স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা গা হিম করা এক নরকে ভ্রমণ করে এলাম। এতোদিন গায়ে আর পায়ে আর মাথায় ফোস্কা পড়া নরকের কথা জেনেছি, দেখেছি। এবার পড়েছি স্যাঁতসেঁতে পিচ্ছিল ও মস্তিষ্ক অনড় করে দেওয়া এক জাহান্নামের বর্ননা।
উফফ! কী যে বৃষ্টি। ইচ্ছেমতো পড়ছে। কখনো বাইরে, কখনো চৈতন্যে৷
আমরা সাধারণ মানুষরা জেলের বাইরেটা দেখতে পাই। ভেতরের কয়েদি জীবন দেখতে পাই না। সুতরাং যারা কয়েদি সমাজ থেকে আলাদা করে তাঁদের কে রাখা হয়। ফরাসী দার্শনিক ফুঁকো বলেছিলেন এই সমাজ থেকে আলাদা করে দেখার পদ্ধতি নিতান্ত ভুল পদ্ধতি।
কয়েদিদের জীবন চরিত্র নিজের জীবনের বাঁকের সাথে মিশিয়ে জয়া মিত্র সৃষ্টি করেছেন এই নিটোল উপন্যাস। জেলজীবনের সেই সমস্ত তথ্য যা জেলের দেয়ালেই শৃঙ্খলিত থাকে কলমে উঠে এসেছে।