What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #12
আকাশ জোড়া মেঘ
বিশাল ধনাঢ্য পরিবারের একমাত্র মেয়ে অপালা। তবে সেই বিশাল বাড়িতে একাকীত্বের সঙ্গী সে । বাবা ফখরুদ্দীন সফল ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে বছরের বেশিরভাগ সময়ই দেশের বাইরে কাটান তিনি। অপালার মা হেলেনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তিনি এখন লন্ডনের একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন। অপালাদের বাড়ির ইন্টিয়ার ডিজাইনিং এর কাজে ফিরোজ আসে তাদের বাসায়। ফিরোজ পেশায় হাউস ডেকোরেটর। সেখানেই তার সাথে অপালার প্রথম পরিচয় ঘটে। ফিরোজ কথায় কথায় মিথ্যা বলে। আপালা বুঝতে পারে, সে মিথ্যেবাদী। তবুও অকারনেই তার প্রেমে পড়ে যায় সে। ফিরোজের দৃষ্টিতে অপালা ভিষণ অহংকারী। কিন্তু তারপরও সে তার প্রতি অন্যরকম এক আকর্ষণ অনুভব করে সে। নানা বাহানায় বারবার ছুটে আসে অপালার কাছে। এর মধ্যেই ঘটে যায় আরেক ঘটনা। বাড়িওয়ালার বাড়ি ছাড়ার নোটিশ বাতিল করানোর জন্য সে এক মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তারপর নিজেই জড়িয়ে যায় তার জালে। একাকীত্বের মধ্যে দিন কাটতে থাকে অপালার। এর মধ্যে একদিন তার বাবার অফিসের এক কর্মচারী আসে, তার মেয়ের বিয়ের দাওয়াত দিতে। কোন এক অদ্ভূত কারণে অপালা নিজেই একটি উপহার নিয়ে হাজির হল হয় সেই দরিদ্র লোকটির বাড়ি। আর সেখানেই সে সন্ধান পায় এক ভয়াবহ সত্যের। মুহুর্তেই ওলটপালট হয়ে যায় তার জীবনের সব কিছু।
Hardcover
First published February 1, 1988
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,098 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 72 reviews
March 27, 2019
এই বই শুরুতে আমার কাছে অতোটা ভাল লাগেনি। সংলাপ ভাল ছিল, কিন্তু কাহিনীর মধ্যে কোন বিশেষত্ব খুজেঁ পাচ্ছিলাম না। তবে শেষের দিকের চমক টা পুরো গল্পকে অসাধারণ করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।এমনকি অভিভূত।
গল্পে ফিরোজ চরিত্রটিকে কিছুটা হিমু চরিত্রের মত মনে হয়। ফিরোজের হিমুর মত বাউন্ডুলে স্বভাব আছে, অকারণে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করার বাতিক আছে। মানুষকে হঠাৎ হঠাৎ চমকে দিয়ে মজা দেখার প্রবণতা আছে। তবে হিমুর মধ্যে মহাপুরুষের কিছু গুণাবলী আছে যা ফিরোজের মধ্যে নেই। ফিরোজ অহরহ মিথ্যা কথা বলে। যেটা নায়কের চরিত্রের সাথে খুব বেমানান হতে পারে তবে বাস্তবসম্মত।
গল্পে ফিরোজ চরিত্রটিকে কিছুটা হিমু চরিত্রের মত মনে হয়। ফিরোজের হিমুর মত বাউন্ডুলে স্বভাব আছে, অকারণে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করার বাতিক আছে। মানুষকে হঠাৎ হঠাৎ চমকে দিয়ে মজা দেখার প্রবণতা আছে। তবে হিমুর মধ্যে মহাপুরুষের কিছু গুণাবলী আছে যা ফিরোজের মধ্যে নেই। ফিরোজ অহরহ মিথ্যা কথা বলে। যেটা নায়কের চরিত্রের সাথে খুব বেমানান হতে পারে তবে বাস্তবসম্মত।
August 19, 2022
“টাকা খুব ইম্পর্ট্যান্ট জিনিস, বুঝলে হেলেনা। যে-সোসাইটির দিকে আমরা যাচ্ছি, সেই সোসাইটির ঈশ্বর হচ্ছে টাকা। একটা সময় আসবে, যখন তুমি টাকা দিয়ে সব কিনতে পারবে। সুখ, শান্তি, ভালবাসা-সব।”
বাসর রাত্রে ফখরুদ্দিন সাহবে তার স্ত্রী হেলেনাকে অনেক কথার ফাকে এই কথাগুলো বলেছিলো এবং গল্পের শেষে লেখক এই কথাগুলোর অসাড়তা প্রমান করেছিলেন।
ফখরুদ্দিন সাহেবের অনেক টাকা হয়, যত টাকা হলে যা খুশি তা পাওয়া যায় কিন্তু সুখ, শান্তি ভালবাসা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না তত টাকা। ফখরুদ্দিন সাহেবও পান নি অথবা হয়তো পেয়েছিলো আমরা জানি না বা জানতে পারবো না অথবা আমাদের ধরে নিতে হবে যে সে আসলেই সুখ-শান্তি-ভালোবাসা পায়নি।
আমার কাছে মনে হয়েছে গল্পের মূল চরিত্র আসলে ফখরুদ্দিন আহমেদ। যৌবনে এই মানুষটার টাকার প্রতি যে বিশ্বাস ছিলো, জীবনের শেষ লগ্নে এসে তার সে বিশ্বাস মরীচিকায় পরিণত হলো। ফখরুদ্দিন সাহেবকে কেন্দ্র করে লেখক গল্প সাজিয়েছেন, সেক্ষেত্রে অপালার শেষ পরিণতি এর চেয়ে সুন্দর করা যেতো না। হুমায়ূন আহমেদ বই এর এন্ডিং বেশিরভাগ সময়ই ঠিক মতো দিতে পারতেন না অথবা দিতেন না, কিন্তু এই বই এর এন্ডিং আমার মতে এর চেয়ে ভালো করা সম্ভব হতো না।
শুধু টাকা জীবনে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা মানুষকে দিতে পারে না। আবার টাকা ছাড়া জীবনে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা পাওয়া ও যায় না। জীবনে টাকার প্রয়োজনীয়তা ছাড়া আরো একটা বড়ো অংশ আছে, এই দুটো অংশের সুন্দর মিশ্রন মানুষের মাঝে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা দিতে পারে, এর একটির ঘাটতি হলে সুখ-শান্তি-ভালোবাসায় ব্যাঘাত তৈরি হয়। ফখরুদ্দিন সাহেবের টাকার অভাব না থাকলেও সুখ-শান্তি-ভালোবাসার অভাব ছিলো।
বইয়ের কিছু ভালো লাগা লাইনঃ
মানুষ গোপন ভালোবাসা প্রকাশ করতে লজ্জা পায়।
কিছু কিছু কষ্ট আছে সুখের মতো।
টাকা এবং স্ত্রী এই দুই জিনিষ হাতছাড়া হলে আর কখনো ফিরে পাওয়া যায় না।
মাছ হাতে বাঙালি ছেলেরা মিথ্যা বলতে পারে না।
বাসর রাত্রে ফখরুদ্দিন সাহবে তার স্ত্রী হেলেনাকে অনেক কথার ফাকে এই কথাগুলো বলেছিলো এবং গল্পের শেষে লেখক এই কথাগুলোর অসাড়তা প্রমান করেছিলেন।
ফখরুদ্দিন সাহেবের অনেক টাকা হয়, যত টাকা হলে যা খুশি তা পাওয়া যায় কিন্তু সুখ, শান্তি ভালবাসা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না তত টাকা। ফখরুদ্দিন সাহেবও পান নি অথবা হয়তো পেয়েছিলো আমরা জানি না বা জানতে পারবো না অথবা আমাদের ধরে নিতে হবে যে সে আসলেই সুখ-শান্তি-ভালোবাসা পায়নি।
আমার কাছে মনে হয়েছে গল্পের মূল চরিত্র আসলে ফখরুদ্দিন আহমেদ। যৌবনে এই মানুষটার টাকার প্রতি যে বিশ্বাস ছিলো, জীবনের শেষ লগ্নে এসে তার সে বিশ্বাস মরীচিকায় পরিণত হলো। ফখরুদ্দিন সাহেবকে কেন্দ্র করে লেখক গল্প সাজিয়েছেন, সেক্ষেত্রে অপালার শেষ পরিণতি এর চেয়ে সুন্দর করা যেতো না। হুমায়ূন আহমেদ বই এর এন্ডিং বেশিরভাগ সময়ই ঠিক মতো দিতে পারতেন না অথবা দিতেন না, কিন্তু এই বই এর এন্ডিং আমার মতে এর চেয়ে ভালো করা সম্ভব হতো না।
শুধু টাকা জীবনে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা মানুষকে দিতে পারে না। আবার টাকা ছাড়া জীবনে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা পাওয়া ও যায় না। জীবনে টাকার প্রয়োজনীয়তা ছাড়া আরো একটা বড়ো অংশ আছে, এই দুটো অংশের সুন্দর মিশ্রন মানুষের মাঝে সুখ-শান্তি-ভালোবাসা দিতে পারে, এর একটির ঘাটতি হলে সুখ-শান্তি-ভালোবাসায় ব্যাঘাত তৈরি হয়। ফখরুদ্দিন সাহেবের টাকার অভাব না থাকলেও সুখ-শান্তি-ভালোবাসার অভাব ছিলো।
বইয়ের কিছু ভালো লাগা লাইনঃ
মানুষ গোপন ভালোবাসা প্রকাশ করতে লজ্জা পায়।
কিছু কিছু কষ্ট আছে সুখের মতো।
টাকা এবং স্ত্রী এই দুই জিনিষ হাতছাড়া হলে আর কখনো ফিরে পাওয়া যায় না।
মাছ হাতে বাঙালি ছেলেরা মিথ্যা বলতে পারে না।
July 18, 2014
হাহাকার !!!! আমি এমনিতেও গুছিয়ে মনের ভাব লিখতে পারি না । দেখা যায় লিখতে চাই ১০ লাইন টাইপ করে কষ্টে সৃষ্টে ১টা শব্দ বের হয় -_- । বইটা আমি ঠিক যতবার পড়ি ভেতর অপলার জন্য একটা হাহাকার জমা হয় একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে ।
কোন চরিত্রের জন্য এমন মায়া জন্মানোটা, হাহাকার সৃষ্ট হয়াটা যদি সার্থকতা হয় তাহলে হুমায়ূন আহমেদ অসাধারন সার্থক এক লেখক ।
কোন চরিত্রের জন্য এমন মায়া জন্মানোটা, হাহাকার সৃষ্ট হয়াটা যদি সার্থকতা হয় তাহলে হুমায়ূন আহমেদ অসাধারন সার্থক এক লেখক ।
January 29, 2023
ফ্যামিলি ক্রাইসিসের ব্যাপারটা এ উপন্যাসের শীর্ষ মুহূর্ত, যে কারণে শেষের দিকে দ্রুত ঘটনাপ্রবাহ পালটে গেছে। গতানুগতিক হুমায়ূনীয় ধারা মুগ্ধতা ছড়িয়েছে।
January 2, 2022
এন্ডিং ভালো লাগেনাই😑😑 পচা
March 4, 2023
যেদিন মন বিষন্নতায় ভরে থাকবে, সেদিন ই বোধ হয় আমার হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা বেশি পড়তে ইচ্ছে হবে - এটা কোনো নতুন বিষয় নয়৷ আমি বরাবর ই এমন। আর আজ দিনটিও তাই। বইটা পড়া শেষ হলো মাত্র। আগেও পড়েছি একবার। তবে তা পড়েছি অনেকদিন আগে। তাও পড়তে গিয়ে একবারও মনে হলো না যে বইটা আগের পড়া। অপলা এর দু:খে দু:খ পাচ্ছি। মন আরো বিষন্ন হয়ে গেলো আর এখন দু চার দিন হয় আমার কোনো বই ই পড়তে ইচ্ছে করবে না, কিংবা পড়লে টপাটপ চার পাঁচটে বই পড়ে ফেলবো অথবা শুধুমাত্র হুমায়ূন আহমেদ এর লেখাই পড়তে মন চাইবে - এ এক বিশাল বড় সমস্যা।
"আমার জলেই টলমল করে আঁখি
তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি"
তাই তো!
(বইয়ের এক পাতায় এইটুকু লেখা। এখন আমাকে খুঁজে বের করতে হবে এই কথা কার লেখা এবং তিনি আর কি কি লিখেছেন। পড়ে ফেলতে হবে যে তাই।)
মানুষের জীবন কি অদ্ভুত! দু:খের কথা বলতে চাইলেও বলা যায় না। ইশ! চট করেই যদি প্রিয় মানুষদের নিজের বিষন্ন দিনের গল্পগুলো বলা যেতো! শুধু বিষন্নতার কথা কেনো, আমরা তো নিজেদের আনন্দের কথাও কাউকে বলতে পারি না। অনেক সময় নিজের আনন্দের কারণগুলো কেমন যেনো হয় কিংবা কখনো এতো সামান্য হয় কিংবা ভীষণ অদ্ভুত যে অন্যকে বলতে সংকোচ হয়, কষ্ট হয় এবং মন থেকে কাউকে বলার যে এই ইচ্ছে সেটাই মরে যায়।
"সূর্য ডুবে যাবার আগের মায়াবী আলো চারদিকে"। এই সময়টা আমার প্রিয় আর এই সময়েই মন কেমন করে।
ফিরোজ ও লতিফা নিজেদের সাজানো পৃথিবীতে একসাথে ভালো থাকুক। অপলা তার একাকিত্ব ও সব দু:খ-কষ্ট নিয়ে নিজের মতো করেই থাকুক। অপলার মধ্যে কি কিছুটা নিজেকে দেখতে পেলাম না?
"আমার জলেই টলমল করে আঁখি
তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি"
তাই তো!
(বইয়ের এক পাতায় এইটুকু লেখা। এখন আমাকে খুঁজে বের করতে হবে এই কথা কার লেখা এবং তিনি আর কি কি লিখেছেন। পড়ে ফেলতে হবে যে তাই।)
মানুষের জীবন কি অদ্ভুত! দু:খের কথা বলতে চাইলেও বলা যায় না। ইশ! চট করেই যদি প্রিয় মানুষদের নিজের বিষন্ন দিনের গল্পগুলো বলা যেতো! শুধু বিষন্নতার কথা কেনো, আমরা তো নিজেদের আনন্দের কথাও কাউকে বলতে পারি না। অনেক সময় নিজের আনন্দের কারণগুলো কেমন যেনো হয় কিংবা কখনো এতো সামান্য হয় কিংবা ভীষণ অদ্ভুত যে অন্যকে বলতে সংকোচ হয়, কষ্ট হয় এবং মন থেকে কাউকে বলার যে এই ইচ্ছে সেটাই মরে যায়।
"সূর্য ডুবে যাবার আগের মায়াবী আলো চারদিকে"। এই সময়টা আমার প্রিয় আর এই সময়েই মন কেমন করে।
ফিরোজ ও লতিফা নিজেদের সাজানো পৃথিবীতে একসাথে ভালো থাকুক। অপলা তার একাকিত্ব ও সব দু:খ-কষ্ট নিয়ে নিজের মতো করেই থাকুক। অপলার মধ্যে কি কিছুটা নিজেকে দেখতে পেলাম না?
June 17, 2015
একমাত্র হুমায়ুন আহমেদই পারেন তার উপন্যাসের ভিলেন টাইপ চরিত্রকে পাঠকের ভালোবাসা উপহার দিতে। সেটা বাংলাদেশের পাঠক ও দর্শক খুব ভালোভাবেই জানেন সেই 'কোথাও কেউ নেই' এর বাকের ভাই এর চরিত্রের মাধ্যমে। তেমনি এই 'আকাশ জোড়া মেঘ' উপন্যাসের অপলার বাবাকেও একটা সময় আপনার দারুন লাগবে। লোকটা ঠিক ভিলেন না আবার ভিলেন ও বলা যায়। সাথে গলার কাছে কিছু একটা দলা বেধে থাকবে অপলার জন্য। চরিত্র সৃষ্টিতে হুমায়ুন আহমেদ একজন জাদুকর, কি যেন এক মায়ার জাদু ছরিয়ে দিতে পারেন তিনি অবলীলায়।
December 7, 2022
কষ্ট লাগলো :"")
March 23, 2022
অপালার জন্য খুব খারাপ লাগছে!
ছোট একটা বই, কী দারুন মন খারাপ করে দিয়েছে।
ছোট একটা বই, কী দারুন মন খারাপ করে দিয়েছে।
November 26, 2025
প্রতিটি গল্পের মূল চরিত্র থাকে। যাকে কেন্দ্র করে কাহিনী আগে বারে। বইটা শুরু করার পর মনে হয়েছে অপলা হবে। পরে ফিরোজ চরিত্রের আগমন ঘটল তখন মনে হচ্ছিল ফিরোজ আর অপলার কাহিনী দেখতে পাবো। তারপর মনে হলো এই বইয়ের মূল চরিত্র ফখরুদ্দিন সাহেব। পাঠকদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখতে গেলে একেকজনের নজরে একেকজন থাকবে এই বইয়ের মূল চরিত্র।
কথায় বলে যার কাছে টাকা আছে তার কাছে সব আছে। চরম বাস্তবতা দেখানো হয়েছে বইটিতে। কিন্তু টাকা দিয়ে সবকিছু কিনতে পারলেও ভালোবাসা কিনতে পারে নি। খুব সাধারণ ভাবে গল্পটা আগাচ্ছিল। কিছু দূর যাওয়ার পর মনে হচ্ছে কি পড়তেছি। কিন্তু শেষের দিকে গিয়ে থমকে গিয়েছি। এরকমটাও হতে পারে ধারণা ছিল না। কাহিনী পুরোই উল্টে গেছে। শেষের টুইস্ট টা জোস ছিল। ফিরোজ চরিত্রের মধ্যে হিমুকে দেখতে পেয়ে ছিলাম।
কথায় বলে যার কাছে টাকা আছে তার কাছে সব আছে। চরম বাস্তবতা দেখানো হয়েছে বইটিতে। কিন্তু টাকা দিয়ে সবকিছু কিনতে পারলেও ভালোবাসা কিনতে পারে নি। খুব সাধারণ ভাবে গল্পটা আগাচ্ছিল। কিছু দূর যাওয়ার পর মনে হচ্ছে কি পড়তেছি। কিন্তু শেষের দিকে গিয়ে থমকে গিয়েছি। এরকমটাও হতে পারে ধারণা ছিল না। কাহিনী পুরোই উল্টে গেছে। শেষের টুইস্ট টা জোস ছিল। ফিরোজ চরিত্রের মধ্যে হিমুকে দেখতে পেয়ে ছিলাম।
October 4, 2018
হুমায়ুন আহমেদ তার বর্ণনায় পাঠক ধরে রাখতে জানেন। আমাদের সমাজে এমনটা প্রায়শই ঘটে, আমারা জীবন টিকাতে সন্তানদের দূরে ঠেলে দেই, দিতে হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সে তা কখনোই জানতে পারে না। অপলা জানতে পেরেছিল।
সাদামাটা গল্প।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সে তা কখনোই জানতে পারে না। অপলা জানতে পেরেছিল।
সাদামাটা গল্প।
September 21, 2025
হুমায়ুন আহমেদের গল্পে কোন ভিলেন থাকে না, যারা থাকে তারা মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের কিছু দিক ভালো, কিছু খারাপ। তারাও এরকমই।
এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে খুজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়। সেটা অপালা হতে পারে আবার তার বাবা ফখরুদ্দিন সাহেবও হতে পারেন। তবে আমার মনে হয় গল্পের কেন্দ্রবিন্দু ফখরুদ্দিন সাহেবই, যিনি জীবনে সবকিছুর মূল্যায়ন করতে চেয়েছেন টাকা দিয়ে; সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি সবকিছু তিনি কিনতে চেয়েছেন টাকা দিয়ে। তার এই সবকিছু কিনতে চাওয়ার সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ ই অপালা।
হুমায়ুন আহমেদ এর বইয়ের সমাপ্তি নিয়ে কমবেশি সবারই অভিযোগ থাকে। এ বই পড়ার পরও সে অভিযোগ থাকবে, তবে এই সমাপ্তির মাধ্যমে ফখরুদ্দিন সাহেবের মতো প্রভাবশালী মানুষকে জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছেন। তিনি টাকা দিয়ে ভালোবাসা কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনিই হয়তো কাওকে ভালোবাসতে পারেননি। তিনি ভালোবেসেছেন তার অর্থ-বিত্ত কে। নিজের স্ত্রীর সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি উদাসীন, অপালার সবচেয়ে ভালনারেবল অবস্থায় তিনি প্রভাভহীন।
আরেকটা কথা, ফিরোজ চরিত্রটার সাথে হিমুর অনেক মিল আছে। অনেকে হয়ত তাকে গল্পের নায়ক হিসেবে দেখেন, তবে আমি তাকে এগল্পের একজন প্রভাবশালী সাইড-ক্যারেক্টার হিসেবেই বিবেচনা করব। সে গল্পের নাটকীয়তা বাড়িয়েছে, আরেকটা দিক যোগ করেছে, তবে গল্পের মূল থিমে তার উপস্থিতি একেবারেই নগন্য। সে অপালার ওপর প্রভাব রেখেছে, নিজেও প্রভাবিত হয়েছে, আবার একসময় গল্পের মূল দিকটা থেকে নিজেকে আলাদাও করে ফেলেছে।
বই: আকাশজোড়া মেঘ
লেখক: হুমায়ুন আহমেদ
এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে খুজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়। সেটা অপালা হতে পারে আবার তার বাবা ফখরুদ্দিন সাহেবও হতে পারেন। তবে আমার মনে হয় গল্পের কেন্দ্রবিন্দু ফখরুদ্দিন সাহেবই, যিনি জীবনে সবকিছুর মূল্যায়ন করতে চেয়েছেন টাকা দিয়ে; সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি সবকিছু তিনি কিনতে চেয়েছেন টাকা দিয়ে। তার এই সবকিছু কিনতে চাওয়ার সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ ই অপালা।
হুমায়ুন আহমেদ এর বইয়ের সমাপ্তি নিয়ে কমবেশি সবারই অভিযোগ থাকে। এ বই পড়ার পরও সে অভিযোগ থাকবে, তবে এই সমাপ্তির মাধ্যমে ফখরুদ্দিন সাহেবের মতো প্রভাবশালী মানুষকে জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছেন। তিনি টাকা দিয়ে ভালোবাসা কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনিই হয়তো কাওকে ভালোবাসতে পারেননি। তিনি ভালোবেসেছেন তার অর্থ-বিত্ত কে। নিজের স্ত্রীর সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি উদাসীন, অপালার সবচেয়ে ভালনারেবল অবস্থায় তিনি প্রভাভহীন।
আরেকটা কথা, ফিরোজ চরিত্রটার সাথে হিমুর অনেক মিল আছে। অনেকে হয়ত তাকে গল্পের নায়ক হিসেবে দেখেন, তবে আমি তাকে এগল্পের একজন প্রভাবশালী সাইড-ক্যারেক্টার হিসেবেই বিবেচনা করব। সে গল্পের নাটকীয়তা বাড়িয়েছে, আরেকটা দিক যোগ করেছে, তবে গল্পের মূল থিমে তার উপস্থিতি একেবারেই নগন্য। সে অপালার ওপর প্রভাব রেখেছে, নিজেও প্রভাবিত হয়েছে, আবার একসময় গল্পের মূল দিকটা থেকে নিজেকে আলাদাও করে ফেলেছে।
বই: আকাশজোড়া মেঘ
লেখক: হুমায়ুন আহমেদ
December 12, 2021
শেষ কোন বইটা পড়ে কারণ ছাড়াই মন খারাপ হয়েছে?
অপলা মেয়েটা খুব একা। অনেক মায়া আর আদর জড়ানো এবং দৃঢ় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একটা চরিত্র। স্যারের উপন্যাসের অবধারিত নিয়মে অপলা আর ফিরোজের মাঝে কিছু একটা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হয়নি। এটা ভালো লেগেছে। ফিরোজের মাঝে 'হিমুর' ছায়া আছে।
আমার মনে হয়েছে, এই উপন্যাসটি শ্রেণি বৈষম্যের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরে। উচ্চবিত্ত আর নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝের বিশাল ব্যবধানের মূল্য অনেক বেশি পরিমাণে দিতে হয় সোমাদের পরিবারকে। আর তাই, এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু, অপলার জন্য খুব মন খারাপ হয়। কী বিশাল একাকিত্বের প্রাসাদে তার বসবাস। অন্য কেউ না, নিজেই যেনো কোন একদিন এই জাল থেকে বের হতে পারে।
অপলা মেয়েটা খুব একা। অনেক মায়া আর আদর জড়ানো এবং দৃঢ় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একটা চরিত্র। স্যারের উপন্যাসের অবধারিত নিয়মে অপলা আর ফিরোজের মাঝে কিছু একটা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হয়নি। এটা ভালো লেগেছে। ফিরোজের মাঝে 'হিমুর' ছায়া আছে।
আমার মনে হয়েছে, এই উপন্যাসটি শ্রেণি বৈষম্যের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরে। উচ্চবিত্ত আর নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝের বিশাল ব্যবধানের মূল্য অনেক বেশি পরিমাণে দিতে হয় সোমাদের পরিবারকে। আর তাই, এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু, অপলার জন্য খুব মন খারাপ হয়। কী বিশাল একাকিত্বের প্রাসাদে তার বসবাস। অন্য কেউ না, নিজেই যেনো কোন একদিন এই জাল থেকে বের হতে পারে।
November 5, 2024
I've never hated a main character like i hate Firoj . মেয়ে যে কয়টা দেখে সব কয়টার সাথেই প্রেম করা লাগবে তার? আর ২১ বছরে কেউ অনার্স ফাইনাল কিভাবে দেয় তাই বুঝিনা। ২১ বছরের সুন্দরী বড়লোকের মেয়ে ৩৫ বছরের ছ্যাচড়া লোক যে কিনা মিথ্যা কথা ছাড়া কথা বলে না, কাজ কর্মে মনোযোগ নাই, গোসল করে না ঠিকঠাক, আবার প্রথমেই বলে রাখছে তার অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক - এমন লোকের প্রেমে কিভাবে পড়ে? আকাশকুসুম চিন্তার একটা লিমিট থাকা উচিত। That precious 1 hour I'll never get back.
This entire review has been hidden because of spoilers.
February 4, 2023
শেষটা সুন্দর গল্পটাকে নষ্ট করে দিয়েছে।
March 20, 2026
এই বইটা আমার অত্যন্ত পছন্দের। হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের একটা ব্যাপার হলো, আমার কাহিনি মনে থাকলেও নামগুলো ভুলে যাই। তবে প্রথম পাতা পড়তেই মনে পড়ে গেল যখন প্রথম পড়েছিলাম, কি ভালোই না লেগেছিল! এবার পড়ার পর খুব দুঃখ হলো, এত চমৎকার বই এত ছোট কেন হবে! এই বই হবে দুই- আড়াইশ পাতা, অপালার সাথে মানুষের কথা হবে, দেখা হবে, অপালার তাতে কী অনুভূতি হয় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে; আরেকটা ফটকা চরিত্র আছে তার জীবনে কী হচ্ছে, আরেকটা মায়াময় চরিত্র আছে, তার জীবন কেমন চলছে, এসব নিয়ে পুঙ্খানুপুংখ বিবরণ পড়ব। অবশ্য এত ছোট বই বলেই এসব নিয়ে ভেবে ভেবে দিন পার করে দেওয়া সম্ভব।
September 30, 2025
কিছু বই থাকে যেগুলা শুরুতে পড়তে অনেক বিরক্তিকর লাগে, নিজেকে জোর করে পড়াতে হয় -- কী জানি পরে আবার ভালো লাগে কিনা। এইটাও এমন, পড়েছিলাম কারণ গিফট এ পেয়েছিলাম একসাথে ১৫টা এমন বই আমার ভাই থেকে, না পড়ে আমি বই ফেলে রাখিনা। এই বইয়ের ৬০% পর্যন্ত আমার নিজেকে জোর করে পড়তে হয়েছিল, তারপর থেকে পড়ার প্রবল ইচ্ছা জাগলো লেখার কারণে। এর সমাপ্তি, ১পেজের আবছা লেখার মাধ্যমে এতো করুণাময় হয়ে উঠবে বলে মনে করিনি। যা-ই হোক, ভালো লাগল। এই বই পছন্দের মানুষ এবং অন্য পছন্দের মানুষদের দিবো। ভালোই, মজা আরকি!
May 23, 2020
এপিটাফ, প্রিয়তমেষু পড়ার পর ভাবলাম হয়তো এই বইটাও ভাল হবে। কিন্তু না। হুমায়ূন আহমেদের গড়পড়তা বই। এলোমেলো উদ্দেশ্যহীন কাহিনী, সস্তা দার্শনিকতা আর স্থুল রসিকতায় পরিপূর্ণ। যা-ও একটা টুইস্ট আছে সেটাও বহু আগে থেকেই বুঝা যায়।
August 11, 2020
ভালো লাগল।যদিও উপন্যাস ,তাও ক্লাসিকাল ছোটগল্প ভাব আছে।
May 22, 2024
melancholy read
October 31, 2025
এর আগেও হুমায়ূন আহমেদের এ ধাচের লেখা অসংখ্যবার পড়েছি । তবে কেন যেন এবার মনের মধ্যে কেমন শূন্যতা অনুভূত হচ্ছে । কেমন খালি খালি লাগছে ।
June 19, 2017
হায় বেচারি অপলা!!!কেবল নিজের মনের কথাটাই বলতে পারল না। উপন্যাসটির শেষটায় এসে এই আফসোস কেউ একজন করতেই পারে, তার সব না বলা গল্প নর্তকীর ডায়রিতে জমা থাক, দিনশেষে লাভ কি? ফিরোজের সরল সাধারন জীবন কেবল লতিফাই হাসি গল্প গানে ভরিয়ে তুলবে।ফখরুদ্দিন সাহেব আর দশটা সাধারন টাকাওয়ালাদের মত, সংসারের প্রতি উদাসীন, টাকাকেই জীবনের সর্বস্ব ভেবে নিয়েছেন, সমাজের অনৈতিকতায় এর সুন্দর অবদান। হাজি সাহেব সাধারন বুদ্ধমান।তবুও সবশেষে অপলাই সর্বস্ব জুড়ে থাকে, তার না জানা পরিচয়, তার অন্তরমুখী স্বভাব,কিংবা একটি সাধারন মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে শাড়ি দেওয়ার মতো উদারতা, এটি কেবল অপলার পক্ষেই সম্ভব। কেবল সম্ভব না ফিরোজের এতটা কাছে গিয়েও ফিরোজের প্রতি তার দুর্বলতা না বলতে পারা, তার নিজের অজান্তে গড়ে ওঠা ভালোবাসার কথা।তাকে নিয়ে রহস্যময় জীবন গড়ার কথা...............
February 7, 2024
‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ এর সুরে একটা কথা বলা যায়, মানুষ তার ‘প্রিয়’ অবস্থানে থাকতে পছন্দ করে। কেউ টাকাকেই সব মনে করে, টাকাকেই সুখের প্যারামিটার বানিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে কেউ কেউ অতিরিক্ত ধন-দৌলতের প্রত্যাশী হয় না। পরিবার-পরিজনের সাথে জীর্ণ কুটিরে থাকাকেই জীবনের পরম পাওয়া মনে করে। আবার এমন মানুষও আছে, যারা দুনিয়াবি কোনো কিছুর ধার ধারে না। চিল মোডে থাকে সবসময়।
হুমায়ূন আহমেদের ‘আকাশ জোড়া মেঘ’ উপন্যাসটা এমনই ধরনের গল্প। বহুমুখী চরিত্র-প্রকৃতির তারতম্যকেই ফোকাস করেছেন বলে মনে হয়েছে।
বইটা পড়ার পর অনেক বকবক করার ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু পড়া শেষ হয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে… তাই এখন আর সেই বকবকানি মোড আসছে না।
কমল উদ্দিন
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
হুমায়ূন আহমেদের ‘আকাশ জোড়া মেঘ’ উপন্যাসটা এমনই ধরনের গল্প। বহুমুখী চরিত্র-প্রকৃতির তারতম্যকেই ফোকাস করেছেন বলে মনে হয়েছে।
বইটা পড়ার পর অনেক বকবক করার ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু পড়া শেষ হয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে… তাই এখন আর সেই বকবকানি মোড আসছে না।
কমল উদ্দিন
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
September 1, 2019
বইটা শুরু হয় ফিরোজ চরিত্রকে দিয়ে। পড়তে পড়তে আপনি হঠাৎ আবিষ্কার করবেন মূল চরিত্র অন্য কেউ। সেই চরিত্রের জন্য শেষে আপনার মনটা কেঁদেও উঠতে পারে। বারবার মনে হতে পারে এমনভাবে বইটা শেষ না হয়ে অন্যভাবেও তো হতে পারতো যদি মেয়েটা জীবনকে একটু ভিন্নভাবে দেখতো।
___
খুব অভিনব কিছু না হবার পড়েও বইটা আমার হুমায়ুন আহমেদের লেখা রচনাবলির মাঝে সবচেয়ে প্রিয়। পাঠের ১৫ বছর পর রিভিউ লিখলাম। বইটার প্রতি আমার মনোভাব এতোটুকু বদলায় নি।
___
খুব অভিনব কিছু না হবার পড়েও বইটা আমার হুমায়ুন আহমেদের লেখা রচনাবলির মাঝে সবচেয়ে প্রিয়। পাঠের ১৫ বছর পর রিভিউ লিখলাম। বইটার প্রতি আমার মনোভাব এতোটুকু বদলায় নি।
June 15, 2018
আর ১০ টা হুমায়ুনীয় বই এর মতই একটা বই। কাহিনীটা কেমন যেন একটু অবস্তব আর বাস্তবতার সংমিশ্রণ। তবে হিমু সিরিজের বইগুলোর সাথে মিল পাচ্ছি। অপালার যে কাহিনী এখানে বলা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে একটা শূন্য অনুভূতির সৃষ্টি করে, কিন্তু কল্পকাহিনী হলেও বিষয়টাতে কেমন যেন একটু খটকা লাগে। তবে কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্রের যে বর্ণনা, তা খুবই সুন্দর এবং বাস্তব সম্মত।
রিকমেন্ড করার মত বই।
রিকমেন্ড করার মত বই।
December 8, 2019
কেন জানি না, এই বইয়ের অপালা হায়দার চরিত্রটা আমাকে অসম্ভব রকম আকৃষ্ট করে। হুমায়ূন আহমেদের তৈরি নারী চরিত্রদের মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয় চরিত্র এই অপালা হায়দার। আর প্রতি বার বইটা পড়ার পর আমার ইচ্ছা করে ফিরোজকে জুতার বাড়ি দিতে, মানে এত ইতর মানুষ হয় কীভাবে!!!!
আকাশ জোড়া মেঘ সত্যি বলতে সব নিঃসঙ্গ মেয়েরই কাহিনী। যাদের সবই আছে, কিন্তু কিছুই নেই তাদেরই কাহিনী। I Just love it.
আকাশ জোড়া মেঘ সত্যি বলতে সব নিঃসঙ্গ মেয়েরই কাহিনী। যাদের সবই আছে, কিন্তু কিছুই নেই তাদেরই কাহিনী। I Just love it.
February 9, 2025
বইটা পড়ে মেট্রোলাইফ ব্যান্ডের 'সন্ধ্যা' গানটার কথা মনে পড়লো।
আকাশজোড়া মেরুন আলোয়
রাঙিয়ে রাখা মেঘ,
ভেসে আসে নীরবে তার লুকানো আবেগ।
তীব্রভাবে মেশে আমার বিকেলবেলার গানে
শহরমুখী পায়ের ধুলায় হারায় অভিমানে।
যখন দূরে সন্ধ্যালোকে ফুরায় আয়োজন
তখন কী এক হাওয়ায় মাতাল বিষণ্ণ এ মন,
যখন দূরে সন্ধ্যালোকে ফুরায় আয়োজন
তখন কী এক হাওয়ায় মাতাল বিষণ্ণ এ মন।
আকাশজোড়া মেরুন আলোয়
রাঙিয়ে রাখা মেঘ,
ভেসে আসে নীরবে তার লুকানো আবেগ।
তীব্রভাবে মেশে আমার বিকেলবেলার গানে
শহরমুখী পায়ের ধুলায় হারায় অভিমানে।
যখন দূরে সন্ধ্যালোকে ফুরায় আয়োজন
তখন কী এক হাওয়ায় মাতাল বিষণ্ণ এ মন,
যখন দূরে সন্ধ্যালোকে ফুরায় আয়োজন
তখন কী এক হাওয়ায় মাতাল বিষণ্ণ এ মন।
February 15, 2018
অতিসাধারণ একটা গল্প। কিন্তু একটা অজানা মুগ্ধতা ঘিরে আছে সম্পূর্ণ বইটি। গল্পের জাদু এখানেই। সাধারণ একটি গল্পকে অসাধারণ ভাবে উপস্থাপন করেন বলেই তিনি হুমায়ূ। স্যারের লিখার কথা জানেন না বা তার লিখনির সাথে পরিচিত নয় এমন মানুষ বুঝি বাংলাদেশে নেই
May 1, 2018
প্রচন্ড বাজে স্মৃতিশক্তি নিয়ে জন্মানোর একটা লাভ হচ্ছে পড়া বই বারেবারে পড়া যায়। এমন ভাবেই বইটা গতোকাল আবারও পড়ে ফেললাম। যে জায়গাটাতে এসে বুঝেছি যে বইটা পড়া সেখান থেকে আর রেখে দেয়া সম্ভব নয়। সাধারণেই অসাধারণত্ব।
July 27, 2024
ইদানীং যেই বইই পড়ি, সবগুলাই কেন জানি বিষণ্নতায় ঘেরা।
এইটাও ব্যতিক্রম না। যেমনভাবে শুরু হইছিলো তার থেকে অনেক ভিন্নভাবে গল্পটা শেষ হয়। তবে বেশ দারুণ লাগছে। আসলে হুমায়ুন আহমেদ এর এখনো ওইরকম খারাপ বই পাই নাই।
এইটাও ব্যতিক্রম না। যেমনভাবে শুরু হইছিলো তার থেকে অনেক ভিন্নভাবে গল্পটা শেষ হয়। তবে বেশ দারুণ লাগছে। আসলে হুমায়ুন আহমেদ এর এখনো ওইরকম খারাপ বই পাই নাই।
Displaying 1 - 30 of 72 reviews































