাম। সমস্ত প্রমাণ ও সে নিজেই স্বীকার করেছে খুন সে নিজে করেছে।।
🍁 পাঠ প্রতিক্রিয়া - অত্যন্ত টান টান গল্প , প্রথম থেকেই গল্পের কম্পেক্সিটি বজায় রেখে একেবারে শেষ পৃষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয়েছে এই বইয়ের কাহিনী।।
যেহেতু "কোর্ট রুম" থ্রিলার গোত্রীয় লেখা তাই , কোর্ট প্রসিডিংস সংক্রান্ত বিষয় গুলির সুস্পষ্ট ধারণা বজায় রেখেই লেখা হয়েছে গোটা উপন্যাস । আশা করেছিলাম বইটির গতি হয়তো গল্পের খাতিরে কম বেশি হবে তবে না ! লেখক সেই বিষয়টি অত্যন্ত সুচারু ভাবেই এড়িয়ে গিয়ে বরঞ্চ কিছু টা বেশি গতি বজায় রেখে লিখেছেন। "A truly page turner story" একবারের জন্যেও মনে হবে না যে নাহ্ বোরিং লাগছে , উল্টে শেষে গিয়ে কি হয় এটা জানার জন্যেই এক সিটিং এই শেষ করলাম।।
মূল গল্প কোর্টের ভেতরের , সাওয়াল জবাব এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে কিছুটা locked room মিস্ত্রির আদলে লেখা হয়েছে বলেই , গল্পের ক্লাইম্যাক্স পড়ে সত্যিই রোমাঞ্চ অনুভব করেছি।।
১৭৭ পৃষ্ঠার বই তাই অতিরিক্ত কিছু লিখে পাঠক দের , এই সুন্দর থ্রিলার এর স্বাদ থেকে বঞ্চিত করতে চাই না। সবাই কে নির্দ্বিধায় বলতে পারি , ভালো লেখা ,পড়ে ভালো লাগবে।।
🍁লেখক অনিরুদ্ধ সাউ কে ধন্যবাদ এরকম একটা সুন্দর টান টান গল্প পাঠকদের উপহার দেওয়ার জন্যে।। আশা রাখি , "সুকৌশলী" পরবর্তী কেস গুলো খুব তাড়াতাড়িই পড়তে পারবো।।।
আর ক্যারেক্টার হিসেবে " রে সাহেব" কেও কোর্টে শাওয়াল জবাব করতে দেখতে পারবো ।।