মিউজিয়াম এ বেড়াতে গিয়ে, তিন গোয়েন্দার নাকের ডগা থেকে চুরি গেল দুর্মূল্য এক গোল্ডেন বেল্ট। তদন্ত করতে চাইলে অনুমতি দেওয়া হলোনা।
ঠিক একইসময়ে শহরের আরেক কোণায় বৃদ্ধা লেখিকা মিস ভারনিয়ার বাসায় দেখা দিতে শুরু করলো 'রত্নদানো', কল্পনার জগতের এক বামনশ্রেণির প্রাণি, রক্তবর্ণ চোখ আর কাঁধে গাঁইতি-শাবল নিয়ে মাটি খুঁড়ে তারা। মিস ভারনিয়ার দাবী, তাকে বাস্তবে ভয় দেখায় এসব কল্পনার রত্নদানোরা।
রত্নদানোর রহস্য ভেদ করতে গিয়ে বামনদের পাতা জালে আটকা পড়ল তিন গোয়েন্দা, বন্দি হলো থিয়েটার হাউজে, রহস্যের কিনারা করতে গিয়ে বেরিয়ে আসলো এক ব্যাঙ্ক ডাকাতির ষড়যন্ত্র। ডাকাতদের হাতে বাঁধা গোয়েন্দাদের পানিতে ডুবিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হলো।
বেঁচে ফিরতে পারবে কি গোয়েন্দা রা? আর ফিরলেও, ব্যাঙ্ক ডাকাতদের সাথে কি গোল্ডেন বেল্ট চুরির যোগাযোগ আছে? কোথায় কখন কিভাবে সরানো হলো গোল্ডেন বেল্ট?
---------------------
গল্পের শুরুতে মনে হয়েছিল কোন আধিভৌতিক গল্প, রত্নদানোর প্লট পড়ে। তবে সময়ের সাথে সাথে রহস্যের জট খুলতে থাকে, বোঝা যায় যে, বাস্তবে রত্নদানোর অস্তিত্ব নেই, কোন নিখুঁত ব্রেনের কারসাজি এসব। গল্পের যে অংশ সবচেয়ে ভালো লেগেছিল- যেভাবে দু'টো আলাদা রহস্য মেলে ধরে, শেষে গিয়ে দুইটাকে এক সুতোয় বাঁধা হয়, প্রমাণ করা হয় যে এই ডট গুলো কানেক্টেড- এই লিখনশৈলী অনবদ্য ছিল।