ফ্ল্যাপে লেখ কিছু কথা বুধবার হলো মুহিবের মিথ্যাদিবস। মিথ্যাদিবসে রাত এগারোটা উনষাট মিনিট পর্যন্ত সে মিথ্যা কথা বলে। তার এই ব্যাপারটা একজন শুধু জানে। সেই একজনের নাম লীলা। লীলার বয়স একুশ। সে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। অনার্স সেকেন্ড ইয়ার। বিষয় ইংরেজি সাহিত্য। লীলার সবই সুন্দর। চেহারা সুন্দর, চোখ সুন্দর, মাথার কোঁকড়ানো চুল সুন্দর। ক্লাসে তাঁর একটা নিক নেম আছে- সমুচা। এমন রূপবতী একটা মেয়ের নাম সমুচা কেন সেটা একটা রহস্য। নাম নিয়ে লীলার কোনো সমস্যা নেই। সে বন্ধুদের টেলিফোন করে নির্বিকার ভঙ্গিতে বলে, আমি সমুচা বলছি। মুহিবের বয়স ত্রিশ। গায়ের রঙ কালো। বেশ কালো। কালো ছেলেদের ঝকঝকে সাদা দাঁত হয় মুহিবের দাঁত ঝকঝকে সাদা। পেপসোডেন্ট টুথপেস্ট কোম্পানি একবার তাকে টুথপেস্টের বিজ্ঞাপনের জন্যে সিলেক্ট করেছিল। ডিরেক্টর সাহেব তাকে দেখে বললেন, এই ছেলের চেহারায় তো কোনো মায়া নেই। চোখ এক্সপ্রেশনসলেস।একে দিয়ে হবে না।
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
গতকাল ডিপার্টমেন্টে যাওয়ার পথে হঠাৎ ম্যানহোলের ঢাকনার উপর দাঁড়িয়ে যখন ফাহরিয়াল কে বললাম,"আচ্ছা এখান থেকে পড়লে তোর কি মনে হয় মুহিবের মতো কেউ আমাকে বাঁচাবে?" দুইজন মিলে এই গল্প নিয়ে কথা বলতে বলতে ক্লাস করতে গেলাম কিন্তু গল্পের নামই ভুলে গেলাম। রাতে ঘুমানোর কিছুক্ষণ আগে হুট করে মাথায় নামটা চলে আসলো,আর সাথে সাথে পড়া শুরু করলাম আবার। যদিও কাহিনী অনেকটা মনেই ছিল, তবুও লীলা আর মুহিবের প্রেমের শুরু আর শেষে ম্যানহোলের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে,তা আজীবন মনে রাখবো। লীলার ভাষায় Home এর একটা সুন্দর সংজ্ঞা ছিল- Home is the place where if you want to go there, they have to take you in. বাড়িতে যাইনি যেন কতদিন,বইটা পড়ার পর থেকে আম্মু আব্বুর কথাও অনেক মনে পড়ছে। শেষ করি এই গল্পের আমার সবচেয়ে পছন্দের লাইনগুলো দিয়ে- "মুহিবকে ঘিরে ভিড় প্রচও বেড়েছে। ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়েছে। লীলা ডানে সরতে সরতে ঝুপ করে নোংরা নর্দমায় পড়ে গেল। পুরনো দিনের কথা মনে করে খিলখিল করে হেসে ফেলল। প্রকৃতি বড়ই অদ্ভুত। প্রকৃতি পুনরাবৃত্তি পছন্দ করে।"
বইটা আমার এই ক্ষতবিক্ষত মন যেন খুব সুন্দর করে অনেকটা সারিয়ে দিল। আচ্ছা সাথে একবার এই সুন্দর কবিতাটাও যোগ করে দিই😅
দীঘির জলে কার ছায়াগো? তোমার নাকি আমার? তোমার কি আর মন চায় না এই কথাটা জানার? বন পারুলের ফুল ফুটেছে সুবাস আসে ঘরে সেই সুবাসে শরীর কাঁপে মন যে কেমন করে। সাঁঝের বেলায় নেমে আসে মধ্যরাতের আঁধার। আমি চলে যাই নদীর কাছে সময় হলো কাঁদার। নদীর জলে কার ছায়াগো তোমার নাকি আমার? ____হুমায়ুন আহমেদ
ভালো থাকুন সবাই,হাসিখুশি থাকুন। জীবনটাও নর্দমার চেয়ে কম আবর্জনার নয়, তবুও আশা রাখুন যে এই নর্দমা থেকে একদিন ভালো কিছু আসবে জীবনে💜 শুভরাত্রি
নামকরণ নিয়ে বড়সড় একটা ধাক্কা খাইছি । পাঠ শেষে ভাবছি - দিঘির জল কোথায়,আর ছায়ায় বা কোথায়! তবে একটু তলিয়ে দেখলে পাঠক হয়তো আমার মতো এতটা আশাহত হবেন না বলে আমি মনে করি । আই থিংক আমাদের মন বড়সড় রকমের একটা দিঘির মতো । স্মৃতিতে যার ছবি মনে মনে আঁকি তার ছায়াই সেখানে পড়ে।
কারণে-অকারণে, দায়ে পড়ে মিথ্যা আমরা হরহামেশাই বলে থাকি । কিন্তু উপন্যাসের নায়ক মুহিব একটা বিশেষ দিনে মিথ্যে বলে-প্রয়োজন ছাড়াই। যদিও নায়ক বলতে আমাদের চোখে যে সুদর্শন পৌরুষদীপ্ত সব গুণে গুণান্বিত চরিত্র ভাসে তার কোনটাই মুহিবের মধ্যে নেই। দেখতে কালো-জাম কালো ধরণের। ছাত্র হিসেবে অত্যন্ত খারাপ-বিএ থার্ড ক্লাস। বেকার।
নায়িকা লিলার সাথে পরিচয় পর্ব অদ্ভুত রকমের-নর্দমায়। যদিও লিলার সাথে প্রেমের কোন মাখামাখি সম্পর্ক দেখা যায় না-তবুও সেই নায়িকা এবং মিলনাত্বক পরিণতি হয়। উপন্যাসে নায়কের অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক বাবার মধ্যে নিজেদের বাবার প্রতিচ্ছবি খোঁজে পেতে পারেন। একমাত্র ছেলেকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য আর অবজ্ঞা করার সব ধরণের ভাষাও তিনি ব্যবহার করেছেন। তবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় খুব কম পাঠকই মুহিবের মত বাস্তবে ধৈর্যশীল থাকতে পারেন।যাইহোক বাদবাকির জন্য বই পড়া আবশ্যক।
হুমায়ুন আহমেদের আর দশটা বইয়ের মতোই একই কাঠামোতে লেখা। এক বেকার মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা খেয়ালি তরুণ আর তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে আরেক খামখেয়ালি তরুনী।
তবে হুমায়ুনের লেখা আমরা বারবার পড়ি। খুব বেশি প্রেডিক্টেবল লাগলেও পড়ি। কারন এটা যেন মায়ের হাতের রান্নার মতো। বারবার খেলেও প্রতিবারই একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়।
বইয়ের প্রচ্ছদে লেখা প্রেমের উপন্যাস। প্রচ্ছদের এই লেখাটা বইটাকে যেনো আরো সস্তা করে দিলো। গল্পে বাংলা সিনেমার কাহিনীর মতো কাহিনী । বড়লোক নায়িকা আর অপদার্থ গরীব ছেলের প্রেম। হঠাৎ করেই ছেলের আকস্মিক ক্ষমতায় চুনোপুটি থেকে হয়ে উঠে রাঘব বোয়াল। তারপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস শুরু করলো।
নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত ঘরের অকর্মণ্য ছেলেরা এই ধরনের ইউটোপিয়ান কল্পনা সবসময় দেখে। এসব দেখে তারা বেঁচে থাকে। এগুলো তাদের বেঁচে থাকার একটা অবলম্বনও বটে। এই অবলম্বনকে যখন তারা বইয়ে লিখিত আকারে দেখবে তখন এগুলোকে বাস্তব আর সত্যিকারের বলে মনে হবে। মায়াকে কায়া হিসেবে দেখবে। নেহাত হুমায়ূন আহমেদের লেখা, গল্প ভালো না লাগলেও পড়তে খারাপ লাগে না, তাই ১.৫ দেওয়া, তা না হলে ১/৫ দিতাম।
ড্যান ব্রাউনের ডিজিটাল ফরট্রেস পড়া শুরু করেছিলাম। কয়েকপাতা পড়ার পর বিরক্ত লাগায় হুমায়ূন আহমেদের এই বইটা নিয়ে বসলাম। হুমায়ূন আহমেদের বই সাচ আ রিলিভার। ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই মাথা পরিষ্কার। ভাল লাগার একটা অনুভূতিও রেখে গেল।
মুহিব হিমুর মত হতে চায়। রাস্তার নর্দমা থেকে লীলা নামের একটি মেয়েকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার সঙ্গে পরিচয়। মুহিবের বাবা একটা কোচিং সেন্টার চালান। নিজ পুত্রকে তিনি কথায় কথায় গাধামানব, অর্ধমানব ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত করেন। সেই বাবাকে একদিন পুলিশ ধরে নিয়ে গেল তারই কোচিংয়ের এক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে। মুহিব এখন কী করবে?
দিঘির জলে কার ছায়া গো? কার?ভেবেছিলাম কোনো উদাস দুপুরে দিঘির জলে কেউ হয়তো কারও ছায়া দেখেছিল,মুখখানি দেখা হয়নি। তারই খোঁজ করা হচ্ছে। কিন্তু একি পুরো বইয়ে দিঘির দেখা নেই, তবে নর্দমার উল্লেখ আছে😅
কাহিনীতে তেমন কোনো নতুনত্ব নেই।হুমায়ূন আহমেদ এই ধরনের লেখা আরও লিখেছেন। গল্পের নায়ক মুহিব,কিছুটা হিমুর মতো।সে হিমুকে অনুসরণ করে মাঝেমধ্যেই। আর বিপরীতে আছে একুশ বছরের লীলা।ঢাকা ভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্যে প���়ছে; ২য় বর্ষ।এই দুজনার দেখা হয়েছিল আচমকা! এছাড়া আরও টুকটাক কাহিনী আছে তবে বিশেষভাবে মনে দাগ কাটার মতো কিছু নেই।
আগেই বললাম বিশেষ কোনো কাহিনী না। তারপরও ভালো লাগছে🙄
বইয়ের নামটাই এত্ত সুন্দর! মিথ্যাদিবস পালনকারী মুহিব শুধু বুধবারে মিথ্যা বলে, অন্যান্য দিনে সত্যি বলে। গল্পটা ভাল তবে আমি হুমায়ূন আহমেদের এমন মিলনাত্মক (typical happy ending) এর সাথে comfortable না :)
অনেকে বলে থাকে হুমায়ূন আহমেদের গল্পের সাথে নামের মিল নেই।আমি এ ব্যাপারে একমত নই।তার যত বই পড়েছি একটাতেও মনে হয়নি নামটা বইয়ের সাথে যায়না। হুমায়ূন আহমেদ খুব সুক্ষ্ম ভাবে বইয়ের নামকরণ করেন।এবারো তার পরিচয় মিলল।
হুমায়ূন আহমেদের লিখা আর দশটা সাধারণ উপন্যাসের মতোই 'দিঘির জলে কার ছায়া গো'।তার লিখা অনেক বেশি পড়েছি বলেই মনে হয় আলাদা স্বাদ পেলাম না।কমন গল্প,কমন পেক্ষাপট,কমন লিখার ভঙ্গি,শুধু ফিনিশিং সামান্য আন কমন।
পড়ার সময় ভালো লেগেছে। কিন্তু সেটা মন পর্যন্ত পৌছাতে পারেনি।আহমদ ছফা বলেছিলেন, তার লিখা চানাচুরের মতো।খেতে স্বাদ কিন্তু পেট ভরে না।এই উক্তিটি পুরো সত্য না হলেও এই বইয়ের জন্য পুরো সত্যি।যদি আপনি তার অধিকাংশ লিখা পড়ে থাকেন।
অনেকেই হুমায়ূন আহমেদের হ্যাপি ফিনিশিং এর বই খুঁজে থাকেন। তারা পড়ে দেখতে পারেন।একদিক থেকে বলা যায় হ্যাপি ফিনিশিং। কিন্তু ওই যে বললাম অন্য দশটা বইয়ের মতোই।শুধু একটু আলাদা। প্রচ্ছদের ক্ষেত্রে বলব একদম ভালো লাগেনি।অন্তত ধ্রুব এষ সাহেবের কাছে এটা আশা করিনি
আমি বিশ্বাস করিনা😪 হুমায়ূন আহমেদের বইয়ে হ্যাপি এন্ডিং? পরিশিষ্ট পড়ার আগে মনে হইছিলো আগের ধারাতেই যাচ্ছে গল্প। শেষে নায়ক নায়িকার মিল হবে না। ২ জন ২ দিকে চলে যাবে অন্য মানুষের হয়ে। লেখক হয়তো পরে জোর করে মনের বিরুদ্ধে পরিশিষ্ট লেখে মিল করাই দিছেন।
অবশেষে যা বুঝলাম... হুমায়ূন লেখনী অনেকাংশে এখন আমার কাছে প্রেডিক্টেবল হয়ে গেছে। এখন কিছু ঘটার মাইল খানেক আগেই আঁচ পেয়ে যাই।
বিষন্ন মন নিয়ে হুমায়ূন লেখনী পড়া শুরু করেছিলাম। বইয়ের নাম দিঘির জলে কার ছায়া গো। খুব পয়েটিক একটা ভাইব আছে না নামে?! তবে নামের উপর লাল রঙে গাড় করে লেখা হুমায়ূন আহমেদের প্রেমের উপন্যাস।
এখন আমার একটা সিরিয়াস সমস্যা আছে। মানুষের গরুর মাংস, চিংড়ি, বেগুন, ইলিশ মাছ এসবে এলার্জী হয়। আমার এসবে সমস্যা হয় না কোন! কিন্তু... আমার রোমান্টিক জনরা পড়তে শুরু করলে শরীরময় এলার্জী ছড়িয়ে পড়ে। অসহ্য লাগতে থাকে প্রতি ধাপ প্রতিধাপ।
তবুওওওওওও, যেহেতু ফুয়াদ একটা মিশনে আছে, তার টার্গেট হুমায়ূন আহমেদের লেখা সব বই পড়ে শেষ করা তো না চাইতেও নেকামীতে ভরা প্রেম কাহিনি পড়তে হবে, আর তো উপায় নাই। তবে এই বইটায় নেকামি ছিল খুব কম কিংবা হয়ত ছিলই না।
খুব সাদামাটা আর দশটা হুমায়ূন আহমেদের লেখা গল্পের মতন কাহিনি। কোন এক্সেপশনাল কিছু নাই। বেকার ছেলে, তার অতিরুপবতী গার্লফ্রেন্ড যার প্রচুর টাকা! (হুমায়ূন আহমেদ গল্পে বেকারদের নসিব এমন রুপবতী ধনী মেয়ে পাওয়ায় দেন, বাস্তবে এমন একটু যদি হইত 😞)।
গল্পটা মুহিবের, শুরুটা খুব মজার। সে অনার্সে থার্ড ক্লাস পেয়েছে যা তার বাবার মতে ফেইলের সমতূল্য, এজন্য মুহিব সেই রেজাল্ট এক ছাগলকে খাওয়ায় দেয়। ছাগল অর্ধেক খেয়েছে এমন অবস্থায় ওর বাবা দৌড়ে এসে সে রেজাল্ট উদ্ধার করে এবং তা ফ্রেম করে দেয়ালে টাঙায় রাখে।
যাইহোক, এই অপদার্থ ছেলে সপ্তাহের একদিন মিথ্যা দিবস পালন করে। বাকি দিনে সে সত্যবাদী কিন্তু প্রতি বুধবার সে শুধু মিথ্যা বলে, কি শুনতে খানিকটা হিমু টাইপ লাগছে না? পাগলামো তে ভরা? আসলে সে নিজে হিমু হতে চায়, এটাই তার ইচ্ছা! আচ্ছা আজ অব্দি হুমায়ূন আহমেদের কোন গল্পের প্রধান চরিত্র মিশির আলি হতে চায় নাই কেন?! নাকি প্রোটাগনিস্ট ম্যাচিয়োর হলে উঠতি বয়সী ইম্যাচিয়োর মেয়েরা এই উপন্যাস পড়ে মজা পাবে না বা কল্পনায় সাজাতে পারবে না তাই ভেবে হুমায়ূন আহমেদ এমনটা করেন নাই, কী জানি!
মুহিব হঠাৎ সুযোগ পায় এক্টিং করার, আর সে ফাটায় দেয় এক্টিং করে। তার অভিনয়য়, চোখে জল এসে যাওয়ার মতন। পুরাই বাপ্পারাজ!
যাইহোক, উপন্যাস শেষ করে খুব খুদা পেয়ে গেছে। ঘড়ির কাটায় এখন সকাল ৫:০৬. আব্বু আম্মু জানে আমি রাতভর ঘুমিয়েছি, কিন্তু আমি যে বসে বসে এই পড়েছি তা জানলে মস্ত বিপদে পড়ব! এখন কী করা যায়?! গরম রুটি আর আলু ভাজি খেতে মন চাচ্ছে খুববববব!!!
প্রথমে খারাপটা বলি। তারপর ভালোটা বলবো। একজায়গায় আহসানের ডায়ালগে মুহিবের নাম বসানো আছে। েএটা ছোট ভুল। সাহিত্যমান বুঝি না। তাই ঐতে আলোচনায় যাবো না। পরিশিষ্টের অংশটা বাংলা সিনেমার মতোন মনে হয়েছে। একেবারে শুন্য অবস্থা থেকে মুহিব শুধুমাত্র অভিনয় দিয়ে এত বড়লোক হলো কিনা জানি না। যে নায়িকা মুহিবকে এত হেল্প করেছে তার কথা শেষে েউল্লেখ নেই। লীলার সাথে আহসানের কি হলো তার কোন ইঙ্গিত ছিলো না। সবচেয়ে পজিটিভ দিক হলো আমি নতুন নতুন পড়ার বিষয় পাই স্যারের বই থেকে। রবার্ট ফ্রস্টের কবিতার ন্যারেটিভ মিনিং বোঝার জন্য নতুন বই পড়া শুরু করতে হবে। এত ভুল করার পরও আলাউদ্দিনকে তার ছেলে বিশ্বাস করেছে এটা এই যুগে অবিশ্বাস্য।
বুধবার হল মুহিবের মিথ্যা দিবস,এদিনে সে মিথ্যা ব��ে।দেখতে অনেক কালো, কিন্তু কালো মানুষের দাঁত অনেক সাদা থাকে তার ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে তার দাঁত ও সাদা।বলতে গেলে দাঁতের এডভারটাইন্স দেয়ার মত। একদিন অভিনয় করতেও গিয়েছিল সর শেষ অবধি অভিনয় করতে পারেনি। থার্ড ক্লাস পেয়ে বিএ পাস করেছে মুহিব। হিমুর মত হওয়ার চেষ্টায় আছে।
লীলার সাথে মুহিবের পরিচয় হয় লীলাকে নর্দমা থেকে উদ্ধার করার সময়,লীলা নর্দমায় পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে মুহিব।
মুহিবের বাবা আলাউদ্দিন মিথ্যা ধর্ষনের মামলা হাজত খাটে সাত বছর...
আমার এক বন্ধু হুমায়ূন আহমেদের সবচে' রোমান্টিক বই হিসেবে বইটাকে আখ্যায়িত করে এক্সপেকটেশন বাড়িয়ে দিয়েছিল। পড়ে হতাশ হলাম। এইসব সেইম টাইপের গল্প হুমায়ূন আহমেদ যে কয়খানা লিখেছেন, তা হয়তো ঊনি নিজেও বলতে পারতেন না। সাদামাটা প্রেম আর চরিত্র গুলোর কিছু হিউমেরাস সংলাপ। ব্যস এইটুকুই। এইসব জিনিসের জন্য হিমু সিরিজের কুড়িটার মত বইই যথেষ্ট। এই বইখানির মতো যেসব ওভারডোজ রয়েছে, সেসব পড়তে আর ভাল্লাগে না।
প্রকৃতি বড়ই অদ্ভুত। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করে। হুমায়ুন যে নিজেও তার লেখায় পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করতেন তা তো কম বেশি সবার জানা। গল্পের মূল চরিত্রের কাউকেই পুরোপুরি স্বাভাবিকতা দিয়ে তৈরি করা হয়নি । ঘটনাগুলো, সংলাপগুলো আগে কোথাও পড়েছি টাইপ। এক বসাতেই শেষ করলাম, সময় বেশ কাটলো। হ্যাপি এন্ডিং এর জন্য ভালো লাগলো।
খুব সাদামাটা গল্প কিন্তু পড়তে ভালো লেগেছে।মুহিব-আর লীলার প্রথম সাক্ষাৎ,সত্যি অনেক মজার ছিল। গাধা-মানব মুহিব আর বুদ্ধিমতি লীলার মিলন দিয়ে উপন্যাসের শেষ। আমার মত যারা আফসোস করতেন,হুমায়ূনের উপন্যাসের শেষটা অসমাপ্ত দেখে, তারা এইবার মাথা চাপড়াবেন কারণ এত সুন্দর হ্যাপি এন্ডিং দেখে। আহামরি গল্প না কিন্তু পড়ার জন্য যথেষ্ট উপভোগ্য ছিল,ভালো লেগেছে উপন্যাসটি।
পড়তে পড়তে হুট করে কেমন মন খারাপ একটা ভাব আসলো, তারপর সেই ভাবটা কাটিয়ে উঠতে উঠতেই মনটা আবার ভালো হয়ে গেলে। পরিশেষে সুন্দর, হ্যাপি এন্ডিং একটা গল্প। বেশ ভালোই লাগলো।
এই বইটার একটা আলাদা মাহাত্ম্য আছে আমার কাছে । বই আমার কেনা নয় , হঠাৎ একদিন দুপুরে আব্বু বইটা নিয়ে আসে , আমি তখন স্কুলে পড়ি , বাজারের ব্যাগ থেকে শাক সবজি বের করার সময় বেড়িয়ে পড়ে এই উপন্যাস টা । অনেক অবাক হয়েছিলাম, আব্বু রাস্তার ধারে পুরোনো কাগজ কেনা-বেচা করা এক ভ্যানে বইটা দেখে আমাদের জন্য কিনে এনেছিলেন । এই ব্যাপারটা আমার আজীবন মনে থাকবে ।
গল্পটা ভালোই লেগেছে আমার । প্রধান চরিত্র মুহিব মধ্যবিত্ত পরিবারের বেকার ছেলে । মুহিবের অদ্ভুত কান্ড কারখানা অনেকটাই হিমুর মতন । এসব কান্ড কারখানার মধ্যে একটা হলো মিথ্যা দিবস (এই ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ , পরে বলছি কেন)। মুহিবের সাথে লীলার প্রথম পরিচয় এর ঘটনাটা মজার । হুমায়ূন আহমেদের অনেক গল্পেই লীলার মতন অসম্ভব রূপবতী মেয়ে মুহিবের মতন অদ্ভুত ছেলেদের প্রেমে হাবুডুবু খায় । মুহিবের বাবাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয় , অনেক চেষ্টা করেও তাকে নিরপরাধ প্রমান করা যায়না। মুহিব অনেক টা বাংলা সিনেমার মতন নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পায় ।
এই গল্পটা হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য অনেক গল্পের মতন হুট করে শেষ হয়না , প্রথম পড়লে হ্যাপি এন্ডিং হয়েছে বলেই মনে হয় । সাত বছর পর মুহিবের বাবা জেল থেকে ছাড়া পান , মুহিব , লীলা , সবাই জেলগেটে যায় তার জন্য ।
কিন্তু আমার মনে হয় আসলে ব্যাপার টা তেমন নয় । লীলা আসলে মুহিব কে বিয়ে করেনি , গল্পের শেষ দৃশ্যের শুরুতেই বলা ছিলো "আজ বুধবার , মুহিবের মিথ্যা দিবস" , তারমানে মুহিব যা বলছে সবই মিথ্যা , সে যে তার বাবাকে বলে লীলা তার স্ত্রী সেটাও মিথ্যা। লীলার সাথে মুহিবের বিয়ে হয়নি।
এ ব্যাপারে আগেও হিন্ট দেয়া ছিলো , লীলার যার সাথে বিয়ে ঠিক হয় , আহসান সাহেব লীলাকে বলেছিলেন , লীলার মুহিবের প্রতি আকর্ষণ আছে , কিন্তু প্রেম-ভালোবাসা নেই , সে তার পোষা বাঁদরের কান্ড কারখানা দেখে যেমন আনন্দ পায় , তেমনি মুহিবের কান্ড কারখানা দেখেও আনন্দ পায় , এজন্য তাকে কাছে রাখতে চায় । আমার মনে হয় লীলা নিজেও ব্যাপারটা বুঝতে পারে , এজন্য এর পর আহসানের সাথে বেশ সহজ হয়ে আসে ।
আমার মনে হয় মুহিবের সাথে বিয়ে হয়েছে আসলে নায়িকা নিলির । আর লীলা বিয়ে করেছে আহসান কে । কিন্তু মুহিব এখনো লীলার বন্ধু আছে , তাই মুহিবের বাবার ছাড়া পাবার দিনে লীলা মুহিবের সাথে সেখানে যায় ।
What I liked: লীলা's father. The way লীলা and মুহিব met. The ending.
What I disliked: How similar most of the MMC of হুমায়ুন আহমেদ are. How no romance was shown between লীলা and মুহিব despite it being a romance novel. মুহিব's father. How লীলা and মুহিব spend more of their time with OP than each other. Etc.
"দিঘির জলে কার ছায়া গো" কোথায় দিঘি? কোথায় ছায়া? যাই হোক নর্দমা তো ছিলো, এটাই যথেষ্ট -.- এমনিতেই হুমায়ূন স্যারের বইয়ের নামের সাথে কাহিনীর মিল কখনোই থাকে না। মানে আমি মিল পাই নি আর কী! হ্যাপী এন্ডিং ছিলো যে এটাই অনেক বেশী!
বইয়ের নামঃ দিঘির জলে কার ছায়া গো। লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
মানুষের নিয়ম হচ্ছে, গুরুত্বহীন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া। আর গুরুত্বপূর্ন ব্যাপারগুলি পাশ কাটিয়ে যাওয়া ৷ সব পশু একা খেতে পছন্দ করে ৷ শুধু মানুষ এবং পাখি এই দুই শ্রেনী একা খেতে চায় না ৷
আলাউদ্দিন সাহেব, গার্লস স্কুলের হেডমাস্টার হিসেবে রিটায়ার করেছেন�� এখন নিজেই মেয়েদের একটা কোচিং সেন্টার চালান, নাম-'আলাউদ্দিন কোচিং'। কোচিং মেয়েরা তাঁকে ডাকে 'বক্ষ-স্যার'! কারণ তিনি বুকের দিকে তাকিয়ে পড়ান। অবসর সময় তিনি গান লেখেন, বেতার এবং টিভির একজন এনালিস্টড গীতিকার। দুটি বইও আছে- 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং 'কোরানের আলোকে বিজ্ঞান'। হঠাৎ খবরের কাগজে আলাউদ্দিনের ছবি ছাপা হয়েছে- শিরোনামে- প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষিত।
লীলা- লীলার বয়স একুশ। সে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। অর্নাস সেকেন্ড ইয়ার, বিষয় ইংরেজি সাহিত্য। লীলার চেহারা সুন্দর, চোখ সুন্দর, মাথায় কোঁকড়া চুল সুন্দর। এককথায় রূপবতী এক তরুণী সে। হঠাৎ একদিন লীলা রাস্তার ডাস্টবিনে পড়ে জান। তাই দেখে ত্রিশ বছরের একটা ছেলে উঠাতে চাচ্ছে, কিন্তু সে যেনো কি খুঁজেন। লীলাকে উঠিয়ে মুহিব ডাস্টবিনে নেমে পড়েন, খুঁজে একটা বই পান। লীলা ধন্যবাদ দেয়ার জন্য তার বাড়ি যেতে বলেন, অবশেষে যায় মুহিব। সেই থেকে ভালো লাগা, এর থেকে দুজনের মাঝেই ভালবাসা। অন্য দিকে, আহসান নামের এক ভদ্রলোক কে কুকুর তাড়া করে, তিনি এসে পড়েন লীলাদের বাড়ি। লীলা আসতেই কুকুর দুজনকে কামুড় বসিয়ে দেয়। লীলার মা ছেলের পরিচয় জানার পর, তার মেয়ের পাত্র হিসাবে পছন্দ করেন তিনি।
মুহিব- মুহিবের বয়স ত্রিশ, গায়ের রঙ কালো, বেশ কালো। মুহিব বিএ পাশ করেছে, একবার সম্ভব হয়নি দুবার পরীক্ষা দিয়ে থার্ড ডিভিশন পেয়েছে। তার বাবা (আলাউদ্দিন) একদিন বললো- থার্ড ক্লাসের সাটিফিকেট হাতে আসলে ছাগলকে কাঠাল পাতার সঙ্গে খেতে দিবি। আলাউদ্দিন বললো- মুহিব কি খাওয়াচ্ছিস। বাবা সাটিফিকেট সাথে লবণ মাখিয়ে খাওয়াচ্ছি, আরাম করে খাচ্ছে বাবা। আলাউদ্দিন ছুটে এসে অর্ধেক সাটিফিকেট বাঁধাই করে নিজের শোবার ঘরে টাঙিয়ে রাখলেন। যাতে মানুষ বুঝুক আমার ছেলে অর্ধমানব।
"দিঘির জলে কার ছায়া গো" এমন একটি উপন্যাস যা আপনাকে এমন ভাবে আঁকড়ে ধরবে, শেষ না করা পযন্ত ছাড়বে না। বিশ্বাস না হলে পড়ে দেখতে পারেন?
This entire review has been hidden because of spoilers.
"দিঘির জলে কার ছায়া গো" বইটি হুমায়ূন আহমেদের সেই চিরচেনা গল্প বলার ঢঙে লেখা, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পর্ক আর হালকা রহস্যের মিশেল থাকে। চরিত্রগুলো বাস্তবধর্মী, পাঠক খুব সহজেই তাদের সঙ্গে একাত্ম হতে পারেন।
একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত গল্পে এক গভীর আবহ তৈরি করে। হুমায়ূন আহমেদের লেখার সহজ-সরল ভঙ্গি থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু অংশে মনে হয়েছে প্লট একটু টানাহেঁড়া হয়েছে বা প্রত্যাশার চেয়ে ধীর গতিতে এগিয়েছে।
বইটিতে বেশ কিছু সংলাপ ও মুহূর্ত আবেগ ছুঁয়ে যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত একে অতুলনীয় বলা কঠিন। যারা হুমায়ূন আহমেদের লেখার সঙ্গে পরিচিত, তাদের জন্য বইটি একটি গড়পড়তা কিন্তু পাঠযোগ্য অভিজ্ঞতা হবে।
সংলাপগুলো প্রাণবন্ত। আবহ তৈরি করতে হুমায়ূনের দক্ষতা অনন্য। কিছু চরিত্র বেশ মনে রাখার মতো গল্পের গতি কিছুটা ধীর। শেষে এসে গভীরতা কমে আসে
যদি আপনি হুমায়ূন আহমেদের লেখার ভক্ত হন, তাহলে এই বইটিও আপনার ভালো লাগতে পারে, তবে এটি তার শ্রেষ্ঠ কাজগুলোর মধ্যে পড়ে না। নতুন পাঠকদের জন্য এটি একটি গড় মানের পরিচিতি হতে পারে তার লেখার জগতে।
খুব আনন্দ নিয়ে বইটা পড়ছিলাম। কিন্তু শেষ করে মেজাজটা একদম বিগড়ে গেলো। মনে হয় প্রকাশক দ্রুত বই শেষ করার জন্য লেখককে চাপে রেখেছিলেন। নাহলে এমন ভজঘট সমাপ্তি দিয়ে সুন্দর একটা গল্পের ম্যাসাকার করার কোনো কারণ দেখি না৷
প্রচ্ছদের লেখা দেখে আমার মতো যদি প্রেমের গল্প আশা করেন, তাহলে ধরা খাবেন। কেউ "প্রেম" বানান করতে গিয়ে যদি "প্র" লিখেই থেমে যায়, তাহলে এই উপন্যাসকে প্রেমের উপন্যাস বলা যেতে পারে। উপন্যাসের শুরুতে প্রেমের আভাস একটু পাওয়া যায়, আর মাঝে দুই এক জায়গায় প্রেম একটু উঁকিঝুঁকি দেয়। কিন্তু এটাকে প্রেমের উপন্যাস বলা আর হ্যারি পটারকে ভূতের গল্প বলা একই কথা।
এই উপন্যাস ঠিকঠাক শেষ করলেও এমন আহামরি কিছু হতো না। তবু ছিমছাম প্রেমের উপন্যাস হিসেবে ভালো লাগতো। তা না করে গল্পের ঘোড়া এমন পাগলা দৌড় দৌড়েছে যে লেখক ফেরার পথই হারিয়ে ফেললেন। আর ছিমছাম গল্পটাকে জগাখিচুড়ি বানিয়ে ফেললেন। তাও লবণ ছাড়া।
শার্টের বোতামে কিংবা ঘড়িতে উড়না আটকাবে কিংবা কানের দুল বা হাতের বালাতে পাঞ্জাবের পাশ আটকে যাবে,তার পর জন্ম নিবে গভীর প্রেম...এমন হাস্যকর প্রেমের শুরু হয়তোবা আজকাল অনেকেই চায়। তবে ড্রেনে অচেনা এক মানবী পড়ে থাকবে আর সাহসীদের কাতারে থাকা এক ছেলে সেই মেয়েকে টেনে তুলবে, আর তার সাথেই গল্প আগাবে এমন কাহিনী হয়তোবা একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ এর মাথা ছাড়া আর কারো মাথায় আসবে এমন কথা চিন্তা করাই দুষ্কর। গল্পের বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে আলাদা ভাবে স্টাডি করা যাবে এমন অবস্থা। তবে মুহিব, তার বাবা মা বোন,লীলাবতী তার বাবা প্রতিটা চরিত্রই ভালো লাগার মত। ট্র্যাজেডিক কিছু কাহিনী আছে যা পড়তে বেশ ভালোই লেগেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত একটা গল্প একদম। গল্পে আবার থুরা থুরা হিমুও আছে👀(থুরা means অল্প একটু)