Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #93

যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ

Rate this book
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
একটা মানুষ মারা তেমন কোন জটিল ব্যাপার না। ডেডবডির গতি করাই সবচে জটিল কাজ। তবে সব ব্যবস্থা আছে। আমি হুট করে কিছু করি না, যা করি ভেবে-চিন্তে করি। রুবাকে কি করে মারব তা নিয়ে খুব কম করে হলেও এক মাস ভেবেচি।..........
এরপর? হেলুসিনেসন না-কি অন্য কিছু?

62 pages, Hardcover

First published February 1, 1994

18 people are currently reading
418 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,926 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
267 (20%)
4 stars
475 (37%)
3 stars
392 (30%)
2 stars
114 (8%)
1 star
30 (2%)
Displaying 1 - 30 of 119 reviews
Profile Image for Zamsedur Rahman.
Author 10 books162 followers
July 25, 2022
খুব সম্ভবত হুমায়ূন আহমেদ একটি কবিতা লিখেছিলেন৷ তারপর তার কী মনে হলো কে জানে, কবিতাকে কেটে ছিঁড়ে একটি উপন্যাসে রূপ দিলেন। নাম ঠিক করলেন- যখন গিয়াছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ!

এমনটা আমার কেন মনে হলো সেটা বলছি। পুরো উপন্যাসটি যেন ছন্দময় কবিতা। রহস্যের পারদ এখানে কাব্যিক রূপ নিয়েছে৷ শুরু থেকে শেষ অবধি কাহিনির যেমন বর্ণনা, মুহূর্তগুলোর যা আবহ তা রীতিমতো লতাগুল্মের মতো আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখে।

মিজান সাহেব তার স্ত্রীকে খুন করলেন। হুটহাট নয়। ঠাণ্ডা মাথায়। এখানেই সব শেষ হতে পারত। কিন্তু এরপর যা কিছু শুরু হলো তার ব্যাখ্যা খুঁজতে গিয়ে পাগলপ্রায় অবস্থা হয়ে যাবে। দ্বিধাদ্বন্দে জর্জরিত ঘটনাকে কখনো ভৌতিক, কখনো অতিপ্রাকৃত, কখনো কল্পনা, কখনো অতিনাটকীয় মনে হবে৷ কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, লেখক স্বয়ং হুমায়ূন আহমেদ! তিনি আপনার আবেগ, অনুভূতি আর ভাবনাকে নিয়ে শেষ পাতার শেষ শব্দ পর্যন্ত খেলবেন।

এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে চাইলে ছোট্ট এই উপন্যাসটি সময় করে পড়ে ফেলুন।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,870 followers
January 10, 2016
জাদুবাস্তবতা মানে কী? তার মানে কি এই যে শুধু গল্পের চরিত্ররা নয়, স্বয়ং পাঠকও বুঝতে পারবেন না যে গল্প কোন দিকে যাচ্ছে? এই নভেল্লাটি পড়ার সময় আমি প্রতি মুহূর্তেই ভেবেছি যে এইবার আমি বুঝে ফেলেছি ঘটনাটা| মার্ডার মিস্ট্রি? না-না| কে খুন করেছে, কাকে খুন করেছে, কীভাবে খুন করেছে: সবই তো জানা| কিন্তু খুনটা হয়েছে তো? তাহলে কে মিথ্যে বলছে? কেন বলছে? তাহলে এটা কি ভূতের গল্প? আর এই দ্বিধায় দুলতে-দুলতে শেষ লাইনে যখন পৌছলাম তখন হঠাৎ বুঝলাম যে গলার কাছটা গেছে শুকিয়ে, আর চোখটা জ্বালা করছে|

ধন্য হুমায়ূন| আপনি যাই লিখুন না কেন, লালনের সেই "এমন মানব জনম আর কি হবে" গানটাই শুধু থেকে যায় গল্পের শেষে|
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
May 26, 2021
আরে! কি ছিলা এইটা :O

আমি তো ধরেই নিচ্ছিলাম হরর টাইপের। পরে দেখি না..হ, হরর না; সাইক্কো B-)

একাউনটেন্ট মিজান মাত্র পনের মিনিট সময় নিয়ে তার সুন্দরী স্ত্রী রুবাকে বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেললো। খুব বেশি সময় লাগে নি। তবে পরিকল্পনায় সময় লেগেছে অনেক। পুরো একমাস ধরে মিজান পরিকল্পনা করেছে রুবাকে কিভাবে মেরে ফেলবে আর এক বছর ধরে কল্পনা করেছে বডি ডিসপারসন করবে কিভাবে। নিখুঁত পরিকল্পনা! (আসলেই কি এক্ষেত্রে নিখুঁত পরিকল্পনা বলে কিছু আছে!) তার মতে বডি সরিয়ে ফেলাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ, বেশিরভাগ খুনিই খুন করার পরে গুবলেট পাকিয়ে ফেলে৷ মিজানের অবশ্য এমন মনে হচ্ছে না, সে শান্ত আছে। খুনের আগে এক দাওয়াতে যাওয়ার কথা ছিল ওদের। শাশুড়ীকে রুবার ঝগড়া করে চলে যাওয়ার কথা জানিয়ে মিজান গেল দাওয়াত খেতে৷ খাওয়ার মাঝখানে ওর শ্বশুর জানালো রুবার মা নাকি জানিয়েছে রুবা বাসায়ই আছে এবং তাকে রেখে একা দাওয়াত খেতে আসায় ব্যথিত হয়েছে।

খুন হওয়ার পরও ভিক্টিম বিয়ের দাওয়াত খেতে আসতে না পারায় ব্যথিত হচ্ছে। অদ্ভুত না!?


এক ঝটকায় শিহরিত হতে জুড়ি নেই ডুবে যাওয়া পঞ্চমীর চাঁদের, অমাবস্যা🐸


~২৬ মে, ২০২১
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Tasnia Zaman.
12 reviews3 followers
March 21, 2023
কে বলে রহস্য-রোমাঞ্চ শুধু বর্ধিত কলেবরে মেলে? ছোটো পরিসরের বইতেও সেটা পাওয়া সম্ভব। যার উদাহরণ হয়ে থাকবে এ বইটা। হুমায়ূন সাহেব তার স্বভাবসুলভ ঢঙে গল্প বলেছেন। বাদ-বাকিটা গল্পই টেনে নিয়ে গেছে। অতৃপ্তি শুধু এতটুকু যে মাত্র ৬৪ পৃষ্ঠায় শেষ হয়ে গেছে বই।
Profile Image for Akash.
446 reviews151 followers
August 11, 2023
সমালোচকদের মতে, নভেলেট নভেল বা উপন্যাসেরই ক্ষুদ্র সংস্করণ। এবং সেই তুলনায় নভেলা শিথিল, নড়বড়ে কাঠামোয় তৈরি।­

'যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ'-কে আমি কি লভেলেট বলতে পারি! হয়ত পারি। কেননা, দৈর্ঘ্য নয়, বিষয়গুণই এই বইয়ের প্রধান উপজীব্য। কাহিনির সংক্ষিপ্ততা, দ্রুততা ও তীব্রতার পরও আছে পরিপূর্ণতা। দৈর্ঘের চেয়ে এর প্রসাদগুণ, বিষয়বস্তুর গভীরতা অধিক।

আসল হূমায়ূনী লেখা আবার পড়লাম। ফেরা, অচিনপুর, গৌরীপুর জংশন—এর পর হুমায়ূন আহমেদের আরেকটা দুর্দান্ত নভেলেটের স্বাদ আস্বাদন করলাম। যদি তাঁর অন্যান্য নভেলাতে লেখার স্তর এতটা নিচে না নামাতো তবে আমরা তাঁর এমন অনেক লভেলেট পড়তে পারতাম। আহা! আফসোস।

তবে একজন লেখক পাঠকের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকার জন্য এমন অল্পকিছু লভেলেটই যথেষ্ট।

"যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হল তার স্বাদ;
বধূ শুয়েছিল পাশে—শিশুটিও ছিল;
প্রেম ছিল, আশা ছিল—জোৎস্নায়—তবু সে দেখিল
কোন ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?...."

.

১১ আগস্ট, ২০২৩
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews18 followers
July 19, 2023
হুট করেই শেষ হয়ে গেলো। বইটা পড়তে গিয়ে বেশ ভয় লাগছিলো দিনের বেলাতেই।
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
370 reviews78 followers
January 12, 2022
খুব অদ্ভুত একটা ভংগিমাতে বইটা লেখা। একজন লোক তারই স্ত্রীকে হত্যা করে। এবার তার প্ল্যান হইল কিভাবে ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দিবে। এরই মধ্যেই দেখা গেল তার মরা বউ মরে নাই। বেচে আছে আর বিভিন্নরকমের আলাপ জুড়ে বসেছে। হু আ ভংগিতে লেখা বই হলেও বেশ আলাদা একটা কন্সেপ্ট নিয়ে লেখা বইটা বেশ ভাল লেগেছে।
লেখক জীবনানন্দের চরম ভক্ত সেটা নিজেই স্বীকার করে গিয়েছেন। বইয়ের নামটাও কবির একটা কবিতার শিরোনাম। আমার পছন্দের কবিতা হিসেবে নামের জন্য একতারা বাড়ায়া দিলাম।
Profile Image for শোয়েব হোসেন.
193 reviews14 followers
June 16, 2022
এই বইয়ের শুরুটা বাংলা সাহিত্যে অন্যতম সেরা। যাকে বলে কিলার ওপেনিং - আক্ষরিক অর্থে এবং রুপকার্থে। শুরুতেই মিজান সাহেব খুন করে বসেন তার অসম্ভব সুন্দরী স্ত্রী রুবাকে। রাগের মাথায় খুন না, একদম ভেবে-চিন্তে খুন। আপনি ভাবতেই পারেন সাধারণ ক্রাইম থ্রিলার এটা। কিন্তু গল্পকার যখন অসাধারণ হুমায়ূন আহমেদ, সাধারণ গল্পও কি সাধারণ থাকে?
মাত্র ৬৩ পৃষ্ঠার এই বইটা পড়েননি এমন বাংলা সাহিত্যপ্রেমী যেমন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, তেমনই পড়তে গিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেননি এমন মানুষের সংখ্যা শূন্যের কোঠায়। বইটা বহুবার পড়েছি, এখনো পড়ি সুযোগ পেলেই। প্রতিবার আতঙ্ক আর সন্দেহে ভুগি - আসলে কি ঠিক পড়ছি? সত্যিই কি খুনটা হয়েছে? না-কি সবই মিথ্যা? এটা কি ভুতের গল্প? না-কি প্রধান চরিত্র মিজান সাহেব যেমনটা বলছেন, সবই অডিটরি অ্যান্ড ভিজুয়াল হেলুসিনেশন? সত্যি আর মিথ্যার ধুসর সীমা রেখাটা মিলি���়ে যায়, শুধু মনের মাঝে আটকে থাকে রুবার কন্ঠে জীবন বাবুর কবিতা-
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হ’লো তার সাধ;
বধূ শুয়েছিলো পাশে— শিশুটিও ছিলো;
প্রেম ছিলো, আশা ছিলো— জ্যোৎস্নায়– তবু সে দেখিল
কোন্ ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?
Profile Image for Ësrât .
515 reviews89 followers
August 16, 2019
রাতের ঘুম হারাম করে বইটা পড়া আসলেই খারাপ হয়নি 😎it was a perfect psychological treat for me😊তবে কিছু কিছু জায়গায় এমন হয়েছে যে ভয়ে কুঁকড়ে গেছি আর আমি বরাবরই ভীতু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রক্ষার্থে সদাই তৎপর ভূমিকা পালনকারী হওয়ায় আমার ভয় পাওয়া তো সোনায় সোহাগা ব‍্যাপার ছিল এই বইতে.বড্ড আফসোস লাগে এই লোকটি আর কিছু সময় বেঁচে থাকলে হয়তো আরো অনেক নির্ঘুম রাত পার করা বই পেতাম.

অফটপিক: শেষের একটা কথা খুব মনে বাজছে "তোমার মা অপাত্রে ভালবাসা দান করেনি , কিন্তু রুবার ভালোবাসা অপাত্রে পড়েছিল"

খুব বেশি ভালোবাসলে বুঝি সেটা সময়জ্ঞান, হিসেব নিকেশ,ভুল সত‍্য, মানুষ সব তুচ্ছ করে তা অপাত্রে না স্বপাত্রে পড়ছে খেয়াল রাখতে পারে না?
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
203 reviews10 followers
January 31, 2024
প্রথম কিছু পৃষ্ঠা পড়ে ভাবলাম মার্ডার মিস্ট্রি, আরেকটু এগোতেই মনে হলো হরোর হয়ে যাচ্ছে ব্যাপারটা। ঠান্ডা মাথার খুনি মিজান সাহেবের বর্ণনা গা শিউরে ওঠার মত। শেষে যেখানে গিয়ে ঠেকলো তাতে পাঠকের কোন প্রশ্ন বা অসন্তোষ এর জায়গা রাখা হয়নি।

এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলার মত সুখপাঠ্য একটি বই। রেকমেন্ডেড ফর রিডারস 🤗
Profile Image for Sanowar Hossain.
282 reviews25 followers
December 5, 2023
হুমায়ূন আহমেদের ব্যতিক্রমধর্মী একটি লেখা 'যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ'। জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত একটি কবিতার লাইন থেকে নামটি নিয়েছেন তিনি। প্রথমদিকে হরর মনে হলেও আদতে এটি একটি সাইকোলজিক্যাল গল্প।

মিজান সাহেব হিসাবরক্ষকের চাকরি করেন। বিয়ে করেছিলেন রূপবতী রুবাকে। স্বভাবতই রুবার প্রতি পুরুষেরা আকর্ষিত হতো। কেউ কেউ তার কাছে কবিতা শুনতে আসতো কিংবা বেড়াতে নিয়ে যেত। মিজান সাহেব বুঝতে পেরেছিলেন এই মেয়েকে ধরে রাখার সাধ্য তার নেই। সময়ের সাথে সাথে রুবা দূরে সরে যাচ্ছিল। অবশেষে রুবাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যা করা যতটা সহজ, লাশের ব্যবস্থা করা ততটাই কঠিন। তাই দীর্ঘ একমাস সময় নিয়ে হত্যা এবং লাশ সরানো নিয়ে চিন্তাভাবনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হন।

বন্ধু অরুণের বৌভাতে যাওয়ার কথা ছিল দু'জনের।কিন্তু রুবার সাজগোছের পরে শাড়ি মনমতো না হওয়ায় সে যেতে চায়নি মাথা ব্যথার অজুহাতে। তখনই মিজান রুবাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। শ্বশুর বাড়িতে ফোন করে জানান যে, রুবা পূর্বের মতোই ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। মিজান সাহেব স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখেই বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। কিন্তু সেখানে গেলে শ্বশুর জানান রুবা নাকি তার মাকে ফোন করে জানিয়েছে সে বাড়ি ফিরেছে। কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব? তিনি ফিরে আসেন এবং দেখতে পান রুবার লাশ সেখানেই আছে তবে আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে গিয়েছে৷ এক পর্যায়ে রুবা কথা বলতেও শুরু করে এবং পানি খেতে চায়। মিজান সাহেব তখন তার মৃত বাবাকেও দেখতে পান। কী শুরু হলো তাহলে? সবই কি উত্তেজিত মস্তিষ্কের কারসাজি নাকি ভৌতিক অভিজ্ঞতা?

বইটা আকারে ছোট এবং চরিত্র নির্মাণেও লেখক বেশি জোর দেন নি। তবে এতটুকু কলেবরেই যতখানি রহস্যের সৃষ্টি করেছেন লেখক, তা প্রশংসার যোগ্য। বইয়ের শেষে যে সমাধান তিনি দিয়েছেন এবং পুরো বইতে মিজান সাহেবকে দিয়ে যা বলিয়েছেন, তাতে আমার কাছে মনে হয়েছে ঘটনা ভিন্ন। একইসাথে ভৌতিক আবহ এবং সাইকোলজিক্যাল উপাদান বইটিকে দারুণ করে তুলেছে। 'মনে চাইলো আর একটি সুন্দর গল্প পড়ে ফেললাম' এমন অনুভূতি পেতে বইটি এক বসায় শেষ করা যায়। হ্যাপি রিডিং।
Profile Image for নিলয় দেবনাথ .
14 reviews10 followers
March 26, 2025
রাতে ঘুম আসছিল না দেখে বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম, রাত তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত একনাগাড়ে পড়ে গেলাম, পরের লাইনে কি ঘটতে যাচ্ছে এইটা জানার জন্য নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না, প্রথম দিকে গল্পের কিছুই না বুঝলেও শেষদিকে এসে ভালোই লেগেছে, তবে রাতে বইটা পড়ার উদ্দেশ্য একেবারেই পূরণ হলো না, ভাবছিলাম একটা ভয় ভয় অনুভুতি কাজ করবে, কিন্তু এমন কিছুই লাগছে না, উল্টো প্রত্যেকটা চরিত্রের জন্যই খারাপ লাগছে।


জ্ঞানকোষের বইয়ের কোয়ালিটি আমার বরাবরই ভালো লাগে, তবে এই বইয়ে বানান ভুলের পরিমাণ চোখে পড়ার মতো।
Profile Image for Akash Saha.
156 reviews26 followers
December 9, 2022
অন্যরকম ধাচের এক হুমায়ুনের লেখা।
অনেক সময় খবরের কাগজে আমরা এমন গল্প পাই, যে এক লোক তার স্ত্রীকে হত্যা করে নিজেই ধরা দেয় বা আত্মহত্যা করে। লেখক কি এমন ঘটনার পিছনের সাইকোলজি খুজতে চেয়েছেন? এক বসায় শেষ করার মতো একটা বই।
Profile Image for Rubell.
192 reviews23 followers
April 7, 2023
পুরো সময়টা একটা সাসপেন্সের মধ্যে ছিলাম। ফার্স্ট ক্লাস গল্প।
Profile Image for Sajib.
194 reviews25 followers
Read
April 7, 2023
সবই বুঝলাম কিন্তু কিছুই বুঝলাম না।
Profile Image for Sazzad Naim.
28 reviews
February 5, 2025
Randomly picked this book up yesterday from Nilkhet, Beautiful writing as usual
Profile Image for Naeem Ahmed.
68 reviews4 followers
January 12, 2026
একটা ভয় ভয় আবহের উপন্যাস। হুমায়ূন তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় লিখে গেছেন। ছোট বই, দ্রুতই পড়ে ফেলা যায়। তবে বইয়ের ছাপার ভুলে অনেক বানান-বিভ্রাটের মতন ঘটনা ঘটেছে।
Profile Image for Sharika.
358 reviews96 followers
July 8, 2019
কাহিনীসংক্ষেপঃ পারফেক্ট মার্ডার এর কনসেপ্টটা আসলে কতোটুকু সত্য? একটা পারফেক্ট মার্ডার কি আসলেই করা সম্ভব?

"কাজটা যত জটিল হবে ভেবেছিলাম ততটা জটিল হলো না। কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই কাজ শেষ হলো। ঘড়িতে এখন বাজছে আটটা কুড়ি মিনিট। শুরু করেছিলাম আটটা পাঁচে। পনেরো মিনিট সময় লাগলো। জলজ্যান্ত একটা মানুষকে পনেরো মিনিটে মেরে ফেলা সহজ ব্যাপার নিশ্চয়ই নয়। কঠিন ব্যাপার। তবে রুবা নিজেই ব্যাপারটা আমার জন্যে সহজ করে দিয়েছে।"

- এটা হচ্ছে গল্পের শুরুর অংশ। মোটামুটি অল্পকিছু বাক্যে গল্পের কাহিনীটা এখানেই ধরতে পারার কথা৷ অথবা, একটু ডিটেইলসেই আসি। গল্পের বক্তা মিজান সাহেব। সে একজন একাউন্ট্যান্ট। কোনোদিক দিয়ে সে বিশেষ ধরণের কিছু নয়৷ এই সাধারণ লোকটিই একদিন বালিশ চাপা দিয়ে খুন করে ফেললো তার স্ত্রী রুবাকে।

খুনটা অনেকটাই গোছালো, আবার অনেকটাই অগোছালো। খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছে অনেকদিন ধরে অনেক পরিকল্পনা শেষে। খুনের পরে যা যা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, যেসব প্রশ্ন উঠতে পারে - সবকিছু হ্যান্ডেল করার প্ল্যানও করা হয়েছিল নিখুঁতভাবেই। কাজটাও সম্পন্ন হলো ঝামেলা ছাড়া। কিন্তু পরবর্তীতে কি এমন হতে পারে যাতে সম্পূর্ণ পরিকল্পনাটাই ভেস্তে যেতে পারে?

স্ত্রীকে খুন করে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে ফুরফুরে মেজাজে বন্ধুর বিয়ের দাওয়াত খেতে গেলো মিজান। যাবার আগে শ্বাশুড়ির কাছে ফোন করে এমনভাবে অভিনয় করলো যাতে শ্বাশুড়ি ভাবে মিজান ও রুবার ঝগড়া হয়েছে, রুবা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। এরপর নিশ্চিন্ত মনে দাওয়াত খেতে চলে গেলো সে।

দাওয়াতে গিয়ে খাবার টেবিলে দেখা হয়ে গেলো তার শ্বশুরের সঙ্গে। শ্বশুর জানালেন, রুবা বাসায় ফোন করে মা'কে বলেছে সে বাসাতেই ছিল, ঘুমিয়ে পড়েছিলো। মিজান তাকে রেখে বিয়ের দাওয়াতে চলে যাওয়ায় সে অভিমান করেছে। আকাশ ভেঙে পড়লো মিজানের মাথায়! লাশ কিভাবে কথা বলে? এটা কি কোনো ধরণের ভুল বোঝাবুঝি? নাকি সে কাজটা ঠিকভাবে করতে পারে নি? এখন তার কি করা উচিত?

পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ ধন্য কথার জাদুকর! বরাবরের মতোই। সাইকোলজিক্যাল হরর এলিমেন্ট খুঁজছি বেশ কয়েকদিন যাবত, শেষমেশ ভাবলাম হুমায়ূন আহমেদ স্যারের চেয়ে বেটার অপশন হয় না।

প্রথমত, বইয়ের নামটাই আগ্রহ-জাগানিয়া। তারপর আরেক ধাপ এগিয়ে গল্পের শুরুটা। ক'টা পৃষ্ঠায় গা শিরশির করে গিয়েছে কেবল। দুর্বল কিংবা ভঙ্গুর মানবমনের মনস্তত্ত্ব এতো অসাধারণভাবে তুলে ধরা হয়েছে, একসেকেন্ডের জন্যও উত্তেজনা কমে না।

ছোট্ট একটা বই, একটানা পড়ে উঠার জন্য দারুণ একটা কাহিনী। ছোট্ট একটা কাহিনীর মধ্যে এতোটা থ্রিল আর রহস্য রাখা সম্ভবত শুধু স্যারের পক্ষেই সম্ভব ছিল।

জীবনানন্দ দাশের কবিতার রেফারেন্সটা অনেক বেশি ভালো লেগেছে, প্রিয় কবি কি না! ❤

মিজানের মার্ডার-প্ল্যান পারফেক্ট হয়েছিল কি না সেটা বই পড়লে তারপর জানতে পারবেন, কিন্তু বইটা যে পারফেক্ট মনস্তাত্বিক পরিবেশনা, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
Profile Image for Huzaifa Aman.
162 reviews6 followers
January 17, 2026
একটা মানুষ তার স্ত্রীকে হ*ত্যা করে। তারপর সে কিভাবে ঘটনাটাকে ধামাচাপা দিবে এর পরিকল্পনাও করে। এর মধ্যে  আবার সে দেখতে পেলো যে তার স্ত্রী মারা যায়নি। লোকটা এখন কি করব এ-ই নিয়েই বইটা এগিয়েছে। এই উপন্যাসকে যতোটা না ভৌতিক, ঠিক ততোটাই মনস্তাত্বিক হিসেবে আখ্যা দেয়া যায়।
Profile Image for Israt Jahan.
64 reviews4 followers
December 29, 2023
এই বইয়ের প্রথম পাতা উল্টোলোর আগ অবধিও বুঝিনি যে আমি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার পড়তে চলেছি( বলছি কারণ, হুমায়ূনের বই কেনার সময় কখনো খানিকটাও পৃষ্ঠা উল্টে দেখি না যে কোন ধরণের বই কিনতে চলেছি। উনার বই কিনে যে তাক ভারী করছি এ-ই যথেষ্ট)। গত কিছুদিন যাবৎ মার্ডার-মিস্ট্রি নিয়ে থাকায় বাজে স্বপ্ন দেখছিলাম, ভেবেছিলাম হুমায়ূনের বই পড়ে মাথা শান্ত করব।
মুক্তি পাওয়ার আশায় বই নিয়ে বারান্দায় বসলাম, বিকেল-অবসরে দু'চার পাতা পড়ে অস্বাভাবিক লাগায় রেখে দিয়েছিলাম। এরপর সময় যত যায় এই বই তত কাছে টানে। না পেরে টুপ করে পড়ে ফেললাম।

মাথায় প্যাঁচ লাগানোর মতন কাহিনী। পড়তে পড়তে বমি পাবে ঠিকই কিন্তু ইচ্ছে করলেও ছাড়তে পারবে না।

আরো কথা- হুমায়ূনের লেখা "কুটু মিয়া" বইটাও এটার মতনই।


পড়তে পড়তে যেসব কথা আসে
১) পাপ বাপকেও ছাড়ে না;
২) বড়সড় সব ক্ষতি আপনরাই করে;
৩) সত্য কখনো চাপা থাকে না।
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews219 followers
June 17, 2022
নাম: যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
জনরা: অতিপ্রাকৃত ও ভৌতিক
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪
মুদ্রিত মূল্য: ১০০


যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হ’লো তার সাধ;

বধূ শুয়েছিলো পাশে— শিশুটিও ছিলো;
প্রেম ছিলো, আশা ছিলো— জ্যোৎস্নায়– তবু সে দেখিল
কোন্ ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?

— জীবনানন্দ দাশ(আট বছর আগের একদিন)

বহুসময় ধরে বহু পরিকল্পনা করে অবশেষে আকাঙ্খিত কাজটি যখন মাত্র পনেরো মিনিটে শেষ হয়ে গেল কোনো ঝামেলা ছাড়াই, মিজান সাহেব স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। তবে এখনও কিছু কাজ বাকি। বিছানায় পড়ে থাকা লাশটিকে টুকরো টুকরো করে কেটে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া বাকি! যেন খুঁজে পাওয়া না যায় লাশের পরিচয়। নিখুঁত পরিকল্পনা নয়কি? প্রিয় স্ত্রীর লাশ এইভাবে কাটতে খারাপ লাগবে কিন্তু উপায়ও তো নেই।

হঠাৎই ওলটপালট হয়ে যায় সবকিছু! লাশ নড়াচড়া শুরু করে! কথা বলে! জীবিতদের দুনিয়ায় তাহলে কি আবার ফিরে এসেছে রুবা? নাকি সবই মিজান সাহেবের কল্পনা-হ্যালুসিনেশন? কিন্তু অন্যরাও যে কথা শুনেছে রুবার!
চিরচেনা রুবা আর তো আগের মতো নেই...

অধিকাংশ সময়ই বই পড়ার আগে জনরা জেনে নেয়। কিন্তু এইবার জনরা জানার পরও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দ্বিধায় ছিলাম আদোও কি অতিপ্রাকৃত নাকি সবই অতিকল্পনা মিজান সাহেবের। শেষ করার পরও ঘোরের মধ্যে ছিলাম। কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা?

পড়ার সময় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পয়েন্ট মাথায় এসেছে। প্রথমেই মনে হয়েছে খুন হয়েছে। সাধারণত যেমনটা থাকে তারপর ফিরে আসবে আত্মা। কিন্তু তারপরই টুইস্ট। মনে হলো কোনো খুনই হয়নি। জাস্ট রাগের মাথায় সবই অবাধ্য মনের কল্পনা। বাকিদের সাথে কলে কথা হলো কীভাবে? তারপর একের পর এক ঘটনা আরও কনফিউজড করে দিয়েছে। কী হচ্ছে আদোও হচ্ছে কিনা ভাবতে ভাবতেই যে কখন শেষ হয়ে গেল! সাথে যদি থাকে হুমায়ূন আহমেদের জাদুর লেখনশৈলী তাহলে আর কি কিছু বলার থাকে?
Profile Image for Maria Rahman.
108 reviews28 followers
August 8, 2019
মানসিক চাপ মনের উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, মানুষকে দিয়ে কি কাজ করাতে পারে কি কি উদ্ভট ভাবনা ভাবাতে পারে । আচ্ছা পুরা বইটাতে আসলেই কি নিছক ভাবনা নাকি শেষে গিয়ে দেখা যাবে অন্য কাহিনী ।
.
বই শেষ হবার আগেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম শেষটা কি হবে,তাইইইই হয়েছে 😔 হয়তো বেশির ভাগ মানুষও বুঝে যাবে।
.
আচ্ছা শেষটা যদি আমি যা ধারণা করেছিলাম তা না হয়ে অন্যরকম হয়ে যেতো !!!🤔 (আআআ মারিয়া যাও, যাও থ্রিলার বই পড়ো 😏 )
শুরুর দিকে কিছুক্ষনের জন্যে ধন্দ তৈরী করায় বইটিকে ভালো বলবো আর তাই ব্যক্তিগত রেটিং ৩/৫
Profile Image for Dystopian.
438 reviews235 followers
April 7, 2023
খুব প্রিয় একটা বই। বেশি কিছু বলা যাবে না তাহলে স্পয়লার হয়ে যাবে।
সত্যি বলতে আমার পয়েন্ট অফ ভিউ থ��কে লেখক খুব বেশি কিছু দেন নি গল্পতে। একটা স্ট্রাকচার দিয়েছেন। এরপর আমাদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে বলেছেন পড় আর নিজেদের মত ভেবে নাও!
হুমায়ূন আহমেদ এর মনস্তাত্ত্বিক গল্প গুলো বড্ড ব্যক্তিগত লাগে এই জন্য৷ বড্ড ভালোবাসার যায়গা ❤️
Profile Image for Tahsina Syeda.
207 reviews65 followers
November 18, 2016
বিশেষ ধরনের মানসিক চাপের পরিস্থিতি মানুষের সাইকোলজির ওপর কিরকম প্রভাব ফেলে সেটা উঠে এসেছে।
Profile Image for Rahat Rubayet.
109 reviews8 followers
December 30, 2020
দস্তয়ভস্কির ক্রাইম এন্ড পানিশমেন্টের সাথে আশ্চর্যরকমের মিল পেলাম বইটাতে।
অসাধারণ ছিল, শুরু থেকে শেষ অবধি।
Profile Image for Raihan Ferdous  Bappy.
236 reviews13 followers
November 4, 2025
ভালো লাগবো লাগবো করেও ভালো বলতে পারলাম না দেখে নিজেরও খারাপ লাগছে। তবে কিছু করার নাই। আমার কাছে এটা এভারেজই লেগেছে। বলছি হুমায়ূন আহমেদের লেখা বই 'যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ'-এর কথা।

বইয়ের শুরুটা হয় বেশ সাধারণভাবে। রুবা আর মিজান আর দশটা দম্পতির মতোই সাধারণ। সেদিন ছিলো মিজানের ছোটবেলার বন্ধু অরুণের বিয়ে। রুবার মাথাব্যাথার জন্য দুটা সিডাকসিন আর একটা প্যারাসিটামল খেয়ে ঘুমাতে যায়। সবকিছুই এক স্বাভাবিক নিস্তরঙ্গ জীবনের অংশ মনে হচ্ছে না? কিন্তু এরপরই হঠাৎ কাহিনীর গতি পাল্টে যায়। রুবার ঘুম একটু গভীর হতেই মুখে বালিশ চেপে ধরেন মিজান। একসময় রুবা মারা যায়।

রুবাকে খুন করার পর মিজানের আচরণে মানসিক বিপর্যয়ের উপস্থিতি পাঠক খুব সহজেই বুঝতে পারবে। কিন্তু আসল ধাক্কা আসে যখন মৃত রুবা ফিরে আসে।

পুরো বইজুড়েই আছে এক ঠান্ডা আতঙ্ক। সরল ভাষায় লেখা হলেও হুমায়ূন সাহেব খুব ভালো করেই জানতেন পাঠকের ভেতরে কিভাবে ভয় ঢোকাতে হয়। তবে আমি কেনো জানি বইটা পড়ে আবেগের গভীরতাগুলা অনুভব করতে পারিনি৷ কানেক্টেড থাকতে পারিনি৷ খাপছাড়া বলবো না। কিন্তু কেনো জানি মনকে নাড়া দেয়ার মতো বা মাথায় ঘোরার মতো কিছু বলে মনে হয়নি।

সবমিলিয়ে, হুমায়ূন আহমেদের কলমে এক ধরনের স্নিগ্ধতা আছে। আপন আপন অনুভব করায়। যার জন্য মাঝারি মানের গল্পকেও পড়ার উপোযোগী করে তোলে। এইটা ঠিক সেরকমই একটা বই বলেই মনে হলো।
Profile Image for Sajid.
457 reviews110 followers
February 4, 2020
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার? জীবনে খুব অসাধারণ আর বৈচিত্র্যময় সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার পড়েছি;কিন্তু এটির মতো ফালতু আর বিরক্তিকর কোনো একটা পড়েছি বলে মনে হয় না।মানসিক রোগ,হেলুসিনেশন--এইধরনের সমস্যা নিয়ে গল্প লিখতে লিখতে হূমায়ূন আহমেদ নিজেই ভুলে গিয়েছিলেন তিনি এইধরনের লেখা কেনই বা লেখেন।
শুরুটা ভালো লেগেছিলো,আর সমস্তটা অপচয় মনে হয়েছিলো।
Profile Image for Nisha Mitra.
141 reviews40 followers
March 22, 2023
কাকতালীয় ভাবে বইটা পড়ার আগে একটা জীবনানন্দের কবিতাই পড়ছিলাম। ঘুণাক্ষরেও বুঝিনি তাঁর লেখা একটা কবিতার লাইন এরকম নারকীয় একটা বইয়ের নাম হতে পারে।
মাঝে মাঝে মনে হয় হুমায়ন আহমেদ এত ডিটেলে মানুষের মনের নারকীয় দিক কিভাবে তুলে ধরতে পারেন ? গল্পের শুরুতেই যেরকম ধাক্কা পেয়েছিলাম সেটা শেষ অবধি ধরে রেখেছেন তিনি।
Psychological horror এর তালিকায় এই গল্পটাকে প্রথম দিকেই রাখব। অনেকসময় এডগার অ্যালান পো - র Tell tale heart কে মনে পড়ছিল। অপরাধ - guilt - hallucination সব জুড়ে এই অস্বাভাবিক গল্পটাকে বহুদিন মনে রাখব।
Displaying 1 - 30 of 119 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.