Jump to ratings and reviews
Rate this book

হিমু #21

হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই

Rate this book
ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ
হিমু। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রেগুলোর একটি। অদ্ভুত ও মজার নানা ঘটনার মুখোমুখি হয় সে নানা সময়ে। কখনো কখনো এইসব ঘটনার নিয়ন্ত্রক সে-ই। অলৌকিক ক্ষমতার দরুন বহু ঘটনার পূর্বাভাসও পায় হিমু।
হিমুর নতুন এই উপাখ্যানটি রচিত হয়েছে হার্ভার্ডের ফিজিক্সের পিএইচডি ডক্টর আখলাকুর রহমান চৌধুরী ওরফে বল্টু এবং তার সংগে হিমুর সম্পৃক্ততাকে ঘিরে। তুতুরি নামে অদ্ভুত এক মেয়েও এই উপাখ্যানের অন্যতম চরিত্র। হিমুর মাজেদা খালার বান্ধবীর মেয়ে তুতুরি। হার্ভার্ড পিএইচডি বল্টুভাইয়ের সংগে তার বিয়ে দিতে আগ্রহী মাজেদা খালা। এদিকে হিমু সম্প্রতি এক মাজারের খাদেমের অ্যাসিসটেন্টগিরি করছে। খাদেম মানুষটি অদ্ভুত। তিনিও এই উপাখ্যানের একটি চরিত্র। এছাড়া তুতুরির এক শিক্ষক-ছাত্রীদের নানাভাবে ভুলিয়ে পাশবিক বাসনা চরিতার্থ করাই যার অন্যতম উদ্দেশ্যে-তার কথাও এই উপাখ্যানে বর্ণিত হয়েছে। নানা ঘটনা পরম্পরায় হিমুকে কেন্দ্র করে উপন্যাসের কাহিনি এগিয়েছে সাবলীলভাবে।
হিমু-সিরিজের অন্য উপন্যাসগুলোর মতোই এই উপন্যাসটিও হিমু-ভক্তদের আলোড়িত করবে।

ভূমিকাঃ
আমার কিছু পাঠক আছেন, যারা হিমু-বিষয়ক রচনাগুলি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন। এই উপন্যাসটির ক্ষেত্রে তারা যেন সে রকম কিছু না ভাবেন। এখানে গল্পকার হিসাবে আমি নেহায়েত এই গল্প ফেঁদেছি। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তুলনামূলক আলোচনায় যাই নি। সেরকম ইচ্ছা আমি জটিল প্রবন্ধই লিখব। হিমু রচনায় হাত দেব না।
হিমু-বিষয়ক প্রতিটি লেখাতেই আমি এই ভুবনের রহস্যময়তার দিকে ইঙ্গিত করেছি। তার বেশি কিছু না। আমি নিজে জগতের রহস্যময়তা দেখে প্রতিনিয়ত অভিভূত হই। আমি চাই, আমার পাঠকরাও অভিভূত হোক।

হুমায়ূন আহমেদ
জ্যামাইকা, নিউইয়র্ক

92 pages, Hardcover

First published February 1, 2012

47 people are currently reading
928 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,917 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
368 (18%)
4 stars
585 (29%)
3 stars
635 (32%)
2 stars
258 (13%)
1 star
109 (5%)
Displaying 1 - 29 of 67 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,102 reviews1,081 followers
January 31, 2019
হার্ভার্ডের ফিজিক্সের পিএইচডি ডক্টর আখলাকুর রহমান চৌধুরী ওরফে বল্টু ভাইকে নিয়ে রয়েছে অনেক মজা। যিনি হাভার্ডের পিএইচডি নিয়েছেন। শেষে হিমুর পাল্লায় পড়ে তিনি মাঝারে রাত কােটানো শুরু করেন।

তুতুরি নামের মেয়েটিও অন্যরকম এক চরিত্র। সেও হিমুর প্ল্লায় পড়ে মাজারে যায়। এদিকে হিমু এক মাজারের খাদেমের অ্যাসিসটেন্ট। খাদেমটি আবার অদ্ভুত। যেন তার বিশেষ কোন ক্ষমতা বা আধ্যাত্মিতকদা রয়েছে, তিনিই হিমুকে মাজারমূখি করেন। মাজারেরও রয়েছে অদ্ভূত ক্ষমতা। সবই চিন্তার অতীত। । তুতুরির এক শিক্ষক- পরিমল তুতরিকে ভুলিয়ে পাশবিক চেতনা চরিতার্থ করতে তাকে নিয়ে যেতে চায় দূরে কোথাও। তুতরি বুঝতে পারে না। সে নতুন কোন জায়গা দেখার জন্য যেতে রাজি হয়। ঠিক হয় দিনক্ষনও। কিন্তু কথাটা কেউ জানে না। না হিমু না বল্টু ভাই। যদিও এর মধ্যে হিমুর সাথে তুতরির ভালোই বোঝাপড়া হয়েছে। এদিকে পরিমল সব ব্যবস্থা করে ফেলেছে। এখন কি হবে? পড়ুন-
Profile Image for তান জীম.
Author 4 books279 followers
October 6, 2022
হিমু বরাবরই আমার মন ফ্রেশ করে। এই বইটা হিমুর বাকি বইগুলার তুলনায় একটু দূর্বল হলেও আমার ভালো লেগেছে। এই বইয়ে যে জিনিসটা এক্সক্লুসিভ ছিলো তা হলো, হিমুর বাকি সব বইয়ের মত এটা থার্ড পার্সনে বর্ণিত না, এখানে হিমুর সাথে সাথে মূল গুরুত্বপূর্ণ সবগুলো ক্যারেক্টারের আলাদা আলাদা POV তে বইটা লেখা হয়েছে। ইন্টারেস্টিং জিনিসটা।
Profile Image for Abu Rayhan Rathi.
108 reviews
July 19, 2021
ভেবেই খারাপ লাগতাছে নতুন গল্প নিয়ে আর কখনো হিমু আসবে না :(
Profile Image for Nowrin Samrina Lily.
158 reviews15 followers
March 30, 2022
আজ অনেকদিন পর বইটার দেখা পেলাম অপূর্বর শেল্ফে এবং বরাবরের মতোই বইটা ও আমার আম্মু থেকে ধার করে আর ফেরত দেয়নি😑 যাই হোক,এতক্ষণ ওর রুমে বইটা পড়ে হা হা করে হাসছিলাম আর সবার ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিলাম।
আমি জানিনা আমি কেন এতো হাসলাম,হয়তো সবার হাসি নাও আসতে পারে এই বই পড়ার পর। তবুও অনুরোধ করবো যেন বইটা যেন একবার করে হলেও পড়া হয়। অপূর্বর মতো মানুষ যদি এই বইটা পড়ে হাসতে পারে, তাহলে আশা করি বাকিদেরও ভালো লাগবে💜
Profile Image for Rifat.
501 reviews328 followers
August 14, 2023
হিমু গিয়েছে মাজেদা খালার বাসায় তাকে সেখান থেকে পাঠানো হয়েছে এক নামকরা হোটেলে কেননা সেখানে অবস্থান করছেন হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই। বল্টু ভাইয়ের অবশ্য ভালো নাম রয়েছে-আখলাকুর রহমান চৌধুরী। মাজেদা খালা ওদিকে আবার কায়দা করে বল্টু ভাইকে পাত্রী দেখাচ্ছেন, আর্কিটেক্ট পাত্রীটির নাম তুতুরি। ঘুরতে ঘুরতে হিমুকে বাচ্চা পীরের মাজারে দেখা যায়। মাজারের খাদেমের সাথে হিমুর বেশ ভাব হয়, খাদেমের আবার পা নেই। পা না থাকা সত্ত্বেও হিমু তার পা টিপে সেবা যত্ন করে। এরপর ঠিক যেভাবে বইয়ের সমাপ্তি হওয়ার কথা ঠিক সেভাবেই সমাপ্তি ঘটে। বইয়ের সকল চরিত্র শেষে এই বাচ্চা পীরের মাজারে হাজির হয় এবং বিশিষ্ট হিমু এদের ব্যবস্থা করে সে জায়গা ত্যাগ করে।


কাহিনীর সূত্র ধরে বইয়ের নাম আসলে "হিমু এবং বাচ্চা পীরের মাজার" হওয়া উচিত ছিল। মাজেদা খালা ওয়াজ অন ফায়ার একচুয়ালি -.- পুরো বই পড়ে বেশিরভাগ সময় বিরক্ত হয়েছি। তবে ঐ যে হুমায়ূন আহমেদ! তাই শেষটা ভালোই লাগলো। ১ তারা না দিয়ে ২টি তারা দেয়া গেল।

১৪ আগস্ট, ২০২৩
Profile Image for Abdus Sattar Sazib.
259 reviews15 followers
March 13, 2021
হিমু চরিত্রের আসল নাম হিমালয়। এ নামটি রেখেছিলেন তার বাবা। লেখক হিমুর বাবাকে বর্ণনা করেছেন একজন বিকারগ্রস্ত মানুষ হিসেবে; যার বিশ্বাস ছিল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যদি প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা যায় তবে একইভাবে মহাপুরুষও তৈরি করা সম্ভব। তিনি মহাপুরুষ তৈরির জন্য একটি বিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন যার একমাত্র ছাত্র ছিল তার সন্তান হিমু।
হিমুর পোশাক হল পকেটবিহীন হলুদ পাঞ্জাবী। হলুদ বৈরাগের রঙ বলেই পোশাকের রং হলুদ নির্বাচিত করা হয়েছিল। ঢাকা শহরের পথে-পথে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো তার কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসে প্রায়ই তার মধ্যে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। যদিও হিমু নিজে তার কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না।
হিমুর আচার-আচরণ বিভ্রান্তিকর। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে, এবং এই বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হিমুর অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ। প্রেম ভালবাসা উপেক্ষা করা হিমুর ধর্মের মধ্যে পড়ে। কোন উপন্যাসেই কোন মায়া তাকে কাবু করতে পারে নি। মায়াজালে আটকা পড়তে গেলেই সে উধাও হয়ে যায়। হিমু উপন্যাসে সাধারণত হিমুর কিছু ভক্তশ্রেণীর মানুষ থাকে যারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। এদের মধ্যে হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল অন্যতম। মেস ম্যানেজার বা হোটেল মালিক- এরকম আরও কিছু ভক্ত চরিত্র প্রায় সব উপন্যাসেই দেখা যায়।
এছাড়াও কিছু বইয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ও খুনি ব্যক্তিদের সাথেও তার সু-সম্পর্ক ঘটতে দেখা যায়। হিমুর একজন বান্ধবী রয়েছে, যার নাম রূপা; যাকে ঘিরে হিমুর প্রায় উপন্যাসে রহস্য আবর্তিত হয়। নিরপরাধী হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহভাজন হওয়ায় হিমু অনেকবার হাজতবাস করেছে এবং বিভিন্ন থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসারের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।

হিমু বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় ও কাল্পনিক। নব্বই দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দু’টি কাল্পনিক চরিত্র। উদাসীন হিমু একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাঙালি তরুণদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
Profile Image for Md. Faysal Alam Riyad.
317 reviews26 followers
October 22, 2016
সমাজের নানা বিষয় উঠে এসেছে এ লেখায়। সরকারি অফিসার তাদের পিএস, দুষ্ট শিক্ষক, মাজার নানা ব্যাপার। তবে ব্যাপার হল হিমু একটা ঘটনা ঘটিয়ে ডুব দেয়। অনেকদিন তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় না। আবার উদয় হয়, নতুন কিছু ঘটায়।

বল্টু ভাইয়ের মত বেশি পড়াশুনা করা ঠিক না।
Profile Image for Sharmin Sultana  Shamoly.
89 reviews23 followers
Read
November 10, 2025
১০-১২ বছর পরে আবার পড়লাম।
নতুনভাবে আবিষ্কারের জন্য হিমু সমগ্র আবার পড়া প্রয়োজন।
Profile Image for Saurav.
155 reviews19 followers
March 3, 2023
ভালোই। একটা নতুন লেখার ধরণ যেটা এই বইটিতে দেখা যায় সেটা হচ্ছে গল্পের ধারার মধ্যে হঠাৎ করে কথক হিমু থেকে অন্য কেউ হয়ে যায়। বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে ব্যাপারটা। তা ছাড়া বাকি হিমুর যেমন গল্প হয় সেরকমই যদিও এই গল্পে কিন্তু হিমুর সেরম কিছু ক্ষমতার প্রদর্শনী নেই - সে যেন আরেকটু স্বাভাবিক, আরেকটু বাকিদের মতো।

এটাই শেষ হিমুর গল্প ভাবলেও কেমন লাগে। আমার যদিও আরো অনেক হিমু পড়া বাকি, কিন্তু যারা ধারাবাহিক ভাবে পড়ে এসেছেন তাদের নিশ্চয়ই খুব খারাপ লেগেছিল এই সিরিজটার শেষে। খুব অসামান্য না হলেও হিমুর কান্ডকারখানা পড়তে খারাপ লাগে না।

দেখি আমি আবার কবে পরের হিমু পড়ার সুযোগ পাই। অপেক্ষায় রইলাম।
Profile Image for Denim Datta.
371 reviews21 followers
September 21, 2014
হুমায়ূন আহমেদ এর হিমু সিরিজের ২৪তম বই হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই। এই বইটিতে প্রথমবার হিমুর পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্র গুলির দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও লেখা হয়েছে গল্পটি।
ভালো লাগলো।
Profile Image for Ummea Salma.
126 reviews122 followers
May 18, 2020
একদম ই time waste লাগছে পুরা উপন্যাস টা!
Profile Image for ANGSHUMAN.
229 reviews7 followers
September 11, 2021
'বন্ধুত্ব তখনই গাঢ় হয় যখন কেউ কাউকে চেনে না'
কিছু অমর উক্তি আছে হিমুর এই বইতে। মানুষের উপকার করায় সিদ্ধহস্ত হিমুর শেষ বই,মৃত্যু না হলে হয়ত আরো গোটা দুই হিমু আমরা হুমায়ূন আহমেদের কাছে পেতেই পারতাম। প্রতিটি বইই যেন সোনার খনি। হয়ত আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই একজন করে হিমু বাস করে,যে হাঁটছে সারারাত জেগে শহরের গলিতে,গায়ে হলুদ রঙের পাঞ্জাবি,খালি পা,উস্কো খুস্কো চেহারা।
Profile Image for Mehedi  Hasan Mahfuz.
172 reviews26 followers
June 17, 2022
এই বইয়ের পুরোটা জুড়েই ছিল হিমুর প্রকট উপস্থিতি সাথে হিমুর স্বভাবসুলভ কর্মকান্ডের পরিমাণ ও ছিল যথেষ্ঠ।সেই যে প্রথম দিককার বইগুলোতে হিমুর যে প্রকট উপস্থিতি ছিল, আস্তে আস্তে তা যেন মিইয়ে আসছিলো।শেষবেলায় এসে সেই কাটতি কমে এসেছে। অবশেষে হিমুও অচেনা কালো কুকুরের সাথে গাঢ় বন্ধুত্ব করে ডুব দিলেন কোথায় যেন!
এ ধরায় আর হিমু আসবে না!
Profile Image for Aman.
45 reviews10 followers
March 26, 2023
হিমুর প্রায় সব উপন্যাস উত্তম পুরুষে লেখা৷
সেখানে হিমুই মূল কথক।
তবে এই উপন্যাসটা একটু ভিন্ন। এখানে হিমুর সাথে সাথে বাকি চরিত্রদের দেয়া বর্ণনার মাধ্যমে গল্প এগুতে থাকে। যার ফলে হিমুকে নিয়ে অন্যরা কি ভাবছে বা কার মাথায় কি চলছে তা পরিষ্কার জানা যায়।
সুন্দর এই উপন্যাসটির সাথে পড়ে শেষ করলাম পুরো হিমু সিরিজ।
ভালো থাকুক হিমুরা, তাদের গন্তব্যহীন পথচলা চলতে থাকুক।
Profile Image for Israt Sharmin.
305 reviews1 follower
December 11, 2025
হিমুর প্রভাব বা হিমুকে কে সহজে এড়ানো যায় না। নির্লিপ্ত থেকেও সে সবার মাঝে নিজের প্রভাব ছড়িয়ে দেয়।
Profile Image for Tasnim Dewan  Orin.
159 reviews79 followers
October 31, 2016
Don't waste time to read this trash. It is I guess the worst book in the Himu Series.
Profile Image for Jesan.
141 reviews5 followers
August 2, 2020
ভাল লাগেনাই.....হিমু জিনিসকে এমন বানাইসে যা করা মধ্যবিত্তদের জন্যে অসম্ভব
Profile Image for mobashir097.
24 reviews2 followers
October 22, 2020
শেষের দিকে এসে সব ই হযবরল হয়ে গেছে
Profile Image for Bae.
3 reviews
November 30, 2024
গল্পের শুরুতেই দেখা যায়, হার্ভার্ড থেকে পিএইচডি করে আসা বল্টু ভাই, বল্টু হল ডাকনাম তবেতার পুরা নাম চৌধুরী আকলাকুর রহমান বল্টু তিনি পদার্থবিদ্যায় হার্ভার্ড থেকে Ph.D. করেছেন বল্টু ভাই মাজেদা খালার স্বামীর বন্ধুর ছেলে যে বাংলাদেশ এসেছে ঘুরতে সে একটি বই লিখবে বইয়ের নাম 'ঈশ্বর শূন্য আত্মা শূন্য'. সে বইয়ে প্রমাণ করতে চায় ঈশ্বর বলে কিছু নেই আত্মা বলেও কিছু নাই আর বল্টু ভাই বাংলায় নতুন একটি শব্দ যুক্ত করতে চাই শব্দটি হল ফুতুরি! এর অর্থ হল ফুঁ দিয়ে বাঁশি বাজায় - ফুতুরি বাঁশি, সানাই, ব্যাগপাইপ, ট্রাম্পেট সব হবে ফুতুরি গ্রুপের বাদ্যযন্ত্র .
যার জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা ও যুক্তি মজার কাণ্ড ঘটায়। হিমু, যার জীবন দর্শন যুক্তির বাইরে, বল্টু ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দারুণ সব মজার পরিস্থিতি তৈরি হয়। গল্পটি হাস্যরসের পাশাপাশি সুন্দর
এই বইটি খুবই সুন্দর এখানে আরো চরিত্র আছে তুতুরি একটি মেয়ে আছে যে সকল পুরুষ মানুষকেই শিক্ষা দিতে ইচ্ছা করে তার কারণ সে মনে করে পুরুষের ভেতরই শয়তান থাকে। সে মনে করে মেয়েদের প্রতি মনোভাব একজন রিকশাওয়ালার যা জহির খন্দকারের ও তা আর ph.d ওয়ালা মানুষেরও তা তুতুরি হল মায়ের স্কুল জীবনের বন্ধু হল মাজেদা খালা আর মাজেদা খালার স্বামীর বন্ধুর ছেলে বল্টু ভাই আর মাজেদা চাই বল্টু ভাই আর তুতুরি বিয়ে করাতে আবার এইদিকে দুষ্ট চরিত্র আছে তুতুরি অংক স্যার জহির খন্দকার . আর জহির খন্দকার সুপুরুষ ছিলেন না কিন্তু সুকথন ছিলেন অংক ভালো সে শেখাতেন তবে অংকের সঙ্গে সঙ্গে সে অদ্ভুত অদ্ভুত গল্প করতে তার ফাঁদে পড়েছিল তুতুরি বান্ধবী শর্মিলা আর জহির একটা বন্ধু ছিল পরিমল এরা দুইজনই একই রকম বাজে লোক আর তুতুরি তাদেরকে শিক্ষা দিবে শয়তামকে আর পাশে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ��ছে খাদেম( পীর বাচ্চাবাবার মাজার) আর হিমু হল পীর বাচ্চাবাবা মাজারের খাদেম এর ওখানে কাজ করে তাকেপাকা বায় মাজারে থাপ্পুরা পরিষ্কার করে সন্ধ্যার বেলায় মোমবাতি আগরবাতি জ্বালায় আর পীর বাচ্চাবাবা মাজাদের খাদেম এর পা নেই আর হিমু অদৃশ্য পা দাবাই অদৃশ্য আঙ্গুল টানে হুজুর হল খুবই অদ্ভুত ধরনের মানুষ তাছাড়া এই গল্পটি খুবই সুন্দর আর বলবো না বইটি পড়লেই বুঝতে পারবে বইটি কত মজার আর কত সুন্দর আর এখানে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র আছে বাংলা একাডেমীর ডিজি তার একটা পজিশন আছে এই গল্পটি মজাধার পড়লে মজা পাবেন আর এটি হিমু সিরিজের শেষ বই যা বলতেও ��ারাপ লাগে কারণ এই বইটির পর হিমু সিরিজ শেষ তবে এই বইটি অসাধারণ হলেও, এর শেষাংশটি আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। পুরো গল্পটি মনোমুগ্ধকর হলেও, মনে হয়েছে লেখক শেষটা আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন। তবে, হুমায়ূন আহমেদের লেখার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তিনি প্রায়ই গল্পের শেষটা খোলামেলা রেখে দেন, যা পাঠককে নিজস্বভাবে ভাবার সুযোগ দেয়। এ বইয়েও তেমনটাই হয়েছে—শেষটা যেন অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে, যা আমার ব্যক্তিগতভাবে কিছুটা অপূর্ণ মনে হয়েছে তবে হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন বৃহন্নলা বইটিতে তার অধিকাংশ গল্পের শেষ থাকে না বলে পাঠক পাঠিকারা আপত্তি তুলেন আপত্তি তুলেন তো হইতো সে কারণেই হিমু এবং হার্ভার্ড ph.d. বল্টুভাই গল্পটিরও শেষটা নাই
Profile Image for Owlseer.
220 reviews33 followers
July 28, 2024
"প্রিয় দর্শকবৃন্দ, আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি ঢাকা শহরের বিখ্যাত পীর বাচ্চা বাবা মাজারের সামনে, যেখানে একেবারে মেলার মতো অবস্থা। মাজারের সামনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও টিভি সাংবাদিকদের ভিড়, সাথে কালো পোশাকে র‍্যাবের উপস্থিতি। মনে হচ্ছে যেনো কোনো বড়ো হিরোর সিনেমার প্রিমিয়ারে এসেছি!

মাজারের রেলিংয়ে এক লোককে হাত আটকে থাকতে দেখলাম। লোকটির নাম জহির। কথা বলে জানা গেল, তার দাবি, হাত দেওয়ামাত্রই রেলিং তাকে এমনভাবে জড়িয়ে ধরেছে যে আর ছাড়ছে না! কেউ বলছে তিনি নাটক করছেন, আবার কেউ বলছে, 'আল্লাহর মাজারের মাজেজা'।

মাজারের ভেতরে, নিমগাছের সাথে এক লোককে বেঁধে রাখা হয়েছে। তার নাম পরিমল, যিনি জহিরের বন্ধু। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, জনতা তাকে আচ্ছামতো পিটিয়েছে। তার নাক থেকে এখনও রক্ত ঝরছে, আর তিনি ভাবছেন তার পায়ের হাড়টাও ভেঙে গেছে। যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম কেন তাকে মারা হলো, তিনি বললেন, 'ভাই, আমিও জানি না!'

মাজারের ভেতরে আরো একটা মজার দৃশ্য দেখা গেলো। বাংলা একাডেমির ডিজি সাহেব একখানা পান্ডুলিপি পড়ছেন, যার নাম 'বাংলার ভূত'। বইটির লেখক এক প্রফেসর, যিনি হার্ভার্ড থেকে ফিজিক্সে পিএইচডি করেছেন, নাম বল্টু। এদিকে, মাজারের প্রধান খাদেম, বল্টু সাহেব, মিসেস মাজেদার স্বামী, এক বানর দম্পতির খেলা দেখছেন। ঠিক যেনো কোনও সার্কাস চলছে!

গোপন সূত্রে জানা গেছে, মাজারের ডিজাইন করেবেন নাকি জয়নব নামের এক তরুণী। কিন্তু এতসব ঘটনার মূল হোতা কে? কেউ বলছে, এটা পশ্চিমা ষড়যন্ত্র, কেউ বলছে জিনের কাজ, আবার কেউ বলছে, 'আল্লাহর মাজেজা'। কিছু মানুষ বলছেন, এখানে এলিয়েনেরও হাত থাকতে পারে!

তাহলে আসল সত্য কি? জানতে হলে আমাদের সাথেই থাকুন"

খবরটি দেখার পর ঠোঁটের কোণে একচিলতে হাসি ফুটে উঠল হলুদ পাঞ্জাবি পড়া তরুণটির মুখে। তার চোখে যেন এক দীপ্তি খেলে গেল। তারপর সে অঝোর ধারায় পড়তে থাকা বৃষ্টির মধ্যে মিশে যেতে লাগল, এক অজানা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। তার পিছু পিছু চলতে লাগল একটি কালো কুকুর, যার চোখ জ্বলজ্বল করছিল। তরুণটি এক পা এক পা করে বৃষ্টির মধ্যে এগিয়ে চলল, তার প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে কুকুরটির পায়ের আওয়াজ মিশে গিয়ে এক অদ্ভুত সুরের সৃষ্টি করছিল।একসময় তরুণ ও কুকুর উভয়েই দৃষ্টিসীমার বাইরে মিলিয়ে গেল, যেন অন্ধকারের গভীরে লুকানো কোনো রহস্যের সন্ধানে।
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
October 16, 2020
বল্টু ভাই হার্ভার্ড থেকে PHD করা। দেশে এসেছেন হাওয়া বদল করতে। মাজেদা খালা হিমুকে কয়েকটি জিনিস নিয়ে দিয়ে আসতে বলেছিলো বল্টুকে। সেখানেই হিমুর সাথে পরিচয়। বল্টুর সাথে হিমুর কথা হয় বাংলা অভিধানে কিছু শব্দ যোগ করা নিয়ে। বল্টু হিমুর কথায় প্রভাবিত হয়ে বাংলা একাডেমির ডিজিকে "ফুতুরি" শব্দটা যোগ করার জন্য আবেদন করে চিঠি পাঠায়। পীর বাচ্চাবাবার প্রধান খাদেম যার কিনা ২ টা পা কাঁটা যায় ট্রাক পা এর উপর দিয়ে চলে যাওয়ায় এক মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে, তার সাথে হিমুর সখ্যতা হয়। মাজেদা খালার বাসা আর্কিটেকচার দিয়ে নতুন করে বানাবে তাই তুতুরিকে নিয়ে আসা হয়। মাজেদা খালা এই মেয় এর সাথে বল্টু ভাই এর বিয়ে দিতে চায়। গল্পের শেষ এর দিকে সব চরিত্র বাচ্চাবাবার মাজারে ঘটনাক্রমে চলে আসে। তুতুরি তার এক অংক স্যারকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলো যে কিনা মেয়েদের সাথে খারাপ কাজে লিপ্ত হয়। সেই স্যার মাজারে এসে একটি গ্রিল ধরে আটকা পড়ে যায় অলৌকিক ভাবে। সেখানে তুতুরি সেই লোককেও চিনতে পারে যে তাকে ছোট বেলায় বাচিয়েছিলো ট্রাক থেকে, মাজারের খাদেম। হিমু রওনা হয় অচেনা জায়গায়। তার কাজ শেষ।
হিমুর শেষ গল্প ছিলো এটি।
10 reviews
December 21, 2024
পাঠ্যপ্রতিক্রিয়া (৫)
**হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই।

"হিমু এবং হার্ভার্ড phd বল্টু ভাই "বইটি পড়ে আজ শেষ করলাম। কোনো বই পড়ে এতো হাসি আমি জীবনেও হাসি নাই। বইটি পড়ে যতই গভীরে যাচ্ছি ততই আমার হাসির মাত্রা বাড়ছে। হুমায়ুন আহমেদের প্রত্যেকটি বইয়ের ভাষা খুবই সাবলীল এবং আকর্ষণীয়। এই বইয়ের প্রত্যেকটি চরিত্রকে খুবই সুক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। তবে হিমু অনন্য।সাথে তুতুরী মেয়েটির চরিত্র ও বেশ লেগেছে। আর মাজেদা খালার বকবকানি গল্পটির সুন্দর্যের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

হিমুর একেকটা কান্ড পড়ে আমি হাসতে হাসতে শেষ। হিমু সিরিজ শুরু করছি থেকে আমি একটি বিষয় উপলব্ধি করতেছি,হিমুর বেশকিছু প্রভাব আমার উপর পড়েছে। আমি এর মতোই দায়সারা হয়ে পড়ছি।

আমার এই আচরণে আমি নিজেকে নিয়ে আতংকিত।কোনো কিছুতে সিরিয়াস হতে পারতেছিনা। এই উদাসীন ভাব কিভাবে কাটাবো আমি জানিনা। সামনে এক্সাম রেখে আমি এতো শান্ত কিভাবে আমি নিজেই জানিনা। কোনো ভাবেই মনোযোগী হতে পারছিনা।সবসময় নিজেকে বিন্দাস মনে হয়। হিমু তার চারপাশের মানুষের মতো আমার উপর কঠিন প্রভাব ফেলেছে।
Profile Image for রিফাত  আহমেদ.
25 reviews2 followers
Read
April 12, 2020
অতি বাসি গাঁজা খাইলে যা লিখা যায় এই বই তার প্রকৃত উদাহরণ। লেখক গাঁজা খাইয়া এই বই লিখতে বসছিলেন যেখানে হিমুর কোনো খোঁজ নাই। লেখক হয়তো ভেবেই বসেছিলেন উনি খাওয়াবেন পাবলিক তাই খাবে। সম্পূর্ণ বই নানা গোজা মিল দিয়ে লিখছেন।

হার্ভার্ড থেকে যে বল্টুকে নিয়ে আসছেন তাকে দ্বারা কিছু ফিজিক্সের কথা বলাইছেন। তুতির রে দিয়া একটা স্থাপত্যবিদ্যার ইতিহাস বিষয়ের ইতিহাস তুলে ধরছেন আর হিমুর খালা খালুর সেই জগাখিচুড়ির সংসার নিয়ে আরেকটা জগাখিচুড়ি বানাইয়া ছাড়ছেন শেষমেশ।


বইয়ে ভালো কোন দিক পাইছে বলে মনে পড়ছে না। হুমায়ূনের হয়তো কোনো টাকার দরকার পরছিল এইজন্য কোনো রকমে ৫ ফার্মার একটা যা ইচ্ছেতাই লিখা প্রকাশনীর কাছে লিখে পাঠাইছে আর তারা সেটা উতকৃষ্ট খাদ্য হিসাবে চালায় দিছে।

সাউয়ার খাদ্য ছাড়া কিছুই নয় এই বই😐😀
Profile Image for রাহাদ ইসলাম.
10 reviews
October 10, 2024
হিমু সব বইগুলো আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। কিন্তু এই বই পড়তে গিয়ে শুরুতে আগ্���হ কিছুটা হারিয়ে ফেলেছি।

তবে সবচেয়ে ভালো লাগলো এই বই এ আমরা হিমু কে অন্যদের Point of view থেকে দেখতে পাওয়া।হিমুর এই বইটা সবচেয়ে Unique।এই প্রথম হিমুর বই এ তার মেস নিয়ে কোনো কথা লেখা নেই,এমনকি হিমুর বাবার কোনো বাণী নেই।হিমু সিরিজের এটা লাস্ট বই। খুব খারাপ লাগছে যে আর হিমুর নতুন গল্পের জগতে ডুব দিতে পারব না।

যেহেতু এটা হিমুর লাস্ট বই তাই হিমু সিরিজ নিয়ে কিছু বলতে চাই।
হিমুর প্রায��� সব গল্পে কিছু কমোন থাকে যেমন:
১/নতুন একটা বিশ্ব সুন্দরী মেয়ে এবং অবশ্যই সে মেয়ে হিমুর প্রেমে পড়ে।
২/একজন বড়লোক ও প্রভাবশালী আত্নীয়।
৩/পুলিশ
৪/হিমুর মেস এর অদ্ভুত লোক
৫/হিমুর বাবার বাণী।
Profile Image for Didarul Islam.
137 reviews1 follower
September 15, 2023
যাক, সিরিজের শেষ বই হিসেবে স্যাড এন্ডিং পাই নাই, হ্যাপি হ্যাপি ভাইব ছিল বইটা জুড়ে, হুমায়ূন স্যার হয়তো ভাবেননি এটাই তার সিরিজের শেষ বই হতে চলেছে, আফসোস। হিমুর পাওয়ার নিয়ে এই বইয়ে বড়সড় ইশারা দিয়ে দিয়েছেন লেখক। হিমুর এই এক মিস্ট্রির সমাধান হলো!
হুমায়ূন স্যার বেঁচে থাকলে হিমুর এণ্ডিংটা বোধহয় পেতাম আমরা। থাক কিছু অপূর্ণতা।
Displaying 1 - 29 of 67 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.