Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
*নি
*দেবী
*নিশীথিনী
*আয়নাঘর
*বৃহন্নলা
*ভংয়ঙ্কর ভুতুড়ে
*যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
*বোতল ভূত
*আমি এবং আমরা
*বিপদ

599 pages, Hardcover

First published January 1, 2002

5 people are currently reading
161 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,929 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
69 (31%)
4 stars
105 (47%)
3 stars
34 (15%)
2 stars
11 (4%)
1 star
2 (<1%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Saptarshi Chakraborty.
9 reviews1 follower
April 3, 2020
একটা সময় ছিল, যখন ‘ভূত’ শব্দটা ‘জুজু’র সমার্থক হয়ে দীর্ঘদিন মনে বাসা বেঁধে ছিল। ‘বাংলার উপকথা’ বা গুপী-বাঘার থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া তেনাদের পরিচয় বিস্তৃত ছিল পাকুড় গাছের ডাল, নিমতলার শ্মশান, থেকে গ্রামের রং না করা মাটির বাড়ির চাল পর্যন্ত। আরেকটু বড় হবার পর দেখলাম ‘তেনারা’ তেমনই আছেন, শুধু বয়সের বিচারে একটু রং পালটিয়ে – পাকুড় গাছ হয়ে গেল কোন পোড়ো বাড়ির বিম, “ভাঁটার মত চোখ, কুলোর মত কান, মুলোর মত দাঁত” কিরকম যেন মরা মাছের চোখ নিয়ে অন্ধকার করিডরে হেঁটে বেড়ানো সাদা পোশাক পরা আবছায়া মূর্তির চেহারা নিল, একটা সুখী পরিবার নির্জন জায়গায় ছুটি কাটাতে এসে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে লাগল। আরেকটু বয়স বাড়তে দেখলাম, এনারা সত্যিই আছেন, কি সবই মানুষের অলীক মনের কল্পনা, এই জায়গাটা অধিকাংশ ভালো সাহিত্যে বা চলচ্চিত্রে পাঠক বা দর্শকের ওপর অনেকটা ছাড়া থাকে (এই জায়গায় সত্যজিতের ‘মণিহারা’র উদাহরণটা না দিয়ে পারলাম না, কারণ আমার জনৈক বন্ধুর মনে হয়েছিল গল্পটা সেরকম উচ্চমার্গের নয়)।

হুমায়ূন আহমেদের ‘ভূতসমগ্র প্রথম খণ্ড’ এই শেষ গোত্রের উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ‘উল্লেখযোগ্য’ এই কারণে, প্রথমত ইনি বাংলাদেশের একেবারে প্রথম দিকের সাহিত্যিক, তাই এপার বাংলায় তাঁর বই পড়ার সৌভাগ্য বোধহয় খুব বেশি জনের হয়নি। আর দ্বিতীয়ত, এই ধরণের বই বা এই শ্রেণীর কাহিনী বাংলা সাহিত্যে আর নেই (অন্তত আমার সীমিত জ্ঞানের বিচারে)। হ্যাঁ। সত্যজিৎ, প্রেমেন মিত্তির, বা শরদিন্দুর গুটিকতক কাহিনী বাদ দিলে এরকম মনস্তাত্ত্বিক গল্প-উপন্যাস বাংলায় কম শুধু নয়, নেইই। আরেকটু খোলসা করি। আজকাল (একটু ভুল হল, অন্তত বিগত কয়েক দশক ধরেই) পৃথিবীতে থ্রিলার সাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আলফ্রেড হিচকক যে শাখায় গবেষনামূলক কাজ করেছিলেন, সেই ‘psychological thriller’, আজ তাঁর ‘Vertigo’ থেকে শুরু করে Paula Hawkins এর ‘Girl on The Train’, Stephen King এর ‘Shining’ বা ‘It’, Thomas Harris এর বিখ্যাত Hannibal Lecter series, Jonathan Kellerman বা জাপানি অ্যানিম সিরিজ Death Note পর্যন্ত বিস্তৃত। এই গল্প কনান ডয়েল বা আগাথা ক্রিস্টির আমলে ছিল না তা নয় (যেমন ১৯৪৪ সালে তৈরি হওয়া সিনেমা Gaslight, যেখান থেকে একটা মনস্তাত্ত্বিক অত্যাচার Gaslighting এর নামকরণ হয়েছে, বা ১৯৪৫ সালের J.B.Priestley র নাটক An Inspector Calls, যেখান থেকে অজিত গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন ‘থানা থেকে আসছি’), কিন্তু তখন, মানে যে যুগটাকে ‘গোয়েন্দা কাহিনীর স্বর্ণযুগ (Golden Age of Detective Fiction)’ বলা হয়ে থাকে, তখন নিছক গোয়েন্দা কাহিনী (সূত্রনির্ভর খোঁজতল্লাশি বা deductive reasoning এর ওপর নির্ভরশীল গল্প) লেখারই চল ছিল বেশি। এই বিভাগটি জনপ্রিয় হয়েছে হালে। বাঙালি সাহিত্যিকেরা কেন যে এই বিশেষ শাখাটির প্রতি অমনোযোগী, আজ পর্যন্ত আমি বুঝে উঠতে পারিনি। বোধহয় রহস্য সাহিত্যকে অপাংক্তেয় করে রাখার যে মনোভাব প্রথম থেকেই এদিককার সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিল, তার জের এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁরা। আরেকটা কারণ আছে, যেটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত, খুব সম্ভবত এঁদের মাথার কাজ করতে চাওয়ার অনিচ্ছা।

এই পর্যন্ত ভেবেই দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলাম, এমন সময় হাতে এল হুমায়ূন আহমেদের এই বইটা। এঁর কোন লেখাই আমি আগে পড়িনি, শুধু নামটা জানতাম এনার মৃত্যু আর কিশোর ভারতীর কল্যাণে (আরও একটা কারণ আছে, সেটায় পরে আসছি)। বলতে খারাপ লাগলেও এটা সত্যি, কখনো কখনো মৃত্যু মানুষকে বেশি জনপ্রিয় করে দিয়ে যায় তার জীবদ্দশার তুলনায়। ২০১২ সালে তিনি চলে যাবার পরের মাসে কিশোর ভারতীর সম্পাদকীয় বেরিয়েছিল তাঁকে নিয়ে। বরাবরের বিনীত মানুষটির একটা অভিযোগ মনে আছে এখনও, এপার বাংলার (মানে আমরা) পাঠকরা বাংলাদেশের সাহিত্য সম্পর্কে খুব বেশি ওয়াকিবহাল নন, যতটা তাঁরা আমাদের সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন। তখন মাথায় নিইনি (নাকি নিয়েছিলাম ?)। আজ বুঝলাম কথাটার সত্যতা। এই বইয়ের পরতে পরতে উঁকি দিয়ে গেছে শীর্ষেন্দু, সুনীল, রবীন্দ্রনাথ বা জীবনানন্দের নাম।

হুমায়ূন আহমেদ মূলত যে দুটি চরিত্রের জন্য সবচেয়ে খ্যাতিমান, তার দুটির একটি মিসির আলির ৫ টি কাহিনী রয়েছে এ গল্পে। যিনি পেশাতেই অ্যাবনরমাল সাইকোলজির অধ্যাপক (মিসির আলি, হুমায়ূনবাবু নন), তিনি যে ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করবেন না, এ বোঝা আর এমনকি শক্ত? অদ্ভুত জিনিস নিয়েই তো তাঁর কারবার। তবু ‘আস্তিক’ দের জন্যও জায়গা ছাড়া রয়েছে মিসির আলির কাছে, তা তিনি মানুন কি নাই মানুন। মিসির আলির প্রথম উপন্যাস ‘দেবী’, যার জের আছে তাঁর পরবর্তী উপন্যাস ‘নিশীথিনী’ তেও। প্রথমটির কাহিনী আবর্তিত হয় এক নারী রানুকে ঘিরে, যার সর্বক্ষণের সঙ্গী এমন একজন, যাকে দেখা যায় না, অনুভব করা যায়। তাঁর স্বামী মিসির আলির কাছে আসেন চিকিৎসার জন্য, যা তাঁকে টেনে নিয়ে যায় রানুর ছোটবেলায়। তাতে কি রহস্য সমাধান হয়? বোধহয় না। নাহলে এর রেশ পরবর্তী উপন্যাসে গেল কি করে? মিসির আলির অন্য কাহিনীগুলির মধ্যে আছে ‘বৃহন্নলা’, ‘আমি ও আমরা’, আর ‘বিপদ’। মিসির আলি নেই, এরকম কাহিনী রয়েছে আরও ৫ টি। সবকটি উপন্যাস নয়, গল্পও আছে। শুধুমাত্র ভালো বলে এদের ছোট করতে চাই না। শুধু বলব, বাইরে উঁকি দেবার আগে ঘরের সম্পদটা চেখে দেখবেন না?

বইয়ের কাহিনীর সাথে পাল্লা দিয়েছে তার সজ্জা। প্রতিটি কাহিনীর প্রচ্ছদে একটা করে ছবি, সেটাও হাতে আঁকা নয়, গ্রাফিক্সে করা। কিন্তু এত পরিশীলিত আর তাৎপর্যপূর্ণ সেসব ছবি, না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত। মূল প্রচ্ছদটার কথা না বলে পারছি না। একটা ঘর দেখা যাচ্ছে, যে ঘরটার দুদিকে দুটো বন্ধ দরজা, জেলখানায় জেরকম থাকে। দুটো দরজা থেকেই অসংখ্য হাত বেরিয়ে এসে পরস্পরকে ধরতে চাইছে, কিন্তু তাঁদের ব্যবধান এতই বিস্তর, তারা কেউই পেরে উঠছে না। ব্যস, এইটুকুই। এই আলো-আঁধারি, রহস্যময়তা হুমায়ূনের লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য। মিল পাওয়া যেতে পারে রামকৃষ্ণদেবের কথার সাথেও “নুনের পুতুল সাগর মাপতে গিয়ে আর ফিরে আসে না।” তথাকথিত ভূতদের ভিলেন বানিয়ে ফেলার চেষ্টা এ কাহিনীতে নেই। আমেরিকার North Dacota State University থেকে polymer chemistry তে ডক্টরেট হুমায়ূনের রসায়নের দর্শন প্রভাব বিস্তার করেছে বইয়ের পাতাতেও।

এবার একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে রাখি, যেটার কথা আগে এড়িয়ে গেলাম। কলকাতার পরিচালক শেখর দাস একটা সিনেমা করেছিলেন ২০১৩ সালে ‘ESP: একটি রহস্য গল্প’ বলে, যেটার কাহিনীর সাথে ‘দেবী’র আশ্চর্য মিল। ওনাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছিলেন, ছবির গল্পটা নাকি মৌলিক। সিনেমাটায় গল্পকার হিসেবে নাম আছে শিবাশিস রায়ের। কি সাংঘাতিক ব্যাপার! হুমায়ূন বাবু যখন লিখেছিলেন (১৯৮৫), আর ইনি যখন লিখছেন, দুজনের চিন্তাভাবনাই একেবারে একই খাতে ছিল! স্বয়ং মিসির আলিও এই রহস্যের সমাধান করতে পারতেন কিনা জানা নেই।

শেষ করি নিজের একটা অনুভূতির কথা দিয়ে। হুমায়ূন নিজে আহমেদ হলেও তাঁর উপন্যাসের নায়িকা কিন্তু এক তথাকথিত হিন্দু দেবী। আজকের প্রেক্ষাপটে এটা কি অন্যরকম বার্তা নিয়ে আসতে পারে?

প্রকাশক ‘অন্যপ্রকাশ’। ISBN: 984 868 185 X. শুধুমাত্র মিসির আলির কাহিনী পাওয়া যাবে কাকলি পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত ‘মিসির আলি সমগ্র’র তিনটি খণ্ডে।
Profile Image for Arifur Rahman.
26 reviews2 followers
April 11, 2021
ভূত সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ

৬০০ পৃষ্ঠার এই বইয়ে জায়গা করে নিয়েছে ৯টি উপন্যাস 'নি, দেবী, নিশীথিনী, আয়নাঘর, বৃহন্নলা, যখন গিয়েছে ���ুবে পঞ্চমীর চাঁদ, বোতল ভূত, আমি এবং আমরা, বিপদ' আর একটি শিশুতোষ বড় গল্প 'ভয়ংকর ভুতুড়ে' । সবগুলো উপন্যাসই ছিল অসাধারণ ♥, টানটান উত্তেজনায় ভর্তি উপন্যাসগুলো পাঠককে খুব আকৃষ্ট করবে ।বইটির নাম ভূতসমগ্র হলেও উপন্যাসগুলো আসলে মনস্তাত্ত্বিক যা পড়ার সময় মস্তিষ্কে প্রচন্ড চাপের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রন্থটিতে মাত্র একটি ভূতের গল্প আছে সেটি শিশুতোষ তবে বড়রা পড়েও আনন্দ পাবে।

'মিসির আলি' হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখা জনপ্রিয় একটি সিরিজ । এই সিরিজের ৫টি উপন্যাস এই বইয়ে সংকলিত হয়েছে। মিসির আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তাত্ত্বিক বিভাগের স্বল্পকালস্থায়ী একজন অধ্যাপক। কৃষ্ণ বর্ণের রুগ্ন এই লোকটিকে প্রথম দেখায় কেউ পছন্দ করে না, কিন্তু কোন এক অপূর্ব টানে নিশীথিনী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নীলু এই লোকটির উপর আসক্তি অনুভব করে এই লোকটি তার (নীলুর) বাসার এক সুশ্রী মহিলা রানুর সমস্যার সমাধান করেছেন। অতিশয় সুন্দরী এই মহিলার বাল্যকালে ঘটে যায় এক ভয়ানক ঘটনা যার প্রতিক্রিয়া পড়ে ওর(রানুর) বিবাহিত জীবনে। সেই ঘটনা, যে ঘটনার কারণে রানু প্রায়শই স্বপ্নে দেখে কোনো এক বেঁটে লোক এসে শাড়ি ধরে টেনে নগ্ন করার চেষ্টা করছে' জানতে হলে পড়তে হবে মিসির আলি সিরিজের প্রথম উপন্যাস 'দেবী'। দেবী উপন্যাসের হালকা আঁচ পড়েছে 'নিশীথিনী' উপন্যাসটিতেও।মিসির আলি সিরিজের অন্যতম একটি উপন্যাস 'আমি এবং আমরা '। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বা ভিকটিম হল একজন অপূর্ণ মানুষ আমরা যাদের বলি 'হিজড়া।'তন্ময় নামের 'সুদর্শন এই লোকটি যখন কথা বলে তখন তার কালো জিহ্বা মানুষকে ভয় পাইয়ে দেয়।তন্ময় ছোটবেলা থেকেই ওর মৃত গৃহশিক্ষকের অবয়বের সাথে বেড়ে উঠে। এই অবয়ব আবার তন্ময়কে বাধ্য করে ওর বাবা আর কাজের লোককে হত্যা করতে। শেষ মুহূর্তে তন্ময় মিসির আলিকে হত্যা...
থাক, এতকিছু বললে তো তোমার বই পড়তে মন চাইবে না বই পড়ে কাহিনী জেনে নিও।'বিপদ' উপন্যাস নিয়ে কিছু বলি হ্যা, এই প্রথম কোনো উপন্যাস আম্মুকে পড়ে শোনালাম, উপন্যাসের শেষ অংশটুকু যখন পড়ছিলাম তখন চোখ ছলছল করছিলো। থেমে থেমে যদি শেষ অংশটুকু না পড়তাম তাহলে হয়তো উচ্চৈঃস্বরে কেঁদে ফেলতাম। অশ্রুসিক্ত নয়ন শুধুমাত্র গল্পশেষে তিনটি বিড়ালের মৃত্যুর কারণে। মিসির আলি সিরিজের এই উপন্যাসটি শিশু-কিশোর উপযোগী আপনার যদি কোন শিশু/কিশোর ভাই বোন থাকে তাহলে এই বইটি তাদের উপহার দিতে পারেন। প্রাণীদের প্রতি আলাদা এক ভালোবাসা তৈরি হবে। ভূতসমগ্র বইটি শুরু হয়েছে 'নি' উপন্যাস দিয়ে। অসাধারণ একটি অতিপ্রাকৃত প্রেমের উপন্যাস এটি।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একজন ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ স্যার। ২০১২ সালে এই ধরণি ত্যাগ করলেও তিনি অমর হয়ে আছেন তাঁর লেখার মাধ্যমে পাঠকহৃদয়ে। তারসৃষ্ট মিসির আলি, হিমু, রূপা,শুভ্র পাঠকদের মাঝে কখনো পুরাতন হওয়ার নয়।
1 review
Want to read
August 26, 2019
This book is not for weak hearted person & read carefully
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Hira Araaf.
28 reviews1 follower
December 12, 2024
প্রায় সবগুলো গল্পই আমার বড় আপুর ছেলেকে আর বড় ভাইয়ার মেয়েকে ঘুমোনোর আগে পড়ে পড়ে শোনাইছি। অনেক সুন্দর সময় কাটে বাচ্চাদের সাথে।
Profile Image for Zabir আহমেদ.
3 reviews3 followers
September 3, 2014
i have read this book so many times, when i was child. every time i finished a story, got frightened. the book ভূতসমগ্র is a great collection of Horror stories from famous authors :)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.