লস অ্যাঞ্জেলস শহরে চাকরি পেয়ে কমল পৌঁছে গেল। অফিসে বাঙালি কলিগ দেখে স্বস্তি। শিবকুমার ও দিশার সঙ্গে আলাপ, ঘনিষ্ঠতা হল। বদলি ঠেকাতে লাস ভেগাস গিয়ে কমল দিশাকে ‘মিথ্যে বিয়ে’ করেও ফেলল।
এদিকে দেশে কমলের বাবা পাত্রী ঠিক করে ফেলেছেন। জানাজানি, ভুল বোঝাবুঝি—মেয়েটি আত্মহত্যা করতে যায়! ওদিকে আবার দিশাকে পছন্দ করতে এন.আর.আই পাত্র এসে হাজির অ্যাঞ্জেলসে। দিশা চায় না, তার ডাকে কমল চলে আসে ফ্ল্যাটে। হবু বর বিদায় নেয়।… এরপর?…
কমল এবার কোম্পানির ভারতীয় শাখায় জয়েন করবে। ওকে ফিরতে হবে। তার আগে ওরা কি ভেগাস গিয়ে মিথ্যে বিয়ে ভেঙে আসবে?… কমলের জন্য পছন্দ করা আগের মেয়েটি এখনও অবিবাহিতা। সে কি এর পরেও কমলকে গ্রহণ করবে?…
জেট-সেট তরুণ-তরুণী জীবনের উষ্ণতা, মেকি সম্পর্ক এবং নিদারুণ টানাপোড়েনের উপন্যাস ‘উজাড়’। কমল কি শেষে খুলতে পারল হৃদয়, নাকি উজাড় করে দিল নিজেকে?
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".
সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
আমি এটা কি পড়লাম আমি জানি না. একদম বেকার লাগলো. সমরেশ বাবুর বেশ কিছু লেখা আমি পড়েছি. তার মধ্যে এই *উজাড়* এবং *হায় সজনী* একদম ভালো লাগলো না আমার. . . ১২০ পাতার একটি উপন্যাস.. প্রধান চরিত্র কমল, বেকার একটি ছেলে, চাকরির জন্য বসে রইলো যখন সে চাকরি পেলো তখন মা কে হারালো. সে ভাবলো চাকরি ছেড়ে দেবে, কিন্তু আশেপাশের লোকের সাপোর্ট পেয়ে সে ভারত ছেড়ে চলে গেলো সিধা বিদেশে চাকরি করতে. নতুন জায়গা নতুন লোকজন , নিজেকে খাপখাওয়াতে বেশ সময়ই লাগলো কমল এর. ভাগ্য চক্রে পরিচয় হলো শিবকুমার বাবুর সাথে. ভালো লোক. কমলকে বেশ সাহায্য করেছে আমেরিকা তে থাকার জন্য. শিবকুমারের হাত ধরে পরিচয় হলো দিশার সাথে. অদ্ভুত একটা মেয়ে. সার্থপর বলা চলে, নিজের ভালো ছাড়া তাকে অন্য সেইভাবে দেখা যায়নি গল্পে. এতদূর অবধি ঠিকঠাক বলতে পারলাম এবার কি বলবো, হঠাৎ নিজের ট্রান্সফার আটকাতে দিশাকে মিথ্যে বিয়ে করতে হয়, তাও সে খুঁজে পেলো কমলকে মিথ্যে বিয়ে করার জন্য, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে লাস ভেগাসে গিয়ে তারা এমন বিয়ে করলো যেই বিয়ের দাম নেই অন্য কোনো জায়গায়. অদ্ভুত একটা ব্যাপার লাগলো. যাই হোক বিয়ে করে তারা নিজেদের মতোই থাকলো. কারুর সাথে কারুর সঙ্গ নেই. এর মধ্যে কমলের বাবা কমলের জন্য পাত্রী ঠিক করলো বিয়ে করতে, কিন্তু কমল রাজি নয়. সে চায়না বিয়ে করতে. তার জন্য সে মিথ্যা গল্প সাজালো. কি গল্প সাজালো তা উপন্যাস পড়লেই জানতে পারবেন. শেষ অবধি কি হলো আর বলছি না. জুয়ার গল্প বেশ ভালো আছে গল্পে. সবাই খালি জুয়া খেলছে. . . সময় নষ্ট করার জন্য বইটা একদম ঠিক আছে. কেনো সমরেশ বাবু এই বইটা লিখেছেন জানি না. হয়তো ওনারও কোনো কাজ ছিল না একটা মাথা মুন্ডু গল্প সাজিয়ে দিয়েছেন. বাজে Reading. সময় টাকা বাঁচাতে চাইলে পড়বেন না. . কষ্ট করে লিখেছেন তাই রেটিং দিলাম ২/৫
প্লেইন স্টরি প্লট এর একটা বই। বেশ কয়েক জায়গায় মনে হয়েছে খামোকা গল্প বানাচ্ছে।কমল এর চরিত্র টা বড়ো দূর্বল। শুরুতে বৃদ্ধ মহিলা এবং সাথের মেয়েকে গল্পে আনার কারণ খুঁজে পাইনি।
এক রাতে টাইম পাস করা পড়ার জন্য বইটা ঠিকআছে। সমরেশ এর লিখার ধরণ আমার পছন্দের তাই হয়তো স্টরি আমার কাছে এখানে ম্যাটার করেনি।