রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
স্কেলিটন আইল্যান্ড বা বাংলায় কঙ্কাল দ্বীপে ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য মুসার বাবা দল নিয়ে যায়। সেখানে তাদের দলের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে যেতে থাকে। বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ডেভিস ক্রিস্টোফার তখন তিন গোয়েন্দাকে কঙ্কাল দ্বীপের রহস্য উদঘাটন করতে পাঠান। সেখানে গিয়ে তিন গোয়েন্দার সাথে দেখা হয়ে গেল নাগরদোলার ভূতের! বিশ বছর আগে এক ঝড়ের মধ্যে নাগরদোলায় চড়তে গিয়ে মারা গিয়েছিলো এক মেয়ে। তার ভূত দেখা গিয়েছিলো এমন গুজব আছে। অন্ধকার রাতে নাগরদোলায় নাকি চড়তে দেখা যায় তাকে। তারপর দ্বীপের পার্ক বন্ধ হয়ে যায়। মাঝখানে অনেকদিন দেখা যায়নি সেই ভূতের। কিন্তু কিছু দিন থেকে আবার দেখা দিতে শুরু করেছে সেই ভূত! কিন্তু কেন?
তিন গোয়েন্দার দ্বিতীয় অভিযান কঙ্কাল দ্বীপ। বইটা যখন প্রথম পড়েছিলাম তখন পড়তে গিয়ে নিজেকেই মনে হচ্ছিল আমিই যেন কিশোর! এ এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি।
The second book of the Tin Goyenda series and this time they storm the skeleton islands. Musa's dad takes Kishor, Musa, Robin on a vacation to a probable film-shooting location. And they soon sense something cooking beyond the waves and within the island. This books come with all spices of a classic thrilling adventure.
If you want to read something with, 1) A spooky island with rumours of hidden treasures 2) Creepy haunted parks with ghosts of a murdered child (yes, the ghost rocks a swing) 3) Three meddling teens nosing into everything thats fishy 4) Scuba diving to look for spanish galleons and curses form a deceased soul of the pirate, and 5) A hair-standing-clashbanging-hashwinging-slasher climax?
ভাল লাগলো পড়ে, কাহিনী বৈচিত্র্যময়। দ্বীপান্তরের জীবনের ছিটেফোঁটা উঠে এসেছে এই গল্পে। কাহিনীর মোড়গুলো বেশ সাবলীল। তবে দৃশ্যের বিবরণ কয়েক জায়গায় একটু কাঠখোট্টা মনে হয়েছে - এই যা।
তিন গোয়েন্দার দ্বিতীয় কেস ছিলো এটা। এভারেজ লাগছে। স্টোরি মোটামুটি হলেও রহস্য তেমন গভীর ছিলো না। প্রথম দিকে তাই হয়তো জটিল কেস পায় নি। বাট একবার পড়ার মতো।
স্টোরি শুরু হয় স্কেলিটন আইল্যান্ড কে ঘিরে। হলিউড থেকে কয়েকজন যায় ওই দ্বীপে মুভি বানাতে। কিন্তু যাওয়ার পর থেকে তাদের যাবতীয় সরঞ্জাম চুরি হতে থাকে। এছাড়াও ২০ বছর পর আবার শুরু হয় স্যালি ফ্যারিংটনের ভূতের উপদ্রব। এসব রহস্যের সমাধান কি? আবার দ্বিপে পা রাখার পূর্বেই কোন দূর্বৃত্ত তিন গোয়েন্দাকে ফেলে আসে প্রবাল দ্বিপ "দ্য হেন্ড" এ। সেখানে তাদের রক্ষা পাপালো হারকুস নামের এক কিশোর। কিন্তু সবাই ভাবে এসবের পেছনের পাপুর হাত রয়েছে। আসলেই কি তাই? ফ্রেন্ডশিপ,এডভেঞ্চার ও গুপ্তধন নিয়ে দারুণ একটি কেস। তাহলে দেরি না করে নেমে পড়া যাক তিন গোয়েন্দার সাথে।
উল্লেখ্য যে, এই গল্পের উপর ২০০৭ সালে নির্মিত হয়েছে "The Three Investigators and the Secret of Skeleton Island" মুভিটি।
তিন গোয়েন্দার প্রথম দিকে পড়া বই গুলোর মধ্যে, এই বইটা ছিলো না । আমি তখন অন্য বইদিয়ে শুরু করেছিলাম । মোটামূটি রকিব হাসান এর লেখা সবগূলো তিন গোয়েন্দাই আমি পড়েছি । তিনি লেখা ছেড়ে দেওয়ার পর, আমার আর পড়া হয়নি । চাইও নি । থাক না আমার তিন গোয়েন্দা আমার মত করে, আমার ভেতর ।
"মুসা রবিন উঠে পড়,রহস্যের সমাধান বোধহয় করে ফেলেছি"
-কিশোর পাশা
প্লটঃ "দি এসকেপ" মুভির শুটিং করতে কঙ্কাল দ্বীপে এসেছে ফিল্ম কোম্পানির একটা দল। কিন্তু তারা দ্বীপে আসার পরপরই শুরু হয়ে গেল একের পর এক ভূতুড়ে কান্ড। চুরি হয়ে যেতে লাগল শুটিংয়ের জিনিসপত্র। বহু বছর আগের মারা যাওয়া এক মেয়ের আত্মা নাগরদোলায় চেপে ভয় দেখাতে শুরু করল সবাইকে। এমন পরিস্থিতিতে চিত্রপরিচালক ডেভিস ক্রিস্টোফার একটা দায়িত্ব দিয়ে তিন গোয়েন্দাকে পাঠালেন সেই দ্বীপে। কি ঘটল তারপর? তিন গোয়েন্দা কি রহস্যের সমাধান করতে পারল শেষমেষ?
★রিভিউঃ তিন গোয়েন্দার প্রথম ভলিউমের দ্বিতীয় গল্প "কঙ্কাল দ্বীপ"। গল্পটি বেশ ভালো লেগেছে আমার। রহস্যের সাথে সাথে এডভেঞ্চার ফিলটাও পেয়েছি পুরোপুরি। রকিব হাসানের এডাপ্টেশন নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। অত্যন্ত সাবলীল লেখা,সেবা প্রকাশনীর বইতে বানান ভুল থাকে না বললেই চলে। তাই পড়ার সময় কোন সমস্যা হয় না। তিন গোয়েন্দা সিরিজের ক্লাসিক গল্পগুলোর মধ্যে "কঙ্কাল দ্বীপ" অন্যতম। পড়া না থাকলে পড়ে ফেলুন,আর সাক্ষী হোন কঙ্কাল দ্বীপের রহস্যময় কিছু ঘটনার।
তিন গোয়েন্দার স্বাদ এখনো আগের মতোই লাগে। বই পড়তে গিয়ে আবার ডুব দিলাম স্কুল সময়ের কোনো দুপুরে। আমি খুব পানি ভয় পাই। এই গল্পটি তাই আমার জন্য বেশ ভয়ঙ্কর ছিল।
আমার এক মাত্র অভিযোগ এই যে, এতো ক্যাসুয়ালি নিগ্রো শব্দটা কেন দেয়া হলো?
'কঙ্কাল দ্বীপ' নামের এক দ্বীপে তদন্ত করতে চললো তিন কিশোর। শুরুতে মনে হলো মামুলি, এটা-ওটা চুরি যায়, তার খোঁজ করে দাও।
দ্বীপে নামতেই তাদেরকে কিডন্যাপের চেষ্টা চালানো হলো। দ্বীপের এক পুরনো পরিত্যক্ত নাগরদোলায় থেকে থেকে দেখা দিতে লাগলো স্যালি ফ্যারিংটনের প্রেতাত্মা। তবে কি আসলেই এই কঙ্কাল দ্বীপ ভুতুড়ে? নাকি কে বা কারা যোগসাজশ করে দ্বীপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে গোয়েন্দাদের?
কি এমন গোপন জিনিস লুকানো আছে এই দ্বীপে, যার জন্য জনসমাগম থেকে দূরে কঙ্কাল দ্বীপকে অস্পৃশ্য বানিয়ে রাখতে চায় অদৃশ্য শত্রু?
পাপালো হারকুসের গল্পের ক্যাপ্টেন ওয়ান-ইয়ারের গুপ্তধন কি তবে সত্যি? এই দ্বীপেই তা লুকানো? নাকি তার চেয়েও, আরো বেশি কিছু?