সমসাময়িক যে সমস্যাগুলো উম্মাহ মোকাবেলা করছে তার মধ্যে অন্যতম এই ‘সমকামিতা’। যে কোনো ফিতনাকে মোকাবেলা করার জন্য তার ইতিহাস, দর্শন, যুক্তি এবং কেন তা ফিতনা, তার ফিকহ জানা দরকার। আপনি ঘরের দরজা খুললেই দেখবেন এসব ফিতনা দাঁড়িয়ে। যা ঘৃণার জিনিস ছিল, দেখবেন তা হবে উপহাসের জিনিস, এরপর উপহাস থেকে হবে জাস্ট ঠাট্টা-তামাশার জিনিস, এরপর তা হবে স্বাভাবিক একটা জিনিস। একেই ফিতনা বলে। যা একসময় ঘৃণা করতাম, তা এখন আর ঘৃণা করছি না, হাদিসে এসেছে তার মানে সে ফিতনায় নিপতিত।সেদিন দেখলাম, মুক্তচিন্তা আর ব্যক্তিস্বাধীনতার দেশ আমেরিকায় এক মুসলিম বাবাকে জেলে আটকে রেখেছে। কারণ, সে তার সন্তানকে ‘সমকাম স্বাভাবিক ভাবার’ ক্লাসে যেতে দিতে চায় না। নাটক সিনেমায় সমকামী চরিত্র রাখা হচ্ছে। বসে নেই এনজিওরা। বাঙালি ছেলেমেয়েরা বিয়ে করছে সমলিঙ্গের বিদেশীদের। খোলা হচ্ছে সমকামীদের মসজিদ। মিডিয়া এগুলো প্রচার করছে ফলাও করে। চুপ করে থাকলে সমাধান, যার আলোচনা নেই তা দাফন হয়ে যায়, এ কথা এই মিডিয়া আগ্রাসনের যুগে খাটেনা।এটা এই ফিতনার ব্যাপারে একটা ‘বিশ্বকোষ’। সমকাম নামক ফিতনার দর্শন, ইতিহাস, ষড়যন্ত্র, যুক্তি-প্রতিযুক্তি, বায়োলজি, ইসলামের দৃষ্টিকোণ, শাস্তি সব উঠে এসেছে বইটিতে। কীভাবে আপনার আমার সন্তানকে এই মহামারী থেকে বাঁচাব, তারও কিছু ‘এদিক-সেদিক’ উঠে এসেছে। প্রতিটি সচেতন মুসলিমের শেলফের একটু আড়ালে বইটির জায়গা পাওয়া উচিত।
শরীফ-শরীফার এই নব্য জাহিলিয়াতের যুগে সবার উচিত এই বইটি পড়া এবং সংগ্রহ করা, ইসলাম কিভাবে এই সমস্যার গোড়া উপড়ে ফেলেছে তা এই বইটিতে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, একজন মুসলমান হিসেবে এই জাহিলিয়াত (লাওয়াতাত) সম্পর্কে জ্ঞান রাখা সকলের জন্য অবশ্য কর্তব্য
'অভিশপ্ত রঙধনু' বইটিকে এককথায় বলা যায় সমকামিতার উপর একটা সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ। লেখকগণ সামগ্রিকভাবে বইটিতে সমকামিতার প্রত্যেকটি বিষয় তুলে ধরেছেন। সমকামিতার শার'ঈ বিধান, বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও সমকামিতা থেকে ফিরে আসার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। এই বইটি সমকামিতা নামক বিষকে ইসলামি দর্শন এর পাশাপাশি বিজ্ঞান ও দর্শন দিয়ে খন্ডন করা হয়েছে। বইটির মূল ভিত্তি হলো মাও. জাফিরুদ্দিন রাহি.-এর “Islam on Homosexuality” কে কেন্দ্র করে। বলা যায় বইটি সমকামিতায় আসক্ত ভাই-বোনদের জন্য এক পথ্য। সবশেষে বলা যায় বইটি বাংলা ভাষায় এক অনবদ্য সৃষ্টি।
|| আপনার সেলফের একটু আড়ালে বইটা জায়গা পাওয়া উচিত ||
সমকামিতা, যা একটি বিকৃত চিন্তা ও কাজের ফসল। এ অপরাধ প্রথম লুত আ. এর কাওমের লোকেরা। পশ্চিমা অগ্রাসণের কারণে আমাদের সমাজের মাঝে নানাভাবে সমকামিতার বিষের থাবা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই বইয়ে সমকামিতাসহ LGBTQ এর সকল প্রকারগুলো নিয়ে ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান প্রায় সকল দিক থেকেই আলোচনা করা হয়েছে।
কেউ যদি LGBTQ সম্পর্কে জানতে চায় এবং এটা থেকে কিভাবে সমাজ এবং রাস্ট্রকে মুক্তি দেওয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করতে চায় তার জন্য বইটা অবশ্যপাঠ্য।
সমকামিতা এবং বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিক যৌনাচার কোনো নতুন বিষয় নয়, অনেক আগে থেকেই পৃথিবীতে ছিল। কিন্ত এই আধুনিক যুগে সমকামিতা সহ অন্যান্য বিকৃত যৌনাচার যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে তা আশ্চর্যজনক। এই বইটিতে সমকামিতাসহ অন্যান্য বিকৃত ও অস্বাভাবিক যৌনাচারের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রধান প্রধান ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে।
রংধনু আল্লাহর খুব সুন্দর একটা সৃষ্টি। কিন্ত এই জিনিসটাকে এমন একটা বিকৃত আচরণগত সমস্যার সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে যা খুবই দুঃখজনক। সেই হিসেবে বইয়ের নামটা যথার্থ হয়েছে।
এক বিশেষ শ্রেণীর মানুষের এই বই পড়া উচিৎ। বিশ্বের অনেক 'আধুনিক' রাষ্ট্রেই এই বিকৃতি বৈধতা পেয়েছে ইতোমধ্যেই। আমরা সচেতন না হলে বিপর্যয় দেখতে হবে অচিরেই।
বই টা অসাধারণ। বর্তমান সময়ে স,ম,কা,মি,তা সম্পর্কে অনেক বেশি নিউজ ভাইরাল।এই বইটা এই বিষয় নিয়ে লেখা,যেখানে এটা কাদের হাত দিয়ে বর্তমান সময়ে তৈরী।কার মদদপুষ্ট, এটা পিছনে কত বড় ব্যবসা আছে,এর কি কি সমস্যা হতে পারে-শারীরিক,মানসিক, পারিবার ও সমাজের উপর তা অনেক সুন্দর ভাবে বোঝানো আছে।এটা বুঝতে বাকি থাকবে না,এটা অনেক বড় ধোঁকা। আমাদের কি করা উচিত, এদের কিছু প্রশ্নের উত্তর, শেষ ইসলামিক দিক থেকে এই বিষয়ের সমাধান সব মিলিয়ে বইটা অনেক সুন্দর হয়ে।