What do you think?


দখল
ভালোবাসার জন্য এক কোমল হৃদয় প্রেমিক হয়েছিল খুনি, আর এক নিষ্ঠুর খুনি হয়েছিল ক্ষমাশীল। একটা হৃদয় দখলের জন্য দুই প্রেমিকের এই যুদ্ধটা ছড়িয়ে পড়েছিল সারা শহরে..... শহরটার নাম ঢাকা, যে শহরকে আমরা চিনি না। এই শহরেই আছে আন্ডারওয়ার্ল্ড নামের অচেনা মানুষদের এক অন্ধকার পৃথিবী.... রাষ্ট্রের মতো এদেরও আছে নাগরিকদের উপর গোপন নিয়ন্ত্রণ, আর ক্ষমতার পালাবদল। অন্ধকার ঢাকার অর্গানাইজড ক্রিমিনালদের ক্ষমতা দখলের রক্ত হিম করা গোপন যুদ্ধের সাথে এবার জড়িয়ে গেছে হৃদয় দখলের যুদ্ধটা... 'দখল'- The Fiction based on Fact.
- GenresThriller
Hardcover
First published February 1, 2018
About the author
Latiful Islam Shibli
11 books97 followersপয়লা বৈশাখের এক কাকডাকা ভোরে জন্ম নিয়েই দেখে, বাংলাদেশে চলছে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি। ফুলছড়ি, বাহাদুরাবাদ ঘাটে পাকিস্তানি সেনাবাহিনির অবস্থানের ওপর যখন ইন্ডিয়ান মিগ থেকে বোমা ফেলা হচ্ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধা বাবার সঙ্গে বাঙ্কারে বসে শিশুটি বলছিল, 'আল্লাহ্, রক্ষা কর'—গল্পটি শিবলীর মায়ের কাছে শোনা। তখন যুদ্ধ না বুঝলেও নব্বইয়ের দশকের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনের ভেতর দিয়েই তাঁর বেড়ে ওঠা। ইন্টারমিডিয়েটে পড়াকালেই স্বৈরশাসকের জেল জুলুম আর হুলিয়া মাথায় নিয়ে চলে আসেন নাটোর থেকে ঢাকায় । অভিনয়ের উপর এক বছরের ডিপ্লোমা কোর্স শেষে গ্রুপথিয়েটার নাট্যচক্রের সঙ্গে মঞ্চনাটকে কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে বিকশিত হতে থাকেন শিল্পের অন্যান্য মাধ্যমে।অভিভাবকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে একদল গানপাগল তরুণ ব্যান্ড সংগীতের মাধ্যমে বাংলা গানের ধারায় যে-পরিবর্তন এনেছে, শিবলী তাদেরই অন্যতম। যুগযন্ত্রণার ক্ষ্যাপামো মজ্জাগত বলেই প্রথা ভাঙার যুদ্ধে শিবলী হয়ে ওঠেন আপাদমস্তক 'রক'। আধুনিক জীবনযন্ত্রণাগ্রস্ত তারুণ্যের ভাষাকে শিবলী উপস্থাপন করেছেন অত্যন্ত সহজসরল 'রক' এর ভাষায়। তাঁর সাফল্য এখানেই । তাই অল্প সময়ের মধ্যেই শিবলী পরিণত হয়েছেন এদেশের ব্যান্ড সংগীতজগতের কিংবদন্তি গীতিকবিতে । শিবলীর লেখা (প্রায় ৩০০) জনপ্রিয় গানের মধ্যে কয়েকটি: জেল থেকে বলছি | কথা-সুর: শিবলী, ফিলিংস /নগরবাউল তুমি আমার প্রথম সকাল | তপন চৌধুরী-শাকিলা জাফর কষ্ট পেতে ভালবাসি | আইয়ুব বাচ্চু (এলআরবি) হাসতে দেখো, গাইতে দেখো | আইয়ুব বাচ্চু কত কষ্টে আছি | জেমস পালাবে কোথায় | জেমস একজন বিবাগি | জেমস রাজকুমারী | আইয়ুব বাচ্চু হাজার বর্ষা রাত । সোলস পলাশী প্রান্তর। মাইলস কী ভাবে কাঁদাবে তুমি (যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে) | খালিদ (চাইম) আরও অনেক অনেক গান......... 'কমপ্লিট ম্যান' খ্যাত ঝুঁটিবাঁধা সেঞ্চুরি ফেব্রিকসের দুর্দান্ত সেই মডেল শিবলী ছিলেন তাঁর সময়ের ফ্যাশন-আইকন।তিনি একজন সফল নাট্যকার। বিটিভির যুগে তাঁর লেখা প্রথম সাড়া জাগানো নাটক 'তোমার চোখে দেখি'(১৯৯৫)। আরও লিখেছেন- রাজকুমারী, হাইওয়ে টু হেভেন, গুড সিটিজেন, নুরু মিয়া দ্যা পেইন্টার, যত দূরে থাকো, বৃষ্টি আমার মা,রান বেইবি রান,আন্ডারগ্রাউণ্ড,শহরের ভিতরে শহরসেকেন্ড চান্স,স্পন্দন,মিলিয়ন ডলার বেইবি,দ্যা ব্রিফকেস।নিজের লেখা নাটক 'রাজকুমারী'তে(১৯৯৭) মির্জা গালিব চরিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় এখনও অনেকের মনে থাকার কথা।শিবলীর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো 'ইচ্ছে হলে ছুঁতে পারি তোমার অভিমান' (১৯৯৫), 'তুমি আমার কষ্টগুলো সবুজ করে দাও না'(২০১০), মাথার উপরে যে শূন্যতা তার নাম আকাশ, বুকের ভেতরে যে শূন্যতা তার নাম দীর্ঘশ্বাস'(২০১৪)।বাংলা একাডেমী প্রকাশ করেছে তাঁর 'বাংলাদেশে ব্যান্ড সংগীত আন্দোলন'(১৯৯৭) নামে ব্যান্ড সংগীতের ওপর লিখিত প্রথম এবং একমাত্র গবেষণাধর্মী প্রবন্ধগ্রন্থ।শিবলী'র কাহিনী সংলাপ এবং চিত্রনাট্যে ও গীতিকবিতায় প্রথম পূর্ণদৈঘ্য চলচ্চিত্র 'পদ্ম পাতার জল'(২০১৫)।শিবলী'র প্রথম এবং বেস্টসেলার উপন্যাস- দারবিশ (২০১৭)।স্বভাবজাত বোহেমিয়ান, ঘুরেছেন ইউরোপে সহ পৃথিবীর পথে পথে।।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 35 reviews
February 25, 2018
বইটা শেষ করার পর থম মেরে বসে ছিলাম। এই লেখক দারবিশ লিখেছেন?! এই লেখক!
শুধুমাত্র এই প্লটেই গ্যাংস্টারদের নিয়ে চমৎকার একটা থ্রিলার হয়ে যেতো। খুব উপভোগও করতাম।
তা না করে লেখক মোটামুটি বাংলা চলচ্চিত্রের কাছে নিয়ে গিয়েছেন বইটাকে। পেরেছেনও বোধহয়।
এতোটুকুন একটা বইয়ের গাত্রমূল্য ৩০০টাকা হবার কোনো কারণই দেখি না
হতাশ হয়েছি, ক্ষুব্ধ হয়েছি, যারপরনাই বিরক্তও হয়েছি।
"দখল" আমাকে দখল করতে পারল না (ব্যক্তিগত রিভিউ)
ভালো খারাপ কিছু একটা বলতে হয়। অনিন্দ্য আকাশের বুদ্ধিমত্তা ভালো লেগেছে। আবেগ দিয়ে প্রেমিক হওয়া যায়, গ্যাংস্টার না। ডেভিডের জন্য সমবেদনা ছাড়া আর কিছু আপাতত দেয়ার নেই। তবে একটা কথা সত্যি। যাকে নিয়ে এই দখলের লড়াই, তিনি যতবারই প্রেক্ষাপটে এসেছেন, বিরক্তির চূড়ান্তমাত্রায় পৌঁছেছি।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৫/১০
শুধুমাত্র এই প্লটেই গ্যাংস্টারদের নিয়ে চমৎকার একটা থ্রিলার হয়ে যেতো। খুব উপভোগও করতাম।
তা না করে লেখক মোটামুটি বাংলা চলচ্চিত্রের কাছে নিয়ে গিয়েছেন বইটাকে। পেরেছেনও বোধহয়।
এতোটুকুন একটা বইয়ের গাত্রমূল্য ৩০০টাকা হবার কোনো কারণই দেখি না
হতাশ হয়েছি, ক্ষুব্ধ হয়েছি, যারপরনাই বিরক্তও হয়েছি।
"দখল" আমাকে দখল করতে পারল না (ব্যক্তিগত রিভিউ)
ভালো খারাপ কিছু একটা বলতে হয়। অনিন্দ্য আকাশের বুদ্ধিমত্তা ভালো লেগেছে। আবেগ দিয়ে প্রেমিক হওয়া যায়, গ্যাংস্টার না। ডেভিডের জন্য সমবেদনা ছাড়া আর কিছু আপাতত দেয়ার নেই। তবে একটা কথা সত্যি। যাকে নিয়ে এই দখলের লড়াই, তিনি যতবারই প্রেক্ষাপটে এসেছেন, বিরক্তির চূড়ান্তমাত্রায় পৌঁছেছি।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৫/১০
June 12, 2018
প্রথম দিকে ভালো লাগছিলো; কিন্তু মাঝ থেকে শুরু করে বিশেষ করে শেষে গিয়ে সিনেমার মতো মনে হচ্ছিলো। ভালো সিনেমা যদিও বই থেকেই হয়। কিন্তু ইউজ্যূয়াল সিনেমা বইয়ে পড়তে ভালো লাগেনি। আরও বেশি কিছু আশা করেছিলাম বোধহয়। শেষার্ধে ডায়ালগও খুব দুর্বল হয়ে গিয়েছে। প্রথমাংশের ভালো অনুভূতিগুলোকে শেষার্ধ মনে হয় চাপা দিয়ে দিলো। তাই যা যা লিখবো ভেবেছিলাম, তার কিছুই মনে পড়ছে না।
February 4, 2018
'দখল', এটা এমন একটি গল্প, যার বর্ণনা দিচ্ছে জেনিফার নাম্নী এক ব্রিটিশ বাঙ্গালী।
মা-বাবা এ দু'য়ের কাছ থেকেই সে পেয়েছে অভিজাত সংস্কৃতির শিক্ষা।
''রক্ত মাংসের শরীর নিয়ে নারীকে নিষ্পাপ স্পর্শ করা যায় না।
নারীর মন স্পর্শ না করে তার দেহ স্পর্শ করাটাই বর্বরতা।"
এমন ধ্যানধারণা রাখা মেয়েটি প্রেমে পড়ে এক অখ্যাত কবির।
ঠিক কবির না, তার কবিতার প্রেমে পড়ে সে।
কিন্তু, কেনো যেনো কবির কবিতার মাঝে খুঁজে পাওয়া সেই ব্যক্তিত্বের নাগাল জেনিফার বাস্তবে পায় না।
কাহিনীর অন্যদিকে আছে ডেভিড। যে কিনা 'কবিতার' শক্তিতে বশীভূত হয়ে ক্ষমার শাসন শুরু করে ঢাকার 'সার্কেলে'।
যার উৎস সেই অখ্যাত কবি।
জনতা টাওয়ারের আঠার তলায় দাঁড়িয়ে সে কারো কথা ভাবে, যে তাকে বলেছিলো
"মানুষ আর অমানুষের মধ্যে একটাই পার্থক্য। মানুষ ক্ষমা করতে পারে, আমানুষ সেটা পারে না।"
কিন্তু, ছায়া সরকারের এই স্থানটিতে টিকে থাকা এত সহজ নয়।
ডেভিডকে তাড়া করে ফিরছে তার এক সময়ে নেয়া একটি সিদ্ধান্তের ফল।
সে কি তাহলে ভুল করেছিলো সেদিন?
নাকি এখনও করে যাচ্ছে?
কবির মানশপটে যে আরাধ্য ভালোবাসা তার প্রেমিকার জন্য, সেটাকে তো কবিতাতেই ঢেলে দিয়েছে সে।
তবে বাস্তবে কি তাকে নিজের করে নিতে পারবে সে?
'দ্য সান অফ আন্ডারওয়ার্ল্ড' নামক উপাখ্যানটির পরতে পরতে যেমন মাদকতাময় প্রেমের পরশ রয়েছে। তেমনি আছে ক্ষমতার দন্দ্বে লড়া দুই গডফাদারের কাহিনী।
আর, দিনশেষে কারো অন্তিম আর্তনাদ যে তার প্রেয়সী নারীর জন্য খুনি হয়ে উঠেছিলো।
পাঠপ্রতিক্রিয়া:
লেখকের উপন্যাস 'দারবিশ' পড়েছিলাম কোনো আশা ছাড়াই।
তার করা গানগুলোতেই আমি সেই ভরসা পেয়ে গিয়েছিলাম। আর, কাহিনীটাও ইউনিক ছিলো।
এই উপন্যাসে তিনি নিজস্ব ধারায় মুন্সিয়ানা ফুটিয়ে তুলেছেন ভালোভাবেই। তবে, গল্পটায় কেমন যেনো পরিচিত একটা আভাষ।
যেনো, এমতর কাহিনী আগেও লিখা হয়েছে।
সর্বোপরি তার লিখা পড়ে আমি শান্তি পাই।
উনার লিখনিতে একটা ব্যাপার আছে, যেটা পাঠকে অবশ্যই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে। তাই, আশায় থাকলাম পরবর্তিতে তিনি আরো চমৎকারভাবে নিজের লেখাকে উপস্থাপন করবেন।
মা-বাবা এ দু'য়ের কাছ থেকেই সে পেয়েছে অভিজাত সংস্কৃতির শিক্ষা।
''রক্ত মাংসের শরীর নিয়ে নারীকে নিষ্পাপ স্পর্শ করা যায় না।
নারীর মন স্পর্শ না করে তার দেহ স্পর্শ করাটাই বর্বরতা।"
এমন ধ্যানধারণা রাখা মেয়েটি প্রেমে পড়ে এক অখ্যাত কবির।
ঠিক কবির না, তার কবিতার প্রেমে পড়ে সে।
কিন্তু, কেনো যেনো কবির কবিতার মাঝে খুঁজে পাওয়া সেই ব্যক্তিত্বের নাগাল জেনিফার বাস্তবে পায় না।
কাহিনীর অন্যদিকে আছে ডেভিড। যে কিনা 'কবিতার' শক্তিতে বশীভূত হয়ে ক্ষমার শাসন শুরু করে ঢাকার 'সার্কেলে'।
যার উৎস সেই অখ্যাত কবি।
জনতা টাওয়ারের আঠার তলায় দাঁড়িয়ে সে কারো কথা ভাবে, যে তাকে বলেছিলো
"মানুষ আর অমানুষের মধ্যে একটাই পার্থক্য। মানুষ ক্ষমা করতে পারে, আমানুষ সেটা পারে না।"
কিন্তু, ছায়া সরকারের এই স্থানটিতে টিকে থাকা এত সহজ নয়।
ডেভিডকে তাড়া করে ফিরছে তার এক সময়ে নেয়া একটি সিদ্ধান্তের ফল।
সে কি তাহলে ভুল করেছিলো সেদিন?
নাকি এখনও করে যাচ্ছে?
কবির মানশপটে যে আরাধ্য ভালোবাসা তার প্রেমিকার জন্য, সেটাকে তো কবিতাতেই ঢেলে দিয়েছে সে।
তবে বাস্তবে কি তাকে নিজের করে নিতে পারবে সে?
'দ্য সান অফ আন্ডারওয়ার্ল্ড' নামক উপাখ্যানটির পরতে পরতে যেমন মাদকতাময় প্রেমের পরশ রয়েছে। তেমনি আছে ক্ষমতার দন্দ্বে লড়া দুই গডফাদারের কাহিনী।
আর, দিনশেষে কারো অন্তিম আর্তনাদ যে তার প্রেয়সী নারীর জন্য খুনি হয়ে উঠেছিলো।
পাঠপ্রতিক্রিয়া:
লেখকের উপন্যাস 'দারবিশ' পড়েছিলাম কোনো আশা ছাড়াই।
তার করা গানগুলোতেই আমি সেই ভরসা পেয়ে গিয়েছিলাম। আর, কাহিনীটাও ইউনিক ছিলো।
এই উপন্যাসে তিনি নিজস্ব ধারায় মুন্সিয়ানা ফুটিয়ে তুলেছেন ভালোভাবেই। তবে, গল্পটায় কেমন যেনো পরিচিত একটা আভাষ।
যেনো, এমতর কাহিনী আগেও লিখা হয়েছে।
সর্বোপরি তার লিখা পড়ে আমি শান্তি পাই।
উনার লিখনিতে একটা ব্যাপার আছে, যেটা পাঠকে অবশ্যই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে। তাই, আশায় থাকলাম পরবর্তিতে তিনি আরো চমৎকারভাবে নিজের লেখাকে উপস্থাপন করবেন।
March 3, 2018
লেখকের প্রথম উপন্যাস "দারবিশ" পড়ে অসম্ভব ভালো লেগেছিল। প্রাণের শহর ঢাকার এক শৈল্পিক বর্ণনা পেয়েছিলাম সেই লেখায়। দখলে সেই চিরচেনা ঢাকাই নতুন এক রূপে ধরা দিল আমার সামনে। সেই ঢাকা প্রতিনিয়ত পাল্টে যায় আমাদের চোখের আড়ালে। অপরাধজগতের হোমরাচোমরা-রাই নিয়ন্ত্রণ করে সেই ঢাকাকে। আর তাদের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়েই পাল্টে যায় শহরের ভেতরটা।
এরিমাঝে বদলের হাওয়া লাগে মুকুটহীন সম্রাট ডেভিডের জীবনে, কারো আগমনে ভিন্নসুরে স্পন্দিত হয় জীবনের সুর। কিন্তু এহেন কলুষিত প্রাণে কি প্রেমের সুশীতল ছায়া বিরাজ করবে তার জীবনে।
অন্যদিকে প্রেমের সরোবরে নিয়ত ভাসমান এক কবির জীবনে আচমকা উঠে এক ঝড়। দমকা হাওয়ার তার কবিতার অনুপ্রেরণা সেই মেয়েই মন দিয়ে বসে আরেক জনকে। কিভাবে তা সামলাল কবি। অভিমানে প্রতিশোধের নেশায় ক্ষৃপ্ত হয়ে উঠে শান্ত প্রেমময় সেই কবি।
বলতে গেলে পুরোটা সময় একটা মুগ্ধতা জড়িয়ে ছিল। সকাল সকাল হাতে নিয়ে চরম একটা স্পয়লার খেয়েও সেই মুগ্ধতা নষ্ট করতে পারেনি। দিন শেষে মনটা এখন বিষন্ন। কেন এমন হয় জীবনে???
এরিমাঝে বদলের হাওয়া লাগে মুকুটহীন সম্রাট ডেভিডের জীবনে, কারো আগমনে ভিন্নসুরে স্পন্দিত হয় জীবনের সুর। কিন্তু এহেন কলুষিত প্রাণে কি প্রেমের সুশীতল ছায়া বিরাজ করবে তার জীবনে।
অন্যদিকে প্রেমের সরোবরে নিয়ত ভাসমান এক কবির জীবনে আচমকা উঠে এক ঝড়। দমকা হাওয়ার তার কবিতার অনুপ্রেরণা সেই মেয়েই মন দিয়ে বসে আরেক জনকে। কিভাবে তা সামলাল কবি। অভিমানে প্রতিশোধের নেশায় ক্ষৃপ্ত হয়ে উঠে শান্ত প্রেমময় সেই কবি।
বলতে গেলে পুরোটা সময় একটা মুগ্ধতা জড়িয়ে ছিল। সকাল সকাল হাতে নিয়ে চরম একটা স্পয়লার খেয়েও সেই মুগ্ধতা নষ্ট করতে পারেনি। দিন শেষে মনটা এখন বিষন্ন। কেন এমন হয় জীবনে???
February 24, 2022
কবি অনিদ্য আকাশের একটা গুছানো ending হলে আরো ভালো লাগতো।
তাছাড়া বাকিগুলো ঠিক ছিল।
তাছাড়া বাকিগুলো ঠিক ছিল।
March 4, 2018
বাংলা ভাষায় ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, গ্যাংস্টারদের নিয়ে ফ্যাক্টস নির্ভর উপন্যাস সম্ভবত এটাই প্রথম। ছোটবেলা থেকে ঢাকায় বড় হওয়া। নিজে না জড়ালেও আশেপাশে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সদস্যদের নড়াচড়া দেখেছি। আমাদের বাড়িঅলার ছেলেকে শবে বরাতের রাতে একটি দোকানের ভেতরে ঢুকিয়ে শাটার নামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল! ছেলেটা গ্যাং করতো, তা বলাই বাহুল্য।
“দখল” যেন আমাকে সেই পুরোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছিল বারবার। মেদহীন বর্ণনা, সহজ-সাবলীল লেখনশৈলী, টানটান উত্তেজনাময় কাহিনি, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, রাজনীতির চাল; সবমিলিয়ে দখল একটি উপভোগ্য উপন্যাস। একদম পিওর এন্টারটেইনার।
আমার পক্ষ থেকে রেটিং: ৩.৫/৫, কিন্তু গুডরিডসে যেহেতু ভগ্নাংশে রেটিং দেয়া যায় না তাই ৪/৫ দিচ্ছি। ৩ দিলে ভাললাগার মাত্রাটা ঠিক প্রকাশ পেত না।
“দখল” যেন আমাকে সেই পুরোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছিল বারবার। মেদহীন বর্ণনা, সহজ-সাবলীল লেখনশৈলী, টানটান উত্তেজনাময় কাহিনি, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, রাজনীতির চাল; সবমিলিয়ে দখল একটি উপভোগ্য উপন্যাস। একদম পিওর এন্টারটেইনার।
আমার পক্ষ থেকে রেটিং: ৩.৫/৫, কিন্তু গুডরিডসে যেহেতু ভগ্নাংশে রেটিং দেয়া যায় না তাই ৪/৫ দিচ্ছি। ৩ দিলে ভাললাগার মাত্রাটা ঠিক প্রকাশ পেত না।
July 23, 2018
হাইপ আর রিয়েলিটির মাঝের মার্জিনটা টের পেলাম বইটা পড়তে গিয়ে।
লেখার মান নিয়ে সমস্যা নেই, ক্যারেক্টার বিল্ডিং নিয়ে সমস্যা নেই, প্লট সুন্দর, কাহিনীতে গতি আছে; কিন্তু তারপরেও কোথায় যেন কি একটা নেই।
মাঝ-বই পর্যন্ত গিয়ে আর পারলাম না, কারণ হিসেবে কিছুটা যদি হয় নাটুকেপনা, তবে অনেকটা হলো বইয়ের সাথে নিজেকে কানেক্ট না করতে পারা।
এ বই সে বই নয়, যে বই পড়ায় একদিন বিরতি দিলেও মনে হয়, কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি।
লেখার মান নিয়ে সমস্যা নেই, ক্যারেক্টার বিল্ডিং নিয়ে সমস্যা নেই, প্লট সুন্দর, কাহিনীতে গতি আছে; কিন্তু তারপরেও কোথায় যেন কি একটা নেই।
মাঝ-বই পর্যন্ত গিয়ে আর পারলাম না, কারণ হিসেবে কিছুটা যদি হয় নাটুকেপনা, তবে অনেকটা হলো বইয়ের সাথে নিজেকে কানেক্ট না করতে পারা।
এ বই সে বই নয়, যে বই পড়ায় একদিন বিরতি দিলেও মনে হয়, কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি।
February 8, 2018
জমলো না, একদম না!!! :/
February 23, 2022
শিবলী ভাই দখল না লিখলেও পারতেন।
April 6, 2023
কোন কিছুকে পুরোপুরি ভাবে নিজের করে পাওয়া বা নিজের অধিকারটাকে সম্পূর্ন ভাবে প্রতিষ্ঠা করলে মনে হয় দখল করা বোঝায়। কোন জড় বস্তুকে নিজের করে পাওয়া খুব সহজ। টাকায় না কিনতে পারলেও জোর করে ক্ষমতার জোরে নিজের দখলে চলে আসে। আর ক্ষমতার জোরেই পুরোপুরি ভাবে নিজের করে রাখা সম্ভব।
একমাত্র মনের উপরেই জোরটা খাটানো যায় না বা জোর করে নিজের দখলে রাখা সম্ভব নয়। অনেকটা সময় এক সাথে চলার পর যখন মনে হবে ঐ পাশের মানুষটাকে নিজের করে পাওয়া হয়ে গেছে, আর যদি সে সামান্য আঘাতে তা অন্যের হয়ে যায় তখন তার জন্য আর যা কিছু করা যাক না কেন লড়াই করে বা ক্ষমতার জোরে আগের জায়গাতে আসা সম্ভব নয়।
মানুষের নিজের মনের উপর নিজেরই কোন প্রভাব থাকে না সেখানে অন্য একজন এসে কিভাবে প্রভাব বিস্তার করবে! মন তার নিজস্ব গতিতেই চলে। ভালো জিনিসে অনেক সময় আগ্রহ সৃষ্টি হয় না আবার সমান্য জিনিসে দূর্দান্ত মোহ জন্মে।
লন্ডনে বেড়ে ওঠা জেনিফা কবি আনন্দের কবিতায় মুগ্ধ হয়, কবিতার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। কবির কবিতায় মুগ্ধ হলেও জেনিফা কবিকে ঠিক ভালোবাসতে পারে না তবে কবি চায় জেনিফার মনের উপর পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে।
অন্যদিকে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড এর নতুন সম্রাট ডেভিড। জেনিফা তাকে ক্ষমা করতে শেখায়। নিষ্ঠুরতা নয়, ক্ষমার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব। তাই ডেভিডের নতুন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় জেনিফার ভূমিকা অনেক খানি। আর জেনিফার ক্ষমাকে মূলমন্ত্র করে ডেভিড অন্ধকার রাজ্যের পুরো সাম্রাজ্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে ফেলে। ভালোবাসা পেয়ে ডেভিড খুনি হয়েও হয়ে ওঠে ক্ষমাশীল প্রেমিক। একটা মাত্র হৃদয়কে দখল করার জন্য সারা শহরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পরে। আর কোমল হৃদয়ের প্রেমিক অনিন্দ্য আকাশ কবিতা ছেড়ে দিয়ে শুধু মাত্র একটি হৃদয় দখল করার জন্য খুনি হয়ে ওঠেন।
জেনিফা, ডেভিড কবি অনিন্দ্য আকাশ এই তিন জনের কাহিনী ঘুরপাক খেয়ে এটি একটি রোমান্টিক পলিটিক্যাল থ্রিলার উপন্যাসের সৃষ্টি হয়েছে। থ্রিলার আমার মোটেই পছন্দ না। তবে বইটাতে একটা আকর্ষণ আছে। কাহিনীর প্রতিটি পাতাতে একটা ভালোলাগা ছুয়ে আছে।
একমাত্র মনের উপরেই জোরটা খাটানো যায় না বা জোর করে নিজের দখলে রাখা সম্ভব নয়। অনেকটা সময় এক সাথে চলার পর যখন মনে হবে ঐ পাশের মানুষটাকে নিজের করে পাওয়া হয়ে গেছে, আর যদি সে সামান্য আঘাতে তা অন্যের হয়ে যায় তখন তার জন্য আর যা কিছু করা যাক না কেন লড়াই করে বা ক্ষমতার জোরে আগের জায়গাতে আসা সম্ভব নয়।
মানুষের নিজের মনের উপর নিজেরই কোন প্রভাব থাকে না সেখানে অন্য একজন এসে কিভাবে প্রভাব বিস্তার করবে! মন তার নিজস্ব গতিতেই চলে। ভালো জিনিসে অনেক সময় আগ্রহ সৃষ্টি হয় না আবার সমান্য জিনিসে দূর্দান্ত মোহ জন্মে।
লন্ডনে বেড়ে ওঠা জেনিফা কবি আনন্দের কবিতায় মুগ্ধ হয়, কবিতার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। কবির কবিতায় মুগ্ধ হলেও জেনিফা কবিকে ঠিক ভালোবাসতে পারে না তবে কবি চায় জেনিফার মনের উপর পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে।
অন্যদিকে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড এর নতুন সম্রাট ডেভিড। জেনিফা তাকে ক্ষমা করতে শেখায়। নিষ্ঠুরতা নয়, ক্ষমার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব। তাই ডেভিডের নতুন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় জেনিফার ভূমিকা অনেক খানি। আর জেনিফার ক্ষমাকে মূলমন্ত্র করে ডেভিড অন্ধকার রাজ্যের পুরো সাম্রাজ্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে ফেলে। ভালোবাসা পেয়ে ডেভিড খুনি হয়েও হয়ে ওঠে ক্ষমাশীল প্রেমিক। একটা মাত্র হৃদয়কে দখল করার জন্য সারা শহরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পরে। আর কোমল হৃদয়ের প্রেমিক অনিন্দ্য আকাশ কবিতা ছেড়ে দিয়ে শুধু মাত্র একটি হৃদয় দখল করার জন্য খুনি হয়ে ওঠেন।
জেনিফা, ডেভিড কবি অনিন্দ্য আকাশ এই তিন জনের কাহিনী ঘুরপাক খেয়ে এটি একটি রোমান্টিক পলিটিক্যাল থ্রিলার উপন্যাসের সৃষ্টি হয়েছে। থ্রিলার আমার মোটেই পছন্দ না। তবে বইটাতে একটা আকর্ষণ আছে। কাহিনীর প্রতিটি পাতাতে একটা ভালোলাগা ছুয়ে আছে।
January 11, 2026
Not much into politics that's why……
But I enjoyed reading the story……
Wasn't that bad of an idea if you ask me.
But I enjoyed reading the story……
Wasn't that bad of an idea if you ask me.
February 9, 2018
Its hard to believe that the very same writer had written Darvish! disappointed, very much!
July 13, 2021
"আমি পাথরে ফুল ফোঁটাব শুধু ভালোবাসা দিয়ে,
আমি সাগরে ঢেউ থামাব শুধু ভালোবাসা দিয়ে।"
আমাদের ছেলেবেলার পরিচিত এবং বিখ্যাত গান। ভালোবাসার জন্য মানুষ করতে পারে না এমন কিছু আছে? ভালোবাসার জোরে অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলে মানুষ। তবে ভালোবেসে ভালো জিনিস গ্রহণ আর খারাপ জিনিস বর্জন করে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করা সবসময় সহজ হয় না। আর এই কঠিন কাজ যারা করতে পারে তারাই আসল প্রেমিক বা প্রেমিকা।
সিনেমা নাটকে দেখায় ভালোবাসার জোরে ইটের ভাটায় কাজ করে কোটিপতি হয়ে চৌধুরী সাহেবের থেকে প্রেমিকাকে নিয়ে আসে প্রেমিক। আবার প্রেমিকা নানা রকম অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে খান সাহেবের থেকে তার প্রেমিককে অর্জন করে। আর যখন সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় তখন "কেয়ামত থেকে কেয়ামত" এর মতো নায়ক বা নায়িকা দুইজনই পৃথিবী ত্যাগ করে।
কিন্তু ভালোবাসার জন্য কোমল হৃদয়ের ব্যক্তি কি ভয়ানক খুনি হয়ে উঠতে পারে? আবার নিষ্ঠুর খুনি ঐ একই ভালোবাসার জন্য ক্ষমাশীল হয়ে যায়?
গল্পটা ঢাকার। কিন্তু আমাদের চেনা পরিচিত সেই শহরটা না। এখানে আছে আন্ডারওয়ার্ল্ড নামের এক অচেনা অন্ধকার পৃথিবী। যেই পৃথিবীর সম্রাট ছিল জাহাঙ্গীর। তবে আজ তার সময় ফুরিয়েছে। তাকে সরিয়ে নতুন সম্রাট হতে যাচ্ছে ডেভিড। পারবে কি হতে নতুন আন্ডারওয়ার্ল্ড কিং হতে?
কবি অনিন্দ্য আকাশ নিরিবিলি সময় কাটাতে এসেছে তার কবিতার প্রেরণা জেনিফারের সাথে। বিলেত ফেরত জেনিফার জীবন দর্শন খুঁজে পায় কবির কবিতায়। কবিও তার সকল কবিতা লিখে জেনিফারকে নিয়ে। মনে মনে জেনিফারকে ভালোবাসে সে। কিন্তু জেনি কাকে ভালোবাসে? কবিকে না তার কবিতাকে?
একাকী সময় কাটাতে এসে কবি আর জেনিফার মুখোমুখি হয় এক ভয়ানক দৃশ্যের। খুনের সাক্ষী হতে চলেছে তারা। কিন্তু কবির কবিতা জেনিফারকে এতটাই আচ্ছন্ন করেছে যে ভয়ানক খুনির মুখোমুখী হয়ে যায় আর বাঁচিয়ে ফেলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে একজনকে। কে সে? নতুন জীবন পাওয়া লোকটি কি তার সঠিক ব্যবহার করতে পারে?
আন্ডারওয়ার্ল্ড-এ এই প্রথম কোন ব্যক্তি তার ভয়াবহতার জন্য নয়, খ্যাতি লাভ করেছে তার ক্ষমাশীলতার জন্য। এই অন্ধকার দুনিয়ায় যেখানে পান থেকে চুন খসলেও পিস্তল ঠুকে দেয়া easy peasy ব্যাপার, সেই দুনিয়ার কিং বিরাট বড়ো শত্রুকেও ক্ষমা করে দিচ্ছে। আর জয় করে নিচ্ছে তাদের মন। এই ক্ষমশীলতার শিক্ষা তাকে দিয়েছে সেই জেনিফার।
জেনিফার বুঝতে পারে কবির কবিতায় সে কবিকে নয়, খুঁজে পেয়েছে ডেভিডকে। কিন্তু এই কঠিন সত্য কি কবি মেনে নিতে পারবে?
আন্ডারওয়ার্ল্ড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেভিড। তাও একধরনের নিঃসঙ্গতায় ছেয়ে আছে তার মন। আর তা কাটাতে খুঁজে বের করে সে জেনিফারকে। সখ্যতা তৈরি হয় দুজনের মাঝে। জেনিফার জানে এক অন্ধকার জগতের সাথে মিশে আছে ডেভিডের জীবন। তবে জেনিফার তাকে বাঁধা দেয় না। বা আজকালের কিছু ন্যাকা প্রেমের মতো "ওকে আমি ভালোবাসা দিয়ে ভালো করে দিব" এমনটাও ভাবে না। তাদের দুজনের বোঝাপড়া একেবারে অন্য ধরনের।
ভালোবাসার জন্য খুনি ডেভিড ক্ষমাশীল হয়ে গেছে কিন্তু অপরদিকে একই কারণে বুকে আগুন জ্বলছে আরেকজনের। প্রিয়তমাকে পাবার জন্য যেকোন কিছু করতে রাজি সে। সেজন্য হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে ডেভিডেরই এক প্রতিপক্ষকে। ছক কষছে কিভাবে ডেভিডকে সরিয়ে দেয়া যায়। পরিকল্পনা তৈরি হয়ে গেছে। শুভদিন দেখেই কাজে লেগে পড়বে। এসেও গেল সেই শুভদিন। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে পেরেছিল কি সেই ভালোবাসা আদায় করতে? ডেভিডের প্রতিপক্ষ কি পেরেছিল ডেভিডকে সরিয়ে অন্ধকার সেই জগতের নতুন রাজা হতে?
শহর কিংবা হৃদয় দখলের এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল কে?
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া:
ভালো দিক:
লেখকের লেখা ফ্রন্টলাইন, দারবিশ পড়ার পরে পড়েছি এই বইটি। এক কথায় বললে অসাধারণ। উনার লেখা আগের বইগুলো পড়ে আমার কাছে সবসময়ই মনে হয়েছে যেটুকু দরকার ঠিক তাই লিখেন তিনি। মেদহীন আকারের বইতে লুকিয়ে থাকে ঢাউস ঢাউস সাইজের শিক্ষা। এই বইয়ের প্রতিটা চরিত্রকে যার যার ক্ষেত্রে দেখিয়েছেন একদম শতভাগ করে। ঢাকার আলোকজ্জ্বল দিকেরও একটা অন্ধকার দিক আছে। সেই অন্ধকার দিকই মলাটবদ্ধ করেছেন তিনি। রাজনীতির কিছু কঠিন দিক, ক্ষমতার জোরে সত্য লুকিয়ে যাওয়া, সাথে ঐ বড়ো ক্ষমতায় থাকা মানুষের জীবনের আবেগ, অনুভূতি সবকিছুই বইটিকে দিয়েছে তার নিজস্ব মহিমা। অদ্ভুত একটা দুঃখের অনুভূতি দিয়ে বইটার ইতি ঘটেছে।
খারাপ দিক:
কিছু বানান ভুল আর টাইপো ছাড়া খারাপ কিছু নেই।
#প্রচ্ছদ:
সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস প্রচ্ছদ।
আমি সাগরে ঢেউ থামাব শুধু ভালোবাসা দিয়ে।"
আমাদের ছেলেবেলার পরিচিত এবং বিখ্যাত গান। ভালোবাসার জন্য মানুষ করতে পারে না এমন কিছু আছে? ভালোবাসার জোরে অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলে মানুষ। তবে ভালোবেসে ভালো জিনিস গ্রহণ আর খারাপ জিনিস বর্জন করে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করা সবসময় সহজ হয় না। আর এই কঠিন কাজ যারা করতে পারে তারাই আসল প্রেমিক বা প্রেমিকা।
সিনেমা নাটকে দেখায় ভালোবাসার জোরে ইটের ভাটায় কাজ করে কোটিপতি হয়ে চৌধুরী সাহেবের থেকে প্রেমিকাকে নিয়ে আসে প্রেমিক। আবার প্রেমিকা নানা রকম অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে খান সাহেবের থেকে তার প্রেমিককে অর্জন করে। আর যখন সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় তখন "কেয়ামত থেকে কেয়ামত" এর মতো নায়ক বা নায়িকা দুইজনই পৃথিবী ত্যাগ করে।
কিন্তু ভালোবাসার জন্য কোমল হৃদয়ের ব্যক্তি কি ভয়ানক খুনি হয়ে উঠতে পারে? আবার নিষ্ঠুর খুনি ঐ একই ভালোবাসার জন্য ক্ষমাশীল হয়ে যায়?
গল্পটা ঢাকার। কিন্তু আমাদের চেনা পরিচিত সেই শহরটা না। এখানে আছে আন্ডারওয়ার্ল্ড নামের এক অচেনা অন্ধকার পৃথিবী। যেই পৃথিবীর সম্রাট ছিল জাহাঙ্গীর। তবে আজ তার সময় ফুরিয়েছে। তাকে সরিয়ে নতুন সম্রাট হতে যাচ্ছে ডেভিড। পারবে কি হতে নতুন আন্ডারওয়ার্ল্ড কিং হতে?
কবি অনিন্দ্য আকাশ নিরিবিলি সময় কাটাতে এসেছে তার কবিতার প্রেরণা জেনিফারের সাথে। বিলেত ফেরত জেনিফার জীবন দর্শন খুঁজে পায় কবির কবিতায়। কবিও তার সকল কবিতা লিখে জেনিফারকে নিয়ে। মনে মনে জেনিফারকে ভালোবাসে সে। কিন্তু জেনি কাকে ভালোবাসে? কবিকে না তার কবিতাকে?
একাকী সময় কাটাতে এসে কবি আর জেনিফার মুখোমুখি হয় এক ভয়ানক দৃশ্যের। খুনের সাক্ষী হতে চলেছে তারা। কিন্তু কবির কবিতা জেনিফারকে এতটাই আচ্ছন্ন করেছে যে ভয়ানক খুনির মুখোমুখী হয়ে যায় আর বাঁচিয়ে ফেলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে একজনকে। কে সে? নতুন জীবন পাওয়া লোকটি কি তার সঠিক ব্যবহার করতে পারে?
আন্ডারওয়ার্ল্ড-এ এই প্রথম কোন ব্যক্তি তার ভয়াবহতার জন্য নয়, খ্যাতি লাভ করেছে তার ক্ষমাশীলতার জন্য। এই অন্ধকার দুনিয়ায় যেখানে পান থেকে চুন খসলেও পিস্তল ঠুকে দেয়া easy peasy ব্যাপার, সেই দুনিয়ার কিং বিরাট বড়ো শত্রুকেও ক্ষমা করে দিচ্ছে। আর জয় করে নিচ্ছে তাদের মন। এই ক্ষমশীলতার শিক্ষা তাকে দিয়েছে সেই জেনিফার।
জেনিফার বুঝতে পারে কবির কবিতায় সে কবিকে নয়, খুঁজে পেয়েছে ডেভিডকে। কিন্তু এই কঠিন সত্য কি কবি মেনে নিতে পারবে?
আন্ডারওয়ার্ল্ড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেভিড। তাও একধরনের নিঃসঙ্গতায় ছেয়ে আছে তার মন। আর তা কাটাতে খুঁজে বের করে সে জেনিফারকে। সখ্যতা তৈরি হয় দুজনের মাঝে। জেনিফার জানে এক অন্ধকার জগতের সাথে মিশে আছে ডেভিডের জীবন। তবে জেনিফার তাকে বাঁধা দেয় না। বা আজকালের কিছু ন্যাকা প্রেমের মতো "ওকে আমি ভালোবাসা দিয়ে ভালো করে দিব" এমনটাও ভাবে না। তাদের দুজনের বোঝাপড়া একেবারে অন্য ধরনের।
ভালোবাসার জন্য খুনি ডেভিড ক্ষমাশীল হয়ে গেছে কিন্তু অপরদিকে একই কারণে বুকে আগুন জ্বলছে আরেকজনের। প্রিয়তমাকে পাবার জন্য যেকোন কিছু করতে রাজি সে। সেজন্য হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে ডেভিডেরই এক প্রতিপক্ষকে। ছক কষছে কিভাবে ডেভিডকে সরিয়ে দেয়া যায়। পরিকল্পনা তৈরি হয়ে গেছে। শুভদিন দেখেই কাজে লেগে পড়বে। এসেও গেল সেই শুভদিন। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে পেরেছিল কি সেই ভালোবাসা আদায় করতে? ডেভিডের প্রতিপক্ষ কি পেরেছিল ডেভিডকে সরিয়ে অন্ধকার সেই জগতের নতুন রাজা হতে?
শহর কিংবা হৃদয় দখলের এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল কে?
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া:
ভালো দিক:
লেখকের লেখা ফ্রন্টলাইন, দারবিশ পড়ার পরে পড়েছি এই বইটি। এক কথায় বললে অসাধারণ। উনার লেখা আগের বইগুলো পড়ে আমার কাছে সবসময়ই মনে হয়েছে যেটুকু দরকার ঠিক তাই লিখেন তিনি। মেদহীন আকারের বইতে লুকিয়ে থাকে ঢাউস ঢাউস সাইজের শিক্ষা। এই বইয়ের প্রতিটা চরিত্রকে যার যার ক্ষেত্রে দেখিয়েছেন একদম শতভাগ করে। ঢাকার আলোকজ্জ্বল দিকেরও একটা অন্ধকার দিক আছে। সেই অন্ধকার দিকই মলাটবদ্ধ করেছেন তিনি। রাজনীতির কিছু কঠিন দিক, ক্ষমতার জোরে সত্য লুকিয়ে যাওয়া, সাথে ঐ বড়ো ক্ষমতায় থাকা মানুষের জীবনের আবেগ, অনুভূতি সবকিছুই বইটিকে দিয়েছে তার নিজস্ব মহিমা। অদ্ভুত একটা দুঃখের অনুভূতি দিয়ে বইটার ইতি ঘটেছে।
খারাপ দিক:
কিছু বানান ভুল আর টাইপো ছাড়া খারাপ কিছু নেই।
#প্রচ্ছদ:
সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস প্রচ্ছদ।
September 10, 2021
যখনই জেমসের পেশাদার খুনি গানটা শুনি তখনই শিবলীর দখল বইয়ের ডেভিড চরিত্রটা মাথায় ঘুরে। গানটা কে লিখেছেন জানি না তবে গানে এমন একজন খুনির কথা বলেছে যা দখলের খুনির সাথে খুব মিল।
দখল! এই দখল জায়গা জমি কিংবা পার্লামেন্টের সিটের দখল না। এই দখল হৃদয় দখল নিয়ে সারা শহরে ছড়িয়ে পরা একটি যুদ্ধ। একটি ফ্যাক্ট নির্ভর গ্যাংস্টার উপন্যাস। উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে ঢাকায় ঘটে যাওয়া অসংখ্য অপরাধের কথা মাথায় ঘুরেছে। লেখক এমন একটি ঢাকা বর্ননা করেছে যে ঢাকা কেউ কখনো দেখেনি কিন্তু বাস্তবে অস্তিত্ব আছে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, আন্ডারওয়ার্ল্ডের ক্ষমতা, আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক খুব সুন্দর ভাবে দখলে উঠে এসেছে।
খুনী হয়েছে প্রেমিক, কবি হয়েছে খুনী। শহরের ভিতরে আরেক শহর। দেখা যায় না, শোনা যায় না তবু অস্তিত্ব আছে। এই শহরের বাসিন্দারা নড়বড় করে দিতে পারে একটি সরকার। যে দখল করতে পারবে এই শহর সে হয়ে যাবে দেশের অন্যতম ক্ষমতাসীন।
লেখক রাতের ঢাকার অনেক কিছুর সাক্ষী বোঝাই যাচ্ছে। দেশে বছরখানি আগে ঘটে যাওয়া ক্যাসিনোর ঘটনা কিংবা আলজাজিরার একটা প্রতিবেদন নিয়ে বেশ তোলপাড় হয়েছে বর্তমানে হচ্ছে নিউমার্কেটের চাঁদাবাজি নিয়ে। লতিফুল ইসলাম শিবলী দখল উপন্যাসে ঠিক এমনই একটি আন্ডারওয়ার্ল্ডের গল্প বলে গেছেন যেখানে ক্যাসিনো সাধারণ একটি ব্যাপার অসাধারণ যা কিছু আছে কালক্রমে প্রকাশিত হবে, হচ্ছে।
অনেস্টলি দখলের সবকিছু ঠিকঠাক থেকেও কেনো যেনো বারবার মনে হয়েছে কিছু একটা ঠিক নেই। হয়তো সম্পূর্ন থ্রিলার ভাইবটা পাইনি হয়তো এন্ডিংটা মন মতো হয়নি। হয়তো পড়তে পড়তে ধরে নিয়েছিলাম দেশে প্রথমবারের মতো গ্যাংস্টার নিয়ে মাস্টারপিস কিছু একটা হতে যাচ্ছে। হয়তো অন্যকিছু। তবুও বলব বইটা সবার পড়া উচিৎ কারণ বইটাতে এমন একটা স্পর্শকাতর ঢাকার বর্ননা আছে যা অন্যকোথাও হয়তো এতো অ্যাকুরেট পাবেন না।
দখল! এই দখল জায়গা জমি কিংবা পার্লামেন্টের সিটের দখল না। এই দখল হৃদয় দখল নিয়ে সারা শহরে ছড়িয়ে পরা একটি যুদ্ধ। একটি ফ্যাক্ট নির্ভর গ্যাংস্টার উপন্যাস। উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে ঢাকায় ঘটে যাওয়া অসংখ্য অপরাধের কথা মাথায় ঘুরেছে। লেখক এমন একটি ঢাকা বর্ননা করেছে যে ঢাকা কেউ কখনো দেখেনি কিন্তু বাস্তবে অস্তিত্ব আছে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, আন্ডারওয়ার্ল্ডের ক্ষমতা, আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক খুব সুন্দর ভাবে দখলে উঠে এসেছে।
খুনী হয়েছে প্রেমিক, কবি হয়েছে খুনী। শহরের ভিতরে আরেক শহর। দেখা যায় না, শোনা যায় না তবু অস্তিত্ব আছে। এই শহরের বাসিন্দারা নড়বড় করে দিতে পারে একটি সরকার। যে দখল করতে পারবে এই শহর সে হয়ে যাবে দেশের অন্যতম ক্ষমতাসীন।
লেখক রাতের ঢাকার অনেক কিছুর সাক্ষী বোঝাই যাচ্ছে। দেশে বছরখানি আগে ঘটে যাওয়া ক্যাসিনোর ঘটনা কিংবা আলজাজিরার একটা প্রতিবেদন নিয়ে বেশ তোলপাড় হয়েছে বর্তমানে হচ্ছে নিউমার্কেটের চাঁদাবাজি নিয়ে। লতিফুল ইসলাম শিবলী দখল উপন্যাসে ঠিক এমনই একটি আন্ডারওয়ার্ল্ডের গল্প বলে গেছেন যেখানে ক্যাসিনো সাধারণ একটি ব্যাপার অসাধারণ যা কিছু আছে কালক্রমে প্রকাশিত হবে, হচ্ছে।
অনেস্টলি দখলের সবকিছু ঠিকঠাক থেকেও কেনো যেনো বারবার মনে হয়েছে কিছু একটা ঠিক নেই। হয়তো সম্পূর্ন থ্রিলার ভাইবটা পাইনি হয়তো এন্ডিংটা মন মতো হয়নি। হয়তো পড়তে পড়তে ধরে নিয়েছিলাম দেশে প্রথমবারের মতো গ্যাংস্টার নিয়ে মাস্টারপিস কিছু একটা হতে যাচ্ছে। হয়তো অন্যকিছু। তবুও বলব বইটা সবার পড়া উচিৎ কারণ বইটাতে এমন একটা স্পর্শকাতর ঢাকার বর্ননা আছে যা অন্যকোথাও হয়তো এতো অ্যাকুরেট পাবেন না।
February 11, 2018
গানের মানুষ লতিফুল ইসলাম শিবলীর প্রথম উপন্যাস ছিল গত মেলার "দারবিশ"। আমেরিকান জিপসি সমাজের সেক্স ড্রাগ এন্ড রক এন রোলের সাথে বঙ্গদেশীয় ফ্লেভারের মিশেল পড়ে বেশ মুগ্ধতা গ্রাস করেছিল। সেই মুগ্ধতা থেকেই এবারের মেলায় লেখকের ২য় উপন্যাস "দখল" পড়া।
দখলে লেখক গল্প ফেঁদেছেন ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ে। মূলত রোমান্টিক ক্রাইম থ্রিলার। কাহিনীর ব্যাপারে ফ্ল্যাপে লেখা কথাটা বলাই যথেষ্ট, "ভালোবাসার জন্য এক কোমল হৃদয় প্রেমিক হয়েছিল খুনি । আর এক নিষ্ঠুর খুনি হয়েছিল ক্ষমাশীল। একটা হৃদয় দখলের জন্য দুই প্রেমিক হৃদয়ের যুদ্ধটা ছড়িয়ে পড়েছিল সারা শহর..."
দখল ভালো লেগেছে। চমৎকার বই। তবে দুই বইয়ের মধ্যে তুলনা করলে "দারবিশ" এগিয়ে থাকবে দখলের চেয়ে, আমার কাছে। দারবিশে কিছু দর্শন ছিল, যেটা এখানে অনুপস্থিত। ঠিক অনুপস্থিত বলাও যায় না, বরং জোড়ালো না বলা যায়। দারবিশের জামসেদ, মেলিনি বা রোদেলা যেভাবে মুগ্ধ করেছিল, তাদের তুলনায় ডেভিড বা জেনিফার অনেকটাই নিষ্প্রভ। আর কবি অনিন্দ্য আকাশের শেষ পরিণতিটাও কেমন যেন। যেটা তার চরিত্রের সাথে যায় না।
৫/৭ টা বানান বিভ্রাট ছিল। 'একটা "ফেক" হাসি...' বা 'এইটুকু "স্পেস" সে কবিকে দিয়েছিল', এই ধরনের ইংরেজি শব্দগুলো খুব দৃষ্টিকটু লেগেছে আমার কাছে। বইয়ের বা ভাষার আভিজাত্য কমিয়েছে এ ধরনের শব্দ, যদিও বেশি নেই। "বিরানি" শব্দটাও কেমন ঠেকলো।
১৪২ পেইজের বইটার দাম ৩০০ টাকা মাত্র। :)
দখলে লেখক গল্প ফেঁদেছেন ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ে। মূলত রোমান্টিক ক্রাইম থ্রিলার। কাহিনীর ব্যাপারে ফ্ল্যাপে লেখা কথাটা বলাই যথেষ্ট, "ভালোবাসার জন্য এক কোমল হৃদয় প্রেমিক হয়েছিল খুনি । আর এক নিষ্ঠুর খুনি হয়েছিল ক্ষমাশীল। একটা হৃদয় দখলের জন্য দুই প্রেমিক হৃদয়ের যুদ্ধটা ছড়িয়ে পড়েছিল সারা শহর..."
দখল ভালো লেগেছে। চমৎকার বই। তবে দুই বইয়ের মধ্যে তুলনা করলে "দারবিশ" এগিয়ে থাকবে দখলের চেয়ে, আমার কাছে। দারবিশে কিছু দর্শন ছিল, যেটা এখানে অনুপস্থিত। ঠিক অনুপস্থিত বলাও যায় না, বরং জোড়ালো না বলা যায়। দারবিশের জামসেদ, মেলিনি বা রোদেলা যেভাবে মুগ্ধ করেছিল, তাদের তুলনায় ডেভিড বা জেনিফার অনেকটাই নিষ্প্রভ। আর কবি অনিন্দ্য আকাশের শেষ পরিণতিটাও কেমন যেন। যেটা তার চরিত্রের সাথে যায় না।
৫/৭ টা বানান বিভ্রাট ছিল। 'একটা "ফেক" হাসি...' বা 'এইটুকু "স্পেস" সে কবিকে দিয়েছিল', এই ধরনের ইংরেজি শব্দগুলো খুব দৃষ্টিকটু লেগেছে আমার কাছে। বইয়ের বা ভাষার আভিজাত্য কমিয়েছে এ ধরনের শব্দ, যদিও বেশি নেই। "বিরানি" শব্দটাও কেমন ঠেকলো।
১৪২ পেইজের বইটার দাম ৩০০ টাকা মাত্র। :)
February 12, 2018
মোটামুটি গোছের বই।
March 6, 2018
মনে হলো সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়লাম, হয়ত কবিতা ভালো লাগলে কিছুটা ভালো লাগত কিন্তু এছাড়া কাহিনীতে আলাদা কিছু নেই :/
August 28, 2024
◾বইঃ দখল
◾লেখকঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী
◾প্রকাশনীঃ কেন্দ্রবিন্দু
◾পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৪৪
◾রেটিংঃ ৩/৫
❝দেশ দখল করার চাইতে হৃদয় দখল করা বেশি কঠিন❞
লন্ডনে বেড়ে উঠা জেনিফার কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতায় মুগ্ধ হয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। চলে আসে বাংলাদেশে এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যের লেকচারার হিসেবে যুক্ত হন। সে লন্ডনে বড় হলেও তার বাংলা সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান ছিলো।
এদিকে জেনিফারকে কেন্দ্র করে কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতা সৃষ্টি হয়,জেনিফারকে সে ভীষন ভালোবাসে। কিন্তু জেনিফার?সেও কি কবিকে ভালোবাসে?নাকি ভালোবাসে শুধুই তার কবিতাকে? জেনিফার কবির কবিতাগুলোকে হৃদয়ে ধারণ করে,জীবনীশক্তি ও আদর্শ খুঁজে পায়।
একদিন কবি ও জেনিফার এক ভয়াবহ খুনের সাক্ষী হতে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে জেনিফার তার সাহসিকতা দেখিয়ে ডেভিডকে, যিনি আন্ডারওয়ার্ল্ড এর নতুন নেতা তাকে একটি বিশেষ গুন শিক্ষা দিলেন আর সেটা হচ্ছে ক্ষমাশীলতা। যার কারণে ডেভিড সেই লোকটিকে ক্ষমা করে দেন। তার এই সিদ্ধান্ত পালটে দেয় তার পুরো জীবনকে।
আন্ডারওয়ার্ল্ড এর অন্ধকার সাম্রাজ্যে সামান্য ব্যাপার নিয়ে যেখানে খুনখারাবি হয় সেখানে ডেভিড বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমা করাকে। তার এই ক্ষমাশীলতার জন্য তিনি তার সাম্রাজ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। সবাই তাকে সমীহ করেন।
জেনিফার বুঝতে পারে যে ডেভিডই সেই পুরুষ যাকে সে এতোদিন খুঁজে এসেছে,কবিতার মাঝে সে তাকেই খুঁজে পেয়েছে। ডেভিডও জেনিফারের প্রখর ব্যাক্তিত্বে ও কথাবার্তায় মুগ্ধ হতে থাকে। ডেভিড ও জেনিফারের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রণয়ে রুপ নেয়। তারপর কবি? সে কি মেনে নেবে তার ভালোবাসা অন্য কারোর হয়ে যাক?
তারপর কবি অনিন্দ্য আকাশ হাত মেলায় ডেভিডেরই এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সাথে। তারপর গোপনে ছক কষতে থাকে ডেভিডকে হত্যা করার এবং টোপ হিসেবে ব্যবহার করে জেনিকে। ভীতু,কোমল হৃদয়ের কবি বনে যান হিংস্র এক খুনী আর গ্যাংস্টার নেতা ডেভিড হয়ে যান ক্ষমাশীল ব্যাক্তি । দখলের এই ভয়াবহ লড়াইয়ে শেষমেষ কে জয়ী হবে?
◼️পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
~~~~~~~~~~~~
ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড এর গোপন কার্যকলাপ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র,কৌশল এসব ব্যাপারগুলো দখল উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। চিরচেনা ঢাকার এক অচেনা রুপ প্রকাশিত হয়েছে বইটিতে। রাজনীতি, প্রেম,থ্রিল, হিউমার সবকিছুই ঠিক ছিলো এতে তবে শেষটুকু একদমই মনমতো হয়নি। মনে হলো লেখক খুব তাড়াতাড়ি শেষ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। কিছুটা সিনেম্যাটিক লেগেছে। বেশকিছু ছোট ছোট কবিতা ছিলো সেগুলো ভালো লেগেছে। প্লট টা সুন্দর ছিলো তবে আরেকটু বাড়িয়ে দুর্দান্ত একটি থ্রিলার উপন্যাস বানানো যেতো। প্রথম ১০০ পাতা পড়ে যে এক্সপেকটেশন তৈরি হয়েছিলো সেটা শেষটুকুতে এসে একদমই ভেঙ্গে গেছে।
◾লেখকঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী
◾প্রকাশনীঃ কেন্দ্রবিন্দু
◾পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৪৪
◾রেটিংঃ ৩/৫
❝দেশ দখল করার চাইতে হৃদয় দখল করা বেশি কঠিন❞
লন্ডনে বেড়ে উঠা জেনিফার কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতায় মুগ্ধ হয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। চলে আসে বাংলাদেশে এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যের লেকচারার হিসেবে যুক্ত হন। সে লন্ডনে বড় হলেও তার বাংলা সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান ছিলো।
এদিকে জেনিফারকে কেন্দ্র করে কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতা সৃষ্টি হয়,জেনিফারকে সে ভীষন ভালোবাসে। কিন্তু জেনিফার?সেও কি কবিকে ভালোবাসে?নাকি ভালোবাসে শুধুই তার কবিতাকে? জেনিফার কবির কবিতাগুলোকে হৃদয়ে ধারণ করে,জীবনীশক্তি ও আদর্শ খুঁজে পায়।
একদিন কবি ও জেনিফার এক ভয়াবহ খুনের সাক্ষী হতে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে জেনিফার তার সাহসিকতা দেখিয়ে ডেভিডকে, যিনি আন্ডারওয়ার্ল্ড এর নতুন নেতা তাকে একটি বিশেষ গুন শিক্ষা দিলেন আর সেটা হচ্ছে ক্ষমাশীলতা। যার কারণে ডেভিড সেই লোকটিকে ক্ষমা করে দেন। তার এই সিদ্ধান্ত পালটে দেয় তার পুরো জীবনকে।
আন্ডারওয়ার্ল্ড এর অন্ধকার সাম্রাজ্যে সামান্য ব্যাপার নিয়ে যেখানে খুনখারাবি হয় সেখানে ডেভিড বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমা করাকে। তার এই ক্ষমাশীলতার জন্য তিনি তার সাম্রাজ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। সবাই তাকে সমীহ করেন।
জেনিফার বুঝতে পারে যে ডেভিডই সেই পুরুষ যাকে সে এতোদিন খুঁজে এসেছে,কবিতার মাঝে সে তাকেই খুঁজে পেয়েছে। ডেভিডও জেনিফারের প্রখর ব্যাক্তিত্বে ও কথাবার্তায় মুগ্ধ হতে থাকে। ডেভিড ও জেনিফারের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রণয়ে রুপ নেয়। তারপর কবি? সে কি মেনে নেবে তার ভালোবাসা অন্য কারোর হয়ে যাক?
তারপর কবি অনিন্দ্য আকাশ হাত মেলায় ডেভিডেরই এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সাথে। তারপর গোপনে ছক কষতে থাকে ডেভিডকে হত্যা করার এবং টোপ হিসেবে ব্যবহার করে জেনিকে। ভীতু,কোমল হৃদয়ের কবি বনে যান হিংস্র এক খুনী আর গ্যাংস্টার নেতা ডেভিড হয়ে যান ক্ষমাশীল ব্যাক্তি । দখলের এই ভয়াবহ লড়াইয়ে শেষমেষ কে জয়ী হবে?
◼️পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
~~~~~~~~~~~~
ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড এর গোপন কার্যকলাপ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র,কৌশল এসব ব্যাপারগুলো দখল উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। চিরচেনা ঢাকার এক অচেনা রুপ প্রকাশিত হয়েছে বইটিতে। রাজনীতি, প্রেম,থ্রিল, হিউমার সবকিছুই ঠিক ছিলো এতে তবে শেষটুকু একদমই মনমতো হয়নি। মনে হলো লেখক খুব তাড়াতাড়ি শেষ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। কিছুটা সিনেম্যাটিক লেগেছে। বেশকিছু ছোট ছোট কবিতা ছিলো সেগুলো ভালো লেগেছে। প্লট টা সুন্দর ছিলো তবে আরেকটু বাড়িয়ে দুর্দান্ত একটি থ্রিলার উপন্যাস বানানো যেতো। প্রথম ১০০ পাতা পড়ে যে এক্সপেকটেশন তৈরি হয়েছিলো সেটা শেষটুকুতে এসে একদমই ভেঙ্গে গেছে।
April 24, 2020
#readathonapril
#book_10
না, বইটা নিয়ে যে প্রত্যাশা ছিল তা পূরণ হয়নি। এমন দারুণ একটা প্লট নিয়ে একটা মনে রাখার মত ক্রাইম থ্রিলার হতে পারতো। এবং লতিফুল ইসলাম শিবলী'র মত লেখকের কাছে তা আশা করাই যায়। কিন্তু সেরকম কিছু হয় নি।
সিনেমাটিক সীন, ডায়ালগ ছিল প্রচুর। ব্যাক্তিগতভাবে যা আমার অপছন্দের। লেখায় তাড়াহুড়ো'র ছাপ রয়েছে কিছুটা। সেটা সম্ভবত বইমেলায় বই প্রকাশের জন্য প্রকাশকের পক্ষ থেকে তাড়ার কারণে। অথবা বইমেলায় বই বের করতেই হবে লেখকের এমন ধারণা পোষণের জন্য।
জেনিফার চরিত্রটাকে প্রথম দিকে যতটা ভালো লেগেছে একটা সময় তেমনি বিরক্ত লেগেছে। কেন লেগেছে, বুঝাতে পারবো না। হয়তোবা, নারীর মন বুঝার ক্ষমতা আমার নেই, সেজন্য।
তবে পরিচিত ঢাকা শহরের দৃশ্যপট, ভালো লেগেছে। পাঠক ধরে রাখার মত থ্রিল ও গতিও ছিল। প্রথম দিকে গতি একটু কম হলেও মাঝখান থেকে দ্রুত এগিয়েছে। একই সাথে আমাদের পরিচিত রাজনৈতিক দৃশ্যাবলীর ভেতরের কিছু দৃশ্যের দেখা পেয়েছি, আমরা কম বেশি সবাই জানি এগুলোর সত্যতা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যক্ষ করা ক্যাসিনো কেলেংকারি, মাদক, টেন্ডার বাণিজ্যের কারণে গ্রেফতার হওয়া মানুষগুলো দুই বছর আগে প্রকাশিত এই বইটার অনেক গুলো দৃশ্যের সত্যায়ন করে দেয়।
বইয়ে কিছু উক্তি রয়েছে মনে রাখার মত। রয়েছে কিছু কবিতা। আন্ডারওয়ার্ল্ড সম্পর্কে মোটামুটি ভালো ধারণা পাওয়া যাবে।
যাহোক, বইটার সাথে ভালো সময় কেটেছে, তবে মুগ্ধতা রেখে যেতে পারেনি। কেন পারেনি, সেটা পাঠক হিসেবে আমার ব্যর্থতা।
#book_10
না, বইটা নিয়ে যে প্রত্যাশা ছিল তা পূরণ হয়নি। এমন দারুণ একটা প্লট নিয়ে একটা মনে রাখার মত ক্রাইম থ্রিলার হতে পারতো। এবং লতিফুল ইসলাম শিবলী'র মত লেখকের কাছে তা আশা করাই যায়। কিন্তু সেরকম কিছু হয় নি।
সিনেমাটিক সীন, ডায়ালগ ছিল প্রচুর। ব্যাক্তিগতভাবে যা আমার অপছন্দের। লেখায় তাড়াহুড়ো'র ছাপ রয়েছে কিছুটা। সেটা সম্ভবত বইমেলায় বই প্রকাশের জন্য প্রকাশকের পক্ষ থেকে তাড়ার কারণে। অথবা বইমেলায় বই বের করতেই হবে লেখকের এমন ধারণা পোষণের জন্য।
জেনিফার চরিত্রটাকে প্রথম দিকে যতটা ভালো লেগেছে একটা সময় তেমনি বিরক্ত লেগেছে। কেন লেগেছে, বুঝাতে পারবো না। হয়তোবা, নারীর মন বুঝার ক্ষমতা আমার নেই, সেজন্য।
তবে পরিচিত ঢাকা শহরের দৃশ্যপট, ভালো লেগেছে। পাঠক ধরে রাখার মত থ্রিল ও গতিও ছিল। প্রথম দিকে গতি একটু কম হলেও মাঝখান থেকে দ্রুত এগিয়েছে। একই সাথে আমাদের পরিচিত রাজনৈতিক দৃশ্যাবলীর ভেতরের কিছু দৃশ্যের দেখা পেয়েছি, আমরা কম বেশি সবাই জানি এগুলোর সত্যতা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যক্ষ করা ক্যাসিনো কেলেংকারি, মাদক, টেন্ডার বাণিজ্যের কারণে গ্রেফতার হওয়া মানুষগুলো দুই বছর আগে প্রকাশিত এই বইটার অনেক গুলো দৃশ্যের সত্যায়ন করে দেয়।
বইয়ে কিছু উক্তি রয়েছে মনে রাখার মত। রয়েছে কিছু কবিতা। আন্ডারওয়ার্ল্ড সম্পর্কে মোটামুটি ভালো ধারণা পাওয়া যাবে।
যাহোক, বইটার সাথে ভালো সময় কেটেছে, তবে মুগ্ধতা রেখে যেতে পারেনি। কেন পারেনি, সেটা পাঠক হিসেবে আমার ব্যর্থতা।
January 4, 2026
আসমানের সাথে তুলনা করতে হলে, ভালো বলার সুযোগ কম। খুবই নাটকীয় একটা সমাপ্তি। সিনেমা হিসেবে ভালো। বাট আসমান আর দারবিশের লেখকের কাছে থেকে আরও বেশি কিছু আশা ছিল আমার। এই প্লট নিয়ে ৮০০ পেজের উপন্যাস লেখা সম্ভব ছিল এবং সেটাই উচিত হতো। বাট কিসের যেন তাড়াহুড়াতে একটা চমৎকার প্লট নষ্টই হলো বলা চলে!!
Read
March 21, 2020আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ে একজন মানুষ এত সুন্দর উপন্যাস লিখতে পারে জানাই ছিলনা।
November 10, 2020
দারবিশ আর দখলের লেখক একজন!!!!
November 22, 2023
এভারেজ কোনো রাইটারের লেখা হলে হয়তো ৪স্টার পেতো কিন্তু আসমান,দারবিশ,নূর,অন্তিমের লেখকের পাটেনশিয়াল এই বইয়ের কয়েকগুন উপরে।একটু বাংলা মুভি টাইপ হয়ে গেছে।
December 26, 2023
দখল—The Fiction Based on Fact.
সো এমেইজিং, হ্যাপি রিডিং
সো এমেইজিং, হ্যাপি রিডিং
June 2, 2024
ভয়ঙ্কর সুন্দর একটা বই!🖤
May 24, 2026
ঠিক ভালো লাগলো না।গোছানো না।শেষে বাংলা সিনেমার মতো
২.৮ রেটিং দিলাম
২.৮ রেটিং দিলাম
June 20, 2018
"ডেভিডের দিকে তাকালে জেনির মনে হয় ডেভিড যেন সেই স্বচ্ছ নদী, যে ছুটতে ছুটতে এক তৃষ্ণার্ত নোনা বালুকাময় মরুভূমির মধ্যে আছড়ে পড়ে হারিয়ে গেছে।"
একই কথা লতিফুল ইসলাম শিবলীর দখল এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। "দখল" বইটা এমন একটা বই যেটার তুমুল ঘটনা প্রবাহ হঠাৎ করে আছড়ে পরে নেই হয়ে গেছে। বইটার ভালো রকমের প্রচারণা হয়েছিলো, মোটামুটি পজিটিভ রিভিউ দেখে আমিও কিনে ফেলি। কেনার ক্ষেত্রে আমার কাছে মূল আকর্ষণ ছিলো "ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড"। তবে যতটুকু আশা করেছিলাম ততটুকু না পাওয়ায় হতাশ হতে হয়েছে। কবিতার শক্তি অনুধাবন করার জন্য এই বইটা পড়া যেতেই পারে। কবিতার প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না, দখল পড়ার পর আমার মনে হচ্ছে মরে যাওয়ার আগে কিছু ভালো কবিতা অনুধাবন করাটা খুব জরুরি।
শুরুর দিকে রচনাশৈলী আমার কাছে কিছুটা বিরক্তিকর লেগেছিলো। বইটা পড়ার জন্যে যতটা পরিপক্বতা দরকার, ততটুকু ছিলো না হয়তবা। তবে কাহিনীর ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে রচনাশৈলী চমৎকার লাগছিলো। টুকরো টুকরো বেশ কিছু কবিতা আছে। সবগুলোই আমার কাছে ভালো লেগেছে। সত্যিকারের কোনো ঘটনার উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে কিনা জানিনা তবে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড কেমন হতে পারে সেটার মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া যাবে। বামপন্থীদের নিয়ে আমার খুব বেশি ধারণা ছিলো না, খুব ইনফোরমেটিভ না হলেও বামপন্থী রাজনীতির ভালো একটা ধারণা পাবেন।
কাহিনীর আরও একটু পরিবর্ধন ঘটালে আন্তর্জাতিকমানের মুভির স্ক্রিপ্ট তৈরি করা যাবে। চিত্র পরিচালকদের দখল এর দিকে নজর দেয়া উচিত, তাহলে বাংলাদেশ চমৎকার একটা সিনেমা পেতে পারে। আমার খারাপ লাগা দিকটা প্রথমেই উল্লেখ করেছি। উপন্যাস কিভাবে লেখা হবে সেটা লেখকের ব্যাপার কিন্তু তাই বলে এমন সমাপ্তি কাম্য নয়। কাহিনীর গতি খুব সুন্দরভাবে এগুচ্ছিলো, হঠাৎ করেই উপন্যাস শেষ। শেষটা এতটাই হতাশার যে সেটা পুরো কাহিনীতেই মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
লতিফুল ইসলাম শিবলী'র লেখার হাত বেশ ভালো। সংলাপগুলো কাব্যিক রকমের, অনুভব করতে বেশ লাগে। দারবিশেরও অনেক নামডাক শুনেছি, সেটাও পড়ে ফেলবো ভবিষ্যতে। দখল সংগ্রহে রাখার মত একটা বই। লেখককে ধন্যবাদ ঢাকাকে কেন্দ্র করে এমন একটি উপন্যাস লেখার জন্য।
July 28, 2025
বইয়ের নামঃ দখল
লেখকের নামঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী
সারসংক্ষেপঃ
দখল একটা ত্রিকোণ প্রেমের গল্প। দখলে রয়েছে একজন কবির খুনি হয়ে উঠার গল্প আর একজন মাফিয়া বসের দয়াশীল হওয়ার গল্প। তারা উভয়ে এসব করেছিল মাত্র একজন নারীকে ভালোবেসে। মেয়েটির নাম জেনি।
কবির লেখা কবিতা জেনি ভালোবাসে । তবে সে কবিকে বুঝতে পারে না। কিন্তু কবির লেখা সব কবিতা জেনিকে ভালোবেসে। জেনিকে সমর্পণ করে লেখা তার সব কবিতা। তারা দুইজন এক নির্জন জায়গায় বসে কবিতা নিয়ে কথা বলেছিল।
হটাৎ তারা দেখে কয়েকজন মানুষ মিলে একটা মানুষকে জ্যান্ত কবর দিচ্ছে। জেনি তাদের আটকাতে চায়। তবে কবি না করে। কিন্তু জেনি শুনে না। আর এদিকে যাকে কবর দেওয়া হচ্ছে সে হল আগের মাফিয়া বস আর যে তাকে কবর দিচ্ছে সে নতুন মাফিয়া বস। জেনি নতুন মাফিয়া বস ডেভিডকে ক্ষমার কথা বলে। ডেভিড যেন কি খুজে পায় তাই সে আগের মাফিয়া বসকে ছেরে দেয়। তবে সে চায় জেনির ভালোবাসা। জেনি সম্মত হয় ।
জেনি মাফিয়া বসের প্রেমে পরে। সে তাকে বুঝতে পারে। কিন্তু সে খুজে পায় ডেভিডকে কবির কবিতায়।
এদিকে কবি তার প্রেমিকা ডেভিডকে মারা যায়। রাজনৈতিক আর বিভিন্ন দিক দিয়ে পরিকল্পনা করে কবি। শেষে কবি তাকে মেরে ফেলে। মেরে ফেলে দয়াশীল মাফিয়া মব বসকে। জেনির সামনে মারে।
তারপর জেনি বিদেশে চলে যায় আর কবিকে কবিতা লিখতে না করে।
তারপর সে একটা বই লিখে যাতে ছিল ভালোবাসার জন্য একজন কবি কীভাবে খুনি আর একজন মাফিয়া কেমনে দয়াশীল হয়।
মতামতঃ
এটা আরেকটা মাস্টারক্লাস লতিফুল ইসলাম শিবলীর থেকে। এই বই আপনাকে ভাবাবে । এই বই নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।
তবে জেনি মেয়েটির কর্মকাণ্ড আমাকে নারী জাতির প্রেম নিয়ে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সে চাইলেই এসব এরাতে পারত। সে চাইলেই কবিকে বলতে পারত বুঝাতে পারত সে আর তার নাই। কবির কষ্ট বুঝেও না বুঝার ভান করেছে সে।
আপনার প্রেম নিয়ে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা বইটি মনে করিয়ে দেবে।
আপনার বইযাত্রা শুভ হোক ❤️❤️
লেখকের নামঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী
সারসংক্ষেপঃ
দখল একটা ত্রিকোণ প্রেমের গল্প। দখলে রয়েছে একজন কবির খুনি হয়ে উঠার গল্প আর একজন মাফিয়া বসের দয়াশীল হওয়ার গল্প। তারা উভয়ে এসব করেছিল মাত্র একজন নারীকে ভালোবেসে। মেয়েটির নাম জেনি।
কবির লেখা কবিতা জেনি ভালোবাসে । তবে সে কবিকে বুঝতে পারে না। কিন্তু কবির লেখা সব কবিতা জেনিকে ভালোবেসে। জেনিকে সমর্পণ করে লেখা তার সব কবিতা। তারা দুইজন এক নির্জন জায়গায় বসে কবিতা নিয়ে কথা বলেছিল।
হটাৎ তারা দেখে কয়েকজন মানুষ মিলে একটা মানুষকে জ্যান্ত কবর দিচ্ছে। জেনি তাদের আটকাতে চায়। তবে কবি না করে। কিন্তু জেনি শুনে না। আর এদিকে যাকে কবর দেওয়া হচ্ছে সে হল আগের মাফিয়া বস আর যে তাকে কবর দিচ্ছে সে নতুন মাফিয়া বস। জেনি নতুন মাফিয়া বস ডেভিডকে ক্ষমার কথা বলে। ডেভিড যেন কি খুজে পায় তাই সে আগের মাফিয়া বসকে ছেরে দেয়। তবে সে চায় জেনির ভালোবাসা। জেনি সম্মত হয় ।
জেনি মাফিয়া বসের প্রেমে পরে। সে তাকে বুঝতে পারে। কিন্তু সে খুজে পায় ডেভিডকে কবির কবিতায়।
এদিকে কবি তার প্রেমিকা ডেভিডকে মারা যায়। রাজনৈতিক আর বিভিন্ন দিক দিয়ে পরিকল্পনা করে কবি। শেষে কবি তাকে মেরে ফেলে। মেরে ফেলে দয়াশীল মাফিয়া মব বসকে। জেনির সামনে মারে।
তারপর জেনি বিদেশে চলে যায় আর কবিকে কবিতা লিখতে না করে।
তারপর সে একটা বই লিখে যাতে ছিল ভালোবাসার জন্য একজন কবি কীভাবে খুনি আর একজন মাফিয়া কেমনে দয়াশীল হয়।
মতামতঃ
এটা আরেকটা মাস্টারক্লাস লতিফুল ইসলাম শিবলীর থেকে। এই বই আপনাকে ভাবাবে । এই বই নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।
তবে জেনি মেয়েটির কর্মকাণ্ড আমাকে নারী জাতির প্রেম নিয়ে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সে চাইলেই এসব এরাতে পারত। সে চাইলেই কবিকে বলতে পারত বুঝাতে পারত সে আর তার নাই। কবির কষ্ট বুঝেও না বুঝার ভান করেছে সে।
আপনার প্রেম নিয়ে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা বইটি মনে করিয়ে দেবে।
আপনার বইযাত্রা শুভ হোক ❤️❤️
February 8, 2018
এটা এমন এক গল্প যেখানে একজন নারীর ভালোবাসার জন্য এক প্রেমিক কবি খুনি হয়ে উঠেছিল, আর এক নিষ্ঠুর খুনি হয়ে উঠেছিল ক্ষমাশীল।
চিরকুটের মত বলতে গেলে বলতে হয়, যাদুর শহর ঢাকা। প্রাণের শহর ঢাকা। আসলেই তো তাই। ঢাকার মত এত ঘটনাবহুল শহর আর কটা আছে! কিন্তু এই ঢাকার ভেতরেও রয়েছে অন্ধকার রাজ্য। রাজ্যের নাম সার্কেল। সেখানে রয়েছে সম্রাট, সাম্রাজ্য। সম্রাজ্ঞী শুরুতে ছিল না। তবে সম্রাজ্ঞী যুক্ত হবার সময় থেকেই গল্পের শুরু। সার্কেল এর নিয়ম হল নতুন কাউকে সম্রাট করতে হলে আগের সম্রাটকে খুন করতে হবে। সেটারই প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডেভিড। সে জাহাঙ্গীরকে সরিয়ে হতে যাচ্ছে নতুন সম্রাট। ঠিক এমন সময় দৃশ্যপটে আগমন জেনিফারের। এই গল্পের সম্রাজ্ঞী সে। কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতা পরে যে বাংলাদেশকে চিনেছে। তার ভুবন ভোলানো কথায় জাহাঙ্গীরকে ক্ষমা করে দেয় ডেভিড। সার্কেল বস হয়ে ওঠে ক্ষমাশীল। প্রথমবারের মত রক্তপাতহীন ভাবে সম্রাট পরিবর্তন হয়। কিংবদন্তিতে পরিণত হয় ডেভিড। এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। প্রেমে ব্যর্থ কবি। সম্রাট বনে যাওয়া ডেভিড। সাম্রাজ্যহীন জাহাঙ্গীর আর সম্রাজ্ঞী জেনিফারকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে অন্ধকার ঢাকার কাহিনী।
পাঠ পতিক্রিয়া- দারবিশ পরে বেশ লেগেছিল। ভিন্ন রকমের একটা কাজ ছিল সেটা। এবারও ভালোই লেগেছে। যদিও গল্পটা বেশ সাদা-মাটা।
চিরকুটের মত বলতে গেলে বলতে হয়, যাদুর শহর ঢাকা। প্রাণের শহর ঢাকা। আসলেই তো তাই। ঢাকার মত এত ঘটনাবহুল শহর আর কটা আছে! কিন্তু এই ঢাকার ভেতরেও রয়েছে অন্ধকার রাজ্য। রাজ্যের নাম সার্কেল। সেখানে রয়েছে সম্রাট, সাম্রাজ্য। সম্রাজ্ঞী শুরুতে ছিল না। তবে সম্রাজ্ঞী যুক্ত হবার সময় থেকেই গল্পের শুরু। সার্কেল এর নিয়ম হল নতুন কাউকে সম্রাট করতে হলে আগের সম্রাটকে খুন করতে হবে। সেটারই প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডেভিড। সে জাহাঙ্গীরকে সরিয়ে হতে যাচ্ছে নতুন সম্রাট। ঠিক এমন সময় দৃশ্যপটে আগমন জেনিফারের। এই গল্পের সম্রাজ্ঞী সে। কবি অনিন্দ্য আকাশের কবিতা পরে যে বাংলাদেশকে চিনেছে। তার ভুবন ভোলানো কথায় জাহাঙ্গীরকে ক্ষমা করে দেয় ডেভিড। সার্কেল বস হয়ে ওঠে ক্ষমাশীল। প্রথমবারের মত রক্তপাতহীন ভাবে সম্রাট পরিবর্তন হয়। কিংবদন্তিতে পরিণত হয় ডেভিড। এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। প্রেমে ব্যর্থ কবি। সম্রাট বনে যাওয়া ডেভিড। সাম্রাজ্যহীন জাহাঙ্গীর আর সম্রাজ্ঞী জেনিফারকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে অন্ধকার ঢাকার কাহিনী।
পাঠ পতিক্রিয়া- দারবিশ পরে বেশ লেগেছিল। ভিন্ন রকমের একটা কাজ ছিল সেটা। এবারও ভালোই লেগেছে। যদিও গল্পটা বেশ সাদা-মাটা।
April 18, 2018
বলতে গেলে এটা ঢাকা শহরের অন্ধকার দিককার গল্প !
প্লটটা খুবই বাস্তব কেন্দ্রিক, লেখক খুব সহজ ভাবে আমাদের চারপাশের ঘটে যাওয়া অদেখা ঘটনা গুলো নিয়ে গল্প সাজিয়েছেন । গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র ৩ জন, জেনি, কবি অনিন্দ আকাশ এবং ডেভিড !
ডেভিড ঢাকার অন্ধকার জগতের ( সার্কেলের ) নতুন ডন বা একাউনটেন্ট, গল্পের শুরুতেই এই ক্ষমতা হস্তান্তর কেন্দ্রিক খুনের সময় ডেভিডের সামনে আসে জেনি তাকে শেখায় ক্ষমার কত শক্তিশালী গুণ এবং ডেভিড মাফ করে দেয় পুরাতন ডনকে ! জেনি আর ডেভিডের প্রেমে কবি অনিন্দ আকাশ হিংস্র হয়ে ওঠে এবং সাজায় এক নিখুত পরিকল্পনা !
আমার ভালো লেগেছে, বেশ কিছু বানান ভুল ছিলো যা চোখে লেগেছে!
এই থ্রিলার আমাদের ঢাকা শহর কেন্দ্রিক তাই ভালোলাগাটা হয়তো একটু বেশিই ছিলো !
হ্যাপি রিডিং !
প্লটটা খুবই বাস্তব কেন্দ্রিক, লেখক খুব সহজ ভাবে আমাদের চারপাশের ঘটে যাওয়া অদেখা ঘটনা গুলো নিয়ে গল্প সাজিয়েছেন । গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র ৩ জন, জেনি, কবি অনিন্দ আকাশ এবং ডেভিড !
ডেভিড ঢাকার অন্ধকার জগতের ( সার্কেলের ) নতুন ডন বা একাউনটেন্ট, গল্পের শুরুতেই এই ক্ষমতা হস্তান্তর কেন্দ্রিক খুনের সময় ডেভিডের সামনে আসে জেনি তাকে শেখায় ক্ষমার কত শক্তিশালী গুণ এবং ডেভিড মাফ করে দেয় পুরাতন ডনকে ! জেনি আর ডেভিডের প্রেমে কবি অনিন্দ আকাশ হিংস্র হয়ে ওঠে এবং সাজায় এক নিখুত পরিকল্পনা !
আমার ভালো লেগেছে, বেশ কিছু বানান ভুল ছিলো যা চোখে লেগেছে!
এই থ্রিলার আমাদের ঢাকা শহর কেন্দ্রিক তাই ভালোলাগাটা হয়তো একটু বেশিই ছিলো !
হ্যাপি রিডিং !
Displaying 1 - 30 of 35 reviews





























