Jump to ratings and reviews
Rate this book

Silver Hoof

Rate this book
A folktale from the Urals, concerning an old man named Kokovanya, and a magical goat with silver hoofs.

32 pages, Paperback

First published January 1, 1938

8 people are currently reading
80 people want to read

About the author

Pavel Bazhov

224 books22 followers
Pavel Bazhov (Russian: Павел Бажов) was a Russian writer.

Bazhov is best known for his collection of fairy-tale stories The Malachite Casket (“Малахитовая Шкатулка”), based on the Urals folklore and published in the Soviet Union in 1939. In 1944, the translation of the collection into English was published in New York and London. Later Sergei Prokofiev created the ballet The Tale of the Stone Flower based on one of the tales. Bazhov was also the author of several books on the Russian Revolution and the Civil War.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
36 (40%)
4 stars
26 (29%)
3 stars
20 (22%)
2 stars
3 (3%)
1 star
3 (3%)
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
Profile Image for Cam (Lana Belova).
175 reviews48 followers
December 1, 2024
«Серебряное копытце»

I've always wanted to read an English version of Silver Hoof - one of my favourite stories of all time, and found it HERE. After re-reading this magical tale I want a snow on the boughs and it crunchingly singing under my feet. I'll read this tale again as usual closer to the end of the year :)

Сказка Серебряное копытце

Silver Hoof is a story about a little girl Daryonka, her loudly purring she-cat Muryonka, an old man named Kokovanya, Daryonka refers to as Grandpa, and a magical deer with silver hooves.



The name of the cat Muryonka derives from the word "purr". In translation she has a name Pussy. Purry would be more correct, but sounded funny to me - I was pronouncing her name in my head as Muryonka.



In the book Silver Hoof is referred to as a forest goat but in reality he's a roe. But it never states so in the original tale. I made a little research back in the day and found out that a forest goat is a roe. I was wondering why on almost all of the pictures he looks like a deer. Only once I came across an illustration where he was depicted as a goat (didn't find that image this time).



The voice of Daryonka sounded in my head exactly the same as when I read this tale in original, that means my mind accepted the translation - the feel of snow, being alone in a snowy wood, a loud purr of a cat, an anticipation of a miracle in Daryonka's eyes - all were there 🙂

Серебряное копытце
Profile Image for Dunja Tomić.
102 reviews13 followers
December 28, 2025
"Svoja kaša uvijek je najslađa. Svoje čizme najbolje se nose." 🐏♥️
Profile Image for Dipankar Chowdhury.
28 reviews7 followers
February 3, 2026


|| সে থাকবে আমার ঘরের বালালাইকা হয়ে ||

রূপোলী খুর---প. বাজোভ। বঙ্গানুবাদঃ রেখা চট্টোপাধ্যায়; অলঙ্করণঃ ম উস্পেনস্কায়া; প্রকাশনাঃ ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রা লি, কলকাতা-৭৩; প্রথম এন বি এ প্রকাশঃ বইমেলা ২০১০; ISBN: নেই


ধূ ধূ তুষারপ্রান্তর থেকে উড়ে উড়ে আসছে এক নীলচে ফড়িং!


ফড়িং,এখানে? নীল ফড়িং? না, ফড়িংটা শাদা, গায়ে তার এসে পড়েছে তুষারভেজা নীল চন্দ্রিমালোক! উড়ে উড়ে আসে সেই নীল ফড়িং। হাতে এসে বসতে দেখি, আরে এ’তো বই এক! বই! হ্যাঁ, বই! নীল তার গাত্রবর্ণ, হালকা যেন ফড়িং! পৃষ্ঠাসংখ্যা মাত্র ষোল। কিন্তু ঐ ‘সামান্য’ বই আসলে এক টাইমমেশিন, মুহূর্তে নিয়ে চলে যায় পঞ্চাশ বৎসর পূর্বে, আজকের প্রৌঢ় আয়নায় তাকিয়ে দেখে, আরে এ’ কে? এ’যে সেই হাফপ্যাণ্ট পরা কিশোর... মধ্যকলকাতার বদ্ধগলি... ঘর্ম-কর্দম-প্যচ্‌প্যাচে... না, সে-আকাশে এক রামধনুও উঠতো, নাম তার ‘রাদুগা’! মস্কো/তাশখন্দের ‘রাদুগা প্রকাশনালয়’! রুশভাষায় ‘রাদুগা’-র অর্থ রামধনু যে! ‘দাদুর দস্তানা’, ‘মানুষের মত মানুষ’, ‘ভয়ংকর রোমহর্ষক ঘটনা’, ‘পিঁপড়ে ও ফড়িংয়ের গল্প’ ... শিশু-কিশোরদের জন্য এমন এমন কত স্বপ্নমাখা বই! ‘রাদুগা’-প্রকাশন অবশ্য এসেছে অনেক পরে, তার আগে ‘প্রগতি’, তারও আগে ... ক্রমে আসা যাবে এখন এ’সকল ইতিকথায়। এখন গল্পঃ

গল্পের নাম ‘রূপোলী খুর’!

ইউরেশিয়া সীমান্তের উরাল পর্বতশ্রেণী অঞ্চলের প্রাচীন উপকথায় ছিল এক অলীক হরিণের গপ্পো যে নাকি বরফের প্রান্তর পা ঠুকলে ঝরে পড়ে মণিমুক্তো! এই ‘রূপোলী খুর’ নিয়ে পরে শিশুনাটিকা হয়েছে, হয়েছে সিনেমা, অপেরাও। কিন্তু ষাটের দশকের বালক সে সবের খবর কী রাখবে ? সে তখন গোগ্রাসে গিলে চলেছে...

“ককভানিয়া নামে এক বুড়ো ছিল আমাদের গ্রামে... ” সে আসলে ছিল এক ‘প্রসপেক্টার’... উরাল পর্বতাঞ্চলে নদীর তীরে তীরে বালি ঘষে ঘষে সোনা খুঁজে বেড়াতো সে। সেকালে ও’অঞ্চলে এ’হেন পেশার মানুষ নাকি বেশ ছিল। বাঙলাসাহিত্যে আরেক পরিচিত ‘প্রসপেক্টার’-এর গল্প পড়েছি না? ‘চাঁদের পাহাড়’-এর এলভারেজ। তা, আমাদের এই ককভানিয়া বুড়োর তিন কুলে ছিল না কেউ। তাই সে ভাবলে কোনো অনাথকে পুষ্যি নেবে। কোনো ছেলেকেই নেবে ভেবেছিল প্রথমে, কিন্তু তেমন কারোকে না পেয়ে শেষটায় তার প্রয়াত এক বন্ধুর মেয়েটিকে নিলো। নাম তার ‘ডালি’, মানে ‘উপহার’---রুশভাষায় পদারিয়ঙ্কা! কী চমৎকার নাম, না? এ’ মহাগ্রন্থের নায়িকা সে-ই; গ্রন্থের দৈর্ঘ্য যদিও ষোল পৃষ্ঠা!


কিন্তু ছ’ বছরের বাচ্চাটি যাবে কেন অচেনা এক বুড়োর সঙ্গে থাকতে, যদিও পড়শি-খুড়ি তাকে ভরপেট খেতেও দেয় না? তাই বুড়ো গপ্প ফাঁদলো সেই হরিণের যার সামনের ডান পা ঠুকলে মণিমুক্তো ঝরে পড়ে তুষারপ্রান্তরে!


এবার গিলেছে টোপ! খুকি দারিয়ঙ্কা চল্লো বুড়োর সঙ্গে গপ্পের বাকিটুকু শুনতে, একটাই শর্তেঃ তার রোঁয়াওঠা বিল্লিটাকেও নিতে হবে সঙ্গে। বেশ তো, চলুক না সেঃ ‘থাকবে সে আমার ঘরের বালালাইকা হয়ে!’


শুরু হয়ে গেল গল্প।


এরপর পরতে পরতে খুলে যাওয়া গল্পের ঠাসবুনুনি---এক শালপ্রাংশু বৃদ্ধের সঙ্গে সত্যিসত্যিই তার হাঁটুর বয়সী এক নাতনির বন্ধুতা। লেখক পাভেল বাজভ (১৮৭৯-১৯৫০)-সাহেবের হাতে কিন্তু পাতা বেশি ছিল না। সন্তানহারা, আদ্যন্ত কম্যুনিস্ট মানুষটি একটু সান্ত্বনা খুঁজে পেতেন কালি-কলমে, নিবিষ্টি মনে যখন তাঁর দেশের, মানে উরালাঞ্চলের, লোকগাথা লিখে রাখতেন ছোট্ট ছোট্ট ছেলেপিলেদের জন্যে, যেন তাঁর সদ্যপ্রয়াত পুত্রেরই উদ্দেশে! গপ্পগুলির সাইজ কিন্তু ঐ দশ-বিশ পৃষ্ঠা মাত্রঃ মনে হয় যেন ‘টুনটুনির বই’ পড়ছি। বাজভের Silver Hoof (‘রূপোলী খুর’ ) প্রথম বেরোয় ১৯৩৮এ। পরে ‘রাদুগা’-প্রকাশনী থেকেই তাঁর উরাল-উপকথার সংগ্রহগ্রন্থ বেরোয়ঃ ‘মালাকাইটের ঝাঁপি’ (অনু. ননী ভৌমিক)। মূলতঃ, লোকগল্পকার হিসেবেই শিশু-কিশোরসাহিত্যের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন বাজোভ---আলেক্সান্দার পুশকিন, আন্দ্রেই প্লাতোনভ, নাদেঝদা টেফির মত দিকপালদের পাশাপাশি আরেক দিকপাল হয়ে।


যত এগিয়েছে রূপোলী খুরের গল্প পক্ক হয়েছে তত। নিপুণ শিল্পীর মতো কয়েকটি কয়েকটি আঁচড়ে তার এনেছেন মাত্র চারিটি পদ দিয়ে, পড়ুন, চরিত্র নিয়েঃ বুড়ো, খুকি, বিল্লি আর, আর... ? কেন সেই রূপোলী খুর? সেই অধরা হরিণ, যার সামনের পা ঠুকলে... ! হেমিংওয়ের কত নাম ‘দি ওল্ড ম্যান এন্ড দ সী’ লিখে। বুড়ো ককভানিয়া ও খুকি দারিয়াঙ্কার গল্পও তেমনই। দুই অসমবয়স্ক মানুষের বন্ধুতা। অপূর্ব গাথা! কিন্তু পাভেল বাজোভকে আমরা হয়তো চিনতামই না সোভিয়েত প্রকাশনী স্বল্পমূল্যে পরদেশী এক বালকের হাতে ‘রূপোলী খুর’ তুলে না দিলে; যদিও বাজভ ইংরেজিভাষায় অনূদিত হয়ে গিয়েছিলেন সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীনই, ১৯৪৪এ।


এক ঘাঘু সোভিয়েতি-বাঙালি একবার বলেছিলেন, পৌনে শতাব্দীর জিন্দগিতে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন যদি শ্রেষ্ঠ কীর্তি কোথাও রেখে থাকে তো তার পুস্তক-প্রকাশনায় (ও মেট্রো রেল চালনায়)! যে দামে যে পরিব্যাপ্তিতে ও যে গভীরতায় শুধু তাদের দেশে নয় সারা বিশ্বের পুস্তকপ্রেমীদের হাতে বই তুলে দিত প্রগতি-মির-রাদুগা, সভ্যতার ইতিহাসে তার কোনো তুলনা নেই। আর সোভিয়েত একাদেমির কাজ, যেমন, অনুবাদে? (সামান্য অন্য প্রসঙ্গ পাড়িঃ) সাইবেরিয়ার পূর্বতম প্রান্তের ছোট্ট এস্কিমো-গ্রাম উয়েলেন, যেখান থেকে রাজধানী মস্কোর দূরত্ব ছ’হাজার কি.মি.-র বেশি। এখানকার ব্যাধপুত্র ইয়ুরি সের্গেইভিচ্‌ রিটকিউ, যিনি লিখতেন মাতৃভাষা চুকচি-তে, কেবল অনুবাদের দৌলতে সাবেক সোভিয়েতের এক উচ্চবিক্রীত ও বহুপুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ছিলেন। আমাদের দেশে, উদাহরণস্বরূপ, ভাবা যেতে পারে যে, সাঁওতালি বা মণিপুরী কোনো সাহিত্যিক কেবল অনুবাদের দৌলতে ভারতের শ্রেষ্ঠ-বিক্রীত লেখক হয��ে পড়েছেন?


***

১৯৩১-এ সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রীয় প্রকাশন সমিতি সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বের প্রধান প্রধান ভাষায় রুশ সাহিত্য ও জ্ঞানভাণ্ডারকে ছড়িয়ে দেবার ... প্রাথমিকতা শিশুসাহিত্যে! ১৯৩৯-এ মস্কোয় প্রতিষ্ঠা হল ‘বিদেশী ভাষায় সাহিত্য প্রকাশালয়’, যা পরে ‘প্রগতি প্রকাশনা’ (১৯৬৩) ও তার থেকে শিশু-কিশোর অংশ বেরিয়ে ‘রাদুগা প্রকাশনালয়’ গঠিত হয়েছিল আরও পরে। সম্প্রতি বাঙলাভাষার পাঠকের জন্যে সুখবরঃ চমৎকার এক ব্লগপোস্ট হয়েছে, যা হল এ’সংক্রান্ত তথ্যের আকর, এবং কয়েকশ’ রুশ বইয়ের স্ক্যান্ড্ কপি সেখানে পাওয়া যায়, বিনিময়মূল্যঃ ভালোবাসা! (‘রূপোলী খুর’, অবিশ্যি নেই এঁদের লিস্টিতে)। দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করার মত প্রচেষ্টা এই বাঙালি তরুণ-তরুণীদের। বর্তমান লিখনের কিছু মালমশলা এঁদের থেকে নিয়েছি, সকৃতজ্ঞ স্বীকারোক্তি।


সোভিয়েত-একাদেমি তাঁদের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের অভাব রাখেনি বলেই না, উদা. মারিনা উস্পেনস্কায়ার (১৯২৫-২০০৭) মত ইলাস্ট্রেটর উঠে এসেছিলেন সেকালে, যিনি মূলতঃ শিশুসাহিত্যের ইলাস্ট্রেশনকেই জীবিকা করে নিয়েছিলেন? বাজভ সাহেব ‘Silver Hoof’ এর জন্যে দশে দশ পেলে উস্পেনস্কায়া দশে বিশ পান!! না, পাঠক, আমি এক তিল বাড়িয়ে বলছি না। ঐ দেখুন না মারিনা দিদিমণির কাজ, আজকের নেটের দৌলতে যা সহজলভ্য (কপিরাইট পিরিয়ডও সমাপ্ত অবশেষে)। যেমন, এই ছবিটি... যেখানে বুড়ো গেছে দারিয়াঙ্কাকে নিতে... খুকির ঐ ডাগর ডাগর চোখ তুলে তাকানো, বাঙ্ক থেকে ঝোলা আরেক খোকা, তো বিল্লির রাগ রাগ চোখে চাওয়া মেজখোকার দিকে যার পাতলুনে মস্ত তালি। কী ডিটেইলের কাজ। শুধু এই ছবিটির দিকে তাকিয়েই অর্ধ ঘণ্টা ঘোরে ঘোরে কাটিয়ে দেওয়া যায়। আর ঐ ছবিটি, যেখানে খুকি চলেছে বুড়োর ঘরে তার হাতটি ধরে? কী ভরোসা তার চোখে, যতটা স্নেহ ককভানিয়া বুড়োর হেলানো ঘাড়ে। আর ঐটাতে, যেখানে মস্ত কাঠের চামচে দিয়ে স্যুপ খেতে খেতে বুড়ো শোনাচ্ছে তাকে রূপোলী খুরের গপ্প? শ্রেষ্ঠ ছবি অবশ্যই পেনাল্টিমেটটি--যেখানে সমস্ত ভয়ডর ভুলে খুকি মস্ত দরোজাটা খুলে বাইরে বেরিয়ে এসেছে ‘রূপোলী খুর’-কে দেখতে পেয়ে! বাইরের আকাশে রূপোর থালার মত চন্দ্রমা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তুষারধৌত প্রান্তর। কী সাহস, দাদু সে-রাতে কুঁড়েতে ছিলও না। খুকির পায়ে দাদুর প্রমাণ-সাইজের বুটজোড়া! নাঃ, অক্ষম কলমে বাজভ-উস্পেনস্কায়াকে ধরার চেষ্টা আর করবো না। দশ পাতা লিখে যেমন বেনারসী রাবড়ি বা ময়দানী ফুচকার স্বাদ বোঝানো যায় না, তেমনি... কেন, এই তো এখন কলকাতার ন্যাশনাল বুক এজেন্সি ফের ছেপে বের করেছে ‘রূপোলী খুর’---যার কথা লিখতেই না আজ কলম ধরা।


ডেলিভারি একটা মস্ত বস্তুঃ কী ভাবে দিচ্ছি। এক শ্রেষ্ঠ শিশুপুস্তক, স্পর্শক্ষমতায় যা ‘এলিস...’ বা ‘আবোল তাবোল’-এর সমকক্ষ, কেবল উপস্থাপনার খামতিতে তার রসাস্বাদন যে কী পরিমাণ বিঘ্নিত হতে পারে বর্তমান প্রকাশনখানা হাতে না নিলে সেটা বোঝা যাবে না। এঁরা তো ‘দাদুর দস্তানা’, ‘সূর্য লুট’ ইত্যাদি বইগুলো 10.75 X 8.5 ইঞ্চি মাপেই ছাপলেন, তাহলে ‘রূপোলী খুর’-এর সাইজ হঠাৎ ছোট করে 9 X 7 ইঞ্চি করতে গেলেন কেন? যারা পঞ্চাশ বছর আগেকার সেই রাশিয়ান প্রডাকশনটি হাতে নিয়ে পড়েছিলেন, তাদের মনে তো সেই ছবি আঁকা হয়ে রয়েইছে, স্পর্শে সেই অনুভূতি... সেটা যে কী পরিমাণ বিঘ্নিত হলো! এটা একটা পরোক্ষ কারণ বটে উস্পেনস্কায়ার অনবদ্য ছবিগুলি সঠিক না খোলার। রঙীন ছবিগুলি একটাও খোলেনি ঠিক। আর সর্বোপরি যে কারণে... (কী যে করতে ইচ্ছে করছে ভাষায় আর লিখলাম না শালীনতা লঙ্ঘনের ডরে) ... অসংখ্য অসংখ্য বানান ভুল/মুদ্রণপ্রমাদ। ষোল পৃষ্ঠা এক শিশুপুস্তকে বাইশটি ছাপার ভুল আমারই চোখে পড়েছে, আরও গোটাকয় ফস্‌কে যে যায়নি জোর দিয়ে বলতে পারি না। এতো এলাকাড়ির কাজ, এক শিশুসাহিত্য নিয়ে? অমার্জনীয় অপরাধ। বর্তমান প্রকাশকের উচিৎ ওঠবোস্‌ করা।


শেষ পর্যন্ত সেই রূপোলী খুরের হরিণটিকে ধরা গিয়েছিল কি, না কি সে মিলিয়ে গিয়েছিলো তুষারপ্রান্তরের হিমেল হাওয়ায়? দারিয়াঙ্কার বিল্লিটারই বা কী হলো, যে কিনা ‘ঘরের বালালাইকা হয়ে থাকবে’? ককেশাস-উরাল অঞ্চলের এক গ্রাম্য ‘একতারা’ (না, আসলে তিন-তারা) হলো ‘বালালাইকা’। এখন ইউটিউবের দৌলতে এর সুর শুনলুম বটে, তবে সেকালে সেই বালক শুধু এর নামটাই শুনেছিল মাত্র, সে ছিল তার এক না-পাওয়া মোহনবাঁশি... যার নামটাই কেবল শোনা গেছে, সুর ধরেনি কানে । ষাটের দশকের সেই মধ্যকলকাতার যৌথপরিবারে ‘রূপোলী খুর’ এতো জনপ্রিয় হয়ে পড়েছিলো যে কারোকে আদর করে গৃহে ঠাঁই দেবার কথা উঠলে, ব্যাঙ্গার্থে বা সত্যিই, বৃদ্ধা ঠাকুমা পর্যন্ত বলে উঠতেন, ‘থাকবে সে আমার ঘরের বালালাইকা হয়ে’ (যেন ঘরের কোণে ঠেস্‌ দেওয়া দাদুর আদুরে তানপুরোটি!)। আর ঘরের কোণ থেকে আদুরে বিল্লিটা যেন ঠিক সেই সময়েই বলে উঠলো, ‘ঠিক্‌ক্‌...তুমি এক্কেবারেরেরেরে.....ঠিক্‌’।



116 reviews1 follower
March 29, 2022
A reread from my childhood. A charming Russian folk tale about an old man, an orphan child and her kitten, and a magic goat with a silver hoof.
Profile Image for Trounin.
2,109 reviews46 followers
August 31, 2019
В 1938 Бажов продолжил идею повествовать о тленном. Так из-под его пера вышел сказ «Серебряное копытце». Сообщалось о волшебном козле, способном высекать копытами драгоценные камни. Объяснение истории представляется повествованием старика внучке. А каких историй не расскажешь юному поколению, удовлетворяя его любопытство ко всему необычному? Почему бы и для уральских сказаний не придумать созданий, вполне созвучных таким, какие встречаются в других культурах.

(c) Trounin
Profile Image for Mai.
18 reviews4 followers
March 8, 2024
قصة الطفولة 😊
Profile Image for Imran Mahmud.
154 reviews23 followers
March 14, 2018
শিশুতোষ অনুবাদ হিসেবে বেশ খটোমটো।
শুধুই পশ্চিমবঙ্গের পাঠকদের কথা মাথায় রেখে অনুবাদ করা হয়েছে কিনা জানা নেই, তবে শব্দচয়ন আর বর্ণনাভঙ্গীতে সার্বজনীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে বলেই মনে হলো।
Displaying 1 - 12 of 12 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.