What do you think?


অতল জলের দিকে
Bengali
167 pages, Unknown Binding
Published January 1, 1997
About the author
Prafulla Roy
227 books50 followersPrafulla Roy was a Bengali author, lived in West Bengal, India. He received Bankim Puraskar and Sahitya Akademi Award for his literary contribution in Bengali.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
January 24, 2021
খুব বেশি ভালোবাসলেও বোধহয় একসাথে হাতে হাত, কাঁধে মাথা রেখে একজীবনে আর হংসমিথুন হয়ে পথচলাটা ঠিক হয়ে ওঠে না.
যেমন হয়নি অনুরাধা আর প্রণবেশের,রক্ষণশীল ব্রাক্ষ্মণ আপাদমস্তক ভীরু মধ্যবিত্ত স্বল্প আশায় তুষ্ট অনুরাধাকে শতবাধা বিপত্তি,অনুরাধার ঘাগু কাকা গোপালবাবুর শাসানি,ভীত হরিণীর ন্যায় সদা গুটিয়ে থাকা প্রনয়ীর মনের সব বেড়াজাল এড়িয়ে শেষমেশ স্থাপত্যবিদ প্রণবেশ মজুমদার হার না মেনে প্রায়ই হিমালয় জয় করার মতোই অনুরাধার সিঁথিতে সিঁদুর আর কপালে সূর্যোদয়ের মতো রক্তাভ টিপ পরিয়ে দিয়েছিলেন ঠিকই;
কিন্তু একবার মাত্র যার গান শুনে গুনমুগ্ধ প্রণবেশ শরবিদ্ধ পাখির মতো ছটফট করতে করতে যাকে পাওয়ার জন্য যে সাধনা করেছিল , দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যে পরিচয়কে শুধুমাত্র প্রণয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিনয়ের মাধ্যমে সামাজিক স্বীকৃতি দিয়ে ঘর বেঁধে ছিল,সে ছোট্ট নীড়ে আর তাদের থাকা হয়নি একসাথে, উচ্চাভিলাসী প্রণবেশের উপরে উঠার জন্য অনৈতিক কাজের নৈতিক সমর্থন দিতে পারেনি আজন্ম নীতিগত ভাবে অনমনীয় অনুরাধা, ফলাফল তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ে তাদের খেলাঘর, অনুরাধা প্রণবেশ আর মেয়ে রুমির পথ মত আলাদা হয়ে যায়.
কিন্তু তারা আবার একবিন্দু তে এসে মিলে,বিশ বছর পর উচ্ছন্নে যাওয়া রুমিকে ফেরাতে প্রণবেশের কাছে তার পিতার কর্তব্যের দোহাই দিয়ে আহব্বান জানানো অনুরাধার অনুরোধ রাখতে বম্বে থেকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অমলা যার হাত ধরে গড়ে তোলা তার সাম্রাজ্য,যে কিনা ব্যবসায় বাসায় প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জড়িত তাকে এড়িয়ে লুকিয়ে,বাধ্যগত সন্তান তোড়া শুভকে রেখে প্রথম সন্তানের রক্তের টানে একঝুড়ি মিথ্যা কথা বলে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে কলকাতা ফিরেন দেশখ্যাত স্থপতি প্রণবেশ মজুমদার,সে কি শুধু সন্তানের টানে?নাকি ছাইচাপা আগুনের মত অনুরাধার স্মৃতির জন্য?
এরপর কোথাকার পানি কোথায় গড়ায় জানতে চাইলে বইখানা পড়া যেতেই পারে কিন্তু প্রফুল্ল রায়ের আগে যতগুলো লেখা পড়েছি তার মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল মনে হওয়া এই লেখাটা আমার বিচারে অবশ্যপাঠ্য নয় একদমই, বরং প্রণবেশের চারিত্রিক দৃঢ়তার অভাব, অনুরাধার অনমনীয় নীতি কিন্তু সেই পুরোনো পর্দা প্রথা আমলের মনোভাব একটুও ভালো লাগেনি, বারবার বিবাহবিচ্ছিন্ন নারীপুরুষ এই নামে নাম দেওয়া সম্পর্কটাকেও মনে হয়েছে লেখকের সংকোচবোধের প্রকাশ,তবে মন্দের ভালো একটাই যে একটানে পড়ে ফেলার মতো ঝরঝরে লেখা হওয়ার জন্য পড়তে বেশি সময় লাগবে না.
রেটিং: 🌠🌠🌠
যেমন হয়নি অনুরাধা আর প্রণবেশের,রক্ষণশীল ব্রাক্ষ্মণ আপাদমস্তক ভীরু মধ্যবিত্ত স্বল্প আশায় তুষ্ট অনুরাধাকে শতবাধা বিপত্তি,অনুরাধার ঘাগু কাকা গোপালবাবুর শাসানি,ভীত হরিণীর ন্যায় সদা গুটিয়ে থাকা প্রনয়ীর মনের সব বেড়াজাল এড়িয়ে শেষমেশ স্থাপত্যবিদ প্রণবেশ মজুমদার হার না মেনে প্রায়ই হিমালয় জয় করার মতোই অনুরাধার সিঁথিতে সিঁদুর আর কপালে সূর্যোদয়ের মতো রক্তাভ টিপ পরিয়ে দিয়েছিলেন ঠিকই;
কিন্তু একবার মাত্র যার গান শুনে গুনমুগ্ধ প্রণবেশ শরবিদ্ধ পাখির মতো ছটফট করতে করতে যাকে পাওয়ার জন্য যে সাধনা করেছিল , দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যে পরিচয়কে শুধুমাত্র প্রণয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিনয়ের মাধ্যমে সামাজিক স্বীকৃতি দিয়ে ঘর বেঁধে ছিল,সে ছোট্ট নীড়ে আর তাদের থাকা হয়নি একসাথে, উচ্চাভিলাসী প্রণবেশের উপরে উঠার জন্য অনৈতিক কাজের নৈতিক সমর্থন দিতে পারেনি আজন্ম নীতিগত ভাবে অনমনীয় অনুরাধা, ফলাফল তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ে তাদের খেলাঘর, অনুরাধা প্রণবেশ আর মেয়ে রুমির পথ মত আলাদা হয়ে যায়.
কিন্তু তারা আবার একবিন্দু তে এসে মিলে,বিশ বছর পর উচ্ছন্নে যাওয়া রুমিকে ফেরাতে প্রণবেশের কাছে তার পিতার কর্তব্যের দোহাই দিয়ে আহব্বান জানানো অনুরাধার অনুরোধ রাখতে বম্বে থেকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অমলা যার হাত ধরে গড়ে তোলা তার সাম্রাজ্য,যে কিনা ব্যবসায় বাসায় প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জড়িত তাকে এড়িয়ে লুকিয়ে,বাধ্যগত সন্তান তোড়া শুভকে রেখে প্রথম সন্তানের রক্তের টানে একঝুড়ি মিথ্যা কথা বলে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে কলকাতা ফিরেন দেশখ্যাত স্থপতি প্রণবেশ মজুমদার,সে কি শুধু সন্তানের টানে?নাকি ছাইচাপা আগুনের মত অনুরাধার স্মৃতির জন্য?
এরপর কোথাকার পানি কোথায় গড়ায় জানতে চাইলে বইখানা পড়া যেতেই পারে কিন্তু প্রফুল্ল রায়ের আগে যতগুলো লেখা পড়েছি তার মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল মনে হওয়া এই লেখাটা আমার বিচারে অবশ্যপাঠ্য নয় একদমই, বরং প্রণবেশের চারিত্রিক দৃঢ়তার অভাব, অনুরাধার অনমনীয় নীতি কিন্তু সেই পুরোনো পর্দা প্রথা আমলের মনোভাব একটুও ভালো লাগেনি, বারবার বিবাহবিচ্ছিন্ন নারীপুরুষ এই নামে নাম দেওয়া সম্পর্কটাকেও মনে হয়েছে লেখকের সংকোচবোধের প্রকাশ,তবে মন্দের ভালো একটাই যে একটানে পড়ে ফেলার মতো ঝরঝরে লেখা হওয়ার জন্য পড়তে বেশি সময় লাগবে না.
রেটিং: 🌠🌠🌠
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



