Jump to ratings and reviews
Rate this book

ফাঁদ

Rate this book

88 pages, Hardcover

First published January 1, 2003

3 people are currently reading
72 people want to read

About the author

Anisul Hoque

311 books168 followers
Anisul Hoque (Bangla: আনিসুল হক) is a Bangladeshi screenwriter, novelist, dramatist and journalist. He graduated from Bangladesh University of Engineering and Technology, trained as a civil engineer.

His inspiration in journalism and writing started during his student life. After his graduation he joined to serve as a government employee but resigned only after 15 days. Instead he started working as a journalist. He attended the International Writing Program at the University of Iowa in 2010. Currently, Hoque is working as an Associate Editor of a Bengali language daily, Prothom Alo.

His novel মা was translated in English as Freedom's Mother. It was published in Maithili too. He was honored with Bangla Academy Award in 2011.

Also: আনিসুল হক

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
18 (21%)
4 stars
26 (31%)
3 stars
27 (32%)
2 stars
10 (12%)
1 star
1 (1%)
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
Profile Image for Tanbeer Ahmed.
35 reviews27 followers
February 2, 2025
দশতলার ছাদ থেকে 'ম' নামক ব্যক্তি পড়ে যাচ্ছে নিচে৷ প্রত্যেক তলায় উন্মোচিত হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন গল্প। সব মিলিয়ে কাম, ক্রোধ, আনন্দ, দুঃখ, হতাশা, সন্দেহ, বিষণ্ণতায় মোড়া এক আখ্যান। এই বই কেনো এতো আন্ডারেটেড আমার জানা নেই।
Profile Image for Chayan Biswas.
35 reviews13 followers
October 18, 2020
বইঃ ফাঁদ
লেখকঃ আনিসুল হক
ধরনঃ উপন্যাস

প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক আনিসুল হকের লেখা ফাঁদ উপন্যাস পড়ে শেষ করলাম। আনিসুল হকের আর একটা বিখ্যাত উপন্যাস মা পড়ার মাধ্যমে লেখকের সাথে পরিচয়। এরপর তার অনেক গুলো উপন্যাস পড়েছি। ফাঁদ বইটি অনেক আগে লেখা হলেও আমি পড়লাম অনেক পরে। বইটি মনে দাগ কেটে গেছে আমার তার অনেক গুলো কারন আছে।

আনিসুল হক অনেক সৃজনশীল লেখক। নতুন কাহিনী এবং প্লট নির্বাচনে তিনি অনেক ব্যতিক্রমী ক্ষমতার অধিকারী। এই বইতে ও তিনি সৃজনশীল প্লট এবং চরিত্র অঙ্কন করেছেন। তিনি যে চরিত্র সৃষ্টি করেছেন তার আসলে কোনো নাম নেই। কিন্তু যা আছে তার ভিতর থেকেই বের হতে থাকে নানা ঘটনা এবং নানা চরিত্র।

মনে করেন আপনি আত্মহত্যা করতে গেছেন যেকোনো উপায়ে, তখন আপনার মনে নানা রকম অনুভূতি, স্মৃতি এসে আঘাত করবে। আপনি আপনার অতীত, বর্তমানের সব স্মৃতি মনে করবেন। আপনি শত চেষ্টাতেও তখন তা মন থেকে মুছে ফেলতে পারবেন না।

এ রকম এক আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যা কারীর অতীত, বর্তমান নিয়ে লিখিত হয়েছে ফাঁদ উপন্যাস। মধ্য চল্লিশের এক ভভ্রলোক, যার নাম ’ম’, বাড়ির দশ তলা থেকে আত্মহত্যা করার জন্য লাফ দেয় নীচে। আত্মহত্যার জন্য লাফ যখন দিয়েছেন তখন মৃত্যুই তার একমাত্র পরিনতি। কিন্তু ছাঁদ থেকে পতনের সময় দশ তলা বাড়ির এক একটি তলার পাশ দিয়ে যাবার সময় দশটি ভিন্ন ভিন্ন পরিবার বা ব্যক্তিকে ঘিরে যে চিন্তা ’ম’এর মনে ঘুরপাক খায় , এই নিয়ে একশ চার পৃষ্ঠার এ বইটি।

খুব অল্প কথায় দশটি ভিন্ন জীবনের মর্মবোধ ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। দশম তলায় আমরা দেখতে পাই সুবিধা বাদী ব্যবসায়ী হাফিজ তালুকদারকে। লেখক হাফিজ কে ’ম’ এর দৃষ্টিতে বর্ননা করেছেন এভাবে- ’হাফিজ তালুকদার সাদা পাঞ্জাবীর উপরে কালোপনা হাতাহীন ফতুয়া চাপাচ্ছে। মুজিবকোট! ফিক!’ হাফিজ তালুকদার নিজের ভোল পাল্টে সমাজের অধিপতি হয়েছে আজ। লেখক এখানে বলেছেন- ” হাফিজ তালুকদার টিকে আছে হাতির মত, আর সে, ’ম’ টিকে আছে তেলাপোকার মত। আসলে লেখক এখানে হাফিজ তালুকদারকে রুপক অর্থে ব্যবহার করেছেন। ¯স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে শব্দের ঝলকানি দেখলে লেখকের প্রতি আপনারা মুগ্ধ হবেনই।

দশতলার পর নবম তলা, বাতাস লাগছে ’ম’এর কানে। সে এখন নবম তলায়, তার পা উপরের দিক এবং মাথা নীচের দিক। নয়তালার জানলা দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ’ম এর সামনে দাঁড়ানো সুভদ্রা। চিত্রনায়িকা সুভদ্রা , কর্কটরোগ যার দেহের সুন্দরতম একটি অংশ ছিনিয়ে নিয়েছে। সমাজের সফল ব্যক্তিদের নিয়ে সাধারণেরা যে নোংরা আচরণ করে, লেখক রীতিমত কর্কশ ভাবে তার প্রতিবাদ করেছেন সুভদ্রা চরিত্রের মাধ্যমে। লেখক সেলিব্রেটিদের নিয়ে সাধারন মানুষদের মনে যে হিপোক্রেসি আছে তার মূলে আঘাত করেছেন কঠিন ভাবে।

সুবোধকাকুর কথা বর্নিত হয়েছে অষ্টম তলায়। আচ্চা দেশভাগের সময় অনেক হিন্দু এ দেশ থেকে পাড়ি জমিয়েছিল ভারতে। ভারত থেকে তারা ভাবে সীমান্তের ওপারে একটা শিকড় আছে। যে শিকড়ে একটা ভিটে বাড়ি, মাটির তুলসীমঞ্চ, নারকেল গাছ ছাওয়া উঠোনের গল্প আছে। একটা ফেলে আসা প্রজন্মের সবকিছু হারিয়ে যাওয়া। এই অষ্টম তলায় বর্নিত হয়েছে সেরকম দেশভাগের যন্ত্রনায় ক্লিষ্ট নিজ দেশে পরবাসী এক হিন্দু ভদ্রলোকের উপাখ্যান। বিশ বছর পরও যা এখনও পাল্টায়নি।

সাহিত্য সম্পাদক কবীর আসেমীর প্রতিবাদী জীবন ফুটে উঠেছে সপ্তম তলায়। ব্যক্তিগত জীবনের টানপোড়ন ও জীবন যুদ্ধের কথা তুলে ধরেছে লেখক এখানে।

একটি পেইন্টিংকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে ষষ্ঠ তলার গল্প। পড়ন্ত ভদ্রলোক ’ম’একটি পেইন্টিং দেখে স্বীয় জীবনের সাংসারিক ব্যর্থতা, বিকৃত যৌনচিন্তা এবং সন্দেহপ্রবনতা উগরে দিতে থাকে। মিড লাইফ ক্রাইসিসের মূল সুর এ তলার ।

পঞ্চম তলার গল্প সদ্য তরুনী শান্তার , যার প্রতি পড়ন্ত ’ম’ যে তীব্র আকর্ষন অনুভব করেন। পড়ন্ত ’ম’এর মনে যে নতুন ভালবাসার অপ্রাপ্তিজনিত দীর্ঘশ্বাস, এটাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে।

সাসপেন্সে পরিপূর্ণ ক্রাইম থ্রিলারের অনুরুপ ডাক্তার ও তার রুচিশীলা স্ত্রীর গল্পটি চতুর্থ তলার।

প্রতিবাদী, শিক্ষিতা তরুণী খুকুর গল্প তৃতীয় তলার। খুকুর জীবন সমাজের বিষাক্ত নখরাঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ভুল সময়ে ভুল জায়গায় থাকার কারনে।

’ম’ পড়তে পড়তে দ্বিতীয় তলায় উপস্থিত হলে ষষ্ঠ তলার সেই পেইন্টিং তার চোখে পঢ়ে। দ্বিতীয় তলার কাহিনী এই পেইন্টিং নিয়ে। উপর তলার পেইন্টিং স্ত্রীর বান্ধবীর বাসায় দেখে সন্দেহের যে বিষবাষ্পের সৃষ্টি হয়েছিল তার পরিনতি ঘঠে এখানে।

পিতা-কন্যার বিবর্তনের হৃদয়ছোয়া বিবরন নিয়ে লেখা প্রথম তলার গল্প। প্রথম তলা ’ম’ এর নিজের বাসা। পিতা-কন্যার সম্পর্ককে লেখক অত্যান্ত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন এ অংশে, যা পাঠকদের ভীষন ভাবে স্পর্শ করবে।

পাঠ-প্রক্রিয়াঃ ফাঁদ উপন্যাস টি লেখক ইচ্ছা করলে অনেক বড় করে লিখতে পারতেন। দশটি গল্পকে যদি তিনি আলাদা আলাদাভাবে লিখতেন তাহলে সুদীর্ঘ উপন্যাস সৃষ্টি করতে পারতেন। প্রতিটি গল্পে লেখকের নিজস্ব জীবনবোধ এবং তার থেকে নিঃসৃত উক্তি আপনাকে বিমোিহত করবে।

ফাঁদ একই সাথে নাগরিক সমাজের গল্প, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের গল্প। মাত্র একশ পাতায় লেখক একটা গোটা শহরের হৃৎপিণ্ডকে ধারণ করেছেন, সেই সাথে উত্তর খুঁজেছেন জীবনের অব্যক্ত প্রশ্নগুলোর। জীবনের নাগপাশে আবদ্ধ মানুষের মর্মযন্ত্রনার নিখুঁত চিত্রণ ফাঁদ।

এ উপন্যাস এক কালো কমেডি, পরিহাসের ছলে জানিয়ে দিচ্ছে -ভালবাসা, যৌনতা, দাম্পত্য, ঈর্ষা, দেশপ্রেম, অঙ্গীকার, বাৎসল্য, রাজনীতি সব কিছু কত অর্থহীন, কতো হাস্যকর, কী দূর্বীষহ। মুমূর্ষুর অকপট চোখে ধরা পড়েছে জীবনের সব ভন্ডামো। বেরিয়ে পড়েছে আমাদের সব নগ্নতা।

হ্যাপি রিডিং ♥♥♥
পৃথিবী হোক বইময় ♥♥♥
Profile Image for হাসান নাহিয়ান নোবেল.
105 reviews170 followers
October 17, 2019
কাঠ-কাঠ স্বরে:
সে অনেককাল আগের কথা, আমি একদিন এ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রির সামনে দিয়া হাঁইট্টা যাইতেসি, তখন ইবরাহিমে আমারে উপ্রে থেইকা ডাইকা কয়, নোবেল দাঁড়া আমি নামতেসি। আমি জানি হ্যায় উপ্রে থেইকাই ডাকবো, আর আমার সাথে কথা বলার জন্য তারে আমার লেভেলে নাইমা আসা লাগবো, কাজেই আমি খাড়ায়া খাড়ায়া অপেক্ষা করলাম, হ্যায় নাইমা কী কয় শোনার জন্য।

কইলো, ফাঁদ হইতেসে ‘আনিস ভাই’-এর সেরা বই। হেইডা আউট অফ প্রিন্ট, ক্যামনে জানি প্রথম আলোর সাদা বিল্ডিংএর নিচতলায় একখান পইড়া ছিল, ইবরাহিমে হেইডা ম্যানেজ কইরা নিসে।


আহমাদ-ওমর-আমি মিলে একদিন তাদের বাসা তন্নতন্ন করে ফেলসিলাম, বইটার জন্য। পাইনি। শেষে তাদের বোনের বাসা থেকে বইটা উদ্ধার করা হল। বাসায় ফিরে পাগলের মত পড়া শুরু করলাম আমি!

বইটা বস্তুত খারাপ না, ভালো, বেশ ভালো। আনিসুল হক যখন নষ্টে যাননি, তখন নিয়মিত ভালো লিখতেন। এবং শুধু ট্রাডিশনাল ভাল�� লেখা না, এক্সপেরিমেন্টাল ধাঁচের ভালোও লিখতেন। এই যেমন এই বই!

এখন ভদ্রলোক ‘লেখা’ লেখেন বছরে দুবার কি চারবার। চরম দুঃসময় যখন আসে, তখন।
Profile Image for Mashaekh Hassan.
162 reviews29 followers
March 30, 2016
I asked few bookworms if they had read this book. I got the answer NO from everyone. Here I am telling shortly about the book. Sorry, if I can not wake up your interest towards the book! The book starts at chapter 10 and finishes at chapter 1. It indicates a person named M who was falling from the roof of a 10 storey building. As he was being attracted by the gravitational force he got some lessons of life by observing the flats of each floor through the window, may be for a second or less then that. Finally, he reached the ground and his soul touched the sky. He got some precious lessons about life just before his death.
I am REQUESTING you to read the book. Please read it.The review is based on the translated version of the book named as 'The Trap'.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Asib Gazi.
87 reviews1 follower
March 28, 2025
4.5. আনিসুল হকের মা এবং ফাঁদ পড়ে ওনার প্রতি যে গুড ইম্প্রেশন তৈরি হয় তা পরবর্তীতে ধরে রাখা কঠিন
Profile Image for Mahmud Maruf.
6 reviews24 followers
July 8, 2019
আনিসুল হকের লেখা সেরা বই ট্যাগ লাগাইয়া এটারে লিস্টে রাখতেছি। ফাঁদ এক অসম্ভব সম্ভবের গল্প। ভুল, মায়া, অনুসন্ধান আর দূর্বীক্ষণ দৃষ্টির খেলা।
Profile Image for Azoad Ahnaf.
119 reviews
August 21, 2023
মানুষ কেন আত্মহত্যা করে? সবকিছু পেয়ে গেলে নাকি কোন কিছুই না পাবার বেদনায়? আচ্ছা সব পাওয়া বা সব না পাওয়া কি আদৌ সম্ভব! আসলেই কি মৃত্যুর পূর্বমূহুর্তে সমস্ত জীবনটাই ফুটে ওঠে চোখের সামনে?
বইটা খুলে প্রথমেই যেটা চোখে বেঁধেছিলো তা হচ্ছে এটি শুরু হয়েছে অধ্যায় ১০ থেকে এবং পর্যায়ক্রমে কমতে কমতে শেষ হয়েছে অধ্যায় ১ এ এসে। স্বাভাবিকের বাইরে যা কিছু, সবই অস্বস্তি জাগায়, কিন্তু যখন বোঝা গেলো, এ আসলে 'ম' এর ১০ তলার ওপর থেকে পতন তখন এটা স্বাভাবিকই হয়ে আসলো।
এটাকে কি ঠিক উপন্যাস বলা যায়? কেন যেন মনে হচ্ছিলো টুকরো টুকরো পেপার কাটিং পড়ছি। তবে হ্যাঁ, বেশ কিছু কবিতা পড়া হয়ে গেলো লেখকের বদান্যতায়। আর দশটা উপন্যাসের মতো এর নির্দিষ্ট কাহিনী বিন্যাস বা পরিণতি নেই।
ওহ না, আছে তো। ১০ তলার ওপর থেকে পতনটাই কাহিনী আর এর ফলে পরিণতি যে কী হবে তা তো কারো অজানা নয়।
তবে সরলরৈখিক পতনকে ছাপিয়ে গেছে 'ম' এর মানসিক অবস্থা। টাইম ডাইলেশনের ফলে প্রতিটি তলাতেই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করছিলো 'ম', সেই সাথে অন্য মানুষের এবং তার মস্তিষ্কের ভেতরটাও দেখা হয়ে যাচ্ছিলো। ভালো কথা অনেক জায়গাতেই 'ম' হয়ে গেছে 'মা' যা চরম বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়েছে।
তবে হ্যাঁ, মানুষ মাত্রই ভুলভাল। তারা জেনে না জেনে ফাঁদে পড়ে, হয়তো ফাঁদ থেকে বেরোতেও চায় কেউ পারে কেউ পারে না। আবার কেউ মায়ায় জড়িয়ে ফাঁদটাকেই করে ফেলে একান্তই আপন। মানুষের মনের কদর্যতা, ঈর্ষা, নীচতা, কাম এসব উঠে এসেছে সুচারুভাবে। ১০টি পরিবারের ১০টি কাহিনী ভিন্ন হলেও সবই এক সুতোতেই গাঁথা!
শেষ করার পরে কোন এক আবেশে যেন নিথর হয়ে থাকতে হয়।
Profile Image for Farhan Masud.
84 reviews1 follower
April 22, 2022
P.R: 3/5
এটি ঠিক কোন গল্প নয় বরং এটি একাধারে আত্মজীবনী, সামাজিক ভাষ্য, এবং সবশেষে একটি ট্রাজেডি। একজন মানুষের মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে নাকি তার জীবনের ভাল-মন্দ বিভিন্ন অতীত কল্পনায় ঠাই নেয়। অনেক অনুশোচনা, আফসোস জেগে উঠে। ঠিক এমনটাই হয় এই গল্পের প্রধান চরিত্র 'ম' এর সাথে।

'ম' পড়ে যাচ্ছে দশতলার ছাদ থেকে। একেক তলা পাড় হচ্ছে আরে তার জীবনের একেকটি করে অধ্যায়ে সে ঢুকে পড়ছে। ভালোর থেকে খারাপ অধ্যায়ই বেশি তার জীবনে। লেখক এই ১০টি তলা/অধ্যায়ে তার স্বাধীন বয়ান ব্যক্ত করেছেন আশেপাশের বাস্তবতা তুলে ধরে। রাজনীতি, ভালবাসা, যৌনতা (প্রায় সব অধ্যায়েই এর ছোঁয়া ছিল কোন কারণে), দাম্পত্য, বাৎসল্য, ঈর্ষা... এই সকল কিছুর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন তথাকথিত "সভ্য সমাজ" এর নগ্নতা।

লেখকের এই পদক্ষেপটি সময়সাপেক্ষে চিন্তা করলে বেশ অগতানুগতিক বটে তবে অনেক বেশি বর্ণনামূলক। বিশেষ করে শুরুর দিকে অনেক ধৈর্য এগোতে হয়েছে আমার। এক সময় মনে হতে থাকে শেষ না করি বইটা; রেখে দেই। কিন্তু এই অভ্যাসটা আমার কখনো ছিল না। তাই শেষ করেই উঠি। তবে শেষ করার পরে অনুভুতিটা এমন ছিল না যে "যাক শেষ হল তাহলে" আবার এমনও ছিল না "আহা, শেষ হয়ে গেল!"। For me, it's a strictly average book with an unconventional intention.
Profile Image for Ifath Rahman  Tushar.
37 reviews2 followers
October 1, 2024
বইটার লেখার ধরন অন্যরকম। শুরু টা বেশ ভালো হয়েছে, শেষটা আরো ভালো হতে পারতো। একজন ব্যক্তি ১০ তলা ছাঁদ থেকে লাফ দিয়েছে এবং প্রতিটি ফ্লোর নিচে নামছে ৯, ৮ করে এবং একটি করে গল্প বলছে। গল্পগুলো বাস্তবতামূখী এবং গল্প গুলো তার জীবনের সাথে জড়িত। আমরা জন্ম থেকেই ফাঁদে পড়ে আছি এবং মৃত্যু দিয়েই এর শেষ। এর মাঝে জীবনে নানাধরনের ঘটনা ঘটে যায় আমাদের সাথে।
Profile Image for Reshad Ibn Momin.
3 reviews8 followers
June 7, 2018
১। কখন কি ভুল হয়া যায়।
২। নিরোধক বস্তুটার জন্মই হয়েছে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোর জন্য।
৩। মিলন মানেই মৃত্যু, সঙ্গম মানে কান্নাই।
৪। মাথা নিচের দিকে, পা ওপরে, বেশ ছুটে চলেছে সে।
৫। চারদিকে যা দেখছো, এই পথঘাট, এই ঘর গেরস্থালি, বনবনানী, আমি, তুমি - সব মায়া।
৬। ভালোবাসা ছাড়া কোন বেশ্যাও হাঁটুর উপরে কাপড় তোলে না।
৭। একদিন সকালে আর মর্নিংওয়াকে গেলেন না।
৮। অঙ্গীকার মানেই আটকে পড়া।
৯। স্মৃতি হলো একটা ফাঁদ।
১০। এই রাত তারকাশোভিত, আর সে আমার পাশে নেই।
১১। যেকোন সম্পর্ক কিন্তু উদ্যোগ সাপেক্ষ।
১২। বিশ্বস্ততার চারদিকে তো কোন বেড়াও নেই, প্রাচীর নেই, কেবল সামান্য সাহসই পারে অবিশ্বস্ততার অসীম সবুজ প্রান্তরের সন্ধান দিতে।
১৩। প্রতিটা সম্পর্কের পেছনেই আছে বিনিয়োগ।
১৪। যতদিন বুকের কাপন টা আছে, ততদিনই প্রেম। তারপর অভ্যাস।
১৫। এই পৃথিবীতে প্রত্যেকেই বড় একা।
১৬। সর্বত্রই এক স্বান্তনাহীন শুন্যতা।
১৭। হয়ত মানুষ বন্দীত্বকেও ভালোবাসে।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,479 reviews562 followers
February 26, 2017
কতো চমৎকার একটা প্লটের জনাব আনিসুল হক সর্বনাশ করলেন তার জ্বলজ্বলে দৃষ্টান্ত "ফাঁদ"।

শুরু,মাঝারি অতীব সুখপাঠ্য। কিন্তু শেষের দিকে এসে প্লটকে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছেন,নতুবা উপন্যাসটি বেশ সুস্বাদু হতে পারত।
Displaying 1 - 12 of 12 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.