বিতর্কিত শিল্পী ও চিত্রকর বিশ্বরূপ ঘোষালের দ্বিতীয়া স্ত্রীর মৃত্যুকে আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিক অসুস্থতার পরিণতি বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু ডেথ সার্টিফিকেট দিতে গিয়ে বাদ সাধলেন স্থানীয় চিকিৎসক। পারিবারিক পরিচয়ের সূত্রেই জড়িয়ে পড়ল সত্যসন্ধানী তথা চিকিৎসক সোমদেব ওরফে বুড়ো এবং তস্য সহকারী ও সাংবাদিক মানিক। সন্দেহ ঘনীভূত হতে থাকে হত্যার পক্ষে। জানা যায় অতিরিক্ত ইনস্যুলিনের বিষক্রিয়ায় মারা যান বিশ্বরূপের দ্বিতীয়া স্ত্রী। শুরু হয় সত্যানুসন্ধান...
নবকুমার বসু-র জন্ম ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৯। উত্তর চব্বিশ পরগনার শিল্পাঞ্চলে চূড়ান্ত অভাব ও দারিদ্র্যের মধ্যে শৈশব, বাল্যকাল কেটেছে। স্কুলে ফ্রি অথবা হাফ-ফ্রি হিসেবে পড়াশুনা। পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গীয় মিশ্র সাংস্কৃতিক ধারায় বড় হয়ে ওঠা। পণ্ডিত এবং শিক্ষাব্রতী দাদামশাই যোগেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের সাহচর্যে এবং সান্নিধ্যে প্রাথমিক অধ্যয়ন। লেখাপড়া। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন। এমএস পাশ করার পরে শল্যচিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠা। ’৯৩ সাল থেকে ইংল্যান্ড প্রবাসী, সরকারি চিকিৎসা বিভাগে কর্মরত।স্কুলজীবন থেকে সাহিত্যচর্চা, হাতে লেখা পত্রিকা প্রকাশনা। স্কুল-কলেজ ম্যাগাজিনের পরে দেশ-পত্রিকায় প্রথম গল্প ১৯৭৭ সালে। লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলনে যুক্ত, অজস্র ছোটগল্প লেখা চলেছে একই সঙ্গে লিটিলম্যাগ্ এবং প্রতিষ্ঠিত পত্র-পত্রিকায়। ছোটদের গল্প, রহস্য কাহিনী, ধারাবাহিক উপন্যাস লিখেছেন। এছাড়াও রয়েছে গল্পগ্রন্থ ও ভ্রমণ উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের একনিষ্ঠ পাঠক। প্রবাসেও বাংলাভাষার প্রসার ও চর্চার ব্যাপারে উৎসাহী। ‘চিরসখা’ প্রথম দীর্ঘতম উপন্যাস।