সদ্য "হায়রোগ্লিফের দেশে" শেষ করার পরেই আবার ধরলাম মিশর সম্পর্কিত বই "রানি হাটশেপসুটের মমি"। এখানেও মিশর সম্পর্কে কিছু কেমন তথ্য প্রদান করা হয়েছে। তবে বেশ কিছু নামের ভুল বানান চোখে পড়েছে।
সৌরভ সেন, একজন তরুণ লেখক, তিনিই গল্পের কথক। তিনি এবং তাঁর সাথে ডঃ ঘটক ও অরফ্যান হোমের ছোট্ট অংশু মিশর ভ্রমণে যায়।মিশরে গিয়ে ডঃ ঘটকের বন্ধু ডঃ নাসের, যিনি একজন মিশর গবেষক তথা শল্য চিকিৎসক, তিনিও তাদের সাথে যোগদান করেন। এদের মধ্যে ছোট্ট অংশুর একটা বিশেষ রোগ আছে। সে বুকের যন্ত্রণায় খুব কষ্ট পায়, সেই মুহূর্তে সে দুর্বোধ্য ভাষায় কীসব কথা বলে, যার মানে কেউ বুঝতে পারে না, এরকম হতে হতে তার হৃদ যন্ত্র মিনিট কয়েকের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তারপরেই আবার হৃদ স্পন্দন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। আর এই ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটে। তবে এটা ঘটার আগে সে একই স্বপ্ন বার বার দেখে, সেই স্বপ্নে উপস্থিত থাকে মৃত্যুর দেবতা আনুবিস। অন্যদিকে ডঃ নাসের জানতে পারে , অংশুর সাথে রানি হাটশেপসুটের নির্দেশে বানানো এক মমির সম্পর্ক আছে। অংশু আসলে কে ? তার ওই রোগের কারণ কি ? পড়লে জানতে পারবেন এক অজানা কাহিনী।
বেশ গল্প। তবে, নামটা হাতশেপসুতের মমি কেন রাখা হল, বুঝলাম না। রানীর মমি নিয়ে তো গল্প নয়। বরং অন্য একটা মমির কথা বলা হয়েছে। নাকি লেখকের বক্তব্য রানীর দ্বারা তৈরী একটা মমি! হবেও বা...
না পড়লে তেমন কিছু যায় আসবে না। গল্প বুনতেই প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগ জায়গা নিয়েছেন লেখক। শেষের ১০ পাতাতেই আসল যা গল্প। শেষ টাও বেশ নিরাশাজনক। সবই আগের থেকে predictable। সময় পয়সা দুটোই নষ্ট।
Since the passing away of the late great Satyajit Ray, many writers have tried to fill-in the vacucum with their works that would be aimed at juvenile readers without patronising them, but few have succeeded. This young author seems to have managed that with considerable skill, in this adventure in Egypt. Recommended.