स्वामी विवेकानंद नवजागरण के पुरोधा थे। उनका चमत्कृत कर देनेवाला व्यक्]तित्व, उनकी वाक]्]शैली और उनके ज्ञान ने भारतीय अध्यात्म एवं मानव-दर्शन को नए आयाम दिए। मोक्ष की आकांक्षा से गृह-त्याग करनेवाले विवेकानंद ने व्यक्]तिगत इच्छाओं को तिलांजलि देकर दीन-दुःखी और दरिद्र-नारायण की सेवा का व्रत ले लिया। उन्होंने पाखंड और आडंबरों का खंडन कर धर्म की सर्वमान्य व्याख्या प्रस्तुत की। इतना ही नहीं, दीन-हीन और गुलाम भारत को विश्]वगुरु के सिंहासन पर विराजमान किया। ऐसे प्रखर तेजस्वी, आध्यात्मिक शिखर पुरुष की जीवन-गाथा उनकी अपनी जुबानी प्रस्तुत की है प्रसिद्ध बँगला लेखक श्री शंकर ने। अद]्भुत प्रवाह और संयोजन के कारण यह आत्मकथा पठनीय तो है ही, प्रेरक और अनुकरणीय भी है।
Shankar's real name is Mani Shankar Mukherjee. Sankar is a very popular writer in the Bengali language. He grew up in Howrah district of West Bengal, India. Shankar's father died while Shankar was still a teenager, as a result of which Shankar became a clerk to the last British barrister of the Calcutta High Court, Noel Frederick Barwell. The experience of working under Mr. Barwell provided the material for his first book Koto Ojanare (কত অজানারে), translated as The Great Unknown. During 1962, Shankar conceived the idea of writing the novel Chowringhee on a rainy day at the waterlogged crossing of Central Avenue and Dalhousie - a busy business district in the heart of Kolkata. Many of Shankar's works have been made into films. Some notable ones are - Chowringhee, Jana Aranya (জন-অরণ্য, translated as The Middleman) and Seemabaddha (সীমাবদ্ধ, out of which the last two were directed by Satyajit Ray.
সুন্দর সুন্দর সব কথা লেখা। শংকর বইটির সম্পাদনা করেছেন। মূলত স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলীকে ভিত্তি করে তাঁর কথা, বাণী এবং তাঁকে ঘিরে অন্যান্যদের স্মৃতিচারণই বইটির রেফারেন্স হিসেবে এনেছেন শংকর। আপনা থেকে একে ফিকশনের রূপ দিতে চাননি।
এই বইটিতে বিবেকানন্দের ব্যক্তিজীবনের সংগ্রামকে বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে। নরেন্দ্রনাথ দত্ত থেকে কীভাবে বিবেকানন্দ হলেন, নিতান্তই অচেনা, রিক্তহস্তের যুবক কীভাবে ১৮৯৩ সালে শিকাগোতে হাজির হয়ে বিশ্বধর্ম সম্মেলনে আলোড়ন তুলেছিল তার একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি পেলাম। তাঁর নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়াস দারুণ উদ্দীপ্ত করেছে।
ভালো সেল্ফ হেল্প বই বললে অত্যুক্তি করা হবে না। তবে রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রসঙ্গে বারবার যেভাবে আধ্যাত্মিকতার বিষয়টি চলে এসেছে, তাতে এই বই পড়তে গেলে বিশ্বাস বনাম যুক্তির আদি ও অকৃত্রিম দ্বন্দ্ব বেশ জমে উঠবে। বিশ্বাস জয়ী হলে বইটি পুরোটা উপভোগ করতে পারবেন, যুক্তি খুঁজলে আমার মতো বইটি শেষ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে।
সিদ্ধান্ত আপনার। বিবেকানন্দের একথাটি ভালো লেগেছে খুব -
" যে মানুষ একাকী, সেই সুখী। সকলের কল্যাণ কর, সকলকে ভালো লাগুক, কিন্তু কাউকে ভালোবাসতে যেও না। এটা একটা বন্ধন, আর বন্ধন শুধুই দুঃখ ডেকে আনে।তোমার অন্তরে তুমি একাকী বাস কর- তাতে সুখী হবে। "
"অনিল বাগচীর একদিন " উপন্যাসে হুমায়ূন আহমেদ বিবেকানন্দের একটি বাণীকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন। মূল বাণীটি হল -
" যে ধর্ম বা যে বিধবার অশ্রুমোচন করতে পারে না অথবা অনাথ শিশুর মুখে একমুঠো খাবার দিতে পারে না, আমি সে ধর্মে বা সে ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না। " (পৃষ্ঠা ৩৪২)
স্বামী বিবেকানন্দ ঠিক প্রচলিতভাবে আত্মজীবনী লিখে যাননি। লেখক শংকর ওঁনার চিঠিপত্র, আলাপ-আলোচনা, স্মৃতিচারণ, বাণী ইত্যাদিকে স্বামীজির জীবনকালের সাথে ধারাবাহিকভাবে মিলিয়ে একটি আত্মজীবনীর রূপ প্রদান করেছেন। নিসংন্দেহে এটা একটি চমৎকার কাজ।
হয়তো অন্য আত্মজীবনীগুলো থেকে আলাদা বিধায় এই রচনায় এক স্নিগ্ধ সরলতার খোঁজ পাওয়া যায়। ঘটনার পর ঘটনা সাজানোর মুন্সিয়ানা, পরিচিত পরিপাট্যতা, অনুভূতি প্রকাশে কৃত্রিমতা, ভাষার আড়ম্বরতা এসব কিছুই নেই এখানে। আর যত বইটিতে এগোনো হবে ততই যেন মনে হবে এসব না থাকাটাই যেন এই আত্মজীবনীর সৌন্দর্য।
বইটি একাধারে আধ্যাত্মিক বার্তা এবং ভ্রমণের বইও বটে। স্বামী বিবেকানন্দ শুধু ঈশ্বরের পথের অভিযাত্রী ছিলেন না ছিলেন পৃথিবীর পথেও পর্যটক। ভারতবর্ষ, তিব্বত, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রীস, ইজিপ্টসহ অসংখ্যা স্থান ঘুরেছেন। কিন্তু যে ব্যাপারটি আমার হৃদয় ছুঁয়েছে এত স্থান ঘুরে বেড়ানোর পরে উনি পূর্ববাংলার (বাংলাদেশের) প্রশংসায় একটা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন যে উচ্ছ্বাস আর শুধু কাশ্মীরের ব্যাপারে আমি অনুভব করেছি। অবশ্য যা ভাল লাগেনি সেটা বলতে ছাড়েননি। তবে ওনার কর্মক্ষেত্র ছিল প্রধানত ভারতবর্ষ এবং আমেরিকা।
স্বামী বিবেকানন্দ পাশ্চাত্য পৃথিবীকে সম্ভবত ভারতীয়দের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রভাবিত করতে করতে পেরেছিলেন। ওনার ডাকে সাড়া দিয়ে অনেক মার্কিন এবং ইউরোপের নাগরিক বেদান্ত দর্শন গ্রহন করেন। তবে পাশ্চাত্য পৃথিবীও স্বামীজিকে প্রভাবিত করেছেন। এই আদান প্রদান ভবিষ্যৎ ভারতের জন্য ছিল অমূল্য দান।
স্বামী বিবেকানন্দ আয়ুর দিক থেকে ছিলেন ৩৯ বছরের। কিন্তু অভিজ্ঞতায় যেন ছিলেন ৩৯০ বছরের। একটা মানুষের কয়েকটা বছর কি তীব্র কর্মময় হতে পারে সেটা বুঝতে বোধ হয় এই বইটির বিকল্প কমই আছে। সারাজীবন স্বামীজিকে অনেক ভাল এবং খারাপ অভিজ্ঞতার ভেতর থেকে যেতে হয়েছে। কিন্তু উনি কখনো ক্লান্ত হয়েছেন, কখনো বিরক্ত হয়েছেন, কখনো অভিমান করেছেন কিন্তু কখনো বিশ্বাস হারা হননি।
আসলে এই বইটিতে এমন অনেক ক্ষুদ্র অংশ আছে যার ব্যাখ্যা এবং আলোচনায় দীর্ঘ প্রবন্ধ লেখা যায়। এই বইয়ের কোন সংক্ষিপ্ত আলোচনা আদৌও সম্ভব নয়। তবুও বইটিকে স্মৃতিতে আরও একটু উজ্জ্বল করে রাখতে কয়েকটি লাইন লিখলাম।
শংকরের লেখা সবসময়েই আলাদা কিছু বহন করে।সাধারণ জীবনী বই থেকে অন্য ধারায় গিয়ে শংকর এই বই গুলো লিখেছেন।বিবেকানন্দের মুখ দিয়েই যেন তাঁর আত্মজীবনী উঠে এসেছে বইটিতে।এই বইটির পাতায় পাতায় পাঠক নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করবেন নরেন্দ্রনাথের বিষয়ে, লেখার গাঁথুনি ও শব্দ চয়ন তো অবশ্যই মুগ্ধ করবেই।
वैसे तो पाठक बहुत कुछ कह सकता है पर उनकी अंतिम वेला की वाणी के बाद मौन होना अधिक उपयुक्त होगा पर मन के कुछ उद्गार प्रकट करना चाहूंगा। सबसे पहले तो विवेकानंद विशेष हैं पर वे क्यों विशेष हैं ये जानना आवश्यक है। भारत कई संतों, संन्यासियों, आचार्यों, गुरुओं के परंपरागत आवागमन का साक्षी रहा है सभी ने अपने अपने तरीके से जनसाधारण के उत्थान के लिए प्रयास किए उदाहरण के लिए आदिगुरु आचार्य शंकर ने सम्पूर्ण भारत की यात्रा करते हुए लोगों के लिए अद्वैत दर्शन का मार्ग प्रशस्त किया। विवेकानंद ने भी बहुत हद तक अद्वैत को व्यवहारिक रूप में लोगों द्वारा ग्राह्य बनाने का कार्य किया, व्यवहारिकता की प्राथमिकता का कारण था इसे भारतवर्ष तक संकुचित रखने के स्थान पर अपितु सम्पूर्ण विश्व में संचारित करना। अद्वैत में हम जानते हैं, मुक्ति ही अंतिम लक्ष्य है, ब्रह्म ही ध्येय है, आत्मज्ञान ही मार्ग है किंतु क्या हो जब एक इनसे भी ऊपर उठ जाए वो है 'ऋषि' वही ऋषि जहां से उपनिषद व्यक्त हुए और जिन ऋषियों ने मुक्ति भी त्यागी, जो उस ब्रह्म तल से निम्न स्तर पर आए मात्र मनुष्य को जगाने हेतु, मात्र मनुष्य कल्याण हेतु बिना कल्याण नामक शब्द को मन में भी लाए। विवेकानंद वही ऋषि हैं।
A good read! What has been going in mind of Swamiji and how he advanced in his Sadhna till ब्रह्मानुभूति you may learn. It is helpful in measuring our own spiritual growth.