Srijato Bandopadhyay (born 21 December 1975 in Kolkata), is an eminent poet of the Bengali younger generation. He won the Ananda Puroskar in 2004 for his book Udanta Sawb Joker: All Those Flying Jokers. He has also attended a writer's workshop at the University of Iowa.
His notable works include Chotoder Chiriyakhana: The menagerie for kids (2005), Katiushar golpo: Tales untold (2006), Borshamongol : The monsoon epic (2006), Okalboisakhi: Storms unprecedent (2007), Likhte hole bhodrobhabe lekho: Write politely, if you have to (2002), Ses Chithi: Last Letter (1999), Bombay to Goa (2007), Coffer namti Irish : Irish Coffee (2008), Onubhob korechi tai bolchi : Revealing the feeling (1998).
Having worked as journalist, he is now on the editorial board of the magazine "Prathama". He lived at Garia and spend his childhood at Kamdohari, Narkelbagan.
Srijato is the grandchild of classical vocalist Sangeetacharya Tarapada Chakraborty and nephew of musician and the Khalifa of Kotali Gharana Pandit Manas Chakraborty; his mother is also a classical vocalist Gaan Saraswati Srila Bandopadhyay.
Other than poetry he has also penned the lyrics of many popular playbacks in several movies like Autograph (2010 film,)Jaani Dyakha Hawbe, c/o Sir (2013 film),Mishawr Rawhoshyo,Iti Mrinalinee, charulata, Abosheshe etc.
"ছিটকে এসে জামায় লাগুক একের পর এক বান্ধবীদের সিঁদুর"
আমিঃ ও, বাপরে! (খিক....খিক...)
কবিতা অনেক পছন্দের হলেও খুব বেশি কবি পড়া হয় নি। পড়বো, পড়বো করে ম্যালা দেরিতে শ্রীজাত পড়লাম। মজুমদার ভাই স্মরণ করিয়ে দিলেন কবির কথা। উড়ন্ত সব জোকার দিয়েই শুরু করলাম। এর আগে উনার লেখা গান বেশ মুগ্ধতা নিয়েই শোনা হয়েছে। কবিতাও তেমন! এই বই যখন বের হয় তখন শ্রীজাত'র বয়স সম্ভবত ২৭/২৮ হবে। মন যেমন থাকে আরকি! কিছুটা ছন্নছাড়া ভাব, দায়িত্ববোধ, প্রেম , সমাজ-সংসারের ভাবনা, হালকা বিদ্রোহ, কুছ পরোয়া নেহি হ্যায়!- এসবই কবিতার উৎস।
আমি মাঝে মাঝে এগুলোকে উটকো কবিতা বলি, হঠাৎ বলা কওয়া নেই মাথায় চড়াও হওয়া আরকি! উটকো কথাবার্তা তাহলে ভালো লাগার কারণই বা-কি?
"আমি তোমার চুল দেখে প্রেমে পড়েছি!" এর বদলে যদি বলা হয়-
"জীবন, তােকে নিয়ে সকলেই লিখেছি তিন-চার ছত্র সেসব নিয়ে আজ বই হােক—"
কবিতার ছত্রেই যেমনটা বলে গেছেন, জীবনকে উল্টেপালটে দেখে, ছেঁকে, ছত্রেছত্রে বুনেছেন। কবিতা পড়ি কম, বুঝি তার চেয়েও কম, ঐ কিছু ছত্র একদম গেঁথে যায় মনে, এখানেও ছিল তেমন কিছু।
"কবির কপাল কেমন করে পােড়ে? যখন তাকে হাতছানি দেয় সহস্র মুগ্ধতা, সেও উঠোনটাকে আকাশ ভেবে ওড়ে..."
'উড়ন্ত সব জোকার ' এর সাথে সহস্র মুগ্ধতায় উড়লাম।
শ্রীজাত । শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৪ সালে আনন্দ পুরস্কার প্রাপ্ত। কিন্তু আমি এ কবিকে চিনেছি "বইয়ের হাট"এর মাধ্যমে । সত্যি বলতে Riton Khan আমাকে এ কবিকে তার পোস্টের মাধ্যমে চিনিয়েছেন। এ কবির আনন্দ পুরস্কার ও পদ্মশ্রী খেতাবের খবরে আগ্ৰহী হয়ে তার কবিতার স্বাদ পাওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু রিটন খান বইয়ের হাটে "উড়ন্ত সব জোকার" কাব্যগ্রন্থ উপহার দিয়েছিলেন।
বইটি পড়ে ভালোলাগার রেশ নিয়ে নিয়ে উইকিপিডিয়া যাই।
নিজেকে নিজে ধন্যবাদ দিই এ বইটি পড়ার জন্য মনোনয়ন করেছি বলে। শ্রীজাতের কবিতা ভালো লাগার জন্য আমার আবেগ নয়---- কবির কবিতার মহত্ত্ব, কবিতার শৈলী ও বিষয়গুলো অনেক এগিয়ে ।
"ছিটকে এসে জামায় লাগুক/ একের পর এক বান্ধবীদের সিঁদুর। ''শ্রীজাতের জাত চিনতে সিঁদুরের ছটা আমার হৃদয় ও মস্তিষ্কেও লাগে।
"এখনো লোকে হাঁপায় আর টিকটিকিরা দেয়ালে মাথা কোটে /এখনো প্রেম জনপ্রিয়। এখনো টবে গোলাপ ফুল ফোটে...../তোমার কথা ভাবলে আজও পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে ওঠে।"যৌনতার সাথে জীবন অবিচ্ছেদ্য। যৌনতা ও প্রেম এখানে একাকার। আর যৌনতা মানে যে অশ্লীলতা নয় --- একথা বোঝাতে কালি খরচ করার মতো কালি আমার কলমে নেই।
প্রাত্যহিক জীবনে ভাদ্র মাসে দেখা দৃশ্যের কবিতায় কি অপূর্ব ব্যঞ্জনাময় ব্যবহার।
"পরজন্মে ফিরে আসবো। চাকরি চাই/ হাতে ছন্দ, গলায় যেন সুর থাকে/ আমরা যারা ঢিল মেরেছি সবসময়/ মিলনকালে আটকে যাওয়া কুত্তাকে ।"
"বাবা- মা আর আমি" সিরিজের ক থেকে ঝ পর্যন্ত নয়টি কবিতায় জীবনকে চিনতে শেখায়।
মুখস্ত রাখতে ইচ্ছে করে---- যেমন:
"একলা হাঁটছি আস্তে /সঙ্গী বলতে রাস্তা/ স্বপ্ন বলতে চাকরি/ অস্ত্র বলতে ধান্দা/"
আরেকটি: "এখন শুধু অভিধানেই ভ্যাকেন্সি/ পানের পিকে পাড়ার দেয়াল অজন্তা।"
"মেটামরফোসিস" কবিতাটি পড়ে নিজেকে নিয়ে ভাবতে হয়েছে।
"ইশারা" কবিতাটি পড়ে দারুন মজা পেয়েছি। সংযুক্ত করলাম। পড়ে দেখতে পারেন। "প্রেম পর্ব -২" কবিতায় মিথ্যা প্রেমের গল্প শুনে আবেগী হই।
"আগন্তুক" কবিতা এক কসমোপলিটন, জনবহুল নগরীর ইতিকথা।
সবশেষে শ্রীজাত এর কবিতার প্রতি আগ্রহী হওয়ার আহ্বান করছি।
মধ্যবয়সী যুবতী বউদি বলছেন জানেন ভাবি আমার মেয়েটা একটা বই শুরু করলে পড়া শেষ না করে ওঠে না। কি যে অভ্যাস হল ওর ঠিক মত খায় না সারাদিন পড়া পড়া। আমি লক্ষ্য করে দেখলাম কথাগুলো বলার সময় বউদির চোখ চক চক করছে। সারা শরীরে আনন্দের ঝি��িক দিচ্ছে। পাশে দাঁড়ানো মেয়েটিকে এক নজর দেখলাম চোখে চশমা বইয়ের দিকে চোখ নিবন্ধ এগারো বারো বছরের বুক মাথা চাড়া দিচ্ছে ভয়ঙ্কর সব বিপদ ঘটাবে বলে।
চোখ সরিয়ে বাইরে রাখলাম রোদের হাসিতে বাতাস হাসছে। হাসির মধ্যে চলছে খাওয়া দাওয়া বাচ্চা খেতে চাচ্ছে না। মা পাশ থেকে মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে, বাবা মোবাইল বাচ্চার চোখের সামনে তুলে রেখেছে ইউটিউবে কার্টুন দেখে দেখে বাবু খাচ্ছে। আমি ভাবছি এই যে বাবা মা এরা এদের বাবা মাকে এখন আর অতটা ভাল বাসে না যতটা এই বাচ্চাকে বাসে। এই বাচ্চাটাও যখন বড় হবে তখনও তার এই বাবা মাকে অতটা ভালবাসবে না যতটা সে আজ পাচ্ছে। নিছক ই এসব খেলা। কেউই পরে কি হবে এসব ভেবে খেলে না। শুধু বাচ্চা হবার পর সেটা আদরের পৃথিবী হয়ে যায়।
আজকাল কিছুই ভাল লাগে না। সব মেকি সব ফাঁকি মনে হয়। এত অর্থহীণ তবু মরার আগের যন্ত্রনাকে ভয় পাই। আশা আছে আকাঙ্খা আছে তাই তো রোজ রাতে একেকজন মেয়ের সাথে শোয়ার স্বপ্ন দেখি। শাপলার সাথে সারারাত শুয়েছিলাম সেদিন। এতদিন পর আমরা একসাথে তার বর পাশে আছে মেয়ে আছে তবু কি নির্বিকার আমরা শুয়ে আছি ছুঁয়ে দেখছি পাহাড় ভেতরে ঢুকছি বের হচ্ছি যেমনটি নিরালার মেসে হতাম। শাপলার মধ্যে কোনো রাগ নেই আর তাকে এত কষ্ট দিয়েছি সব যেন ভুলে গেছে। শুধু আমি বুঝেছি এই যে মিলন এই যে স্বপ্ন এটাই শুধু আমার এই স্বপ্নের শেষে শাপলা ঠিকই তার বরের কাছে মেয়ের কাছে ফিরে যাবে তারপর এমন একটা স্বপ্নের জন্য আমি বছরের পর বছর অপেক্ষা করব।