Son of late legendary writer Bibhutibhusan Bandyopadhyay of 'Pather Panchali' fame, Taradas Bandyopadhyay had his schooling at the Ramakrishna Mission School, Rahara. Graduating from Maulana Azad College with Honours in English, he went on to do his post - graduation from the Calcutta University.He joined service with the West Bengal government and rose to the position of director in the Information and Cultural Affairs department, from where he took voluntary retirement. Despite his failing health, Bandyopadhyay found time to associate with cultural and social organisations and remained the honorary vice-president of the Indian Forum of Art and Culture. Taradas leaves behind a large number of short stories and two famous novels - তারানাথ তান্ত্রিক and কাজল. 'কাজল' was a sequel to 'Aparajito' written by his father. Taradas is survived by his wife and two sons.
তারাদাস বন্দোপাধ্যায়ও লিখেন ভালোই। তবে বরাবরের মতো যেটা হয় তা হলো পড়ার সময় লেখকের সাথে তার বাবার লেখার তুলনা করে ফেলি, যার জন্য তখন আর তেমন ভালো লাগে না। তবুও এই বইটার লেখনশৈলী প্রথম বই ‘কাজল’ এর চেয়ে অনেক বেশি ভালো ছিলো। তাই বইটা পড়ার সময় বেশ উপভোগ করেছি।
আমার বরাবরই মনে হয় তারাদাস বন্দোপাধ্যায় মানুষটি প্রচন্ড রকম আন্ডাররেটেট। লেখক বিভূভিভূষন বন্দোপাধ্যায়ের বরাবর তাকে টক্কর দিয়ে চলা সোজা কথা না। তারাদাস বারবার সেটা করে দেখিয়েছেন। তারানাথ তান্ত্রিক পড়েও মনে হয়েছিলো বিভূতিভূষণ থাকলে ঠিক এভাবেই লিখতেন। পথের পাঁচালী, অপরাজিত নামক বাংলা সাহিত্যের দুই মাস্টারপিসের সিক্যুয়েল লেখা সোজা কথা না। তারাদাস বন্দোপাধ্যায় তা করে দেখিয়েছেন। কাজল ওতোটা ভালো না লাগলেও তৃতীয় পুরুষ খুবই ভালো লেগেছে আমার। অপরাজিতকে যদি পাঁচে পাঁচ দিই তৃতীয় পুরুষকে পাঁচে চার দেয়াই যায়।
অনেকেই হয়তো জানবেন,পথের পাঁচালী,অপরাজিত উপন্যাস বিভূভিভূষনের নিজের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। সর্বজয়া,ইন্দির ঠাকুরণ,অপর্ণার মতো মূল চরিত্র থেকে শুরু করে অনেক প্বার্শচরিত্রই বাস্তব জীবন থেকে নেয়া। অপুকে নেয়া খোদ বিভূতির জীবন থেকে। আর কাজলকে নিশ্চয়ই নেয়া তারাদাস বন্দোপাধ্যায় থেকে।
তারাদাস বন্দোপাধ্যায় বাবার রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজটাই শুধু সম্পূর্ণ করেছেন। অপুর ছেলে কাজল নিজের গল্প নিজে লিখেছে। সে জানে সে সহজে বাবার প্রভাবমুক্ত হতে পারবে না তাই সেটা সহই বাবার কাজ সম্পূর্ণ করে পিতৃঋণ শোধ করেছে। আর কাজলের গল্প কাজল লিখলে সেটা সুন্দর না হয়ে যাবে কোথায়?
এই গল্পে বিখ্যাত বাবার সন্তান হবার নানাবিধ দায়িত্ব থেকে শুরু করে নানাবিধ সমস্যা, সাধারণ মানুষের অন্যায় চাওয়া সম্পর্কেও খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় বিভূভিভূষনের মৃত্যুর পর তারাদাস বন্দোপাধ্যায় যা যা ভোগ করেছেন,যেভাবে কষ্ট পেয়েছেন সেভাবেই তুলে এনেছেন এই উপন্যাসে। দ্বিতীয়ত, কাজলের মতো তারাদাসও তার বাবাকে বেশীদিন পাননি।
এই উপন্যাস ফ্যান ফিকশন বা এমন কিছুই না। বরং বলা যায় বংশ পরম্পরায় যার যার গল্প সে সে লিখে গিয়ে তৈরি করেছে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ক্লাসিক চারটা বই। যারা পথের পাঁচালী,অপরাজিত পড়েছেন তাদের কাজল, তৃতীয় পুরুষ পড়বার আহ্বান জানাবো। অবশ্যই পড়বেন। সত্যজিৎ রায়-সুকুমার রায়ের পর আমার দেখা সবচেয়ে পারফেক্ট বাবার পারফেক্ট ছেলে তারাদাস বন্দোপাধ্যায় যিনি বিভূভিভূষনের মতো লেখকের সাথে পাল্লা দেবার যোগ্যতা রাখেন।
লেখকের জীবন কেমন হয়? জীবন সংগ্রাম-মানসিক দ্বন্দ্ব - সাহিত্যের মাধ্যমে জীবন দর্শনে যে সূক্ষ্ম পরিবর্তন হয়, তা একজন লেখকের সাংসারিক জীবনে বা ব্যক্তিগত জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে? আর সেই লেখক যদি বিখ্যাত কোনো লেখকের সন্তান হন, তখন তার উপর প্রত্যাশার যে চাপ তৈরি হয়, তিনি কীভাবে সেই সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পান? আর কীভাবে স্বরচিত পথের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন?
বাংলা সাহিত্যে এমন উপন্যাস হয়তো খুব একটা নেই। বলছিলাম তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা “তৃতীয় পুরুষ” বইটার কথা। বইটার কথা অনেকেই জানেন না, কারণ বইটা অনেকদিন ধরেই প্রিন্ট আউট। অবশ্য “অপুর সংসার সমগ্র" বইতে তৃতীয় পুরুষ বইটা আছে৷ পথের পাঁচালী, অপরাজিত- ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী আত্মজৈবনিক উপন্যাস। এরই ধারাবাহিকতায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় কলেজে পড়া অবস্থায় লিখে ফেলেন অপরাজিত- এর পরের বই “কাজল”- যা মূলত অপুর বাকি জীবনটা নিয়েই লেখা যেখানে অপু নন্দিত কথাসাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠান পেয়েছেন আর অপুর পুত্র কাজল বড়ো হয়ে উঠছিল। কাজলের ওপর পিতার প্রভাব থাকা সত্ত্বেও তার ভেতর নিজস্বতা তৈরি হচ্ছিল। এই সিরিজের চতুর্থ ও শেষ বই ‘তৃতীয় পুরুষ’ বই যখন তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ততদিনে তিনি পুরোদস্তুর লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী, অপরাজিত এর মতোই ‘তৃতীয় পুরুষ’ বইটা তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এঁর আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
তৃতীয় পুরুষ -
কাজলের কাছে অপু একটা অনন্য এক অনুভূতি। কাজলের হৃদয়ে ভগবানের আসনে বসিয়েছিল অপুকে। সে হয়তো অভ্যাসবশত ভগবানের নাম শুনলে ভক্তিতে হাত জড়ো করে, কিন্তু অপূর্ব কুমার রায়ের কথা মনে এলে হৃদয়পূর্ণ হয়ে যায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়। কারণ কাজলের বেড়ে ওঠায় ও বিকাশে অপুর একটা বড়ো অবদান রয়েছে। প্রকৃতিকে বোঝা ও তাকে ভালোবাসার যে চোখ দিয়েছেন অপু সেই কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ পাই উপন্যাসের মাঝে৷
প্রকৃতিকে ভালোবাসা মানে কী?
কাজলের ভাষায়- “প্রকৃতিকে ভালোবাসার আলাদা কোনো অর্থ নেই। যা কিছু বিশ্বে রয়েছে বা ঘটেছে, সবই প্রকৃতির অঙ্গ। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে আমরা যাই করি না কেন, সেটা নিজেদের মতো করে প্রকৃতিকে ভালোবেসেই করছি৷ তবে যদি বিশেষ অর্থে বলেন, যেমন- গাছপালা, মাঠ, বা আলোবাতাসকে ভালোবাসা - সে অর্থেও আমি নিশ্চয় প্রকৃতিকে ভালোবাসি৷ আপনিও বুঝি তাই?”
তবে, সময়ের সাথে সাথে সবকিছু বদলায়। বদলায় গ্রাম, আর গ্রামের মানুষেরাও। তাই কাজলের চিরচেনা নিশ্চন্দিপুরও বদলে যায়৷ উন্নয়নের ছোঁয়া এসে গাঁয়ের মেঠো পথে পিচ পড়ে, বিদ্যুতের আলোয় হয়তো সেই আগেকার দিনের মতো সন্ধ্যেবেলায় তুলসীগাছে প্রদীপের ঔজ্জ্বল্য চোখে পড়ে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন জাপানে পরপর দুটো পারমাণবিক বোমায় বিধ্বস্ত হয়ে গেল দুটো শহর, সমস্ত পৃথিবী তখন যেন মুহ্যমান হয়ে গেল। “বিভৎসতার নগ্ন রূপ দেখিয়া কাজল যেন দমিয়া গেল। তাহা হইলে কী কাব্য, দর্শন, সংগীত মিথ্যা?” অ্যাবসার্ডিটিতে গ্রাস করে কাজলকে। অবশ্য কাজল বিংশ শতকের একজন হতাশাগ্রস্ত যুবকের প্রতিভূ। অবিশ্বাস, সংশয় ঘিরে ধরে তাকে। কেবল কি শুধুই রাজনৈতিক কিংবা আর্থসামাজিক চেতনা? না, ব্যক্তিগত বা গার্হস্থ্য প্রেমেও সেই সংশয় দেখা দেয়। “কিন্তু রোমান্টিক অস্বচ্ছতা সরাইয়া ভিতরে তাকাও। সব মিথ্যা। অর্থহীন। চরাচরব্যাপী কিছু না-র মধ্যে কেন বস্তুর আবির্ভাব? ঈশ্বরের পরিকল্পনা? বেশ, কে ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্তা? কারণ অনুপস্থিত, কিন্তু কার্য ঘটিতেছে এমন তো মানা যায় না।”
কাজলের মনে আজন্ম লালিত সংস্কারের মাঝে নীটশে, রাসেলের পাঠ যেন তার ভেতরকে দুমড়ে মুচড়ে দেয়।
পথের পাঁচালী চলচ্চিত্র নির্মাণ, পথের পাঁচালী বিদেশি ভাষায় প্রথম অনূদিত হওয়া, অপূর্বকুমার রায়ের রচনাসমগ্র প্রকাশিত হওয়া, কাজলের লেখক হওয়ার যে অভিজ্ঞতা - তৃতীয় পুরুষ বইটা যে তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস, তা বলার আর অপেক্ষা রাখে না।
বইটা ভীষণ ভালো লেগেছে। সুপারিশ করছি বইটা পাঠের জন্য।
কাজল পড়ার পর তৃতীয় পুরুষ পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু এটা মুলত তারাদাসের নিজের পয়েন্ট অব ভিউ থেকে লেখা হয়েছে যা পূর্ববর্তী লিখার উদ্দেশ্য থেকে আলাদা। তবে খারাপ লাগে নাই।
পৃথিবীটা ছোট নয়-কিন্তু আমার জগতখানি ভীষণ ছোট। পথের পাঁচালি সম্পর্কিত কোনো বই পড়লে সেই জগত আরো ছোট মনে হয়।কতো কী দেখা বাকি এখনো!! বইয়ের প্রতি ভালোবাসা তৈরিতে ছোট্ট অপুর ভূমিকা ছিলো অনেক।পড়া হয়তো শুরু করেছিলাম অনেক ছোটবেলায় কিন্তু ভালোবাসা তৈরি হয় দূর্গা অপুর শৈশব হতে। আম আঁটির ভেপু পড়েছিলাম-2বার পড়ার পর খালামণির কানে যখন ঘ্যানঘ্যান করছিলাম ওই বই নিয়ে-খালামণি বিভূতিভূষণের সমগ্র ধরিয়ে দিয়ে বলেছিলো ''পুরো পড়ে ঘ্যানঘ্যান করিয়ো''- এক অমূল্য রতন তুলে দিয়েছিলো হাতে সেদিন খালামণি❣ পথের পাঁচালি আর অপরাজিত কতোবার পড়েছি মনে নেই(মূল কারণ বোধহয় ওইসময় সব বই আমাকে পড়তে দিতোনা)-বিভূতিভূষণ যেনো জগতটাকে অন্যভাবে দেখতেন। তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজল যখন পড়লাম-মনে হলো অপুকে ওনি চিনেছেন-কাজলের মধ্যেও চিরচেনা অপুকে খুঁজে পাওয়া যেতো।ওই বই পড়ে আফসোস ছিলো বইটা ছোট-মনের খিদে মেটেনি। বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে হয়তো বড্ড তাড়াহুড়ো করেছিলেন। তৃতীয় পুরুষ পড়ে বোধহয় আফসোসটা আর নেই। অপু সে হারায়নি সেটা দেখেই বোধহয় বেশি ভালো লাগলো।তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় লেখার ছলে অনেক কথা তুলে ধরেছেন। অনেকটা তাঁর বাবাকে তিনি অপুর মতো করে সাজিয়ে নিয়েছেন আর নিজেকে কাজলের ভূমিকায়। অনেক চ্যাপ্টার পড়ার পর এই অনুভুতিটাই আসবে বারবার। শেষ হয়ে গেলো প্রিয় সিরিজ -শেষ জেনে ফেললাম-আর অপুকে নিয়ে কথা আসবেনা-এইটাই মনে বাজছে বেশি।
তৃতীয় পুরুষ পড়ার পর মনে হলো লেখক তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে কাজলের সাথে তুলনা করলেন আর অপুকে তুলনা করলেন তার পিতা বিভূতিভূষণের সাথে। সবার একই রকম মনে হবে তার কোন কারণ নেই। আমি অনেক মিল খুঁজে পেয়েছি তাই বললাম আরকি.....
An unnecessary addition to the 'Apu Trilogy'. A rambling Taradas seemed too 'drunk' with his father's (Bibhutibhushan's) achievement as a pioneering novelist of Bengali Literature. Kajol was already turning into Taradas in the third segment, 'Kajol' but here Kajol seemed totally lost in the real-life son of the novelist. The writer failed miserably to develop the two 'love interests' - Apala and Tuli, his stepmother's goodness seemed too good to be true. The timeline is messed up and he had delved scantily, almost reluctantly, on the happening decade of the 1940s with the Second World War, the 'Famine of Bengal', the partition and independence of India and the communal violence during and after partition. We see a kind of escapism on the writer's part from history. Ended up skip-reading the last fifty pages. An utter waste of time. He should have ended the saga with 'Kajol'.
"তৃতীয় পুরুষ"-এর মাধ্যমে শেষ হয়ে গেলো অপুর পাঁচালী। প্রথম দুটো বই লিখেছিলেন বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়। পরের দুটি লিখেছেন তার ছেলে তারাদাস বন্দোপাধ্যায়। এই সিরিজের প্রথম তিনটা বই আমার অনেক অনেক প্রিয়। যদিও "পথের পাঁচালী" আর "অপরাজিত" অতুলনীয়। এই দুটো বইয়ের তুলনা শুধু এই দুটো বইয়ের সাথেই করা যায়। অন্য কোনো বইয়ের সাথে না। তবুও, আমাকে তারাদাস বন্দোপাধ্যায় অবাক করে দিয়েছিলেন "কাজল"-এর মাধ্যমে। সেটাও আমার প্রিয় বইগুলোর একটি হয়ে উঠতে বিশেষ সময় নেয় নি।
তবে, " তৃতীয় পুরুষ"-টা কেনো জানি ঠিক জমলো না। বারবার মনে হচ্ছিলো, লেখক কাজলের সাথে নিজেকে এবং অপুর সাথে তার পিতাকে তুলনা করে এই বইটি লিখেছেন। এটা নিয়েও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু ঠিক জমলো না। এই সিরিজের শুরুটা যেমন অতুলনীয় হয়েছিলো, শেষটা সেই তুলনাই সাদামাটা হয়ে গেলো।
বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী আর অপরাজিত সবসময়ই ফেভারিট লিস্টে ছিল। কিছুদিন আগে আমারবই.কম ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে অপুর সংসার সমগ্র পাই, এখানে এই দুটি বইএর সাথে কাজল আর তৃতীয় পুরুষ ( তারাদাস বন্দোপাধ্যায়ের লেখা) ছিল। বাবার অসমাপ্ত কাজ পুত্র শেষ করে এনেছেন। যেখানে অপরাজিতর শেষ, সেখানেই কাজল শুরু। পড়ার সময় প্রথম দিকে প্রত্যাশা পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে একটু কনফিউশন থাকলেও একবার বই এ ঢুকে যাওয়ার পর আর কোন সন্দেহ ছিল না মনে। একটানা পড়ে কাজলের পরে তৃতীয় পুরুষও শেষ করে এনেছি। অপরাজিত বইটা এভাবে শেষ হওয়ায় মনে কিছুটা অতৃপ্তি ছিল, এই দুটি বই তা পুষিয়ে দিয়েছে৷