This short life-drama originally penned by Rabindranath Tagore in Bengali begins in an idyllic setting. While the clouds and the sunshine are the two prominent players in the firmament, on the earthly stage below the main players are a little girl named Giribala and the young law graduate, Shasibhusan. 19th century Bengali culture is biased against education of girls and favors child marriage. Giribala's brothers, who go to school refuse to teach her to read and to write. Files of strange tiny black glyphs guard the entrance to a mysterious world, carrying on their shoulders dependent vowel signs and the like pointed all the way up. They never care to answer the questions which Giribala asks. The Garland of Tales refuses to betray its tales of tigers, foxes, horses and donkeys to the curious little girl and The Rachis of Narratives gazes at her in silence with its store of narratives, narrating nothing. But soon the weak-sighted Shasibhusan becomes Giribala's preceptor. It is his labor of love. In two years Giribala learns the English and Bengali alphabets and finishes reading a few elementary books. Then Shasi is kept busy by some legal proceedings and his doleful pupil distances herself from him gradually. Around this time, Giri's family marries her off at the age of ten. Left with practically nothing to do, Shasi decides to leave his village for Calcutta city but gets into trouble en route twice in a row and gives us a fine example of Murphy. Friendless and penniless, a surprise awaits him in the end. This long short story is a faithful translation of arguably the best work in prose by the gray-haired bloke who took the Literature Nobel outside Europe 100 years ago …
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
"Few things leave a deeper mark on a reader than the first book that finds its way into his heart. Those first images, the echo of words we think we have left behind, accompany us throughout our lives and sculpt a palace in our memory to which, sooner or later—no matter how many books we read, how many worlds we discover, or how much we learn or forget—we will return.” ― Carlos Ruiz Zafon, The Shadow of the Wind
This was something I read many years after I had read Clouds and Sunshine . And needless to say that this is the book that came to my mind while reading those lines. I've grown up with Tagore's writings. They have made me laugh, cry and everything in between all through the years. But after finishing this short story for the first time, I was stunned and something must had been shifted in my heart. A short story, Shasibhusan and Giribala's story, a story of love, a story of something beyond love. And who can write about human feelings, heart's desires and the secret burried in its depth better than Rabindranath Tagore? For me at least, none. I cannot even write properly what I feel about it...I just can't. Through all these years, after reading it so many times, all I can say is that, this book is like a homecoming to me.
ওগো নিষ্ঠুর, ফিরে এসো হে! আমার করুণ কোমল, এসো! ওগো সজলজলস্নিগ্ধকান্ত সুন্দর, ফিরে এসো!
আমার নিতি-সুখ, ফিরে এসো! আমার চিরদুখ, ফিরে এসো! আমার সব-সুখ-দুখ-মন্থন-ধন, অন্তরে ফিরে এসো!
ওহে চঞ্চল, হে চিরন্তন, ভুজ-বন্ধনে ফিরে এসো!
আমার বক্ষে ফিরিয়া এসো! আমার চক্ষে ফিরিয়া এসো! আমার শয়নে স্বপনে বসনে ভূষণে নিখিল ভুবনে এসো! আমার মুখের হাসিতে এসো হে! আমার চোখের সলিলে এসো! আমার আদরে, আমার ছলনে, আমার অভিমানে ফিরে এসো! আমার সর্বস্মরণে এসো, আমার সর্বভরমে এসো- আমার ধরম করম সোহাগ শরম জনম মরণে এসো! এসো... এসো হে!
সেদিনও মেঘ এবং রৌদ্র আকাশময় পরস্পরকে শিকার করিয়া ফিরিতেছিল; পথের প্রান্তবর্তী বর্ষার জলপ্লাবিত গাঢ়শ্যাম শস্যক্ষেত্র চঞ্চল ছায়ালোকে বিচিত্র হইয়া উঠিতেছিল। হাটের কাছে একটা বৃহৎ রথ পড়িয়া ছিল এবং তাহার অদূরবর্তী মুদির দোকানে একদল বৈষ্ণব ভিক্ষুক গুপিযন্ত্র ও খোলকরতাল যোগে গান গাহিতেছিল--
এসো এসো ফিরে এসো-- নাথ হে, ফিরে এসো!
আমার ক্ষুধিত তৃষিত তাপিত চিত, বঁধু হে, ফিরে এসো। মেঘ ও রৌদ্র’ গল্পের শশীভূষণ আর গিরিবালা নিজেরাই শুধু কাঁদে না, পাঠকদেরও কাঁদায়। গল্পের নায়ক শশীভূষণের সাথে গিরিবালার সম্পর্ক গড়ে ওঠে লেখাপড়া চর্চার মধ্য দিয়ে। গিরিবালাই তার একমাত্র সমঝদার বন্ধু। গিরিবালার সাহচর্যে শশীর পল্লীবাস অনেকটা সহনীয় হয়ে ওঠে যদিও গিরিবালার বাবা হরকুমারের সাথে শশীভুষণের সম্পর্ক সহজ ছিলো না মোটেও। গল্পের শুরুর এই বর্ণনাটি আমার বেশ প্রিয়। ‘আমরা যেখানে একটি ক্ষুদ্র জীবননাট্যের পট উত্তোলন করিলাম, সেখানে গ্রামে পথের ধারে একটি বাড়ি দেখা যাইতেছে। বাহিরের একটি মাত্র ঘর পাকা।… দেখা যাইতেছে, একটি যুবাপুরুষ খালি গায়ে তক্তপোষে বসিয়া বামহস্তে ক্ষণে ক্ষণে তালপাতার পাখা লইয়া গ্রীষ্ম এবং মশক দূর করিবার চেষ্টা করিতেছেন এবং দক্ষিণ হস্তে বই লইয়া পাঠে নিবিষ্ট আছেন। বাহিরে গ্রামের পথে একটি ডুরে-কাপড় পরা বালিকা আঁচলে গুটিকতক কালোজাম লইয়া একে একে নিঃশেষ করিতে করিতে উক্ত গারদ-দেওয়া জানালার সন্মুখ দিয়া বারংবার যাতায়াত করিতেছিল। মুখের ভাবে স্পষ্টই বোঝা যাইতেছিল, ভিতরে যে মানুষটি তক্তপোষে বসিয়া বই পড়িতেছে তাহার সহিত বালিকার ঘনিষ্ঠ পরিচয় আছে এবং কোনমতে সে তাহার মনোযোগ আকর্ষণপূর্বক তাহাকে নীরবে অবজ্ঞাভরে জানাইয়া যাইতে চাহে যে, সম্প্রতি কালোজাম খাইতে আমি অত্যন্ত ব্যস্ত আছি, তোমাকে আমি গ্রাহ্য মাত্র করি না।’
গিরিবালার সাথে অস্পর্শনীয় ভালোবাসার সমান্তরালে শশীভূষণের জীবনে ঘটে যাওয়া তিনটি ঘটনায় মাধ্যমে তখনকার সময়ে ইংরেজ শাসনের দৌর্দন্ড প্রতাপ, এদেশিয়দের মানুষ জ্ঞান না করা এবং একশ্রেণির দেশিয়দের তোষামদের ফলে সাধারণ মানুষদের যে দু:সহ অত্যাচার সহ্য করতে হতো, তা রবীন্দ্রনাথ চমৎকারভাবে চিত্রিত করেছেন। প্রিয় কিছু উক্তি তুলে ধরছি। অনেক দিন হইতে গিরিবালার আশা ছিল যে, গ্রাম ত্যাগ করিয়া যাইবার পূর্বে কোনোমতে একবার শশীভূষণের সহিত সাক্ষাৎ হইবে কিন্তু আজ সে জানিতে পারিল না যে, তাহার গুরু অনতিদূরে তীরে দাঁড়াইয়া আছেন। একবার সে মুখ তুলিয়াও দেখিল না, কেবল নিঃশব্দ রোদনে তাহার দুই কপোল বাহিয়া অশ্রুজল ঝরিয়া পড়িতে লাগিল।
হঠাৎ একবার মনে হইল যেন গিরিবালার কন্ঠ শুনিতে পাইলেন! 'শশিদাদা!' -- কোথায় রে কোথায়? কোথাও না! সে গৃহে না, সে পথে না, সে গ্রামে না-- তাঁহার অশ্রুজলাভিষিক্ত অন্তরের মাঝখানটিতে।
গল্পের একেবারে শেষে এসে আমরা দেখি, মাঝে অনেক বছর পার হয়ে গেলেও শশীভূষণ আর গিরিবালা কেউ কাউকে ভোলেনি। দীর্ঘ বিচ্ছেদ শেষে দেখা হয়েছিল পরস্পরের। ‘অনেকক্ষণ পরে মৃদু শব্দে সচকিত হইয়া (শশীভূষণ) মুখ তুলিয়া দেখিলেন, তাহার সম্মুখে রূপার থালায় ফলমূল, মিষ্টান্ন রাখিয়া গিরিবালা অদূরে দাঁড়াইয়া নীরবে অপেক্ষা করিতেছিল। তিনি মস্তক তুলিতেই নিরাভরণা শুভ্রবসনা বিধবা বেশধারিণী গিরিবালা তাহাকে নতজানু হইয়া ভূমিষ্ট প্রণাম করিল। বিধবা উঠিয়া দাঁড়াইয়া যখন শীর্ণমুখ ম্লানবর্ণ ভগ্নশরীর শশীভূষণের দিকে সকরুণ স্নিগ্ধনেতে চাহিয়া দেখিল, তখন তাহার দুই চক্ষু ঝরিয়া, দুই কপোল বাহিয়া অশ্রু পড়িতে লাগিল। শশীভূষণ তাহাকে কুশল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে চেষ্টা করিলেন, কিন্তু ভাষা খুঁজিয়া পাইলেন না; নিরুদ্ধ অশ্রুবাষ্প তাহার বাক্যপথ সবলে অবরোধ করিল, কথা এবং অশ্রু উভয়েই নিরুপায়ভাবে হৃদয়ের মুখে কণ্ঠের দ্বারে বন্ধ হইয়া রহিল।…’ আসলে শশীভূষণ আর গিরিবালা চরিত্র আমাদের অচেনা নয়। এ যেন চেনা চরিত্রেরই চমৎকার হৃদয় নিংড়ানো এক পরিবেশনা।
ঘাসে ঘাসে পা ফেলেছি বনের পথে যেতে, ফুলের গন্ধে চমক লেগে উঠেছে মন মেতে, ছড়িয়ে আছে আনন্দেরই দান, বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান। কান পেতেছি, চোখ মেলেছি, ধরার বুকে প্রাণ ঢেলেছি, জানার মাঝে অজানারে করেছি সন্ধান, বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘মেঘ ও রৌদ্র’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি, যেখানে প্রকৃতি ও মানবমনের অন্তর্গূঢ় সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে। গল্পের আবহ, চরিত্রচিত্রণ, এবং প্রতীকী ব্যঞ্জনা পাঠককে গভীর ভাবনায় নিমজ্জিত করে। একদিকে প্রকৃতির বৈচিত্র্য, অন্যদিকে মানুষের আশা-নিরাশার দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের অপূর্ব মিশ্রণে গল্পটি এক মায়াবী রূপ লাভ করেছে।
“এমনি করে যায় যদি দিন যাক না”
গল্পের মূল চরিত্র সত্যপ্রসাদ, এক নিস্তরঙ্গ ও নির্জন জীবনযাপনকারী ব্যক্তি, যাঁর মনোজগতে প্রকৃতি বিশেষভাবে ক্রিয়াশীল। গ্রাম্য পরিবেশের নিভৃতচারী এই মানুষটির জীবনে আকস্মিকভাবে প্রবেশ করে এক নারীচরিত্র, এবং সেইসঙ্গে পরিবর্তন আসে প্রকৃতিতেও—মেঘ জমে, বৃষ্টি নামে, আবার রোদ উঠে।
সত্যপ্রসাদের একাকীত্ব ও অচলায়তন জীবনের মধ্যে যে আন্দোলন সৃষ্টি হয়, তা প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে গড়ে ওঠে।
“এবার তোরা মা বল গে, যাহা বলবার”
গল্পে নারীচরিত্রের উপস্থিতি শুধু প্রেম বা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক নয়, বরং তা সত্যপ্রসাদের জীবনে এক নবজাগরণ সৃষ্টি করে। রবীন্দ্রনাথ এখানে নারীর মাধ্যমে পুরুষের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনকেই ফুটিয়ে তুলেছেন। এই নারী প্রকৃতির মতোই রহস্যময়, অনির্দেশ্য, এবং স্বতঃস্ফূর্ত।
তাঁর আগমনে সত্যপ্রসাদের জীবন নতুন অর্থ খুঁজে পায়, যেমন বৃষ্টিস্নাত মাটি নতুন প্রাণ পায়।
“দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া”
গল্পটি প্রকৃতির চলমানতা ও মানবজীবনের অপরিবর্তনশীলতার মধ্যে এক দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সত্যপ্রসাদের জীবনে রোদ ও মেঘের এই খেলা যেন আমাদের সকলের অভিজ্ঞতারই প্রতিচ্ছবি। আমরা প্রত্যেকেই কখনো রোদের উজ্জ্বলতায় উজ্জীবিত হই, আবার কখনো মেঘের গাঢ় ছায়ায় অবগাহন করি।
“ওগো বৃষ্টি, আমার চোখের জলে মিশে যেয়ো না”
মেঘ ও রৌদ্র’ কেবল এক ব্যক্তির গল্প নয়, এটি প্রকৃতি ও মানবসম্বন্ধের এক কাব্যময় রূপক। সত্যপ্রসাদের নির্লিপ্ত জীবন যেন শুষ্ক মাটির মতো, যা বৃষ্টির ছোঁয়ায় নতুন প্রাণ পায়। কিন্তু এই পরিবর্তন কি স্থায়ী? প্রকৃতির মতোই জীবনের প্রতিটি মোড়ে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী, আর সেটিই গল্পের অন্তর্নিহিত বার্তা।
পরিশেষে এটুকুই বলবো, মেঘ ও রৌদ্র’ শুধুমাত্র এক ব্যক্তির গল্প নয়, এটি আমাদের সকলের জীবনের এক প্রতিচ্ছবি। প্রকৃতি ও মনুষ্যজীবনের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং রূপান্তরের সৌন্দর্যকে রবীন্দ্রনাথ এখানে গভীর মমতায় ফুটিয়�� তুলেছেন।
এই গল্পের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি অনুভূতি পাঠকের মনে এক দীর্ঘস্থায়ী অনুরণন সৃষ্টি করে।
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলো বরাবরই দারুন লাগে আমার… “শেষ হইয়াও হইলো না শেষ” type feeling পাই সবসময়ই … গিরীবালা ও শষীভূষন character দুটোর প্রেমে পড়ে গেলাম একদম!