This novel is the first P. K. Basu story by Sanyal, though he called it as a "trial ball". Here, Basu is shown to be an old, unmarried man; who solves the death mystery of a businessman. Sujata, who is an essential character of the following stories, was accused of murder.
Narayan Sanyal (bn: নারায়ণ সান্যাল) was a well-known & versatile writer of modern Bengali literature. He received several awards for literature including Rabindra Puraskar for Aporupa Ajanta (Bangla: অপরূপা অজন্তা) in 1969, Bankim Puraskar for Rupmonjori (Bangla: রূপমঞ্জরী) in 2000, and Narasingha Dutta Award. Many of his books were filmed and he won the Best Film Story Writer Award for Shotyokam (Bangla: সত্যকাম) by Bengal Film Journalists.
Sanyal wrote numerous books that dealt with many topics, such as children, science, art and architecture, travels, psychiatry, technology, refugee problems, history, biographical pieces, encyclopedia of animals, social novel and Devadasi-related. He also wrote a series of detective fiction called the Kanta (Thorn) series, the framework of which was borrowed from the Perry Mason series of novels by Erle Stanley Gardner. Some of the stories were inspired from popular Agatha Christie novels like Mousetrap, ABC Murders, etc.
Interestingly, this talented author also preferred writing books on deep shadow of many world famous works. One of the most popular Sci-Fictions Nakshatraloker Debatatma (Bangla: নক্ষত্রলোকের দেবাত্মা) is based on the transformation of human race from primitive creature to civilized intelligent species controlling the whole earth. Then it deals with Jupiter exploration and a super intelligent Computer HAL. The three parted book is a clear shadow of 2001: A Space Odyssey by Arthur C. Clarke. In his book, NS renamed HAL as 'Jantra-Na.' In his mother tongue Bangla, it means 'Not a Machine'.
His most popular work is Biswasghatak (Bangla: বিশ্বাসঘাতক) written about the Manhattan project that developed the first US Atom Bomb. This book is based on the shadow of Brighter than a Thousand Suns: A Personal History of the Atomic Scientists (1970), by Austrian Robert Jungk. Not a shadow, but almost translation in some parts. Few of the illustrations in this book have been taken from few Russian school level books.
Another book Timi Timingil (Bangla: তিমি তিমিঙ্গিল) is on Whales. This stands on an article published in Readers Digest. But while NS accepted this for Timi Timingil, he never mentioned or thanked authors of 2001 or Brighter.
Most of the "Kanta" series stories were copied or heavily inspired from Perry Mason novels. For example, "Ristedar-er Kanta" was copied from The case of the beautiful beggar, "Abhipurbak Ni-Dhatu Au-er Kanta" was inspired from The case of the restless redhead. Some of the stories were inspired from Agatha Christie stories. For example, "Dress Rehearsal-er Kanta" was inspired from Three Act Tragedy. NS acknowledged his inspirations in his first few "Kanta" series books, but forgot to do so for the latter ones.
Thousands of NS fans feel sorry of this as a man of his talent could have developed something even better instead of just 'Copying' and retouching others works while he had indeed produced some excellent works himself.
But it is undoubtedly accepted by all that NS was one of the finest authors in Bengali and he was a class apart from the flock of contemporary Bengali writers those who too dependent on sentiment and emotional overdose in their writings and too dependent on monopolist Bengali media/publication groups in commercial front.
নাগচম্পার কেসটায় কৌশিক আর সুজাতা যে কাঠগড়ায় উঠেছিল তার আভাস দু-এক লাইনে সিরিজের বেশ কয়েকটি গল্পে ছিল বলেই নাগম্পার প্রতি তীব্র আকর্ষণ ছিল। কাঁটা সিরিজের প্রথম বই হলেও সমগ্রতে অনুপস্থিত ছিল বলে পড়া হয়নি। আসলে প্রথমদিকে আসলেই পড়তাম সিরিজটা, রেডিও মিলনে হয়নি এমন কয়েকটাও পড়া তবে এখন সিরিজটা শুনতেই বেশি ভালো লাগে। নাগচম্পা ফুঁটতেই তাই দেরি না করে দর্শন করে নিলাম। এককথায় ‘মোর দ্যান এক্সপেক্টেশন’ ছিল। কাহিনীর ভূমিকা বেশ বড়, চরিত্রগুলোর সঙ্গে বেশ ভালোমতোই পরিচয় করিয়ে দিয়ে অনেক পরেই একটা খুন শেষমেশ হয়। তাও খুব সাদামাটা ‘আত্মরক্ষার্থে খুন’। তবে সাদামাটা খুনটার আসামি যখন ১৮০° ঘুরে গেল তখন খানিকটা প্যাচালো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করলে মেওয়া ফলবেই! একটু বেশিই অপেক্ষা করাল তবে বাসু সাহেবের আগমনের পূর্বে কুশীলবদের ড্রামা কিংবা কোর্টরুম ড্রামা কোনোটাই বোর করেনি প্রায় ৮ঘণ্টার এই বিশাল আয়োজনে।
এক নং কাঁটা হয়ে থাকল পুরো সিরিজ শেষে পড়া শেষ কাঁটাটা আমার! এই কদিনে পুরো কাঁটা সিরিজ পড়ে শেষ করেছি। নারায়ণ সান্যাল আমার অত্যন্ত পছন্দের লেখক। তাঁর এই কাঁটা সিরিজের কথা আগে শোনা থাকলেও পড়া হয়ে ওঠে নি। এক্সামের মাঝে খুব ভারী কিছু পড়তে ইচ্ছে করছিল না। তাই হাতে বলা ভালো ফোনে তুলে নিয়েছিলাম কাঁটা সিরিজ। রহস্য, রোমাঞ্চ, মজা, অ্যাডভেঞ্চার, দর্শন সব মিলিয়ে অত্যন্ত সুপাঠ্য একটা সিরিজ। যাঁরা ফেলুদা, ব্যোমকেশ এর ভক্ত তাঁদের এই সিরিজটাও ভালো লাগার কথা। এখানেও কয়েকটি কমন চরিত্র রয়েছে। ব্যারিস্টার পি কে বাসু, মিসেস বাসু, কৌশিক, সুজাতা আর বিশে। কাজেই চরিত্রগুলোর সাথেও বেশ একটা আপন আপন সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।
নারায়ণ সান্যাল রচিত গ্রন্থের তালিকাটা দেখলে চোখে রীতিমত ধাঁধা লাগে। বিষয় নির্বাচনের বহর তাকিয়ে দেখবার মত। মনোবিজ্ঞান, উদ্বাস্তু সমস্যা, গোয়েন্দা গল্প, প্রয়োগবিজ্ঞান, সামাজিক উপন্যাস, শিশু ও কিশোর সাহিত্য, এসপিওনাজ, চিত্রশিল্প, স্থাপত্য ও ভাস্কর্য, জীব-জন্তুর এনসাইক্লোপিডিয়া, কী না নিয়ে লিখেছেন তিনি! এই ‘নাগচম্পা’ বইতেই তিনি ইংরেজী ভাষার একটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন, ‘আ ম্যান ইজ নোন বাই দ্যা বুকস হি কিপস’; সংগ্রহশালার বই দেখে বইয়ের মালিককে না হয় চেনা যায়। রচনাকৃত গ্রন্থ তালিকা দেখে লেখককে কতটুকু কী চেনা যায় কে জানে? এত রকম লেখা লিখেছেন কিন্তু লেখার বিষয়ের তারতম্যের সাথে সাথে তাঁর লেখার মানের তারতম্য খুব একটা ঘটতে দেখিনি। পূর্বেই তাঁর ‘গজমুক্তা’, ‘লাডলী বেগম’, ‘বিশ্বাসঘাতক’, ‘হিন্দু না ওরা মুসলিম’ এই বইগুলো আমাকে মুগ্ধ করে রেখেছিলো। সেই মুগ্ধতা আরো কয়েকগুণ বাড়লো গোয়েন্দা গল্পের উপন্যাস ‘নাগচম্পা’ পড়ে।
ব্যক্তিজীবনে নারায়ণ সান্যাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ‘নাগচম্পা’ উপন্যাসে তিনি তাঁর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জ্ঞান খুব কাজে লাগিয়েছেন! সচরাচর গোয়েন্দা কাহিনী কোন একটি নির্দিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক সরলরেখায়ই চলতে থাকে। এদিক দিয়ে এই উপন্যাসটি একটু ব্যতিক্রম। এখানে একাধিক ঘটনা সমান্তরাল ভাবে চলে শেষে একটি বিন্দুতে গিয়ে মিলিত হয়ে রহস্য ঘনীভূত করেছে। উপন্যাসটিকে মোটামুটি দুটি অংশে ভাগ করা যায়, যদিও এমন কোন বিভাজন বইতে মোটেই নেই। প্রথমাংশে আছে দেশের প্রয়োজনের তুলনায় অধিক গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ারদের হতাশার গল্প। স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর নতুন দেশকে গড়ে তোলার জন্য ভারতের রাজনীতিবিদরা পাঁচ বছর মেয়াদী দীর্ঘকালীন প্ল্যান করেন। এই মাস্টারপ্ল্যানের অন্যতম একটি ভিত্তি হল প্রচুর ইঞ্জিনিয়ার উৎপাদন, যাঁরা কল-কারখানা, প্রযুক্তি প্রভৃতি দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। যে সময়ে এই বইটি লেখা, সেই ১৯৬৯ সালের বাস্তবতা কিন্তু অন্যরকম। ভারত সরকার ঘোষণা করে তাঁদের হিসেবের চেয়ে দেশে এখন পাশ করা ইঞ্জিয়ারের সংখ্যা প্রচুর, যাদের চাকরীর সংকুলান তাঁরা করে উঠতে পারবেননা সামনের কিছু বছরের মাঝে। দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া কৌশিক মিত্র আর তার সহপাঠীরা প্রচণ্ড মন্দার অর্থনীতিতে খাবি খায় রীতিমত। এই সম্ভাব্য ইঞ্জিনিয়ারদের কেউ এখন বাটার দোকানে জুতোর সেলসম্যান, কেউ ডাকাতির দায়ে জেলে বন্দী আর কেউ মাটি কাটার শ্রমিক! কৌশিক মিত্র ট্যাক্সি ড্রাইভার। অস্থির এই সময়ের গল্পে নারায়ণ সান্যাল প্রায়ই নিজে উপস্থিত থেকে উত্তম পুরুষে বলেছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। শুনিয়ে দিয়েছেন যে কোন একটা চাকরীর জন্য প্রকৌশল বিদ্যার মেধাবী এই ছাত্রদের হাহাকার আর ভোট জেতার তরে দুর্নীতিবাজ কোটিপতি ব্যবসায়ীর সাথে রাজনীতিবিদের একাট্টা হবার ‘ডিল’ শেষে তাদের ওয়াইনের গ্লাসের ঠোকাঠুকির আওয়াজ। খুব নিষ্ঠুর শোনায় সেই গল্প।
উপন্যাসের দ্বিতীয় অংশ প্রায় পুরোটাই ‘কোর্টরুম ড্রামা’! এখানে নায়ক একজনই। তিনি ১৫ বছর আগে অবসর নেয়া ৭৮ বছর বয়েসী প্রবীণ আইনজীবী প্রসন্নকুমার বাসু ওরফে পি কে বাসু, এ গল্পের রহস্য ভেদকারী। ক্ষুরধার বুদ্ধির অধিকারী পি কে বাসু তো আসলে গোয়েন্দাই!অদ্ভুত তাঁর পর্যবেক্ষণ আর যুক্তির প্রয়োগ। গোয়েন্দা বললেই বোধহয় আমাদের মন খুব তরুণ কারো কথা ভেবে নেয়। পি কে বাসু এদিকে এক প্রচণ্ড ব্যতিক্রম। আটাত্তর বছরের বৃদ্ধের মস্তিষ্ক কিন্তু নিখুঁত হিসেব কষতে আর সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে কোনক্রমেই পিছিয়ে নেই! আদালতে পি কে বাসুর কার্যকলাপের বর্ণনা হলিউডের কোর্টরুম ড্রামা ঘরানার অনেক ছবির কথা মনে করিয়ে দেয়! চরিত্রটির আবির্ভাবই আসলে বেশ সিনেম্যাটিক। এমন অসংখ্য ছবি আমরা কখনো না কখনো দেখেছি, যেখানে নায়ক (কিংবা নায়িকা) এমন একটি চরিত্র, যার ওপর ঠিক ভরসা করা যায়না, কিন্তু কাহিনীর শেষে ঠিকই বুঝিয়ে দেয় কেন সে-ই কেন্দ্রীয় চরিত্র। পি কে বাসু চরিত্রটিও অনেকটা এমন। যে আইনজীবী ১৫ বছর আগে শেষ মামলা লড়েছেন, তাঁর ওপর আর কি ভরসা করা যেতে পারে? এমন চরিত্র ক’টা আছেন যারা গোটা বইয়ের কলেবরের অর্ধেকে এসে আবির্ভূত হন আর শেষে অন্য সবাইকেই ছাপিয়ে যান? সংশয়বাদী পাঠক হয়তো পি কে বাসু কে 'অতিনায়ক' ভেবে বসতে পারেন, নিশ্চিত থাকুন, তিনি একেবারেই তা নন!
'নাগচম্পা' নারায়ণ সান্যাল রচিত গোয়েন্দা কাহিনীর 'কাঁটা সিরিজ' এর 'ট্রায়াল বল' বা পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা। পি কে বাসু এরপর আরো উনিশটি রহস্যের কাঁটা তুলেছেন। সে হিসেবে 'নাগচম্পা' কাঁটা নং শূন্য। কিছু অসঙ্গতি ছিলই তবে লেখক নিজে না বলে দিলে সেগুলো এমনি নির্ধারণ করাটা বোধহয় একটু কঠিনই, অন্তত আমার জন্য তাই ছিলো। সবশেষে, পি কে বাসুর শূন্যতম কিস্তি কেমন লাগলো? ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতাম বিশের কোঠায় বয়স হলে ফেলুদা হব! ত্রিশ-চল্লিশ হলে হবো ব্যোমকেশ। এখন মনে হয় ভাববো, বয়েস স��্তর হলে পি কে বাসুই হবো!
পি কে বাসু কে নিয়ে নারায়ণ সান্যালের কাঁটা সিরিজ এর প্রথম কাহিনী নাগচম্পা; যদিও লেখক তাঁর এই উপন্যাসটিকে 'ট্রায়াল বল' হিসেবে অভিহিত করেছেন! একটানা পড়ে ফেললাম। বেশ লাগল। সেই সাথে সিরিজের অন্যান্য কাহিনীগুলোর প্রতিও যথেষ্ট আগ্রহী করে তুলল এই উপন্যাস।
নারায়ণ সান্যালের কাঁটা সিরিজের প্রথম কাহিনী ‘নাগচম্পা’ যেখানে পি কে বাসুর আবির্ভাব ঘটে যদিও লেখক একে 'ট্রায়াল বল' বলেই দেখেছেন। উপন্যাসটি একটানে পড়ে ফেললাম। দারুণ লেগেছে। সেই সঙ্গে সিরিজের বাকি কাহিনিগুলো পড়ার আগ্রহও বেড়ে গেল অনেকটা।
নারায়ণ সান্যালের ‘নাগচম্পা’—১৯৬৮ সালে প্রথম প্রকাশিত—বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে এক অভিনব মোড় এনে দেয়। এটি কাঁটায়-কাঁটায় সিরিজের প্রথম কিস্তি, যেখানে পাঠকের সামনে আবির্ভূত হন ব্যারিস্টার পি. কে. বসু—একজন বয়স্ক, অবিবাহিত আইনজীবী, যিনি শুধুমাত্র বিচারপ্রক্রিয়ায় নয়, গোয়েন্দাগিরিতেও অনায়াস দক্ষতায় পাঠককে চমকে দেন।
আমি স্বয়ং, ব্যারিস্টার বসুর সঙ্গে পরিচিত হই ১৯৯৮ সালে। সান্যাল নিজে প্রকৌশলী ছিলেন, এবং তাঁর এই পেশাগত অভিজ্ঞতা উপন্যাসে টেকনিক্যাল বুনোটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নিপুণভাবে। নাগচম্পার রহস্য শুধুমাত্র কে করল, কেন করল এই সরল প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এখানে রয়েছে একাধিক সমান্তরাল কাহিনি, চরিত্রের ছদ্মবেশ, প্রতারণা, এবং আইনত ও সামাজিক সংকটের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা এক মারাত্মক জটিল রহস্য। সান্যাল সেই জটিলতাকে পাঠকের জন্য কখনো দুর্বোধ্য করে তোলেন না—তিনি চান পাঠক তাঁর সঙ্গে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলুক।
‘নাগচম্পা’-তে একটি সন্দেহজনক ব্যবসায়ীর মৃত্যু, এক নারীর উপর খুনের অভিযোগ, এবং একটি ছদ্মবেশী চরিত্রের উপস্থিতি—এই তিনটি স্তম্ভকে ধরে গল্প এগোয়। বসুর আইনজীবীসুলভ শাণিত যুক্তি, তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণক্ষমতা, এবং মানবমন বিশ্লেষণের দক্ষতা—সব মিলে পাঠক এক আবিষ্ট রোমাঞ্চে আটকা পড়ে থাকেন। তাঁর চরিত্রে কোথাও শার্লক হোমসের পর্যবেক্ষণ, কোথাও পেরি মেসনের আদালতের কারসাজি, আবার কোথাও বা সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদার rationalism ধরা পড়ে।
সান্যালের ভাষা সংযত, সংলাপভিত্তিক, এবং চরিত্রদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ক্লাসিকাল রহস্য উপন্যাসের শৈলী পাঠককে কিছুটা ব্রিটিশ ডিটেকটিভ ফিকশনের আবহে নিয়ে যায়। কিন্তু তাতে একফোঁটাও কৃত্রিমতা নেই। বাংলা ভাষার প্রেক্ষিতে, নাগচম্পা একপ্রকার সাহিত্যের স্বাদে লেখা বুদ্ধিদীপ্ত রহস্যোপন্যাস।
ব্যারিস্টার বসুর আবির্ভাব, কেবল এই উপন্যাসে নয়, বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের পরবর্তী বিকাশেও গভীর ছাপ ফেলে যায়। তাঁর যুক্তিনির্ভর পদ্ধতি, আদালতের মধ্যে ও বাইরে সমান সাবলীল উপস্থিতি, এবং সামাজিক বাস্তবতার সাথে খুনের কাহিনির অদ্ভুত মেলবন্ধন—সব মিলিয়ে নাগচম্পা একেবারে ক্লাসিক। এটি শুধুমাত্র রহস্যভেদ নয়, আইন, সমাজ ও মনস্তত্ত্বের গভীর সংলাপ।
পড়া শেষে মনে হয়, এ বইয়ের নাম ‘নাগচম্পা’ শুধু একটা উপমা নয়—একটা ধোঁয়াশার সুগন্ধ, যা শেষ পৃষ্ঠা অবধি লেগে থাকে পাঠকের নাকে-মনে।
কাঁটা সিরিজের প্রথম বই। আলাদা করে কিছু বলার নেই, সান্যাল বাবুর কলমের সঙ্গে সবাই পরিচিত। শব্দ দিয়ে তিনি কী করতে পারেন আমরা সবাই জানি। নারায়ণ সান্যাল বাবুর কলমের ধারে এবং ভারে এই উপন্যাসটি বেশ ভালোমত উৎরে গেছে। লক্ষনীয় বস্তু যেটা সেটা হল এই, শুরুতে এই উপন্যাস বেশ ঢিমেতালে চলছিল, তারপর যখন আদালতের দৃশ্যাবলী শুরু হল, তখন এই উপন্যাস যেন বুলেট ট্রেনের গতি ধারণ করল। ব্যস এই আর কি।
কাঁটা সিরিজের শুরুটা মন্দ হয়নি। রহস্যোপন্যাস হিসেবে চমৎকার। কাহিনী বিন্যাসের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়, চমৎকার, অনবদ্য। আশা রাখি সিরিজের অন্যান্য বই গুলোও এটার মতো উপভোগ্য হবে।
"নাগচম্পা", কাঁটায় কাঁটায় সিরিজের প্রথম উপন্যাস বা পি.কে. বাসুর প্রথম আবির্ভাব । লেখকের ভাষায় "ট্রায়াল বল"। "যদি জানতেম" সিনেমা এই বই কে কেন্দ্র করেই বানানো ।
যদিও বই পড়ে বোঝা যাবে, সিনেমা তে অনেকাংশে বাদ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই বই পড়ে, পি.কে বাসুর মোহে পড়তে বাধ্য হতে হয়।
This is probably the first book of his in the 'Kanta' series. The characters of Basu's subordinate detectives were introduced in this book through solving a case involving them. The characters were modified in the next books in the 'Kanta' series. It seems that detective novels of many other authors inspire Sanyal to have his own. Though we can not say that the attempt for the same is very enchanting, but somehow course of navigating through the plot was gripping and cinematic. As a result, a Bengali movie was made based on this.