What do you think?


ফিঙে
মায়ের স্বপ্নের মধ্যে ঘুরে ফিরে এসে বসত একটা ফিঙে। লাল তা শুনেছিল। মায়ের মৃত্যুর পর লাল একা হয়ে যায় খুব। তারপর সে প্রেমে পড়ে মিকির। কিন্তু লালের বাবা তা মানতে চান না। এমনিতেই দূরত্ব ছিল, এখন এই না মেনে নেওয়ার জেরে বাড়ি ছাড়ে লাল। নিজেদের ব্যাবসা ছেড়ে চাকরিও নেয় একটা। নতুন জায়গায় লালের সঙ্গে আলাপ হয় অণুর। মিকির অবজ্ঞা, চাকরির চাপ আর নিজেদের ব্যাবসার ত্রিভুজে লাল জড়িয়ে পড়ে ক্রমশ। আর এসবের ফাঁকে লালের চোখে পড়ে বাড়ির সামনের বাগানে এসে বসা একটা ফিঙে। কী বলতে চায় এই ফিঙে ? কার স্বপ্ন নিয়ে সে এসে বসে লালের সামনে ? স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর ‘ফিঙে’ উপন্যাসে আছে সব ভুল বোঝাবুঝির বাইরে বেরিয়ে একে অপরের কাছে আসার সহজ আনন্দ।
164 pages, Hardcover
First published January 1, 2012
About the author
Smaranjit Chakraborty
85 books373 followersস্মরণজিৎ চক্রবর্তীর জন্ম ১৯ জুন ১৯৭৬, কলকাতায়। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত। প্রথম ছোটগল্প ‘উনিশ কুড়ি’-র প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত। প্রথম ধারাবাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত। শৈলজানন্দ স্মৃতি পুরস্কার ২০১৪, এবিপি এবেলা অজেয় সম্মান ২০১৭, বর্ষালিপি সম্মান ২০১৮, এবিপি আনন্দ সেরা বাঙালি (সাহিত্য) ২০১৯, সানডে টাইমস লিটেরারি অ্যাওয়ার্ড ২০২২, সেন্ট জেভিয়ার্স দশভুজা বাঙালি ২০২৩, কবি কৃত্তিবাস সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩, উৎসব পুরস্কার ২০২৪, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৪, আনন্দ পুরস্কার (উপন্যাস: '‘শূন্য পথের মল্লিকা') ২০২৫ ইত্যাদি পুরস্কারে সম্মানিত ।
শখ: কবিতা, ফুটবল আর মুভিজ়।
শখ: কবিতা, ফুটবল আর মুভিজ়।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 48 reviews
September 22, 2020
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর লেখায় একটা মজা আছে। শুরু করতে হয় এরপর কখন কিভাবে শেষ হয়ে যায় বোঝা যায় না। শেষাংশটা সিনেম্যাটিক স্টাইলের না হলে বোধ হয় আরও ভালো লাগতো।
তারপরেও ভাল্লাগসে। বইয়ের কিছু কিছু কথা বা চরিত্রদের ভাবনা বেশ ভালো লেগেছে। তারচেয়ে বেশি ভাল্লাগসে সিনেমা থুক্কু বইয়ের প্রোটাগনিস্ট লালমোহন কাঞ্জিলালকে। 😂
তারপরেও ভাল্লাগসে। বইয়ের কিছু কিছু কথা বা চরিত্রদের ভাবনা বেশ ভালো লেগেছে। তারচেয়ে বেশি ভাল্লাগসে সিনেমা থুক্কু বইয়ের প্রোটাগনিস্ট লালমোহন কাঞ্জিলালকে। 😂
August 23, 2022
২০১২ তে হইচই ছিল না। থাকলে বলতাম হইচইয়ের দুরন্ত কোনো ওয়েব ফিলিমের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখেছেন লেখক। এ বই যেরূপ হালকা, ততোধিক জোলো, এবং একান্তই অন্তঃসারশূন্য। ট্রেনে পড়বো বলে, একটা বে-'সিরিয়াস' বই হাতে নিয়ে উঠেছিলাম। সেই জায়গায় হয়তো এ বই যথার্থরূপে সফল। তবে 'ফিঙে' পড়ে একবারও মনে হলো না যে লেখকের আদতে কোনো গল্প বলার ছিল। এ বই পৃথিবীর মুখ না দেখলে, কারো কিস্যু এসে যেত না, ধরিত্রী ধরিত্রীর ন্যায়েই চলত।
ব্যাপারটা দূর্ভাগ্যজনক, কারণ স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর 'মোম-কাগজ' উপন্যাসখানি আমার দিব্যি লেগেছিল। ওটার নিরিখে এটা একেবারে বেফালতু ইনভেস্টমেন্ট হয়ে রয়ে যাবে। কতকটা ওই 'ফানুস' বা 'অদম্য'-র মতন। লেখকের লেখনী ও সংলাপ সচরাচর বুদ্ধিদীপ্ত হলেও, এ গল্পে ভীষণ ওভারস্মার্ট। গায়ে পড়ে মজা করলে যেরমটা হয়, অনেকটা সেরকম। পড়ে বিরক্তি ধরে যায়। সঙ্গে আবার হিরোর বয়ানে জোর জবরদস্তি চতুর্থ দেওয়াল ভাঙার প্রবণতা।
বইয়ের ভরাডুবির মোদ্দা কারণ, মূল চরিত্র লাল ও অনুর অস্তিত্বহীন রসায়ন। কোথাও কোথাও মন আদ্র করলেও, দুজনের যতটা সময় পাওয়ার কথা ছিল, সেটা তারা একেবারেই পায় নি লেখককৃপায়। তার বদলে ক্রমাগত গুরুত্ব পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সাবপ্লট। যার বেশিরভাগটাই, হয় শেষে এসে ভুলে মেরে দেওয়া হয়েছে, নয়তো বা স্রেফ গোঁজামিল দিয়ে মেলানো অঙ্ক। যেন ভুলো মনের কোনো নবীন পরিচালককে দিয়ে দশ দিনে নামানো একটি সিনেমা। পিওর ফাঁপা। পড়তে পড়তে মনে হয় পুরো কাহিনীটাই যেন স্রেফ প্লট আর্মরের কাঁচা তেলে ভাজা ফুলুরি। চাইলে স্বাদ আরোহণ করাই যায়, তবে পরে বুকের কাছে চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করলে প্রমাদ গোনার সমান। আর মুশকিল একটাই, এ ব্যথা প্রেমের ব্যথা নয়।
বি দ্রঃ : মিকির সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় আমাদের হিরো লালমোহন বলছে, "মিকি বেশ লম্বা, স্লিম। গায়ের রং গরম বালির মতো। আর চোখটা যামিনী রায়ের থেকে কপিরাইটের তোয়াক্কা না করেই কাট-পেস্ট করা!"
লেখকের এই কালজয়ী বর্ণনাটি পড়ে, আমি যে বইটিকে একবার হলেও ব্যাগে ভরে রাখবার কথা ভাবিনি, সেটা বললে সত্যের অবমাননা হবে।
ব্যাপারটা দূর্ভাগ্যজনক, কারণ স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর 'মোম-কাগজ' উপন্যাসখানি আমার দিব্যি লেগেছিল। ওটার নিরিখে এটা একেবারে বেফালতু ইনভেস্টমেন্ট হয়ে রয়ে যাবে। কতকটা ওই 'ফানুস' বা 'অদম্য'-র মতন। লেখকের লেখনী ও সংলাপ সচরাচর বুদ্ধিদীপ্ত হলেও, এ গল্পে ভীষণ ওভারস্মার্ট। গায়ে পড়ে মজা করলে যেরমটা হয়, অনেকটা সেরকম। পড়ে বিরক্তি ধরে যায়। সঙ্গে আবার হিরোর বয়ানে জোর জবরদস্তি চতুর্থ দেওয়াল ভাঙার প্রবণতা।
বইয়ের ভরাডুবির মোদ্দা কারণ, মূল চরিত্র লাল ও অনুর অস্তিত্বহীন রসায়ন। কোথাও কোথাও মন আদ্র করলেও, দুজনের যতটা সময় পাওয়ার কথা ছিল, সেটা তারা একেবারেই পায় নি লেখককৃপায়। তার বদলে ক্রমাগত গুরুত্ব পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সাবপ্লট। যার বেশিরভাগটাই, হয় শেষে এসে ভুলে মেরে দেওয়া হয়েছে, নয়তো বা স্রেফ গোঁজামিল দিয়ে মেলানো অঙ্ক। যেন ভুলো মনের কোনো নবীন পরিচালককে দিয়ে দশ দিনে নামানো একটি সিনেমা। পিওর ফাঁপা। পড়তে পড়তে মনে হয় পুরো কাহিনীটাই যেন স্রেফ প্লট আর্মরের কাঁচা তেলে ভাজা ফুলুরি। চাইলে স্বাদ আরোহণ করাই যায়, তবে পরে বুকের কাছে চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করলে প্রমাদ গোনার সমান। আর মুশকিল একটাই, এ ব্যথা প্রেমের ব্যথা নয়।
বি দ্রঃ : মিকির সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় আমাদের হিরো লালমোহন বলছে, "মিকি বেশ লম্বা, স্লিম। গায়ের রং গরম বালির মতো। আর চোখটা যামিনী রায়ের থেকে কপিরাইটের তোয়াক্কা না করেই কাট-পেস্ট করা!"
লেখকের এই কালজয়ী বর্ণনাটি পড়ে, আমি যে বইটিকে একবার হলেও ব্যাগে ভরে রাখবার কথা ভাবিনি, সেটা বললে সত্যের অবমাননা হবে।
November 9, 2020
বাবার সাথে সম্পর্ক কোনোকালে স্বাভাবিক ছিল না লালমোহন কাঞ্জিলাল ওরফে লালের। সকল আবদার পূরণ করতেন মা। বড়ো ভাই থাকতো নিজের মতো। মা মারা গেল। সংসারে একা হয়ে গিয়েছিল লাল। তখনই ত্রিশ বছরের লালের জীবনে এলো সবে বিশ বছর বয়সী দুরন্ত তরুণী মিকি। অসবর্ণ মিকিকে পুত্রবধূ হিসেবে মানতে রাজি হবে না লালের বাবা। তাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল লাল। পেয়িং গেস্ট হিসেবে আশ্রয় নিলো এক বাড়িতে। তখন থেকে কাহিনি শুরু।
পেয়িং গেস্ট হিসেবে বাড়িতে আরও একজনকে পেল লাল। সে হলো অণু। এই তরুণী প্রথম থেকেই লালের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু যার জন্য বাড়ি ছাড়ল, বাবার সঙ্গে বিবাদ করে বেরিয়ে এলো সেই মিকি হঠাৎ যেন আমূল পাল্টে গেছে। লাল আবিষ্কার করলো,
"যে-মেয়ে প্রায় সারা রাত মেসেজ করে পাগল করে দিত, সে মেসেজ করাই বন্ধ করে দিয়েছিল! ভাল করে সারাদিন কথাই বলছিল না শেষের ক’দিন! ফোন করলে দু’-এক মিনিট কথা বলে কাটিয়ে দিচ্ছিল। এমনকী, দেখা পর্যন্ত করতে চাইছিল না শেষের দুটো দিন।মন প্রমাদ গুনছিল তখনই। "
শেষমেশ আধুনিক তরুণী মিকি জানিয়ে দিল দশ বছরের বড়ো লালকে তার গ্রহণ করা সম্ভব নয়। লালের মনে হতে লাগল,
"আসলে মানুষের সারা জীবনের বিশ্বাস, সে যত সামান্যই হোক না কেন, যখন ভেঙে যায় তার যন্ত্রণাটা কিন্তু সামান্য থাকে না। আসলে আমাদের বিশ্বাসগুলো আমাদের বন্ধুত্বের মতো! এক-একটার ভেঙে যাওয়া মানে আমাদের আরও একা হয়ে যাওয়া। "
মিকিকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল লালের। এগুলো সব চৌচির হয়ে গিয়েছিল। তখন অণুই লালের পাশে এসে বন্ধুর মতো দাঁড়িয়েছিল। তাকে বোঝার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু লাল কী বুঝতে পারবে অণুকে? সবসময় আমরা ঠিকঠাক নিজেদের বুঝতে পারি?
অসাধারণ কোনো লেখা নয়। নিতান্তই মামুলি কাহিনি। কিন্তু পড়তে বেশ লাগে। অনুভূতিগুলো মুহূর্তের জন্য নাড়া খায়। মোটকথা, চিরাচরিত স্মরণজিৎ চক্রবর্তী।
পেয়িং গেস্ট হিসেবে বাড়িতে আরও একজনকে পেল লাল। সে হলো অণু। এই তরুণী প্রথম থেকেই লালের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু যার জন্য বাড়ি ছাড়ল, বাবার সঙ্গে বিবাদ করে বেরিয়ে এলো সেই মিকি হঠাৎ যেন আমূল পাল্টে গেছে। লাল আবিষ্কার করলো,
"যে-মেয়ে প্রায় সারা রাত মেসেজ করে পাগল করে দিত, সে মেসেজ করাই বন্ধ করে দিয়েছিল! ভাল করে সারাদিন কথাই বলছিল না শেষের ক’দিন! ফোন করলে দু’-এক মিনিট কথা বলে কাটিয়ে দিচ্ছিল। এমনকী, দেখা পর্যন্ত করতে চাইছিল না শেষের দুটো দিন।মন প্রমাদ গুনছিল তখনই। "
শেষমেশ আধুনিক তরুণী মিকি জানিয়ে দিল দশ বছরের বড়ো লালকে তার গ্রহণ করা সম্ভব নয়। লালের মনে হতে লাগল,
"আসলে মানুষের সারা জীবনের বিশ্বাস, সে যত সামান্যই হোক না কেন, যখন ভেঙে যায় তার যন্ত্রণাটা কিন্তু সামান্য থাকে না। আসলে আমাদের বিশ্বাসগুলো আমাদের বন্ধুত্বের মতো! এক-একটার ভেঙে যাওয়া মানে আমাদের আরও একা হয়ে যাওয়া। "
মিকিকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল লালের। এগুলো সব চৌচির হয়ে গিয়েছিল। তখন অণুই লালের পাশে এসে বন্ধুর মতো দাঁড়িয়েছিল। তাকে বোঝার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু লাল কী বুঝতে পারবে অণুকে? সবসময় আমরা ঠিকঠাক নিজেদের বুঝতে পারি?
অসাধারণ কোনো লেখা নয়। নিতান্তই মামুলি কাহিনি। কিন্তু পড়তে বেশ লাগে। অনুভূতিগুলো মুহূর্তের জন্য নাড়া খায়। মোটকথা, চিরাচরিত স্মরণজিৎ চক্রবর্তী।
June 29, 2020
রোমান্টিক উপন্যাস। কিন্তু পুরো রোমান্সটাই হালকা 'ঢপ' টাইপ( ঢপ শব্দটা এই মাত্র বইটা পড়ে শিখলাম)। অবশ্য হবারই কথা। নায়ক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আর নায়িকা ইউনিভার্সিটি টিচার। এইরকম চরম সফল মানুষদের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে লেখা উপন্যাস জমিয়ে তোলা তো আর যে সে কম্ম নয়। মলিন শার্ট, টঙের চা, প্রেমিকার দীর্ঘশ্বাস...এই জিনিসগুলো ছাড়া মডার্ন বেঙ্গলী রোমান্টিক নোভেল জমে না বাঙালির কাছে।
লেখক অবশ্য নায়ককে ব্রেক আপের পর দেবদাস বানায় দেন নি। এই জন্য বোধহয় খুশি হয়ে আরেকটা তারা বাড়িয়েই দিয়ে দিতাম। কিন্তু শেষে ট্রেন ধরা নিয়ে যে নাটকটা তৈরি করলেন তাতে আর দেওয়া হলো না। চিন্তা করে দেখেন এই স্মার্টফোনের যুগে নায়িকা ট্রেনে করে নর্থ বেঙ্গল চলে যাচ্ছে, আর নায়ক একটা কল পর্যন্ত না করে নায়িকাকে ওর মনের কথা বলার জন্য একেবারে স্টেশন পর্যন্ত হিরোগিরি করে চলে গেছে। বাপ রে! এটা তো ঢাকাইয়া সিনেমাকেও হার মানায়।
বইটা নিয়ে ভালো মুভি বানানো যায়। এমনকি কাহিনি হালকা ঘষা মাজা করলে ব্লকবাস্টারও হয়ে যেতে পারে।
৩ জুলাই, ২০২০
লেখক অবশ্য নায়ককে ব্রেক আপের পর দেবদাস বানায় দেন নি। এই জন্য বোধহয় খুশি হয়ে আরেকটা তারা বাড়িয়েই দিয়ে দিতাম। কিন্তু শেষে ট্রেন ধরা নিয়ে যে নাটকটা তৈরি করলেন তাতে আর দেওয়া হলো না। চিন্তা করে দেখেন এই স্মার্টফোনের যুগে নায়িকা ট্রেনে করে নর্থ বেঙ্গল চলে যাচ্ছে, আর নায়ক একটা কল পর্যন্ত না করে নায়িকাকে ওর মনের কথা বলার জন্য একেবারে স্টেশন পর্যন্ত হিরোগিরি করে চলে গেছে। বাপ রে! এটা তো ঢাকাইয়া সিনেমাকেও হার মানায়।
বইটা নিয়ে ভালো মুভি বানানো যায়। এমনকি কাহিনি হালকা ঘষা মাজা করলে ব্লকবাস্টারও হয়ে যেতে পারে।
৩ জুলাই, ২০২০
August 8, 2026
ফিঙে • স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
রোমান্টিক গল্পের প্রতি আমার আগ্রহ কম। কেমন যেন ভালো লাগে না। কেননা রোমান্টিক গল্পের আদলে লুতুপুতু প্রেম কাহিনিগুলোওগল্পের চেয়ে রং প্রাধান্য বেশি পায়। তবে সম্প্রতি স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর “ফিঙে” বইটা পড়ে ভালো লেগেছে। এই গল্পের মূল ভিত্তি প্রেম হলেও এর মাঝে জড়িয়ে আছে সম্পর্কের এক অসাধারণ অভিব্যক্তি। এই সম্পর্ক কেবল যে প্রেমের বন্ধনে বাঁধা পড়ে, এমন না। পরিবার, বিবাহ, বন্ধুত্ব, সবকিছুর যে বন্ধন; তাকেই যেন দৃঢ়ভাবে দেখানো হয়েছে।
এই গল্পের মূল চরিত্র লালমোহন কাঞ্জিলাল ত্রিশ বছরের এক যুবক। পড়াশোনা শেষে ভালো চাকরি করে। কিন্তু বয়সের ব্যবধান বলে বছর বিশেক এক মেয়ের প্রেমে পড়েই যেন জীবনের অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। লালের মা মারা গেলে তার জীবনের সত্যতা সামনে আসে। কখনোই বাবার সাথে সুসম্পর্ক ছিল না। একটা দূরত্ব ছিল সবসময়। বাবা বড় ব্যবসায়ী। ছেলে ব্যবসার হাল ধরবে আশা করেছিল, কিন্তু বাবার সাথে দূরত্বের কারণেই হয়তো নিজে কিছু করার তাগিদে অন্য কোম্পানিতে চাকরি নেয়।
বাবার সাথে সম্পর্কের দূরত্ব আরও বাড়ে লালের প্রেমের কারণেই। একে তো বয়সের ব্যবধান অনেক, তার উপর ব্রাহ্মণ পরিবারে কায়স্থ কাউকে পুত্রবধূ করে আনা কিছুতেই মেনে নেওয়া যাবে না। এই বিরোধের কারণেই নিজের বিশাল বাড়ি ছেড়ে পেয়িং গেস্ট হিসেবে অন্য জায়গায় ওঠে লাল। আর সেখানে পরিচয় হয় অনু নামের মেয়েটার সাথে।
উনিশ, বিশ বছরের তরুণী কোনো মেয়ে ত্রিশ বছরের যুবকের সাথে প্রেমে ডুবে যাবে, বিষয়টা সম্ভবত আজকালকার সমাজে সম্ভব না। বয়সের পার্থক্যের সাথে মানসিকতার পার্থক্য বড় হয়ে ওঠে। তাই যেই মেয়ের জন্য লাল বাড়ি ছাড়ল, সেই মেয়েটা তার বয়সী কাউকে খুঁজে পেয়ে লালকে প্রত্যাখ্যান করলে সবকিছু কেমন যেন অন্ধকার হয়ে যায়! জীবনের মানে তখন কোথায় দাঁড়ায়? হয়তো তখন অনুর মতো কেউ দুর্বলতা নিয়ে এগিয়ে আসে। কিন্তু কিছু কথা মুখ ফুটে বলতে হয় না। মনের কথা বুঝে নিতে হয়। আর যদি বোঝা না যায়, তাহলে সম্পর্কের পরিণতি উল্টোদিকে ছোটে।
“ফিঙে” বইটির সবচেয়ে দারুণ দিক আমার মনে হয়েছে, এই বইটির সম্পর্কের নানান দিক তুলে ধরেছে। বাবারা হয়তো এমনই হয়, যাকে খুব বেশি ভালোবাসে, তার সাথেই দূরত্ব বজায় রাখে। একটা গাম্ভীর্যের মোড়কে নিজেকে জড়িয়ে রাখে। লালরা দুই ভাই। অথচ ভাই, বৌদি দুইজনের দাবি বাবা লালকে বেশি ভালোবাসেন। লালের বাসা ছেড়ে চলে যাওয়া তার জন্য বড় ধাক্কা। যদি ভালোবাসবেন, তবে কেন এ দূরত্ব? কেন পুরোপুরি কথা না বলা? লালও তো কম ভালোবাসে না বাবাকে। কিন্তু কেন যেন বলা হয় না। ভালোবাসে বলেই বাবার আরেক হাত শক্ত করতে ফিরেও এসেছিল।
এই বইটা প্রেমের চেয়েও বেশি কিছু। জীবনের এক পর্যায়ে এসে অবধারিত ভাবে প্রেমিক মন জাগ্রত হয়। যেখানে বয়সের ব্যবধান ঘুচে যায়। তবে বয়সের বিশাল পার্থক্য থাকলে সেখানে ভালোবাসাটা হয়তো সবসময় জায়গা পায় না। প্রেমের গল্প সবসময় অন্যরকম। সেখানে মনের মিল যেমন গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে গুরুত্বপুর্ণ হয়ে ওঠে সময়। সময়ের ব্যবধান থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই দূরত্ব বাড়ে। হয়তো এ কারণেই ত্রিশ বছর বয়সী লালের কাছ থেকে বিশ বছর বয়সী মিকি পরিত্রাণ পেতে চায়। কিংবা একজন প্রেমিককে যেভাবে একজন উঠতি বয়সের তরুণী চায়, তার পুরোটা লালের বয়সী কেউ দিতে পারে না। ম্যাচিউরিটি বলে একটা কথা তো অবশ্যই থাকে।
বইয়ের আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে লেখকের হিউমার। সিরিয়াস মুহূর্তে এমন কিছু সংলাপ লেখক পাঞ্চ লাইন হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যেখানে মানুষ হাসতে বাধ্য। যেমন, মূল চরিত্র লালমোহন কাঞ্জিলালকে পরিচয় করিয়ে দিতে লেখক বলেছে, তার নামের শুরুতেও লাল, শেষেও লাল। লালের অফিসের বসের কল দিয়েই ঝাড়ির উপর রাখা, মুদ্রা দোষ হিসেবে তুমি কি আমায় মারবে বলা, এই সিরিয়াস গল্পের সবচেয়ে বিনোদনের মাধ্যম ছিল। তাছাড়া লালের বন্ধু যেভাবে তার সন্তান আসবে, এমন এক খবর যেভাবে দিয়েছিল হয়তো বাবাদের অনুভূতি এমন থাকে।
জীবনের এক পর্যায়ে আমাদের সামনে এমন এক পরিস্থিতি আসে, যখন বিশ্বাসযোগ্যতার উপর ভরসা থাকে না। কাচের মানুষকে অচেনা মনে হয়। ভুল বোঝার মাধ্যমে দূরত্ব তখন অবধারিত হয়ে যায়। অথচ একজনের ভুল স্বীকার কিংবা ইগো ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক ঠিক করে ফেলা সম্ভব। বৈবাহিক সম্পর্ক তো এমনই। খুব সহজে কি ভেঙে ফেলা যায়? লেখক এখানে নারীবাদ ও এর বিপরীত যুক্তিতে কোনো পক্ষ নেননি। তবে ভুলত্রুটির চিত্র নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখিয়েছেন
“ফিঙে” লুতুপুতু প্রেম কাহিনী না বলেই ভালো লেগেছে। প্রেমের সম্পর্ক এখানে গুরুত্বপুর্ণ, যার প্রমাণ গল্পের শেষে মেলে। তারপরও এর সাথে মিশে থাকা পারিবারিক সম্পর্ক, বৈবাহিক সম্পর্ক, দৈনন্দিন জীবনে অপরিচিত মানুষের সাথে যেভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে কিংবা বন্ধুত্বের সম্পর্ক; সবকিছুই যেন ফিঙে পাখির মতো উড়ে বেড়ায় আপন ইচ্ছেতে। তাকে ধরে রাখতে হয়, বেঁধে রাখতে হয়। নাহলে হয়তো সম্পর্কের অমূল্য যে বন্ধন, তার গুরুত্ব অনুভব করা যায় না।
▪️বই : ফিঙে
▪️লেখক : স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.২৫/৫
রোমান্টিক গল্পের প্রতি আমার আগ্রহ কম। কেমন যেন ভালো লাগে না। কেননা রোমান্টিক গল্পের আদলে লুতুপুতু প্রেম কাহিনিগুলোওগল্পের চেয়ে রং প্রাধান্য বেশি পায়। তবে সম্প্রতি স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর “ফিঙে” বইটা পড়ে ভালো লেগেছে। এই গল্পের মূল ভিত্তি প্রেম হলেও এর মাঝে জড়িয়ে আছে সম্পর্কের এক অসাধারণ অভিব্যক্তি। এই সম্পর্ক কেবল যে প্রেমের বন্ধনে বাঁধা পড়ে, এমন না। পরিবার, বিবাহ, বন্ধুত্ব, সবকিছুর যে বন্ধন; তাকেই যেন দৃঢ়ভাবে দেখানো হয়েছে।
এই গল্পের মূল চরিত্র লালমোহন কাঞ্জিলাল ত্রিশ বছরের এক যুবক। পড়াশোনা শেষে ভালো চাকরি করে। কিন্তু বয়সের ব্যবধান বলে বছর বিশেক এক মেয়ের প্রেমে পড়েই যেন জীবনের অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। লালের মা মারা গেলে তার জীবনের সত্যতা সামনে আসে। কখনোই বাবার সাথে সুসম্পর্ক ছিল না। একটা দূরত্ব ছিল সবসময়। বাবা বড় ব্যবসায়ী। ছেলে ব্যবসার হাল ধরবে আশা করেছিল, কিন্তু বাবার সাথে দূরত্বের কারণেই হয়তো নিজে কিছু করার তাগিদে অন্য কোম্পানিতে চাকরি নেয়।
বাবার সাথে সম্পর্কের দূরত্ব আরও বাড়ে লালের প্রেমের কারণেই। একে তো বয়সের ব্যবধান অনেক, তার উপর ব্রাহ্মণ পরিবারে কায়স্থ কাউকে পুত্রবধূ করে আনা কিছুতেই মেনে নেওয়া যাবে না। এই বিরোধের কারণেই নিজের বিশাল বাড়ি ছেড়ে পেয়িং গেস্ট হিসেবে অন্য জায়গায় ওঠে লাল। আর সেখানে পরিচয় হয় অনু নামের মেয়েটার সাথে।
উনিশ, বিশ বছরের তরুণী কোনো মেয়ে ত্রিশ বছরের যুবকের সাথে প্রেমে ডুবে যাবে, বিষয়টা সম্ভবত আজকালকার সমাজে সম্ভব না। বয়সের পার্থক্যের সাথে মানসিকতার পার্থক্য বড় হয়ে ওঠে। তাই যেই মেয়ের জন্য লাল বাড়ি ছাড়ল, সেই মেয়েটা তার বয়সী কাউকে খুঁজে পেয়ে লালকে প্রত্যাখ্যান করলে সবকিছু কেমন যেন অন্ধকার হয়ে যায়! জীবনের মানে তখন কোথায় দাঁড়ায়? হয়তো তখন অনুর মতো কেউ দুর্বলতা নিয়ে এগিয়ে আসে। কিন্তু কিছু কথা মুখ ফুটে বলতে হয় না। মনের কথা বুঝে নিতে হয়। আর যদি বোঝা না যায়, তাহলে সম্পর্কের পরিণতি উল্টোদিকে ছোটে।
“ফিঙে” বইটির সবচেয়ে দারুণ দিক আমার মনে হয়েছে, এই বইটির সম্পর্কের নানান দিক তুলে ধরেছে। বাবারা হয়তো এমনই হয়, যাকে খুব বেশি ভালোবাসে, তার সাথেই দূরত্ব বজায় রাখে। একটা গাম্ভীর্যের মোড়কে নিজেকে জড়িয়ে রাখে। লালরা দুই ভাই। অথচ ভাই, বৌদি দুইজনের দাবি বাবা লালকে বেশি ভালোবাসেন। লালের বাসা ছেড়ে চলে যাওয়া তার জন্য বড় ধাক্কা। যদি ভালোবাসবেন, তবে কেন এ দূরত্ব? কেন পুরোপুরি কথা না বলা? লালও তো কম ভালোবাসে না বাবাকে। কিন্তু কেন যেন বলা হয় না। ভালোবাসে বলেই বাবার আরেক হাত শক্ত করতে ফিরেও এসেছিল।
এই বইটা প্রেমের চেয়েও বেশি কিছু। জীবনের এক পর্যায়ে এসে অবধারিত ভাবে প্রেমিক মন জাগ্রত হয়। যেখানে বয়সের ব্যবধান ঘুচে যায়। তবে বয়সের বিশাল পার্থক্য থাকলে সেখানে ভালোবাসাটা হয়তো সবসময় জায়গা পায় না। প্রেমের গল্প সবসময় অন্যরকম। সেখানে মনের মিল যেমন গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে গুরুত্বপুর্ণ হয়ে ওঠে সময়। সময়ের ব্যবধান থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই দূরত্ব বাড়ে। হয়তো এ কারণেই ত্রিশ বছর বয়সী লালের কাছ থেকে বিশ বছর বয়সী মিকি পরিত্রাণ পেতে চায়। কিংবা একজন প্রেমিককে যেভাবে একজন উঠতি বয়সের তরুণী চায়, তার পুরোটা লালের বয়সী কেউ দিতে পারে না। ম্যাচিউরিটি বলে একটা কথা তো অবশ্যই থাকে।
বইয়ের আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে লেখকের হিউমার। সিরিয়াস মুহূর্তে এমন কিছু সংলাপ লেখক পাঞ্চ লাইন হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যেখানে মানুষ হাসতে বাধ্য। যেমন, মূল চরিত্র লালমোহন কাঞ্জিলালকে পরিচয় করিয়ে দিতে লেখক বলেছে, তার নামের শুরুতেও লাল, শেষেও লাল। লালের অফিসের বসের কল দিয়েই ঝাড়ির উপর রাখা, মুদ্রা দোষ হিসেবে তুমি কি আমায় মারবে বলা, এই সিরিয়াস গল্পের সবচেয়ে বিনোদনের মাধ্যম ছিল। তাছাড়া লালের বন্ধু যেভাবে তার সন্তান আসবে, এমন এক খবর যেভাবে দিয়েছিল হয়তো বাবাদের অনুভূতি এমন থাকে।
জীবনের এক পর্যায়ে আমাদের সামনে এমন এক পরিস্থিতি আসে, যখন বিশ্বাসযোগ্যতার উপর ভরসা থাকে না। কাচের মানুষকে অচেনা মনে হয়। ভুল বোঝার মাধ্যমে দূরত্ব তখন অবধারিত হয়ে যায়। অথচ একজনের ভুল স্বীকার কিংবা ইগো ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক ঠিক করে ফেলা সম্ভব। বৈবাহিক সম্পর্ক তো এমনই। খুব সহজে কি ভেঙে ফেলা যায়? লেখক এখানে নারীবাদ ও এর বিপরীত যুক্তিতে কোনো পক্ষ নেননি। তবে ভুলত্রুটির চিত্র নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখিয়েছেন
“ফিঙে” লুতুপুতু প্রেম কাহিনী না বলেই ভালো লেগেছে। প্রেমের সম্পর্ক এখানে গুরুত্বপুর্ণ, যার প্রমাণ গল্পের শেষে মেলে। তারপরও এর সাথে মিশে থাকা পারিবারিক সম্পর্ক, বৈবাহিক সম্পর্ক, দৈনন্দিন জীবনে অপরিচিত মানুষের সাথে যেভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে কিংবা বন্ধুত্বের সম্পর্ক; সবকিছুই যেন ফিঙে পাখির মতো উড়ে বেড়ায় আপন ইচ্ছেতে। তাকে ধরে রাখতে হয়, বেঁধে রাখতে হয়। নাহলে হয়তো সম্পর্কের অমূল্য যে বন্ধন, তার গুরুত্ব অনুভব করা যায় না।
▪️বই : ফিঙে
▪️লেখক : স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.২৫/৫
September 25, 2020
ভীষণ মিষ্টি একটা গল্প। বর্ণনার আধিক্য নেই। সহজ,সুন্দর লেখনী আর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হিউমারগুলো মন ভালো করে দেওয়ার মতো। সর্বোপরি, ভালো লেগেছে।
July 19, 2022
একটুও মাথা না খাটিয়ে তরতর করে পড়া যায় এমন সহজ আর সিনেম্যাটিক ধাঁচের কিছু পড়ার বাসনা হলে আবারও স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর কোনো বই হাতে তুলে নেব!
February 15, 2018
The word ফিঙে indicates a common bird which you can see anywhere in Bengal . This author has made this bird special. When the male Protagonist saw the bird it reminded him of his mother who's no more. It's not a random love story but it's definately has a pinch of Bollywood flavour , I love this !!. Go read it ! And if you have read it let's talk together
June 25, 2018
ভালোই...
February 1, 2022
আমি জানিনা কেনো আমার ওনার লেখা ভীষণ ভালো লাগে। একবারের জন্য মনে হয় না যে সেই বইটার বাইরে কোনো জগৎ আছে বলে, যখনই ওনার বই পড়া শুরু করি বাইরের জগৎ টা ঝাপসা হয়ে আসে আর আমি ক্রমশ নিজেকে হারিয়ে ফেলি বইয়ের পাতার ভেতর।
মন খারাপের ওষুধ বলো কি সারাদিনের সঙ্গী সবকিছুই হলো এনার বই।
এই বইটাও ব্যাতিক্রম নয়। এতো সুন্দরভাবে লালের ভালোলাগা, ভালোবাসা, মনখারাপ, রাগ, দুঃখ, কষ্ট, অভিমান সবকিছু এতো সুন্দর ভাবে লেখক প্রকাশ করেছেন কিছু আর বলার নেই।
শুধু লাল কেনো অনু চরিত্রটাও ভীষণ আকর্ষণীয়, তেমনি পটাই আর নীল এরাও কিছু কম নয়। যেখানে যারা যেমন সেখানে তারা সেরোম। আমাদের জীবনের শেষটা সবসময় খুশির না হলেও ওনার গল্পের খুশি দিয়ে শেষটা কি ভালোই না লাগে!!
মন খারাপের ওষুধ বলো কি সারাদিনের সঙ্গী সবকিছুই হলো এনার বই।
এই বইটাও ব্যাতিক্রম নয়। এতো সুন্দরভাবে লালের ভালোলাগা, ভালোবাসা, মনখারাপ, রাগ, দুঃখ, কষ্ট, অভিমান সবকিছু এতো সুন্দর ভাবে লেখক প্রকাশ করেছেন কিছু আর বলার নেই।
শুধু লাল কেনো অনু চরিত্রটাও ভীষণ আকর্ষণীয়, তেমনি পটাই আর নীল এরাও কিছু কম নয়। যেখানে যারা যেমন সেখানে তারা সেরোম। আমাদের জীবনের শেষটা সবসময় খুশির না হলেও ওনার গল্পের খুশি দিয়ে শেষটা কি ভালোই না লাগে!!
September 13, 2026
ফিঙে খুব সহজ, সাবলীল আর মিষ্টি একটা বই। গল্পের মধ্যে হাসি, সম্পর্ক, ভালোবাসা আর জীবনের ছোট ছোট উপলব্ধি—সবকিছুই এসেছে একেবারে অনায়াসে। পড়তে গিয়ে কোথাও ভারী মনে হয় না, অথচ শেষ করার পর কিছু কথা মনে থেকে যায়।
বইটা অনেকটা আলুকাবলির মতো—খেতে ভীষণ সুন্দর, কিন্তু পেট ভরে না। শেষ হয়ে যাওয়ার পর মনে হয়, আরেকটু থাকলে ভালো হত।
স্মরণজিৎকে সহজে ম্যাজিশিয়ান বলা হয় না—কিন্তু এত সাধারণ জীবনকে এত সুন্দর, স্বচ্ছন্দ আর মন ভালো করা করে তুলে ধরাটাও তো একরকম জাদু। দিনের শেষে মনটা একটু ভালো করে দেওয়ার জন্য দারুণ একটা বই।
বইটা অনেকটা আলুকাবলির মতো—খেতে ভীষণ সুন্দর, কিন্তু পেট ভরে না। শেষ হয়ে যাওয়ার পর মনে হয়, আরেকটু থাকলে ভালো হত।
স্মরণজিৎকে সহজে ম্যাজিশিয়ান বলা হয় না—কিন্তু এত সাধারণ জীবনকে এত সুন্দর, স্বচ্ছন্দ আর মন ভালো করা করে তুলে ধরাটাও তো একরকম জাদু। দিনের শেষে মনটা একটু ভালো করে দেওয়ার জন্য দারুণ একটা বই।
January 4, 2026
বউ দিয়েছে জন্মদিনে। আমাদের কথাই লেখা আছে আসলে ehehehehe
খুবই ভালো একটি উপন্যাস। পড়তে পড়তে মনে হয় যেন নৌকায় বসে আছি, আর নদীর তীরে ঘটনা গুলি ঘটছে। একটা ছন্দ আছে গোটা উপন্যাস জুড়েই। আর আছে উপদেশ, যা আসলে সকল প্রেমিকের পেট গুড়গুড় কে একধাক্কায় গলা দিয়ে বার করে দেয়। আমি ফরম্যাট মেনে রিভিউ লিখতে জানিনা, জানলেও লিখতে চাইনা। উপন্যাসটি আমার বেশ পছন্দ হয়েছে, তাই তাকে পাঁচতারা দিলুম।
খুবই ভালো একটি উপন্যাস। পড়তে পড়তে মনে হয় যেন নৌকায় বসে আছি, আর নদীর তীরে ঘটনা গুলি ঘটছে। একটা ছন্দ আছে গোটা উপন্যাস জুড়েই। আর আছে উপদেশ, যা আসলে সকল প্রেমিকের পেট গুড়গুড় কে একধাক্কায় গলা দিয়ে বার করে দেয়। আমি ফরম্যাট মেনে রিভিউ লিখতে জানিনা, জানলেও লিখতে চাইনা। উপন্যাসটি আমার বেশ পছন্দ হয়েছে, তাই তাকে পাঁচতারা দিলুম।
January 4, 2025
A cute little book of finding love in middle of family drama and all the chaotic events of life.
All over not a very impactful storyline, just a simple slice of life story.
One time read for me.
All over not a very impactful storyline, just a simple slice of life story.
One time read for me.
March 13, 2017
“সে যাই বলুক বিজ্ঞ লোকে
মুঠোয় ধরো সমুদ্রকে
ভরুক, মন ভরুক
ফড়িং বসুক মোষের শিং-এ
তোমার বুকের ছোট্ট ফিঙে
উড়ুক, আরও উড়ুক..."
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর ‘ফিঙে’ এমন এক উপন্যাস, যা প্রেমের গল্প বলতে বলতে আসলে মানুষের হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস, একাকিত্ব এবং পুনর্জন্মের গল্প হয়ে ওঠে। এই বইয়ের পাতায় প্রেম আছে, বিচ্ছেদ আছে, কিন্তু তার থেকেও বড় করে আছে জীবনের প্রতি নতুন করে বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক আন্তরিক প্রচেষ্টা।
লালমোহন চরিত্রটি প্রথমে যেন আবেগের বশে চলা এক সাধারণ মানুষ। ভালোবাসার টানে সে জীবনের প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে, নিজের মতো করে বাঁচতে চায়। কিন্তু যখন সেই ভালোবাসাই তাকে নিঃস্ব করে দেয়, তখন তার ভেতরের ভাঙচুর বড় বাস্তব মনে হয়। লেখক অত্যন্ত সংযত ভাষায় দেখিয়েছেন, প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা মানুষকে কতটা একা করে দিতে পারে।
তবে ‘ফিঙে’ কেবল হতাশার উপন্যাস নয়। বরং অন্ধকারের শেষে আলো খুঁজে পাওয়ার উপন্যাস। অণুর আগমন সেই আলোরই প্রতীক। সে কোনো নাটকীয় চরিত্র নয়; তার উপস্থিতি শান্ত, স্বাভাবিক এবং আশ্বাসে ভরা। সে প্রমাণ করে, ভালোবাসা সবসময় উচ্চকণ্ঠ হয় না, কখনও কখনও তা নিঃশব্দ যত্ন, ছোট ছোট খোঁজখবর আর পাশে থাকার মধ্যেই প্রকাশ পায়।
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর লেখার অন্যতম শক্তি তাঁর সহজ অথচ হৃদয়স্পর্শী ভাষা। চরিত্রগুলোর অনুভূতি, সংলাপ এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলো এমনভাবে নির্মিত যে পাঠক সহজেই তাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠেন। কোথাও অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা নেই, আবার অনুভূতির ঘাটতিও নেই। ফলে গল্পটি শেষ হওয়ার পরও চরিত্রগুলো অনেকক্ষণ মনে থেকে যায়।
এই উপন্যাসের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো জীবনের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। বইটি বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, একটি সম্পর্কের সমাপ্তি মানেই জীবনের সমাপ্তি নয়। মানুষ ভাঙে, হারায়, কাঁদে... তবু আবার উঠে দাঁড়ায়। আর সেই উঠে দাঁড়ানোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর বিজয়।
সব মিলিয়ে, ‘ফিঙে’ এমন একটি উপন্যাস যা মনখারাপের ভেতরেও আশার আলো জ্বালায়।
মনে হয়, দীর্ঘ বৃষ্টিভেজা দিনের পর যেন রোদ উঠেছে। আর বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট ফিঙেটা আবার ডানা মেলেছে— আরও একটু আকাশ ছোঁয়ার আশায়।
মুঠোয় ধরো সমুদ্রকে
ভরুক, মন ভরুক
ফড়িং বসুক মোষের শিং-এ
তোমার বুকের ছোট্ট ফিঙে
উড়ুক, আরও উড়ুক..."
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর ‘ফিঙে’ এমন এক উপন্যাস, যা প্রেমের গল্প বলতে বলতে আসলে মানুষের হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস, একাকিত্ব এবং পুনর্জন্মের গল্প হয়ে ওঠে। এই বইয়ের পাতায় প্রেম আছে, বিচ্ছেদ আছে, কিন্তু তার থেকেও বড় করে আছে জীবনের প্রতি নতুন করে বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক আন্তরিক প্রচেষ্টা।
লালমোহন চরিত্রটি প্রথমে যেন আবেগের বশে চলা এক সাধারণ মানুষ। ভালোবাসার টানে সে জীবনের প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে, নিজের মতো করে বাঁচতে চায়। কিন্তু যখন সেই ভালোবাসাই তাকে নিঃস্ব করে দেয়, তখন তার ভেতরের ভাঙচুর বড় বাস্তব মনে হয়। লেখক অত্যন্ত সংযত ভাষায় দেখিয়েছেন, প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা মানুষকে কতটা একা করে দিতে পারে।
তবে ‘ফিঙে’ কেবল হতাশার উপন্যাস নয়। বরং অন্ধকারের শেষে আলো খুঁজে পাওয়ার উপন্যাস। অণুর আগমন সেই আলোরই প্রতীক। সে কোনো নাটকীয় চরিত্র নয়; তার উপস্থিতি শান্ত, স্বাভাবিক এবং আশ্বাসে ভরা। সে প্রমাণ করে, ভালোবাসা সবসময় উচ্চকণ্ঠ হয় না, কখনও কখনও তা নিঃশব্দ যত্ন, ছোট ছোট খোঁজখবর আর পাশে থাকার মধ্যেই প্রকাশ পায়।
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর লেখার অন্যতম শক্তি তাঁর সহজ অথচ হৃদয়স্পর্শী ভাষা। চরিত্রগুলোর অনুভূতি, সংলাপ এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলো এমনভাবে নির্মিত যে পাঠক সহজেই তাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠেন। কোথাও অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা নেই, আবার অনুভূতির ঘাটতিও নেই। ফলে গল্পটি শেষ হওয়ার পরও চরিত্রগুলো অনেকক্ষণ মনে থেকে যায়।
এই উপন্যাসের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো জীবনের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। বইটি বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, একটি সম্পর্কের সমাপ্তি মানেই জীবনের সমাপ্তি নয়। মানুষ ভাঙে, হারায়, কাঁদে... তবু আবার উঠে দাঁড়ায়। আর সেই উঠে দাঁড়ানোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর বিজয়।
সব মিলিয়ে, ‘ফিঙে’ এমন একটি উপন্যাস যা মনখারাপের ভেতরেও আশার আলো জ্বালায়।
মনে হয়, দীর্ঘ বৃষ্টিভেজা দিনের পর যেন রোদ উঠেছে। আর বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট ফিঙেটা আবার ডানা মেলেছে— আরও একটু আকাশ ছোঁয়ার আশায়।
February 11, 2017
" আমরা যত বড়ই হই আর আমাদের সঙ্গে আমাদের বাবাদের যেমনই সম্পর্ক থাকুক না কেন, আমাদের অবচেতনে বাবারাই হল, স্পাইডারম্যান, ব্যাটম্যান আর অরণ্যদেবের ককটেল। এরা বিছানা নিয়েছে শুনলে সবারই পায়ের তলার জমি নড়ে যায়। "
" লেবেল ক্রসিংয়ে আটকে থাকা মানুষ যেভাবে নব্বই বগির মালগাড়িকে দেখে, আমিও সেভাবে তাকিয়ে থাকি স্মৃতির দিকে! "
"... তবু কিছু একটা আছে! এলজেব্রার মতো একটা "X" নামে কিছু আছে, যা আটকে রাখছে আমায়। যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ পেরিয়েও যে কিছুতেই নিজেকে প্রকাশ করছে না। কী সেটা আমার মনের ফিঙে লেজ নাড়াতে নাড়াতে কী বলতে চাইছে আমায়? কার কথা বলতে চাইছে? কার কাছে পৌঁছোতে বলছে? "
" লেবেল ক্রসিংয়ে আটকে থাকা মানুষ যেভাবে নব্বই বগির মালগাড়িকে দেখে, আমিও সেভাবে তাকিয়ে থাকি স্মৃতির দিকে! "
"... তবু কিছু একটা আছে! এলজেব্রার মতো একটা "X" নামে কিছু আছে, যা আটকে রাখছে আমায়। যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ পেরিয়েও যে কিছুতেই নিজেকে প্রকাশ করছে না। কী সেটা আমার মনের ফিঙে লেজ নাড়াতে নাড়াতে কী বলতে চাইছে আমায়? কার কথা বলতে চাইছে? কার কাছে পৌঁছোতে বলছে? "
April 11, 2019
No offence but it feels like I've wasted few hours of my life reading this book :-|
May 20, 2019
মিষ্টি প্রেমের গল্প। মেদহীন লেখা। সুন্দর।
দ্বিতীয় বার পড়লাম। আসলে ভুলে গেছিলাম। ঠিক আছে। একঘেয়ে একটু।
দ্বিতীয় বার পড়লাম। আসলে ভুলে গেছিলাম। ঠিক আছে। একঘেয়ে একটু।
January 28, 2022
ফিঙে
লেখক: স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
প্রকাশক: আনন্দ
মুল্য: ২০০/-
✍️প্রাক কথন: এটা আমার স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর পড়া প্রথম বই, আমার হবু বউ গিফট করেছে আমাকে। দেবার সময় বলছিলো "আমি খুব রিসার্চ করে এই বইটি নিলাম, তোমাকে দেবার জন্য" আসলে আমি পড়তে ভালো বাসি সে কথা তার অজানা নয়। সেও বই পড়তে ভালো বাসে।
✍️ মূল চরিত্র: লালমোহন কাঞ্জিলাল(লাল), অণু, মিকি, পটাই, লালের দাদা ও শ্রীনিকা, তাছাড়াও রয়েছে আরো অনেক চরিত্র যাদের উপস্থিতি আরো সমৃদ্ধ করেছে উপন্যাসটি ।
✍️আমার চোখে গল্পের বিশ্লেষণ: ফিঙে, হ্যা এই ফিঙে হল এই উপন্যাসের আবেগ, প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তি ভালোলাগা, ভালবাসার কেন্দ্র। যে ফিঙে ধরা দিত লালের মায়ের স্বপনে, যার গল্প শুনে লাল বড় হয়েছে, আর যখন লাল জিজ্ঞেস করত ওই ফিঙে কোথায় গেলো, তখন তার মা লালকে দেখিয়ে বলত এইতো আমার সামনে,আমার ফিঙে।সেই লালের সবার চেয়ে কাছের মা একদিন ফিঙে হয়ে লালকে ছেড়ে চলে যায়। তার একাকিত্ব জীবনে এরপর সুখ দুঃখ পরপর আসে, ভালোবাসায় প্রতারিত হওয়া, কাজের সমস্যা, পারিবারিক সমস্যা ও নিজের বাবার প্রতি অভিমান সব মিলে মিশে যখন লাল অথই জলে ধরার মতো কিছু খুঁজে মিলছিল না ঠিক তখন কোথা থেকে যেন ফিরে আসে সেই ফিঙে, হ্যা লালের ফিঙে হয়ে এসেছিলো এবার অণু, পটাই এর কথায় অণু- পরমাণু নিয়ে খেলা, সাবধানে থাকিস নয়ত নাগাসাকি হতেও দেরি হবে না। না নাগাসাকি আর হতে হয়নি বরং এই অণু ছিল লালের জীবনে বদলে দেবার একমাত্র কারিগর।
✍️গল্প চরিত্র: লাল: প্রাথমিক অবস্থায় নির্বোধ, বোকা বলে মনে হলেও মনের দিক দিয়ে যে ভালো তা বলাই যায়, লালের চরিত্রটি বাস্তবিক সেটা গল্পে লেখক ভাবতে বাধ্য করেছেন।
✍️লালের বাবা ও দাদা: লালের বাবা যে একরোখা, জেদী তা বলা যেতেই পারে, তবে তার ভেতরে যে একটা নরম হৃদয় আছে সেটাও স্বীকার করতে হয়,
লালের দাদা এখানে একদম সরল সাদা শিধে লোক, জীবনে কিছু সমস্যা হলে লালকেই তার দাদার দমকল হতে হয়।
✍️অণু: সবচেয়ে ইতিবাচক চরিত্র একটি, যার উপস্থিতি এখানে যেনো লালকে সমস্যা মুক্ত করতেই হয়েছে, ভালোবাসি কথাটা যে মুখে না বলে কেবল কাজেও দেখানো যায়, সেটাই এখানে অণু চরিত্রটিতে দেখা যায়।
✍️পটাই: যেমন কোনো ফিল্মে একটি হাসির চরিত্র থাকে, পটাই এখানে সেই কাজটাই করেছে। তার উপস্থতিতে আমাকে গল্পের মাঝে হাসির অনুভুতি দিয়েছে।
✍️ মন্তব্য: কোথাও কোথাও আমার মনে হয়েছে গল্পকে অযথা একটু দীর্ঘায়িত করা হয়েছে, তবে তা লেখন শৈলীর খাতিরে মেনে নেওয়া যায়। মিকি এর অংশ বাদ দিলে আমার সামগ্রিক উপন্যাসটি বেশ ভালই লেগেছে। অনুর গুন গুলোর মতো আমার হবু বউ এর অনেক মিল খুঁজে পেয়েছি।😊 আরও অনেককিছু লেখার ছিল কিন্তু লেখকের লেখা পরে নেওয়াটাই ভালো, আপনারা বইটি পড়ে নেবেন।
এতদূর পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।🙏
লেখক: স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
প্রকাশক: আনন্দ
মুল্য: ২০০/-
✍️প্রাক কথন: এটা আমার স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর পড়া প্রথম বই, আমার হবু বউ গিফট করেছে আমাকে। দেবার সময় বলছিলো "আমি খুব রিসার্চ করে এই বইটি নিলাম, তোমাকে দেবার জন্য" আসলে আমি পড়তে ভালো বাসি সে কথা তার অজানা নয়। সেও বই পড়তে ভালো বাসে।
✍️ মূল চরিত্র: লালমোহন কাঞ্জিলাল(লাল), অণু, মিকি, পটাই, লালের দাদা ও শ্রীনিকা, তাছাড়াও রয়েছে আরো অনেক চরিত্র যাদের উপস্থিতি আরো সমৃদ্ধ করেছে উপন্যাসটি ।
✍️আমার চোখে গল্পের বিশ্লেষণ: ফিঙে, হ্যা এই ফিঙে হল এই উপন্যাসের আবেগ, প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তি ভালোলাগা, ভালবাসার কেন্দ্র। যে ফিঙে ধরা দিত লালের মায়ের স্বপনে, যার গল্প শুনে লাল বড় হয়েছে, আর যখন লাল জিজ্ঞেস করত ওই ফিঙে কোথায় গেলো, তখন তার মা লালকে দেখিয়ে বলত এইতো আমার সামনে,আমার ফিঙে।সেই লালের সবার চেয়ে কাছের মা একদিন ফিঙে হয়ে লালকে ছেড়ে চলে যায়। তার একাকিত্ব জীবনে এরপর সুখ দুঃখ পরপর আসে, ভালোবাসায় প্রতারিত হওয়া, কাজের সমস্যা, পারিবারিক সমস্যা ও নিজের বাবার প্রতি অভিমান সব মিলে মিশে যখন লাল অথই জলে ধরার মতো কিছু খুঁজে মিলছিল না ঠিক তখন কোথা থেকে যেন ফিরে আসে সেই ফিঙে, হ্যা লালের ফিঙে হয়ে এসেছিলো এবার অণু, পটাই এর কথায় অণু- পরমাণু নিয়ে খেলা, সাবধানে থাকিস নয়ত নাগাসাকি হতেও দেরি হবে না। না নাগাসাকি আর হতে হয়নি বরং এই অণু ছিল লালের জীবনে বদলে দেবার একমাত্র কারিগর।
✍️গল্প চরিত্র: লাল: প্রাথমিক অবস্থায় নির্বোধ, বোকা বলে মনে হলেও মনের দিক দিয়ে যে ভালো তা বলাই যায়, লালের চরিত্রটি বাস্তবিক সেটা গল্পে লেখক ভাবতে বাধ্য করেছেন।
✍️লালের বাবা ও দাদা: লালের বাবা যে একরোখা, জেদী তা বলা যেতেই পারে, তবে তার ভেতরে যে একটা নরম হৃদয় আছে সেটাও স্বীকার করতে হয়,
লালের দাদা এখানে একদম সরল সাদা শিধে লোক, জীবনে কিছু সমস্যা হলে লালকেই তার দাদার দমকল হতে হয়।
✍️অণু: সবচেয়ে ইতিবাচক চরিত্র একটি, যার উপস্থিতি এখানে যেনো লালকে সমস্যা মুক্ত করতেই হয়েছে, ভালোবাসি কথাটা যে মুখে না বলে কেবল কাজেও দেখানো যায়, সেটাই এখানে অণু চরিত্রটিতে দেখা যায়।
✍️পটাই: যেমন কোনো ফিল্মে একটি হাসির চরিত্র থাকে, পটাই এখানে সেই কাজটাই করেছে। তার উপস্থতিতে আমাকে গল্পের মাঝে হাসির অনুভুতি দিয়েছে।
✍️ মন্তব্য: কোথাও কোথাও আমার মনে হয়েছে গল্পকে অযথা একটু দীর্ঘায়িত করা হয়েছে, তবে তা লেখন শৈলীর খাতিরে মেনে নেওয়া যায়। মিকি এর অংশ বাদ দিলে আমার সামগ্রিক উপন্যাসটি বেশ ভালই লেগেছে। অনুর গুন গুলোর মতো আমার হবু বউ এর অনেক মিল খুঁজে পেয়েছি।😊 আরও অনেককিছু লেখার ছিল কিন্তু লেখকের লেখা পরে নেওয়াটাই ভালো, আপনারা বইটি পড়ে নেবেন।
এতদূর পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।🙏
April 10, 2024
"ফিঙে" - স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
আনন্দ পাবলিশার্স
মুদ্রিত মূল্য ₹৩০০ (২০২৩)
উপন্যাসটি লালমোহন কাঞ্জিলাল নামের এক চরিত্রকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত হয়েছে। লালমোহনের মায়ের স্বপ্নে ঘুরে ফিরে এসে বসতো একটি ফিঙে। কিন্তু মায়ের মৃত্যুর পর লালমোহন খুব একা হয়ে যায়। লালমোহনের সাথে কুসুমিকা নামের একটি মেয়ের সম্পর্ক হয় যেটা লালমোহনের বাবা মেনে নিতে পারেন না। লালমোহন তার বাবা, দাদা হরিৎলাল এবং বৌদি শ্রী কে ছেড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য একটা জায়গায় পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকে, সেখানে আলাপ হয় অণুর সাথে। লালমোহন তাদের নিজেদের পারিবারিক ব্যাবসা ছেড়ে নিজের যোগ্যতায় ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে একটা চাকরি করে। আর এসবের ফাঁকে লালের চোখে পড়ে বাড়ির সামনের বাগানে এসে বসা একটা ফিঙের ওপর।
আমরা সবাই দৌড়ে চলেছি এক অজানা গন্তব্যের দিকে। তাই একটা ফিঙে সারাজীবন উড়ে বেড়ায় আমাদের ভিতর, ছটফট করে সে। পৌঁছে দিতে চায় আমাদের ইচ্ছের কাছে। আর আমাদের এক একটা করে ইচ্ছে যখন পূরণ হয়, আমরা দেখি সেই ফিঙে আর নেই। শূন্য ডাল আর পাতারা পড়ে আছে শুধু। কি বলতে চাই এই ফিঙে? কার স্বপ্ন নিয়ে এসেছে সে? এই ফিঙে কি আসলে জীবনের কোনও রূপক? সেই সব কিছুর উত্তর রয়েছে এই উপন্যাসটিতে।
"মানুষের সারা জীবনের বিশ্বাস সে যত সামান্যই হোক না কেন যখন ভেঙে যায় তার যন্ত্রণাটা কিন্তু সামান্য থাকে না। আসলে আমাদের বিশ্বাসগুলো আমাদের বন্ধুত্বের মতো। এক একটা ভেঙে যাওয়া মানে আমাদের আরও একা হয়ে যাওয়া।"
এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে লেখক আমাদের সময়ের মূল্য বুঝতে শেখান। মানুষের খামখেয়ালী মনের গভীরতা বুঝতে শেখান। আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত "ফিঙে"র সন্ধান দেন, যা চিরকাল আমাদের অধরাই থেকে যায়।
"চলে যেতে হবে, সবাইকেই চলে যেতে হবে। আগে বা পরে চলে যেতেই হবে। কিন্তু তার আগে যেটুকু সময় হাতে আছে সেটুকু কাটিয়ে যেতে হবে প্রিয়জনদের সাথে। তাকে জানিয়ে যেতে হবে তার জন্যই এসেছিলে তুমি। তাকে ছেড়ে যেতে তোমার কষ্ট হচ্ছে খুব।"
"ফিঙে", খুবই সংবেদনশীল একটি উপন্যাস। কাহিনীর গতিময়তা, শব্দচয়ন, উপন্যাসের প্লট সব কিছুর জন্যই লেখকের পারিদর্শিতাকে কুর্নিশ জানাতেই হয়। নিরন্তর শুভেচ্ছা রইল লেখকের লেখনীর জন্য।
আনন্দ পাবলিশার্স
মুদ্রিত মূল্য ₹৩০০ (২০২৩)
উপন্যাসটি লালমোহন কাঞ্জিলাল নামের এক চরিত্রকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত হয়েছে। লালমোহনের মায়ের স্বপ্নে ঘুরে ফিরে এসে বসতো একটি ফিঙে। কিন্তু মায়ের মৃত্যুর পর লালমোহন খুব একা হয়ে যায়। লালমোহনের সাথে কুসুমিকা নামের একটি মেয়ের সম্পর্ক হয় যেটা লালমোহনের বাবা মেনে নিতে পারেন না। লালমোহন তার বাবা, দাদা হরিৎলাল এবং বৌদি শ্রী কে ছেড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য একটা জায়গায় পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকে, সেখানে আলাপ হয় অণুর সাথে। লালমোহন তাদের নিজেদের পারিবারিক ব্যাবসা ছেড়ে নিজের যোগ্যতায় ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে একটা চাকরি করে। আর এসবের ফাঁকে লালের চোখে পড়ে বাড়ির সামনের বাগানে এসে বসা একটা ফিঙের ওপর।
আমরা সবাই দৌড়ে চলেছি এক অজানা গন্তব্যের দিকে। তাই একটা ফিঙে সারাজীবন উড়ে বেড়ায় আমাদের ভিতর, ছটফট করে সে। পৌঁছে দিতে চায় আমাদের ইচ্ছের কাছে। আর আমাদের এক একটা করে ইচ্ছে যখন পূরণ হয়, আমরা দেখি সেই ফিঙে আর নেই। শূন্য ডাল আর পাতারা পড়ে আছে শুধু। কি বলতে চাই এই ফিঙে? কার স্বপ্ন নিয়ে এসেছে সে? এই ফিঙে কি আসলে জীবনের কোনও রূপক? সেই সব কিছুর উত্তর রয়েছে এই উপন্যাসটিতে।
"মানুষের সারা জীবনের বিশ্বাস সে যত সামান্যই হোক না কেন যখন ভেঙে যায় তার যন্ত্রণাটা কিন্তু সামান্য থাকে না। আসলে আমাদের বিশ্বাসগুলো আমাদের বন্ধুত্বের মতো। এক একটা ভেঙে যাওয়া মানে আমাদের আরও একা হয়ে যাওয়া।"
এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে লেখক আমাদের সময়ের মূল্য বুঝতে শেখান। মানুষের খামখেয়ালী মনের গভীরতা বুঝতে শেখান। আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত "ফিঙে"র সন্ধান দেন, যা চিরকাল আমাদের অধরাই থেকে যায়।
"চলে যেতে হবে, সবাইকেই চলে যেতে হবে। আগে বা পরে চলে যেতেই হবে। কিন্তু তার আগে যেটুকু সময় হাতে আছে সেটুকু কাটিয়ে যেতে হবে প্রিয়জনদের সাথে। তাকে জানিয়ে যেতে হবে তার জন্যই এসেছিলে তুমি। তাকে ছেড়ে যেতে তোমার কষ্ট হচ্ছে খুব।"
"ফিঙে", খুবই সংবেদনশীল একটি উপন্যাস। কাহিনীর গতিময়তা, শব্দচয়ন, উপন্যাসের প্লট সব কিছুর জন্যই লেখকের পারিদর্শিতাকে কুর্নিশ জানাতেই হয়। নিরন্তর শুভেচ্ছা রইল লেখকের লেখনীর জন্য।
July 24, 2025
মানুষের মনে যত রকমের অনুভূতি বিরাজ করে, তাদের মধ্যে ভয়ঙ্করতম হলো প্রেমের অনুভূতি.. যুগ যুগ ধরে লেখক-লেখিকাদের কলমে স্থান পেয়েছে প্রেমের বিভিন্ন রূপ.. স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর কলমে এই উপন্যাসের নায়ক লালের জীবনেও ধরা দিয়েছে ভালোবাসার নানারঙের অসমান ধাপ.. বয়সে ছোট মিকির ফাজলামিও যেমন লালের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, তেমনই ভীষণ সিরিয়াস অনুর বকুনিও লালের মনে আনন্দ দিয়েছে.. এই উপন্যাসের প্রতিটি স্তরে ফুটে উঠেছে ভালোবাসা, আত্মসম্মান ও দায়িত্ব-কর্তব্যের মতো গুরুতর মানসিক জটিলতার কিছু আশ্চর্য সুন্দর সমাধান সূত্র.. পৈতৃক ব্যবসা ছেড়ে চাকরি করতে গিয়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসে লাল, আর তারপর থেকেই বিভিন্ন ছোট বড়ো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বদলাতে থাকে লালের জীবন..ভীড় করে আসে নতুন সব মুখ আর একটা ফিঙে পাখি.. কোন পথে নিয়ে যাবে এই ফিঙেটা? আবারও কি সব মান-অভিমান ভুলে বাড়ি ফিরতে পারবে লাল? মিকি না অনু- কে হয়ে উঠবে লালের সত্যিকারের ভালোবাসা? অফিসের বস আদৌ কি কোনোদিন খুশি হবে তার কাজে? অবুঝ প্রেম, একরাশ অভিমান আর এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নিয়ে স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর লেখার জাদুতে এক নতুন মোড়কে হাজির এই অচেনা প্রেমের উপন্যাস..
December 9, 2025
এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো বই "ফিঙে"। এতে প্রেম আছে, প্রেমে ভেঙে যাওয়ার আঘাত আছে, আছে সেই আঘাত কাটিয়ে উঠে আবার নতুন করে প্রেমে পড়ার সাহস। ব্যবসা ও চাকরির চাপ, বাড়ির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি ইত্যাদি আরও অনেককিছু আছে যা খুবই সাধারণ এবং যৌবনের প্রথম ধাপে পা দেওয়া প্রতিটা মানুষ relate করতে পারবে এগুলোর সঙ্গে।
"একটা ফিঙে সারা জীবন উড়ে বেড়ায় আমাদের ভিতর। ছটফট করে সে! আমাদের তাড়িয়ে মারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। পৌঁছে দিতে চায় আমাদের ইচ্ছের কাছে।"
আর এই ইচ্ছে তথা গন্তব্যকে খুঁজে পাওয়ার গল্পই বলে এই উপন্যাসটি। এতে রয়েছে সব ভুল বোঝাবুঝির বাইরে বেরিয়ে একে অপরের কাছে আসার সহজ আনন্দ।
আমার বেশ ভালো লেগেছে বইটি। ওয়ান টাইম রিড হিসেবে অবশ্যই সাজেস্ট করবো।
"একটা ফিঙে সারা জীবন উড়ে বেড়ায় আমাদের ভিতর। ছটফট করে সে! আমাদের তাড়িয়ে মারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। পৌঁছে দিতে চায় আমাদের ইচ্ছের কাছে।"
আর এই ইচ্ছে তথা গন্তব্যকে খুঁজে পাওয়ার গল্পই বলে এই উপন্যাসটি। এতে রয়েছে সব ভুল বোঝাবুঝির বাইরে বেরিয়ে একে অপরের কাছে আসার সহজ আনন্দ।
আমার বেশ ভালো লেগেছে বইটি। ওয়ান টাইম রিড হিসেবে অবশ্যই সাজেস্ট করবো।
September 28, 2025
Finge is one of those books that’s not mind-blowing but still pretty enjoyable.Lal’s whole thing with Miki was relatable – you know, when someone just changes out of nowhere. It’s not the most intense plot, but it feels real. The best part was how Anu, who had always been there for Lal, quietly falls for him, but he doesn’t notice it at all. By the end, though, Lal kinda starts to get it, and the whole thing wraps up with a bit of emotional depth. It’s not a heavy read, but definitely keeps you hooked till the last page.
February 19, 2025
It is a beautiful story with an equally delightful ending. The main character's sense of humour is amazing. This book will make you laugh and snicker while delivering a much-needed message in this modern era of self-love. A simple, humourous and beautiful story of love, father-son relationships and brotherhood.
July 16, 2026
ভালো লাগলো না।কেন জানি জমলো না। আমি সচরাচর কোন বই নিয়ে মন্দ বলি না।ভালো না লাগলে লেখক কে বকি না।কেউ ই তো - একটা বাজে উপন্যাস বের করবো বলে লিখতে বসে না নিশ্চয়ই।
এই ভদ্রলোক অনেক নাম শুনে আগ্রহ হয়েছিল।পড়ে আশাহত হলাম।স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর হয়তো অন্য বই ভালো লাগে যেতে পারে।কথা হচ্ছে সেটা আগ্রহ বা সময় পাই কি না সেটা প্রশ্ন।
এই ভদ্রলোক অনেক নাম শুনে আগ্রহ হয়েছিল।পড়ে আশাহত হলাম।স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর হয়তো অন্য বই ভালো লাগে যেতে পারে।কথা হচ্ছে সেটা আগ্রহ বা সময় পাই কি না সেটা প্রশ্ন।
August 5, 2026
This book: I won't say I wasted my time, but that's alright, not everyone likes everything. The only good thing is that, at least I have read something (even if it’s a cliche) instead of doomscrolling.
April 4, 2020
এই করোনা-দীর্ণ অস্থির সময়ে হঠাৎ মন ভালো করে দেওয়া হালকা প্রেমের উপন্যাস।
January 26, 2021
একটা ফিঙে পাখি আর একরাশ ভালোলাগা....! শব্দ দিয়ে আঁকা চরিত্রগুলো সবসময়ের জন্য গেঁথে গেছে মনে..❤️
March 20, 2022
ফিঙে দিয়ে আমার ওনার লেখার সাথে পরিচয়, তার পর থেকেই ওনার ফ্যান বলা যেতে পারে।
January 24, 2023
তোমার বুকের ছোট্ট ফিঙে
উড়ুক, আরও উড়ুক...
উড়ুক, আরও উড়ুক...
June 19, 2023
sundor lekha...misti akta golpo ar majhe majhe moja gulo darun
Displaying 1 - 30 of 48 reviews



























