Jump to ratings and reviews
Rate this book

তুঙ্গভদ্রার তীরে

Rate this book

135 pages, Hardcover

First published October 1, 1966

Loading...
Loading...

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

189 books463 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
291 (47%)
4 stars
201 (32%)
3 stars
91 (14%)
2 stars
27 (4%)
1 star
6 (<1%)
Displaying 1 - 30 of 88 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,139 reviews1,152 followers
November 29, 2020
ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও ইতিহাসের কচকচানি কম। বরংচ গল্পটাই বেশী। আর সেই গল্পে রাজা দেবরায় একজন বিচক্ষণ রাজা যে কিনা ক্ষয়িঞ্চু হিন্দু সমাজকে টিকিয়ে রেখেছেন মুসলমানদের আধিপত্যের ফলেও। অর্জুনবর্মার মত ভৃত্যকে কিভাবে কাজে লাগাতে হয় আর রাজত্ব কিভাবে শত্রুর কাছ থেকে নিরাপদ রাখতে হয় তাহা বিচক্ষণতার মাধ্যমে রাজা প্রমাণ করেছে। মণিকঙ্কণা চরিত্রটি শান্ত ও সুশ্রী লেগেছে। এ উপন্যাসে সব ধরনের রসদ পেয়েছি আমি। ঐতিহাসিক, রোমান্টিক, রহস্য, হরর এবং সামাজিক আবহ। মোট কথা অনন্য এক সাহিত্য।

শুরু ১৩৫২ বঙ্গাব্দের প্রারম্ভকালেই। কলিঙ্গ দেশের রাজকন্যা বিদ্যুন্মালা তিন তিনটি নৌকার নৌবিহার নিয়ে চলছে বিজয়নগর রাজ্যের দিকে। বিজয়নগরে কলিঙ্গ রাজ্যের রাজকুমারি বিদ্যুন্মালার বিবাহ হবে রাজা দেবরায়ের সহিত। তৎকালীন সময়ে রাজাধিরাজ দেবরায় খুব প্রতাপশালী ছিলো যাহার ধরুণ তাহার শত্রুও কম ছিলো না। এজন্যই বিবাহ করিবার উদ্দেশ্যে সুদুর কলিঙ্গে যেতে শত্রু কর্তক প্রাণনাশের হুমকির আশঙ্কার ধরুণ কন্যাপক্ষই আসতেছে সদলবলে। কলিঙ্গ রাজ্য থেকে বিজয়নগর রাজ্য মাস তিনেকের পথ। প্রতিপত্তি বাড়ানোর তাগিদে রাজা দেবরায় কলিঙ্গ রাজকুমারি বিদ্যুন্মালা কে চতুর্থতম রাণী করতে যাচ্ছেন।

তিন মাসের সুদীর্ঘ যাত্রাপথের প্রায় শেষ পক্ষে হঠাৎ দুপুরবেলা বিদ্যুন্মালা দেখলো নৌকার অদূরে নিমজ্জিত হতে যাচ্ছেন একজন। প্রহরীকে ডেকে লোকটিকে উদ্ধার করতে পাঠালো রাজকুমারি। বেঁচে গেলো সে লোকটি। যার নাম অর্জুনবর্মা। বিজয়নগর পৌছে যাবে এমন সময় ঘটে যায় আকস্মিক ঝড়ের ধরুন সিটকে পড়ে যায় নৌকাগুলোর আরোহী একেকদিকে। বিদ্যুন্মালাকে অর্জুনবর্মা অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে একটি ভাসমান দ্বীপে তুলে আনে। অন্ধকার রাত দ্বীপে তারা দুজন, বিদ্যুন্মালা জ্ঞান ফিরে এলে নিজেকে এভাবেই আবিষ্কার করে। অর্জুনবর্মার প্রতি একটা আকর্ষণ কাজ করে এ ঘটনায়। বিদ্যুন্মালা আগে থেকেই রাজা দেবরায়ের চতুর্থ রাণী হতে অসম্মত ছিলো। পরদিন প্রভাতে রাজার দেবরায়ের লোকজন তাদের কে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরপুরুষ ছুয়ে দেওয়াতে বিয়ে তিন মাস পিছিয়ে যায় বিদ্যুন্মালার। এ তিন মাসের মাঝেই বিদ্যুন্মালা আপন করে নেয় অর্জুনবর্মা কে। দুইজনই মারাত্নক ভাবে জড়িয়ে পড়ে এ ভয়াবহ প্রেম জালে।

কি হবে এর শেষটা? বিদ্যুন্মালা এবং অর্জুনবর্মার প্রেম রাজার কান পর্যন্ত পৌছালে কি ঘটবে? রাজাধিরাজ দেবরায় কি ভয়ংকর হবে না তাদের প্রেমকে মেনে নিবেন !!! এরকম উপন্যাস ফেলে রাখার কোন মানে নেই। পড়ে ফেলুন অতিসত্বর।
Profile Image for Mohammad Alamin.
232 reviews21 followers
November 11, 2024
❝দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য❞

‘তুঙ্গভদ্রার তীরে’ (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত) ঐতিহাসিক পটভূমিকায় রচিত একটি ❛সাম্প্রদায়িক❜ উপন্যাস। লেখক নিজেই যে একজন মুসলিম বিদ্বেষী সেটা তার লেখায় অনেক ভালো ভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি বিদ্বেষ থাকা লোকেদের আমি কি মনে করি সেটা না হয় নাই বললাম!
Profile Image for Rifat.
505 reviews335 followers
December 19, 2022
তুঙ্গভদ্রায় অবগাহন করার ইচ্ছা আপাতত ছিল না। কিন্তু বিজয়ের ৫০তম বছর পূর্তির আগের রাতে ট্রাফিক জ্যামের জমাজমিতে আর চারপেয়ে যন্ত্রের প্যাঁ পুঁ বাজনা শুনে এই শীতেও যখন ঘামছিলাম তখন ভাবলাম ঠান্ডা হওয়া দরকার। রাতের অন্ধকারে তখন মির্চিই ভরসা :)

তুঙ্গভদ্রার তীরে ভীড়েছে তিনটি বিশাল নৌকা। যার একটিতে আছেন দুই রাজকুমারী বিদ্যুন্মালা এবং মনিকঙ্কনা। বিদ্যুন্মালা এসেছেন এ রাজ্যের রাজাকে বিয়ে করতে ( ওয়েল! একটু উইয়ার্ড। তবে সঙ্গত কারণেই রাজামশাই বিয়ে করতে যেতে পারেননি। )
এরপরে দেখা যায় অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেম আর কাঙ্ক্ষিত বিশ্বাসঘাতকতা।

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা শিউলির সাদার মতো নরম আর কমলার মতো পোক্ত। কাজেই উপভোগ না করে নিস্তার নেই। মির্চির পরিবেশনা অনবদ্য।

~১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
Profile Image for Farzana Raisa.
534 reviews261 followers
May 17, 2020
রাজকুমারী কি কখনও প্রেম নিবেদন করে? দেখেছেন থুক্কু দেখার তো কথা না, শুনেছেন কখনও?

আসলে নারীদের এমনভাবে সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন যে তাদের বুক ফাটে তো মুখ ফাটে না। আর তাই প্রেম নিবেদন ব্যাপারটা যুগে যুগে এমন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যেন ওটা পুরুষের এক চেটিয়া সম্পত্তি। কলিকাল বলে কিছু কিছু দুঃসাহসীনীরা মাঝেমধ্যে সেই অকাজটি করে ফেলে বটে! যাকগে! যা বলছিলাম... রাজকন্যা মানে হলো গিয়ে রাজার কন্যা। আর সেই কন্যাদের পাণিপ্রার্থী হবার জন্য যুগে যুগে কতো রাজা, রাজকুমার কতো কি-ই না করেছেন। যুদ্ধ, সন্ধি কিংবা কূটকৌশল ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে ব্যাপারটা আসলে কী! রাজকন্যা হবার বেশ কিছু বিপদও আছে। এই রাজার সাথে অই রাজার দ্বন্দ্ব, যুদ্ধে সমাধান হবার নয়.. তবে লাগাও বিয়ে। যুদ্ধে হেরে গেছো? সন্ধি প্রয়োজন? তবে দুই দেশের রাজায়-রাজকন্যায় লাগাও বিয়ে। কোন রাজা নিজ দেশের নিরাপত্তা দিতে পারছে না? তবে বড় কোন রাষ্ট্রের সাথে সম্বন্ধ পাতিয়ে নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এসবের বলি হতেন রাজকন্যারা। তারা যেন সন্ধির হাতিয়ার, রাজনীতির বলি আর সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র।

কিছুটা ঐ রীতি মেনেই কলিঙ্গ দেশের রাজকন্যা বিদ্যুন্মালার সাথে বিয়ে ঠিক হয় বিজয় নগরের রাজা দেবরায়ের সাথে। সাধারণত রাজারা বাদ্য বাজনা বাজিয়ে বিয়ে করতে গেলেও ওদের বিয়েতে ঠিক সেটা ঘটল না। বিজয় নগরে শত্রুর হামলার আশংকা আছে। সেই সাথে আছে আরও নানাবিধ কিছু যন্ত্রণা। আর তাই রাজা বিয়ের জন্য কলিঙ্গে যেতে পারবেন না। অগত্যা রাজকন্যা ছোটবোন মণিকঙ্কণা, মাতুল, রাজবৈদ্য ও একজন পরিচারিকাকে সাথে নিয়ে সৈন্য পরিবেষ্টিত হয়ে রওনা হলেন বিজয় নগরের উদ্দেশ্যে৷ উপরে উপরে আসন্ন বিয়ের জন্য প্রস্তুত হলেও মনে শান্তি নেই তার। তার যে রামচন্দ্রের মতো রাজা পছন্দ। মানে এক রাজার এক রানী হতে চান তিনি অর্থাৎ স্বামীর ভাগ কাওকে দিতে আগ্রহী নন। অথচ রাজা দেবরায়ের তিন পত্নী বর্তমান। কি আর করা.. ভগ্ন হৃদয়ে জলপথে রওনা হয়ে যান মালা।

পথে ঠিক বিপত্তি না একটা ছোট্ট ঘটনা। মাঝপথে তুঙ্গভদ্রা নদীতে ভেসে যাওয়া এক তরুণকে উদ্ধার করে রাজকন্যার সেনারা। আবার সেই ক্লান্তিকর যাত্রা। বিজয়গড়ে পৌঁছবার আর মাত্র কিছুকাল বাকি.. হবু রাণীর আগমন উদ্দেশ্যে রাজ্যের আনন্দ উৎসবের শব্দ শোনা যাচ্ছিল-এতোটাই কাছে পৌঁছে গিয়েছিল অভিযাত্রীরা। তখনই ঈশাণ কোণে অল্প অল্প করে জমতে থাকা মেঘ হুট করে জমাট হয়ে হয়ে শুরু হলো দমকা বাতাসের সাথে ঝড়ো বৃষ্টির। রাজকন্যা বিদ্যুন্মালা সামলাতে পারলেন না নিজেকে, নৌকা থেকে ছিটকে পড়ে গেলেন পানিতে। ডুবে যাবার সময় অচেতন হতে হতে অনুভব করলেন কেউ একজন টেনে তুলছে তাকে।

রাত্রি প্রায় দ্বিপ্রহর, ঝড় থেমে গেছে। জ্ঞান ফিরে বুঝতে পারলেন একটা দ্বীপে আটকা পড়ে গেছেন। তিনি আর তার উদ্ধারকর্তা, অর্জুনবর্মা। ভাগ্যের কী পরিহাস.. কিছু কাল আগে রাজকন্যা জীবন বাঁচিয়েছিলেন অর্জুনবর্মার প্রাণ আর সেই ঋণ শোধ করতেই বুঝি বা সে আজ তার উদ্ধারকর্তা। সে রাতটুকু কথা বলে কাটিয়ে দিলেন দু'জনে। ভোরে রাজার ছোটভাই এসে এই নির্জন দ্বীপ থেকে উদ্ধার করে তাদের৷ তারপর?

তারপর আর কি.. যে যার পথে।

অর্জুন রাজার সৈন্যদলে কাজ জুটিয়ে নিলো আর রাজকন্যা তিন মাস সময় পেলেন বিবাহের জন্য প্রস্তুত হতে। এতো সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য আর অবাধ স্বাধীনতা পেয়েও বিদ্যুন্মালার মনে শান্তি নেই। তার শান্তি যে হরণ হয়েছে তার উদ্ধারের দিন রাত্তিরেই... হরণ হয়েছে তার মন। রাজাকে নয় বা রাজার শাণ-শওকত, মর্যাদা কিছুই চাই না তার। তার চাই কেবল একজনকে। ভাগ্যবিড়ম্বিত সেই ক্ষত্রিয় যুবক অর্জুনবর্মাকে। আর তাই বাগে পেয়ে নিজের গলার মালাটি তার গলে পড়িয়ে দিতে দিতে অস্ফুটে মনের কথাটি বলে দিতে বিন্দুমাত্র সংকোচ বোধ করলেন না।

কী করবে অর্জুনবর্মা? যে রাজার অনুগ্রহে একটু সুখের মুখ দেখেছে, সেই রাজার হবুবধূর প্রেম নিবেদন গ্রহণ করে বিশ্বাসঘাতক হবে? নাকি ফিরিয়ে দিবে রাজকন্যাকে! ঐ যে আছে না একটা গান-'এক পা দু পা করে তোমার দিকে, যাচ্ছি চলে কেমন করে, কোন সে টানে টানছো আমায়, পারি না রাখতে নিজেকে ধরে'৷ 🐸 বেচারা অর্জুনবর্মার শুরু হলো সে দশা। হতচ্ছাড়া মন আর বাস্তববাদী মস্তিষ্কের টানাপোড়েন।


এদিকে প্রাণে সুখ নেই রাজা দেবরায়ের ছোট ভাই দেবকম্পনের মনেও। সে চায় পিতৃতুল্য বড় ভাইকে হটিয়ে নিজে রাজা হতে। সুযোগের সন্ধানে রয়েছে সে। ওদিকে রাজ্যে দেখা দিয়েছে হুক্কো-বুক্কার প্রেতাত্মার। কথিত আছে, রাজ্যে বিপদ আসলে ইনারা দেখা দেন। তার মানে কঠিন সময় সমাগত। দূরে.. সীমান্তের ওপারে পশ্চিম আর পূর্ব থেকে গুঁড়ি মেরে এগিয়ে আসছে দুর্ধর্ষ মুসলিম সৈন্যরা। বিজয়নগর দখল করতে হবে যে! চারপাশের গ্যাঁড়াকলে আঁটকে গেছে রাজা। কী হবে এখন?

প্রেমের উপন্যাসের মোড়কে কিছুটা ইতিহাসের মিশেলে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিখিত ঐতিহাসিক উপন্যাস 'তুঙ্গভদ্রার তীরে'। ঐতিহাসিক উপন্যাস মানেই ইতিহাস আশ্রয় করে লেখা। ভয় নেই, বইয়ে নেই কোন ইতিহাসের কচকচানি। কাহিনির প্রয়োজনে ঠিক যতটুকুর প্রয়োজন, ঠিক সেই পরিমাণে ঐতিহাসিক ফ্যাক্টস আর বাকিটুকু ফিকশন। আহা! সাধু! সাধু! ❤


বি.দ্র. রাজা দেবরায়কে বেশ লেগেছে। না শুধু তার শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা পড়েই না, তার ধীর-স্থিরভাবে চিন্তা করার মানসিকতাটাকে, প্রজা বা তার অধীনস্থদের প্রতি তার বাৎসল্য ইত্যাদি ইত্যাদি। সব কিছু মিলিয়ে ভাল্লাগসে। মনে হয়েছে, এইতো! রাজার মতো রাজা।
বিদ্যুন্মালাকে ভালো লেগেছে তার স্পষ্টবাদী স্বভাবটার জন্য। যদিও তার মাঝে ডেসপারেট একটা ভাব দিতে চেয়েছিলেন লেখক, কিন্তু চরিত্র ফুটিয়ে তোলার সময় অতোটা প্রকাশ করেননি। তারপরেও ভালো লেগেছে।
ইয়ে! আরেকটা ব্যাপার। সেটা অবশ্য ফ্যাক্টস দায়ী নাকি দৃষ্টিভঙ্গি দায়ী আমি জানি না। যে সময়টা পটভূমি গল্পের, সে সময় মুসলমান বা যবনেরা রাজ্য বিস্তার করছিল। স্বাভাবিকভাবে রাজ্যবিস্তারে নৃশংসতা হয়-ই। জয়ী রাষ্ট্র সদ্য পরাজিতদের শারীরিক-মানসিক নানান উপায়ে নির্যাতন করে থাকে। মুসলিমরা রাজ্য বিস্তারে সাধুর মতো পথ ধরেছিল সে কথা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। প্রাচীন সাহিত্যগুলোই তার সাক্ষী। তারপরেও ক্যান জানি একটু মনে হয়েছে খুব হালকা করে হলেও যবনবিদ্বেষী একটা ভাব শরদিন্দু বাবুর লেখায় আছে 🐸 অতি কল্পনাও হয়ে যেতে পারে। সেটা অবশ্য কাহিনির প্রয়োজনেও হতে পারে। যাকগে! বইটা এনজয় করার কথা ছিলো, পুরোমাত্রায় করেছি। আমি তাতেই খুশি৷


বই-তুঙ্গভদ্রার তীরে
লেখক-শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়



#happy_reading
#বই_হোক_অক্সিজেন
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,903 followers
May 17, 2023
এইসব বইয়ের রিভিউ... মানে কেন? হোয়াই?
যাউক গিয়া। গুডরিডস অ্যাডা স্লট দিসে। হেইডারে ভরন জাউক।
ষোড়শ শতকের ভারতবর্ষ। দক্ষিণের বিজয়নগর সাম্রাজ্যের সঙ্গে কূটনৈতিক বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে নদীপথে এগিয়ে চলেছন কয়েকজন মানুষ। পথে একটি তরুণকে অবশ্যম্ভাবী সলিলসমাধি থেকে উদ্ধার করলেন তাঁরা। কিন্তু তারপর দেখা দিল সংশয়। এমনিতেই সমকালীন রাজনৈতিক আকাশ নানা আশঙ্কার মেঘে আচ্ছন্ন। এই অজ্ঞাতকুলশীল মানুষটিকে নিয়ে কী করা উচিত?
রীতিমতো দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল সেই তরুণকে সঙ্গে নিয়ে বাকি পথটুকু চলার। পৌঁছোনো গেল গন্তব্যে। কিন্তু তারপর?
প্রেম, ঈর্ষা, ক্রোধ, ষড়যন্ত্র, রাজনীতি, রোমাঞ্চ, ইতিহাস, আর কৌতুক— এরা সবাই মিলে গড়ে তুলল এমন এক আখ্যান, যেমনটি বাংলায় আর লেখা হয়নি।
হবেও না।
এই "মা কসম" লেভেলের লেখাটি যদি এখনও পড়ে না থাকেন, তাহলে আপনার জীবন ষোলো আনাই বৃথা।
Profile Image for Mony Shamim.
9 reviews5 followers
January 31, 2017
ভারতবর্ষের ইতিহাসে 'বিজয়নগর সাম্রাজ্য' বেশ পরিচিত বলেই মনে হল। দক্ষিন ভারতের এই রাজ্য সময়ের তুলনায় বেশ এগিয়ে ছিল বলে জানতে পারি। উইকিতে দেখি "ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে দক্ষিণ ভারতে ‘ইসলামি আক্রমণ’ প্রতিহত করে এই সাম্রাজ্য নিজস্ব প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়।" আরও দেখতে পাচ্ছি,"দক্ষ প্রশাসন ও বৈদেশিক বাণিজ্যের কল্যাণে এই সাম্রাজ্যে জলসেচের নতুন প্রযুক্তি আমদানি করা সম্ভব হয়। বিজয়নগর সাম্রাজ্য শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিল। কন্নড়, তেলুগু, তামিল ও সংস্কৃত সাহিত্যে এই সাম্রাজ্যের পৃষ্টপোষকতায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়। কর্ণাটকী সংগীত এই সাম্রাজ্যের রাজত্বকালেই তার বর্তমান রূপটি লাভ করে। দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে হিন্দুধর্মকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় সংহতি সাধনের মাধ্যমে বিজয়নগর সাম্রাজ্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।"

"তুঙ্গভদ্রার তীরে" উপন্যাসটি পড়বার সময় এই ইতিহাসটি জেনে নেয়ার দরকার ছিল বলে মনে হল। এটি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রকাশের পর এটি রবীন্দ্র পুরষ্কার এ ভূষিত হয়েছিল। পুরো উপন্যাসটি এই রাজ্যকে কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খেয়েছে। এই রাজ্যের রাজা দেবরায় উপন্যাসের একটি মুখ্য চরিত্র হলেও কেন্দ্রীয় চরিত্র নয়। বরং উপন্যাসটি দুই নারী বিদ্যুন্মালা এবং মনিকঙ্কনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। এই দুই নারীর আনন্দ, বেদনা, নিবেদন, প্রীতি, প্রেম, বিরহ, মিলন বেশ ভালভাবেই কাহিনী আকারে উপস্থাপন করেছেন শরদিন্দু। কাহিনীর আখ্যান শুরু হয় ঢিমেতালে, কলিঙ্গ রাজ্যের দুই রাজকন্যা বিদ্যুন্মালা ও মনিকঙ্কনা নৌকাযোগে বিজয়নগর রাজ্যের উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করছেন কেননা ওই রাজ্যের রাজা দেবরায়ের সাথে বিদ্যুন্মালার বিয়ে হবে বলে কথা রয়েছে। কাহিনী জমে উঠতে শুরু করে মুলত তুঙ্গভদ্রা নদীতে ভেসে ওঠা অর্জুনবর্মা নামক এক পুরুষের শরীর এবং বিজয়নগর রাজ্যে এই দুই নারীর আবির্ভাবের সাথে সাথে একটি দুর্বিপাক-কে কেন্দ্র করে। তখন থেকেই এই কাহিনীতে এক অসাধারণ বৈচিত্র্য আর গতি আসে যেটি প্রায় শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছেন লেখক। পাঠকের এদিক ওদিক হবার আর কোন সুযোগ দেননি।

কাহিনীর আখ্যান বর্ণনা আকর্ষণীয়। মুখ্য চরিত্রগুলিকে নিপুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কাহিনীতে অনেক রহস্য আছে তবে সেটি জমাট বাঁধতে খানিক দেরী হয়েছে বলে মনে হল। রাজা দেবরায়ের কুচক্রী ভাই দৃশ্যে উপস্থিত হবার পর হত্যা, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র এগুলি স্পষ্ট হতে থাকল। আর এর বাইরে ‘যবন’ কর্তৃক বিজয়নগর রাজ্য আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা এবং তার এক যুদ্ধাংদেহী একটা রূপ আমরা দেখলাম একদম শেষে এসে।কাহিনীর মূল চরিত্রগুলি যতটা শক্তিশালী পার্শ্বচরিত্রগুলি ততটাই দুর্বল। তাঁদের পরিচিতি কিংবা তাঁদের কর্ম কাহিনীর গতিকে শ্লথ করে শুধু রাজার ভাই এর অংশটুকু ছাড়া। একটি বিষয় আরও খেয়াল করলাম। কাহিনীতে প্রেম-ভালোবাসা আছে পর্যাপ্ত, সেই তুলনায় হত্যা-ষড়যন্ত্র-আক্রমন-যুদ্ধ কম। তবে ষড়যন্ত্র কিংবা আক্রমণের অংশগুলিতেই লেখককে বেশী সিদ্ধহস্ত বলে মনে হল। শরদিন্দু ব্যোমকেশে কেন এত সফল সেটা কি এই উপন্যাস পড়েও কিছুটা বোঝা গেল না?

উপন্যাসটি শেষ হয়েছে ইচ্ছেপুরনের মধ্যে দিয়ে। দুষ্টের দমন হয়েছে, শিষ্টের পালন হয়েছে, নায়ক নায়িকাদের যার যা পাবার কথা ছিল তারা তা পেলেন, কারোর কোন ক্ষতি হলনা। হয়ত একটি ইচ্ছেপুরনের গল্পই আগাগোড়া বলতে চেয়েছিলেন লেখক।চরিত্রগুলি বড় বেশী সাদা কালো। মানুষের চরিত্রের ধুসর অংশ হিসেবে আনা হয়নি। তাই উপন্যাসটি হয়ে রইল এক ফ্যান্টাসি এবং মনোরঞ্জনকারী। এখানে রাজ্য আক্রমণকারীর একমাত্র পরিচয় তারা মুসলমান। যে সময়কাল নিয়ে এই উপন্যাস রচিত হয়েছিল তাতে করে শুধু বিজয়নগরই কেন পুরো ভারতবর্ষ তো পার্শ্ববর্তী দেশের ওয়ারলর্ডরা করায়ত্ত করবার চেষ্টা করেছে। এইসব ওয়ারলর্ডদের পরিচয় কি শুধুই ‘যবন’ রূপে প্রতিভাত হবে? শুধু মুসলমানরাই আক্রমণকারী, নিষ্ঠুর, পাষাণ? তুঙ্গভদ্রার তীরে উপন্যাসটি পড়লে এরকম সিদ্ধান্তে আসা অবান্তর নয়। আবার বিজয়গর রাজ্যের যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শুদ্ধ সঙ্গীতের প্রসার সেগুলির ছিটেফোঁটাও তো পেলাম না এই গল্পে!কোথায় সেই বিজয়নগর রাজ্যের শিল্প সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা?

১৩৪ পৃষ্ঠার উপন্যাসটির প্রচ্ছদ অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং বিচিত্র। দাম মাত্র ১০০ রুপি বা ১৮০ টাকা। প্রকাশনায় সবখানে যত্নের ছাপ স্পষ্ট। সবশেষে এককথায় বলা যায় তুঙ্গভদ্রার তীরে একটি উপভোগ্য উপন্যাস কিন্তু স্মরণীয় নয়। আর এই বইকে রবীন্দ্র পুরষ্কার দেয়া হল কেন সেটি মাথায় ঢুকছেনা। ১৯৬৭ সালে কি আর কোন ভালো বই পুরষ্কারযোগ্য ছিলনা?
Profile Image for Smitha Murthy.
Author 2 books425 followers
October 25, 2019
Reading really does expand your minds and the narrow confines it surrounds itself with. I never thought I would like historical fiction or YA. Now, I realized that I have a sudden fondness for Indian historical fiction. I love being immersed in times gone by - maybe it's the allure of the past with its inherent sense of nostalgia. I don’t know but while many of us know of Sharadindu Bandyopadhyay as being the creator of the Byomkesh Bakshi detective series, not many know that the writer wrote five historical novels. ‘By The Tungabhadra’ is the last, set in the Vijayanagar period.

Poetically, his canvas is vast. Yet, I never felt the pace lagged. The descriptions of the majesty of the Vijayanagar empire were accurate and despite my aversion for romantic tales, the story of a princess engaged to a king while being in love with a commoner kept me turning the pages. I am a bit miffed to dock a star because of the author’s proclivity to take jabs at women. Women are troublesome; women pursue men in single-minded determination; many are the hapless men who fall to the black magic of women. Well, the feminist in me boils. The rest flows placidly as the Tungabhadra.
Profile Image for Nowrin Samrina Lily.
162 reviews15 followers
December 24, 2021
সৌমেন দাদাকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করা যাবেনা। উনার কল্যাণেই অসাধারণ কিছু বাংলা বই পড়া হচ্ছে। আর ৭টা দিন আমাকে যেনো হাজারো বই পড়ে শেষ করতে হবে
Profile Image for Neha Gupta.
Author 1 book202 followers
October 9, 2014
As a kid we all have read Chanda Mama, Amar Chitra Katha, Nandan, Panchtantra and other stories which contained incidents and characters from ancient India. The stories of Raja Rani (Kings & queens), courage and cleverness, wars and valour, love and friendship. They just did not satisfy your appetite for stories, historical characters and fictional accounts but also came with morals and teachings. As we grow up we move to more modern, more real and popular fiction. Somewhere we leave behind our childhood stories.. and then one day when you are just surfing through the shelves at a book shop, you find this one book with images of ancient India, kings and their beautiful queens, adventures and plots and you can’t help but pick it. On reading the brief the world of your childhood opens up.. the colourful world and its images and characters.. how we used to enact these scenes when playing with your cousins or street friends, how with a fake sword you became a king and your mom’s dupatta made you a princess... how u got on your imaginary horse and went to war and how adorning make up and jewellery was all that princess did...

This book is such a story based on kingdom of Vijaynagar whose ruins still stand at Hampi... it of course is a fictional account on a historical king but the writer’s imagination is ripe and vivid.. all the characters Arjun Varma, Devarya, Balram, Manikankana, are endearing and you can’t help but get transported to that world.. Its not a piece of literature or epic but a children’s classic which can be equally enjoyed by adults...

Not to forget that Saradindu Bandhopadya, the creator of ‘Byomkesh Bakshi’ has written it. It is not suspense or detective story like his most popular fiction but it does have an interesting plot and smart twists in the tale. Its modern as well as traditional in its treatment, its detailed as well as precise in its flow and wordings.. The translation by Arunava Sinha is very smooth and simple. The book is a quick read and can be finished in 6 hrs flat... So I would suggest any one who likes a light read and wants to revisit the days of ‘Chanda Mama’, surely pick this book and you won’t be disappointed...
Profile Image for Bookishbong  Moumita.
471 reviews133 followers
June 8, 2021
ইতিহাসকে নিয়ে এই ফিকশন , কিন্তু আগেই জানিয়ে রাখি, ছোটবেলায় ইতিহাস বললে যে ভয়টা আমরা সকলে কম বেশি পেতাম তা কিন্তু এখানে এই।

১৪৩০ এর আসে পাশে সময়ে চারিদিকে যবনরা একে একে বিভিন্ন রাজ্য দখল করে নিচ্ছিল। কিন্তু তুঙ্গভদ্রার তীরে বিজয়নগর রাজ্যটি তখন সগর্বে স্বাধীন একটি হিন্দুরাজ্য হিসেবে টিকেছিল।

আর এই সময় বিবাহ শুধু একটি সামাজিক বন্ধন ছিল না। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাই সুদূর কলিঙ্গ থেকে রাজকন্যাকে বিবাহের জন্য তিনমাস জলপথে যাত্রা করতে হয়। সেই সাথে তার একাধারে সখী ও ভগিনী মণিকর্নিকাও।

কিন্তু বিজয়নগর পৌঁছনোর আগে,নতুন একজনের প্রবেশ ঘটে তাদের নৌকায়। তার নাম অর্জুনবর্মা ।

গল্প বেশি দীর্ঘ নয়। কিন্তু রকবার শুরু করলে শেষ করা যায় না। অনেকগুলি ছোট বড় চরিত্র আছে কিন্তু তাদের প্রত্যেককে যত্ন সহকারে সৃষ্টি হয়েছে।

চিরকাল প্রেম নিবেদনটা যেন একান্ত ভাবে পুরুষের অধিকার ভেবে নেওয়া হয়েছে। এই stigma ভেঙেছেন লেখক। এই ব্যাপারটা ভীষণভাবে ভালো লেগেছে আমার।
পাঁচটি তারার বেশি দেওয়া গেল না !
Profile Image for রিফাত সানজিদা.
177 reviews1,400 followers
July 15, 2016
কাজিনের জন্মদিন ছিলো। তার এক আত্মীয়া (ঢাবির পিস এন্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজের বিখ্যাত (অনলাইনে কুখ্যাত) তরুণী শিক্ষিকা দিয়েছিলেন বইটা, ঈদী উপহার। ক্লাস সেভেনের মেয়েকে এই পুস্তক প্রদানের মরতবা ধরতে হলে ইনটেলেকচুয়াল হতে হয় বোধকরি, তা আমি বেকার মুখ্য মানুষ। বাবা-বাছা বলে মাথায় হাত বুলিয়ে ধার নিয়ে এসেছিলাম পড়বো বলে। আনন্দের প্রচ্ছদটা 'জুশ', শক্ত মলাটের মাঝখানে একটুকরো চটের ওপর বোধহয় ব্লকে লেটারিং করা।
বইটা মেরে দিতে পারলে হতো, ছিলো গোড়ার দিকের 'গুপন' দুষ্টু ভাবনা।

পাঠশেষে মত বদলেছে। লাল গানে নীল সুর, বঙ্কিম বঙ্কিম গন্ধ...মানে চরিত্রগুলো নয়, লেখক-ই আদতে মুসলিম বিদ্বেষী ছিলেন, বারবার এমত দুষ্ট ভাবনা 'গুপনে' মাথায় এলো।
২/৫।
Profile Image for হাঁটুপানির জলদস্যু.
306 reviews227 followers
April 6, 2018
বইটা শুরু করলে শেষ করতে হয়, পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখে। কিন্তু পড়তে গিয়ে মনে হয়, কেবল উপন্যাসের চরিত্রগুলোই নয়, লেখক নিজেও মুসলমানের প্রতি বিদ্বিষ্ট। এটা অস্বস্তির উদ্রেক করে।
Profile Image for Nahin.
60 reviews
December 16, 2025
ফিকশনে মোড়া ইতিহাস। সব মিলিয়ে রূপকথার মতো সুন্দর।
Profile Image for Shom Biswas.
Author 1 book49 followers
May 13, 2014
Author - Sharadindu Bandyopadhyay

Genre - Historical Fiction, Thriller

Source - Print

Rating - 4

May 2014

First: About Sharadindu Bandyopadhyay. He is a fantastic writer of bestsellers that are NOT devoid of literary merit. If one has to make the parallel to an English writer, it has to be with Sir Arthur Conan Doyle (and our Byomkesh is almost the equal of Sherlock).
Second: About the time and place. You'd say the novel has not dated very well. You'd say that some of the sentiments some characters display are rather out of our times. But hey, this is historical fiction, how do you expect it to be in with the times?
Third: Sharadindu creates such amazing plots. And has such a strong, clean writing style. Two hundred odd pages finished off in one go. This is good stuff!
Fourth: I am lucky that I can read Sharadindu in original Bengali.
Fifth: Nice to read about the history of Karnataka. This is about the Vijayanagar Empire.
Profile Image for Tania Akter.
12 reviews
July 14, 2022
কলিঙ্গ রাজ্যের রাজকুমারী বিদ্যুন্নালা, মণিকঙ্কনা আর বিজয়নগরের বিচক্ষন রাজা দেবরায় ; সাথে অর্জুনবার্মার মতো ভৃত্য এবং বলরামের মতো বন্ধু নিয়ে অসাধারন ঐতিহাসিক,রহস্য,প্রনয় কাহিনী নিয়ে নির্মিত উপন্যাস 💗
Profile Image for Yeasmin Nargis.
259 reviews7 followers
July 15, 2025
তুঙ্গভদ্রার তীরে এক প্রেম ও রাজনীতির নদীগাথা
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘তুঙ্গভদ্রার তীরে’ কোনো খাঁটি ইতিহাসের খোলস নয় এটি ইতিহাসের ছায়ায় গড়ে ওঠা এক মানবিক উপাখ্যান, যেখানে প্রেম, রাজনীতি ও নিয়তির সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে।

কলিঙ্গ রাজ্যের রাজকুমারী বিদ্যুন্মালা যখন রাজনীতি ও প্রতিপত্তির চাপে রাজা দেবরায়ের চতুর্থ রানি হয়ে উঠতে যাত্রা শুরু করে, তখন তুঙ্গভদ্রার উত্তাল স্রোত বয়ে আনে অর্জুনবর্মা নামের এক নিঃশব্দ বিপ্লব। ঝড়ে ভেসে গিয়ে এক দ্বীপে একসাথে রাত কাটানো এই ঘটনাই বাঁধিয়ে তোলে এমন এক সম্পর্ক, যা সমাজের শাসিত পথকে অস্বীকার করে।

এ উপন্যাসে রাজা দেবরায় কেবল এক শাসক নন, বরং এক সময়-সচেতন কৌশলী, যিনি জানেন প্রেমের বিরুদ্ধে তরবারি তোলা দুর্বলতার প্রকাশ। বিদ্যুন্মালা ও অর্জুনবর্মার প্রেম যেন ইতিহাসের কাঠামোর ফাঁকে জন্ম নেওয়া এক দ্রোহ যেখানে মানবিকতা রাজনীতিকে ছাপিয়ে যায়।

এই উপন্যাস ইতিহাসের ছায়ায় এক দুর্লভ প্রেমগাঁথা, যেখানে নদী শুধু প্রাকৃতিক উপাদান নয়, বরং চরিত্রগুলোর আবেগ, উত্থান-পতন ও মোচড়ের প্রতীক।
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,640 reviews404 followers
March 24, 2026
ইতিহাস আর কল্পনা মিলেমিশে এক চলমান দৃশ্যপট তৈরি করেছে এই উপন্যাসে। কাহিনির কেন্দ্রে কলিঙ্গের দুই রাজকুমারী—বিদ্যুন্মালা ও মণিকঙ্কনা—যাঁরা নদীপথে বিজয়নগরের দিকে রওনা হন। বিদ্যুন্মালার বিয়ে হতে চলেছে রাজা দেবরায়ের সঙ্গে, এক রাজনৈতিক সন্ধির অংশ হিসেবে। যাত্রাপথে অর্জুনবর্মা নামের এক তরুণের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়, আর সেই থেকেই গল্পে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে সম্পর্ক, টানাপোড়েন, প্রেম আর কর্তব্যের দ্বন্দ্ব। ঝড়, বিপদ, উদ্ধার—সব মিলিয়ে কাহিনি এগোয় নাটকীয়তার সঙ্গে। এই উপন্যাসে শরদিন্দুর ভাষা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। কোথাও কোথাও তাঁর লেখনীতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর প্রভাব অনুভূত হয়—সেই দৃঢ়তা, সেই ঐতিহাসিক আবহ নির্মাণের ক্ষমতা—তবে ভাষা তুলনামূলকভাবে সহজ, জটিলতা বর্জিত। বর্ণনা এতটাই জীবন্ত যে মনে হয় চোখের সামনে দৃশ্যগুলো ভেসে উঠছে—নদীর স্রোত, ঝড়ের তাণ্ডব, বিজয়নগরের ঐশ্বর্য সব যেন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। উপন্যাসে বন্ধুত্ব, প্রেম, দেশপ্রেম—সবই আছে, সঙ্গে রয়েছে হালকা রসিকতা ও টানটান উত্তেজনা। ঐতিহাসিক তথ্যের ব্যবহারও এক্কেবারে শরদিন্দু সুলভ। তবে সবকিছু মিলিয়েও ব্যক্তিগতভাবে উপন্যাসটি খুব গভীর প্রভাব ফেলতে পারেনি। গল্প সাবলীল,ও উপভোগ্য—কিন্তু কোথাও যেন সেই বাঁধভাঙা তীব্রতা অনুপস্থিত। মতামত একান্ত ব্যক্তিগত।
83 reviews1 follower
January 5, 2019
I visited Humpi a month ago. I could neither explore the ruins properly nor learn the greatness of Vijayanagar. While my heart wept at the brutality of the barbarians who destroyed the greatest city in the world in 15th century, Shorodindu takes us back in time when Vijayanagar was all that stood between barbarian foreign invaders and the ancient vedantic culture. I also thank Arunav Sinha for not changing the narrative to suit political correctness. While the work itself is fiction , Saradindu expertly weaves a fascinating tale around the dreary existence of people living under foreign rule and how Vijayanagar was the last bastion of resistance until the great Shivaji Maharaj arrived on the scene...
Profile Image for Israt Sharmin.
328 reviews4 followers
December 28, 2025
পঞ্চদশ শতাব্দীর ইতিহাসের পটভূমিতে নির্মিত এই উপন্যাসটি পাঠককে নিয়ে যায় এক স্রোতস্বিনী সময়ের ভেতর। কলিঙ্গের রাজকন্যা বিদ্যুন্মালা বিজয়নগরের রাজা দেবরায়ের সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হওয়ার উদ্দেশ্যে জলপথে যাত্রা শুরু করেন। রাজকীয় কর্তব্য আর ভবিতব্যের নির্দিষ্ট পথে এগিয়ে চলা এই যাত্রার মাঝেই ঘটনাপ্রবাহ ধীরে ধীরে অন্য দিকে মোড় নেয়।

পথিমধ্যে রাজকন্যার চোখে পড়ে সাঁতার কাটতে থাকা অর্জুন সে দৃশ্য কোনো তৎক্ষণাৎ প্রেমের জন্ম দেয় না, তবে ভবিষ্যতের এক অদৃশ্য ইশারা যেন রেখে যায় মনে। সময়ের ব্যবধানে, নানা ঘটনার আবর্তে, পরিচয় ও সান্নিধ্যের ভেতর দিয়েই ধীরে ধীরে জন্ম নেয় সেই প্রেম, যা রাজনীতি ও রাজকীয় সিদ্ধান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে নিজের পথ নিজেই বেছে নেয়....
Profile Image for Rajib Majumder.
142 reviews5 followers
March 4, 2026
বোধহয় বহুদিন আগে পড়েছিলাম। গল্পটাই ভুলে গেছিলাম। পড়ে ফেললাম ফের!❤️
Profile Image for প্রিয়াক্ষী ঘোষ.
371 reviews40 followers
November 12, 2021
কৃষ্ণা নদীর দক্ষিণে যখন হিন্দু রাজ্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, ঠিক সেইসময় কৃষ্ণার উত্তর তীরে একজন শক্তিশালী মুসলমান দিল্লির নাগপাশ ছিন্নকরে স্বাধীন মুসলমান রাজ্যের প্রবর্তন করেন। এই রাজ্যের নাম বহমনী রাজ্য। তখনকার সময়ে বিজয়নগর ও বহমনী রাজ্যের মধ্যে বিবাদ-বিসংবাদ যুদ্ধ বিগ্রহ প্রায় লেগেই থাকতো। বহমনী রাজ্যের চেষ্টা কৃষ্ণার দক্ষিণে মুসলমান অধিকার বিস্তার করবে আর বিজয়নগরের প্রতিজ্ঞা কৃষ্ণার দক্ষিণে মুসলমানদের ঢুকতে দিবে না।

রাজ্য প্রতিষ্ঠার আনুমানিক শতবর্ষ পরে বিজয়নগরের যিনি রাজা হলেন তাঁর নাম দেবরায়। ইতিহাসে উনি প্রথম দেবরায় নামে পরিচিত। দেবরায় অসাধারণ রাজ্যশাসক ও রণপণ্ডিত ছিলেন।

দেবরায়ের পৌত্র দ্বিতীয় দেবরায় অল্প বয়সে সিংহাসনে বসেন এবং রাজ্যবিস্তার করতে থাকেন। যুদ্ধ করে রাজ্য দখল করে অথবা কুটুম্বিতা করে। একটি একটি করে রাজ্যকন্যা বিয়ে করে তিনি সুসম্পর্ক স্থাপন করতে থাকেন।

দাক্ষিণাত্যের কলিঙ্গ দেশ, বিজয়নগর হতে অনেক দূর। কলিঙ্গের রাজা ভানুদেবের কাছে দেবরায় দূত পাঠান তার কন্যাকে বিয়ে করার জন্য কিন্তু তিনি রাজি না যুদ্ধ করতে গিয়ে পরাজিত হয়ে শাস্তি ভিক্ষা করেন। শাস্তির শর্তস্বরূপ দেবরায়ের হাতে কন্যাকে সমর্পন করার প্রস্তাবে রাজি হন।

ভানুদেব কন্যাকে বিজয়নগরে পাঠানোর জন্য তিনটি বহিত্র সজ্জিত করলেন। রাজকীয় আড়ম্বরে রাজকুমারী বিদ্যুন্মালা বিয়ে করতে যাচ্ছেন, সাথে সঙ্গী হয়ে যাচ্ছেন বৈমাত্রেয়ী বোন মণিকঙ্কণা।

এ এক রাজনৈতিক দাবাখেলার চাল। যেখানে বর নিজে বিয়ে করতে যায় আর এখানে কন্যা নিজেই বিয়ের করতে যাচ্ছে, হোক দাবা খেলার চাল, বর বিয়ে করতে আসবে না কেন?

"তুঙ্গভদ্রার তীরে" উপন্যাস টি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এর পটভূমি ইতিহাসাশ্রিত সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। বিজয়নগরের রাজাদের বিবরণ ও ভৌগোলিক অবস্থানের স্থাপত্য-ভাস্কর্যের বিশদ বর্ণনার জন্য বইটি বিখ্যাত। লেখক বিজয়গর রাজবংশের দ্বিতীয় দেবরায় কে উপন্যাসের নায়ক হিসেবে বেছে নিয়েছেন এবং কাহিনি উপস্থাপন ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক বর্ণনায় তিনি সত্যতা বজায় রেখেছেন। লেখকের বর্ণনার কারনে মন্দির -প্রাসাদ- সরোবর-রাজপথ-গুহা সব চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। ইতিহাস আশ্রিত রোমাঞ্চ সৃষ্টির দিকে লেখক দৃষ্টি দিয়েছে বেশী করে, তিনি তা পেরেছেন সফল ভাবেই। সাধুভাষার ব্যবহার করেছেন উদ্দেশ্যমূলক ভাবেই কারন ঘটনা কাল ১৪৩০ খ্রিস্টাব্দের। তবে পড়ার সময় সাধুভাষাটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
বিজয়গড়ের তরুণ রাজা দ্বিতীয় দেবরায় ইতিহাস প্রসিদ্ধ চরিত্র। লেখকের লেখনিতে সে চরিত্র উপন্যাসের মধ্যেও প্রসিদ্ধ হয়ে ফুটে উঠেছে।

লেখকের লেখা নিয়ে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। অসাধারণ একটা উপন্যাস পড়লাম যার রেশটা অনেকদিন থাকবে।
Profile Image for Jash Sen.
Author 4 books46 followers
May 14, 2013
A powerful translation of a lyrically written original, this used to be one of my favourite historical novels. I read it after years, and realised with some discomfort that although the story still reads beautifully, the author's tone on the state of hindu- muslim relations made me uncomfortable. Were our two major religions really this uneasy sitting side by side to each other? Saradindu wrote this in the forties; had I been a muslim reader, I would have felt acutely uncomfortable with the book's tone in the political climate of the time.

The story is a romantic adventure set in the Vijaynagar kingdom against a backdrop of Vijaynagar-Bahmani hostilities. That, and a healthy dose of intrigue to keep the reader engaged. Saradindu was a master at creating suspense and romance, and this book is no different.
The thing that makes this book work for me is the lyricism of the romance between the different characters,which lifts a simple love story to unexpected heights. And the author's descriptions, although sometimes it is virtually impossible to recreate the music of Saradindu's original words.
I suppose it is because classical Bengali and contemporary English are two such different sounding languages.
Still, an excellent translation of a book that remains a favourite.
Profile Image for Shankar Sengupta.
2 reviews
March 20, 2019
উপরে অনেকগুলি রিভিউ পড়ে মনে হল বেশিরভাগ পাঠক-ই এই উপন্যাস এবং লেখক-কে সাম্প্রদায়িক এবং মুসলমান বিদ্বেষী মনে করেছেন। আমি কিন্তু ভিন্ন মত পোষণ করি। প্রথমতঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় একেবারেই সাম্প্রদায়িক ছিলেন না ব্যক্তিগতভাবে। দ্বিতীয়তঃ এই উপন্যাসে "ম্লেচ্ছ", "যবন", ইত্যাদি যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে তা ঘৃণা বা বিদ্বেষ প্রকাশ করবার জন্যে নয়। উপন্যাসটি যে সময়ের উপর ভিত্তি করে লেখা, সেই সময় ভারতের মানুষের মুসলমানদের সম্পর্কে ধারণা প্রায় ছিলো না বললেই চলে। আর অজানা থেকেই উৎপত্তি হয় ভয়, অকারণ বিদ্বেষ। এই শব্দগুলো সেই ভয়, বিদ্বেষের প্রতিফলন। এইগুলো একটি বিশেষ সময়ের শব্দগুচ্ছ, যা সেই সময়কে তুলে ধরে। এর সাথে লেককের নিজের মনোভাব অথবা উপন্যাসের মূল বক্তব্য গুলিয়ে ফেললে, লেখকের সম্পর্কে এবং তার লেখা সম্পর্কে ভূল মূল্যায়ন করা হবে। আর তাছাড়া সেই সময়ে মুসলমান শাষক-রা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে আক্রমণ করেছিলো নিজেদের রাজত্ব বিস্তার করার উদ্দেশ্যে। তাদের উদ্দেশ্য খুব মহৎ ছিলো না। সুতরাং তাদের প্রতি সেইসময়ে ভারতীয়দের বিদ্বেষ থাকাটা একেবারেই অস্বাভাবিক নয়, বরং খুবই প্রাসঙ্গিক এবং ন্যায্য। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে তা মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।
Profile Image for Sudeep.
58 reviews16 followers
October 5, 2021
A quick read. It glorifies the vijayanagara kingdom and describes Hampi quite accurately, and Devaraya as a beloved king. This is more of a story of Bidyunmala, the princess of Kalinga, (who comes to get married to Devaraya) and Arjunaverma, the conspiricies and adventures during that time. The main quote that seduced me into reading this book is (I am from a place where Tunga flows) "In Ganges you take a dip and in Tunga you take a sip." It means, you get purified by taking a sip of Tunga, as much as you get purified by taking a dip in Ganga. Make one feel like visiting Hampi.
Profile Image for Dhiman.
212 reviews17 followers
December 17, 2024
কলিঙ্গ থেকে কলিঙ্গের রাজকুমারী বিদ্যুন্মালা বিজয়নগরে যাচ্ছেন দেবরায়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে। তবে সেটা বিবাহ না বলে রাজনৈতিক কূটনীতি বলাই ভালো। সলিলপথে তারা উদ্ধার করে অর্জুন বর্মাকে। তারপর সেও যায় বিজয়নগরে। তারপর সেখানে গিয়ে আস্তে আস্তে চরিত্রের রূপময়তা পরিবর্তন, প্রেম, ঈর্ষা, কূটনীতি, রোমাঞ্চ সব মিলিয়ে জমজমাট একখানা আখ্যান। আর সারাদিন তো বাবুর বর্ণনার প্রসঙ্গে তো কিছু বলাই নেই। মনে হচ্ছিল যেন আমি নিজেই বিজয়নগরে বিচরণ করছি।
Profile Image for Shotabdi.
844 reviews215 followers
June 27, 2020
তুঙ্গভদ্রা আর কৃষ্ণা নদী, বিজয়নগর, বাহমনী রাজ্য ইত্যাদি কথা প্রথম পড়েছিলাম সুনীলের কাকাবাবু সিরিজের 'বিজয়নগরের হীরে' গল্পে।
পরিচিত এলাকায় এবার এই ঐতিহাসিক উপন্যাস পড়তে পেরে ভালো লাগলেও ইতিহাস বেশি পেলাম না।
বরং কয়েকটি যুগল কাহিনীই যেন হয়ে উঠল গল্পের মূল।
খারাপ লাগেনি অবশ্য, তবে ইতিহাস আরেকটু বেশি পেলে আরো বেশি ভালো লাগতো।
307 reviews24 followers
November 18, 2011
An interesting read; I'd prefer to get my tongue around Bengali and read it in the original, since there were some turns of phrase I think may have been awkward, and certain things stick out ("he raised his left arm") as overly specific. Still - it was an enjoyable read, if fairly predictable.
Displaying 1 - 30 of 88 reviews