Shaheen Akhtar is the author of six short story collections and four novels. She has also edited the three-volume Soti O Swotontora: Bangla Shahitye Nari, about the portrayal of women in Bengali literature, and Women in Concert: An Anthology of Bengali Muslim Women's Writings 1904-1938.
Akhtar's second novel Talaash won the Best Book of the Year Award for 2004 from Prothom Alo, the largest-circulation daily newspaper in Bangladesh. The English translation of the novel was published by Zubaan Books, Delhi, India in 2011.
Novels:
1. Palabar Path nei (No Escape Route), Mowla Brothers, 2000
2. Talaash (The Search), Mowla Brothers, 2004
3. Shokhi Rongomala, Prothoma, 2010
4. Moyur Shinghashon (The Peacock Throne), Prothoma, 2014
ছোটগল্পের একটা সংজ্ঞা বেশ প্রচলিত : অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হয়েও হইলো না শেষ। তাই ছোটগল্প পড়ার ক্ষেত্রে আমার সবসময়ই একটা এক্সপেকটেশন থাকে যে শেষে দিয়ে এমন একটা কিক থাকবে আমার জন্য যা খেয়ে আমি স্তব্ধ হয়ে বসে থাকব। ভাবব, এটা কি হলো! শাহীন আখতার এর গল্প পড়ার ক্ষেত্রেও এই এক্সপেকটেশন নিয়ে পড়া শুরু করলাম, আর ধরা খেলাম। গল্প ম্যাড়মেড়ে, ভাল্লাগে না। এ নিয়ে অনুযোগ জানাতেই আমার বইগুরু বললেন, মনোযোগ দিয়ে, সময় নিয়ে পড়েন। তা-ই করলাম, দেখলাম যে, নাহ! ভালোই ত লাগছে এখন!
আমার মত পরিস্থিতিতে যাতে আপনাকে পড়তে না হয় তাই বইটির বেশ কিছু ব্যাপার জানা প্রয়োজন। প্রথমত : শাহীন আখতার কিন্তু ছেলের নাম না। আমি শাহীন মানে ধরে নিয়েছিলাম পুরুষ কেউ😐। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গল্পে পয়েন্ট অফ ভিও পুরুষের কল্পনা করে করে ধরা খাচ্ছিলাম।
একটানা ভুলেও গল্পগুলো পড়া যাবে না। বেশ খানিকটা গ্যাপ দিয়ে দিয়ে পড়া লাগবে। নইলে রিপিটেটিভ মনে হতে পারে। যেমন বেশ কয়েকটা গল্পেই কমন একটা ব্যাপার হচ্ছে: পুরুষ কর্তৃক ধোঁকা খাওয়া, একাকীত্বের মাঝে কাটানো ম্যাসাজ প্রেমী ত্রিশোর্ধ্ব তরুণী।
প্রতিটা গল্পেই স্পটলাইট ছিল নারীদের উপর। লেখিকার নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি এসব নারী চরিত্র বইয়ের পাতার কালো কালি ভেদ করে হয়ে উঠেছে বড্ড রক্ত-মাংসের।
সবশেষে বলতে হয়,শাহীন আখতার এর লেখা মোটেই সহজ নয়; ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয়নি। মুখে তুলে গিলে খাইয়ে দেয়ার চেয়ে এক্ষেত্রে নিজের হাতেই খেতে হয়। একটু অন্যধারার লেখনী আর প্রচুর মেটাফোর এর ব্যাপার-স্যাপার অমনোযোগী পাঠকের কাছে মনে হতে পারে দুর্বোধ্য। তাই একটু রয়েসয়ে, সময় নিয়ে বইটি পড়ার পরামর্শ রইলো৷
কয়েকটি গল্পের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়ঃ আবারও প্রেম আসছে, সাপ স্বামী আশালতা ও আমরা, পাঁচটা কাক ও একজন মুক্তিযোদ্ধা, মা , তিনি গুঁড়োমরিচের ব্যবহার জানতেন, পুষ্পবাগ আবাসিক এলাকা, গল্পের গোলকধাঁধা অথবা পুরো সূচিপত্রটাই হয়তবা। মানসিক কমফোর্ট জোনের যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অচলায়তন তা থেকে মাঝে মাঝেই গল্পগুলো এক ঝটকায় বাইরে বের করে এনেছে। বার কতক দাঁড় করিয়েছে আয়নাতে নিজস্ব বিব্রত বিম্বের মুখোমুখি। গল্পের মাধ্যমে লেখকের যে অভিজ্ঞতার জগতের আভাস পাওয়া যায় তার এপ্রিশিয়েট করাটাও সাধ্যের বাইরে বলে মনে হচ্ছে।