What do you think?


অদ্ভুতুড়ে #3
হেতমগড়ের গুপ্তধন
মাধববাবুর পিতৃ-পিতামহের বিরাট সম্পত্তি সরস্বতী নদীর ভাঙ্গনে ভেসে যায়। এখন সেখানে গজিয়ে উঠেছে গভীর জঙ্গল, দিনের বেলাতেও কেউ যেতে সাহস পায় না। এই বনবাদাড়ের ভেতরে সেই পুরোনো বাড়িটা ঠিক কোথায়, সেই হদিস পাওয়া আর মোটেও সহজ নয়। ভগ্নিপতির বাড়িতে আশ্রিত মাধববাবু প্রায়শই সেই সম্পত্তির কথা ভেবে আফসোস করেন। মানুষ হিসেবে তিনি মন্দ নন, কিন্তু দোষের মধ্যে রগচটা, আর রাগ করলেই দিগ্বিদিক ভুলে যান। এমনই এক সকালে সবার ওপর রাগ করে মাধববাবু বাড়ি ছাড়লেন আর ঘটালেন একটার পর একটা অঘটন।
100 pages, Hardcover
First published July 1, 1981
About the author
Shirshendu Mukhopadhyay
412 books965 followersশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 68 reviews
June 3, 2021
মানসিকভাবে বেশ খারাপ একটা সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়েই যাচ্ছি। আর এই অবস্থায় আমার জন্যে ব্রিদিং স্পেসের মতন কাজ করছে বইগুলো। যাকে বলে একেবারে ফুলটুস বিনোদন। পুরোটা উপন্যাস জুড়ে আমার মুখে হাসি আঠার মত লেগে ছিল। কয়েকটা দৃশ্য বারবার পড়েছি। ঘটোৎকচ নামের এই বানরটা আমার অন্যতম প্রিয় একটা চরিত্র হয়ে গেল৷ ধন্যবাদ শীর্ষেন্দু মশাই, এরকম দুঃসময়ে হাসির খোরাক জোগানোর জন্যে৷
June 23, 2018
অনেক অনেক ভাল লাগালাে বইটা পড়ে। মাঝেমাঝে হাসিতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতাে। মাধববাবু চরিত্রটা দারুন হয়েছে। তাঁর বাপ-দাদার আমলের জমিদারের স্বভাব এখনাে আছে। রাগের চোটে তাঁর দাদা গাছে উঠে বসে থাকতাে। তাঁর বাবার ও ছিল প্রচন্ড রাগ। মাধবরের ঘটোৎকচের লেজ ছেড়ে, বাঘের লেজ ধরে হেতমগড়েরর বনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া - দারুন। বাদরের নাম ঘটোৎকচ। যা দেখালাে ফু টবলের মাঠে। নন্দকিশাের ভুতের খেলা। শেষ পর্যন্ত মাধব তাঁর বানে ভেসে যাওয়া পুরােনাে জমিদার বাড়ি খুঁজে পায়। কথা দিচ্ছি এক সেকেন্ডের জন্যেও বোর হবেন না।
September 24, 2022
মানুষ বেড়াল পোষে,টিয়া পোষে, অনেকে মানুষ ও পোষেন। কিন্তু আমার এসবে কোন নজর কস্মিনকালে ছিল না। আমার ছোট থেকে ইচ্ছে একটা বানর পুষবো। একটা কিউট বানর,নাদুস নাদুস।
"হেতমগড়ের গুপ্তধন" পড়ে, আমার বানর পোষার ইচ্ছে টা আবার চাগার দিলো। আমার যদি একটা বানর থাকতো,ঘটোৎকচের মতো। আহারে...
"হেতমগড়ের গুপ্তধন" পড়ে, আমার বানর পোষার ইচ্ছে টা আবার চাগার দিলো। আমার যদি একটা বানর থাকতো,ঘটোৎকচের মতো। আহারে...
August 27, 2021
হাসি একটু কম পেলেও বেশ মজাদার ছিল। সত্যিই অদ্ভুতুড়ে।
April 16, 2022
ঘটোৎকচ এর মতো একটা বাঁদড় থাকলেই জীবনটা বেশ কেটে যাবে।
November 4, 2021
অনবদ্য। আগেও মুগ্ধ করছিল, আবারও করলো। অন্যতম সেরা অদ্ভুতুড়ে।
June 21, 2023
আমার বই পড়া তেমন না হওয়ার মতো এই সময়ে আমি চাচ্ছিলাম একটু হালকা ধাঁচের কোনো বই পড়তে।
তো হাতে নিলাম শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজের এই বইটি। তারপর আর কি, এই সিরিজের বই পড়লে যেমনটা হয়েছে আগে তেমনই হলো — বেশ হাসলাম পড়তে পড়তে এবং উপভোগ করলাম।
এক জমিদার ধরণের মানুষের রাগের ছুটে ঘর থেকে চলে যাওয়া, উনার বন্ধুক নিয়ে খেলার মাঠে ডুকে পড়ার কারণে পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া, তারপর জেল-এ গিয়ে পরিচিত এক চুরের সাথে দেখা হওয়া(এই চুর আগে তাদের ঘরে মালী ছিলো, কিন্তু তার স্বভাব ছিলো চুরির। চুরি না করলে তার অসুখ হতো, খাবার হজম হতো না, পাগল পাগল হয়ে যেতো), জঙ্গলে একটা adventure হওয়া, একটা ভালো-মানুষী টাইপ ভূতের সাথে পরিচয়, ইত্যাদি সব অদ্ভুতুড়ে কর্মকাণ্ড নিয়ে ভরা ছিল বইট। তাছাড়া এমন সব কথাবার্তা, আর চরিত্রগুলোর অদ্ভুত সব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আপনাকে হাসতে বাধ্য করবেই (হা-হা করে না হাসলেও মনের ভেতর ঠিকই হাসবেন আপনি 👀)
শীর্ষেন্দুর এই সিরিজে আগে যেমন রসবোধের পরিচয় পেয়েছি, এই বইয়েও সেটার কমতি ছিল না।
তবে বইটার শেষাংশ আমার ভালো লাগে নি, অর্থাৎ কেমন জানি হুটহাট শেষ হয়ে গেলো, যেমনকি ঝড়ের গতিতে শেষ করে দিলো। তবে শেষটা আরো সুন্দর করে টানতে পারতেন এতো তাড়াহুড়ো না করে। এবং আমার কাছে এই শেষাংশের কারণে রেটিং কমবে
রেটিং: ৩.৫/৫
তো হাতে নিলাম শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজের এই বইটি। তারপর আর কি, এই সিরিজের বই পড়লে যেমনটা হয়েছে আগে তেমনই হলো — বেশ হাসলাম পড়তে পড়তে এবং উপভোগ করলাম।
এক জমিদার ধরণের মানুষের রাগের ছুটে ঘর থেকে চলে যাওয়া, উনার বন্ধুক নিয়ে খেলার মাঠে ডুকে পড়ার কারণে পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া, তারপর জেল-এ গিয়ে পরিচিত এক চুরের সাথে দেখা হওয়া(এই চুর আগে তাদের ঘরে মালী ছিলো, কিন্তু তার স্বভাব ছিলো চুরির। চুরি না করলে তার অসুখ হতো, খাবার হজম হতো না, পাগল পাগল হয়ে যেতো), জঙ্গলে একটা adventure হওয়া, একটা ভালো-মানুষী টাইপ ভূতের সাথে পরিচয়, ইত্যাদি সব অদ্ভুতুড়ে কর্মকাণ্ড নিয়ে ভরা ছিল বইট। তাছাড়া এমন সব কথাবার্তা, আর চরিত্রগুলোর অদ্ভুত সব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আপনাকে হাসতে বাধ্য করবেই (হা-হা করে না হাসলেও মনের ভেতর ঠিকই হাসবেন আপনি 👀)
শীর্ষেন্দুর এই সিরিজে আগে যেমন রসবোধের পরিচয় পেয়েছি, এই বইয়েও সেটার কমতি ছিল না।
তবে বইটার শেষাংশ আমার ভালো লাগে নি, অর্থাৎ কেমন জানি হুটহাট শেষ হয়ে গেলো, যেমনকি ঝড়ের গতিতে শেষ করে দিলো। তবে শেষটা আরো সুন্দর করে টানতে পারতেন এতো তাড়াহুড়ো না করে। এবং আমার কাছে এই শেষাংশের কারণে রেটিং কমবে
রেটিং: ৩.৫/৫
May 17, 2016
ছোটবেলায় অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বইগুলো কেন পাই নাই! - এই আফসোস আমার কোনদিনও যাইবে না। :(
February 22, 2025
দারুণ ইনজয়েবল গল্প। সাথে হাঁসির কড়া ডোজ। হনুমান, বাঘ, চোর, চোরের গুরু, পুলিশ, ভূত আর সাথে একবোকা, মাথাগরম, ফোকলা, জমিদারি লাটে ওঠা এক জমিদার! সব মিলিয়ে অতি চমৎকার! গল্প হিট হতে যা লাগে তা সবই আছে।
নাম শুনে ট্রেজার হান্ট অ্যাডভেঞ্চারের বই মনে হলেও সেটা মূল বিষয় নয়। এক বানে হেতমগড় ভেসে জাওয়ায় মাধবদের জমিদারি আর নেই। মাধব এমনিতে বুদ্ধুগোছের তবে বংশের ধারায় বদরাগী। বয়স বত্রিশ -টত্রিশ হবে তবে ফোকলা। বিয়ের সময় শালীর সুপুর ভেতরে রেখে নারকেল নাড়ু এনেছিল। নতুন জামায় মাধব বুঝলেও হেরে গেলে তো হবে না তাই কড়মড় করে খেল। সেই খেয়েই তার দাঁত গেল কিছু ভাঙল আর কিছু নড়ে গেল। সেই থেকে শ্বশুরবাড়ি রেখে শালার বাড়িতে গ্যাঁট হলো। একদিন পোষা হনুমান ঘটোৎকচ তার বাঁধানো দাঁত নিয়ে পালানোয় রাগে গৃহত্যাগ করল। এরপর থেকে মূল কাহিনী। প্রচুর আনন্দ পেয়েছি মাধব, ঘটোৎকচ আর সাথে ভূত নন্দকিশোরের কাণ্ডকারখানা খুব ভজা পেয়েছি।
নাম শুনে ট্রেজার হান্ট অ্যাডভেঞ্চারের বই মনে হলেও সেটা মূল বিষয় নয়। এক বানে হেতমগড় ভেসে জাওয়ায় মাধবদের জমিদারি আর নেই। মাধব এমনিতে বুদ্ধুগোছের তবে বংশের ধারায় বদরাগী। বয়স বত্রিশ -টত্রিশ হবে তবে ফোকলা। বিয়ের সময় শালীর সুপুর ভেতরে রেখে নারকেল নাড়ু এনেছিল। নতুন জামায় মাধব বুঝলেও হেরে গেলে তো হবে না তাই কড়মড় করে খেল। সেই খেয়েই তার দাঁত গেল কিছু ভাঙল আর কিছু নড়ে গেল। সেই থেকে শ্বশুরবাড়ি রেখে শালার বাড়িতে গ্যাঁট হলো। একদিন পোষা হনুমান ঘটোৎকচ তার বাঁধানো দাঁত নিয়ে পালানোয় রাগে গৃহত্যাগ করল। এরপর থেকে মূল কাহিনী। প্রচুর আনন্দ পেয়েছি মাধব, ঘটোৎকচ আর সাথে ভূত নন্দকিশোরের কাণ্ডকারখানা খুব ভজা পেয়েছি।
April 19, 2022
প্রথমদিকে তেমন ভালো না লাগলেও শেষে ঠিকই মজা পেলাম😂 যদিও ঘটোৎকচ প্রথমে যেমন মূল ভূমিকায় ছিল,শেষে কেমন যেন প্রচ্ছন্ন হয়ে গেল। নন্দকিশোর আর মাধবের কথোপকথনগুলো আমার বেশ ভালো লেগেছিল।
হাসলাম অনেক,ভালোই ছিল গল্পটা আর খুবই অদ্ভুতুড়ে 😅
হাসলাম অনেক,ভালোই ছিল গল্পটা আর খুবই অদ্ভুতুড়ে 😅
April 23, 2023
গোঁসাইবাগানের চেয়ে একটুখানি বেশি ভালো লাগলো বোধহয়!
May 4, 2023
পছন্দের অদ্ভুতুড়ে গুলোর মধ্যে উপরের দিকে থাকবে..
বেশ সময় কাটলো
বেশ সময় কাটলো
May 4, 2024
এক কথায় দারূণ! মন ভালো করে দেওয়ার মতো গল্প।
May 17, 2020
এই সিরিজের বইগুলো পড়তে গেলে এখনও ছোটবেলায় ফিরে যাই!
August 18, 2022
নন্দকিশোর,ঘটোৎকচ- দুজনকেই আমার দরকার!!
March 26, 2023
অদ্ভুতুড়ে সিরিজের মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয় একটা গল্প।
December 23, 2023
পাচঁ মেশালি গল্প এক্কেরে 😄
April 9, 2025
অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বই পড়তে এতো ভালো লাগে! চমৎকার লেখনী। ছোটরা এই বইগুলো পড়ে বড় হোক।❣️
February 13, 2018
অদ্ভুতুড়ে সিরিজ পড়তে পড়তে একটা উপলব্ধি হলো - ফেলুদা ঋজুদার যেমন প্রথমগুলো ভালো, তারপর বাকিগুলো প্রোগ্রেসিভলি খারাপ, অদ্ভুতুড়ে কিন্তু ঠিক সেরকম নয়। একদম প্রথমগুলো: ধরে নিন মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি, বা এই বইটা, হেতমগড়ের গুপ্তধন - এগুলো ভালো, কিন্তু সাংঘাতিক অসাধারণ কিছু নয়। রতনতটন তো নয়-ই , গোলমেলে লোক বা মোহন রায়ের বাঁশি'র লেভেল'ও নয় (তবে সেগুলো'ও অতি উমদা জিনিস)। আসলে অদ্ভুতুড়ে সিরিজের সবগুলোই ফরমায়েশী লেখা তো - ছকটাকে ক্রমশঃ উন্নত করে গেছেন লেখক - আর তারপরে সেই ছকের মধ্যে যে প্লট যেরকম পড়ে আর কী ।
হেতমগড়ের গুপ্তধন গল্পটা পুরোটাই ভুলে গেছিলাম - রগচটা মাধব চৌধুরীর জেলগমন, জেলপলায়ন , ঘটোৎকচ-নামক হনুমানের সঙ্গে জঙ্গল ভ্রমণ। চিতাবাঘের ল্যাজ, আর নন্দকিশোর মুন্সীর ভূতের সঙ্গে আলাপ। আর গুপ্তধন।
মন্দ নয়। স্ট্যান্ডার্ড পাঁচে চার টাইপের।
হেতমগড়ের গুপ্তধন গল্পটা পুরোটাই ভুলে গেছিলাম - রগচটা মাধব চৌধুরীর জেলগমন, জেলপলায়ন , ঘটোৎকচ-নামক হনুমানের সঙ্গে জঙ্গল ভ্রমণ। চিতাবাঘের ল্যাজ, আর নন্দকিশোর মুন্সীর ভূতের সঙ্গে আলাপ। আর গুপ্তধন।
মন্দ নয়। স্ট্যান্ডার্ড পাঁচে চার টাইপের।
October 5, 2018
I'm feeling so angry at myself that I didn't get to read this series when I was 12/13 !
:(
:(
July 14, 2020
আগের দুইটার মতো এটা তেমন না জমলেও মন ভালো করার পক্ষে বেশ ভালো জিনিস।এক বসায় পড়ে ফেলা যায়।
July 1, 2020
হেতমগড়ের মেজকর্তা মাধব বাবু.. বাঁদর ঘটোৎকচ বাগানের মালি বনমালী ও তার তিন স্যাঙাত. দারোগা নবতারণ.. ভূত নন্দকিশোর মুন্সি..
July 2, 2023
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বই মানেই এক অন্য রকম আনন্দ। চেনা জগৎ এর বাইরে এক মজার পৃথিবীতে যেন ভ্রমণ করিয়ে আনে এই কাহিনিগুলো। বইগুলো পড়ার সময় এর অদ্ভুত সব চরিত্র আর তাদের কিম্ভূত সব কাণ্ডকারখানা যেন সারাক্ষণ এক প্রফুল্লের জোয়ারে মাতোয়ারা করে রাখে পাঠকদের।
হেতমগড়ের গুপ্তধন পড়েছিলাম অনেক দিন আগে কলেজে থাকতে। তখন পড়ার পর এর কোন পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখা হইনি। তারপর অনেক দিন পর সেদিন সানডে সাসপেন্সে এই গল্পটি আবার শুনলাম, বেশ একটা রিভিশন মত হয়ে গেলো,তাই চিন্তা করলাম এখন তাহলে একটা ছোট রিভিউ লিখে ফেলি। বইটি প্রথমবার পড়ার সময় যেই আনন্দ পেয়েছিলাম, দ্বিতীয় বার শ্রোতা হিসাবে শুনে আনন্দ একটুও কমেনি, বরং রেডিও এডাপটেশনের আবহ সংগীত আনন্দের মাত্রা আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছিল।
মাধববাবুরা ছিলো হেতমগড়ের জমিদার। কিন্তু সরস্বতী নদীর ভাঙ্গনের ফলে তার পিতৃ-পিতামহের আমলের সেই জমিদারি সব ভেসে যায়। বর্তমানে তাদের অবশিষ্ট সম্পত্তির একটা অংশে গজিয়ে উঠেছে গভীর জঙ্গল, দিনের বেলাতেও কেউ যেতে সাহস পায় না ঐ গহিন জঙ্গলে। এই বনবাদাড়ের ভেতরে সেই পুরোনো বাড়িটা ঠিক কোথায়, সেই হদিস পাওয়া আর মোটেও সহজ নয়। ভগ্নিপতির বাড়িতে আশ্রিত মাধববাবু প্রায়শই সেই সম্পত্তির কথা ভেবে আফসোস করেন। মানুষ হিসেবে তিনি মন্দ নন, কিন্তু দোষের মধ্যে রগচটা, আর রাগ করলেই দিগ্বিদিক ভুলে যান। বিয়ের দিন তার শালিরা মজা করে তাকে সুপড়ি খাইয়েছিল বলে তার দাঁত ভেঙে যায়, তারপর থেকে তার কথাও একটু অস্পষ্ট, কৃত্রিম দাঁত পড়ে থাকেন। একদিন সকালে সবার ওপর রাগ করে মাধববাবু বাড়ি ছাড়লেন আর এখান থেকেই এই বইয়ের কাহিনি শুরু। তারপর তিনি ঘটালেন একটার পর একটা অঘটন। বাঁদরের বাঁদরামি,চোরেদের নানান কৌশল, ভূতুড়ে কাণ্ড, হিংস্র চিতা বাঘের বশ্যতা, জঙ্গলে অভিযান আর সবশেষে গুপ্তধন। গ্রাম্য আবহে এ এক দারুণ এডেভেঞ্চার কাহিনি।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জাদুকরী লেখনীর একটা সেরা উদাহরণ এই বইটি। অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বই গুলোর মধ্যে এই বইটি আমার অন্যতম প্রিয়। শেষ দিকের গুপ্তধন উদ্ধারের যে বর্ণনা আছে, তার সাথে মিল রেখেই এই বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকা হয়েছে। এই প্রচ্ছদটি আমার অত্যন্ত প্রিয়। মূলত এই কভার ডিজাইনটি দেখেই এই বইটির প্রতি আমার প্রথম আগ্রহ জন্মে। কিশোর পাঠ্য বই হলেও সাহিত্যপ্রেমী যে কারোরই এই বইটি ভালো লাগবে।
হেতমগড়ের গুপ্তধন পড়েছিলাম অনেক দিন আগে কলেজে থাকতে। তখন পড়ার পর এর কোন পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখা হইনি। তারপর অনেক দিন পর সেদিন সানডে সাসপেন্সে এই গল্পটি আবার শুনলাম, বেশ একটা রিভিশন মত হয়ে গেলো,তাই চিন্তা করলাম এখন তাহলে একটা ছোট রিভিউ লিখে ফেলি। বইটি প্রথমবার পড়ার সময় যেই আনন্দ পেয়েছিলাম, দ্বিতীয় বার শ্রোতা হিসাবে শুনে আনন্দ একটুও কমেনি, বরং রেডিও এডাপটেশনের আবহ সংগীত আনন্দের মাত্রা আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছিল।
মাধববাবুরা ছিলো হেতমগড়ের জমিদার। কিন্তু সরস্বতী নদীর ভাঙ্গনের ফলে তার পিতৃ-পিতামহের আমলের সেই জমিদারি সব ভেসে যায়। বর্তমানে তাদের অবশিষ্ট সম্পত্তির একটা অংশে গজিয়ে উঠেছে গভীর জঙ্গল, দিনের বেলাতেও কেউ যেতে সাহস পায় না ঐ গহিন জঙ্গলে। এই বনবাদাড়ের ভেতরে সেই পুরোনো বাড়িটা ঠিক কোথায়, সেই হদিস পাওয়া আর মোটেও সহজ নয়। ভগ্নিপতির বাড়িতে আশ্রিত মাধববাবু প্রায়শই সেই সম্পত্তির কথা ভেবে আফসোস করেন। মানুষ হিসেবে তিনি মন্দ নন, কিন্তু দোষের মধ্যে রগচটা, আর রাগ করলেই দিগ্বিদিক ভুলে যান। বিয়ের দিন তার শালিরা মজা করে তাকে সুপড়ি খাইয়েছিল বলে তার দাঁত ভেঙে যায়, তারপর থেকে তার কথাও একটু অস্পষ্ট, কৃত্রিম দাঁত পড়ে থাকেন। একদিন সকালে সবার ওপর রাগ করে মাধববাবু বাড়ি ছাড়লেন আর এখান থেকেই এই বইয়ের কাহিনি শুরু। তারপর তিনি ঘটালেন একটার পর একটা অঘটন। বাঁদরের বাঁদরামি,চোরেদের নানান কৌশল, ভূতুড়ে কাণ্ড, হিংস্র চিতা বাঘের বশ্যতা, জঙ্গলে অভিযান আর সবশেষে গুপ্তধন। গ্রাম্য আবহে এ এক দারুণ এডেভেঞ্চার কাহিনি।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জাদুকরী লেখনীর একটা সেরা উদাহরণ এই বইটি। অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বই গুলোর মধ্যে এই বইটি আমার অন্যতম প্রিয়। শেষ দিকের গুপ্তধন উদ্ধারের যে বর্ণনা আছে, তার সাথে মিল রেখেই এই বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকা হয়েছে। এই প্রচ্ছদটি আমার অত্যন্ত প্রিয়। মূলত এই কভার ডিজাইনটি দেখেই এই বইটির প্রতি আমার প্রথম আগ্রহ জন্মে। কিশোর পাঠ্য বই হলেও সাহিত্যপ্রেমী যে কারোরই এই বইটি ভালো লাগবে।
February 9, 2023
ঘুম থেকে উঠে নিজের বাঁধানো দাত, চটি জোড়া আর গামছা খুঁজে না পেয়ে মাধব চৌধুরী খুব রেগে গেলেন। এক কথায় দুকথায় রাগ বেরে গেলে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তিনি তার ভগ্নিপতির বাড়িতে থাকেন। নিজেরদের একসময় জমিদারি ছিল। ১৫০ বিঘা জমিতে তাদের প্রকান্ড বাড়ি ছিল। কিন্তু নদী ভাঙ্গনে আজ সব গেছে। ছোটবেলায় শুনেছিলেন তাদের বাড়িতে গুপ্তধন লুকানো আছে। রেগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলে তিনি তাদের পুরনো ভাঙ্গা বাড়ির খোঁজ করেন।
বিয়ের রাতে তার শালিরা তাকে সুপাড়ি ভর্তি নারু খেতে দিয়েছিল। তাই খেতে গিয়ে দাতগুলা ভাঙ্গেন। তারপরদিন সেই যে শশুড়বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন, আর ওমুখো হননি। রাগের মাথায় বোনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হেতমগর চলে গেলেন নিজেরদের ভাঙ্গা বাড়ি খুঁজতে। বিশেষ এক ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে গেল। থানায় তাদের পুরনো চাকর বনমালীর সাথে দেখা হল। বনমালী তার তিন স্যাঙাত সহ হাজতে বন্দি ছিল।
ঘটনাক্রমে বাড়ির পোষা বানর ঘটোৎকচ বুদ্ধি করে তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে দেয়। সেখান থেকে পালিয়ে তারা ঢুকে হেতমগড়ের জঙ্গলে। ঘটোৎকচ, একটা চিতাবাঘ এবং নন্দিকিশোরের ভূতের সাহায্যে মাধব চৌধুরী নিজেদের ভাঙ্গা বাড়ি খুঁজে পান।
কিভাবে খুঁজে পেলেন সেটা নাহয় বইটি পড়েই জানবেন। কথা দিচ্ছি এক সেকেন্ডের জন্যেও বোর হবেন না। পুরো বইটা এক নিশ্বাসে পড়ে শেষ করেছি। বানর ঘটোৎকচ আর নন্দিকিশোরের ভূতের কাণ্ডকারখানা খুব মজার। সবমিলিয়ে চমৎকার একটা বই। আসলে প্রথম দিকের অদ্ভুতুড়ে গুলা দারুণ মজার।
বিয়ের রাতে তার শালিরা তাকে সুপাড়ি ভর্তি নারু খেতে দিয়েছিল। তাই খেতে গিয়ে দাতগুলা ভাঙ্গেন। তারপরদিন সেই যে শশুড়বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন, আর ওমুখো হননি। রাগের মাথায় বোনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হেতমগর চলে গেলেন নিজেরদের ভাঙ্গা বাড়ি খুঁজতে। বিশেষ এক ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে গেল। থানায় তাদের পুরনো চাকর বনমালীর সাথে দেখা হল। বনমালী তার তিন স্যাঙাত সহ হাজতে বন্দি ছিল।
ঘটনাক্রমে বাড়ির পোষা বানর ঘটোৎকচ বুদ্ধি করে তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে দেয়। সেখান থেকে পালিয়ে তারা ঢুকে হেতমগড়ের জঙ্গলে। ঘটোৎকচ, একটা চিতাবাঘ এবং নন্দিকিশোরের ভূতের সাহায্যে মাধব চৌধুরী নিজেদের ভাঙ্গা বাড়ি খুঁজে পান।
কিভাবে খুঁজে পেলেন সেটা নাহয় বইটি পড়েই জানবেন। কথা দিচ্ছি এক সেকেন্ডের জন্যেও বোর হবেন না। পুরো বইটা এক নিশ্বাসে পড়ে শেষ করেছি। বানর ঘটোৎকচ আর নন্দিকিশোরের ভূতের কাণ্ডকারখানা খুব মজার। সবমিলিয়ে চমৎকার একটা বই। আসলে প্রথম দিকের অদ্ভুতুড়ে গুলা দারুণ মজার।
August 19, 2023
জমিদারী এখন আর না থাকলেও স্বভাবটা ষোল আনা আছে মাধববাবুর। রাগ তাদের বংশগত রোগ। তার পিতামহ রাগলে গাছে উঠে বসে থাকতেন, প্রপিতামহ নিজের নিজের চুল নিজে ছিড়তেন, বাবাও ছিলেন ভীষণ রাগি। মাধববাবুও ব্যতিক্রম নন। বিয়ের দিন নাড়ুর মধ্যে দেওয়া সুপরি খেতে গিয়ে দাঁত ভেঙ্গে যাওয়ায় জীবনে আর শ্বশুরবাড়িমুখো হন নি।
মাধববাবুর বাবার আমলেই হেমতগড় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নদীর গ্রাসে, নতুন করে আবার হেমতগড়ের পত্তন হলেও জমিদার বাড়ির আর কোন চিহ্ন নেই। শোনা যায় জমিদার বাড়িতে গুপ্তধন ছিল, বাড়ির সাথে সাথে তাও লাপাত্তা।
। তবে শীর্ষেন্দুর ভূতের সাথে সত্যিকার(!) ভূতের সাথে মোটেও তুলনা করবেন না।
শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ আসলেই অদ্ভুত। তার রসবোধ অনন্য, পুরো বই পড়ার সময় ঠোটের কোনায় হাসি লেগেই ছিল, তার অভৌতিক ভুতেদের আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তাছাড়া ঘটোৎকচ কোন অংশে কম ছিল না।
মাধববাবুর বাবার আমলেই হেমতগড় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নদীর গ্রাসে, নতুন করে আবার হেমতগড়ের পত্তন হলেও জমিদার বাড়ির আর কোন চিহ্ন নেই। শোনা যায় জমিদার বাড়িতে গুপ্তধন ছিল, বাড়ির সাথে সাথে তাও লাপাত্তা।
। তবে শীর্ষেন্দুর ভূতের সাথে সত্যিকার(!) ভূতের সাথে মোটেও তুলনা করবেন না।
শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ আসলেই অদ্ভুত। তার রসবোধ অনন্য, পুরো বই পড়ার সময় ঠোটের কোনায় হাসি লেগেই ছিল, তার অভৌতিক ভুতেদের আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তাছাড়া ঘটোৎকচ কোন অংশে কম ছিল না।
August 20, 2023
কোথাও একটা ভুল হচ্ছে বুঝতে পেরে নবতারণ গর্জন করে বললেন, “দাঁড়ান মশাই, দাঁড়ান! ব্যাপারটা একটু বুঝে নিই। মাধব চৌধুরী হলেন বিজয়পুরের বড়কর্তার জামাই, তার মানে উনি বড় কর্তার মেয়েকে বিয়ে করেছেন। তাহলে উনি হলেন বড়কর্তার ছেলেদের সম্পর্কে শালা।”
বড়বাবু জিব কেটে বললেন, “আজ্ঞে না, উনি সেক্ষেত্রে হবেন ভগ্নীপতি।”
“বললেই হল?”
নবতারণ আবার কটমট করে তাকান। তারপর একটু ভেবেচিন্তে বললেন, “না হয় তাই হল। কিন্তু শালাটা তাহলে কী করে হচ্ছেন?”
বড়বাবু গলা খাকারি দিয়ে বললেন, “ওঁর এক দিদি আবার আমার স্ত্রী কিনা।”
“তাতে কী হল? ওঁর দিদি আপনার স্ত্রী মানে আপনি ওঁর কী হলেন?”
“ভগ্নীপতি।”
“তাহলে শালাটা আসছে কোত্থেকে? এ তো ভারী গোলমেলে ব্যাপার দেখছি।”
“আজ্ঞে, ভগ্নীপতিদের শালা থাকেই।”
→হেতমগড়ের গুপ্তধন
বড়বাবু জিব কেটে বললেন, “আজ্ঞে না, উনি সেক্ষেত্রে হবেন ভগ্নীপতি।”
“বললেই হল?”
নবতারণ আবার কটমট করে তাকান। তারপর একটু ভেবেচিন্তে বললেন, “না হয় তাই হল। কিন্তু শালাটা তাহলে কী করে হচ্ছেন?”
বড়বাবু গলা খাকারি দিয়ে বললেন, “ওঁর এক দিদি আবার আমার স্ত্রী কিনা।”
“তাতে কী হল? ওঁর দিদি আপনার স্ত্রী মানে আপনি ওঁর কী হলেন?”
“ভগ্নীপতি।”
“তাহলে শালাটা আসছে কোত্থেকে? এ তো ভারী গোলমেলে ব্যাপার দেখছি।”
“আজ্ঞে, ভগ্নীপতিদের শালা থাকেই।”
→হেতমগড়ের গুপ্তধন
May 11, 2020
মাধব বাবু হচ্ছেন একসমযকার হেতেমগড়ের রাজকুমার । হেতেমগড় এক সময়ে বিশাল জমিদারি থাকলেও নদীর তলে হারিয়ে গিয়েছে । মাধব বাবু এখন তার বোনের বাসায় থাকে । খুবই রাগ তার । বিয়ে রাতে তার শালীদের ঠোট্টার কারণে সে সেই যে শশুরবাড়ি ত্যাগ করেছেন আর ফিরে যান নি । এক সকালে সে রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে যায় । এবং তারপর থেকেই নানান কন্ডকারখানা ঘটতে থাকে একেরপর এক । এক সময়ে মাধব বাবু আবারও গিয়ে হাজির হয় সেই হেতেমগড়ের জঙ্গলে । সেখানে গিয়ে আবারও তাদের সেই জমিদার বাড়ি আবিস্কার করেন । বইটা পড়তে পড়তে কতবার যে আমি হেসেছি সেটা ঠিক নেই । ছোটদের বই হলেও আমার বইখানা খুবই চমৎকার লেগেছে । ছোটদের বই অবশ্য । তবে আপনার ছেলে মেয়েদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোমার জন্য এই রকম মজার বইয়ের কোন বিকল্প নেই ।
September 8, 2024
খুব মজার একটা উপন্যাস।
সকালে সাইকেল চালাতে বের হচ্ছিলাম। এখন গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালানোর চাইতে অডিও বুক শুনতে শুনতে সাইকেল চালানো অনেক বেটার। তাই, হুট করে এটাই নামিয়ে ফেলি, তাড়াহুড়োয় খালি দেখি লেখক, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
আমি এর আগে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কোন বই পড়ি নাই। মনেমনে ভাবছিলাম, এনার উপন্যাস যদি শরৎচন্দ্রের মতন হয়! কঠিন বাংলা। কিন্তু তেমনটা হয় নাই, খুবই সাবলীল আর সবচেয়ে বেশি লেগেছে সানডে সাসপেন্সের ন্যারেটের কারণে। সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। পারফেকশন এনে দিল একদম।
সানডে সাসপেন্স কখনই নিরাশ করে না।
আর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখাও ভাল লেগেছে, দেখি ওনার আরো বই এক এক করে পড়ব ইনশাআল্লাহ।
সকালে সাইকেল চালাতে বের হচ্ছিলাম। এখন গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালানোর চাইতে অডিও বুক শুনতে শুনতে সাইকেল চালানো অনেক বেটার। তাই, হুট করে এটাই নামিয়ে ফেলি, তাড়াহুড়োয় খালি দেখি লেখক, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
আমি এর আগে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কোন বই পড়ি নাই। মনেমনে ভাবছিলাম, এনার উপন্যাস যদি শরৎচন্দ্রের মতন হয়! কঠিন বাংলা। কিন্তু তেমনটা হয় নাই, খুবই সাবলীল আর সবচেয়ে বেশি লেগেছে সানডে সাসপেন্সের ন্যারেটের কারণে। সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। পারফেকশন এনে দিল একদম।
সানডে সাসপেন্স কখনই নিরাশ করে না।
আর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখাও ভাল লেগেছে, দেখি ওনার আরো বই এক এক করে পড়ব ইনশাআল্লাহ।
November 17, 2023
P.R: 3.75/5
অদ্ভুতুড়ে সিরিজ নিয়ে আসলে নতুন করে কিছু বলার নেই। সিরিজের প্রত্যেকটি বই উপভোগ্য। কোনটা হয়তো কম মজার বা কম ভালো কিন্তু খারাপ বলা চলে না কোনটাকেই। হেতমগড়ের গুপ্তধন সিরিজের প্রথম বইয়ের মত হাস্যরসে ভরপুর না থাকলেও এক মজাদার অদ্ভুতুড়ে গল্প বটে। মুখ্য প্রায় সবকটা চরিত্রই ভালো লেগেছে। শর্ট-টেম্পারড মাধববাবু, ঝামেলা পাকানো + ঝামেলা মিটানো বানর ঘটোৎকচ, সাহসী কিন্তু শালা-সম্বন্ধির সম্পর্ক নিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলা দারোগা নবতারণ, নাকের পো-এর মত সুড়সুড়ে ভুত নন্দকিশাের- সবাই সবার জায়গায় মাতিয়ে তুলেছেন।
অদ্ভুতুড়ে সিরিজ নিয়ে আসলে নতুন করে কিছু বলার নেই। সিরিজের প্রত্যেকটি বই উপভোগ্য। কোনটা হয়তো কম মজার বা কম ভালো কিন্তু খারাপ বলা চলে না কোনটাকেই। হেতমগড়ের গুপ্তধন সিরিজের প্রথম বইয়ের মত হাস্যরসে ভরপুর না থাকলেও এক মজাদার অদ্ভুতুড়ে গল্প বটে। মুখ্য প্রায় সবকটা চরিত্রই ভালো লেগেছে। শর্ট-টেম্পারড মাধববাবু, ঝামেলা পাকানো + ঝামেলা মিটানো বানর ঘটোৎকচ, সাহসী কিন্তু শালা-সম্বন্ধির সম্পর্ক নিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলা দারোগা নবতারণ, নাকের পো-এর মত সুড়সুড়ে ভুত নন্দকিশাের- সবাই সবার জায়গায় মাতিয়ে তুলেছেন।
Displaying 1 - 30 of 68 reviews






























